Logo
শিরোনাম
নওগাঁয় চোরাই অটোভ্যান উদ্ধার সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ জন আটক দ্বিতীয় বার আইজিপি পদক পেলেন রাঙ্গাবালী থানার ওসি হেলাল উদ্দিন অপহরণের ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কিশোরী উদ্ধার সহ অভিযুক্ত যুবক আটক বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত

নওগাঁয় এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় খুশি আক্তার (১৭) নামের একাদশ শ্রেনীতে পড়ুয়া এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। এআত্নহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বাবুপুর গ্রামে। খুশি আক্তার ঐ গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে।

থানা ও স্থানিয় সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী খুশি আক্তার মঙ্গলবার সকালে তার মা’র সাথে কথা কাটাকাটি'র এক পর্যায়ে মায়ের উপর অভিমান করে নিজ শয়ন ঘরে যান। এসময় তার মা বাসার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। দুপুরে খুশি আক্তারের মা ও বাবা খুশি'র ঘরে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ রাখার বিষয় জানতে পেরে তাদের সন্দেহ হলে তারা ডাক চিৎকার দেন। এসময় লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতর ফ্যানের সাথে মেয়েকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানালে, সাপাহার থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে ময়না তদন্তের জন্য সন্ধার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। এব্যাপারে সাপাহার থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান মৃতদেহ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহত ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া ঘটনার ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করার পক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



পশ্চিমাদের পারমাণবিক হামলার হুমকি দিলেন পুতিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

মার্কিন বলয়ে থাকা পশ্চিমা বিশ্বকে এবার পারমাণবিক হামলার হুমকি দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বললেন, ইউক্রেনে সেনা পাঠালেই পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকিতে পড়বে পশ্চিমা দেশগুলো। দেশটির নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্টের বার্ষিক ভাষণে ন্যাটো দেশগুলোকে উদ্দেশ করে এ হুঁশিয়ারি দেন পুতিন।

রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে তিনি আরও বলেন, কেউ রাশিয়া আক্রমণ করার চেষ্টা করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হবে। কারণ দেশটির কাছে এখন এমন অস্ত্র রয়েছে যা শত্রু অঞ্চলের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে যেকোনো সময় আঘাত করতে সক্ষম। ১৫ থেকে ১৭ মার্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। খবর তাস, আলজাজিরার।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে শত্রুদের লক্ষ্য করে পুতিন আরও বলেন, তাদের বোঝা উচিত যে আমাদেরও অস্ত্র আছে। আমাদের কাছে এমন অস্ত্র রয়েছে যা তাদের ভূখণ্ডে আঘাত করতে পারে।

তিনি অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমারা রাশিয়াকে একটি নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতায় টেনে আনার চেষ্টা করছে। বলেছেন, পশ্চিমারা এভাবে সভ্যতার ধ্বংসের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রকৃত হুমকি তৈরি করে।

সম্প্রতি সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগদান করায় হুঁশিয়ারি জোরদার করেছেন পুতিন। কারণ ফিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। ভাষণে এ অঞ্চলে সেনা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও জানিয়েছেন তিনি।

রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির ইঙ্গিতে তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই রুশ সেনাদের কাছে সরমাট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে এবং দেশটি বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অস্ত্র ব্যবস্থা নিয়েও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পুতিন। তবে রাশিয়ার মহাকাশে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের কথিত পরিকল্পনার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রধান ইউরোপীয় মিত্ররা চলতি সপ্তাহে বলেছে, তাদের ইউক্রেনে স্থল সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।

পুতিন আরও বলেছেন, সেনাবাহিনী তার যুদ্ধের ক্ষমতা বাড়িয়েছে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ইউক্রেনের ফ্রন্টলাইনজুড়ে অগ্রসর হচ্ছে। রাশিয়াকে আরব ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার ইচ্ছেও জানিয়েছেন পুতিন।

