Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

নোয়াখালী-১ আসনে নৌকার প্রার্থীকে শোকজ

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধি :

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবং বর্তমান সাংসদ এইচ এম ইব্রাহিমকে আচারণ বিধি লঙ্ঘন করে জনসভা, নির্বাচনি প্রচারণামূলক বক্তব্য ও ভোট প্রার্থনা করায় শোকজ করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।  


রোববার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংসদীয় আসন নং-২৬৮, নোয়াখালী-১ এর নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আকবর হোসেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। একই সাথে আগামী ৭দিনের মধ্যে এর যথাযথ জবাব দেওয়ার নির্দেশও প্রদান করা হয়েছে।


আদেশের ২নং স্মারকে বলা হয়ে, গত শুক্রবার ১ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নোয়াখালী-১ সংসদীয় আসনের পাল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্বাচনি প্রচারণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন আসনটির বর্তমান সাংসদ ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এইচ এম ইব্রাহিম। ওই সময় তার উপস্থিতিতে নেতাকর্মীরা তার জন্য ভোট প্রার্থনাস হ প্রচারণামূলক বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীতে যা অনলাইন সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হয় এবং বিষয়টি নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির নজরে আসে।


প্রার্থীর এমন কর্মকাণ্ড জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচারণ বিধিমালা ২০০৮ বিধি ৬ (গ)  ও ১২ এর বিধান লঙ্ঘন করেছে। যার প্রেক্ষিতে নির্বাচনি আচারণ বিধি ভঙ্গের কারণের সঠিক বাখ্যা আগামি ৯ ডিসেম্বর বুধবার বেলা ১১টার মধ্যে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি কার্যালয়ে প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।  


এ বিষয়ে জানতে নোয়াখালী-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এইচ এম ইব্রাহিমের মুঠোফোনে কল করা হলে তার পিএস সুমন ফোন রিসিভ করেন। পরে শোকজের বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।  


তবে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা দেওয়ান মাহবুবুর রহমান শোকজ করার সত্যতা নিশ্চিত করেন।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পথের কাঁটা তিন চাকার যানবাহন

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও দেশের প্রধান মহাসড়কগুলোতে প্রায় অবাধে চলছে তিন চাকার বিভিন্ন যানবাহন। এসব বাহনের কারণে মহাসড়কে দ্রুতগতির বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, ঘটছে দুর্ঘটনাও। আসন্ন ঈদে স্বাভাবিকের তুলনায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাবে কয়েক গুণ।

তখন এই তিন চাকার যান মহাসড়কগুলোতে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

রেজমিনে গিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে তিন চাকার যান চলাচল করতে দেখা যায়। এসব যানের মধ্যে রয়েছে তিন চাকার ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক, পায়ে ও মোটরচালিত রিকশা, ভটভটি, টেম্পো, সিএনজিচালিত অটোরিকশা প্রভৃতি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকার ২০১৫ সালে দেশের ২২টি মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়।

এরপর হাইকোর্ট ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে দেশের সব প্রধান মহাসড়কে তিন চাকার যান না চালানোর আদেশ দিয়ে সেই নিষেধাজ্ঞা আরো জোরদার করেন। সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত এক আদেশে বলেন, ব্যাটারিচালিত তিন চাকার যান মহাসড়কে উঠতে পারবে না।

তিন চাকার যানের কারণে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) তথ্য বলছে, দিন দিন পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠছে যে তিন চাকার যানবাহনের দুর্ঘটনার সংখ্যা ২০২১ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে তিন গুণ বেড়েছে। তবে এত কিছুর পরও মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল বন্ধ করা যায়নি।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

এই মহাসড়কের ১০৫ কিলোমিটার অংশ রয়েছে কুমিল্লাজুড়ে। এর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি এলাকায়ই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইঞ্জিনচালিত থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, রিকশা, ভ্যান। কোথাও কোথাও প্রকাশ্যেই চলছে নছিমন, করিমন, ভটভটিও।

মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, মহাসড়কের ওপরেই সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা দাঁড়িয়ে রয়েছে।

