Logo
শিরোনাম

পানিতে আর ভর্তুকি দেওয়া হবে না

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা ওয়াসার পানিতে ভর্তুকি দেওয়া হবে না। রাজধানীতে জোনভিত্তিক পানির দাম নির্ধারণ করে বস্তিতে বসবাসরত নিম্ন আয়ের মানুষকে কম দামে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ঢাকা নগরীতে বসবাসরত বেশিরভাগ মানুষই বিত্তবান। দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় করে সে টাকা দিয়ে ধনীদের ভর্তুকি দেওয়া নৈতিকভাবে কতটা সমর্থনযোগ্য এ প্রশ্ন রয়ে যায়। গুলশান-বনানী এলাকায় বসবাসকারীরা যে হারে পানির বিল দেন বস্তিবাসী অথবা যাত্রাবাড়ী এলাকার বাসিন্দারা কেন তার সমান পানির মূল্য পরিশোধ করবেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ঢাকায় জোনভিত্তিক পানির দাম আলাদা করে বাড়ানো হবে। গুলশান-বনানীর মতো অভিজাত এলাকায় পানির দাম বেশি থাকবে। যে সব এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের বাস সে সব এলাকায় পানির দাম অপেক্ষাকৃত কম থাকবে। তবে ঢাকা নগরীতে পানিতে ভর্তুকি দেওয়া হবে না। শুধু পানি নয়, হোল্ডিং ট্যাক্স, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিষেবার মূল্য এলাকাভিত্তিক নির্ধারিত হওয়া উচিত।

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশের মানুষ ভালো আছে এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। করোনা মহাসংকটের পর ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে বিশ্বে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব আমাদের দেশেও পড়েছে। জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় খাদ্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যে কারণে মানুষ অসুবিধার মধ্যে আছে। সরকার এটা অস্বীকার করছে না বরং মানুষকে ভালো রাখার জন্য যা যা করা দরকার তার সবই করছে।

ইউরোপসহ পৃথিবীর অনেক দেশ বর্তমানে খারাপ অবস্থায় আছে। এটা না বলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে শুধু বাংলাদেশের মানুষ খারাপ আছে এটা বলা কতটা যৌক্তিক? এটা বলে কি মানুষের সামনে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে না?

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, অনেক পরিশ্রমের ফলে ড্যাপ গেজেট প্রকাশ হয়েছে। এখন বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ঢাকাকে বাসযোগ্য, আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অনেক দেশের তুলনায় আমরা সফল এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে এই সফলতা অর্জিত হয়েছে।


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে কমেছে ভাড়ার নৈরাজ্য

মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




স্ত্রীর মর্যাদা পেতে স্বামীর বাড়িতে ৩ দিন ধরে যুবতীর অনশন

প্রকাশিত:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে স্বামীর বাড়িতে তিন দিন ধরে অনশন করছেন নমিতা রাণী রায় নামে এক যুবতী। নমিতা রাণী রায় লালমনিরহাট জেলা শহরের দ্বীনবন্ধুটারী এলাকার রায়ের মেয়ে।

রবিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের ভাদাই দক্ষিনপাড়া গ্রামে এই অনশনের চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।

বিয়ের দেড় মাস অতিবাহিত হলেও আইন ও হিন্দু আচার অনুসারে স্ত্রীকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না তার স্বামী ও স্বামীর পরিবার। তাই এই অনশন করছেন নমিতা রাণী।

জানা গেছে, আদিতমারী উপজেলার ভাদাই দক্ষিনপাড়া গ্রামের বিপিন চন্দ্র রায়ের ছোট ছেলে অশোক চন্দ্র রায়ের সাথে গত অক্টোবর মাসে হিন্দু বিবাহ হিসেবে রেজিস্ট্রি হয় অশোক ও নমিতা দম্পতির। বিয়ের পর থেকেই অশোকের বড় ভাই গোপালের কুপরামর্শে ও পারিবারিক চাপে অশোক সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে নমিতা রাণী জানান।

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশনকারী নমিতা রাণী জানান, অশোকের পরিবার তাকে মেনে নিচ্ছে না বাড়ির বধূ হিসেবে। আমাকে তারা মারপিট করেছে এবং অশোকের বড় ভাই গোপাল রায় তাকে বিভিন্ন রকম হুমকিসহ অপবাদ দিচ্ছে।

এ বিষয়ে অশোকের ভাই গোপাল রায় বলেন, অনেক ভেজালে আছি দাদা। আমরা বিষয়টি আপোষ করার চেষ্টা করছি। 

