Logo
শিরোনাম

নোয়াখালীতে যৌন হেনস্তার শিকার নোবিপ্রবির এক ছাত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

নোয়াখালীতে রিকশাচালক কর্তৃক যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রীর। ভুক্তভোগী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের একজন আবাসিক শিক্ষার্থী। 

শুক্রবার (২৪ মে) সকাল ১০ টায় পৌর বাজারের পিছনে ল'ইয়ার্স কলোনী থেকে মেইন রোডে রিকশায় উঠে আসার সময় প্রভাতী স্কুল এলাকায় রিকশাচালক কর্তৃক ঐ শিক্ষার্থী যৌন হেনস্তার শিকার হয় বলে জানা যায়। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর তথ্যমতে জানা যায়, গতকাল আনুমানিক সকাল দশটায় বান্ধবীর বাসা থেকে হলে আসার উদ্দেশ্যে বাসার সামনে থেকে একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় উঠে। উঠার সময় রিকশা চালককে  স্বাভাবিক মনে হলেও প্রভাতি স্কুল থেকে কিছু দূর সামনে আসার পর একটি ব্যাটমিন্টান কোর্ট এর সামনে রিকশা চালক হঠাৎ করে তার রিকশাটি থামায়। জায়গাটি তখন নিরিবিলি ছিল। রিকশাচালক রিক্সায় সমস্যা হয়েছে বলে জানায় এবং রিক্সা থেকে নেমে তাকে সাহায্য করতে বলে। ঐ রিকশাচালক পেছনের চাকার কাছে বসে এসময় পা দিয়ে রিক্সার সাইড এ চাপ দিতে ঐ শিক্ষার্থীকে অনুরোধ জানায়।

ভুক্তভোগী রিকশাচালকের দেখানো জায়গায় পা দিয়ে চাপ দিলে রিকশাচালক এতে কাজ হচ্ছে না বলে জানান। পরে তাকে জুতা খুলে চাপ দিতে অনুরোধ করে। পরবর্তীতে ঐ শিক্ষার্থী জুতা খুলে চাপ দিলে একটু পর রিকশাচালক তার হাত দিয়ে পা ধরে এদিক ওদিক করতে থাকে এবং বলতে থাকে আপু একটু কষ্ট করে পা এদিকে নেন ওদিকে নেন। কিন্তু তখনো ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থী কিছু বুঝতে পারেননি। পরে ঐ শিক্ষার্থী বুঝতে পারেন রিকশাচালক তার পায়ের মধ্যাঙ্গুল মুখে ঢুকাচ্ছেন। বৃদ্ধা আঙ্গুল মুখে ঢুকানোর চেষ্টা করতে নিলে সাথে সাথে পা সরিয়ে নেন ভুক্তভোগী এবং রিক্সা থেকে নামতে চাইলে রিক্সা চালক তৎক্ষনাৎ রিক্সায় উঠে রিক্সা চালানো শুরু করে দেয়।

এসময় ভয়ে ভুক্তভোগী কি করবে বুঝে উঠতে না পেরে এক পর্যায়ে বড় মসজিদ মোড় এলাকায় রিকশাটি এলে দ্রুত নেমে গিয়ে আতঙ্কিত অবস্থায় হলে চলে আসেন। হলে আসার পর থেকে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন ঐ শিক্ষার্থী।

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত রিকশাচালককে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের নিকট অনুরোধ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। সেই যেই হোক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে বা বাইরে। আমার শিক্ষার্থী যৌন হেনস্তার শিকার হবে আর আমরা বসে থাকবো প্রশ্নই আসে না। অভিযোগ এলে আমরা সর্বোচ্চ যতটুকু ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার তা করবো।


আরও খবর



গ্যাস সংকট চরমে, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

দেশজুড়ে চলছে তীব্র গ্যাস সংকট। বাসাবাড়ি, সিএনজি স্টেশন, পেট্রলপাম্প, শিল্পকারখানা সর্বত্র একই অবস্থা। 

এদিকে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের চাপ খুবই কম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকছে গাড়ির দীর্ঘ সারি। এতে সড়কে যানজটও বাড়ছে।নষ্ট হচ্ছে সময়।

ঢাকাসহ সারাদেশেই একই চিত্র।কোনো কোনো স্টেশনে দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থেকে গ্যাস না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে।

সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান তিতাস বলছে, শীতের প্রকোপে গ্যাস লাইনে কনডেনসেট জমে। পাশাপাশি সরবরাহ কমায় সংকট তীব্র হয়েছে।

রাজধানীবাসী বলছে, সকাল ৮টার দিকেই গ্যাস চলে যায়। আসার ঠিক নেই। এখন পানি ফুটিয়ে খাওয়ার মতোও পরিস্থিতি নেই। গ্যাসের চাপ কম থাকায় শুধু ডাল বা ভর্তা খেয়েই দিন পার করছেন অনেকে। মাছ বা মাংস রান্না করার মতো অবস্থা নেই।

শুধু বাসাবাড়িতেই নয়, রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ নেই। তাই গাড়ির জ্বালানি সংগ্রহে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। তার পরও চাহিদামতো সিএনজি কিনতে পারছেন না অনেকেই।

