Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে সারা দেশে সব ধরনের নৌ-যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএ।

সোমবার সকালে বিআইডব্লিউটিএ’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘূর্ণিঝড়ের জন্য নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া সমুদ্রে যে সকল জাহাজ যেখানে অবস্থান করছে, সেখান থেকে না সরতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

এদিকে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে ক্রমশ ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। পটুয়াখালীর খেপুপাড়ার কাছ দিয়ে বরিশাল ও চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। সিত্রাংয়ের প্রভাবে দেশের বেশিরভাগ জেলায় ইতোমধ্যে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জিন্স প্যান্ট ও চোখে কালো চশমা পরলেই স্মার্ট হওয়া যায় না....নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

পুরস্কার নেয়া যেমন আনন্দের। তা ধরে রাখাও অনেকটা চ্যালেঞ্জ এবং দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেলো। তাই মনোযোগ সহকারে পড়াশুনা করে এইচএসসিতে ফলাফলও ধরে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ভাল প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হবে। জিন্স প্যান্ট ও চোখে কালো চশমা পরলেই স্মার্ট হওয়া যায় না। পড়াশুনাও স্মার্ট হতে হবে। তোমরা সুশিক্ষায় এগিয়ে যাবে এবং মানবিক মানুষ হবে। শনিবার দুপুরে নওগাঁয় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

খাদ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, জীবনে বড় হতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বই আর বালিসকে আপন করতে হবে। মাদক ও মোবাইলের অপব্যবহার হতে নিজেদের কে বিরত রাখার কঠোর সংকল্প থাকতে হবে।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের সন্তানরা যেন অসৎ সঙ্গে না জড়ায় সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন। সন্তানদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ভালো দিক গ্রহণ আর খারাপ বিষয়গুলো বর্জন শেখাতে হবে। মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার তাদের উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি বেশি করে এটা বোঝাতে হবে। এসময় শিক্ষার্থীদের সাবজেক্ট পছন্দের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দ ও পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহবান জানান তিনি। নওগাঁ চেম্বার অফ কর্মাস এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি ও ইথেন এন্টাপ্রাইজ এর স্বত্তাধিকারী ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান এবং জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রিজভী।

পরে ২০২৩ সালে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৫শ' ৭০ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান শেষে ক্রেস্ট, সনদ ও পুরুষ্কার তুলে দেন।


আরও খবর



ঢাকার কাঁচাবাজারে মরচি ও পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:


দীর্ঘদিন ধরেই নিত্যপণ্য, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, এমনকি মসলাজাত পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। 


সপ্তাহের ব্যবধানেই বেড়ে যাচ্ছে সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের বিভিন্ন দাম। বিশেষ করে অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচামরিচের বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজসহ কিছু পণ্যের দাম।



শুক্রবার (২১ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারের তথ্যে দেখা গেছে, আগের মতোই উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি, চিনি, চাল, আটা, ডাল ও মাছ। তবে কোরবানির পরে মুরগীর দাম কিছুটা থম ধরে আছে।



ঈদের আগে থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম। বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায়। গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছিল ২০০ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে ১০০ টাকারও বেশি।


এছাড়া ঈদের আগে পাইকারি ৭৫-৮০ টাকা কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। কিন্তু আজ পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা।


 এছাড়া খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যেখানে গত সপ্তাহেও ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ। বিভিন্ন জাতের এবং আমদানি করা রসুন ২২০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকায়।



এদিকে, আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, যা গত এক-দুই সপ্তাহে অনেক জায়গায় ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। স্থানভেদে পাকা টমেটোর কেজি ৭০-৮০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, জাত ও মানভেদে বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা ও পটল ৪০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।


এছাড়া চিচিঙ্গা ৬০-৭০ টাকা, ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা, কচুর মুখী মানভেদে ৮০-১০০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা ও কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।


মাছের বাজারে পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩০ টাকা কেজি। আকার ও মানভেদে অনেকটা একই দামে বিক্রি হচ্ছে তেলাপিয়া। চাষের কই ২৮০-৩০০ টাকার নিচে মিলছে না। আকার ও মানভেদে রুই-কাতলার দাম হাঁকানো হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি। আকারভেদে শিং মাছ ও বাইলা মাছ প্রতি কেজি প্রকারভেদে ৬০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


