Logo
শিরোনাম

পার্বতীপুরে রেলহেড ডিপো শুন্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি, পার্বতীপুর

পার্বতীপুুরে রেলহেড অয়েল ডিপোতে পেট্রোল ও অকটেনের মজুদ আশংকাজনক হারে কমে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় পেট্রোল ও অকটেনর সরবরাহ প্রায় ১৫দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এ ডিপোতে দৈনিক পেট্রোলের চাহিদা ১ লাখ ৮০ হাজার লিটার। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে মাত্র ১ লাখ ৮০ হাজার লিটার ডিপোতে পেট্রোল সরবরাহ দেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে,  প্রায় ২ মাস ধরে মৌলভীবাজারের রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড হতে রেলপথে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ দেয়া হচ্চে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের আওতাধীন ৩ কোম্পানী পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড একদিন পরপর ট্যাংকলরীতে করে ৪ লাখ ৫ হাজার লিটার পেট্রোল পার্বতীপুুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে পেট্রোল সরবরাহ করতো। এ ডিপো থেকে প্রতিদিন উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলা ঠাকুরগাও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধাসহ ৪৫০ পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল সরবরাহ করা হয়ে থাকে যা দিয়ে এ অঞ্চলের পেট্রোল ও অকটেনের চাহিদা পুরণ হয়। প্রায় ২ মাস ধরে রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড থেকে হঠাৎ করে পেট্রোল ও অকটেন আসা কমে যাওয়ায় ডিপোতে এ সংকট দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি তেল পরিবেশক ও পেট্রোল পাম্প প্রতিনিধিদের অভিযোগ, তারা চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না। পেট্রোল ও অকটেন সংকট চরমে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও দিনাজপুরে। ইতিমধ্যে পেট্রোল ও অকটেন না থাকায় দুই শতাধিক তেল পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। শিগগিরই পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সংকট চরম আকার ধারণ করবে।

পেট্রোল ও অকটেন নিতে আসা ট্যাংকলরীগুলো টার্মিনালে ৮/১০ দিন অপেক্ষা করেও পেট্রোল ও অকটেন না পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

পার্বতীপুরে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন সংকটের কারণে জ্বালানি না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে যানবাহন চালকদের।

 ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে এ অবস্থা চলছে বলে জানিয়েছেন তেল বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের রিয়েল ফিলিং স্টেশনসহ কয়েকটি পাম্পে তেল নেই। পেট্রোল ও অকটেন না থাকায় মোটরসাইকেল চালকদের ফিরে যেতে হচ্ছে। পাম্প পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

রিয়েল ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মোঃ নুরুল নবী জানান, ঈদের কয়েকদিন আগেই পেট্রোল ও অকটেন সংকট চরমে পৌঁছেছে। মানুষকে দিতে পারছি না। গত ২৮ এপ্রিল ৯ হাজার লিটার পেট্রোল ও ৪ হাজার ৫শ লিটার অকটেন এসেছিল। সেগুলো বিকেলের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন এ পাম্পে সাড়ে ৩ হাজার লিটার পেট্রোল ও ১ হাজার ৩শ লিটার অকটেন প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু সরবরাহ না থাকায় আমরা গ্রাহককে পেট্রোল ও অকটেন দিতে পারছি না। যার কারণে তেল না থাকায় পাম্পে গায়ে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

নীলফামারী সৈয়দপুর শহরের ইকু ফিলিং স্টেশনের মালিক মোঃ সিদ্দিকুল আলম জানান, প্রায় মাস থেকে পেট্রোল ও অকটেন সংকট দেখা দেয়। পার্বতীপুর তেল ডিপোতে না পেয়ে সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি ডিপো থেকে তেল নিয়ে পাম্পগুলো চালাতে হচ্ছিল। কিন্তু এখন বাঘাবাড়ি ডিপোতেও পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। তবে, পাম্পগুলোতে ডিজেল সরবরাহ রয়েছে।

দিনাজপুর জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক এটিএম হাবিবুর রহমান শাহীন জানান, পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে প্রায় ১৫ দিন ধরে পেট্রোল ও ৭ দিন ধরে অকটেনের সংকট চলছে। আমরা চাহিদা মত পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ পাচ্ছি না। এরফলে প্রায় অনেক তেল পাম্প বন্ধ হয়ে রয়েছে।

