Logo
শিরোনাম

অস্থির রয়েছে নিত্যপণ্যের বাজার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (৬ জুন)। বাজেট পরবর্তী দিনে (শুক্রবার) অস্থির রয়েছে নিত্যপণ্যের বাজার। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আলু, পেঁয়াজের পাশাপাশি মাছ ও মাংসসহ সব ধরনের পণ্যের দাম আগের মতোই বাড়তি রয়েছে।

শুক্রবার (৭ জুন) মোহাম্মদপুর স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামই বাড়তি। এ সপ্তাহেও কমেনি আলুর দাম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। এছাড়া মানভেদে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়।

কাঁচা পণ্যের মধ্যে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫০ টাকা। বেগুন ৮০ টাকা কেজি, লাউ ৮০ টাকা পিস, পেঁপে কেজি ৫০ টাকা, গাজর ১৫০ টাকা, টমেটো ৯০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, শসা ৫৫ টাকা ও কাঁকরোল কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, রুই ২৮০ টাকা, ছোট পাঙাশ ১৮০ টাকা, চিংড়ি ৬২০ টাকা, শিং ৩২০ টাকা, ইলিশ সাইজ ভেদে ১২০০ থেকে ১৬৬০ টাকা, টেংরা কেজি ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর

বন্যার অজুহাতে সবজির দাম চড়া

শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪




মডেলিংয়ের নামে তরুণীদের দিয়ে অনলাইনে দেহ ব্যবসা, গ্রেপ্তার ৮

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


আর্থিক সমস্যা রয়েছে তাদের টার্গেট করত। চক্রটি কাজের সুযোগ দেয়ার নামে ইন্টারভিউতে ডাকত। এরপর তাদের বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে সুযোগ দেওয়ার কথা বলে আপত্তিকর ছবি নিতো। 


প্রাথমিকভাবে কাজে আগ্রহী তরুণীদের চাহিদা মতো টাকা ও প্রয়োজন মেটাতো তারা। এরপর ধীরে ধীরে অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করা হতো তরুণীদের।



সিআইডিপ্রধান আরও বলেন, চক্রের মূলহোতা মেহেদী হাসান এবং তার খালাতো ভাই শেখ জাহিদ বিন সুজন মিলে চক্রটি গড়ে তুলেছিল। তারা দুজনেই মেডিকেল শিক্ষার্থী। 



তারা চিকিৎসা বিদ্যার আড়ালে অল্প বয়সী তরুণীদের ফাঁদে ফেলে যৌন নির্যাতনের পাশাপাশি অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট তৈরি ও টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ম্যাসেঞ্জারে নানা অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করত।



 এভাবে গত সাত বছরে অসামাজিক কার্যকলাপ করে প্রায় ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে চক্রটি। এই টাকা দিয়ে তারা যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা এবং  ঢাকায় বিপুল পরিমাণ জমিও কিনেছে।



 নির্মাণ করেছে আলিশান বাড়ি। চক্রের সদস্যদের আত্মীয়-স্বজনের ব্যাংক আ্যকাউন্টেও বিপুল অর্থ জমিয়ে রাখার তথ্য মিলেছে।



অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী জানান, শুরুতে ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে চাকরির বিজ্ঞাপন, কখনও মডেল তৈরি, কখনওবা ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতো চক্রটি। এতে যারা সাড়া দিত তাদের নিয়ে টেলিগ্রামে গ্রুপ খুলতো। 


এরপর তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে বিদেশি বায়ারদের কাছে পাঠানোর কথা বলে মেয়েদের আপত্তিকর ছবি হাতিয়ে নিত চক্রটি। হাতিয়ে নেওয়া সেসব অর্ধনগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নগ্ন হয়ে ভিডিও কল বা সরসারি অসামাজিক কাজে বাধ্য করত।



তিনি আরও বলেন, চক্রটির টেলিগ্রাম গ্রুপে হাজার হাজার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। যারা একটি নির্দিষ্ট অর্থ দিয়ে ওই গ্রুপগুলোতে যুক্ত থাকতো। চক্রটি ভিডিওকলের সবকিছু গোপনে ধারণ করে রাখতো। এরপর তরুণীদের বাধ্য করা হতো চক্রটি ভুক্তভোগীদের যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করত।



