Logo
শিরোনাম

পাটগ্রামে ভুট্টা ক্ষেতে ৭মশ্রেনির শিক্ষার্থীর মরদেহ--উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি ঃ

 লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ককোয়াবাড়ি গ্রামে ফারজিনা আক্তার (১৩) নামে ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাতড়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পাটগ্রাম থানা পুলিশ। রোববার সকালে স্থানীয় লোকজন ওই এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেতে ফারজিনার মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। ফারজিনা আক্তার ওই এলাকার আব্দুর রহমানের মেয়ে ও স্থানীয় এক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী। তবে কি ভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো  পর্যন্ত জানা না গেলেও স্থানীয়দের অভিযোগ তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে। পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক জানান, ওই এলাকায় ভুট্টা ক্ষেতে আব্দুর রহমানের মেয়ে ও ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী ফারজিনা আক্তারের মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধারে করে সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেেরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে । সুরতহাল রিপোর্টের পর প্রাথমিক ধারনা করা যাবে  তার  কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর



সন্তানের স্বীকৃতির দাবীতে কু‌মিল্লায় আ’লীগ নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ

কুমিল্লায় স্ত্রীর মর্যাদা, সন্তানের স্বীকৃতির দাবীসহ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা আওয়ামীলীগ‌নেত্রী নিশাত আহম্মেদ খান । নিশাত খান কুমিল্লা দক্ষিন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় মহিলা সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার সদস্য। 

বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার স্বামী মোঃ মিনহাজুর রহমান এর বিরুদ্ধে লিখিত আকারে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। 

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মনির আহম্মেদ খান বীর প্রতিক (খেতাব প্রাপ্ত-৭৯) রেজি নং ৩৩০, কুমিল্লা জেলা আওয়ামীলীগের তিন বারের সভাপতি অধ্যাপক মরহুম খোরশেদ আলম এমপি তার নিকট আত্বীয় চাচা। কসবা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সস্পাদক ও বর্তমান যুগ্ন আহবায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম তার মামা। তার বাবা, চাচা, মামা সহ অন্যান্য সদস্য সকলেই আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে রক্তের সম্পর্ক ও ওপপ্রোতভাবে জড়িত।

২০১১ সালে তার স্বামী মিনহাজুর রহমান ইটালি থাকা অবস্থায় তার ভাগ্নে এডভোকেট শহিদুল হক স্বপন এর মধ্য দিয়ে পরিচয় হয়। ২০১৩ সালে সে দেশে এসে নিশতকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে মিনহাজের সাথে বিয়ের দিন ধার্য্য হয়। নূরপুর হাউজিংয়ের বাসায় বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিয়ের আক মুহুর্তে সে কাবিন রেজিষ্ট্রী করতে পারবে না, কারন হিসেবে সে জানায় তার প্রথম স্ত্রীর সাথে একটা মামলা চলমান আছে ওই মামলাটা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাবিন রেজিষ্ট্রী করা যাবে না। দুইমাসের মধ্যে মামলা শেষ হলে কাবিন রেজিষ্ট্রী করা হবে। 

দুই মাস পর কাবিন রেজিষ্ট্রী হবে এই শর্তে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। ওই দিন থেকেই তিনি নূরপুর হাউজিং এর বাসায় বসবার শুরু করেন। বিয়ের ১৯ দিন পর মিনহাজ আবারো ইতালী চলে যায়। ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর মিনহাজ বাংলাদেশে আসে। পরদিন ৩০ ডিসেম্বর বাসার মধ্যে কাজী এনে বিভিন্ন কাগজে ওই নারীর স্বাক্ষর নেয় এবং বিয়ে রেজিষ্ট্রার করা হয়েছে বলে মিনহাজ জানায়।

বিয়ের আগে মিনহাজের বিরুদ্ধে ইটালিতে একটি জাল- জালিয়াতি ও মানব পাচার মামলা হয় যা নিশাত জানতো না। বিয়ের পর মিনহাজ ইটালি থেকে ইংল্যান্ডে চলে যান বলেন যে ওখানে যেয়ে নতুন ব্যবসা করবে। লন্ডনে ব্যবসার কথা বলায় নিশাতের ঠিকাদারি ব্যবসার সমস্ত টাকা এবং বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে নেয় মিনহাজ। কুমিল্লার বাড়ি ঢাকার ফ্লাট মিনহাজ ও আমি তার স্ত্রী হিসেবে যৌথ স্বাক্ষরে বন্ধক ও ভাড়া প্রদান করে মিনহাজ টাকা নেয়। 

এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে নিশাতকে টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দিতো মিনহাজ। এরই মাঝে ইটালী আওয়ামীলীগের একজন নেতার মাধ্যমে জানতে পারে মিনহাজের ৮ বছর ৯ মাসের সাজা হয় এবং ৫ লক্ষ পাঁচশত চুয়ান্ন হাজার ইউরো জরিমানা হয় ইটালীর আদালতে। 

এদিকে মিনহাজ নিশাতকে বলে প্রবাসী কল্যান ব্যাংক থেকে ৬-৭ কোটি টাকা লোন নিতে অথবা অন্য কোন ব্যাংকে চেষ্টা করতে। এরই মাঝে মিনহাজের প্রথম স্ত্রী উম্মে সালমা নিশাতের সাথে যোগাযোগ করে মিনহাজ সম্পের্কে সব কিছু অবগত করে। সালমার নামে এবং সালমার ভাইয়ের নামে লোন করে মিনহাজ অনেক টাকা নিয়ে গেছে কিন্তু অদ্যবদি সে লোনের টাকা পরিশোধ করেনি। 

এইসব তথ্য জানার পর নিশাত মিনহাজের ফাঁদে পা না দিয়ে এবং ধার নেয়া টাকা ফেরৎ চায়। এতে কাল হয়ে দাড়ায় নিশাতের। বিভিন্নাভাবে হয়রানি শুরু করে নিশাতের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এরই মধ্যে হঠাৎ করে সে আমার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিনহাজ। 

এরই মাঝে তাদের কোল জুড়ে আসে একমাত্র পুত্র মিনশাত রহমান স্বাধীন, যার বয়স এখন ৪ বছর ২ মাস। সে সন্তান বর্তমানে মারাত্মক হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত। তার ছেলের চিকিৎসার জন্য বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ডাক্তার বলেছে শিশুটিকে সিঙ্গাপুর নিয়ে চিকিৎসা করাতে।

সম্প্রতি টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন মিডিয়ার অপ্রপ্রচার চালাচ্ছে সে নাকি তার স্ত্রী না। নিশাত বলেন, স্ত্রী না হলে ৮টি বছর তার সাথে কিভাবে সংসার করলো। পাসপোর্টসহ সকল কাগজে কিভাবে নিশাতের নাম আসলো। ৮ বছর তার বাড়ীতে কিভাবে বসবাস করছে। নিশাত প্রশাসন ও সরকারের কাছে দাবী জানান, তার সন্তানটিকে বাচাতে, তাকে বাচাতে, তার স্ত্রীর মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে। তিনি দিন দিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি মানষিক ভাবে বিপর্যস্ত। মিনহাজ যে কোন সময় তাকে হত্যা করতে পারে। তিনি নিজের ও সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা দাবী করেন।


আরও খবর



লাইফস্টাইল কী ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বর্তমানে মানুষের জীবনকেন্দ্রিক যে শব্দটি ব্যাপকভাবে উচ্চারিত হচ্ছে তা হচ্ছে ‘লাইফস্টাইল’। লাইফ বলতে আমরা জীবনকে বুঝি। আর স্টাইল বলতে ধরন, প্রকার, ধাঁচ, রকম, পদ্ধতি ইত্যাদি বুঝি। তাই লাইফস্টাইলের সাধারণ বাংলা অর্থ হতে পারে জীবন যাপনের ধরন বা পদ্ধতি। এটাকে আরো সহজ করে বললে বলা যায় জীবনধারা।

