Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

নোয়াখালীতে নৌকার প্রার্থীসহ ১৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাদ

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর ৬ আসনে ৫৫ জন প্রার্থীর মধ্যে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে ১৮ জন প্রার্থী বাদ পড়েছেন। 

রোববার নোয়াখালী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান তাদের মনোনয়ন বাতিল করেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী-১ আসনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তার মধ্যে ৯ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। নোয়াখালী-২ আসনে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তারমধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। নোয়াখালী-৩ আসনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তারমধ্যে ৭ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। নোয়াখালী-৪ আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তারমধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। নোয়াখালী-৫ আসনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তারমধ্যে ৫ জনেরই মনোনয়ন বৈধ হয়। নোয়াখালী-৬ আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তারমধ্যে ৩ জনের মনোনয়ন বৈধ এবং ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

 জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, নোয়াখালী-৪ (সদর-সূবর্ণচর) আসনে ঋণ খেলাপির দায়ে বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অবঃ) আবদুল মান্নান ও নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত ও বর্তমান সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরন এমপিসহ ১৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। ৩৭ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। 

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়ন আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৮ ডিসেম্বর এবং নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত চলবে। ভোটগ্রহণ আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি (রোববার) অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ৫৯২ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কাঁঠালিয়ায় ইউএনও কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করলেন এমপি

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ঝালকাঠি কাঁঠালিয়া প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইউএনও কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে এ খেলার উদ্ধোধন করেন ঝালকাঠি-১ (কাঁঠালিয়া-রাজাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য  ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীরউত্তম। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.নেছার উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.এমাদুল হক মনির।

  এ সময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.বদিউজ্জামান সিকদার, মহিলা  ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খানম, থানা অফিসার ইনচার্জ মো.নাসির উদ্দিন সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তাপস কুমার তালুকদার, এমপির ব্যাক্তিগত সহকারি ব্যারিস্টার মো.মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিমল চন্দ্র সমাদ্দার, ইউপি চেয়ারম্যান মো.হারুন অর রশীদ, শিশির দাস, মো.আমিরুল ইসলাম ফোরকান, মাহামুদুল হক নাহিদ, মাহমুদ হোসেন রিপন, মো.মিঠু সিকদারসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । খেলায় দুই গ্রুপে মোট ৮ দল অংশ নেয়। উদ্ধোধনী খেলায় কাঁঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ বনাম চেঁচরী রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ দল অংশ গ্রহন করে।


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রানে ফিরেছেন সাকিব

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাণীনগরের আবাদপুকুর হাটের জরাজীর্ণ অবস্থা

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ):

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর হাট থেকে প্রতিবছর কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। বর্তমানে সংস্কারের অভাবে সেই হাটের জরাজীর্ণ অবস্থা। বছরের পর বছর বরাদ্দকৃত নির্ধারিত অর্থের সঠিক ব্যবহার না করায় আবাদপুকুর হাটের এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগের মধ্যে কেনা-বেচা করতে হচ্ছে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের। দ্রুত এই জনগুরুত্বপূর্ণ ধান ও পশুর হাটটিকে আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

সূত্রে জানা গেছে যে, রাণীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বৃহত্তম ধান ও পশুর হাট হচ্ছে আবাদপুকুর হাট। সেই হাটে মাছ-মাংস ও সবজি বিক্রেতাদের জন্য কয়েকটি শেড নির্মাণ করে দেওয়া হলেও বর্তমানে এই হাটের মাছ ও মাংশ পট্টির শেডগুলোর টিন মরিচায় নষ্ট হয়ে গেছে। কোনটির টিন ঝড়ে উড়ে গেছে। হাট-বাজারে ঢুকলেই ক্রেতা-বিক্রেতার ভোগান্তির শেষ থাকে না। হাটের শেডগুলোর অবস্থা জরাজীর্ণ। কোথাও টিনের চালা ভেঙে পড়ে আছে, আবার কোথাও টিনের চালা নেই। ব্যবসায়ীরা পলিথিন টাঙিয়ে ব্যবসা করছে। বর্তমানে হাটের শেডগুলোর জরাজীর্ন অবস্থার কারণে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিতে ভিজে আর শুষ্ক মৌসুমে রোদে পুড়ে কেনা-বেছা করতে হয় ব্যবসায়ীদের। সপ্তাহের রবিবার ও বুধবার হাটবার। সপ্তাহের বাকি দিনগুলোয় বসে বাজার। এছাড়াও হাটে একটি ব্যবহারযোগ্য গণশৌচাগার না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় আগতদের। হাটে চলাচলের জন্য রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের জন্য খারাপ ড্রেনেজ ব্যবস্থা দুর্ভোগের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। অথচ গত ২০২২সালে এই হাটটির ইজারা মূল্য ছিলো ৮২লাখ টাকা, যা ভ্যাট ও অন্যান্য খাত মিলে সরকার এই হাট থেকে সরকার রাজস্ব হিসেবে কোটি টাকা আয় করে আসছে। সরকারি নিয়ম অনুসারে প্রতিবছর সরকারি ইজারা মূল্যের শতকরা ১৫শতাংশ অর্থ হাটের সংস্কার, মেরামত ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজে ব্যয় করার নিয়ম। হাটের সার্বিক অবকাঠামোগত কাজে বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিক ভাবে লাগানোর দাবী সংশ্লিষ্টদের।

