Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নওগাঁয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে বিলবোর্ড স্থাপন

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও সাফল্য তুলে ধরতে নওগাঁ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে বিলবোর্ড স্থাপন করেছে আজমীর ইন্টারন্যাশনাল। ইতোমধ্যেই এর সুফল ভোগ করছে নওগাঁবাসী। লাইফষ্টাইল, হেলথ এডুকেশনস এন্ড প্রমোশন, স্বাস্থ্য শিক্ষা, ব্যুরো, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এসডিজির দিকে "ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ" অর্জনে এল এবং এইচইপি উদ্যোগের উপর ভিডিও-অডিও ডকুমেন্টারির নির্মাণ ও স্মার্ট বাংলাদেশ শীর্ষক সেবা প্যাকেজের ২০২৩-২০২৪ এর আওতায় আজমির ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্ম এর সহযোগিতায় নওগাঁ জেলায় ব্রান্ডিংকৃত গাড়ীর মাধ্যমে সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন এবং ৩ হাজার লিফলেট বিতরণ করেছেন। এছাড়াও অত্র দপ্তরের সামনে ১টি বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।


আরও খবর



জামাই কেড়ে নিল শশুরের প্রাণ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::


জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের নন্দীগ্রাম (বানিয়া পুকুর) আর্দশ (আশ্রয়নে) আপন মেয়ে জামাইয়ের চাকুর আঘাতে শশুড় মারা গেছে। উপজেলার নিকড়দীঘি গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে জামাই মোঃ ফারুক হোসেন (২৫)। 


আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাস করা মৃত শুকুর আলীর ছেলে ভুমিহীন কৃষক শশুড় ছুনছু মিয়া। ছুনছুর স্ত্রী আয়েশা বেগম জামাই ফারুক ও তার বাবার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করলে পুলিশ রাতেই বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। সরেজমিনে এলাকাবাসি ও ছুনছুর পরিবার বলেন, মাদক সেবী জামাই প্রায় মেয়ে সুমাইয়াকে শারীরিক নির্যানত করত। 


জামাইয়ের অত্যাচার থেকে মেয়েকে রক্ষা করতে মেয়েকে শশুড় বাড়ি যেতে দেয়নি। গত (৬ জুলাই) বৃহস্পতিবার ছেলের বউকে নিতে ইউসুব ও কয়েকজন বানিয়া পুকুর আর্দশ গ্রামে ছুনছুর বাড়িতে আসেন। এ বিষয়ে আলোচনার এক-পর্যায়ে উভয় পরিবারের লোকজনের মধ্যে উচ্চবাচ্য কথা কাটাকাটি হয়। ছেলের বউ শশুড়ের সঙ্গে যেতে না চাইলে ইউসুব বাড়িতে ফিরে যায়। 


ওইদিন বিকাল বেলা নন্দীগ্রাম চারমাথায় বাজার করতে যায় ছুনছু মিয়া। এসময় জামাই ফারুকের কাছে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে শশুড়রের শরীরের বিভিন্ন স্থানে (৫-৬) টি আঘাত করে। গুরত্বর আহতবাস্থায় ছুনছুকে উদ্ধার করে প্রথমে মহীপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিবারের লোকজন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 


ঢাকায় চিকিৎসারত্ব অবস্থায় গত শুক্রবার দুপুরে সে মারা যায়। নিহত ছুনছুর স্ত্রী আয়েশা বেগম স্বামীর হত্যাকারী পাষন্ড জামাই ফারুকের ফাঁসি দাবি করেন। মেয়ে সুমাইয়া আক্তারও বলেন, আমার জন্মদাতা পিতাকে যে হত্যা করতে পারে সে আমার স্বামী হওয়ার অধিকার রাখে না। আমি আমার বাবা হত্যার সঠিক বিচার চাই। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ছুনছুর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌছায়নি।



আরও খবর



বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিনিধি:


তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানো হয়েছে। গতমাসের তুলনায় চলতি মাসে (জুলাই) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৬৬ টাকা করা হয়েছে।



আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন নতুন এ দাম ঘোষণা করেন। আজ সন্ধ্যা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান।



চেয়ারম্যান আরও বলেন, ৫.৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬২৭ টাকা, ১২.৫ কেজির ১ হাজার ৪২৩ টাকা, ১৫ কেজির ১ হাজার ৭০৮ টাকা, ১৬ কেজির ১ হাজার ৮২২ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৪৯ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ২৭৭ টাকা, ২২ কেজির ২ হাজার ৫০৫ টাকা, ২৫ কেজির ২ হাজার ৮৪৭ টাকা, ৩০ কেজির ৩ হাজার ৪১৬ টাকা, ৩৩ কেজির ৩ হাজার ৭৫৭ টাকা, ৩৫ কেজির ৩ হাজার ৯৮৫ টাকা এবং ৪৫ কেজির এলপিজির দাম ৫ হাজার ১২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।



সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১০ দশমিক শূত্য ৩ টাকা।



 গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ২৪৪৫ টাকায় বা প্রতি ঘনমিটার ২৪৪ দশমিক ৫০ টাকায় সমন্বয় করা হয়।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




স্পেনের বার্সেলোনায় শাকিবের 'তুফান' দেখল একজন দর্শক

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিনোদন ডেস্ক:


দেশে দারুণ সাফল্যের পরে বিশ্বের ১৫টি দেশে মুক্তি পেয়েছে শাকিব খানের নতুন ছবি ‘তুফান’। তবে রায়হান রাফী পরিচালিত এই সিনেমাটি বিভিন্ন দেশে সিনেমাটি দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেললেও ভিন্ন চিত্র দেখা গেল স্পেন-এর বার্সেলোনার একটি থিয়েটারে। 



বার্সেলোনার একটি থিয়েটারে শতাধিক আসনের থিয়েটারে মাত্র একজন দর্শক এই সিনেমা দেখেছেন। শনিবার বিকেলে ফারিয়া আক্তার আনিতা নামের এক তরুণীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন একটি চিত্রের দেখা মিলেছে।



ভিডিওতে ওই তরুণীকে বলতে শোনা যায়, আমি শাকিব খানের বড় একজন ভক্ত। এই মুহূর্তে তার ‘তুফান’ দেখছি বার্সেলোনা। আই লাভ মুভি। আমি ‘তুফান-২’-এর অপেক্ষায় আছি। পুরো থিয়েটারে আমি একাই কিন্তু, আমি কিছু মনে করছি না (হাহাহা)।


ভিডিওতে, আনিতা বাদে কাউকে থিয়েটারে দেখা যায়নি। তবে তিনি বেশ উপভোগ করেছেন সিনেমাটি সেটাও জানিয়েছেন।



আনিতা আরও লেখেন, ‘এটা সত্যিই ভালো মুভি, মানুষের দেখা উচিত। এই মুহূর্তে শাকিবের অভিনয় দক্ষতা এখন বলিউড অভিনেতাদের চেয়েও ভালো।’




আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সুইডেন, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, পর্তুগাল, আবুধাবি, বাহরাইন, কাতার, ওমানের শতাধিক থিয়েটারে মুক্তি পেয়েছে ‘তুফান’।


আরও খবর



অবৈধ পার্কিংয়ে নগরজুড়ে নৈরাজ্য, বাড়ছে যানজট

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

মার্কেট আছে, গাড়ি আছে, কিন্তু নেই পার্কিং। ফলে সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা। এতে বাড়ছে যানজট ও জনদুর্ভোগ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠছে শহরের পথঘাট, অলিগলি। সৃষ্টি হচ্ছে নানা প্রতিবন্ধকতা। নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে হিমশিম খেতে  হচ্ছে নগরবাসীকে। রাস্তা দখল করে পার্কিংয়ের কারণে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনাও। রাজধানীতে পার্কিং নৈরাজ্য দীর্ঘদিনের। দিন যতই যাচ্ছে, ততই এ সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে। বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য বলছে, ঢাকায় ৩০ শতাংশ যানজটের জন্য দায়ী অবৈধ গাড়ি পার্কিং।