এছাড়া পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০, পাবদা মাছ ৩৫০ থেকে ৫০০, মলা ৫০০, কাচকি মাছ ৬০০, বাতাসি টেংরা ৯০০, অন্য জাতের টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৭০০, পাঁচ মিশালি মাছ ৪০০-৫০০, বাইম মাছ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা ও রুপচাঁদার কেজি ১ হাজারে বিক্রি হতে দেখা গেছে।


মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, গরুর মাংসের কেজি ৭৮০-৮০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি স্থানভেদে ১৯০-২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি ও লেয়ার জাতের মুরগির কেজি স্থানভেদে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। 


খাসির মাংস আগের মতোই ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জামাই কেড়ে নিল শশুরের প্রাণ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::


জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের নন্দীগ্রাম (বানিয়া পুকুর) আর্দশ (আশ্রয়নে) আপন মেয়ে জামাইয়ের চাকুর আঘাতে শশুড় মারা গেছে। উপজেলার নিকড়দীঘি গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে জামাই মোঃ ফারুক হোসেন (২৫)। 


আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাস করা মৃত শুকুর আলীর ছেলে ভুমিহীন কৃষক শশুড় ছুনছু মিয়া। ছুনছুর স্ত্রী আয়েশা বেগম জামাই ফারুক ও তার বাবার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করলে পুলিশ রাতেই বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। সরেজমিনে এলাকাবাসি ও ছুনছুর পরিবার বলেন, মাদক সেবী জামাই প্রায় মেয়ে সুমাইয়াকে শারীরিক নির্যানত করত। 


জামাইয়ের অত্যাচার থেকে মেয়েকে রক্ষা করতে মেয়েকে শশুড় বাড়ি যেতে দেয়নি। গত (৬ জুলাই) বৃহস্পতিবার ছেলের বউকে নিতে ইউসুব ও কয়েকজন বানিয়া পুকুর আর্দশ গ্রামে ছুনছুর বাড়িতে আসেন। এ বিষয়ে আলোচনার এক-পর্যায়ে উভয় পরিবারের লোকজনের মধ্যে উচ্চবাচ্য কথা কাটাকাটি হয়। ছেলের বউ শশুড়ের সঙ্গে যেতে না চাইলে ইউসুব বাড়িতে ফিরে যায়। 


ওইদিন বিকাল বেলা নন্দীগ্রাম চারমাথায় বাজার করতে যায় ছুনছু মিয়া। এসময় জামাই ফারুকের কাছে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে শশুড়রের শরীরের বিভিন্ন স্থানে (৫-৬) টি আঘাত করে। গুরত্বর আহতবাস্থায় ছুনছুকে উদ্ধার করে প্রথমে মহীপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিবারের লোকজন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 


ঢাকায় চিকিৎসারত্ব অবস্থায় গত শুক্রবার দুপুরে সে মারা যায়। নিহত ছুনছুর স্ত্রী আয়েশা বেগম স্বামীর হত্যাকারী পাষন্ড জামাই ফারুকের ফাঁসি দাবি করেন। মেয়ে সুমাইয়া আক্তারও বলেন, আমার জন্মদাতা পিতাকে যে হত্যা করতে পারে সে আমার স্বামী হওয়ার অধিকার রাখে না। আমি আমার বাবা হত্যার সঠিক বিচার চাই। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ছুনছুর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌছায়নি।



আরও খবর



শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগ এর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল বশেমুরবিপ্রবির

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মোঃ ছিপু মোল্লা, বশেমুরবিপ্রবি সংবাদদাতা::

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(বশরমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। কোটা বিরোধী কয়েক হাজার শিক্ষার্থী হাতে লাঠি, বাঁশ এবং ইট, পাটকেল নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়। বিপরীতে নিশ্চুপ ছিলো বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা।

আজ মঙ্গলবার সাড়ে ৩ টা থেকে বিক্ষোভ করেছে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের শুরুতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক এসে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে । বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা এবং অন্য ফটকে গোপালগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যদের  অবস্থান নিতে দেখা যায়।

