Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় ননএমপিও স্কুলের নামে পরীক্ষা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ৩১৪জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর মান্দার চকগোপাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে তার নিজ বিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষার্থীকে না জানিয়ে "চকচম্পক ছোট বালিকা বিদ্যালয়" নামের একটি নন এমপিও বিদ্যালয়ের নামে পরীক্ষা দেওয়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ঐ প্রধান শিক্ষকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরাসহ স্থানীয়রা। তারা অভিযোগ করে বলেন, নন এমপিওভুক্ত ঐ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর কোঠা পূরণ করতে এই অনিয়ম করছেন তারা।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা বলেন, চকগোপাল উচ্চ বিদ্যালয় এলাকার মধ্যে একটি সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এজন্য এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী বেশি ভর্তি হয়। ২০২৩ সালে ঐ বিদ্যালয়ের ১১৭ জন পরীক্ষার্থী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী তার প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩/১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত (নন এমপিওভুক্ত) চকচম্পক ছোট বালিকা বিদ্যালয়ের নামে শিক্ষার্থীদের না জানিয়ে রেজিষ্ট্রেশন ও ফরম পূরণ করেন। তিনি বছরের পর বছর ধরে এই অনিয়ম করে যাচ্ছেন বলে ও জানান তারা। অনুসন্ধানে দেখা যায়  চলতি ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ঐ বিদ্যালয় থেকে ১১৭ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু ঐ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিচ্ছেন ১০৪ জন বাকি ১৩ জন শিক্ষার্থীদেরকে না জানিয়ে ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলী চকচম্পক ছোট বালিকা বিদ্যালয়ের নামে ফরম করিয়ে পরীক্ষা দেওয়াচ্ছেন। সেই ১৩ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ জন বিজ্ঞান বিভাগের আর ৮ জন শিক্ষার্থী মানবিক বিভাগের। বিজ্ঞান বিভাগের ৫ জন শিক্ষার্থীরা হলেন, মরিয়ম আক্তার, উর্মিলা, সীমা খাতুন, হিরা এবং সাহরিয়া আর মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা হলেন, হাফিজা আক্তার, ইসরাত জাহান ইভা, সুমি আক্তার, তাসমিন, রাজিয়া সুলতানা রিয়া, রাজ্জুমা এবং নাহিদা আক্তার। এর মধ্যে হাফিজা আক্তার নামের এক পরীক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আলীসহ ৭ জনের নামে মামলা দায়ের করায় তাকে পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি। এজন্য হাফিজা আক্তারের পরীক্ষা দেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী কয়েকজন পরীক্ষার্থী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চকগোপাল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। অত্র বিদ্যালয়ে আমরা ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত নিয়মিত ভাবে লেখাপড়া করেছি। করোনাকালীন সময়ে জিএসসি পরীক্ষায় আমরা সকলে অটোপাস করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে কোন সনদপত্র দেয়া হয়নি। এবারের ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয় থেকে ১১৭ জন পরীক্ষার্থী ছিলাম। ঐ স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর থেকে আমাদের ১৩ জন শিক্ষার্থীদের কাউকে উপবৃত্তির টাকাও দেয়া হয়নি। আমার মত আরো ১৩ জন পরীক্ষার্থীকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অন্য স্কুলে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। চকচম্পক ছোট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আমাদের ১৩ জন ছাত্রীর নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে সেসব বিষয়ে আমরা কেউ জানতাম না। পরীক্ষার আগের দিন প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিতে গিয়ে আমরা জানতে পারি চকচম্পক ছোট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে গোটগাড়ি শহীদ মামুন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রের ১১২ নং রুমে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হবে।আর বাকি ১০৪ জন এই স্কুলের শিক্ষার্থী হিসেবে মান্দার প্রসাদপুরে “মান্দা থানা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ" কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে।

জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে চকগোপাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, তারা জেএসসি পরীক্ষাও ঐ প্রতিষ্ঠান থেকে দিয়েছে। ঐ পরীক্ষার্থীরা কোন স্কুলে ভর্তি হয়েছে এবং ক্লাস করেছে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে সাক্ষাত করতে বলেন।

চকগোপাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষার্থী আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষা দিচ্ছে কি না সেটা জানতে চাইলে সত্যতা স্বীকার করে চকচম্পক ছোট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিদুল ইসলাম বলেন, শহরের প্রতিষ্ঠানে অনেকে লেখাপড়া করে গ্রামের প্রতিষ্ঠানের নামে পরীক্ষা দিচ্ছে। তাতে সমস্যা কি?

