Logo
শিরোনাম
নওগাঁয় ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত উপজেলা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে কোটিপতি রয়েছেন ১০৬ জন ১০ ফুট পানির নিচে সুন্দরবন, প্রাণীদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় বনবিভাগ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : ২১৭ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি লালমনিরহাটে নবনির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শ্যামলকে সংবর্ধনা সাঁতার প্রতিযোগিতায় রেকর্ড সৃষ্টিকরলেন গজারিয়ার মেয়ে মাইশা মাভাবিপ্রবিতে টোটাল কোয়ালিটি মেনেজমেন্ট (টিকিউএম) সেমিনার অনুষ্ঠিত মধ্যরাতে জারি হতে পারে মহাবিপদসংকেত নোয়াখালীতে যৌন হেনস্তার শিকার নোবিপ্রবির এক ছাত্রী

নওগাঁয় যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ জন, ১১ জন আহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার 

নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের মহাদেবপুর উপজেলাধীন পিড়ামোড় নামক স্থানে যাত্রীবাহী বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালক সহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এদূর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরো ১১ জন।

মর্মান্তিক এসড়ক দূর্ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার বিকাল পনে ৩ টারদিকে। 

নিহত দু'জন হলেন, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার খাজুর ইউনিয়ন এর জয়পুরডাঙ্গাপাড়া (পশ্চিমপাড়া) গ্রামের মৃত সমসের আলীর ছেলে ও পিকআপ চালক হারুন অর রশিদ হারুন ওরফে বাঘা (৪৬) ও পিকআপ এর যাত্রী বগুড়া জেলার দুপচাচিয়া উপজেলার সারপুকুর গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে মজিবর রহমান (৬০)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্প্রতিবার বিকাল পনে ৩ টারদিকে মহাদেবপুর থেকে ঢাকা গামী (বগুড়া 'ন' ১১-১৫৫৪) নম্বর পিকআপ ঘটনাস্থলে পৌছালে এসময় নওগাঁ থেকে দিনাজপুরগামী 

(ঢাকা মেট্রো 'ব' ১৫-৪৭০৩) নম্বর দ্বীন ইসলাম পরিবহন নামে যাত্রীবাহীবাস অপর একটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দূর্ঘটনাস্থলে পিকআপ এর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এসময় দূর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত মহাদেবপুর উপজেলার বিশিষ্ঠ ধান ব্যবসায়ী সাহজান ওরফে জামান স্থানিয়দের সহযোগীতায় গুরুতর আহত ৮ জনকে উদ্ধার পূর্বক নিজস্ব প্রাইভেটকার যোগে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানিয় চৌমাশিয়া নওহাটামোড় ফাঁড়ি পুলিশ ও মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিসের টিম দ্রুত দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে পিকআপ এর সামনে আটকে পড়া চালকের মৃতদেহ উদ্ধার সহ আহত ৩-৪জনকে উদ্ধার পূর্বক চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

হাসপাতালে নেওয়ার পর দায়িত্বরত চিকিৎসক মজিবর রহমানকে মৃত ঘোষনা করেন। 

আহতদের মধ্যে আরও ৫/৬ জনের অবস্থা আশংকাজনক এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ইতি মধ্যেই ২ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে এবং অন্যান্য গুরুতর আহতদের স্বজনরা এখনো হাসপাতালে না আসায় তাদের এখানেই (নওগাঁ সদর হাসপাতালে) ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ রাকিব হোসেন।

দূর্ঘটনায় ২ জন নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম আজাদ প্রতিবেদককে জানান, খবর পেয়ে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ দূর্ঘটনাস্থলে এসেছি। তিনি আরো জানান, সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের খবর পেয়ে ইতি মধ্যেই মহাদেবপুর সার্কেল (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) জনাব জয়ব্রত পাল সহ জেলার উদ্ধতন কর্মকর্তা দূর্ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। এব্যাপারে আইনানুগ পক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 


আরও খবর



মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্তের আগে কনডেম সেলে নয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ |

Image

মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে ফাঁসির আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা যাবে না, হাইকোর্টের এই রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ সাড়ে ৩ ঘণ্টাব্যাপী রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আপিল, রিভিউ, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার ধাপগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না। বর্তমানে মৃত্যুদণ্ড চূড়ান্ত হওয়ার আগে সারা দেশে যত আসামিকে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে তাদের দুই বছরের মধ্যে ক্রমান্বয়ে সাধারণ সেলে রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে, বিশেষ কারণে (স্বাস্থ্যগত কারণ, সংক্রামক রোগ) কোনো ব্যক্তিকে নির্জন কক্ষে রাখতে পারবে কারা কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির উপস্থিতিতে শুনানি হতে হবে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এমএমজি সারোয়ার পায়েল, নাসিম ইসলাম রাজু।

আইনজীবীরা বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক রায়।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা কেন বেআইনি হবে না এবং কেন জেলকোডের ৯৮০ বিধি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।

গত বছরের ৫ এপ্রিল এ বিষয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কনডেম সেলে থাকা বন্দিদের বিষয়ে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয় সেদিন। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দেন।


আরও খবর



মিল্টন সমাদ্দারের আশ্রমে প্রশাসক নিয়োগ করলো সমাজসেবা অধিদপ্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


বহুল আলোচিত মিল্টন সমাদ্দারের গড়া প্রতিষ্ঠান ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ারে’ প্রশাসক নিযুক্ত করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।


রোববার (২৬ মে) সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. রকনুল হকের স্বাক্ষতির এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন।


তিনি গণমাধ্যমকে জানান, সমাজসেবা কর্তৃক প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ায় আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের সাময়িক দায়িত্ব অফিসিয়ালি প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


রিমান্ড শেষে কারাগারে মিল্টন সমাদ্দার

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (২৮ মে) বিকেল ৩টায় কল্যাণপুরস্থ কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।


এদিকে মিরপুর মডেল থানার আরেক মামলায় মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হকের আদালত শুনানি শেষে এ রায় দেন।


এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সিকদার মহিতুল আলম তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। সোমবার আদালতের মিরপুর মডেল থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


প্রসঙ্গত, গত ২ মে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জালজালিয়াতির মাধ্যমে মৃত্যু সনদ তৈরি করার অভিযোগে করা মামলায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 



তিন দিনের রিমান্ড শেষে গত ৫ মে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তখন এ মামলায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের উপপরিদর্শক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।


এ ছাড়া মানবপাচার আইনের আরেক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে ডিবি পুলিশ। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুবের আদালত এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখান। 


ওইদিন দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম শান্তা আক্তারের আদালত তার ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এর আগে রাজধানীর মিরপুর থেকে মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মিরপুর জোনাল টিম।


আরও খবর



খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, চাপে আছে গ্রামের মানুষ

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি আবার বেড়েছে একমাসের ব্যবধানে। সবশেষ গত এপ্রিল মাসে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০ দশমিক ২২ শতাংশে উঠেছে। এর আগের মাস মার্চে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

এরও আগে গত বছরের নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। অর্থাৎ, চার মাস পর খাদ্য মূল্যস্ফীতি আবার ১০ শতাংশ ছাড়ালো। তবে মূল্যস্ফীতির হার শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি। সাধারণ, খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত খাতে শহরের চেয়ে গ্রামের মানুষ বেশি চাপে আছে। একই সঙ্গে যেভাবে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে সেভাবে মানুষের আয় বাড়েনি।

সোমবার (১৩ মে) প্রতিষ্ঠানটি মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

সেখানে দেখা গেছে, এপ্রিল মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে; গত মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এর আগে মার্চ মাসে যা ছিল ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

এদিকে, গত এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ হয়েছে; আগের মাস মার্চে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ।

বিবিএস প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি। এপ্রিলে শহরে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ, অথচ গ্রামে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ। গ্রামে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতির হার ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।