শনিবার রাত ৮টার দিকে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার কাজী মোঃ রবিউল জানান, শনি এবং রবিবার ৬ লাখ পেট্রোল ডিপোতে এসেছে। আজকের মধ্যে ডিপোতে আরও ৪ লাখ লিটার পেট্রোল ও দেড় লাখ অকটেন এসে পৌছাবে। ঈদের ছুটি থাকায় এ সাময়িক সমস্যা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। বর্তমানে তিন কোম্পানী পদ্মা, মেঘনা ও যমুনায় প্রায় ২০ লাখ ডিজেল মজুদ রয়েছে।  

এ বিষয়ে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল তিন কোম্পানীর পার্বতীপুর রেলওয়ে অয়েল হেড ডিপোর ইনচার্জ এমরানুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


আরও খবর



সাংবাদিকের জরিমানার প্রস্তাব : ক্ষোভ-বিতর্ক

অন্যায় করলে তার শাস্তি হিসেবে ১০ লাখ টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

দেশে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অসদাচরণ বা কোনও অন্যায় করলে তার শাস্তি হিসেবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রেখে পুরোনো আইন সংশোধনের উদ্যোগে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রায় পাঁচ দশকের পুরোনো প্রেস কাউন্সিল আইনের সংশোধনী প্রস্তাব সম্পর্কিত বিলের খসড়া এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রেস কাউন্সিলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিলটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর সংসদের আগামী অধিবেশনে পাস হতে পারে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, আইন সংশোধনের মাধ্যমে প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করা হবে। কিন্তু এর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক নেতাদের অনেকে।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত সাংবাদিক ইউনিয়ন দুটির নেতারা বলছেন, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জরিমানার বিধান আনার ব্যাপারে প্রেস কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ কখনও আলোচনা করেনি।

তারা বলছেন, প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ নিজামুল হক নাসিম যখন রাজশাহীতে এক অনুষ্ঠানে জরিমানার বিধান আনার উদ্যোগের কথা বলেছেন, তখনই তারা বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারেন।

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ নিজামুল হক নাসিম বলেছেন, আইনের একটি বিষয়েই সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকরা কোনও অন্যায় করলে প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করা যায় এবং কাউন্সিল সেই অভিযোগের বিচার করতে পারে। কিন্তু প্রেস কাউন্সিল আইনে তারা অভিযোগের বিচার করতে পারলেও, আইনের ১২ ধারায় তিরস্কার করা ছাড়া তাদের আর কোনও শাস্তি দেবার ক্ষমতা নাই।

তিনি উল্লেখ করেন, এখন এই তিরস্কারের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার ক্ষমতা প্রেস কাউন্সিলকে দেয়ার জন্য আইনে সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, ‘ঢাল নাই, তলোয়ার নাই, নিধিরাম সর্দার- প্রেস কাউন্সিল এরকম অবস্থায় রয়েছে। এর থেকে এই প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার জন্য সরকার প্রেস কাউন্সিল আইনের ১২ ধারায় এই সংশোধনী আনার পদক্ষেপ নিয়েছে।’

সাংবাদিক নেতাদের অনেকে মনে করেন এই প্রস্তাব গৃহীত হলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হবে। কিন্তু প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নিজামুল হক নাসিম বলেছেন, এই সংশোধনী আনা হলে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা খর্ব হবে না।

আইনে যা আছে প্রেস কাউন্সিল আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। আইনটি প্রণয়নের পাঁচ বছর পর ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় প্রেস কাউন্সিল। এই আইনে প্রেস কাউন্সিলকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিচার করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

কোনও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কেউ পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অসদাচরণ এবং সাংবাদিকতা-নীতির পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ করতে চাইলে তিনি প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ বা মামলা দায়ের করতে পারেন। এরপর আইন অনুযায়ী, প্রেস কাউন্সিল তাদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে অভিযোগের বিচার করে থাকেন।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনটির ১২ ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনও পত্রিকা বা কোনও সংবাদ সংস্থায় কোনও সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে অসদাচরণ অথবা সাংবাদিকতার নীতি ভঙ্গ করেছে এবং কারও বিরুদ্ধে অন্যায় খবর প্রকাশ করেছে- এ ধরনের অভিযোগ বা মামলার বিচার করে প্রেস কাউন্সিল সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এবং পত্রিকা বা সংবাদ সংস্থার সম্পাদককে তিরস্কার, নিন্দা অথবা সতর্ক করতে পারে।

