Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নওগাঁয় মাইক্রোবাস ও ট্রাকের ধাক্কায় দু'জন মোটরসাইকেল চালক নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় পৃথক দুটি স্থানে মাইক্রোবাস ও ট্রাকের ধাক্কায় দু'জন মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের একজন

নিহত সেনা সদস্য ও অপর জন মাদ্রাসা পড়ুয়া হাফেজ। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নয়ন নামে এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সেনা সদস্য নয়ন (২৮) নিয়ামতপুর উপজেলার গোরাই গ্রামের লালচাঁন মিয়ার ছেলে।

সোমবার ২৪ জুন সকাল ৮ টারদিকে নিয়ামতপুর উপজেলার ছাতড়া গাবতলী ধর্মপুর মোড় এলাকায় দূর্ঘটনাটি ঘটে। সেনা সদস্য নয়ন ঈদের ছুটিতে বাডি় ফিরছিলেন। সকালে ছাতড়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে গাবতলী ধর্মপুর এলাকায় পৌছালে দ্রুতগামী একটি মাইক্রোবাস মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কাদিলে

মোটরসাইকেল থেকে পাকা সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই নয়ন নিহত হোন। নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে

নিয়ামতপুর থানার (ওসি তদন্ত) কওছার রহমান বলেন, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপরদিকে সোমবার দুপুরে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক জিহাদ হোসেন (১৮) নামে মাদ্রাসা পড়ুয়া কোরআন এর হাফেজ এর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, সোমবার ২৪ জুন দুপুরে নওগাঁ টু মহাদেবপুর আঞ্চলিক মহা-সড়কের বসনা ব্রীজ নামাক এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র জিহাদ হোসেন এর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত জিহাদ হোসেন হলেন, মহাদেবপুর উপজেলার রোদইল গ্রামের আবদুস সামাদ এর ছেলে। 

সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল                                                   আমিন প্রতিবেদক কে জানান, নিহত যুবক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং নিহতের পরিবার কোন অভিযোগ না করায় মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া আইনি পদক্ষেপ পক্রিয়াধীন রয়েছে 


আরও খবর



গাজা ভূখণ্ডে সিরিজ হামলা ইসরায়েলের, নিহত ৫০

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডজুড়ে চালানো সিরিজ এই হামলায় কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

সর্বশেষ এই হামলায় গাজায় জাতিসংঘ-পরিচালিত স্কুলেও হামলা করেছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৫০ ফিলিস্তিনি নিহত ও আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক হামলার ঘটনাটি ঘটেছে সম্প্রতি ঘোষিত মানবিক অঞ্চল দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসিরে।

মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে জাতিসংঘ পরিচালিত একটি স্কুলে বাস্তুচ্যুত লোকজনের ওপর আরেকটি হামলা হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, উভয় হামলার ক্ষেত্রেই তারা ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল এবং সেখানে বেসামরিক হতাহতের প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছে তারা।

ইসরায়েলি বাহিনী আরও দাবি করেছে, হামাসের সামরিক শাখার নেতৃত্বের অর্ধেক সদস্য নিহত হয়েছে এবং গাজায় ৯ মাসের ইসরায়েলি বিমান হামলা এবং স্থল অভিযানে প্রায় ১৪ হাজার সন্ত্রাসী নিহত বা আটক হয়েছেন।

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় আগ্রাসন চালাচ্ছে রাশিয়া। সেই থেকে গত ৯ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা হামলায় ভূখণ্ডটিতে ৩৮ হাজার ৭১০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে অঞ্চলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

নিহতদের এই পরিসংখ্যানে বেসামরিক মানুষ এবং যোদ্ধাদের সংখ্যা আলাদা করে উল্লেখ করা হয় না। তবে গত এপ্রিলের শেষ নাগাদ গাজার এই মন্ত্রণালয় বলেছিল, মৃতদের মধ্যে ১৪ হাজার ৬৮০ জন শিশু, নারী এবং বয়স্ক ব্যক্তি রয়েছেন।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।


আরও খবর



মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অক্ষত রাখা প্রসঙ্গে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী :

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, তাদের প্রজন্মের প্রতি সুস্থ সরকারের দায়, জনগণের দায় যুগ যুগ ধরেই থাকবে। এটা করুণা নয়, উচ্ছ্বাস কিংবা আতিশয্য নয়। দায় মুক্তির প্রচেষ্টা মাত্র। 