এসব তিন চাকার যানবাহনের চালকরা ডেকে ডেকে যাত্রী তুলছেন বিভিন্ন গন্তব্যের। এরপর মহাসড়ক হয়েই এসব যানবাহন চলাচল করছে বিভিন্ন স্থানে। এই এলাকায় মহাসড়কের ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী দুটি লেনই অবৈধ তিন চাকার যানবাহনের দখলে। এ কারণে মহাসড়কের এই অংশে প্রায়ই যানজট লেগে থাকে, ঘটে দুর্ঘটনাও।

দাউদকান্দির গৌরীপুর এলাকার বাসিন্দা ওমর ফারুক বলেন, তিন চাকার যানবাহনের কারণে মহাসড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া মহাসড়কের দাউদকান্দি অংশের বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই যানজট লাগে। সামনের ঈদ যাত্রায় মহাসড়কে যাত্রীদের দুর্ভোগের অন্যতম কারণ হতে পারে এই তিন চাকার যান।

চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার, সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজি, পদুয়ার বাজার, কুমিল্লা সদরের আলেখারচর বিশ্বরোড, সেনানিবাস এলাকা, বুড়িচংয়ের নিমসার, চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড, দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ, গৌরীপুর, বলদাখাল, শহীদনগর ,গজারিয়ার ভবেরচর এলাকায়ও অবাধে তিন চাকার যানবাহন চলাচল

করতে দেখা গেছে। এসব জায়গার বেশির ভাগ স্থানেই মহাসড়কের ওপরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার অঘোষিত স্ট্যান্ড তৈরি করা হয়েছে।

কুমিল্লা-ঢাকা রুটে চলাচলকারী একটি পরিবহনের বাসচালক কবির হোসেন বলেন, অবৈধ এসব তিন চাকার যানবাহনের অনেক চালক আছে, তারা জানেই না কিভাবে মহাসড়কে গাড়ি চালাতে হয়। অনেক সময় তারা হুট করে দ্রুতগতির গাড়ির সামনে চলে আসে। যখন ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে একটি বাস চলে তখন এসব নিষিদ্ধ যান হুট করে সামনে চলে এলে হার্ড ব্রেক করে গাড়ি থামাতেও বেকায়দায় পড়তে হয়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। এখনই এগুলো বন্ধ করা না গেলে ঈদের সময় চরম সমস্যায় পড়তে হবে চালক ও যাত্রীদের।

গাজীপুরে তিন মহাসড়ক

ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও টঙ্গী-ঘোড়াশাল-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে নিত্য যানজট ও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তিন চাকার যানবাহন।

গতকাল শুক্রবার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, শত শত ইজি বাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এসব যানবাহন সংযোগ সড়কে মুখে, বাসস্ট্যান্ডে, বাজারে এবং গুরুত্ব্বপূর্ণ স্থানে যখন-তখন থামার কারণে মহাসড়কে যানজট লেগেই আছে।

নগরীর গাজীপুরার একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে কথা হয় ইজি বাইকচালক লাল মিয়ার (৪৫) সঙ্গে। তিনি জানান, টঙ্গীর স্টেশন রোড থেকে বাসনের ভোগড়া চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রতিদিন কমপক্ষে চার হাজার ইজি বাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করে। এ

বলেন, এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো শুরু করেছি। আগের চেয়ে হাইওয়ে পুলিশের বেশি সদস্য মহাসড়কে তৎপর রয়েছে। কোথাও এসব তিন চাকার যানবাহনকে মহাসড়কে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। এ ছাড়া যেসব এলাকায় অবৈধ স্ট্যান্ড আছে, সেগুলো উচ্ছেদে আমাদের অভিযান চলবে। আশা করছি, মানুষ কোনো সমস্যা ছাড়াই এবারের ঈদ যাত্রায় ঘরে ফিরতে পারবে। 

জন্য তাঁদের প্রতিদিন স্টেশন রোডে ৫০ এবং বোর্ডবাজারে ৪০ টাকা চাঁদা দিতে হয়।

গাজীপুরা এলাকার বাসিন্দা একটি তৈরি পোশাক কারখানার উৎপাদন কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, ইজি বাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার চালকরা মহাসড়কে অত্যন্ত বেপরোয়া। তারা ট্রাফিক আইন-কানুনের ধার ধারে না। তাদের কারণে মহাসড়কে যানজট লেগেই থাকে। ১০ মিনিটের পথ যেতে এক ঘণ্টা লাগে।