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহ আলম শেখ বলেন, এবিষয়ে আমি কিছু জানিনা। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখছি।

জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, এব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। স্বীকৃতি প্রাপ্ত এক স্কুলের শিক্ষার্থীকে অন্য কোনো স্কুলের শিক্ষার্থী হিসাবে দেখিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার কোন নিয়ম নেই। এরপরেও যদি এরকম ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে 


আরও খবর



বিশৃঙ্খলার শংকা স্থানীয়দের

নওগাঁয় মেলা বন্ধে উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৭১জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা বন্ধে চেম্বার এর লিখিত আবেদনে সারা দেয়নি নওগাঁ জেলা প্রশাসন। এনিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা তৈরী হয়েছে। 

অন্যদিকে পুলিশ এর ডিএসবি প্রতিবেদন ছাড়াই মেলার আয়োজনে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নওগাঁ শহরের প্রাণকেন্দ্র মুক্তির মোড়ে তৃনমূল নারী উদ্যোক্তা সেসাইটি -গ্রাসরুট জোড়েসোরে মেলার আয়োজন করছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষনা করা না হলেও শোনা যাচ্ছে মেলার উদ্বোধন ২৫ মে। নওগাঁ জিলা স্কুলের সামনে মাইক্রোষ্ট্যান্ড সড়িয়ে বিশাল এলাকা জুড়ে প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেলেছে মেলা আয়োজকরা। ভেতরে ও বাইরে ডেকোরেশন, ষ্টল নির্মান করা হচ্ছে। এছাড়া বড় পরিসরে শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র ও হোটেল-রেস্তোরা বসানোর কাজ চলছে। জেলা স্কুলের প্রধান ফটক ঘেঁষে ফুটপাত জুড়ে বসছে খাবারের দোকান। 

নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডষ্ট্রির সভাপতি ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল জানান, নওগাঁ শহরের মুক্তি মোড়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সেই অনুমতি পেয়ে গ্রাসরুট মেলার আয়োজন করছে। অথচ চেম্বার ও জেলা পুলিশকে কিছুই জানানো হয়নি। এমনকি মেলা আয়োজনের জন্য সাম্প্রতিক পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পর্যন্ত নেয়া হয়নি। 

চেম্বার সভাপতি আরো জানান, নিয়ম অনুসারে মেলা আয়োজন করতে গেলে অন্তত এক মাস পূর্বে আয়োজককে স্থানীয় চেম্বার অব-কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির মাধ্যমে অনুমতি গ্রহন করতে হয়। মেলার স্থান বরাদ্দসহ নির্ধারিত ফি জমা দেয়ার চালান প্রমানসহ দাখিল করতে হবে। কিন্তু গ্রাসরুট চেম্বারের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ করেনি। মেলার জন্য নির্ধারিত ফি জমা দেননি এবং কোন প্রকার সুপারিশ পত্র গ্রহণ করেনি। যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পরিপত্রের সঙ্গে সমন্বয়হীন। তাই দ্রুত এই মেলার আয়োজন বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে ২৩ মে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত ভাবে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু তিনি এখনও কোন উদ্যোগ গ্রহন করেননি। ফলে শহরের বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

অপরদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা আয়োজিত মেলা বন্ধের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন স্থানে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনকারীরা জানান, এসএসসি পরীক্ষা শেষ হলে বিদ্যালয়গুলোতে অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। এসময় মেলা চলানো হলে শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ার দারুন ভাবে বিঘ্নিত হবে। তারা আরো বলেন, শোনা যাচ্ছে মেলার প্রবেশ টিকিট মূল্য ২০ টাকা। ওই টিকিটে লটারী বা জুয়া চালানো হবে। এতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়ার শংকা রয়েছে। এছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই এতো বড় মেলার আয়োজন পুরোটাই নিরাপত্তাহীন বলে মন্তব্য করেছেন তারা। তাই দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে মেলা বন্ধ করা না হলে আন্দোলন কর্মসূচীর প্রস্ততি নেয়ার কথা জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। 

এ বিষয়ে মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান তৃনমূল নারী উদ্যোক্তা সোসাইটি -গ্রাসরুট এর স্থানীয় প্রতিনিধি মর্জিনা লাকি বলেন, জেলা প্রশাসন মেলা আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে। বন্ধের কোন নির্দেশনা দেয়নি। 

এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক জানান, শহরের মুক্তি মোড়ে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা আয়োজনের বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় মেলা বন্ধের জন্য স্থানীয়দের পাঠানো একটি লিখিত আবেদন পাওয়া গেছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কিম্বা প্রশাসনের কোন কর্মকর্তা মুখ খুলছেন না। যোগাযোগ করা হলে তাঁরা সাংবাদিকদের এড়িয়ে চলছেন। 