 এভাবেই চক্রটির হাতে আধুনিক যৌন দাসীতে পরিণত হয়েছিল শত শত তরুণী। দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান করে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার চক্রের মূলহোতা ও তার প্রধান সহযোগীদের শনাক্ত করে।


সিআইডিপ্রধান বলেন, সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশ-বিদেশে চক্রটির রয়েছে শক্তিশালী একটি নেটওয়ার্ক। নানা নামে তাদের শতাধিক চ্যানেলে গ্রাহক সংখ্যা কয়েক লাখ। বিভিন্ন বয়সী নারীদের ভিডিওকল ও দেহ ব্যবসায় বাধ্য করে এবং গোপনে ধারণকৃত সেসব ভিডিও বিক্রি করে চক্রটি প্রায় ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে।



 অর্থ লেনদেনের জন্য তারা ব্যবহার করতো এমএফএস বা মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস। এছাড়া ক্রিপ্টো কারেন্সিতেও তাদের হাজার হাজার ডলার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে নিজেদের আড়াল করার সব কলা-কৌশলও এই চক্রের জানা ছিল। ফলে শত শত মোবাইল সিম ব্যবহার করলেও তাদের কোনোটিই প্রকৃত এনআইডি দিয়ে নিবন্ধন করা নয়।



 এক্ষেত্রে তারা নিম্ন আয়ের মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিত। সামান্য অর্থ দিয়ে তুলেছে অনেক সিম কার্ড।


অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া জানান, কন্টেন্ট আদান-প্রদান ও সাবস্ক্রিপশনের জন্য ছিল টেলিগ্রাম প্রিমিয়াম আ্যকাউন্ট এবং বিভিন্ন পেইড ক্লাউড সার্ভিস। অল্প বয়সী ভয়ানক চতুর এই দুই মেডিকেল শিক্ষার্থীর জিম্মায় কয়েক হাজার নারী রয়েছে। 



আছে টিকটক, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সেলিব্রেটিরাও। অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপে গোপনে ধারণ করা প্রায় ১০ লাখ ন্যুড ছবি ও ২০ হাজার অ্যাডাল্ট ভিডিওর সন্ধান পাওয়া গেছে।


আরও খবর



নওগাঁয় পৃথক দুটি স্থানে ভুটভুটির ধাক্কায় দু'জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় পৃথক স্থানে ভুটভুটির ধাক্কায় দু'জনের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা ১০ টার দিকে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার বালুঘা মোড় এলাকায় হাবিবর রহমান (৫০) নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়। অপরদিকে বদলগাছী উপজেলার কেসাইল চাওলাকালি বাজারে শনিবার দুপুরে আব্দুর রশিদ (৫৫) নামের অপর এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। দু'টি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পত্নীতলা ও বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ।

নিহত দু জন হচ্ছেন, বদলগাছী উপজেলার পারোরা গ্রামের মৃত ফারেজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রশিদ ও পত্নীতলার মহিমাপুর গ্রামের মৃত কেয়াম উদ্দিনের ছেলে হাবিবর রহমান। 

জানা যায়, নিহত আব্দুর রশিদ গরু বিক্রয়ের জন্য আক্কেলপুর বাজারে যাওয়ার পথে কেসাইল চাওলাকালি বাজারে পৌছালে তুস বোঝায় একটি ভটভটির চাকায় পিষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, নিহত হবিবর রহমান বাই সাইকেল নিয়ে নজিপুর থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। একই দিক থেকে আসা মুরগী বাহী একটি ভুটভুটি পিছন থেকে তাকে ধাক্কা দিলে রাস্তায় ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাত পায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোন অভিযোগ না থাকায় মৃতদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। 


আরও খবর



নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মবিরতি চলমান

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সিনিয়র রিপোর্টার :

