Logo
শিরোনাম

নতুন শিক্ষাক্রম এবং শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ প্রসংগে কিছু কথা

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | ১১৮জন দেখেছেন

Image

মুহাম্মদ মাসুম খান, সাংবাদিক ও শিক্ষক :

সময়ের আবর্তে একটা নির্দিষ্ট সময় পরে শিক্ষাক্রমের পরিবর্তন, পরিবর্ধন অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক বিষয়। শিক্ষা বিজ্ঞানে শিক্ষাক্রম পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া। জীবনের জন্য যেহেতূ শিক্ষা সময়ের প্রয়োজনে পরিবর্তনশীল জীবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিবর্তন ও আবশ্যিক বিষয়।

 ২০১২ সালের পর এই বছর আমাদের দেশে নতুন শিক্ষাক্রম এসেছে। একটি শিক্ষাক্রম মোটেই শতভাগ ত্রুটি বা বিতর্ক মুক্ত হয় না। 

বর্তমান শিক্ষাক্রম অত্যন্ত আধুনিক,Naturalism, Pragmatism and Assentialism  শিক্ষা দর্শনকে গুরুত্ব দিয়েছে। পূর্বের শিক্ষাক্রম ছিল মূলত Idealism  বা ভাব বাদ ভিত্তিক। 

সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো না।সার্বিক ভাবে নতুন কারিকুলামকে স্বাগত জানাচ্ছি। তবে এই কারিকুলাম বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিদ্যালয়ের বেসরকারি ব্যবস্থাপনা। 

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এদেশের ৯৭% শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলে।

বর্তমান কারিকুলামে সামস্টিক মূল্যায়নের চেয়ে শিখনকালীন মূল্যায়নের প্রতি অধিক গুরুত দেয়া হয়েছে। খুবই ভাল দিক কারন শিখন যথার্থ হলে শিখনকালীন মূল্যায়ন যথার্থ হলে সারা বছরে এমনিতেই শিক্ষার্থীদের শিখন সম্পন্ন হয়ে যায়। পরীক্ষার আগে তাড়াহুড়ো করে, মুখস্ত করে পরীক্ষা দেয়ার যে চাপ সেটা থাকে না।

শিক্ষার্থীরা ক্লাস রুমে সক্রিয় এবং স্বতস্ফুর্ত থাকবে।

কিন্তু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি একেক টা একেক রকম পদ্ধতিতে চলে। ক্লাস ডিউরেশন,সংখ্যা,পরীক্ষার সংখ্যা ধরন ভিন্ন রকম। 

কিন্তু বর্তমান কারিকুলামে সামস্টিক পরীক্ষা মাত্র ২ টা এবং সেখানে মাত্র ৪০% মূল্যায়ন হবে।

পরীক্ষা না নিলেতো বিদ্যালয়ের বেতন কালেকশন হবে না। বেতন কালেকশন নাহলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দিবে কিভাবে? 

শিক্ষক নিয়মিত বেতন না পেলে কিভাবে চলবে? 

দুই শিফট,অতিরিক্ত শিক্ষার্থী বিষয় ভিত্তিল শিক্ষকের অভাবতো রয়েছেই।

কাজেই শিক্ষা ব্যবস্থা একই ব্যবস্থাপনায় না নিয়ে অর্থাৎ জাতীয়করণ না করে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন যথার্থ বাস্তবায়ন একেবারেই সম্ভব নয়।

বরং দারুন বাস্তবসম্মত এবং উন্নত একটি কারিকুলাম বিতর্কিত হবে,শিক্ষা ক্ষেত্রে নৈরাজ্য সৃস্টি হতে পারে।


