Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

নওগাঁয় এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় খুশি আক্তার (১৭) নামের একাদশ শ্রেনীতে পড়ুয়া এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। এআত্নহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বাবুপুর গ্রামে। খুশি আক্তার ঐ গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে।

থানা ও স্থানিয় সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী খুশি আক্তার মঙ্গলবার সকালে তার মা’র সাথে কথা কাটাকাটি'র এক পর্যায়ে মায়ের উপর অভিমান করে নিজ শয়ন ঘরে যান। এসময় তার মা বাসার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। দুপুরে খুশি আক্তারের মা ও বাবা খুশি'র ঘরে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ রাখার বিষয় জানতে পেরে তাদের সন্দেহ হলে তারা ডাক চিৎকার দেন। এসময় লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতর ফ্যানের সাথে মেয়েকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানালে, সাপাহার থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে ময়না তদন্তের জন্য সন্ধার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। এব্যাপারে সাপাহার থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান মৃতদেহ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহত ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া ঘটনার ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করার পক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



তৃণমূল গোছাতে ব্যস্ত আ.লীগ

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

জহিরুল কবির আমজাদ :জাতীয় নির্বাচনের আগে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে তৃণমূল গুছিয়ে এনেছে আওয়ামী লীগ। দলের মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন জেলা-উপজেলার সম্মেলন প্রায় শেষপর্যায়ে। এসব সম্মেলন স্থলে কেন্দ্র থেকে ছুটে যাচ্ছেন দলের কেন্দ্রীয় উচ্চপর্যায়ের নেতারা। দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা নেতাদের। নির্বাচনী প্রস্তুতি ও তৃণমূলে দলীয় নেতাকর্মীদের ঢেলে সাজাতে মূলত এসব পরিকল্পনা ক্ষমতাসীনদের।

দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জানান, ২৪ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগে দলের অর্ধেকের বেশি জেলা-উপজেলাগুলোর সম্মেলন হয়েছে। দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়া শাখাগুলোর সম্মেলন আয়োজন একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের। দলের গঠনতন্ত্র অনুসারে তিন বছর পরপর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও অনেক শাখার সম্মেলন হয়েছে দুই যুগ পর। এ মুহূর্তে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা জেলা ও উপজেলাগুলোর সম্মেলন করতেই ব্যস্ত রয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে আওয়ামী লীগের ৭৮ জেলা ও মহানগর কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে ৫৯টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯টির সম্মেলন বাকি রয়েছে। খুলনা, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ এই তিন বিভাগের কোনো সাংগঠনিক জেলার সম্মেলন বাকি নেই। চট্টগ্রাম বিভাগে সাতটি শাখা, ঢাকা বিভাগে ছয়টি, রংপুর বিভাগে চারটি, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের একটি করে জেলার সম্মেলন বাকি রয়েছে।

এদিকে সারা দেশে আওয়ামী লীগের ৬৮৪টি সাংগঠনিক উপজেলা রয়েছে। এসব সাংগঠনিক উপজেলার মধ্যে প্রায় ৫৫০টি কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩০টির মতো উপজেলা ও উপজেলার মর্যাদাপ্রাপ্ত কমিটির সম্মেলন বাকি রয়েছে। এসব উপজেলার মধ্যে কিছু কমিটি যুগ পার করলেও সম্মেলন আর হয়নি। ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ জেলার একাধিক উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৫ থেকে ২০ বছর পর। ঝুলে থাকা বাকি উপজেলাগুলোর কমিটি করতে কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে তারিখ ঘোষণা করবেন।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য মতে, খুলনা বিভাগে ১১টি জেলা ও মহানগর কমিটি রয়েছে। সবগুলোরই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাকি চারটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই কেন্দ্রে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। বিভাগটিতে ৮১টি সাংগঠনিক উপজেলা রয়েছে। এর মধ্যে ১১টির সম্মেলন বাকি আছে। ৭০টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলাগুলোর মধ্যে ১২টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন বাকি রয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের চিঠি দেওয়া হবে।

খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক জানান, এ সপ্তাহে তার খুলনায় যাওয়ার কথা। সেখানে গিয়ে জেলার নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ১২ উপজেলার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগের ১৫ সাংগঠনিক জেলার মধ্যে কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ, রাঙামাটি, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও কুমিল্লা মহানগরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলন বাকি থাকা সাত জেলা হলো চট্টগ্রাম উত্তর, চট্টগ্রাম মহানগর, খাগড়াছড়ি, ফেনী, চাঁদপুর, বান্দরবান ও কুমিল্লা উত্তর। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরের সর্বশেষ সম্মেলন হয় ১৪ বছর আগে। আর চাঁদপুর জেলার সম্মেলন হয় ১১ বছর আগে।

ঢাকা বিভাগে আওয়ামী লীগের ১৭টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। এর মধ্যে ১১টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলন বাকি থাকা ছয়টি সাংগঠনিক জেলা হলো কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, ঢাকা মহানগর উত্তর ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। সম্মেলন হওয়া ১১ জেলার মধ্যে গত বৃহস্পতিবার অনুমোদন দেওয়া হয় গোপালগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এ নিয়ে ঢাকা বিভাগে মোট চার জেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগে সাংগঠনিক উপজেলা ১৭১টি; এর মধ্যে ১৩৫টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, ৩৬টির সম্মেলন বাকি আছে। ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ছয় সাংগঠনিক জেলার সম্মেলন শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে। আর যে সাতটি জেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হয়নি, সেগুলো চলতি মাসের মধ্যে অনুমোদন হবে।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ বলেন, নির্বাচনের আগে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুতির অভাব নেই। আমরাও সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। আমাদের জেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। চলতি মাসে পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা আসতে পারে।

রাজশাহী বিভাগে আওয়ামী লীগের ৯টি সাংগঠনিক জেলা ও ৮৩টি উপজেলা কমিটি রয়েছে। ৯ জেলা কমিটিরই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছে। ৮৩টি উপজেলা কমিটির তিন থেকে চারটির সম্মেলন বাকি রয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগের পাঁচ সাংগঠনিক জেলার সবগুলোরই সম্মেলন হয়েছে। বিভাগের ৪০ সাংগঠনিক উপজেলার মধ্যে ৩২টি উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ময়মনসিংহ বিভাগে এখন আটটি উপজেলা কমিটির সম্মেলন বাকি রয়েছে। বরিশাল বিভাগের সাতটি জেলা ও মহানগর কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুধু বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন বাকি রয়েছে। বিভাগটিতে ৫২টি সাংগঠনিক উপজেলা রয়েছে। সাংগঠনিক উপজেলাগুলোর মধ্যে ৪৮টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলন বাকি থাকা তিনটি উপজেলা হলো বরিশাল সদর, মঠবাড়িয়া ও পাথরঘাটা।

রংপুর বিভাগের ৯টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। সম্প্রতি রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটি ভেঙে দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিভাগে চার জেলার সম্মেলন বাকি আছে। বিভাগটিতে ৭৮টি সাংগঠনিক উপজেলা কমিটি রয়েছে। এগুলোর অর্ধেকের বেশি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাকিগুলোর সম্মেলন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সিলেট বিভাগে পাঁচ জেলা ও মহানগর কমিটি এবং ৪৯টি সাংগঠনিক উপজেলা কমিটি রয়েছে। বিভাগটির জেলাগুলোর মধ্যে শুধু সুনামগঞ্জের সম্মেলন বাকি রয়েছে। সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, সিলেটে বন্যার কারণে সুনামগঞ্জের সম্মেলন পিছিয়ে গেছে। এ ছাড়া কয়েকটি উপজেলার সম্মেলন বাকি রয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসব শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



নওগাঁয় র‌্যাবের অভিযানে ১ হাজার ৫০ লিটার মদসহ একজন আটক

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় র‌্যাবের অভিযানে ১ হাজার ৫০ লিটার চোলাই মদ সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে প্রতিবেদককে জানানো হয়, 

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা এর নেতৃত্বে শনিবার ২৮ জানুয়ারি দিনগত রাত ৯ টারদিকে নওগাঁর বদলগাছী থানাধীন মথুরাপুর ইউপির কাষ্টগ্রাম বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ৫০ লিটার চোলাই মদ সহ গজেন সরদার (৫০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী গজেন সরদার নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কাষ্টগ্রাম বাজার এলাকার মৃত রবি সরদার এর ছেলে।