মাংস ব্যবসায়ী রশিদুল শেখ বলেন, বংশগতভাবে হাটে মাংসের ব্যবসা কনে আসছি। এখানে সাতজন মাংস ব্যবসায়ী আছে। বর্ষায় বৃষ্টি শুরু হলে মাংস ভিজে যায়। অথচ আমরা ঠিকমতো হাটের টোল দিয়ে থাকি। তার মতে হাটে আসা মুরগী ও অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও একই কথা বলেন। 

হাট ইজারাদার হেলাল উদ্দিন হেলু মেম্বার বলেন, বর্তমানে হাটের শেডগুলোর অবস্থা জরাজীর্ণ। কোথাও টিনের চালা ভেঙে পড়ে আছে, আবার কোথাও টিনের চালা নেই। ব্যবসায়ীরা পলিথিন টাঙিয়ে ব্যবসা করছে। উপজেলা প্রশাসনের নিকট বিগত কয়েক বছরের হাটের ইজারা থেকে বরাদ্দকৃত যে পরিমাণ অর্থ জমে আছে সেই অর্থাদিয়েও হাটের আধুনিকায়নের কাজ করা সম্ভব। উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইচ্ছে করলেই হাটের এমন বেহাল দশা থেকে আমাদেরকে মুক্ত করতে পারেন।

উপজেলা প্রকৌশলী ইসমাইল হোসেন জানান, গতবছর তৎকালীন ইউএনও শাহাদাত হুসেইন স্যারের নির্দেশক্রমে উপজেলার সকল হাট ও বাজারের আধুনিকায়নের কাজের জরিপ সম্পন্ন করে জমা দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি বদলী হওয়ার কারণে পরবর্তিতে আর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এই বাবদ অর্থ ইউএনও স্যারের নিজস্ব এ্যাকাউন্টে জমা থাকে এবং সেই অর্থ খরচের বিষয়ে একমাত্র তিনিই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাবাসসুম বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। তাই এই বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে দ্রুতই পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করায় একটি ইট ভাটাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটার দিকে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার কালুশহর মোড় এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রে রিফাত আরা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

জানা গেছে, নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার কালুশহর মোড় এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে  এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রে রিফাত আরার নেতৃত্বে মেসার্স আর.আর.বি ব্রিকস নামক ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ইট ভাটার পক্ষ থেকে সঠিক কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় ভ্রাম্যমান আদালতে ইট ভাটার ম্যানেজার মোঃ হোসাইন কে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

এসময় ভ্রাম্যমান আদালতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক উত্তম কুমার, সহকারী পরিচালক মোঃ মলিন মিয়া সহ মহাদেবপুর থানা পুলিশ। ভবিষ্যতে এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শুল্ক কমলেও চিনির দাম উল্টো বাড়ছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আমদানি শুল্ক অর্ধেক কমানোর পর এক টাকাও কমেনি চিনির দাম বরং বেড়েছে। বছরের ব্যবধানে ৩৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৪৮ টাকায়। আর খোলা চিনি ১৪০ টাকা। বিশ্লেষকদের দাবি, চিনি আমদানিতে মনোপলি সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে দাম কমানো কঠিন।

তথ্যমতে, চিনির মূল্য নিয়ন্ত্রণে গত বছরের নভেম্বরে আমদানি শুল্ক অর্ধেকে নামিয়ে আনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটির প্রজ্ঞাপনে, অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে প্রতি টনে শুল্ক ৩ হাজার টাকা থেকে কমানো হয়েছে দেড় হাজার টাকা। আর পরিশোধিত চিনির শুল্ক ৬ হাজার টাকা থেকে করা হয়েছে ৩ হাজার টাকা। শুল্ক ছাড় সুবিধা আমদানিকারকরা পাবেন আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