এ বিষয়ে ভাদাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ কান্ত রায় বিদু চন্দ্র জানান, বিষয়টি আমি নিজে এবল আমার ভাদাই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যরা সমাধান করার চেষ্টা করছি।

এদিকে সওজ লালমনিরহাট এ কর্মরত প্রতারক অশোক তার ভািকে দিয়ে নানান টালবাহানা করছে।  অপরদিকে নমিতা রানী তার জীবন সংসার নিয়ে বিপাকে পড়েছে।  লালমনিরহাট পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আউয়াল জানান, মেয়েটির বিষয়ে জানি তার সাথে অশোকের বিয়ে হয়েছে। গোপালের নেতৃত্বে  স্থানীয় কয়েকজন কুচক্রী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।


আরও খবর



ভার্জিন পাল্প আমদানি বন্ধ

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

কাগজ সংকট থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি ক্রমেই আরো জটিল হচ্ছে। ডলার সংকটে বিদেশ থেকে ভার্জিন পাল্প আমদানি বন্ধ। রিসাইকেল পাল্পে তৈরি কাগজের মাধ্যমে বই মুদ্রণ ও স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখার খাতার প্রয়োজন মেটানোর কথা। কিন্তু পুরোনো কাগজের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে একটি চক্র। এতে থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে শিক্ষাকার্যক্রম। ঘোর অনিশ্চয়তায় পড়েছে প্রকাশনাশিল্প। সৃজনশীল বই প্রকাশের অন্যতম উপলক্ষ একুশে বইমেলাও জৌলুশ হারানোর আশঙ্কায়।

কয়েকটি মিল, পাইকারি কাগজ ব্যবসায়ী এবং নোট-গাইড প্রকাশকরা হাজার হাজার টন কাগজ কিনে মজুদ করে ফেলেছেন বলে অভিযোগ। ফলে বাজারে দেখা দিয়েছে কাগজ সংকট। এ অবস্থায় শুধু পাঠ্যবই নয়, ফেব্রুয়ারিতে একুশে বইমেলায় সৃজনশীল বই, ছোট ছোট প্রকাশনীর গাইড, বই ও লেখার খাতা তৈরি পড়েছে অনিশ্চয়তার মধ্যে। এ অবস্থায় সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া কাউকে সংকট থেকে উত্তরণের উপায় নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

একুশে বইমেলায় প্রতিটি প্রকাশনী থেকে ২০ থেকে ১৫০টি পর্যন্ত বই প্রকাশ করা হয়। এ ক্ষেত্রে নামি-দামি লেখকের চেয়ে নতুন লেখকদের বই প্রকাশ হয় সংখ্যায় বেশি। নতুন লেখকরা বইমেলার মাধ্যমেই বই প্রকাশের সুযোগ পান।

গত বছর জানুয়ারিতে ৮০-১০০ গ্রাম অপসেট কাজ ১৪৫০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৩৩০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। ১০০ গ্রাম অপসেট কাগজ ১৭০০-১৭৫০ টাকার জায়গায় এবার ৪২০০-৪৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। প্রকাশকদের এমনিতে পুঁজির স্বল্পতা, তার ওপর কাগজের দাম বেড়ে যাওয়ায় মেলায় বইয়ের দাম দেড় গুণ হয়ে যাবে। বইয়ের দাম বাড়লে পাঠকের ক্রয়ক্ষমতা কমবে। পরিচিত লেখক ছাড়া নতুন লেখকদের বই প্রকাশনা পড়বে ঝুঁকিতে।

জানা যায়, নিউজপ্রিন্ট কাগজের দাম ৪৫-৫০ থেকে বেড়ে ১০৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে বছরের শুরুতে সহায়ক বই ছাপানো থেকেও পিছিয়ে যাচ্ছেন অনেক প্রকাশক। বড় প্রকাশনীগুলো কিছু সহায়ক ছাপালেও তা দ্বিগুণ মূল্যে শিক্ষার্থীদের কিনতে হবে। বাড়তি দামে প্রকাশকরা বই ছাপবেন। মূল্য কতটা বাড়ানো হবে সেটি নিয়ে পুস্তক প্রকাশনা ও বিক্রেতা সমিতির বৈঠক হয়েছে। সেখানে ফর্মাপ্রতি ২৫ শতাংশ মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যে বইয়ের দাম ৬৫০ টাকা ছিল তা এখন ৮০০-৮৫০ টাকায় বিক্রি হবে।