আরও খবর

থেমে যাওয়া মানে জীবন নয়

রবিবার ২৩ এপ্রিল 20২৩




মহাদেবপুর-পোরশা সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি সেলিম

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মে ২০২৩ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর মহাদেবপুরে মহাদেবপুর টু পোরশা আন্ত:উপজেলা সংযোগকারী সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় এ উপলক্ষে ঐ সড়কের মহাদেবপুর উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের কুঞ্জবন বাটুলতলী এলকায় বন্দরনগরী কারিগরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে আয়োজিত সমাবেশে জাতীয় সংসদ ৪৮, নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলদাছী) আসনের এমপি সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সড়ক উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মোচন করেন।

মোট ৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির উন্নয়ন কাজ শেষ হলে নওগাঁ জেলা সদর ও মহাদেবপুর উপজেলার সাথে পোরশা উপজেলা এবং পাশ্ববর্তী চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার সড়ক যোগাযোগের প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সওজ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সওজ পত্নীতলার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, ৩টি গ্রুপে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরমধ্যে মহাদেবপুরের গ্রুপে বরাদ্দ করা হয়েছে ৩২ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। এখানে মোট ৯ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ১.৩ কিলোমিটার সড়ক ২৪ ফুট চওড়া করে আরসিসি ঢালাই দেয়া হবে। বাকী অংশে সড়কের চওড়া হবে ১৮ ফুট। এছাড়া অন্য দুটি গ্রুপে যথাক্রমে ৬৫ কোটি টাকার বেশি ও ৩০ কেটি টাকার বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে।

সেখানে আয়োজিত সমাবেশে এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। উপজেলা চেয়ারম্যান আহসান হাবীব ভোদন, এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ পত্নীতলার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

খাজুর ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক হাফিজুল হক বকুলের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, মহাদেবপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কাওসার আলী প্রমুখ। সমাবেশে অন্যদের মধ্যে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফ্ফর হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাবেয়া রহমান পলি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বদিউজ্জামান বদি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মজিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মন্ডল, অর্থ সম্পাদক হাজী মোয়াজ্জেম হোসেন, আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এমপি সেলিম বর্তমান সরকারের আমলে বাস্তবায়িত নানা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।


আরও খবর



ধুলোয় নাজেহাল দিল্লির মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

দিল্লিসহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র গরমে নাজেহাল হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বৃষ্টির দেখা নেই, উল্টো তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। সাধারণ দৃশ্যমানতার জন্য দিল্লিতে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে।

১৬ মে দিল্লির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছিল ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আপাতত দুদিনের জন্য রাজধানীর মানুষ এ তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে পারেন। মঙ্গলবার থেকে দুদিন বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজধানীতে। তবে তারপর থেকেই আবার প্রচণ্ড গরম পড়বে। দিল্লির আবহাওয়া তখন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি পেরিয়ে যাবে ।

আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাজস্থানের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। সেই কারণেই দিল্লিতে মঙ্গল ও বুধবার সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। তবে সেই সঙ্গে ধুলোর ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে রাজধানীতে। বাতাসে ধুলোবালির পরিমাণ এতই বেড়ে গেছে যে, কমে যাচ্ছে দৃশ্যমানতা। স্থানীয় সময় ভোর ৬টা থেকেই শহরের বাতাসে ধুলোর আধিক্য দেখা যায়। বিমানবন্দরের সামনে দৃশ্যমানতা ১১০০ মিটারে নেমে গেছে। ফলে বিমান চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে।

দিল্লির বাতাসে ধুলোর আধিক্যের জন্য রাজস্থানের ওপরের ঘূর্ণাবর্তকেই দায়ী করা হচ্ছে। ওই ঘূর্ণাবর্তের জন্য হালকা বৃষ্টি হতে পারে রাজস্থান, পাঞ্জাব ও হরিয়ানাতে।

ওড়িশাতে আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ। তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে সেখানে। তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ ও অন্ধ্রপ্রদেশের কিছু কিছু এলাকায়।

এদিকে, মঙ্গলবার থেকে তিন দিন উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মিজোরামে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আগামী ১৯ মে পর্যন্ত অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে পূর্ব অরুণাচল ও মেঘালয়ে।