চালকরা বলছেন, গ্যাস সংগ্রহের জন্য তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে। তার পরও ঠিকমতো গ্যাস পাওয়া যায় না।

স্টেশন কর্তৃপক্ষের মতে, গ্যাসলাইনে পাউন্ড-বল প্রতি বর্গ ইঞ্চি (পিএসআই) অন্তত ১৫ থাকার কথা, এর থেকে অনেক কম থাকার কারণে মেশিন প্রায় অচল থাকছে।

রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহসহ ১২ জেলায় তিতাসের গ্রাহকরা দৈনিক প্রায় ১৮০ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস পেত। এখন মিলছে দেড়শ কোটি ঘনফুটের নিচে। একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল মেরামতের কাজ চলায়, আমদানির গ্যাস কমেছে বলে জানান তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
  


আরও খবর



শীর্ষ নেতাদের রাজনীতি ছাড়ার বার্তা দিলেন ফখরুল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম / সদরুল আইন:


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন—এমন বার্তা তিনি দিয়েছেন দলের একাধিক শীর্ষ নেতাকে।


 লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াকেও তার অভিপ্রায়ের কথা জানিয়েছেন বলে একটি সূত্র  নিশ্চিত করেছে। তবে তারেক জিয়া তাকে এখনই রাজনীতি না ছাড়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বলেও সেই সূত্রটি জানিয়েছে। 


উল্লেখ্য যে, এখন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব। তার শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো না। ২৮ অক্টোবরের বিএনপির তাণ্ডবের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই সময়ে তিনি সাড়ে তিন মাসেরও বেশি জেলে ছিলেন। জেলে থাকাকালীন সময় তার বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা আরও জটিল আকার ধারণ করেছে বলে তার পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।


 বিশেষ করে তার হার্টের যে পুরনো সমস্যা তা আগের চেয়ে আরও বেড়েছে। সিঙ্গাপুরে যে চিকিৎসককে মির্জা ফখরুল দেখিয়েছেন বা যাকে তিনি নিয়মিত দেখান, তিনি তাকে এখন বেশি করে বিশ্রাম নেওয়া, চিন্তামুক্ত জীবন যাপন করা এবং কোন রকম স্ট্রেস না নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে পারিবারিকভাবে তার ওপর চাপ এসেছে যে রাজনীতির চাপ কমিয়ে ফেলার জন্য।



বিএনপির মহাসচিব হিসেবে শুধু নয়, বিএনপির এখন তিনিই প্রধান সার্বক্ষণিক নেতা। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পেয়ে ফিরোজা অবস্থান করছেন। তিনি কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে না। 


অন্যদিকে তারেক জিয়া লন্ডনে পলাতক। তিনিও একুশে অগাস্টের গ্রেনেড হামলা সহ একাধিক মামলায় দণ্ডিত। এরকম বাস্তবতায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ওপর দল পরিচালনার দায়িত্ব এসেছে এবং তিনি সার্বক্ষণিকভাবে দলের জন্য কাজ করছেন। তাই তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে বলে তার বিভিন্ন ঘনিষ্ঠ মহল জানিয়েছে।


 বিশেষ করে সাড়ে তিন মাস কারা জীবনের সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শরীরে নতুন নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে বলেও তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে। এই সমস্ত শারীরিক সমস্যাগুলো ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করেছে। আর এ কারণে তার দীর্ঘমেয়াদি বিশ্রাম প্রয়োজন বলেও চিকিৎসকরা তাকে পরামর্শ দিচ্ছেন।


 সবকিছু মিলিয়ে রাজনীতির মাঠে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে ভাবে সক্রিয় ছিল, তেমনটি তার পক্ষে সক্রিয় থাকা আর সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। 


চিকিৎসকের সাথে পরামর্শের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকায় বিএনপির অন্তত দু জন নেতাকে জানিয়েছেন যে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। ডাক্তার তাকে দীর্ঘ বিশ্রামের কথা বলেছেন। এই অবস্থায় মহাসচিবের দায়িত্ব তার পক্ষে পালন করা কতটুকু সম্ভব, সেই নিয়ে তিনি নিজেই সন্দিহান। 


তবে বিএনপি রাজনীতি থেকে তিনি দূরে যাবেন না। বিএনপির সঙ্গেই তার রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকবে। 



একজন স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। এই দলের জন্য তিনি জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত এমন বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হল যে তিনি দলের পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালনের মতো শারীরিক অবস্থায় নেই। 


উল্লেখ্য যে, বিএনপির একাধিক নেতা এখন শারীরিক ভাবে অসুস্থ এবং দায়িত্ব পালনে অক্ষম। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে রোগ শোকের সঙ্গে লড়াই করছেন। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল হলেও তিনি কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করছেন না। 


বিএনপির আরেক নেতা জমির উদ্দিন সরকার বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। তাকেও দলের কর্মকাণ্ডে খুব একটা দেখা যায় না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াও দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী। 


এই অবস্থায় ফখরুলও যদি অসুস্থ হয়ে রাজনীতির থেকে দূরে যান তাহলে কিএনপির হাল ধরবে কে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।