এখন টাকা থাকলেও প্রয়োজনীয় কাগজ পাওয়া যাচ্ছে না অ্যাকাডেমিক ও সৃজনশীল বই ছাপানোয় প্রকাশকদের ওপর বড় ধরনের ধাক্কা এসেছে। অনেক প্রকাশক নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। কিছু কাগজ ব্যবসায়ী কারসাজি করে মজুদ করে রেখেছেন। তারা ইচ্ছামতো দাম হাঁকছেন। বিশ্ববাজারে যে পরিমাণে পাল্পের দাম তার দ্বিগুণ দামে কাগজ বিক্রি করছে মিলগুলো। সিন্ডিকেট করে সবাই সুযোগ নিচ্ছে। প্রকাশকদের পক্ষে বলার কেউ নেই।

সংকট মোকাবিলায় এ মুহূর্তে শুল্কমুক্ত কাগজ আমদানির অনুমোদন প্রয়োজন। একই সঙ্গে এই খাতকে নিত্যপ্রয়োজনীয় ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংককে পদক্ষেপ নিতে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাতে হবে ।


আরও খবর

নওগাঁয় বেগুন গাছে টমেটো চাষে সফল কৃষক বাদল

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতীয় বীরদের স্মরণ

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




একসময়ের মূল্যবান জিনিস আজকের সময়ে এসে মূল্যহীন হয়েছে

প্রকাশিত:বুধবার ০২ নভেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ ঃ

মানুষের জীবনটাকে কতটা আমরা জানি। সবটাই কি অভিনয় নাকি সবটাই জীবন। একটা হাসিমুখ আমরা দেখি তবে সেই হাসিমুখের পিছনে মানুষের প্রতিদিনের জীবনের সাথে যুদ্ধটা কি আমরা দেখি। হয়তো দেখি না।

মানুষের সেটা দেখার মতো যে একটা মন থাকতে হয় সেটা তো আমাদের অনেক আগেই মরে গেছে। যেমন সময়ের সাথে অনেক কিছুই মরেছে। সময়ের সাথে লাল চিঠির বাক্সটা এখন আবর্জনায় পরিণত হয়েছে। চিঠিটাও এখন ইতিহাস।

খট খট শব্দে  আঙুলের বেদনায় আহত টাইপ রাইটার আর নেই। যে মানুষটা  টাইপ রাইটার দিয়ে একদিন কালো অক্ষরের জাদুতে মাতিয়ে তুলতো মানুষকে সে মানুষটাও সময়ের সাথে কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। কম্পিউটার মতো আধুনিক প্রযুক্তি এসে টাইপ রাইটারকে অপ্রচলিত পণ্যে পরিণত করেছে।  

আগে গ্রামে যাত্রাপালা হতো। কত মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল সে যাত্রাপালা। হায়, সেটাও তো আর নেই। একসময়ের মূল্যবান জিনিস আজকের সময়ে এসে মূল্যহীন হয়েছে। বায়োস্কোপ এখন আর চোখে পড়ে না। একটার পর একটা নির্বাক ছবি টেনে বায়োস্কোপওয়ালা আনন্দচিত্তে বলতেন, “এই বারেতে দেখা গেল, জরিনা সুন্দরী এলো। কোমরেতে বিছা ছিল, কানে তাহার দুল ছিল। আহা কি চমৎকার দেখা গেল। কি চমৎকার দেখা গেল, আরও কিছু রইয়া গেল, তারা জ্যোতি চইলা গেছে, দেখতে কত বাহার আছে, এইবারেতে দেখেন ভাল, আপন রাজা সামনে আছে। তীর-ধনুক হাতে আছে। ” মানুষকে আনন্দ দেবার সে মানুষটাও আর নেই।  

একসময়ের দুরন্ত সময় আজ কেবল বিবর্ণ স্মৃতি। সময়ের সাথে সাথে মানুষ প্রযুক্তির জাদুকরী শক্তিতে বদলেছে। কিন্তু মাটির গন্ধও হারিয়েছে। সে মাটির গন্ধে বেগ হয়তো ছিল না তারপরও আবেগ ছিল। মনে পড়ছে পুতুল নাচের কথা। মানুষের অদৃশ্য আঙুলের নিপুণ কারুকাজে বোবা পুতুলগুলো নাচতো। মানুষ যেভাবে চাইতো সেভাবে পুতুলগুলো আছাড়ি-বিছাড়ি করে নেচেছে। অদৃশ্য মানুষটা এখন আর নেই, যেমন নেই পুতুল নাচের সেই ফেলে আসা দিনগুলো। তবে পুতুল নাচ আমাদের জীবনবোধের সামনে এসে থমকে দাঁড়ায়। কখনো মনে হয় আমরাও যেন সেই পুতুলদের মতো নেচে চলেছি কোনো এক অদৃশ্য শক্তির আকর্ষণে। এমন করেই হয়তো শক্তির পিছনে শক্তি, তারও পিছনে শক্তি এ খেলায় মেতে উঠেছে। সবাই হয়তো তা জানে তবে বুঝতে পারে না।  