বর্তমান আইনে এর বাইরে আর কোনও শাস্তি দেয়ার ক্ষমতা প্রেস কাউন্সিলকে দেওয়া হয়নি। প্রেস কাউন্সিল মনে করছে, বর্তমান বাস্তবতায় তিরস্কার বা নিন্দা করার এই শাস্তি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। তাই শুধু তিরস্কার নয়, এখন ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে আইনে শুধু পত্রিকা বা প্রিন্ট মিডিয়া এবং সংবাদ সংস্থার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচার করার ক্ষমতা দেয়া আছে প্রেস কাউন্সিলকে। কিন্তু গত কয়েক দশকে বেসরকারি টেলিভিশন বা ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং অনলাইন বা ডিজিটাল মাধ্যমের অনেক প্রসার হয়েছে। অন্যায় করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে প্রেস কাউন্সিলের কোনও ক্ষমতার কথা আইনে উল্লেখ করা নেই।

ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সাংবাদিক নেতাদের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থক বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক জরিমানার এমন প্রস্তাব নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের প্রস্তাব নিয়ে সরকার এবং প্রেস কাউন্সিলের পক্ষ থেকে তাদের সাথে কখনও আলোচনা করা হয়নি।

ওমর ফারুক বলেন, ‘আর্থিক জরিমানা করার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়।’

একইভাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপি সমর্থক বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজের সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যম এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করতে একের পর এক কালো আইন করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার প্রস্তাবকে তিনি নিবর্তনমূলক বলে মনে করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তার মতে, এ ধরনের জরিমানার বিধান করা হলে তা সাংবাদিকরা মেনে নেবে না।

তবে প্রেস কাউন্সিলের কর্মকর্তারা বলেছেন, সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করেই অনেক আগে এই সংশোধনী প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম জানিয়েছেন, তিনি দায়িত্ব পাওয়ার আগে এই প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। তিনি এই দায়িত্ব পেয়েছেন ২০২১ সালের আক্টোবরে। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা তাদের উদ্দেশ্য নয়। জরিমানা করার ব্যাপারে আইনের সংশোধনী প্রস্তাব বড় কোনও বিষয় নয়। বর্তমান বাস্তবতায় এটি একটি ছোট পরিবর্তন।

সাংবাদিকদের ডাটাবেজ সারা দেশে সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করারও উদ্যোগ নিয়েছে প্রেস কাউন্সিল। কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেছেন, পত্রিকাগুলোর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের এবং সারা দেশে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের তালিকা সংগ্রহ করা হবে। সেই তালিকা প্রেস কাউন্সিল যাচাই-বাছাই করে একটি ডাটাবেজ করবে।

এ ছাড়াও বেসরকারি টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমের সাংবাদিকদের ডাটাবেজ একইভাবে তৈরি করবে প্রেস ইনস্টিটিউট বা পিআইবি। সাংবাদিক যারা তালিকাভূক্ত হবেন, ছয় মাস পর পর তাদের কর্মকাণ্ড সরকারের ওই প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যালোচনা করবে বলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে সাংবাদিক নেতাদের অনেকের।


সূত্র : বিবিসি


আরও খবর



গজারিয়ার হামদর্দ বিশ্ব বিদ্যালয়ের উদ্যোগে ৮ম ইয়োগা দিবস পালিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

গজারিয়া প্রতিনিধিঃ 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ৮ম বিশ্ব ইয়োগা দিবস পালিত।

 বুধবার বেলা ৩ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয় হলরুমে

আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোঃফরিদুল হক খাঁন এম,পি,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা ড.হাকীম মোঃইউছুফ হারুন ভূঁইয়া,বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃপ্রাণ গোপাল এম,পি,হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মোঃ আমানুল্লাহ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনেরর দ্বিতীয় সচিব রাজেন্দ্র সিং,মুল বক্তব্য রাখেন আইয়ুশ মন্ত্রণালয় ইন্ডিয়া ও ইউনানী চেয়ারম্যান হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ  ড.মুনোয়ার হোসাইন কাজমী।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও ডীন,ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অনুষদ হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক ড.একে আজাদ খাঁন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় এর বোর্ড অফ ট্রাস্টি লেঃকর্ণেল(অবঃ)জহিরুল আলম,মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেল এর এএসপি মিনহাজুল ইসলাম,গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃজিয়াউল ইস লাম চৌধুরী প্রমুখ।অনুষ্ঠান শুরুর পূর্বে ধর্ম প্রতিমনন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি বৃক্ষ রোপণ করেন।


আরও খবর



‘যুদ্ধ করতে প্রস্তুত’ সৈন্যের সংখ্যা দশগুণ বাড়াচ্ছে ন্যাটো

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট তাদের ‘যুদ্ধ করতে প্রস্তুত’ এমন সেনা সংখ্যা বিপুল সংখ্যায় বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।