আরও খবর



আমরা শোকাহত: ৭১ টিভির প্রযোজক ও দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মাসুমের পিতা আর নেই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

সদরুল আইন:


     ৭১ টিভির প্রযোজক ও দৈনিক বর্তমান  দেশবাংলা' পত্রিকার প্রধান সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম মাসুম'র বাবা আজ ভোর রাতে না ফেরার দেশে চলে গেছেন।( ইন্নালিল্লাহি.........রাজিউন)


মৃত্যুকালে মরহুম আলহাজ মফিজুল ইসলাম এক ছেলে এক মেয়ে নাতি নাতনিসহ বহু শুভাকাঙ্খি রেখে গেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে অমায়িক আচরনের এই মানুষটি ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারের জেলর ছিলেন।


এছাড়াও তিনি মসজিদ মাদ্রাসা এতিমখানাসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন।


জানা গেছে, শনির আখড়ায় নিজ বাড়িতেনআজ ভোর রাতে তিনি আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।এর আগে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভূগছিলেন।


তার মৃত্যুতে দৈনিক 'বর্তমান দেশবাংলা ' পত্রিকা পরিবার গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে।


আরও খবর



হামলার শিকার ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে অনলাইন ডেস্ক:


কড়া নিরাপত্তার মাঝে থেকেও ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন রাজধানী কোপেনহেগেনের একটি চত্বরে হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খবর বিবিসির।



বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার (৭ জুন) শহরের মাঝখানে একটি চত্বরে প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের ওপর হামলা হয়। 


এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসে হঠাৎ তাকে আঘাত করে। ঘটনার পরপরই হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।  



ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেইন এ ঘটনাকে ‘জঘন্য কাজ’ বলে অভিহিত করেছেন। ‘ইউরোপকে সুন্দর করতে আমরা যা বিশ্বাস করি এবং যার জন্য লড়াই করি, এ ঘটনা তার বিপরীত’ বলে  উল্লেখ করেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এই ঘটনায় মর্মাহত। শুক্রবার সন্ধ্যায় কোপেনহেগেনের কাল্টরভেট এলাকায় প্রধানমন্ত্রী হাঁটতে বের হলে এক ব্যক্তি হঠাৎ তার কাঁধে হাত দিয়ে জোরে আঘাত করে। 


পরে পুলিশ হামলাকারীকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর জানানো হবে বলে জানানো হয়। 


দুজন প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় সংবাদপত্র বিটি’কে জানান, একজন লোক প্রধানমন্ত্রীর বিপরীত দিকের রাস্তা থেকে এসে প্রধানমন্ত্রীর কাঁধে জোরে ধাক্কা দেয়, যার ফলে তিনি পাশে ঢলে পড়েন। আকস্মিক এ ধাক্কায় অবশ্য প্রধানমন্ত্রী মাটিতে পড়ে যাননি।


ইইউ নির্বাচনে ডেনমার্কের ভোটের দুদিন আগে এই হামলাটি হলো। ডেনমার্কের টিভি-২ জানায়, ডেনমার্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট দলের নেতা ফ্রেডেরিকসেন ইউরোপীয় নির্বাচনে তার দলের প্রধান প্রার্থী ক্রিস্টেল শালডেমোসের নির্বাচনি প্রচারে কয়েকবার অংশগ্রহণ করেন। 


সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট ডেনমার্কের জোট সরকারের বড় দলগুলোর একটি। নির্বাচনে এই জোট জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। তবে, সম্প্রতি সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।


ডেনমার্কের পরিবেশমন্ত্রী ম্যাগনাস হিউনিক এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, ‘এ হামলায় মেটে আঘাত পাননি, তবে মর্মাহত হয়েছেন। আমাকে অবশ্যই বলতে হবে, এ হামলা মেটের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে।’


ইইউ প্রধান চার্লস মিশেল এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘আমি খুব বিরক্ত। আমি এই কাপুরুষোচিত আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানাই।’


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




কোটা পুনর্বহালের আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি টু ডে  ডিজিটাল ডেস্ক :


প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের আদেশ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বাতিলের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।


 তা না হলে লাগাতার আন্দোলন ও প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।


রোববার (৯ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা এ ঘোষণা দেন।



এ সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকারও ঘোষণা দেন তারা। এছাড়া বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীদের একটি দল হাইকোর্টে এটর্নি জেনারেলের কাছে লিখিত স্মারকলিপি দিতে যান।


কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের সমাবেশে জড়ো হন কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। তারা ‘সংবিধানের/মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা, সুযোগের সমতা’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘কোটা না মেধা...মেধা মেধা’, ‘আপস না সংগ্রাম...সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই’ স্লোগান দেন।


শিক্ষার্থীরা বলছেন, কোটা পুনর্বহালের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, প্রয়োজনে তা রক্ত ঝরার মাধ্যমে শেষ হবে। তবুও এই বৈষম্যমূলক কোটা বাতিলের দাবি শিক্ষার্থীসমাজ আদায় করে ছাড়বে।


 আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এই কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত বাতিলের আল্টিমেটাম জানিয়েছেন তারা।


আরও খবর