সূত্র : এবিপি।


আরও খবর



পোস্টার না ছিঁড়তে মায়ার অনুরোধ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ মে ২০২৩ | ৮২জন দেখেছেন

Image

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কারো পোস্টার না ছিঁড়তে অনুরোধ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাঁচটি নির্বাচনের মধ্যে সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত হবে গাজীপুরে। এখানে যেকোনো মূল্যে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

টঙ্গীর এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপির স্মরণসভায় মায়া এসব কথা বলেন। স্মরণসভায় আরো বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য শামসুর নাহার ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. আব্দুল মতিন মাস্টার, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সদস্য নুরুল ইসলাম নুরু, টঙ্গী পূর্ব থানা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি শাহজাদা সেলিম লিটন।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, যারা বলে নির্বাচন করতে দেবে না। যারা বলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনারা নির্বাচনে আসেন বা না আসেন, আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন থাকবে, ততদিন দেশে নির্বাচন হবেই হবে।

তিনি বলেন, আমরা ২০১৩ সালে আজমত উল্লাহ খানের নির্বাচন করেছি। ২০১৮ সালে জিরোর (জাহাঙ্গীর আলম) নির্বাচন করেছি। এবারও নির্বাচন করছি। আজমত উল্লাহ খান গরিব প্রার্থী উল্লেখ করে মায়া বলেন, আপনারা চিড়ামুড়ি নিয়ে বের হবেন। ঘরে ঘরে যাবেন। বুঝিয়ে-শুনিয়ে ভোট চাইবেন।

গাজীপুরের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগকে ভালোবাসে, নৌকাকে ভালোবাসে। আওয়ামী লীগের ছায়াতল থেকে বের হয়ে দেখুন, একজন কর্মীও খুঁজে পাবেন না আপনার পেছনে।

এবার নৌকার বিরোধিতা যে করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে হুশিয়ারি দিয়ে মায়া বলেন, আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থাকলে হিরো হয়ে থাকতে পারবেন, নয়তো জিরো হয়ে যাবেন।


আরও খবর

বাসে আগুন দিলে খবর আছে: কাদের

বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩




শ্রীনগরের পুরাতন লঞ্চ ঘাটটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে

প্রকাশিত:শনিবার ২০ মে ২০23 | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | ৭৬জন দেখেছেন

Image

ময়লা আবর্জনার ডাষ্টবিন হয়ে আছে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার শ্রীনগরের পুরাতন লঞ্চ ঘাটটি। দীর্ঘ দিনের বাজারের ময়লা স্হান্তর না করার কারনে লঞ্চ ঘাটসহ আশেপাশে ময়লার স্তর দুই -তিন ফুট জমে আছে। এতে একদিকে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে এসব ময়লা আবর্জনায় তৈরি হচ্ছে এডিস মশা, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এই ময়লার দুর্গন্ধের কারনে খালপাড়ের দোকানদারদের প্রতিনিয়ত নানা রোগে আক্রান্ত হতে হচ্ছে। ১৯ মে শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গেলে জানা যায় যে, স্হানীয় লোকজন জানায় যে, আমরা ছোট বেলা থেকে দেখছি এখান দিয়ে লঞ্চ ঘাট ছিল। এই লঞ্চ ঘাট দিয়ে আমরা ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন স্হানে যাতায়াত করতাম। এই খালটি খনন না করার কারনে লঞ্চ ঘাট টি অবহেলিত হয়ে পড়ে আছে। স্হানীয় লোকজন আরও জানায় যে, এই লঞ্চ ঘাটটির অর্ধেকের বেশি বেদখলে চলে গেছে। স্হানীয় কর্তৃপক্ষ যদি এই লঞ্চ ঘাট টি ব্যাপারে সুদৃষ্টি দেয় তাহলে আমরা বাজারের দোকানদাররা সস্তি ফিরে পাব। এই লঞ্চ ঘাটটিতে লাকরী দিয়ে ঘাটে আসা যাওয়ার রাস্তাও আটকিয়ে রাখা হয়েছে।


