Logo
শিরোনাম

ওমর সানী-জায়েদ খানের দ্বন্দ্ব নিয়ে যা বললেন ইলিয়াস কাঞ্চন

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতির সভাপতি ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন চলচ্চিত্রকর্মী ও শিল্পীদের সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। 

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘তালাশ’ সিনেমার মুক্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে তিনি এই আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে মৌসুমীকে নিয়ে ওমর সানী ও জায়েদ খানের চলমান দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ইলিয়াস কাঞ্চন এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। 

তবে এ সময় তিনি বলেন, এ বিষয় আমি কিছু বলতে চাইছি না। শুধু একটা কথাই বলব— সব চলচ্চিত্রকর্মী ও শিল্পীর কাছে আমার অনুরোধ, চলাফেরা, কথাবার্তা ও আচার-আচরণে আপনারা সংযত হবেন। 

এর আগে রবিবার ওমর সানী বাংলাদেশ চলচ্চিত্রশিল্পী সমিতিতে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। শিল্পী সমিতির পরবর্তী সভায় এ নিয়ে আমরা আলোচনা করব। এর পর কোনো সিদ্ধান্ত এলে সেটি জানানো হবে।


আরও খবর

বিয়ে করছেন রিচা-ফজল

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আলিয়া!

বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২




কপোতাক্ষের ভাঙনে ডুবছে খুলনার রাড়ুলী জেলে পল্লি

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

কপোতাক্ষ নদের পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে রাতে ও দিনে প্রতিদিন ডুবছে খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলী জেলে পল্লি। এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে ওই পল্লির ১৫০টি পরিবার। তাদের বাড়িঘর রক্ষায় নেই কোনো টেকসই বেড়িবাঁধ। চলতি বর্ষার শুরুতে নতুন করে ভাঙনের হাত থেকে বাঁচতে দীর্ঘমেয়াদী টেকসই বেঁড়িবাধ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিকল্পিত নদী শাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ইউনিয়নবাসী।

জেলে পল্লির মনোরঞ্জন বিশ্বাস অভিযোগ করেন, পূর্বপুরুষসহ এখানে আমাদের প্রায় ২০০ বছরের বসবাস। এখানকার পল্লিতে আমরা প্রায় ৫০০ পরিবার বসবাস করতাম, কিন্তু কপোতাক্ষের ভাঙনে ৩৫০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। এদের মধ্যে কেউ রাস্তার পাশে সরকারি জমিতে আবার কেউ সরকারের আবাসনে ঠাঁই পেয়েছেন। এবার ভেঙেছে আমার ঘরও। এমতাবস্থায় পরিবার নিয়ে সরকারি রাস্তার পাশর একটি টোঙ ঘরে বসবাস করছি। বর্তমানে ভাঙন সঙ্গী করেও ১৫০টি পরিবার এখানে বসবাস করছি।

একই এলাকার বাবুরাম বিশ্বাস বলেন, কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে আমি তিনবার ভিটা হারিয়েছি। বর্তমানে যে ঘরটিতে আছি সেটিও ভাঙনের পথে। রান্না ঘর ভেসে গেছে পানিতে, থাকার ঘরটি কোনো রকম টিকে থাকলেও নদের কিনারায় ঝুলছে। জোয়ারের পানিতে রাত দিন দুইবার ডুবছে আমাদের ঘরবাড়ি। এ সময় পরিবার নিয়ে ভয়ে রাত জেগে পাহারা দেই, কখন যে ঘরখানা পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায় এই ভয়ে।

বর্তমানে পূর্ণিমার অতিরিক্ত পানি বাড়ায় আমাদের ঘরবাড়ির উঠানে থইথই পানি। ভাটা হলে দুপুরের রান্না হবে। অনেক সময় সেটাও করা যায়। পরে শুকনা খাবার খেয়ে জীবন ধারণ করি। নদের পাশে বাড়িঘর রক্ষার বাঁধ থাকলে জোয়ারের পানি উঠতো না।

ওই এলাকার মান্দার বিশ্বাস বলেন, কপোতাক্ষের পাড়ে আমাদের পূর্বপুরুষরা বসবাস করে আসছে। প্রায় এক কিলোমিটার জায়গা কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে চলে গেছে। বিপরীত পাড়ে চর জেগেছে। ওইখানে যদি আমাদের জায়গা দিত তাহলে আমরা বসবাস করতে পারতাম। ভাঙন দেখতে শুধু জনপ্রতিনিধিরা আসে কিন্তু কোনো কাজ হয় না।