বলেছেন, এ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা রাশিয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপে হামলা চালাবে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের রটানো আজগুবি প্রচারণার কথাও এ সময় তুলে ধরেন পুতিন। বলেন, রাশিয়ার উন্নয়ন বন্ধ করতে এবং বিশ্বজুড়ে সংঘাতের জন্ম দিতেই এমন উসকানিমূলক অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পশ্চিমারা রাশিয়াকে ভেতর থেকে দুর্বল করার চেষ্টায় হেরে গেছে।

পুতিন তার বক্তৃতায় অভ্যন্তরীণ বিষয়াদিসহ দেশের অর্থনীতির কথাও তুলে ধরেছেন। রাশিয়া ভবিষ্যতে বিশ্বের চারটি বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে একটি হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তার দেশ গত বছর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সব জি-৭ দেশকে ছাড়িয়ে গেছে।

পুতিন আরও দাবি করেছেন, একটি সার্বভৌম, ক্ষমতাশালী রাশিয়া ছাড়া একটি শক্তিশালী বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা অসম্ভব। বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে রাজনীতিমুক্ত একটি নতুন বৈশ্বিক আর্থিক অবকাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

পুতিনের বক্তৃতা শুধু টেলিভিশনেই নয়, বড় ডিজিটাল স্ক্রিনেও সম্প্রচার করা হয়। সারা দেশের সিনেমা হলগুলোতেও বিনামূল্যে প্রচার করা হয়।


আরও খবর



দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশিরের করা মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা! ডিবি কর্মকর্তার মনগড়া প্রতিবেদন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চাহিদা মতো ঘুষ না দেওয়ায় চাঁদাবাজি কেন্দ্রীক আদালতে গায়েবি ও হাস্যকর প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে গিয়াস উদ্দিন নামে এক তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে করা মামলায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে ‘তিন সংবাদকর্মীসহ চার জন ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট ও দুই টন রড নিয়ে গেছে’ উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে রীতিমত হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন কক্সবাজার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন ‘দৈনিক খোলা কাগজ’ পত্রিকার উখিয়া প্রতিনিধি মুসলিম উদ্দিন। তার অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত জেরে একটি চাঁদাবাজি মামলার বিষয়ে ডিবি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন। ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর, বাকি টাকা না পেয়ে ‘রড-সিমেন্ট নিয়ে গেছে’ বলে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইজিপি ও ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার, রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাসহ দেশজুড়ে অগণিত মামলায় অভিযুক্ত আসামি বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে, গত ৩১ডিসেম্বর চারজনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কক্সবাজার আদালতে একটি মিথ্যা মামালা দায়ের করেন।

আদালত ওই মামলা জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন বাদী বশিরের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের নামে মিথ্যা, বানোয়াট, বিতর্কিত একটি গায়েবি রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে আদালত পাড়ায় হস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ একটি সাজানো চাঁদাবাজি মামলা দাখিল করেছেন।

ভুক্তভোগীদের পক্ষে সাংবাদিক মুসলিম উদ্দিন জানান, তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন আমাকে তার কার্যালয়ে ডেকে অফিস খরচের কথা বলে টাকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সেখানে নানা ধরণের বেআইনী প্রস্তাব দেন। তিনি তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের পক্ষে দেবেন মর্মে এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘টাকা না দিলে চাঁদাবাজির প্রতিবেদন দাখিল করলে মামলায় আট বছর থেকে সর্বনিম্ন পাঁচ বছর সাজা হবে। কি করবেন দেখেন, অন্যথায় এক মাসের মধ্যে জেলের ভাত খাওয়াবে’ মর্মে টাকার জন্য হুমকি দেন। 

কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন উক্ত প্রতিবেদনে আমাদের পূর্বের মামলার আসামিদের ‘নিরপেক্ষ সাক্ষী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রতিবেদনটিতে বাদীর আর্জির পূণরাবৃত্তি করেছেন। বাদী তার আর্জিতে অভিযোগ করেছে, আমরা নাকি বাদীর কাছে চাঁদা না পেয়ে রাত ১১টায় বাদীর বসতঘর থেকে দুই টন রড আর ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট নিয়ে এসেছি। যা হাস্যকর কথা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নিরপেক্ষ সাক্ষী বানানো হয়েছে তারা মামলার অভিযুক্ত মুসলিম উদ্দিনের দায়ের করা জিআর-৪৮৩/১৯ইং ও তার বাবা বাদী হয়ে দায়ের করা জিআর-৩৮৯/১৯ইং মামলার আসামি।

এছাড়াও উক্ত মামলার বাদীর সঙ্গে পূর্ব বিরোধের কারণে  মুসলিম উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও লিপিবদ্ধ করি। যার নং- ৬৪৪/২৪ইং। ভুক্তভোগীর এমন অভিযোগের ভিক্তিতে (ভুক্তভোগীর দাবিকৃত মিথ্যা মামলার) বাদীর ফৌঃ দরখাস্ত ও তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বশির আহম্মদ বাদী হয়ে আদালতে চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগ তুলে গত ৩১ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। তদন্তকারী বাদীর অভিযোগের সাথে মিল রেখে মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে টাকা না পেয়ে বাদীর অন্যায় সুবিধা নিয়ে ভিত্তিহীন একটা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

কথিত মামলার ঘটনাস্থলের আশেপাশে বসবাসকারী মোমেনা খাতুন, রাশেদা, ছকিনা খাতুনসহ স্থানীয়রা বলেন, এলাকায় চাঁদা দাবি কিংবা চাঁদা না পেয়ে লোহার রড-সিমেন্ট নিয়ে যাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। এছাড়াও ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট ও ২ টন লোহার রড নিয়ে যেখানে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিকের বেগ পেতে হয়; সেখানে কেবল ৪ জনই এতো ভারী মালামাল নিয়ে যাওয়ার গল্প পাগল-শিশুও বিশ্বাস করবেনা। তাদের মতে, তদন্ত কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে অতি উৎসাহী হয়ে একটি সাজানো মামলার অদ্ভুত প্রতিবেদন দিয়ে হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। এই ধরনের কর্মকর্তাদের কারণে ভবিষ্যতে যে কেউ যে কারো বিরুদ্ধে সাজানো মামলা করতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, তিনি তদন্তে যা পেয়েছেন, তাই আদালতে জমা দিয়েছেন।


আরও খবর



মার্চ থেকেই বাড়তে পারে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

রোকসানা মনোয়ার :  মার্চ মাসে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম আরেক দফায় বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। এ দফায় বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ বাড়তে পারে। অন্যদিকে গ্যাসের দাম বাড়বে শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহের ক্ষেত্রে; আবাসিক, বাণিজ্যিক বা শিল্প খাতে নয়। এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে খরচের ভারে কাবু সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে এর প্রভাব পড়বে সব খাতেই। ফলে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে আরও বাড়তি চাপ পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের হাতে এ মূহূর্তে দাম বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। বিদ্যুৎ ক্রয় আর বিক্রয়ের মধ্যে ব্যবধান বেশি হওয়ায় ব্যাপক ভর্তুকি দিতে হচ্ছে সরকারকে। সেই ভর্তুকি কমাতেই এ সিদ্ধান্ত। সরকারের তরফে তাই একে দাম বৃদ্ধি না বলে বলা হচ্ছে দাম সমন্বয়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্চের প্রথম সপ্তাহেই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়তে পারে। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য যে কয়লা আমদানি করতে হয় সেই কয়লার দাম এক সময় ছিল প্রতি টন ৭০ ডলার। সেটা এখন ১৩০ ডলার দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এ ছাড়া আগে ডলারের রেট ছিল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। অথচ এখন রেট ১২০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। এদিকে আগে যে পরিমাণ কয়লা আমদানি করা হতো, এখনো সেই একই পরিমাণ কয়লা আমদানি করতে হচ্ছে। ফলে সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের উৎপাদন এবং বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে বিস্তর ফারাক তৈরি হয়েছে। যার কারণে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। মার্চের মধ্যেই এ সমন্বয় হবে বলে তিনি মনে করছেন। আর গ্যাসের ক্ষেত্রে শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহকৃত অংশের দাম সমন্বয় করা হবে বলে তিনি জানান।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের ৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ, যে কোনো দিন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) পাশ কাটিয়ে নির্বাহী আদেশে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে দাম বাড়ানো হলে তা হবে গত ১৪ বছরে ১৩তম দফায় গ্রাহক পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন করে দাম নির্ধারণ করা হলে সেটা মার্চের প্রথম সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন হবে।