কোটা এই দায় মুক্তির সামান্য একটি অংশ মাত্র। এটা অনস্বীকার্য- কোটায় অনিয়ম হয়েছে, অবিবেচনা হয়েছে, এটির মিস ইউজ হয়েছে। সাংবিধানিক প্রক্রিয়াতেও ঘাটতি আছে।


 ১৯৭১  সালের পরে যারা বঙ্গবন্ধুর সরকারের উপর ভর করেছিল, রাজনীতির বিভাজন সৃষ্টি করেছিল। বিভাজনের কুফলকে সুফলে ভোগ করেছিল। আদালতের মাধ্যম দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সুযোগ সুবিধা নিয়েছিল। ছয় দফা আন্দোলন সময় দুনিয়ার মজদুর নিয়ে কথা বলেছিল। শেখ মুজিবুর রহমানকে সন্দেহ করেছিল। ছয় দফায় পাকিস্তান ভাঙার ষড়যন্ত্র খুঁজেছিল। তারাও পরবর্তীতে কোন না কোন ভাবে মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে । পরবর্তীতে সহকারী, সহযোগী, মুক্তিযোদ্ধা হয়ে এর বেনিফিট নেয়ার চেষ্টা করেছে। 

সময়ের সাথে অনেক কিছুর পরিবর্তন, সংযোজন, সংশ্লেষণ, বিশ্লেষণ, সংশোধন সময়েরই দাবি। বিশাল তারুণ্যের ইতিহাসের সংবেদনশীলতাকে পাশ কাটিয়ে, বৈশ্বিক নাগরিক হওয়ার প্রচেষ্টায় ইতিহাস বিমুখতা, ইতিহাসের নির্লিপ্ততা দুঃখজনক, দুর্ভাগ্যজনক। 

এটাও কমবেশি ভ্রান্ত, উদ্ভ্রান্ত কিংবা বহুধা বিভাজিত বিভিন্ন তান্ত্রিক রাজনীতির নিকট অতীত ও সমসাময়িক চরিত্র। এর প্রভাব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের তাড়িত করেছে, করছে।

তরুণ প্রজন্মের আশা থাকবে, আকাঙ্ক্ষা থাকবে, দাবি-দাওয়া থাকবে। তারা দাবী দাওয়া উত্থাপন করবে, তার স্বপক্ষে নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলন করবে, এটা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। 

বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট অঙ্গন। 

দেশ স্বাধীনতার পরে ৫৩ বছর অতিক্রান্ত করেছে। অনেক কিছুই আধুনিক হয়েছে। রাজনীতি ও আন্দোলনের আধুনিকায়ন দরকার। তা কার্যত হয়নি।

দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অনুমোদন করে। 

আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষিতে যে কোন নাগরিক বলতে পারে, 'আমার রাস্তা বন্ধ কেন?'

যোগাযোগ ব্যবস্থা, নাগরিক সুবিধা, ঘাট রাস্তাকে বন্ধ করে দিয়ে, জনগণের দুর্ভোগকে বাড়িয়ে দিয়ে সুযোগ-সুবিধার আন্দোলন, আন্দোলনের যৌক্তিকতাকে খাটো করে। 

এ আন্দোলন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে ঘটতে পারে ধারাবাহিকভাবে। কিন্তু তা যখন সাধারণের, জনগণের চলাচলে, জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায়, তখন তা বিতর্কের জন্ম দেয়। 

বিতর্কের জন্ম দেয় যখন হাজার বছরের কাঙ্খিত স্বাধীনতার  ঐতিহাসিক স্লোগানকে অসম্মানজনক বক্তব্যকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়। লাখো শহীদের নির্যাতন, রক্তদান, রক্ত গঙ্গার প্রবাহের বিসর্জনের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা তা কোন আন্দোলনের মাধ্যম দিয়েই উত্যক্ত কিংবা বিতর্কিত করার সুযোগ মুক্তিযুদ্ধের বিসর্জনের লাখো আত্মার প্রতি চরম অবমাননা।

'একজন একবার মুক্তিযোদ্ধা হলেই আজীবন মুক্তিযোদ্ধা নন'- এটি হুমায়ুন আজাদের কথা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রেরণা, অহংকার, অনুভূতি অনুসঙ্গকে ধারণ করেই, সম্মানজনক চর্চা করেই একজনকে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক সৈনিক হতে হয়।