এ বিষয়ে পাইকগাছা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার বলেন, রাড়ুলীর কপোতাক্ষ নদের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে এ বছরের চাহিদা পাঠিয়েছি। বরাদ্দ হলে কাজ শুরু করা হবে।

এ ব্যাপারে ইউএনও মমতাজ বেগম বলেন, ভাঙন এলাকায় গিয়েছি, কিন্তু ভাঙনের কারণে জেলেপল্লি রক্ষা বাঁধ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানিয়েছি।


আরও খবর



রাজার ব্যাটে রাজকীয় জয় জিম্বাবুয়ের

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান : হারারেতে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৯০ রান তুলেছিন। জবাবে ১৫ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় পেল জিম্বাবুয়ে। এই সিরিজ জয়ে নায়ক দলের অন্যতম সেরা তারকা রাজা। এই ক্রিকেটারের ব্যাট হাতে রাজত্বে বাংলাদেশকে সহজেই ধরাশায়ী করতে পেরেছে জিম্বাবুয়ে। প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ১৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংসে বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারের লজ্জা দিয়েছিল জিম্বাবুইয়ানরা।

সেই ম্যাচে তরুণ ইনোসেন্ট কাইয়াকে নিয়ে ১৯২ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের পক্ষে নিয়েছিলেন। কাইয়া ১১৮ রান করে আউট হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রাজা নিজের সঙ্গী হিসেবে পেলেন জিম্বাবুইয়ান অধিনায়ক রেজিস চাকাভাকে। পঞ্চম উইকেট জুটিতে চাকাভাকে নিয়ে ২০১ রানের বিশাল জুটি গড়ে টাইগারদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছেন রাজা।

চাকাভা শতক পূর্ণ করে ১০২ রানে আউট হয়ে ফিরলেও রাজা এই ম্যাচেও অপরাজিত ১১৭ রান করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। শেষদিকে রাজাকে ব্যাট হাতে সঙ্গ দিয়েছেন তরুণ অভিষিক্ত টনি মুনিয়োঙ্গা। এই তরুণ ক্রিকেটার ১৬ বলে ৩০ রান করে ম্যাচ তাড়াতাড়ি জিততে সাহায্য করেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে হারারেতে গতকাল জিততেই হতো বাংলাদেশকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ২৯০ রানের লড়াকু সংগ্রহ তুলতে পারে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে যেখানে ৩০৩ রান তুলেও হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

সেই হিসেবে দ্বিতীয় ম্যাচে সংগ্রহ কমই হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। তবে টাইগার বোলারদের দাপটে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ইনিংসের শুরুটা দখল করে নেয় বাংলাদেশ। ২৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ৪ উইকেট হারিয়ে তুলতে পেরেছিল মাত্র ৪৯ রান।

হাসান মাহমুদ ১৬ মাস পরে ওয়ানডে দলে ফিরেই প্রথম তিন ওভারেই ২ উইকেট তুলে নেয় জিম্বাবুয়ের। প্রথম ওভারে কাইতানোকে শূন্য রানে ফেরানোর পর গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ইনোসেন্ট কাইয়াকে ৭ রানে ফেরান হাসান মাহমুদ। ১৬ মাস পর ওয়ানডে দলে ফিরেই প্রথম স্পেলে ৫ ওভারে ১ মেডেনে ১৪ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেছেন হাসান।

এই পেসারের পর টাইগারদের হয়ে উইকেট সংগ্রহ করেছেন স্পিনার মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে মিরাজ ওয়েসলি মাধবেরেকে ২ রানে এলবির ফাঁদে ফেলে ফেরান মিরাজ। এদিকে তাইজুল ফেরান অভিষিক্ত মারুমানিকে। জিম্বাবুইয়ান এই ওপেনার করেছেন ২৫ রান।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে টাইগার দুই ওপেনার দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। প্রথম ১০ ওভারে ৬২ রান তোলে দুই ব্যাটসম্যান। এর মধ্যে অধিনায়ক তামিম ৪৪ বলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন। যদিও পরের ওভারে তানাকা চিভাঙ্গার বলে ১০ চার ও ১ ছয়ে ৫০ রানের মাথায় আউট হয়ে ফেরেন।