এ জন্য প্রতিবছর অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি হচ্ছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীতে অন্তত ১৫ হাজার বহুতল ভবনে নেই পার্কিং সুবিধা। ফ্ল্যাট অনুপাতে আরও লক্ষাধিক বহুতল ভবনে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা নেই। ফলে ব্যস্ত সড়কের উপর অবৈধভাবে বাড়ছে গাড়ি পার্কিং। এতে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কগুলো সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এসব অবৈধ পার্কিং নগরবাসীর জীবনে বিষফোঁড়া হয়ে উঠছে। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন ঢাকাবাসী। পদ্মা সেতু চালু হলে ঢাকায় যানবাহনের সংখ্যা আরও বাড়বে। এতে থমকে যাবে মানুষের চলাচল। সরকার কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিদিনই বাড়ছে গাড়ি, কমছে সড়ক। 
রাজধানীর পার্কিং নৈরাজ্য কমাতে ২০০৭ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছিল। তবে ২০২৩ সালে এসেও তা আলোর মুখ দেখেনি। হয়নি নীতিমালাও। বিভিন্ন সময় পার্কিং নৈরাজ্য নিয়ে একাধিক সংস্থা কাজ করার কথা বললেও, সমস্যার জটিলতা কমেনি। বরং এই সময়ে পার্কিং নৈরাজ্য বেড়েছে বহুগুণ। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর অধিকাংশ ভবনের নেই পার্কিং-এর ব্যবস্থা। বড় বিপণি বিতানগুলোতে পার্কিং ব্যবস্থা থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। এ ছাড়া সড়কের পাশেই গড়ে ওঠা মার্কেটগুলোতে রাখা হয় না পার্কিংয়ের সুবিধা। ফলে গাড়ির মালিকের ইচ্ছা ও চালকদের সুবিধার জন্য সড়ককেই বেছে নেন। ব্যস্ত ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকা, কিংবা মার্কেটের সামনের রাস্তায় চোখে পড়ে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ের দৃশ্য। ফুটপাথ থেকে শুরু করে যেখানে সেখানে রাখা হচ্ছে এসব গাড়ি। সুবিধা মতো পার্কিংয়ের জায়গা না থাকায় যত্রতত্র গাড়ি রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন চালকরা। সড়ক দখল করে গড়ে তোলেন বাস কিংবা কার স্ট্যান্ড। সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। বিশেষ করে অফিস সময়ে অসহনীয় যানজটের ভোগান্তির শিকার হতে হয় কর্মজীবীদের। ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন ঢাকার রাস্তায় নতুন করে শতাধিক যানবাহন রাস্তায় নামে। ফলে সড়কে গাড়ি পার্কিং বেড়েই চলছে। এতে যানবাহন চলাচলের গতি কমে যাচ্ছে।

রাজধানীর কাওরান বাজার। সেখানেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়। অফিস থাকলেও সংস্থাটির কার পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। সড়কের উপর বেশ কয়েকটি খুঁটি বাসিয়ে পার্কিংয়ের জায়গা করে নিয়েছে সরকারের সেবাদাতা এ প্রতিষ্ঠানটি। শুধু সিটি করপোরেশনেই নয়। জনতা টাওয়ার থেকে পেট্রোবাংলা পর্যন্ত পুরো সড়কের উপর অবৈধভাবে পার্কিং করছে আরও ৯/১০ সরকারি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রতিদিনই ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগেই থাকছে। রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের দিলকুশা। ব্যাংকপাড়া হিসেবেও বেশি পরিচিত স্থানটি। সরজমিন গত মঙ্গলবার দুপুরে দেখা গেছে, এখানে প্রতিটি সড়কের অলিগলিতে রাখা হয়েছে ছোট বড় গাড়ি। গোটা বাণিজ্যিক এলাকায় যানজট লেগে আছে। এই এলাকায় অধিকাংশ বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে কোনো রকম পার্কিং সুবিধা ছাড়াই। হাতেগোনা কিছু নতুন ভবনে অপর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা রয়েছে। আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি ফ্ল্যাটগুলোতে পার্কিং সুবিধা থাকলেও সেগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশ বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

দিলকুশায় সাধারণ বীমা টাওয়ারে ২০০৬ সালে পার্কিং ব্যবস্থা চালু করা হলেও সেখানে গাড়ি উঠছে না। অথচ ব্যস্ত সড়কের দুপাশে হাজার হাজার গাড়ি দিনভর পার্ক করে রাখা হয়েছে। ৩৭তলা সিটি সেন্টারেও প্রায় সাড়ে ৫শ গাড়ি পার্ক করার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানেও গাড়ি উঠছে না। পল্টন-মতিঝিল রুটে চলছে মেট্রোরেল নির্মাণকাজ। এতে দুইদিকে সরু হয়ে গেছে সড়ক। এই সরু সড়কের ওপর রাখা হয়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি। এতে গণপরিবহন চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। তৈরি হচ্ছে যানজট। শাপলা চত্বর থেকে নটরডেম কলেজ পর্যন্ত সড়কেরও একই চিত্র। সড়কের কোথাও নেই তিল পরিমাণ খালি জায়গা। গাড়ি সড়কের ওপর রেখেই এসব স্থানে খোশগল্পে মেতে উঠেছেন চালকরা। সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ফুলবাড়িয়া, গুলিস্তান, মগবাজার, ফার্মগেট, তেজগাঁও, সাতরাস্তা, মেয়র আনিসুল হক সড়ক, বনানী, গাবতলী, টেকনিক্যাল, মিরপুর ১ ও ১০ নম্বর, ধানমণ্ডি, গুলশান, বাড্ডা, নতুনবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ওপর বাস রাখার কারণে নগরবাসীর অশান্তির শেষ নেই।