সার্কাসের রং মেখে সং সাজা জোকারটার মুখটা খুব বেশি মনে পড়ছে। একটা কৃত্রিম হাসি মুখে ধরে রেখে জীবন যন্ত্রনায় জ্বলে-পুড়ে ছাই হওয়া মানুষটার ভিতরের বোবা আর্তনাদ বুকটাকে এখন কেমন যেন বুলেটবিদ্ধ করে যায়। জীবনকে বাজি রেখে জোকার নামের মানুষটা মানুষের মনোরঞ্জনের উপাদান হলেও তার ভিতরের কান্নাকে কেউ কখনো বুঝেও বুঝেনি।

সাদাকালো সিনেমার সময় যে মানুষটার অভিনয় সিনেমাকে রঙিন করেছিল সে মানুষটার নাম চার্লি চ্যাপলিন। চার্লি চ্যাপলিন সেই মহান অভিনেতা যিনি বুকে কষ্ট চেপে দর্শকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। পরনে নাক সিটকানো কোট-টাই, ঢিলেঢালা  জরাজীর্ণ প্যান্ট, মাথায় কালো রঙের ডার্বি হ্যাট, হাতে একটি পাতলা ছড়ি, পায়ে এবড়ো  থেবড়ো এক জোড়া বুট এবং ঠোঁটের ঠিক উপরে খাটো  গোঁফ মানুষটার। নিজের জীবনকে টুকরো কাচের আয়নায় দেখে উপহাস করে তিনি বলেছেন “এমনকি একটি জেলীফিশের কাছেও জীবন অনেক সুন্দর ও দারুণ একটা জিনিস”। চার্লি চ্যাপলিন সব সময় বলতেন তার মা’ই তার অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন। মায়ের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চার্লি চ্যাপলিন তাকে পরম যত্নে আগলে রেখেছিলেন; কোনো কষ্ট তাকে স্পর্শ করতে পারেনি।  

অথচ তিনি আজীবন কষ্টকে ধারণ করে জীবনকে এগিয়ে নিয়েছেন। এখন তো সময় বদলেছে। মানুষ খুব কমার্শিয়াল হয়েছে। নিজের স্বার্থ নিয়ে যে মানুষরা প্রতিদিন একে অন্যের সাথে লড়ছে তারা কি মমতাময়ী মায়ের সেই ভালোবাসার মুখটা কখনো খুঁজেছে। না, তেমনটা ঠিক দেখছি না। মায়ের নাড়ি ছেঁড়া ধন সে নাড়ির টানকে গলা টিপে হত্যা করেছে। নিজে ক্রীতদাসের হাসি হেসেছে আর মায়ের হাসিকে বৃদ্ধাশ্রমের চার দেওয়ালে আটকে রেখে নিজের শেকড়কে লাথি মেরে ছুড়ে ফেলেছে পিচ ঢালা রাজপথে। সত্য মিথ্যার গল্পটা বার বার বলতে ইচ্ছে করে।  

আমরা যেটা হাসি সেটা সত্য না মিথ্যা। নাকি সেটা একটা নগ্ন রহস্য। ফেলে আসা পুরাতন কিছু। হয়তো একটা মানুষ, তার পিছনের মানুষ, তার সামনের মানুষ, তার ভিতরের মানুষ সবকটাই একটা মানুষ তবে  অভিন্ন মানুষ নয়। যেমন যে সত্যকে  আমরা দেখি তা  হয়তো সত্য নয়। যা দেখি না সেটাই সত্য। মানুষের বাইরের শরীরের চেয়ে যেমন ভিতরের হাড় দিয়ে গড়া কংকালটা সত্য। 

সত্য এমন আগুনে পোড়া নদীর মতো। জলীয় বাষ্পের মতো। মেঘে ঢাকা তারার মতো। যার গতিপথ জীবনের গতিপথকে হার মানায়।