একই অবস্থা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সালনা, পোড়াবাড়ী, মাস্টারবাড়ি, রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা, হোতাপাড়া, বাঘের বাজার ও মাওনা চৌরাস্তা এলাকায়। অবাধে মহাসড়কে চলছে নিষিদ্ধ ওই সব যানবাহন।  

কালিয়াকৈর পরিবহনের বাসচালক আবদুল লতিফ বলেন, গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার নিত্য যানজটের অন্যতম কারণ এসব অবৈধ তিন চাকার যানবাহন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই মহাসড়ক

ঢাকা-সিলেট ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের প্রায় ৭৪ কিলোমিটার অংশ রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। আশুগঞ্জ থেকে শুরু হয়ে বিজয়নগরের সাতবর্গ পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের প্রায় ৩৪ কিলোমিটার এবং বিশ্বরোড থেকে কসবার কুটি পর্যন্ত কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশার বেশ দাপট।

হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়ক দুটিতে বেশি দুর্ঘটনা ঘটার যে ১৩টি কারণ চিহ্নিত করেছে তার মধ্যে তিন চাকার যানের অবাধ চলাচল উল্লেখযোগ্য। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দুই মহাসড়কেই অবাধে তিন চাকার যানবাহন চলাচল করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতলী, বিশ্বরোড মোড়, আশুগঞ্জ গোলচত্বর এলাকায় মহাসড়কের ওপরেই অবৈধ সিএনজিচালিত অটোরিকশাস্ট্যান্ড। কাউতলীতে অবৈধ স্ট্যান্ডের কারণে একটি সেতু দিয়ে অন্য কোনো যানবাহন চলাচলই করতে পারে না।

বিশ্বরোড মোড়ে কথা হয়, কুমিল্লা ট্রান্সপোর্ট নামের একটি বাসের চালক দুলাল মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, অটোরিকশাগুলো যত্রতত্র ব্রেক কষে। যেখানে-সেখানে যাত্রী নামায়। এ কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটে যায়।

সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি বলেন, মহাসড়কে তিন চাকার যান পুরোপুরি বন্ধ না হলেও নিয়ন্ত্রণে আছে। হাইওয়ে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালালেও লোকবলের সংকটে তিন চাকার যান পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বারবাড়িয়া থেকে আরিচা ঘাট পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার অংশ পড়েছে মানিকগঞ্জ জেলায়। গত দুই দিন এই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অবাধে চলাচল করছে তিন চাকার ব্যাটারিচালিত ইজি বাইক, পায়ে ও ইঞ্জিনচালিত রিকশা, ভটভটি, টেম্পো, সিএনজিচালিত অটোরিকশা।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের টেপড়া বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন শিবালয় উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স। আজমত আলী এখানে একটি দপ্তরের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। তাঁর বাড়ি প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে মানিকনগর গ্রামে। তিনি জানান, গ্রাম থেকে অফিসে আসতে ইজি বাইক কিংবা মোটরচালিত রিকশা ছাড়া গতি নেই। প্রায় তিন কিলোমিটার ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে আসতে হয়। দুর্ঘটনার ভয় থাকলেও ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ধরেই তাঁকে নিয়মিত অফিস করতে হয়।   

আজমত আলীর মতো অনেককে নিয়েই মহাসড়কে এভাবে দাপিয়ে বেড়ায় তিন চাকার যানবাহন।   

মানিকগঞ্জের গোলড়া হাইওয়ে থানার ওসি বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে এখন পর্যন্ত তিন চাকার যান চলাচলের জন্য আলাদা লেন নির্মাণ করা হয়নি। নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এ কারণেই তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে ওঠে। এদের বিরুদ্ধে মামলা বা জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না।

 

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবায় জিরো টলারেন্স

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, দেশব্যাপী স্বাস্থ্যখাত নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু ইস্যু নিয়ে কথা হচ্ছে। ঘটনাগুলো যেকোনো মানুষের মনকেই নাড়া দেবে। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে আমাকে শক্তহাতে উদ্যোগ নিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করতে বলেছেন। আমি দ্ব্যার্থহীনভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চলবো।