তামিম ফেরার পরে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন বিজয়ও। নাজমুল হোসেন শান্তর স্ট্রেইট ড্রাইভে বোলারের হাত ছুঁয়ে স্টাম্প ভেঙে গেলে ৩ চারে ২০ রানে আউট হন বিজয়। দ্রুত ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৫০ রান। মুশফিকুর রহিম ২৫ রানে ফিরলে ভাঙে জুটিটি।

১৫০ রানের আগে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে এরপর বড় স্কোর এনে দিতে সহায়তা করেন আফিফ ও মাহমুদউল্লাহ জুটি। দুজনে পঞ্চম উইকেটে ৮১ রান যোগ করেন। আফিফ ৪১ রানে ফিরলে ভাঙে জুটিটি। ২২৯ রানে আফিফকে হারানোর পর একাই লড়ে যান মাহমুদউল্লাহ।

এরপর টাইগারদের পক্ষে মিরাজ ১৫ রান নেওয়া ছাড়া টেল এন্ডারের অন্য ব্যাটসম্যানরা খুব একটা সাহায্য করতে পারেনি। রিয়াদ শেষদিকে ৩টি করে চার ও ছয়ে ৮৪ বলে ৮০ রান করে দলকে ২৯০ রানের সংগ্রহ এনে দেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে সিকান্দার রাজা ৩ উইকেট শিকার করেন। এছাড়াও ওয়েসলি মাধবেরে ২ উইকেট শিকার করেন।


আরও খবর

এশিয়া কাপের দল ঘোষণা ভারতের

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২




সাজেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ এক মাদক ব্যাবসায়ী আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন রাঙ্গামাটি ঃ 

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটন এলাকা থেকে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪৮০ পিচ ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম সহ চিহ্নিত এক মাদক ব্যবসায়িকে আটক  করেছে সেনাবাহিনী বাঘাইহাট জোন। 

শুক্রবার ২৯ জুলাই দুপুরে  বাঘাইহাট জোন,৬ ইস্ট বেঙ্গল, জোন  কমান্ডার লেঃ কর্নেল মুনতাসির  রহমান চৌধুরী,পিএসসি এর নির্দেশে সাজেক আর্মি  ক্যাম্পের  কমান্ডার সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ইবনুল বায়াৎ মোঃ ফজলে এলাহী এর নেতৃত্বে একটি  বিশেষ টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করেন। আটক মাদক ব্যাবসায়ী  সাজেক গেস্ট হাউজ এর মালিক (অংশীদার) মোঃ জনি, সে দিঘিনালা এলাকার  মোঃ আলমগীরের ছেলে।  সেনাবাহিনী জানায় অভিযানে   ৪৮০ পিস ইয়াবা,  ফুয়েল পেপার  ২০০ টি, ইয়াবা সেবনের জন্য  বোতলের সিপি ০৩ টি, কাগজের পাইপ ০৭ টি এবং নগদ মাদক বিক্রির ২৬,০০১ টাকা সহ আটক করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীকে জব্দকৃত মালামাল সহ  সাজেক থানায় হস্তান্তর করা হয়। সাজেক থানার ওসি মোঃ নুরুল ইসলাম বিষয়টি   নিশ্চিত  করে  বলেন উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। 

বাঘাইহাট সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মুনতাসীর রহমান চৌধুরী, পিএসসি,   বলেন পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং সাজেক পর্যটন এলাকায় মাদক দ্রব্য থেকে যুব সমাজকে রক্ষার  জন্য  সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের সকলকে মনে রাখতে হবে সবার উপরে দেশ। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের জনগণ এবং দেশের সম্পদ রক্ষার জন্য সেনাবাহিনী প্রতিনিয়ত কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ কাজের ধারাবাহিতা অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়লো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে টালমাটাল শ্রীলঙ্কার জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। দেশজুড়ে শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে আরোপিত কঠোর জরুরি আইন আগামী একমাসের জন্য বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলো দেশটির পার্লামেন্ট।

এ বিষয়ে বুধবার (২৭ জুলাই) লঙ্কান পার্লামেন্টের ২২৫ জন সদস্যের মধ্যে জরুরি অবস্থা বাড়ানোর পক্ষে ভোট দেন ১২০ এমপি। বিপক্ষে অবস্থান নেন ৬৩ এমপি। জরুরি অধ্যাদেশ, যা দীর্ঘ সময়ের জন্য সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার এবং আটকে রাখার ক্ষমতা দেয় সেনাবাহিনীকে। সংসদে পাস না হলে বুধবারই শেষ হয়ে যেতো জরুরি অবস্থা।

ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় গত ১৭ জুলাই দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেন রনিল বিক্রমাসিংহে। গোটাবায় রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ালে পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রনিল। এরপরই সরকার গঠন করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। তবে দেশের মানুষকে সরকারের পাশে থেকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, বিরোধীদলগুলো জরুরি অবস্থাকে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন করার জন্য সরকারের পদক্ষেপ হিসাবে সমালোচনা করেছে।

দেশটির পুলিশ বুধবার আলাদা বিবৃতিতে জানিয়েছে, যে তারা বেআইনি সমাবেশের অভিযোগে বিক্ষোভকারী কুসল সান্দারুয়ান ও ওয়েরাঙ্গা পুষ্পিকাকে আটক করেছে।

আগের দিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশটির প্রধান বিমানবন্দরে দুবাইগামী একটি ফ্লাইটে উঠার সময় ছাত্র নেতা ধনিজ আলী গ্রেফতার হন। পুলিশের দাবি, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।

দেশজুড়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে রনিল বিক্রমাসিংহে বিক্ষোভকারীদের দমাতে যে কঠোর অবস্থানে, তা ভালোভাবে নিচ্ছেন না অনেকেই।



আরও খবর



ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশেহারা কৃষক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

ডিজেল ও ইউরিয়া সারের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে ফসল উৎপাদনে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ট্রাক্টর দিয়ে কৃষকের জমি চাষে খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ইউরিয়া সারের দাম বাড়ায় সার কেনার ঘর খরচ বেড়েছ কৃষকের। এ অবস্থায় কৃষক জমি চাষ করে ফসল উৎপাদনে হিমশিম খাচ্ছেন। কৃষি অফিসও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে কৃষকেরা ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেছেন কৃষকেরা নাকি সার অবচয় করে। সে জন্য সারের দাম বাড়ানো হয়েছে। এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে মঞ্জুরুল হক নামের একজন কৃষক বলেন, ‘জমিতে যতটুকু সার প্রয়োজন সেটাই দেওয়া হয়। জমিতে বেশি সার দেওয়া হলে জমিতে ফসল হবে না। বর্তমানে দেশে যে অবস্থা কৃষকদের বাঁচতে দেবে না। কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত সব জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ধানের দাম তো বাড়ানো হয়নি। এভাবে সব জিনিসের দাম বাড়তে তো কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জমি চাষে এখন বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।

চিলমারীতে আমনের ভরা মৌসুমে সার ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় কৃষক। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির আগেই ইউরিয়া সারের দাম কেজি প্রতি ৬ টাকা বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ ও পরিবহন খরচ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এসবের দাম না কমলে চাষবাদ করতে হিমশিম খেতে হবে বলে অভিযোগ করেছে কৃষক।

কৃষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, এক একর জমিতে এবার আমন আবাদ করেছেন। এরআগে তার এক একরে জমি চাষ ও সেচে খরচ পড়তো প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টাকার মতো। জ্বালানি ও সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় তার খরচ বাড়বে প্রায় ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা।

কৃষক সুমার আলী বলেন, সার ও তেলের দাম বাড়ায় এখন চাষাবাদ ছেড়ে দিতে হবে। কারণ ফলন উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে অন্যদিকে কৃষক তার ফসলের ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। কৃষক যদি ধান চাষ না করে, তাহলে দেশের অবস্থা তো অনেক খারাপ হয়ে যাবে।

ডেমনারপাড় এলাকার কৃষক জব্বার আলী বলে, হঠাৎ এই দাম বাড়ার ফলে এখন জমি আবাদ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সরকার যদি দাম কমায় তাহলে হয়তো স্বাভাবিকভাবে চাষাবাদ করতে পারবো।

কৃষি কর্মকর্তা কুমার প্রণয় বিষাণ দাশ জানান, দাম বৃদ্ধিতে কৃষকদের ওপর প্রভাব পড়তে পাড়ে। সরকারিভাবে কৃষকদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করা হচ্ছে। তারা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে আশা করছেন বলে জানান তিনি।


আরও খবর