এসময় আন্দোলনকারি শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠি, রড,স্টিল ও প্লাস্টিকের পাইপ নিয়ে মিছিল দেয়। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের    সামনে দিয়ে গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়কের অবস্থান নেয়।  পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অনুরোধে তার সড়ক ছেড়ে ক্যাম্পাসের মধ্যে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করতে থাকে।

এর আগে বেলা ৩ টার দিকে কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীরা লিপুস ক্যান্টিনের সামনে জড়ো হতে থাকে। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর দিকে এগিয়ে যায়। মিছিলে আন্দোলনকারীরা ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই' 'কোটা বৈষম্য নিপাত যাক মেধাবীরা মুক্তি পাক', ইত্যাদি স্লোগান দেয়। এসময় পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘ভুয়া ভুয়া’  ও পুলিশ দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবেনা' বলে স্লোগান দেয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, ১০ শতাংশ নারী, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের জন্য ৫ শতাংশ আর প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল। ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বড় বিক্ষোভ হয়। পরে সরকারি চাকরিতে (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে) কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন। সেই রিটের রায়ে গত ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করেন আদালত। এরপর থেকে চাকরিপ্রত্যাশী ও শিক্ষার্থীরা সরকারের জারি করা সেই পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে মাঠে নামেন।


আরও খবর



চশমার লেন্স কেনো গুরুত্বপূর্ণ আপনার সুস্থ ও সুন্দর দৃষ্টির জন্য

চশমা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন না করলে হতে পারে বিপদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

ডক্টর মোঃ মিজানুর রহমান , পিএইচডি , দৃষ্টি বিজ্ঞান :

চোখ আমাদের শরীরের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। চোখের মাধ্যমে আমরা পৃথিবীকে দেখতে পাই এবং এর সাহায্যে আমাদের দৈনন্দিন কাজগুলি সম্পন্ন করি। কিন্তু যদি দৃষ্টি সমস্যায় ভুগি, তখন আমাদের জীবনে বড় সমস্যা দেখা দেয়। এই দৃষ্টি সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চশমার লেন্স ব্যবহৃত হয়। বর্তমান যুগে চশমা আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। পড়াশোনা, কম্পিউটার কাজ, মোবাইল ব্যবহার, এমনকি সাধারণ দৈনন্দিন জীবনের কাজেও চশমার প্রয়োজন হয়। কমবেশি অনেকেই দৃষ্টির সমস্যার কারণে কিংবা সুরক্ষার জন্য চশমা ব্যবহার করে থাকেন, , আবার কেউ কেউ সূর্য থেকে রক্ষা পেতে সানগ্লাস ব্যবহার করেন। । কিন্তু আমরা কি জানি, ছোট থেকে বড়, অনেকেই চোখের সমস্যা সমাধানে চশমা ব্যবহার করেন। তবে, চশমা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন না করলে হতে পারে মারাত্মক বিপদ।

আসুন, জেনে নেই চশমা ব্যবহারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা।

প্রথমেই, চশমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক পাওয়ারের চশমা নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি। অপ্রয়োজনীয় বা ভুল পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চশমা নির্বাচন করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, চশমা পরিষ্কার রাখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিয়মিত চশমা পরিষ্কার না করলে ময়লা জমে যায় এবং তা চোখের সংক্রমণের কারণ হতে পারে। পরিষ্কার করার জন্য মৃদু সাবান ও পানি ব্যবহার করা উত্তম। এছাড়া, সফট কাপড় দিয়ে চশমা মুছতে হবে যাতে লেন্সে কোনো দাগ না পড়ে।

তৃতীয়ত, চশমা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাও জরুরি। চশমা ব্যবহারের পর এটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে যেন তা ভেঙ্গে না যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। চশমার জন্য নির্ধারিত বাক্সে সংরক্ষণ করা উত্তম।

চতুর্থত, চশমার ফ্রেম এবং লেন্স নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। যদি ফ্রেমে কোনো সমস্যা দেখা দেয় অথবা লেন্সে দাগ পড়ে, তবে তা দ্রুত ঠিক করিয়ে নেওয়া উচিত। নতুবা, দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হতে পারে।