সর্বশেষ গত বছরের ৩০ জানুয়ারি ৫ শতাংশ খুচরা এবং পাইকারি পর্যায়ে ৮ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এক বছরে মাত্র ১৮ দিন আগে ১২ জানুয়ারি খুচরা পর্যায়ে ৫ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এ ছাড়া এক দফা বাড়ানো হয়েছে গ্যাসের দাম। এর আগে ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর পাইকারি বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। সে সময় বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বাড়ানো হয়। ইউনিট প্রতি ৫ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ২০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। যা ২০২২ সালের বিল ডিসেম্বর মাস থেকে কার্যকর করা হয়।

সর্বশেষ দুই দফায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা দাম বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ফিডার ভেদে সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এরই মধ্যে ১৭ জানুয়ারি শিল্প কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহকৃত গ্যাসের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ থেকে ১৭৯ শতাংশ পর্যন্ত। দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মানুষের জীবনযাত্রার ওপর প্রচ- চাপ তৈরি করছে।

সাধারণ মানুষ কিভাবে বর্ধিত বিদ্যুৎ বিলের চাপ সামলাবে? এমন প্রশ্নে বিদ্যুৎ বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, সরকারের কাছে বিকল্প কোনো উপায় নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিক্রির মধ্যে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিতরণ কোম্পানিগুলো লোকসান করছে গত কয়েক মাস ধরে। বিদ্যুৎ ক্রয় এবং বিক্রয়ের মধ্যে ব্যবধান বেশি হওয়ায় লোকসান বাড়ছে অনেক বেশি।

বিদ্যুৎ বিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের শুধুু অবকাঠামো আছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সব ধরনের উপকরণ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কয়লা, গ্যাস, জ্বালানি  তেল সবই আমদানিনির্ভর। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে করোনাকাল থেকে। এরপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চরম অস্থিতিশীল জ্বালানির বাজার। বেশি দামে জ্বালানি  পণ্য আমদানি করতে হয়েছে। এ ছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার পতন বড় বেশি লোকসানে ফেলেছে। আমদানি ব্যয় লাগামহীন বেড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, আইএমএফ-এর ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রেও পরার্মশ রয়েছে, ভর্তুকি তুলে দেওয়ার।

ওই কর্মকর্তা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ বছর গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ডলার সংকটে চাহিদা অনুযায়ী তেল, গ্যাস, কয়লা আমদানি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহকৃত গ্যাসের দাম ১৪ টাকা। সেটা অন্তত আরও ২০ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে। তবে দেশে গ্যাসের যে সরবরাহ ও চাহিদা তার ৬০ শতাংশই ব্যবহার হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে। তবে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না পেট্রোবাংলা।

এদিকে একাধিক বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে লোকসানে বিদ্যুৎ বিক্রি করায় প্রতিমাসে শত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) এর একজন জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা আমাদের সময়কে বলেন, বাল্ক পর্যায়ে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিক্রি করায় প্রতিমাসে ১০০ কোটি টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে কোম্পানিটিকে। শুধু ডিপিডিসি নয়, সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাই লোকসানে আছে বলে জানা যায় বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে।

গত বছরের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৪ টাকা ১৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৩৫, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৮৫ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীর ৬ টাকা ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীর ৬ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৯৫ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৯৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৩৪ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৯৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা ৫১ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১৩ টাকা ২৬ পয়সা করা হয়েছে।