এখন এই জীবনধারা তো অনেক ব্যাপক অর্থবোধক একটি শব্দ। এর বহুমাত্রিক অর্থ রয়েছে। জীবনের সার্বিক দিককেই কভার করে এ শব্দটি। এর মধ্যে রয়েছে মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যেভাবে জীবন চালানো হচ্ছে তার পুরোটাই। এর মধ্যে যেমন জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে খাদ্যগ্রহণ ও আনুষঙ্গিক প্রয়োজনগুলো পূরণের বিষয়গুলো রয়েছে, তেমনি রয়েছে মানুষের মনোজগতে বদ্ধমূল হয়ো বিশ্বাস ও সেই বিশ্বাসের আলোকে কর্মের ধরনটিও।

জীবন ধারণের জন্য মানুষের কিছু মৌলিক প্রয়োজন রয়েছে। এই দেহকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য জন্মের শুরুতেই তার প্রয়োজন হয় খাবারের। প্রয়োজন হয় পরিচ্ছন্নতার। প্রয়োজন হয় সুন্দর একটি পরিবেশের যেখানে থাকবে কলুষমুক্ত বাতাস। আরো দরকার পরিবেশের বিরূপতা থেকে সুরক্ষার জন্য নিরাপদ স্থান বা গৃহ। একই কারণে প্রয়োজন হয় পরিধেয় বস্ত্র। আলো, তাপ ও শীতের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার। তার ভেতর স্বাভাবিকতা বা সুস্থতার ব্যত্যয় ঘটালে প্রয়োজন হয় চিকিৎসার বা নিরাময়ের।

পৃথিবীতে বেঁচে থাকার অনিবার্য প্রয়োজন বাতাস। শ্বাস-প্রশ্বাস চালু না থাকলে কয়েক মুহূর্তেই জীবন নিভে যায়। মহান স্রষ্টা আল্লাহ প্রকৃতিতে দিয়েছেন অনাবিল বাতাস। সেই বাতাস দেহে টেনে নেয়ার জন্য শরীরের ভেতর দিয়েছেন একটি অতুলনীয় যন্ত্র যার নাম হৃদযন্ত্র। এ বাতাস টেনে নেয়ার শক্তি না থাকলে পৃথিবীর জীবন আর থাকে না।

জীবনকে সতেজ সজীব রাখতে, পরিচ্ছন্ন রাখতে পানির প্রয়োজনও অনিবার্য। বাতাস পানি আর সূর্যের আলোর সমন্বয়ে গয়ে উঠেছে অসাধরণ এক প্রকৃতিজগত। যার মধ্যে জীবন স্বাভাবিক ও সুন্দর।

সার্বিকভাবে জীবনের পরিপার্শ্ব স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে প্রয়োজন এই প্রকৃতির উপস্থিতি। উদ্ভিদ, গাছ-পালা, বনবনানী, তরুলতা, পশু-পাখি সমৃদ্ধ; পাহাড়-নদী-সাগর ঝর্ণাধারা বেষ্টিত প্রকৃতির মাঝে মানুষের জীবন থাকলেই সে জীবন স্বাভাবিকভাবে বাঁচে। এই প্রকৃতি বিনষ্ট হলে বা এর সুযোগগুলোর ঘাটতি হলে জীবন বিপন্ন হয়।

তারপর বেঁচে থাকার জন্য মানুষের প্রয়োজন হয় অপর মানুষের সহযোগিতা। এজন্য মানুষ গড়ে তুলেছে সমাজ। গড়েছে সংস্কৃতি, কালচার। এসব গড়তে জ্ঞানের প্রয়োজন হয়েছে। সেই জ্ঞানও মানুষকে চেষ্টা করে অর্জন করতে হয়। সেই অর্জনই হলো শিক্ষা বা জ্ঞান অর্জন। অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ দুনিয়ার জীবনকে সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত করতে পারে। তাই শিক্ষাও মানুষের জীবনের একটি অপরিহার্য প্রয়োজন।

এবার জীবিকার প্রয়োজন পূরণের জন্য শিক্ষাগ্রহণে সমৃদ্ধ হয়ে মানুষকে করতে হচ্ছে নানা ধরনের কাজ। প্রয়োজন বা চাহিদাই এর চালিকা শক্তি। এর পেছনে সবাইকে দৌড়াতে হচ্ছে। ঘর বাঁধতে হচ্ছে নারী-পুরুষকে। তাদের মিলিত প্রচেষ্টায় জন্ম নিচ্ছে মানবশিশু। তাদেরকে লালনপালন করে আবার বড় করতে হচ্ছে, গড়ে তুলতে হচ্ছে আরেকটি পূর্ণ মানুষ হিসেবে জীবনের সবরকম দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে। এভাবে রূপ লাভ করছে সমাজ-সংস্কৃতি।