সবশেষে, দীর্ঘ সময় ধরে চশমা ব্যবহার করলে মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেওয়া উচিত। বিশেষ করে যারা কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনের সামনে অনেক সময় কাটান, তাদের প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তু দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। এই নিয়ম মেনে চললে চোখের ওপর চাপ কমে এবং চোখের ক্লান্তি দূর হয়।

চশমার লেন্স দৃষ্টি সংশোধনের মূল উপাদান। একটি ভালো মানের লেন্স না থাকলে দৃষ্টির স্পষ্টতা কমে যেতে পারে এবং চোখের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। নিম্নমানের লেন্স ব্যবহার করলে চোখে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে, যেমন:

চোখের ক্লান্তি

মাথাব্যথা

দৃষ্টির অস্বচ্ছতা

চশমার লেন্সের গুরুত্ব

চশমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর লেন্স। লেন্সের গুণগত মান এবং সঠিক ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে আপনার দৃষ্টিশক্তি। নিম্নমানের বা ক্ষতিগ্রস্ত লেন্স ব্যবহার করলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি স্থায়ীভাবে চোখের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই উচ্চ মানের এবং আপনার চোখের জন্য উপযোগী লেন্স নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চশমার লেন্স শুধু আপনার দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে না, এটি আপনার চোখকে সুরক্ষাও প্রদান করে। ভালো মানের লেন্স নির্বাচন করলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়:

সঠিক লেন্স নির্বাচন করুন: চশমার লেন্সের ক্ষমতা আপনার চোখের সমস্যার সঙ্গে মিলিয়ে ঠিক করা উচিত। সঠিক ক্ষমতার লেন্স ব্যবহার না করলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এজন্য নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে চশমার লেন্স পরিবর্তন করা উচিত।

ঠিকমতো ফিটিং করান: চশমার ফ্রেম যদি ঠিকমতো ফিট না হয় তাহলে তা আপনার চোখ এবং কানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এটি মাথাব্যথা, চোখের যন্ত্রণা এবং অন্যান্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তাই চশমা কিনে নেয়ার সময় ফিটিং ভালোভাবে চেক করে নিন।

স্পষ্ট দৃষ্টি: উচ্চমানের লেন্স স্পষ্ট এবং পরিষ্কার দৃষ্টি প্রদান করে, যা আপনার দৈনন্দিন কাজকে সহজ করে।

রশ্মি প্রতিরোধক: অনেক লেন্সে বিশেষ প্রলেপ থাকে যা ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি প্রতিরোধ করে। এটি আপনার চোখকে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।

স্ক্র্যাচ প্রতিরোধক: ভালো মানের লেন্স স্ক্র্যাচ প্রতিরোধক হয়, যা লেন্সের স্থায়িত্ব বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে খরচ কমায়।

কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারে আরাম: ব্লু লাইট প্রতিরোধক লেন্স কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারকালে চোখের চাপ কমায় এবং আরামদায়ক দৃষ্টি প্রদান করে।

চশমার লেন্স নির্বাচন করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

চোখের পরীক্ষা:নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করানো উচিত যাতে আপনার দৃষ্টির পরিবর্তন সম্পর্কে জানা যায় এবং সেই অনুযায়ী লেন্স পরিবর্তন করা যায়।

লেন্সের প্রকার: আপনার দৃষ্টির সমস্যা অনুযায়ী কনকাভ, কনভেক্স, বা সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স বেছে নিন।

লেন্সের প্রলেপ:অ্যান্টি-রিফ্লেকটিভ বা অ্যান্টি-স্ক্র্যাচ প্রলেপযুক্ত লেন্স নির্বাচন করুন যাতে লেন্স দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং দৃষ্টির স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

বিভিন্ন প্রকারের চশমার লেন্স :

চশমার লেন্স বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। মূলত, দুটি প্রধান প্রকারের লেন্স ব্যবহৃত হয়: একক দৃষ্টি লেন্স এবং বহুমুখী দৃষ্টি লেন্স।

একক দৃষ্টি লেন্স: এই লেন্সগুলো শুধুমাত্র এক ধরনের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা সমাধান করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মায়োপিয়া (দূর দৃষ্টি সমস্যা) বা হাইপারমেট্রোপিয়া (নিকট দৃষ্টি সমস্যা) সমাধানে একক দৃষ্টি লেন্স ব্যবহার করা হয়।