'বৈষম্য নিপাত যাক-পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মুক্তি পাক' এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৈষম্য দূরীকরণ সহ অভিন্ন চাকুরী-বিধি বাতিলের দাবীতে টানা ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারা দেশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেছেন। কর্মবিরতি পালনের অংশ হিসেবে রবিবার সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতি চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যকার বিভিন্ন বৈষম্যের প্রতিবাদে রবিবার সকাল ৯টা থেকে নওগাঁ শহরের চকবিরাম নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কার্যালয় প্রাঙ্গনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। এসময় নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা ডিজিএম আকিয়াব হোসেনের নেতৃত্বে এজিএম রাজু হাসান ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এসময় নওগাঁ জেলার অন্যান্য উপজেলার নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদমর্যাদা, ৬ মাস পিছিয়ে পে-স্কেল ও ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা প্রদান, এপিএ বোনাস সমহারে না দেওয়া, লাইনম্যানদের নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা ও কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইনম্যান ও বিলিং সহকারী পদায়ন না করা, যথাসময়ে পদন্নোতি না করা, মাঠ পর্যায়ে কর্মচারীদের চুক্তি ভিত্তিক চাকুরি নিয়মিত না করা সহ বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বিভিন্ন অনিয়মের শিকার হচ্ছে সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব শোষন, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ করে স্মার্ট ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যে অভিন্ন চাকুরী বিধি ও সকল চুক্তিভিত্তিক, অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকুরি নিয়মিতকরনের দাবি জানান মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন চলমান রাখার ঘোষনাও দেওয়া হয়।


আরও খবর



বাজারের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

কাঁচা মরিচের কেজি ৩২০ টাকা। ৩০ টাকার সবজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। আলুর কেজি ৬৫ টাকা। এ ছাড়া চাল, পিয়াজ ও রসুনের দামও বেড়েছে। বাজার করতে এসে হিসাব মেলাতে পারছেনা ক্রেতা।

 

সবজিতে স্বস্তি নেই: কাঁচা বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, আড়তভরা সবজি। তারপরও বৃষ্টির কারণ দেখিয়ে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, কাঁচা মরিচ ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, টমেটো ২০০ টাকা, গাঁজর ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, পটোল, ঝিঙে, ধুন্দুল ৬০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লাউ ও চালকুমড়ার পিস ৭০ থেকে ৯০ টাকা। কচুরলতির কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা কেজি। 

রসুনের কেজি ২৪০, পিয়াজের ১২০ টাকা:  সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে পিয়াজের দাম। রাজধানীর বাজারগুলোতে এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পিয়াজ। শনিবার তালতলা ও বিএনপি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। বিএনপি বাজারে পিয়াজ ও রসুন কিনতে আসেন শিক্ষার্থী জুনায়েদ। তিনি বলেন, এক মাস আগেও পিয়াজ কিনেছি কেজি ৯০ টাকায়। এখন সেই পিয়াজের দাম ১২০ টাকা। আর এক মাসের ব্যবধানে ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেড়ে রসুনের দাম হয়েছে ২৪০ টাকা। আধা কেজি পিয়াজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও ২৫০ গ্রাম পিয়াজ কিনতে হচ্ছে বলে জানান এই শিক্ষার্থী। এদিকে পিয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি পিয়াজের সাপ্লাই কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। এখন ভারতীয় পিয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। আপাতত কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

 
আলুর কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা: সুখবর নেই আলুতেও। শনিবার বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম ৫ টাকা বেড়েছে। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)
র তথ্য অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে আলুর দাম ৫৫.১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের এই সময়ে প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়। 

চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী: সম্প্রতি বোরো ধান উঠেছে। তারপরও কমছে না চালের দাম; বরং বর্ষার অজুহাতে সপ্তাহের ব্যবধানে আটাশ ও মোটা চালের খুচরা বাজারে কেজিতে ১ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। তবে আগের মতোই মিনিকেট চালের দাম ৭০ থেকে ৭২ টাকা। খুচরা বিক্রেতা নাসির হোসেন জানান, আগের সপ্তাহে আটাশ চাল ৫২ থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হলেও এখন তা ৫৮ টাকা ও ৫০ থেকে ৫২ টাকার মোটা চাল ৫৫ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঈদের পরে আটাশ চাল ও মোটা চালের দাম কিছুটা বেড়েছে।