অন্যদিকে, শহরে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ। শহরে খাদ্যখাতে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৯ দশমিক ০১ শতাংশ। শহরের তুলনায় গ্রামে সব খাতেই মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে।

বিবিএস বলছে, যেখানে এপ্রিল মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ, সেখানে মজুরি সূচক বেড়ে মাত্র ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ হয়েছে। তার মানে সংসারের খরচ মেটাতে ধারদেনা করতে হচ্ছে। কৃষিতে ৮ দশমিক ২৫, শিল্প খাতে ৭ দশমিক ৩৬ ও সেবা খাতে মজুরি সূচক ৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। কোনো খাতেই ৯ শতাংশের ওপরে মজুরি নেই, অথচ সাধারণ মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি।

 


আরও খবর

কাল ৯০ উপজেলায় ভোট

মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪




রিমান্ডে লোমহর্ষক বর্ণনা ‘কসাই’ জিহাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ |

Image

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশি এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যার পর তার মরদেহ থেকে চামড়া ছাড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। এরপর তার মরদেহকে অন্তত ৮০ টুকরোয় ভাগ করা হয়। পরে তা খালসহ বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে কসাই জিহাদ হাওলাদার এই তথ্য জানিয়েছেন। সিআইডির আশঙ্কা ইতিমধ্যে হয়তো আনোয়ারুলের গণ্ডিত দেহ বিভিন্ন জলজ প্রাণির পেটে চলে গেছে।

এর আগে গত ২২ মে আনোয়ারুল আজিম আনারের হত্যা মামলার তদন্তভার নেয় সিআইডি। এরপর গত বৃহস্পতিবার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি কসাই জিহাদকে গ্রেফতার করে সিআইডি। শুক্রবার জিহাদকে উত্তর ২৪-পরগনার বারাসত জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ১২ দিনের রিমান্ড দেন।

মূলত আনারকে হত্যার জন্য ভারতের মুম্বাই থেকে কসাই খ্যাত জিহাদ হাওলাদারকে কলকাতায় আনা হয়। কলকাতায় গ্রেফতার হওয়ার পর আনোয়ারুলকে হত্যার পর কীভাবে তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয়, তার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।

কসাই জিহাদকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি জানিয়েছে, এমপি আনোয়ারুলকে হত্যার পর তার মরদেহের ৮০টি টুকরো করেন কসাই জিহাদ। এরপর সেই অংশগুলো ফেলা হয় কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি এলাকার বাগজোলাখালির বিভিন্ন স্থানে। সিআইডির আশঙ্কা এরই মধ্যে হয়তো আনোয়ারুল আজিমের দেহের খণ্ডিত অংশ জলজ প্রাণিরা খেয়ে ফেলেছে।

সিআইডির কর্মকর্তারা বলছেন ২৪ বছর বয়সী জিহাদ হাওলাদার বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি অবৈধভাবে ভারতের মুম্বাইয়ে বাস করতেন। তার বাড়ি খুলনার দীঘলিয়া উপজেলার বারাকপুরে। তার বাবার নাম জয়নাল হাওলাদার। এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আক্তারুজ্জামান শাহীন দুই মাস আগে জিহাদকে কলকাতায় নিয়ে এসেছিলেন।

সিআইডি বলছে, শাহীনের নির্দেশে জিহাদসহ চার বাংলাদেশি মিলে আনারকে ওই ফ্ল্যাটে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে হলুদ ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে পথে কেউ ধরলে বলতে পারে, বাজার থেকে কেনা। উদ্দেশ্য ছিল, এভাবে গুম করা হবে, যাতে কেউ কোনো দিন তার অস্তিত্ব না পায়।

গত ১৩ মে আমানউল্লাহ, জিহাদ ও সিয়াম দুটি স্যুটকেসে এমপির দেহের টুকরাগুলো ভরে পাবলিক টয়লেটের সামনে দাঁড়ানো একটি গাড়িতে ওঠেন। সেই গাড়ির চালকও তেমন কিছু জানতেন না। পরে সিয়াম ও জিহাদকে স্যুটকেসসহ বিদায় করে আমানউল্লাহ আবার ওই ফ্ল্যাটে চলে যান। পরদিন ওই তিনজন বাকি টুকরাগুলো পলিথিনে পেঁচিয়ে ব্যাগে ভরে ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে যান।