আরও খবর



ভোটের জন্য প্রস্তুত গাজীপুর

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ৪৭জন দেখেছেন

Image

গাজীপুর সিটি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা মঙ্গলবার রাত থেকে শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারই প্রথম সিটির প্রায় ১২ লাখ ভোটার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ইভিএম মেশিনে ভোট দেবেন। এখন সব ভোটারের অপেক্ষা ভোট উৎসবের জন্য।

নির্বাচনে আট মেয়র প্রার্থী, ২৪৬ জন সাধারণ কাউন্সিলর এবং ৭৯ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এদের মধ্য একজন মেয়র, ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৫৭ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৯ জন নারী কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন ভোটাররা। প্রায় ৪০ লাখ নগরবাসীর সেবার জন্য কারা হচ্ছেন জনপ্রতিনিধি, এটাই নির্ধারণ হবে ২৫ মের এ নির্বাচনে। অবশ্য এরই মধ্যে একজন সাধারণ কাউন্সিলর বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

গাজীপুর সিটি নির্বাচনের দিকে শুধু নগরবাসী নয়, সারা দেশ এমনকি বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রের মানুষ তাকিয়ে আছে। অবশ্য এ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিচ্ছে না। প্রথমে মানুষের ধারণা ছিল নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে না। কিন্তু বিএনপি পরিবারের সন্তান এবং সাবেক মেয়রের মা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় এ নির্বাচন পেয়েছে নতুন মাত্রা। অনেকের মতে, এ নির্বাচন হতে যাচ্ছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের সঙ্গে আলাপকালে এমন আভাস পাওয়া গেছে।

এদিকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। রিটার্নিং অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমারা প্রস্তুত। এরই মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার সদস্য নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত থাকবেন। নির্বাচনী এলাকার ৪৮০টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৯৭টি ভোট কক্ষ থাকবে। নির্বাচনে ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৭ জন, নারী ভোটার ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬৯৮ এবং ১৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।

নির্বাচনে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, অঙ্গীভূত আনসার বা ভিডিপি সদস্যসহ ১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৭ জন দায়িত্ব পালন করবেন। এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে গঠিত মোবাইল ফোর্স সিটির প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি, প্রতি তিনটি সাধারণ ওয়ার্ডে স্ট্রাইকিং ফোর্স একটি এবং মহানগরের আটটি থানায় একটি রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। এছাড়া প্রতি দুটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে টিমসহ র‌্যাবের ৩০টি টিম, পাঁচটি সাধারণ ওয়ার্ডে এক প্লাটুন হিসেবে বিজিবির ১৩ প্লাটুন সদস্য এবং ১৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্রেট নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা ভোটগ্রহণের পূর্বের দুই দিন (মঙ্গলবার থেকে) ভোটগ্রহণের দিন এবং ভোটগ্রহণের পরের দুই দিন (২৭ মে) পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্তরা আসতে শুরু করেছেন গাজীপুরে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকায় ভারী যানবাহনসহ ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা এবং আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, আগ্নেয়াস্ত্রসহ চলাচল ও বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। এ বিষয়ে জিএমপির জারি করা গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বুধবার (২৪ মে) রাত ১২টা থেকে ২৫ মে রাত ১২টা পর্যন্ত যে কোনো ধরনের ভারী যানবাহনসহ ট্রাক, পিকআপ ইত্যাদি চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে মঙ্গলবার (২৩ মে) রাত ১২টা থেকে ২৬ মে সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী এলাকায় ২৩ মে ভোর ৬টা থেকে ২৭ মে রাত ১২ পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, আগ্নেয়াস্ত্রসহ চলাচল নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

 


আরও খবর



স্কুলছাত্রী মুক্তিকে হত্যার প্রতিবাদে নওগাঁয় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মে ২০২৩ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার  :

নেত্রকোনায় স্কুলছাত্রী মুক্তি রাণী বর্মণকে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়ীতদের কঠোর বিচার দাবিতে নওগাঁয় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপূরে নওগাঁ জেলা শহরের মুক্তির মোড়ে ঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করা হয়।

বাংলাদেশ উদীচী শিল্প গোষ্ঠী, সামাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এবং চারণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে  এই কর্মসূচী পালন করা হয়।

বাংলাদেশ উদীচী শিল্প গোষ্ঠী নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি আতাউল হক সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাসদের নওগাঁর আহবায়ক জয়নাল আবেদিন মুকুল, সিপিব‘র নওগাঁর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সিপিবি’র সাবেক সভাপতি ও সদস্য প্রদ্যুৎ ফৌজদার, উদীচীর সহ-সভাপতি উৎপল সাহা, উদীচীর নওগাঁর সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, চারণ সাংস্কৃতিক নওগাঁর সদস্য সচীব আলিফ পাহান, সিপিবি’র সদরের সাধারণ সম্পাদক আলীমূর রেজা, বাসদ শাহিন চৌধুরী প্রমূখ  ।

