Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নরসিংদীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটানোর ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, দল থেকে অব্যাহতি

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীতে এক প্রতিবন্ধী ও মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে 

লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় সেই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে রবিবার রাতে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। 

 অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান বাবু সদর উপজেলার পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহব্বায়ক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

 রবিবার রাতে মাধবী থানায় উপস্থিত হয়ে মামলাটি দায়ের করেন আহত যুবকের মা রেজি বেগম। 

সেই সাথে একই দিনে মাধবদী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা বঙ্গ ও অমানবিক কাজ করায় পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক পদ থেকে বাবুকে অব্যাহতি । সেই সাথে পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

 আহত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এবং মৃগীরোগে আক্রান্ত সোহেল মিয়া (৪০) সদর উপজেলার চর-মাধবদী এলাকার মৃত সাইদ মিয়ার ছেলে। গত শুক্রবার সকাল ৯ টার দিকে চরমাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত সোহেল মিয়ার মা রেজি বেগম বলেন, আমি আমার পরিবার নিয়ে আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। থানায় মামলা দায়ের করেছি। কখন যানি আবার বাবু হামলা চালায় ‌। সে এলাকার মধ্যে প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা আশ্রয় প্রশ্রয় বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে । সাংবাদিকরা পাশে থাকলে  আমি একটু বিচার পাবো । আমার ছেলেকে চিকিৎসা করার পর্যন্ত টাকা আমার কাছে নেই। আমি বাবুকে গ্রেফতার চাই এবং সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি। তাকে যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে তাদেরও বিচার চাই।


 স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় জাকির হোসেনের মুদী দোকানে যায় সোহেল। এসময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা বাবুর বাবা প্রতিবেশী মোখলেছুর রহমানের সাথে বিস্কুট খাওয়া নিয়ে কথাকাটাকাটি হয় সোহেলের। পরবর্তীতে স্থানীয় এলাকাবাসীর সমন্বয়ে বিষয়টি  নিরসন করা হয়। এর আবার সোহেলের মামা বাবুল মোল্লাকেও মারধোর করে বাবু। শুক্রবার সোহেল একা বাজারে গেলে সাধারণ মানুষ এর সামনে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করে কলা বাগানে তাকে ফেলে চলে যান ছাত্রীলীগ নেতা বাবু। 


বাবুকে অব্যাহতির  বিষয়ে জানতে চাইলে মাধবদী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম হাফিজুর রহমান সৈকত বলেন, কোন অপরাধীর দায় ছাত্রলীগ নিবে না। ছাত্রলীগের পদ নিয়ে কেউ অপরাজনীতি করবে সেটা আর সম্ভব না। বাবু অমানবিক কাজ করেছে তাই সংগঠন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য এটা একটি শিক্ষা। 

এদিকে মাধবদী থানার ওসি মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনাটি দুঃখজনক। সোহেল এর মা আমাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। সাথে সাথে আমরা মামলা নিয়েছি। আসামিকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছি। সে এখন পলাতক রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা হবে। 


আরও খবর



চিলমারীতে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image
চিলমারী, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি::

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে পানিতে ডুবে লাবনী নামের (১৪) এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিরার (১৪ই জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার, রমনা ইউনিয়নের শরীফের হাট (খন্দকার পাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত লাবনী শরীফের হাট (খন্দকার পাড়া) এলাকার লাল মিয়ার মেয়ে। ৪ ভাই বোনের মধ্যে লাবনী সবার আদরের ছোট বোন ছিলেন। জানা গেছে, আজকে দুপুরে পরিবারের অগোচরে শিশু লাবনী কলা গাছের ভুরায় (ভেলায়) চরে দাদার বাসা যাওয়ার সময় পানিতে পড়ে যায়।পরবর্তীতে তাকে সব জায়গায় খুঁজে না পাওয়ায়, আত্মীয়-স্বজনরা খোঁজা-খুঁজির এক পর্যায়ে, স্থানীয় আব্দুল খালেক দুপুর ২টার সময় শিশু লাবনীর লাশ পানিতে ভাসতে দেখে এবং তার বাবা মাকে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করেন। পরে বাদ আসর শরীফের হাট সুইচ গেট সংলগ্ন বাঁধের রাস্তায় তাকে দাফন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ৪নং রমনা মডেল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর জানতে পেরেছি। কলা গাছের ভুরায় (ভেলায়) চরে দাদার বাড়ি যাওয়ার সময় পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। পরে তাকে দাফন করা হয়েছে বলে জানা তিনি।