সূত্রে জানা যায়, পার্কিং নৈরাজ্য কমাতে ২০০৭ সালে মহাপরিকল্পনা হাতে নেয় সিটি করপোরেশন। সেটিকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওই সময়ে ডিএসসিসির আরবান প্ল্যানিং বিভাগ একটি খসড়াও তৈরি করে। রাজধানীর পার্কিং স্পটগুলোতে কত সংখ্যক গাড়ি পার্কিং করা যায় তাও নির্ধারণ করা হয়। তখন সিদ্ধান্ত হয় নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করবে গাড়ি। দিতে হবে টোল। টোল আদায় কর্মীদের অনুমতি ছাড়া রাস্তার পাশে কেউ গাড়ি পার্কিং করতে পারবে না। তখন আশা করা হয়, এতে গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে ফিরে আসবে শৃঙ্খলা, কমে যাবে যানজট। তবে নানা জটিলতায় পার্কিং নিয়ে মহাপরিকল্পনা আটকে যায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সিটি করপোরেশন, রাজউক, ঢাকা ওয়াসা, সওজ, রেলওয়েসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো পার্কিং স্পেস বাড়াতে উচ্ছেদে নামে। সড়ক সংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা এবং বহুতল ভবনের কার পার্কিং স্পেস অবমুক্ত করা হয়। তখন বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে পার্কিং স্পেস ছেড়ে দেন ভবন মালিকরা। অনেক মার্কেটের আন্ডারগ্রাউন্ডে বাণিজ্যিক কাজে ভাড়া দেয়া স্থাপনা ভেঙে ফেলেন। পরে সরকার পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যায় সব চিত্র। ফের পার্কিং স্পেস ও আন্ডারগ্রাউন্ড বাণিজ্যিকীকরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ ফজলে রেজা সুমন বলেন, আমাদের দেশে পার্কিং নৈরাজ্য কমাতে কোনো গাইডলাইন নেই। প্রতিটি রোডে পার্কিং ব্যবস্থা রাখতে হয়। সেটা আমাদের দেখে নেই। গণপরিবহনের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বেশি। যা মোটেও কাম্য নয়। আমরা বারবার বলে আসছি- প্রতিটি সড়কে পার্কিং ব্যবস্থা রাখা হোক। প্রয়োজনে এর জন্য একটা চার্জ নিতে পারে সরকার। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এসব আমলে নিচ্ছেন না। তিনি বলেন, ঢাকায় গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য জায়গা প্রয়োজন ২৫ শতাংশ। অথচ আছে মাত্র ৮ শতাংশ। সেটাও দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। এজন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে মহাপরিকল্পনার বিকল্প কিছু নেই। ঢাকায় প্রতিটি ভবন নির্মাণকালে গাড়ি পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত জায়গা রাখা হচ্ছে কিনা সিটি করপোরেশন ও রাজউকসহ সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়াতে হবে। এ ছাড়া রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে গড়ে তুলতে হবে পরিকল্পিত পার্কিং ব্যবস্থা। পার্কিং নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত সুবিধাভোগীদের লাগাম টানতে হবে। সড়কে কিংবা ফুটপাথে গাড়ি রাখলে তার মালিক ও চালকদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তাহলেই পার্কিং নৈরাজ্য কমে আসবে।

ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন বলছে- নগরীর ভেতরে পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত স্থান নেই। এ ছাড়া বাসের রুট পারমিটেও চরম নৈরাজ্য চলছে। অবৈধ পার্কিং ঠেকাতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। শিগগিরই পার্কিং নৈরাজ্য বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বলছে, যারা সড়কে গাড়ি নামান, তারা অনুমোদন নেয়ার সময় নিজস্ব পার্কিং জোন দেখান। যদিও পরে সেসব স্থানে গাড়ি পার্কিং করা হয় না। ফলে সড়কের ওপর অবৈধভাবে পার্কিং করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেন। গাড়ি রেখে যারা সড়ক দখল করবে বিআরটিএ আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:


কুষ্টিয়ার চৌড়হাস এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ আহত হয়েছেন। কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যাপক পুলিশ পাহারায় কুষ্টিয়ার মজমপুর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এরপর তারা মিছিল করে চৌড়হাস এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে।

পরে বিকেল ৫টার দিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মোটর সাইকেলযোগে চৌড়হাস এলাকায় এসে শিক্ষার্থীরাদের ওপর হামলা চালায়। এ তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরে শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের ধাওয়া দিলে তারা পিছু হটে।

পরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগ নেতাদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে, একটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এরপর মজমপুর গেটে এসে ৬টার দিকে কর্মসূচি শেষ করেন শিক্ষার্থীরা। পুরো সময়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল।

আরও খবর