স্নায়ু যুদ্ধের অবসানের পর ন্যাটো জোটের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে একে সবচেয়ে বড় পুনর্গঠন বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। 

ন্যাটো জোটের মহাসচিব ইয়েন্স স্টোলটেনবার্গ বলছেন, এ জোটের ‘দ্রুত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত’ সৈন্যের সংখ্যা ৪০ হাজার থেকে প্রায় দশগুণ বাড়িয়ে ৩ লক্ষাধিকে উন্নীত করছে।

এটি একটি নতুন কৌশলগত পরিকল্পনা- এবং এ সপ্তাহেই মাদ্রিদে একটি শীর্ষ সম্মেলন হবে যেখানে এটা অনুমোদিত হতে পারে বলে বিবিসি জানিয়েছে।  

স্টোলটেনবার্গ বলছেন, ইউরোপের নিরাপত্তার প্রতি রাশিয়ার প্রত্যক্ষ হুমকির পরই এই সৈন্যসংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তার কথায়, নতুন এই ‘সামরিক ব্লুপ্রিন্ট’ পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে উন্নত করা হবে।

ন্যাটোর এই ‘র‍্যাপিড রিঅ্যাকশন ফোর্স’ হচ্ছে স্থল, নৌ ও বিমান সেনা ও সরঞ্জামের সমন্বয়ে তৈরি করা একটি বাহিনী। কোন আক্রমণ হলে যাদেরকে দ্রুতগতিতে মোতায়েন করা যাবে। ২০১৪ সালের আগে এ বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ছিল ১৩ হাজার - আর এখন তা বেড়ে ৪০ হাজার হয়েছে।

ইউক্রেনে রুশ অভিযানের পর এই সৈন্যদের ইতোমধ্যেই লাৎভিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া ও পোল্যান্ডে উচ্চ-প্রস্তুতিমূলক অবস্থায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি ও স্লোভেনিয়ায় আরো ‘যুদ্ধের জন্য তৈরি’ সেনাদল মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্টোলটেনবার্গ জানিয়েছেন, স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তীকালে ২০১০ সালে ন্যাটো জোট রাশিয়ার ব্যাপারে নতুন অবস্থান নিয়েছিল। রাশিয়াকে তখন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৌশলগত অংশীদা’ বলা হতো। তবে এখন তা বদলে যাচ্ছে। 

তিনি বলেন, ন্যাটো জোটের নিরাপত্তা ও মূল্যবোধের প্রতি সবচেয়ে বড় ও প্রত্যক্ষ হুমকি হচ্ছে রাশিয়া। তবে নতুন পরিকল্পনাটিতে এই প্রথমবারের মতো ন্যাটো জোটের প্রতি চীনের চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও থাকবে।


সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরও খবর



পলাতক কোনো আসামির মামলা শুনবে না হাইকোর্ট

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

পলাতক কোনো আসামির মামলা শুনবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এমন মামলা আনলে রুল জারি করা হবে বলেও জানিয়েছেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালত বলেন, পলাতক যেই হোক, তার মামলা আনবেন না।

রবিবার (৫ জুন) পলাতক আসামি দুর্নীতি মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবে না, আপিল বিভাগের এমন রায় তারেক-জোবায়দার মামলায় শুনানির জন্য জমা দেয় দুদক। এ সময় হাইকোর্ট এ মন্তব্য করেন।

২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় এ মামলা করা হয়। মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

পরে একই বছরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী পৃথক আবেদনে এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন।


আরও খবর



বিপৎসীমার উপরে যমুনার পানি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও বাড়ছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।

শনিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টায় পাওয়া শেষ খবরে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে, কাজিপুর পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

যমুনার পানি বাড়ায় সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, চৌহালী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিম্নাঞ্চল ডুবে গেছে। এতে তিল, কাউন, বাদাম, পাট ও সবজিসহ বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে।

এব্যাপারে সিরাজগঞ্জ পানিউন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রোকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, জেলার কোথাও কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নেই। তবে নদী তীরবর্তী কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে যমুনার পানি বিপৎসীমা (আজ) শনিবার অতিক্রম করতে পারে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যেই ভাঙন এলাকায় ৪০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এছাড়া ভাঙনরোধে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ৯৬ হাজার জিও ব্যাগের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বাঁধসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো নজরদারিতে রাখা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


আরও খবর