বড় আকারের শুল্ক ছাড়ে ভোক্তারা কম দামে চিনি কিনতে স্বস্তি পাবেন, এমনটাই স্বাভাবিক। কিন্তু হয়েছে তার উল্টো। দাম তো কমেনি বরং প্রায় প্রতি মাসে বেড়েছে। বছরের ব্যবধানে খোলা ও প্যাকেটজাত চিনির দাম বেড়েছে গড়ে ৩৫ টাকা।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, চিনির দাম একটু বেশি হলেও সংকট নেই। তবে, সরকার যদি আমদানি করে আমাদের মাধ্যমে সরবরাহ করে তাহলে দাম কিছুটা কমবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চিনি আমদানি ও সরবরাহে মনোপলি সিস্টেম ভাঙতে না পারলে বাজারে স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা নেই।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ট্র্যাকিং সফটওয়্যার ব্যবহার পুরোপুরি চালু হলে তথ্যে কোন ঘাটতি থাকবে না। তখন মিলগেট থেকে ডিস্ট্রিবিউটরদের মাধ্যমে কোন জেলায় কতটুকু পণ্য যাচ্ছে সেগুলো আমরা ট্র্যাক করতে পারব।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ধামরাইয়ে আবুল বাশার কৃষি কলেজে ছাত্র’র হাতে শিক্ষক লাঞ্চিত, আটক ৩

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার ):

ঢাকার ধামরাইয়ে রঘুনাথপুর  আবুল বাশার কৃষি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের পুনর্বহাল দাবিতে চার শিক্ষার্থীর নেতৃত্বে কলেজে হামলা, পাঠদানে বাধা প্রদান ও শিক্ষকদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন শিক্ষক গুরুতর আহত হয়েছে।

রোববার বেলা ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়  হামলাকারী তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছ।

জানা গেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয় হিসাব নিকাশ ও বিবিধ ঘটনা প্রবাহ নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে মতানৈক্য হওয়ায় ১ জানুয়ারি রঘুনাথপুর আবুল বাশার কৃষি কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কৃষিবিদ রওশনারার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম। পরে সিনিয়র সহকারী প্রভাষক কৃষিবিদ মোহাম্মদ নুরুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।

এ ঘটনার পর থেকেই অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের অনুসারী কয়েকজন ছাত্র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে মেনে নিতে নারাজ। পরে রোববার বেলা ৯ টার দিকে মোস্তফা কামাল, ইফতেখার আমিন ও রাব্বি হাসানের নেতৃত্বে কয়েকজন ছাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায় এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বাধা প্রদান করে।

এ সময় শিক্ষকরা কারণ জানার জন্য তাদের দিকে এগিয়ে আসতে থাকলে হামলাকারী ওই ছাত্ররা শিক্ষকদের দিকে তেড়ে গিয়ে তাদেরকে মারধর করে। এতে কো-অর্ডিনেটর কৃষিবিদ মো. শামস উদ্দিন ও কম্পিউটার সাইন্সের শিক্ষক মো. মাহবুব আলম হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম।


আটক তিন শিক্ষার্থী জানায়, আমরা আমাদের সেশন ফি ৫ হাজার টাকার স্থলে ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ  ও অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে পুনর্বহালের দাবি জানাই। আমরা শিক্ষকদের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে ক্লাস বন্ধের ঘোষণা দেই।

হামলার শিকার শিক্ষক মো. শামসুদ্দিন ও মাহবুব আলম বলেন, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারী ওই ছাত্ররা কলেজে হামলা ও পাঠদানে বাধা প্রদান করে। আমরা এগিয়ে গিয়ে কারণ জানতে চাইলে তারা আমাদেরকেও মারধর করে।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, কলেজের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কৃষিবিদ রওশনারার কাছে দিলে রিজাইন লেটার জমা দিলে আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে সাবেক অধ্যক্ষ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এ হামলা পাঠদানে বাধা প্রদান ও শিক্ষকদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ কৃষিবিদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক মিলনায়তনে একজন শিক্ষক আমার উপস্থিতিতে টেবিল থাপড়িয়ে  কথা বলায় আমি কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি রওশনারার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেই। হামলার ঘটনায় আমার কোনো হাত নেই। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের মিথ্যাচার করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আটককৃত ৩শিক্ষার্থীকে মুচলেকা দিয়ে ছারিয়ে নেন তাদের অভিভাবক।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ চাইলে এ ব্যাপারে মামলা নেওয়া হবে।


আরও খবর