আবাসিক গ্রাহক ছাড়াও বেড়েছিল সব ধরনের বিদ্যুতের দাম। এর মধ্যে কৃষি, ধর্মীয়, দাতব্য, হাসপাতাল, রাস্তার বাতি, পানির পাম্প, ক্ষুদ্রশিল্প, শিল্প, বাণিজ্য, ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনের বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। শুধু বিদ্যুতের দাম নয় সরকারের নির্বাহী আদেশে এক দফা বাড়িয়েছে গ্যাসের দামও। গত বছরই তিন দফায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা দাম বাড়ানো হয়েছিল প্রায় ১৬ শতাংশ, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ফিডার ভেদে সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। গত বছর ১৭ জানুয়ারি শিল্প কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহকৃত গ্যাসের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ থেকে ১৭৯ শতাংশ পর্যন্ত।


আরও খবর



রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

উচিংছা রাখাইন,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলার ঘাগড়ার বড়ইছড়ির বগাপাড়া এলাকায় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে মিনি ট্রাক খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ২ জন নিহত ও কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সোয়া আটটার সময় এই দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহতরা সবাই নির্মান শ্রমিক। নিহত ও আহত নির্মান শ্রমিকদের তাৎক্ষনিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব চন্দ্র কর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাঙ্গামাটি শহর থেকে একদল নির্মান শ্রমিক কাপ্তাই উপজেলায় ঢালাইর কাজে যায়। সেখান থেকে কাজ শেষ করে ঢালাইয়ের কাজের ব্যবহৃত মেশিনসহ মিনি ট্রাক (গাজীপুর ন-১১-০২১০) যোগে রাঙ্গামাটিতে ফেরার পথে ঘাগড়া এলাকার বগাপাড়ার ব্রীজে উঠার সময় মিনিট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অন্তত একশ ফুট নীচে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ২জন নিহত হয় এবং কমপক্ষে  ২০ জন আহত হয়।

দূর্ঘটনার খরব পেয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী, ঘাগড়া আর্মী ক্যাম্পের সেনাবাহিনী, কাউখালী থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরন করে। রাত নয়টায় এ রির্পোট লেখার সময় নিহত ও আহত নির্মান শ্রমিকদের তাৎক্ষনিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। 


আরও খবর



বান্দরবান সীমান্তে ব্যাপক গুলি ও বোমা বর্ষণ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

বাংলাদেশ মায়ানমার সীমান্তে ব্যাপক গুলি বিনিময় ও বোমা বর্ষণ হচ্ছে। শনিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও তুমব্রূ সীমান্তে থেমে থেমে গুলি ও বোমা বর্ষণ চলছে। বেশ কয়েকটি গুলি ও মটারশেল এসে পড়েছে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে। এতে হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও কোনাপাড়ার কয়েকটি ঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে সংঘর্ষে টিকতে না পেরে মায়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপির ১৪ জনেরও বেশি সদস্য বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের ধুমধুম বিজিবি ক্যাম্পে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। সীমান্ত পথে আরো ৩০ জনেরও বেশি বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে ঢোকার জন্য অবস্থান নিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ঘুমধুম ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ জানিয়েছেন, মিয়ানমারের বিজিপির সদস্যরা তুমব্রূ সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ আশ্রয় নিয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সীমান্তে লাগুয়া স্কুলগুলো আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি নিরাপত্তা বাড়িয়েছে সীমান্তে। নিরাপত্তা চৌকিগুলোতে সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বিজিবি।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানিয়েছেন, সীমান্তে যত অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে প্রশাসন থেকে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সীমান্তের দিকে নজর রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মির সাথে সে দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে। এ সংঘর্ষের জের ধরে গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও তুমব্রূ সীমান্তেও উত্তেজনা চলছে। মায়ানমারের বিদ্রোহীরা দখল করে নিয়েছে মায়ানমারের তুমব্রূ ক্যাম্পটি।


আরও খবর