আরও খবর



স্কুল পডুয়া শিক্ষার্থীদের কাছে অশ্লিল ভিডিও সরবরাহকারী ৩ জন আটক

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ ও বিক্রয় চক্রের মূলহোতা সহ ৩ জনকে আটক করেছে র‌্যাব। আটককৃত ৩ জনের মধ্যে ২ জন নওগাঁর।গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকস অপারেশনাল দল ২২ জুন শনিবার দিনগত রাতে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানাধীন কলেজ বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পর্নোগ্রাফি (অশ্লিল) ভিডিও সংরক্ষণ ও সরবরাহকারী মূলহোতা সহ জাহিদুল ইসলাম সহ মোট ৩ জনকে আটক করেন। আটককৃত ৩ জন হলেন, জাহিদুল ইসলাম (৩৩)

পিতা- মোঃ সামসুদ্দিন মন্ডল, গ্রাম আওয়ালগাড়ি, থানা-আক্কেলপুর, জেলা- জয়পুহাট এবং মোঃ আবুল কালাম (৪০) পিতা আমজাদ হোসেন, গ্রাম পূর্ব খাদাইল, থানা- বদলগাছী, জেলা- নওগাঁ ও রিপন হোসেন (৩০), পিতা আজিজুল হক, গ্রাম পশ্চিম কাদাইল, থানা-বদলগাছী, জেলা নওগাঁ। এছাড়া গ্রেফতার করে ও পলাতক আসামী শ্রী বণিক ঘোষ (৩৮), পিতা-শ্রী রণজিৎ ঘোষ, সাং-ঘোষ পাড়া, থানা-আক্কেলপুর, জেলা- জয়পুরহাট।

আটককৃত আসামীগণ জয়পুরহাটের আক্কেলপুর কলেজ বাজার এলাকায় পর্ণগ্রাফি চক্রের মূলহোতা জাহিদুলের নেতৃত্বে তাদের দোকানের নিজস্ব কম্পিউটারের হার্ডডিক্সে অশ্লীল সিনেমা ও  ভিডিও ক্লিপ আপলোড ব্যবসার পাশাপাশি পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ করে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ইলেকট্রিক ডিভাইসের মাধ্যমে স্থানীয় কিশোর ও স্কুল পডুয়া ছাত্রদের কাছে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর গোয়েন্দা দল অশ্লিল সিনেমা ও গানের ভিডিও ক্লিপ আপলোড ব্যবসার পাশাপাশি পর্নোগ্রাফি সরবরাহের বিষয়টি তদন্ত শুরু করে এবং তদন্তে এর সত্যতা পাওয়ার পরই র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর অভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে উক্ত পর্নো ব্যবসায়ীদেরকে আটক করতে সমর্থ হয় এবং পলাতক আসামী বণিক কৌশলে পালিয়ে যায়। এঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আটককৃত ৩ জনকে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব।


আরও খবর



ফয়সালের শ্বশুর-শাশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক হিসাব

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের শ্বশুর ও শাশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসব ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১৯ কোটি টাকা জমা হওয়া এবং পরে তার বড় অংশ উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে। 


আদালতে জমা দেওয়া দুদকের নথি থেকে জানা যায়, ফয়সালের শ্বশুরের নাম আহম্মেদ আলী। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। তার শাশুড়ি মমতাজ বেগম পেশায় গৃহিণী।


দুদক বলছে, শ্বশুর ও শাশুড়ির নামের ব্যাংক হিসাবে যে অর্থ লেনদেন হয়েছে, তা ফয়সালেরই অপরাধলব্ধ আয়। ফয়সাল ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নিজের ও স্ত্রীর নামে রাখার পাশাপাশি স্বজনদের নামেও রেখেছেন।


দুদক আরও বলছে, ফয়সাল ও তার ১১ স্বজনের নামে ১৯টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৮৭টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করা হয়েছে। তার শ্বশুর-শাশুড়ির ব্যাংক হিসাবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে।


দুদক আদালতে জানিয়েছে, ফয়সাল তার অপরাধলব্ধ আয় লুকানোর জন্য স্বজনদের নামে ৭০০টির মতো ব্যাংক হিসাব খুলেছিলেন। এর মধ্যে ৮৭টি ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে দুদক।