আমি পরিস্কারভাবে বলতে চাই, বৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল/ক্লিনিক/ ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো আমরা বন্ধ করতে চাই না, তবে এগুলো চালাতে হলে যতগুলো চিকিৎসক, নার্স প্রয়োজন তা থাকতে হবে; যা যা যন্ত্রপাতি থাকার কথা সেগুলো থাকা নিশ্চিত করতে হবে। সেটা করা না হলে, আমি কঠোর ব্যবস্থা নিতে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করবো। কোন অনুরোধ বা তদবিরেই এ সকল অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিক সেন্টার সচল রাখা হবে না। আমরা এক মাসে প্রায় ১২২৭টি অবৈধ ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করেছি, এখনও অভিযান চলমান আছে। এর সাথে আরো বলে রাখি, বৈধ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত লোকবল ও যন্ত্রপাতি না থাকলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়াদির উপর মিডিয়া ব্রিফ্রিংকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা সামন্ত লাল সেন।

ব্রিফ্রিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিডিয়াকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদানকালে জানান, আমি রোগীদের সুরক্ষা নিয়ে যেভাবে ভাবছি, একইভাবে আমি চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিয়েও কাজ করছি। ভালো সেবা পেতে হলে ভালো চিকিৎসক লাগবে। ভালো সুযোগ-সবিধা না পেলে ভালো চিকিৎসক পাওয়াও মুশকিল হবে।

ব্রিফ্রিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অতীতে কী কী হয়েছে সেগুলো নিয়ে না ভেবে এখন থেকে কী কী করা হচ্ছে সেদিকে বেশি মনোযোগ দিতে মিডিয়া কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান। স্বাস্থ্যসেবার সঠিক মান একা কেউই শতভাগ ঠিক করতে পারবে না। এজন্য দায়িত্ব কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার নয়: স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নততর করতে চিকিৎসক, পুলিশ, সাংবাদিকসহ প্রত্যেককেই এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে নোবিপ্রবিতে শহীদ দিবস পালনে বিশৃঙ্খলা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার নোবিপ্রবি প্রতিনিধি,

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের অব্যবস্থাপনায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে (বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে)। 

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নোবিপ্রবির শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। 

জানা যায়, দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, বিভাগসহ বিভিন্ন সামাজিক,  সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য নাম ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগ। ক্রমান্বয়ে নাম ঘোষণার কথা থাকলেও বিভাগটির অব্যবস্থাপনায় শহীদ মিনারেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। 

শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আগ্রহী সংগঠনসমূহকে পূর্ব নির্ধারিত কোন ক্রম জানানো হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে কোন নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই শ্রদ্ধা নিবেদন করার আহবান জানায় ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগ।

ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, দিবস উপলক্ষে শুরুতে শোক পদযাত্রা করা হয়। শোক পদযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে শহীদ মিনার চত্বরে এই হট্টগোলে সৃষ্টি হয়। 


সূত্র অনুসারে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষক সমিতির পর নোবিপ্রবি ছাত্রলীগকে শ্রদ্ধা নিবেদন করার আহবান জানানো হয়। শিক্ষক সমিতির পরে নোবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশনের নাম ঘোষণা না করায় তাৎক্ষণিক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন অফিসার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ। পরবর্তীতে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের ঘোষণা না মেনে সকল বিভাগ, দপ্তর ও সংগঠনের ফুল দেওয়া শেষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের এই সংগঠন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, নোবিপ্রবিতে সব সময়ই সাদামাটা ভাবে আয়োজন করা হয় দিবসসমূহ। যার ফলে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এক শতাংশ ও হয়না।

দিবস পালনে কোন সমন্বয় নেই বলে অভিযোগ নোবিপ্রবি ছাত্রলীগেরও। এই বিষয় অভিযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি নাঈম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান শুভ বলেন, আমাদেরকে যখনি সুযোগ দেওয়া হতো তখনি আমরা শ্রদ্ধা নিবেদন করতাম। দিবস উদযাপনে সব সময়ের মত এবারও সমন্বয়হীনতা দেখা গেছে। ভবিষ্যতে জাতীয় দিবস উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরো সতর্ক হয়ে পরিকল্পনা করার আহবান নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের। 