আরও খবর



নেছারাবাদে বনবিভাগের চোরাইকৃত গাছ রেখে পালিয়েছে বন কর্মীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | ৬৩জন দেখেছেন

Image

নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) প্রতিনিধিঃ

পিরোজপুরের নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের চোরাইকৃত গাছ জব্দ করতে এসে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়েছে নেছারাবাদ বন বিভাগের কর্মী মজিবুর রহমান। আজ ২ মে, মঙ্গলবার উদ্ধারকৃত গাছ জব্দ করেছেন ইউএনও। 

উপজেলার সোহাগদলের ১নং ওয়ার্ডের সামাজিক বনায়নের কথিত সভাপতি মাহাবুব মোল্লা সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে সেকশন করা অবস্থায় উপজেলার বন অফিসের কর্মী মজিবর রহমান গাছ আটক করতে এসে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত সরে পড়েছেন। পরবর্তীতে উপস্থিত সাংবাদিকরা নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়কে অবহিত করলে তিনি প্রতিনিধি হিসেবে সোহাগদল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার রিয়াজ হোসেনকে সরেজমিনে পাঠিয়ে চোরাইকৃত কাঠ উদ্ধার করে জব্দ করেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত মাহাবুব মোল্লা বলেন, সাবেক সচিব এম শামসুল হকের নির্দেশে বন বিভাগের অনুমতি না নিয়েই গাছ কেটেছি। আমার কাছে বন বিভাগের কোন অনুমোদন নেই। আমি যা করেছি সচিব সাহেবের নির্দেশেই করেছি।

গোপন সূত্রে গণমাধ্যম কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সামাজিক বনায়নের কথিত সভাপতি মাহাবুব মোল্লাকে লেবার সহ গাছ কাটা অবস্থায় দেখতে পায়। তার একাধিক ভিডিও গণমধ্যম কর্মীদের হাতে সংরক্ষিত আছে।

এঘটনায় গণমাধ্যম কর্মীদের নিজ দপ্তরের অসহায়ত্বের কথা জানান পিরোজপুরের রেঞ্জ অফিসার নির্মল বাবু। তার দাবি, পিরোজপুরের তিনটি উপজেলার বন অফিসার ও পিরোজপুরের রেঞ্জ অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। জেলার দক্ষিণের উপজেলা মঠবাড়িয়া থেকে উত্তরের নেছারাবাদের বন অফিসার তিনি। নেছারাবাদে বর্তমানে মালি, ঝাড়ুদার, পিওন থেকে বন অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন মাত্র একজন কর্মী মজিবর রহমান। যেকারণে সামাজিক বনায়নের রোপিত গাছগুলো কেউ কেটে নিচ্ছে সংবাদ পেলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারছেনা তারা। সোহাগদল থেকে গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। সে ঘটনায় এক সাবেক সচিব ফোন করে অনেক বাকবিতান্ডা করেছেন। তার নির্দেশে ওই বনায়নের সভাপতি মাহাবুব মোল্লা গাছ কেটেছে বলে মোবাইলে জানিয়ে আমার বিরুদ্ধে সিএফও স্যারের কাছে অভিযোগ দেয়ার হুমকি দিয়েছে সে। উপজেলা পর্যায়ে আমাদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউএনও স্যার তার নির্দেশ মোতাবেগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। 

এ বিষয়ে সাবেক সচিব শামসুল হককে এলাকায় পাওয়া যায়নি এবং মুঠোফোনে কল করা হলে রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে সামাজিক বন বিভাগ বাগেরহাটের ডিএফও জি.এম রফিক আহমেদ জানান, আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় পঞ্চান্ন জন কর্মী সংকট রয়েছে। গাছ চুরির ঘটনায় উপকারভোগী সদস্যরা উপজেলা বন অফিসে জানাবেন তারা ব্যবস্থা নিবে।


আরও খবর