জানা গেছে, ফয়সাল ২০০৫ সালে বিসিএস (কর) ক্যাডারে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে এনবিআরের আয়কর বিভাগের প্রথম সচিব (ট্যাক্সেস লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।


ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ফয়সালের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে গত বৃহস্পতিবার ফয়সাল ও তার আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদের বিবরণী আদালতের কাছে তুলে ধরে সংস্থাটি।


দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফয়সাল ও তার স্ত্রীর নামে থাকা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে ৫ কাঠার দুটি প্লট, শ্বশুরের নামে থাকা ঢাকার রমনা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট, খিলগাঁওয়ে শাশুড়ির নামে ১০ কাঠার প্লট জব্দ এবং ৮৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন।


দুদকের নথিতে ফয়সাল, তার স্ত্রী আফসানা জেসমিন, ফয়সালের ভাই কাজী খালিদ হাসান, শ্বশুর আহম্মেদ আলী, শাশুড়ি মমতাজ বেগম, শ্যালক আফতাব আলী, খালাশাশুড়ি মাহমুদা হাসান, মামাশ্বশুর শেখ নাসির উদ্দিন, আত্মীয় খন্দকার হাফিজুর রহমান, ফারহানা আফরোজ ও রওশন আরা খাতুনের ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।


আদালতে জমা দেওয়া দুদকের তথ্য বলছে, ফয়সালের নামে ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা জমা হয়। ফয়সালের স্ত্রী আফসানা জেসমিনের পাঁচটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা।



 ফয়সালের শ্বশুর আহম্মেদ আলীর আটটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তার নামের আটটি ব্যাংক হিসাবের দুটি ২০০৭ ও ২০১০ সালে খোলা। বাকিগুলো খোলা হয় ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। 



ফয়সালের শাশুড়ি মমতাজ বেগমের নামে ১০টি ব্যাংক হিসাবে ৭ কোটি টাকা জমা হয়। তার নামের ব্যাংক হিসাবগুলোর মধ্যে একটি ২০০৯ সালে খোলা হয়। বাকিগুলো খোলা হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। 


ফয়সালের শ্যালক আফতাব আলীর ৬টি ব্যাংক হিসাবে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা জমার তথ্য পেয়েছে দুদক।


বিভিন্ন সময়ে এসব টাকা জমা হয়েছে। পরে তার বড় অংশ তুলে নেওয়া হয়েছে। জমা ও উত্তোলনের পর ফয়সাল, তার স্ত্রী, শ্বশুর ও তার স্বজনদের ১৯টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে রয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকা। তাদের নামে রয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র।



আরও খবর



যশোর থেকে কিনে বিদেশী বলে ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চেয়েছিল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট: ছাগলকাণ্ডের সেই ১৫ লাখ টাকার ছাগল নিয়ে দেশব্যাপী তুলকালাম হয়ে গেলেও আলোচিত সেই ছাগলটি দেশীয় জাতের। 

তথ্য বলছে, ওই ছাগলটি যশোরের একটি বাজার থেকে মাস দুয়েক আগে ১ লাখ টাকায় আনা হয়। তবে ঈদ সামনে রেখে সেটি বিদেশি ব্রিটল জাতের ছাগল বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করেন মোহাম্মদ ইমরান হোসাইন।

এরপর এর দাম নির্ধারণ করা হয় ১৫ লাখ টাকা, যেটি ক্রয় করেন আলোচিত এনবিআর কর্মকর্তা মতিউরপুত্র মুশফিকুর রহমান ইফাত। তবে ইফাত ১ লাখ টাকা অগ্রীম দিয়েও ছাগলটি নেননি বলে জানা গেছে, কিন্তু এ ছাগলের সঠিক বিক্রয়মূল্য কত তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সাদেক এগ্রোর ইনচার্জ মো. শরীফও যশোর থেকে ছাগল আনার এ তথ্য স্বীকার করেছেন।

চোখ ধাঁধানো বিজ্ঞাপন আর নানা চমকের কারণে বারবার আলোচনায় আসা ‘সাদিক এগ্রো’ এবং এর মালিক মোহাম্মদ ইমরান হোসাইনের বিরুদ্ধে গরু চোরাচালান সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণসহ নানাভাবে গ্রাহকদেরকে ঠকানোর অভিযোগ উঠেছে। মিথ্যা বলে অতিরিক্ত মূল্য ধরা এবং দেশি গরু-ছাগল বিদেশি বলে বিক্রি করারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