এ বিষয়ে নোবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক ইবনে ওয়াজেদ ইমন বলেন, এখানে একটি ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। আমরা আশা করি পরিবর্তীতে এরকম কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবেনা।

এ বিষয়ে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. বিপ্লব মল্লিক বলেন, আমাদের দিবস উদযাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টটা নেই, আমরা নির্দেশিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছি।

নোবিপ্রবি জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয় উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী বলেন, প্রশাসনিক কিছু বিষয়ে সমস্যা হলে তা পুরো নোবিপ্রবির নাম চলে আসে, তাই আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। আমরা সকলে পরবর্তীতে আরো সতর্কতার সাথে সকলের সহযোগিতায় স্বতঃস্বপূর্ত ভাবে সুন্দর আয়োজন করবো।


আরও খবর



চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কিছুদিন আগে সবজির ভরা মৌসুমেও দাম ছিল চড়া। সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে সবজির দাম। তবে পবিত্র শবে বরাতকে সামনে রেখে বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। এছাড়া বাজারে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দেখা গেছে চিত্র। সকাল থেকে রাজধানীতে মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে অন্য শুক্রবারের তুলনায় বাজারে ক্রেতার উপস্থিতিও কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেছে।

মোহাম্মদপুর স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরনের মুরগির মাংসের দামই ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩১০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। দামের এই ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির দাম বেশ কয়েকদিন ধরেই বেড়েছে। কেনা দাম বেশি পড়ায় বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে বাজারে কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। ভোটের আগে প্রতি কেজির গরুর মাংস ৬০০ টাকা পর্যন্ত নামলেও ভোটের পরে তা ৭০০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে দাম আরও বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়।

গরুর মাংসের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, রোজা ও কোরবানিকে সামনে রেখে খামারিরা গরু বিক্রি কমিয়েছে। সে জন্য বাজারে সরবরাহ কম, দাম বাড়ছে।

শীতকালীন প্রতিটি সবজির কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে গ্রীষ্মকালীন সবজিগুলো ১০০ টাকার নিচে কিনতে পারছেন না ভোক্তারা। বাজারগুলোতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস, বাঁধা কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস, ব্রকলি ৫০ টাকা পিস, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৩০ টাকা, খিরাই ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আলু কেজিতে ৫ টাকা কমে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যদি এসব বাজারে বগুড়ার লাল আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, গ্রীষ্মকালীন সবজি কচুরমুখী ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, ঢেঁড়স ১২০ টাকা, বরবটি ১৪০ টাকায়, শসা ১০০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ধুন্দুল ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, পটল ১৪০ টাকা এবং সাজনা ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধনে পাতা কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, জালি কুমড়া ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজের ফুলকলি ৫০ টাকা ও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

 জামালপুর প্রতিনিধি : বকশীগঞ্জ নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের উদ্যোগে ২০২৪ সালে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উর্ত্তীন্ন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধণা দেয়া হয়েছে শুক্রবার সকালে নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকে জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়

 সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের উপ সচিব মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন সভাপতিত্ব করেন নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের অন্যতম কর্নধার পঙ্গু হাসপাতালের (নিটোর) স্পাইন অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক ডা.রেজাউল করিম রেজা বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রীবরদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হাসান বিন রফিক, অর্থোপেডিক সার্জন ডা.মোহাম্মদ নাদের হোসেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আফছার আলী,বাট্টাজোর নগর মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ,কৃতি শিক্ষার্থী হৃদয় ইসলাম, তাসনিমা হাসনাইন,আবরার জাওয়াদ রাইয়ান তালুকদার,তাহমিদ হাসান,জান্নাতুল ফেরদৌসি, নিশাত তাসনিম ছোয়া, জান্নাতুল ফেরদৌসি মীম,আদিবা মুয়িম্মাহ নূর আফজা মোহনা

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের অন্যতম কর্নধার ইসলামী ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখা ব্যাবস্থাপক আনোয়ার হোসেন ফুয়াদ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট মেডিকেলের বই তুলে দেন অতিথিবৃন্দ


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