 


আরও খবর

কাল ৯০ উপজেলায় ভোট

মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪




রাজশাহীতে তীব্র খরায় ঝরছে আমের গুটি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ |

Image

অব্যাহত তাপপ্রবাহপোকার উপদ্রব  সেচ সংকটে ঝরে পড়ছে আমের গুটি। অনুমোদিত মাত্রায় ওষুধ ছিটিয়েও কাজ হচ্ছে না। আমচাষীদের ভাষ্যচলতি মৌসুমে এমনিতেই রাজশাহীতে গাছে আম এসেছে কম। যা আছে তা ঝরে যাচ্ছে। এরই মধ্যে অনেক বাগানের অন্তত ৫০ শতাংশ গুটি ঝরে গেছে। বিরূপ  আবহাওয়ার পরিবর্তন না হলে গাছে পাতা ছাড়া কিছুই থাকবে না।

কৃষি বিভাগ  ফল গবেষকরা বলছেনকিছু গুটি ঝরে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যেগুলো টিকে আছে সেগুলো ভালোভাবে পরিচর্যা করলে আর ঝরবে না। গুটি ঝরে পড়া রোধে গাছের গোড়ায় রাতে অথবা খুব ভোরে সেচ দিতে হবে। বড় গাছগুলোয় এক বছর পর পর ফলন হয়। কোনো বার কম তো কোনো বারে বেশি। তবে যারা প্রকৃত আমচাষীতারা বাণিজ্যিকভাবে ঘন পদ্ধতিতে আম চাষ করছেন। এতে তারা লাভবানও হচ্ছেন। কারণ ছোট গাছগুলোয় প্রতি বছরই ভালো আম ধরে এবং গুটি ঝরে পড়ে না। তাছাড়া আমচাষীরা এসব গাছ ঠিকভাবে পরিচর্যাও করতে পারেন।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছেচলতি মৌসুমে রাজশাহীচাঁপাইনবাবগঞ্জনওগাঁ  নাটোরে ৯৩ হাজার ২৬৬ হেক্টর জমির আমগাছে ফলন এসেছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টন। তবে এককভাবে শুধু রাজশাহী জেলার ১৯ হাজার ৬০২ হেক্টর জমির গাছে আম ধরেছে যা গত বছরের চেয়ে ২৪ হেক্টর বেশি। চলতি বছর আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে  লাখ ৬০ হাজার ১৬৫ টন।

রাজশাহীর আমচাষী  ব্যবসায়ীরা জানানচলতি মৌসুমে বাগানে প্রায় ৭০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছিল। সেই মুকুল থাকলেই অনেক আম হতো কিন্তু গত ২০  ২১ মার্চের বৃষ্টির কারণে মুকুলগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। আগে যেসব গাছে মুকুল এসেছিলসেগুলোর কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে সেগুলো এখন প্রচণ্ড খরায়  পোকার উপদ্রবে ঝরে যাচ্ছে। আমগাছে পানি  কীটনাশক প্রয়োগ করেও গুটি রক্ষা করা যাচ্ছে না। প্রতি বছরই আমের কিছু গুটি ঝরে যায়। কিন্তু চলতি মৌসুমে অনেক বাগানে ৫০-৬০ শতাংশ গুটি ঝরে গেছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতেরাজশাহীতে গত ২৩ এপ্রিল তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ দশমিক  ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৪ এপ্রিল তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক  ডিগ্রি সেলসিয়াস।


 আর ২৫-২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ছিল ৪১-৪২ দশমিক  ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে ৩০ এপ্রিল ছিল ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা ৫২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আবহাওয়া অফিস বলছেআগামী কয়েকদিন  তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে।