অভিযানে চোলাই মদ রাখার কাজে ব্যবহারীত ২ টি প্লাস্টিক ড্রাম, ৬ টি অর্থিং পাত্র, ৫ টি প্লাস্টিকের জারিক্যান, ৬ টি প্লাস্টিকের বালতি ও ১০ টি প্লাস্টিকের কন্টিনার সহ চোলাই মদ উদ্ধার সহ মাদক ব্যবসায়ী গজেন সরদার কে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন বলেও নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত ধৃত আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ নেশা জাতীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে উৎপাদন করে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারীদের নিকট সরবরাহ করে আসছিল বলে শিকার করেছেন র‌্যাবের কাছে।

এব্যাপারে নওগাঁর বদলগাছী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদক কে নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।


আরও খবর



সংসদে মুন্সিগঞ্জের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল কলেজ চাইলেন মৃণাল কান্তি দাস

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মুন্সীগঞ্জ  প্রতিনিধি: মহান জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস বলেছেন, ‘ইতিহাস প্রসিদ্ধ একটি এলাকা। যে এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন শ্রী অতীশ দীপঙ্কর। জ্ঞান বিস্তারের জন্য যিনি সেই সময়ে সূদুর চিন পর্যন্ত গিয়েছিলেন। সেই এলাকার মানুষ একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটি, একটি পাবলিক মেডিকেল কলেজ পাবে না। সরকারের দ্বিঘোষিত নীতি অনেক জেলায় হচ্ছে। আমার জেলার মানুষ শুধু জিজ্ঞেস করে, এটি আমাদের কবে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি কড়জোরে আবেদন করবো- নিবেদন করবো, ইতিহাস প্রসিদ্ধ এই এলাকা শ্রী অতীশ দীপঙ্কর, জগদীশ চন্দ্র বসু, সিআর দাসসহ (দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস) বহু মনিষীর এই প্রিয় জন্মস্থলে আপনি এই বিশ্ববিদ্যালয় দুইটি নির্মাণ করলে আমরা কৃতজ্ঞ হবো।’

জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রসঙ্গক্রমে মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস বলেন, ‘পদ্মা নদীর পাড়, মেঘনা নদীর পাড়, গোমতি নদীর পাড়, ধলেশ্বরীর পাড়, শীতলক্ষ্যার পাড় এই এলাকায় রয়েছে অনেক চর, অনেক হাওর-বাঁওর সেখানকার মানুষ অনেক কষ্টে আছে। বন্যায় নদী ভাঙে, জায়গা নষ্ট হয়। রয়েছে ভূমিদস্যুতা, রয়েছে বালুদস্যুতা। বালুদস্যুরা মানুষের ভূমি কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে আর ভূমিদস্যুরা আমার প্রধানমন্ত্রী চান এক ইঞ্চি জমিও যাতে বিনাচাষ না থাকে। আর এই বালুদস্যুরা মানুষের জমিগুলো দিনেদুপুরে প্রশাসনের নাকের ডগায় ভেকু দিয়ে চার-পাঁচ ফিট মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা চাষ-বাস করতে পারে না। জেলা প্রশাসনকে জানাই, পুলিশ প্রশাসনকে জানাই। কোথাও সহযোগিতা পাই না। অসহায় এমপি- তার এলাকার মানুষের জান-মালের, জীবন রক্ষা করতে।’

গত রোববার সন্ধ্যায় প্রায় ১৭ মিনিটের বক্তব্যকালে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও উপস্থিত ছিলেন।

মৃণাল কান্তি দাস জাতীয় সংসদে তার বক্তব্যে আরও বলেন ‘এলাকার মানুষের কল্যাণে আমি এই পার্লামেন্টে আসার সুযোগ পেয়েছি। মনোনয়ন দিয়েছেন দেশরত্ম শেখ হাসিনা। কিন্তু এলাকার মানুষও তো আমার আছে। সেখানকার সমস্যা সমাধানের জন্যে প্রধানমন্ত্রী অনেক কিছু দিয়েছেন। সেতুমন্ত্রীও দিয়েছেন। তারপরও আমি বলবো ছনবাড়ি থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত যে সড়কটি প্রশস্তকরণ চলছে, ব্রিজগুলো নির্মাণ চলছে। গতি শ্লথ, একটু দ্রুত যদি করেন তাহলে আমার এলাকার মানুষ কষ্ট থেকে বাঁচে।’