হাত দেয়া যাচ্ছে না কাঁচা মরিচে, কেজি ৩২০ টাকা: কাঁচা মরিচের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সপ্তাহর ব্যবধানে কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা ১০ টাকার মরিচ কিনতে চাইলে বিক্রেতা অপারগতা প্রকাশ করছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দামের কারণে ১০ টাকার মরিচ বিক্রি করা যায় না। ১০০ গ্রামের নিচে মরিচ বিক্রি করা ব্যবসার জন্য ক্ষতি। চাহিদার তুলনার বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে বলেও জানান তারা। 

খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে: এদিকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৮টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে খোলা সয়াবিন তেল। বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ টাকা দরে। এর আগে চলতি বছরের ১৮ই এপ্রিল খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। তবে বোতলজাত সয়াবিন তেল নির্ধারিত দামেই বিক্রি করতে দেখা গেছে। 

ডিমের দাম চড়া: রাজধানীতে ফার্মের বাদামি ডিম প্রতি ডজন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। অথচ ডিম উৎপাদক খামারিরা পাইকারদের কাছে এসব ডিম বিক্রি করছেন ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা দরে। অর্থাৎ পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ডজনে ২৫ টাকার বেশি দাম বাড়ছে। এমন মূল্যবৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক দাবি করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলেছে, পাইকারি ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণেই ডিমের দাম বাড়ছে। 

মাছের দামও বাড়তি: বাজারে সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি। বাজারে প্রতি কেজি পাবদা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, রুই প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, কাতল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, কই প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, শিং মাছ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, টেংরা প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বড় বোয়াল প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় আইড় মাছ প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকরা যা বলছেন: নিত্যপণ্যের লাগামছাড়া দাম বৃদ্ধি নিয়ে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের পকেট কাটার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো যেহেতু সেভাবে তদারকি করতে পারছে না, সেহেতু তারা নিজের ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে। এ বিষয়ে কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন মানবজমিনকে বলেন, এখন ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা চলে যে, কে কতো টাকা নিতে পারে। একটা সময় কয়েকটি পণ্যের সংকট হতো, এখন সবগুলো পণ্যেরই সংকট দেখা যায়। এর মূল কারণ হলো কে কতো মুনাফা করতে পারে, কে কতো পকেট কাটতে পারে। তিনি বলেন, সরকারের তদারকির পরিমাণ আগের তুলনায় অনেক কমেছে। এখন ব্যবসায়ীরাই সর্বেসর্বা। তারা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই ব্যবসা করতে পারছেন। এগুলো আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক। বর্তমানে সীমিত আয়ের মানুষদের জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে


আরও খবর

বন্যার অজুহাতে সবজির দাম চড়া

শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪




আনার খুনের গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকা আনা হচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


হেলিকপ্টার অভিযানে ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যায় ঘাতক দলের অন্যতম দুই পলাতক আসামি ফয়সাল ও মোস্তাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দারা।



বুধবার (২৬ জুন) খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ফয়সাল ও মোস্তাফিজকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় আনা হচ্ছে। ওই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ।


এর আগে দুপুর থেকে খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাহাড়ে হেলিকপ্টার দিয়ে সাঁড়াশি অভিযান চালায় ডিবির তদন্ত দল।


ডিবি সূত্র বলছে, সন্দেহভাজন আসামিদের মধ্যে মোস্তাফিজুর ও ফয়সাল সংসদ সদস্য খুন হওয়ার আগে গত ২ মে কলকাতায় যান। তারা দেশে ফিরে আসেন ১৯ মে।



 এই দুই জনকে হন্য হয়ে খুঁজছিল ডিবি। দুই জনের বাড়ি খুলনার ফুলতলায়। খুনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নকারী হিসেবে চিহ্নিত শিমুল ভূঁইয়ার বাড়িও একই এলাকায়।



এদিকে আনার হত্যায় অন্যতম অভিযুক্ত জেলা আওয়ামী লীগ নেতা কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুকে সঙ্গে নিয়ে তার তিনটি ফোন উদ্ধারে ঝিনাইদহে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।


গোয়েন্দাদের ধারণা, ওই তিনটি মোবাইল উদ্ধার করা গেলে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা রহস্যের অনেক তথ্যাদি মিলবে।


আরও খবর