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বিহারীপাড়া গ্রামের আসিফ ইকবালের ৩০ বিঘার বাগানে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন জাতের আমগাছ রয়েছে। বড়মাঝারি  ছোট সব রকমই গাছ আছে বাগানটিতে। ৭২ জাতের আম রয়েছে বাগানে।

তিনি বলেন, হপার পোকা  আচা পোকা বাগানে আমের ক্ষতি করছে।


 এছাড়া আম ছিদ্রকারী পোকা উড়ে এসে হুঁল ফুটিয়ে চলে যাচ্ছে। সেজন্য কীটনাশক ছিটানো হচ্ছে। অতিরিক্ত খরার কারণে গাছে থাকা অবস্থাতেও আমের বোটা শুকিয়ে কুচকে যাচ্ছে। যারা পরিমিত সেচ  সঠিক মাত্রায় কীটনাশক স্প্রে করতে পারছেন তাদের গাছে আম এখনো বেশ বিদ্যমান আছে। কিন্তু যারা করতে পারছে না তাদের আম দ্রুতই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

রাজশাহী জেলার বেশির ভাগ আম বাগান চারঘাট  বাঘা উপজেলায়।


 বাঘা উপজেলার সাদি এন্টারপ্রাইজ কয়েক বছর ধরে বিদেশে আম রফতানি করছে।  প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আসাফুদ্দৌলা বলেন, এবার বেশির ভাগ গাছে আম নেই। চাষীরা গাছের কোনো পরিচর্যা করছেন না। ফলে যেসব গাছে কিছু আম আছেসেখানেই পোকার উপদ্রব দেখা যাচ্ছে। এখন বাগানে মাছি পোকালেদা পোকানাশক বিষ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না।

গোদাগাড়ী উপজেলার আমচাষী তৌহিদুর রহমান পারভেজ বলেন, প্রচণ্ড গরমে আম শুকিয়ে কালো রং ধারণ করছে। এছাড়া পোকা ছিদ্র করায়  বোটার রস খাওয়ায় আম শুকিয়ে ঝরে পড়ছে। এতে আমের ফলন নিয়ে শঙ্কায় আছি। অনুমোদিত মাত্রার বাইরে ওষুধ ব্যবহার করিনি


 শ্রমিকরা আগেই সতর্ক করেছিলেনশুধু অনুমোদিত মাত্রায় ওষুধ দিয়ে পোকার আক্রমণ থেকে আম বাঁচানো যাবে না। শেষ পর্যন্ত তাই হয়েছে। তার বাগানের সব আম পোকায় শেষ করে দিয়েছে।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এবার এমনিতেই আমের মুকুল কম ছিল। তার ওপর ফুল ফোটার সময়ে ২০  ২১ মার্চ বৃষ্টি হয়ে আমের অনেক মুকুল নষ্ট হয়ে গেছে। যেগুলো টিকে ছিল সেগুলো রোদের তাপে ঝরে পড়ছে।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্যশারমিন সুলতানা বণিক বার্তাকে বলেন, রাজশাহীতে বৃষ্টির অভাব  প্রচণ্ড খরার কারণে আমের মুকুল ঝরে পড়ছে। খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সতর্কতার সঙ্গে গাছ পরিচর্যা করতে হবে।  ক্ষেত্রে গাছের গোড়ায় অল্প পরিমাণ পানি  পরবর্তীতে ইউরিয়া  পটাশ সার দিতে হবে। এছাড়া আমের গুটি রক্ষায় বরিক এসিডও স্প্রে করতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন


, আমের মৌসুমে গাছে যে পরিমাণ মুকুল আসে তা কিন্তু শতভাগ থাকবে নাএটাই প্রকৃতির নিয়ম। তবে  বছর গাছে কিছুটা মুকুল কম এসেছে। তবুও এখন পর্যন্ত গাছে যে পরিমাণ মুকুল বা গুটি আছে সেগুলো বড় হলে আমের সংকট হবে না।


আরও খবর

কাল ৯০ উপজেলায় ভোট

মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