সব কিছু মানুষের আজ কেমন করে যেন হারিয়ে গেছে। এক একটা মানুষ জীবন্ত লাশ হয়ে রাজপথের কোলাহলে নিজেদের অস্তিত্ব হারাচ্ছে। ঝুলন্ত বাদুড় হয়ে সত্য মিথ্যার পোশাক পড়ে মানুষের বিবেক বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন। তাও খুব চড়া দামে। তারপরও সব হারিয়েও জীবনবোধের বিশ্বাস তো কখনো হারাতে নেই। আবেগ তো কখনো হারাতে নেই। স্বপ্ন জয়ের হাসি তো কখনো হারাতে নেই। প্রতিদিন মানুষের মৃত্যুর খবর যেমন আসে তেমনি নবজাতকের ভূমিষ্ঠের খবরও আসে। সব পুরাতন পচে যায় না। নষ্ট হয়ে নষ্টের দড়িতে ঝুলে পড়ে না। যেমন সময়। যেমন সততা। যেমন মানবিক মূল্যবোধ। এমন আরও অনেক মূল্যহীন মানুষের বাজারের অনেক অদেখা মূল্যবান জিনিস। 

চলন্ত ট্রেনটা মানুষকে পিষে ফেলার আগেই মানুষ সেখান থেকে বেরিয়ে আসুক। সব মানুষ রক্ত মাংসের মানুষ হোক। যেমন মানুষ, মানুষ তেমনটাই থাকুক। সবটাই এক ঝাপটায় মানবিক নগর হয়ে উঠুক মানুষের অতৃপ্ত যন্ত্রনায়। সেটা চোখে না দেখে মন দিয়ে দেখাটাতেই আনন্দ। তার থেকে বেশি কিছু নয়।


আরও খবর



নওগাঁয় বাবা-মেয়ের মৃত্যু, মা-মেয়ে হাসপাতালে

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁর পত্নীতলায় ট্রাক ও মোটরসাইকেল এর সংঘর্ষে শিশু মেয়ে জান্নাতুন ফেরদৌস (১১) এর মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে তার বাবা আবু সাইম সরকার (৩৮) এর ও মৃত্যু হয়েছে। একই দূর্ঘটনায় নিহত আবু সাইম সরকারের স্ত্রী মোসাঃ শান্তনা আক্তার (৩১) ও ছোট মেয়ে মোসাঃ লামিয়া জান্নাত (৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের বাড়ি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তর গ্রামে।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধার দিকে আবু সাইম সরকার তার স্ত্রী ও দুই শিশু মেয়েকে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে শশুর বাড়ী নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার আমন্ত গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-সাপাহার সড়কের আত্রাই নদীর সেতুর উপর পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে মটরসাইকেল এর সংঘর্ষে তারা সবাই ছিটকে রাস্তার উপর পরে মারান্তকভাবে আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌসকে মৃত ঘোষনা করেন এবং অপর ৩ জনের মধ্যে আবু সাইম সরকার ও শান্তনাকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর ৪টার দিকে আবু সাইম সরকার এর মৃত্যু হয়।

সত্যতা নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, এ দূর্ঘটনায় শিশু মারা গেছে এবং ৩ জন কে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধী অবস্থায় শনিবার ভোরে আবু সাইম সরকারের মৃত্যু হয়েছে। 


আরও খবর



নোরাকে অশালীনভাবে স্পর্শ !

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

বর্ণিল আলোয় সেজে উঠেছে মঞ্চ। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে নোরা ফাতেহির ‘সাকি সাকি’ গান। এ গানে পারফর্ম করছেন এই অভিনেত্রী। ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সারদের নিয়ে ডুবে আছেন এ গানের নাচে। আচমকাই তার পেছনে চলে আসে এক ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সার। তারপর নোরা ফাতেহিকে স্পর্শ করেন। যাকে ‘অশ্লীল স্পর্শ’ বলে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। এ ভিডিওটি এখন অন্তর্জালে ভাইরাল।

ভিডিওটি নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নোরা ভক্তরা। এমন ঘটনায় অনেকে ক্ষুব্ধ। কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন—ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্য কী ? যদিও প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। কারণ এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি নোরা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাতারে বসেছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের এবারের আসর। এই আসরে নোরা ফাতেহি পারফর্ম করবেন তা আগেই জানিয়েছিলেন তিনি।  ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় দোহার আল বিদা পার্কে অনুষ্ঠিত হয় ফিফা ফ্যান ফেস্টিভ্যাল। এতে পারফর্ম করেন নোরা ফাতেহি। নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এ ভিডিওটি মূলত ওই মঞ্চের। এ অনুষ্ঠানে নোরার আবেদনময়ী উপস্থিতি ও ঝড় তোলা নাচ মুগ্ধ করেছে ভক্তদের।


আরও খবর