বহুমুখী দৃষ্টি লেন্স: এই লেন্সগুলো বিভিন্ন দূরত্বে দৃষ্টি সমস্যা সমাধান করতে ব্যবহৃত হয়। প্রেসবাইওপিয়া (বয়সজনিত দৃষ্টি সমস্যা) সমাধানে এই লেন্সগুলো অত্যন্ত কার্যকরী।

সঠিক লেন্স নির্বাচন 

চশমার লেন্স নির্বাচন করার সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

অপটোমেট্রিস্টের পরামর্শ: আপনার চোখের পরীক্ষা করে একজন বিশেষজ্ঞ অপটোমেট্রিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী লেন্স নির্বাচন করুন।

মানসম্মত লেন্স: সর্বদা মানসম্পন্ন লেন্স ব্যবহার করুন যা আপনার দৃষ্টিশক্তি এবং চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

ফ্রেমের আরাম: এমন ফ্রেম নির্বাচন করুন যা আরামদায়ক এবং আপনার মুখের সাথে মানানসই।

চশমার লেন্সের আধুনিক প্রযুক্তি :

বর্তমানে চশমার লেন্সে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। ব্লু লাইট ফিল্টার লেন্স, ফটো ক্রোমেটিক লেন্স, অ্যান্টি-রিফ্লেকটিভ লেন্স ইত্যাদি প্রযুক্তি ব্যবহার করে দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখা যায় এবং চোখের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।

ভালো লেন্স নির্বাচন করার কিছু টিপস :

চিকিৎসকের পরামর্শ: চশমার লেন্স কেনার আগে অবশ্যই একজন চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক চোখ পরীক্ষা করে সঠিক লেন্সের পরামর্শ দেবেন।

গুণগত মান: লেন্সের মান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া খুবই জরুরি। ভালো মানের লেন্স চোখের জন্য নিরাপদ এবং আরামদায়ক।

অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং: আজকাল অনেক লেন্সেই অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং থাকে, যা গ্লেয়ার কমায় এবং দৃষ্টি পরিষ্কার করে।

ইউভি প্রোটেকশন: সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করার জন্য লেন্সে ইউভি প্রোটেকশন থাকা উচিত।

যদি চশমার লেন্স ঠিকমতো না হয় তাহলে চোখের কিছু সমস্যা হতে পারে যেমন:

দৃষ্টিশক্তির কমতি: চশমা ঠিকমতো না থাকলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা হতে পারে। এটি বিশেষত দূরদৃষ্টি বা কাছদৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রকাশযুক্ত হয়।

অস্বচ্ছ দৃষ্টি: চশমা যদি মধ্যে মধ্যে সাফ না থাকে বা মন্দ হয়ে যায়, তবে দৃষ্টি অস্বচ্ছ হয়ে যেতে পারে।

চোখের অবশ্যতা: অন্ধকার বা মন্দ আলোয় সঠিকভাবে দেখা যাবে না।

চোখের অস্থিরতা: চশমা সঠিকভাবে না হলে চোখের অস্থিরতা অনুভব হতে পারে, যা দৃষ্টিশক্তিতে ভার তুলে দেয়।

পরামর্শ

নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করান এবং চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লেন্স পরিবর্তন করুন।

চশমা ব্যবহারে কোনো অসুবিধা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চশমা ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং শিশুদের ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দিন।

চশমার লেন্স শুধু দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে না, বরং চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, সঠিক লেন্স নির্বাচন এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো আমাদের সকলের জন্যই জরুরি। সুস্থ ও সুন্দর দৃষ্টি উপভোগ করতে ভালো মানের লেন্স ব্যবহার করা উচিত। চশমা আপনার দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সঠিকভাবে চশমা ব্যবহার করলে এবং নিয়মিত যত্ন নিলে আপনি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে পারেন। তাই চশমার সঠিক ব্যবহারে সতর্ক থাকুন এবং আপনার চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

লেখক : অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ম্যানেজমেন্ট এন্ড সাইন্স ইউনিভার্সিটি , মালয়শিয়া


আরও খবর