 অন্যভাবে একজন একবার রাজাকার হলে বাস্তবে অথবা চেতনায় সে কিন্তু আজীবনই রাজাকার থেকে যায়। 'রাজাকার' একটি ভ্রান্ত চেতনার নাম। দেশপ্রেমহীন মুক্তিযুদ্ধের দূষকদের নাম। এদেশের সংহতি, সম্প্রীতি, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি চরম ঘৃণা ও আঘাত করা একটি ভ্রান্ত ভাবনাগুচ্ছের নাম। 

 বিশেষ্য থেকে বিশেষণে রূপান্তরিত এই ভ্রান্ত অভিশপ্ত শব্দটি আন্দোলনের স্লোগান হতে পারেনা। তরুণ প্রজন্মের ভাবনা ও চেতনার উপকরণ, উপাদান হতে পারে না। 

মুক্তিযুদ্ধের অর্জনের মহাসড়কে অবস্থান করে, চেতনার বৈপরীতে উল্লাস, উদ্দীপনা, উন্মাদনার মাধ্যম দিয়ে আন্দোলনের নামে স্বাধীনতার অহংকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করা কোনভাবেই এদেশের যেকোনো আন্দোলনেরই অংশ অঙ্গ হতে পারে না। 

এতে অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হয়। অর্জনকে অস্বীকার করা হয়। লাখো শহীদের রক্তের প্রতি বিদ্বেষ এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। 


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের এই মুহূর্তে অনিবার্য অনুসন্ধান। যারা  স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধুর সনদ ছিঁড়ে ফেলে উল্লাস করে বঙ্গবন্ধুকেই বিতর্কিত করে রাজনীতিতে ভ্রান্তির বিষ বাষ্প ছড়িয়েছিল মনে করা হয়, তারা ভিন্ন কথা বলে। যাদের সুবিধাজনক প্রভাবে ছাত্রলীগ দ্বিখন্ডিত হয়েছিল। তারা সময়ের ব্যবধানে রাজনৈতিক অস্তিত্বকে তলানিতে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সুযোগ সুবিধা নিয়েছে। নিশ্চিহ্ন তার দিকে ধাবিত হয়েছে, তাদের বক্তব্যে উস্কানি আছে। 

যারা ১৯ ৭১ সালে স্বাধীনতার সাথে সম্পর্ক না রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের নামে পাকিস্তানের সংহতির প্রতি সমর্থন যুগিয়েছে, দুর্ভাগ্য হলো,এই তারাই আমাদের ইতিহাসের , রাজনীতির, মুক্তিযুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে।

 

আমাদের রাজনৈতিক দৈন্যতা আছে। অজ্ঞতা ও নির্লিপ্ততা আছে।  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চায় ঘাটতি আছে। সবগুলো একত্রিত করলে যে প্রজন্মের সৃষ্টি হয়, সেই প্রজন্মের থেকে 'আমরা তোমরা রাজাকার স্লোগান আসতেই পারে'। অনাকাঙ্ক্ষিত, অবাঞ্চিত এ বক্তব্যের দায় কিন্তু আমাদের সবার।


অতীতের একটি ছাত্র সংগঠনের স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ডে উস্কানি, উম্বাদনা সৃষ্টিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতরা তৎপরত থাকতো। এটি কারো অজানা নয়।

এটি এদেশের সচেতন মানুষদের অজানা নয়। সেই বিশেষ সংগঠনের দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পেশার সাথে সম্পৃক্ত আমাদের পরিচিত মানুষগুলো এখন কিন্তু খুব তৎপর।

একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনকে ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত করার প্রচেষ্টা সবসময় ভালো ফল বয়ে আনেনি।

 বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বর্তমান বাংলাদেশের অর্জন ও অগ্রগতির অদম্য নেত্রী। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে তার যেমন সুবিধাবাদী সমর্থকগোষ্ঠী সৃষ্টি হয়েছে। একইভাবে বিদ্রোহী- বিদ্বেষী সুধীজনের(!) সংখ্যাও কম নয়। 

দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সুবাদে যেসব ছাত্র কিংবা শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিন স্বাধীনতার বৈপরীত্যের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল বিশেষ বিশেষ প্রতিষ্ঠানে, এখন দেখা যায়, তারা যথেষ্ট সক্রিয়। 

রাজনীতির পোড় খাওয়া একজন কথিত জাতীয়তাবাদী নেতা (মুক্তিযুদ্ধের সময়ের শান্তি কমিটির চট্টগ্রাম শহরের আহ্বায়কের পুত্র) যখন কোটা নিয়ে মন্তব্য করে, তখন তা গ্রহণযোগ্য হয় না। এক্ষেত্রে এসব মানুষের মন্তব্য একদিকে কোটা আন্দোলনকারীদের উসকে দেয়, অন্যদিকে কোটা বিরোধীদের উত্তপ্ত, উদ্ভ্রান্ত করে করে। 

সরলমনা আন্দোলনকারীদের বোধে ইতিহাসের এই অংশটুকু ধারণ করতে হবে। 


আর দীর্ঘ করার ইচ্ছা নেই। কোটা আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক সংস্কার প্রয়োজন আছে। সময়ের সাথে যেকোনো কিছুর ধারাবাহিক সংস্কারও একটি সংস্কৃতি। যে পথে, যেভাবে, যে প্রক্রিয়ায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করার পায়তারা হচ্ছে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রজন্ম কিংবা ইতিহাসকে আঘাত করা হচ্ছে, সেটা কখনোই যৌক্তিক আন্দোলনের পথ নয়। এতে সাময়িক সংকট হবে, লক্ষ্য অর্জন হবে না।

মুক্তিযোদ্ধাদের সমর্থন এখানে থাকবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, এদেশে যুদ্ধাপরাধী ছিল। তাদের অনেকের বিচার হয়েছে। বড় অংশ নীরবে নিভৃতে সমাজের আনাচে কানাচে রয়ে গেছে। আমাদের মনে রাখতে হবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা সীমিত হয়ে আসছে। এমন ভাবার কারণ নেই, একজন মুক্তিযোদ্ধার  দশটি সন্তান,  তারা যুগ যুগ ধরেই সুবিধা নিয়েই যাবে। 

সময় বলে দেবে রাষ্ট্র কখন এই সুবিধাকে সীমিত করবে। এটি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার অংশ।


এর জন্য প্রচলিত প্রক্রিয়ার উস্কানিমূলক আন্দোলন মহান মুক্তিযুদ্ধের, মুক্তিযোদ্ধার, স্বাধীনতাপ্রেমী জনগোষ্ঠীর সংহতি সম্প্রীতি কিংবা চেতনার প্রতি চরম তাচ্ছিলতা। চরম অবমাননা। উস্কানি কিংবা অনুপ্রেরণা তা যে উৎস থেকেই আসুক। তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি আশা করা যায় না।

 মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে সুরক্ষার জন্য, দীর্ঘজীবী করার জন্য তাদেরই কাজ করতে হবে। তাদের উপর যদি স্বাধীনতা বিরোধী সেই চক্রের প্রজন্ম ভর করে, তাহলে সেটা হবে খুবই দুর্ভাগ্যজনক। 


আমরা আশা করি, এক দফা, ৫ দফা এসব উস্কানিমূলক বক্তব্য বাদ দিয়ে প্রচলিত ধারায় সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে এবং আমাদের অহংকারের চেতনাকে অক্ষত রাখতে হবে। 

মনে রাখতে হবে, এখনো বাংলাদেশের অদম্য নেত্রী বঙ্গবন্ধুর রক্তের ধারাবাহিকতাকে পোষণ করে, চর্চা করে, লালন করে। 

যে নেত্রী তাঁর বাসার কাজের মানুষের সমালোচনা করে জনসমক্ষে তা তুলে ধরতে পারে। দুর্নীতিগ্রস্তদের এক বিন্দুও ছাড় দিচ্ছেন না হলে উন্মুক্ত কন্ঠে ঘোষণা দিতে পারে,তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ বহু গুণে বৃদ্ধি পাওয়া দরকার। 

তাঁর দেশপ্রেম, জনসম্পৃক্ততা, দৃঢ়তা, চেতনা ও সংহতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নাগরিক দায়িত্বের অংশ। আমরা যারা বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি, তাদের জন্য এ এক বিরল সুযোগ। বর্তমান বিশ্বের অনন্তকালের শ্রেষ্ঠ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের প্রবাহের ধারক শেখ হাসিনা।