বক্তরা বলেন, বখাটে কর্তৃক প্রেম প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারনে মঙ্গলবার দুপুরে স্কুল থেকে বান্ধবীদের সাথে বাড়ি ফেরার পথে পথ আটকিয়ে বখাটে কাওসার ধারালো দা দিয়ে মুক্তিরাণীকে কুপিয়ে জখম করেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মুক্তিকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মুক্তি মারা যান। ঘটনায় পরদিন বুধবার অভিযুক্ত কাওসারকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। বক্তরা আরো বলেন, সারাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এই ভাবে প্রকাশ্যে হত্যাকান্ড চালোনো হচ্ছে।  এই নৃশংস হত্যার সাথে জড়িত হত্যাকারী কাওসারসহ আরো জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে । 

অভিযুক্ত বখাটে কাওসার নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার প্রেম নগর গ্রামের শামসু মিয়ার ছেলে। 

নিহত মুক্তা রাণী বর্মণ বারহাট্টা উপজেলার বাউসি ইউনিয়নের ছালিপুরা গ্রামের নিখিল বর্মনের মেয়ে। সে প্রেম নগর ছালিপুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো। 


আরও খবর



বাংলাদেশিদের জন্য ই-ভিসা চালু করল সৌদি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মে 2০২3 | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

বাংলা‌দে‌শি নাগ‌রিক‌দের জন‌্য ই-‌ভিসা চালু ক‌রে‌ছে সৌ‌দি আরব। প্রথম দেশ হি‌সে‌বে এ সু‌বিধা পা‌ওয়ার মধ‌্য দি‌য়ে সৌ‌দি আরবে যে‌তে বাংলা‌দে‌শি‌দের স্টিকার ভিসা লাগ‌বে না।

সোমবার (১ মে) ঢাকার সৌদি দূতাবাসে এক অনুষ্ঠানের মাধ‌্যমে ই-ভিসার উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠা‌নে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশের নাগরিকরা আজ থেকে ই-ভিসা নিয়ে সৌদি আরব যেতে পারবেন। তাই আর স্টিকার ভিসার প্রয়োজন হবে না।

রাষ্ট্রদূত ব‌লেন, আগে বাংলাদেশিদের ওমরাহর জন্য ই-ভিসা চালু ছিল। তবে এখন থেকে সব ধরনের ভিসার ক্ষেত্রে ই-ভিসা নেওয়া যাবে।

সুদান থে‌কে বাংলা‌দে‌শি নাগ‌রিক‌দের সৌ‌দি আরব নেওয়া প্রস‌ঙ্গে এক প্রশ্নের জব‌া‌বে তিনি ব‌লেন, সুদান থেকে ১০০টি দেশের ৬ হাজার লোককে উদ্ধার করেছে সৌ‌দি। বাংলাদেশের নাগরিকদেরও উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। সুদান থে‌কে কেউ সৌ‌দি‌তে আশ্রয় চাইলে তাদের তা দেওয়া হবে।

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক শহীদুল আলম বলেন, ভিসা ইংরেজি বা বাংলা ভাষা থাকলে সুবিধা হয়। কারণ বাংলা‌দে‌শি‌ যেসব কর্মী দেশ‌টি‌তে যান তারা আরবি ভাষা পড়তে পারেন না। পরবর্তীতে সৌদি আরব ই-ভিসায় ইংরেজি বা বাংলা ভাষা সংযোজন করবে ব‌লে আমরা আশা কর‌ছি।


আরও খবর



গ্যাসলাইন বিস্ফোরণ

গেন্ডারিয়ায় একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৯০জন দেখেছেন

Image

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা বাজারে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তারা হলেন আব্দুর রহিম (৫০), তার মেয়ে মিম আক্তার (২২) ও নাতি আলিফ (২)।

সোমবার (১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধ আব্দুর রহিমের ছেলে আল-আমিন বলেন, আমাদের বাসা ও দোকান ধূপখোলা বাজারে। বাসার সঙ্গে ওই দোকানে গ্যাসলাইন মেরামতের সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। এতে আমার বাবা-বোনসহ তিনজন দগ্ধ হয়।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে কর্তব্যরত এক চিকিৎসক বলেন, ধূপখোলা বাজার থেকে তিনজন দগ্ধ হয়ে এসেছেন। তাদের মধ্যে দুই বছরের এক শিশু রয়েছে। আব্দুর রহিমের শরীরের ৩০ শতাংশ, মিমের ২০ শতাংশ ও শিশুটি সামান্য দগ্ধ হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শন) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, দগ্ধ তিনজনকে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

 


আরও খবর