একটি জাতীয় পত্রিকার অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্ত দিয়ে গরু চোরাচালানের রুট নিয়ন্ত্রণ করেন মোহাম্মদ ইমরান হোসাইন। থাইল্যান্ড থেকে উন্নত জাতের গরু মিয়ানমার হয়ে উখিয়া সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর নেপথ্যে ভূমিকা রাখেন ইমরান।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, থাইল্যান্ড থেকে আসা গরু উখিয়া সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এরপর সেগুলো দীর্ঘদিন রাখা হয় উখিয়ার গহিন জঙ্গলে তৈরি করা গোপন ডেরায়। এরপর উখিয়া থেকে সুযোগ মতো গরু এনে রাখা হয় নরসিংদীর শেখ ক্যাটল ফার্মে।

২০২১ সালে অবৈধভাবে নিয়ে ১৮টি ব্রাহমা জাতের গরু ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়ে। ওই ঘটনায় সাদেক এগ্রো দায়ী থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে গরুগুলো বাজেয়াপ্ত করে সরকার। সেগুলো রাখা হয় সাভারের সরকারি ডেইরি ফার্মে।

জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে কমদামে মাংস বিক্রির জন্য প্রতি বছর সাভারের ফার্ম থেকে কিছু গরু সরবরাহ করা হয়। সুচতুর ইমরান প্রভাব খাটিয়ে ব্রাহমা জাতের গরুগুলো সেই তালিকাভুক্ত করান। এর পর নিজের ফার্মের দেশীয় জাতের গরুর সঙ্গে বদল করে ১৭টি ব্রাহমা নিয়ে আসেন।

তারা জানান, মন্ত্রণালয়ে প্রভাব খাটিয়ে গরু বদলের ব্যবস্থা করেন ইমরান। এই প্রক্রিয়ার প্রতিবাদ করায় সে সময় কয়েকজন কর্মকর্তাকে হুমকিও দেওয়া হয়।


আরও খবর



রাজাকার বলার প্রতিবাদে উত্তাল বশেমুরবিপ্রবির ক্যাম্পাস

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোঃ ছিপু মোল্যা - বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি::

মধ্যরাতে, তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার-স্লোগানে মুখরিত গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(বশেমুরবিপ্রবি) ক্যাম্পাস। কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিক্ষোভ মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীরা। এতে অংশ নেয় নারী শিক্ষার্থীরাও।

রবিবার(১৪জুলাই) রাত ১২টার দিকে আবাসিক হলের ছাত্ররা লিপুস ক্যান্টিন থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এসময় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহন করে। এরপর রাত ১ঃ৩০ ঘটিকায় মেয়েদের আবাসিক হল থেকে আরো একটি বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

বিক্ষোভ মিছিলগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন চত্ত্বর ঘুরে এসে প্রধান ফটকের সামনে শেষ হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা 'তুমি কে? আমি কে? রাজাকার রাজাকার' 'চেয়েছিলাম অধিকার হয়ে গেলাম রাজাকার' স্লোগান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহন করে।

জানা যায়, গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয় 'শিক্ষার্থীদের কোটা বিরোধী আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কথায় মুক্তিযোদ্ধাদের  আপমানিত হচ্ছেন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা আপনার কাছে তারা সমাধান চায়'। এমন প্রশ্নের উত্তর তিনি বলেন, আমরা কোটা রেখেছি নারী পুরুষের সমন্বয় করার জন্য। সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে তিনি বলেন যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশ স্বাধীন করেছে কোটা তাদের নাতি নাতনিরা পাবে না তো কি রাজাকারদের নাতি নাতনিরা পাবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের উপর ভিত্তি করে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বশেমুরবিপ্রবিতেও মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীরা।

হাবিবুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে না নিয়ে আমাদেরকেই রাজাকার বানিয়ে দিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা যৌক্তিক দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলাম। আমরা আমাদের অধিকার চেয়েছিলাম। কিন্তু বিনিময়ে রাজাকারের ট্যাগ পেলাম।


আরও খবর