আমাদের মা-বাবারা,দাদারা যে ভুলই করুক, মুক্তিযুদ্ধের যত বৈপরিত্যেই অবস্থান করুক, সেটি আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত। 

কথিত 'এক দফা দাবি' জানিয়ে তাঁর প্রতি ইতিমধ্যে যে অসম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে, এর জন্য নিঃস্বার্থ ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।

তখনই মুক্তিযোদ্ধারা, তাদের প্রজন্ম তা সমর্থন করবে। যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলন সফলতার দিকে যাবে। সকলের সফলতা কামনা করে সকলকেই ধন্যবাদ।

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী 

মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর- ১১ 

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ অধ্যায়ন কেন্দ্র চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়ক।


আরও খবর



রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে তাদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমার ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।



 বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মিয়ানমারের আবাসিক রাষ্ট্রদূত কাও সো তার পরিচয়পত্র পেশকালে রাষ্ট্রপতি তার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারকে এ আহ্বান জানান।



রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘বিদ্যমান রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা। আশা করি, জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত এসব জনগণ যাতে নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে তাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে পারে মিয়ানমার সেই পরিবেশ সৃষ্টি করবে।’


রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।



রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয় বাংলাদেশ।


নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সব সময় মিয়ানমারের সঙ্গে ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দেয়।


রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আশা প্রকাশ করেন, তার দায়িত্ব পালনকালে দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।



উভয় দেশেরই অন্বেষণের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক রয়েছে এবং উভয় দেশেরই এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।


বাংলাদেশ আগামী সেপ্টেম্বরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিমসটেককে শক্তিশালী করতে মিয়ানমারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ।



রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ আসিয়ানের ডায়লগ পার্টনার হতে চায়। এ ব্যাপারে তিনি মিয়ানমারের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।


রাষ্ট্রদূত ঢাকায় তার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তচ্যুতদের কারণে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে তার দেশ কাজ করছে।



মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেন, এই ব্যাপারে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা তিনি তার সরকারকে জানাবেন এবং সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।


সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এর আগে রাষ্ট্রদূত বঙ্গভবনে পৌঁছলে রাষ্ট্রপতির গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি অশ্বারোহী দল অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূতকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




লাগামহীন দামে কাঁচাবাজারে নাভিশ্বাস

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

জিনিসপত্রের লাগামহীন দামে আরেক দফা ঘা দিয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আলু, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ। অন্য অনেক জিনিসের মতো বাজারে নৈরাজ্য চালাচ্ছে পণ্য তিনটি। এর মধ্যে আলু দেশে উৎপাদিত হলেও এর দাম অসহনীয় পর্যায়ে। আমদানি করেও বশে আনা যাচ্ছে না পণ্যটিকে। আর পেঁয়াজের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এছাড়া আলু-পেঁয়াজের দামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে কাঁচা মরিচও।

টিসিবির তথ্য বলছে এক বছরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৪৭ শতাংশ, আর আলুর বেড়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ।

এদিকে রাজধানীসহ সারাদেশে আলুর সাধারণ দাম কেজিপ্রতি ৬০-৬৫ টাকা। পণ্যটির দাম ৭০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। তবে সেটি একবার নেমে ২৫-৩০ টাকায় আসার পর আবারও লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকে। তা আর থামছে না। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায় আলুর সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই; কিন্তু দাম ঊর্ধ্বমুখী। বিক্রেতারা জানান, কমার কোনো খবর নেই; বরং আরও বাড়তে পারে বলে তাদের আশঙ্কা। সরকারি সংস্থা টিসিবির বাজারদরের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৬৫ টাকা কেজিতে। এক বছর আগে পণ্যটির দাম ছিল ৩৮ থেকে ৪৫ টাকা। বছর ব্যবধানে বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

দেশে আলুর চাহিদা ৯০ লাখ টন। এর উৎপাদন নিয়ে তথ্যের গরমিল রয়েছে। কোল্ড স্টোরেজ মালিকদের পক্ষে বলা হচ্ছে, আলুর চলতি উৎপাদন ৭০ লাখ টন। আবার কৃষি বিভাগ বলছে, ১ কোটি টনের বেশি। ১ কোটি টন হলেও অন্তত ২৫ শতাংশ পচে নষ্ট হয় বলে জানা যায়। সেটি হলে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম।