তিনি এসময় আরও বলেন, ‘২২৫০ কোটি টাকা দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর ফ্লাইওভার এবং ফোরলেন করতে। জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া আমলাতান্ত্রিক কারণে শ্লথ হয়ে আছে। একটু গতি দিন। কাজগুলো যদি একটু দৃশ্যমান হয় এলাকার মানুষের কাছে আমরা মুখটা, আপনাদের মুখটা, আওয়ামী লীগের মুখটা, সরকারের মুখটা, শেখ হাসিনার মুখটা ওবায়দুল কাদেরের মুখটা আমার চেয়েও অনেক অনেক ‍গুন বড় হবে। আওয়ামী লীগের প্রতি এই এলাকার মানুষের সমর্থন আরও বাড়বে।’

মৃণাল আরও বলেন, ‘একটি ব্রিজ অনেকদিন যাবৎ চেষ্টা করে যাচ্ছি। গজারিয়ার মানুষের দুর্ভোগ- ফুলদি নদীর উপর একটি ব্রিজ যদি করে দেন আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো। পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মাণের পর বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক গতিতে সঞ্চার আসবে। যদি মোংলা পোর্টের সাথে চিটাগং পোর্টের দূরত্ব কমাতে হয়। ঢাকা শহরের উপর যদি যানজট কমাতে হয় তাহলে মেঘনা নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণের অবশ্যই প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। মুন্সিগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে যদি সেই সড়কটি বেরিয়ে যায় তাহলে আমার এলাকার মানুষ যেমন লাভবান হবে জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও সমধিক ভূমিকা রাখবে।’

সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমার শহরে একটি মিলনায়তন ছিলো (গণসদন)। বেশ কয়েক বছর যাবৎ বন্ধ। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তাও নির্মাণ করতে পারছি না। শিল্পকলা একাডেমিটির অবস্থা খুবই খারাপ। সংস্কৃতি মন্ত্রীকে একাধিকবার বলেছি যে, এই উপমহাদেশের সংস্কৃতি আন্দোলনের সূতিকাগার মুন্সিগঞ্জ তথা বিক্রমপুরের জেলা সদরে কেন একটি আধুনিক শিল্পকলা একাডেমি হবে না। তার দিকেও নজর দেয়ার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।’


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও

আব্দুল জলিলের কবরে নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলী

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

ঐতিহ্যবাহী নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের নব গঠিত কমিটির পক্ষ থেকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও উত্তরবঙ্গের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক জননেতা মরহুম আব্দুল জলিল এর কবরে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়েছে। 

সোমবার প্রথমেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত অনুপ্রেরণার বাতিঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। এরপর উত্তরবঙ্গের কৃতিসন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের বাতিঘর নওগাঁর মরহুম জননেতা আব্দুল জলিলের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। এসময় সেখানে মরহুমের কবর জিয়ারতের পর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব এর নতুন কমিটির সভাপতি কায়েস উদ্দিন, সহ-সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক, মীর মোশারফ হোসেন জুয়েল, সাধারন সম্পাদক শফিক ছোটন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক খন্দকার আব্দুর রউফ পাভেল, একে সাজু, অর্থ সম্পাদক হারুনুর রশিদ চৌধুরী রানা, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রউফ রিপন, প্রচার সম্পাদক লোকমান আলীসহ ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সকল সদস্য সহ অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৮জানুয়ারী নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের আগামী এক বছরের জন্য একটি নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়।


আরও খবর



নওগাঁয় শীর্তাত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় ১২শ ১০ জন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার পৌরসভা চত্বরে হেক্স/ইপার সহয়োগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশন এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহার আলী। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, ধামইরহাট পৌর সভার মেয়র আমিনুর রহমান, ডাসকোর  পরিচালক (প্রোগ্রাম) এস,এম ফখরুল বাশার, ডাসকোর ধামইরহাট উপজেলা কর্মকর্তা রওনোক লায়লাসহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। পরে ১২শ' ১০ জন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।


আরও খবর