আলুর দাম বাড়ার কারণ হিসেবে কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, কৃষকেরা এবার প্রতি কেজিতে ৮ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত মুনাফায় আলু বিক্রি করেছেন। গতবার ১০ থেকে ১২ টাকায় আলু বিক্রি করতে হয়েছিল। কিন্তু এবার ২৫ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি করেছে। এই দামে আলু কিনে কোল্ড স্টোরেজে রাখলে সেখানে প্রতি কেজিতে আরও ১০ টাকা খরচ হয়। বর্তমানে কোল্ড স্টোরেজেই ৪৬ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হচ্ছে। তাহলে বাজারে তো ১০-১২ টাকা বেশি দাম বিক্রি হবেই। আর প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আলুর ফলন ব্যাহত হয়, সংকট দেখা দেয়।

অপর দিকে আলুর চেয়ে পেঁয়াজের দাম আরও লাগামহীন। বলতে গেলে প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে পণ্যটির দাম। বাজারে এখন প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে। গতকাল রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজারে খবর নিয়ে এ তথ্য জানা যায়। টিসিবির হিসাবে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এ হিসাব ধরলেও গত এক বছরে পণ্যটির দাম বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

বিক্রেতাদের অজুহাত বাজারে সরবরাহ কম, তাই দাম বেশি। তাদের কেউ কউ বলছেন, দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের স্থানীয় উৎস থেকে ঠিকমতো আসছে না, আবার আমদানি করা পেঁয়াজের খরচ বেশি। ফলে দাম না বাড়িয়ে উপায় নেই।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত তিন বছরে গড়ে প্রায় ৩৫ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। সর্বোচ্চ ২৫-৩০ শতাংশ অপচয় ধরলেও যেটুকু ঘাটতি থাকে, তা আমদানি করে মেটানো হয়।

এছাড়া বাজারে কাঁচা মরিচের দাম এখনও বেশ চড়া। বিক্রেতারা জানান চলতি বছরের এপ্রিলে দেশে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে মরিচগাছ নষ্ট হয়ে যায়। এতে স্থানীয়ভাবে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয় এবং দাম বাড়তে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ভারত থেকে আমদানি বাড়লেও বাজারে মরিচের দাম সেভাবে কমেনি। সর্বশেষ দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ভালো মানের কাঁচা মরিচ ২২০-২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কম মানের কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কম; ১৫০-২০০ টাকা কেজি।

আফরিন সুলতানা নামে এক গৃহিণী বলেন, শুধু কি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে; চাল, কাঁচা মরিচ, ব্রয়লার মুরগিসবই তো বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এভাবে সংসার চালাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছি।


আরও খবর



চলেই গেলো বিদ্যুতে দগ্ধ ফাহিমা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি :

রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটের আইসিইউতে টানা ৮ দিন চিকিৎসা শেষে পরপারে পাড়ি জমালেন কিশোরী ফাহিমা(১২)। এর আগে  গত ২৪ জুন সোমবার দুপুরে নিজ ভাড়া বাসায় বিদ্যুতাযিত হযে দগ্ধ হন ফাহিমা। ঘটনাটি  চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন প্রফেসর পাড়ার সানা ডাক্তারের বাসার তৃতীয় তলায়। এতে ফাহিমার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। গত মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাতে ফাহিমাকে  দাফন করা হয়।  সে ঐ ভবনের ভাড়াটিয়া আবুল কালামের ছেলে। 


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সানা ডাক্তারের বাসার তৃতীয় তলার একটি ফ্লাটে ফাহিমা তার বাবা মাযের সাথে বসবাস করতো। এ দিন দুপুরে ঐ বাড়িতে বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা দৌড়ে তৃতীয় তলার বারান্ধায় ছুটে যান। এ সময় দেখা যায় ফাহিমার শরীর থেকে বিদ্যুতে দগ্ধ হওয়ার কারনে ধোঁয়া উঠছে।তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে সেথান থেকে তাকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটে রেফার করা হয়। স্থানীয়রা আরো জানান, বাসার সাথে হাই ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফাহিমা হয়ে কিশোরী দগ্ধ হন।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি আমরা শুনেছি।


আরও খবর