মানুষকে তার অর্জিত জ্ঞান ও বুদ্ধি দিয়ে জীবনের সব প্রয়োজনীয় কাজ সমাধা যেমন করতে হচ্ছে, তেমনি যেকোনো ধরনের বাধা, প্রতিবন্ধকতা বিরূপতা দূর করে, বা সমস্যা সংকটের সমাধান করে জীবনকে টেনে নিয়ে যেতে হচ্ছে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত।

এভাবে প্রকৃতি ও সমাজ-সংস্কৃতির ভেতর মানুষ যে জীবন যাপন করছে সেটাই তার লাইফস্টাইল বা জীবনধারা।

বর্তমানে মানুষের জীবনের সুস্থতার জন্য সঠিক লাইফস্টাইল তথা জীবনধারার কথা জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। কারণ একটাই, আজ মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারা ব্যাহত। প্রকৃতি কলুষিত। জীবন কঠিভাবে সংকটাপন্ন। প্রকৃতিবিরুদ্ধ কাজ ও ভুল জীবন পদ্ধতির কারণে কঠিন কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। দেখা দিচ্ছে শারীরিক-মানসিক বিপর্যয়।

এজন্যই লাইফস্টাইল সঠিক করার জন্য, সংশোধন করার জন্য এতো উচ্চাবাচ্য শুরু হয়েছে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানের বদৌলতে জীবনের সাথে এমনসব অনুষঙ্গ যোগ হয়েছে যে, মানুষ সেসব থেকে রেহাই পাচ্ছে না। সেগুলো পরিহার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে যে জীবনকে মানুষের ভালোবাসার কথা তার প্রতি সুবিচার করতে পারছে না।

ইংলিশ অভিধানে lifestyle তথা জীবনধারার একটি সংজ্ঞা হলো এমন - একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সমষ্টির মনোভাব, অভ্যাস বা সম্পদের মিলনে গড়ে ওঠা একটি সংস্কৃতি।

ইংলিশ অভিধানে লাইফস্টাইল শব্দটির প্রতিশব্দগুলো হচ্ছে - behaviour ব্যবহার বা আচরণ, civilization সভ্যতা-সংস্কৃতি, condition অবস্থা, শর্ত, conduct আচরণ, পরিচালনা, customs রীতি, প্রথা, life · mores রীতিনীতি, চালচলন, position অবস্থান, situation পরিস্থিতি, way of life জীবনপথ বা জীবনপদ্ধতি।

এ থেকেই বোঝা যায়, লাইফস্টাইল বিষয়টি কতো ব্যাপকভাবে জীবনকে সংজ্ঞায়িত করে। জীবনের কতো দিক ও বিভাগকে এটি ধারণ করে। কাজেই সুস্থ-সুন্দর জীবন যাপনের জন্য জীবনের সাথে যুক্ত সব বিষয়েরই সুস্থতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। প্রয়োজন জীবনকে ভালোবাসা। এর মূল্য বোঝা।





আরও খবর



যেভাবে নিবন্ধন করবেন মালয়েশিয়ায় গমনেচ্ছুরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মালয়েশিয়ায় গমনেচ্ছু কর্মীদের বিএমইটির ডাটাবেজে নিবন্ধন করতে হবে। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ অনুসারে বিএমইটি ডাটাবেজে নিবন্ধনকৃত কর্মীদের থেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে কর্মী নির্বাচন করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো মালয়েশিয়া গমনেচ্ছুদের নিবন্ধন করার আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

যেভাবে নিবন্ধন করবেন বিএমআইটি’র আওতাধীন সব জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস (ডিইএমও) অথবা নির্ধারিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সরাসরি উপস্থিত হয়ে নিবন্ধন করা যাবে। প্রতিটি সফল নিবন্ধনের জন্য ২০০ টাকা সরকারি ফি প্রদান করতে হবে।

এছাড়াও সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ‌‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপ ব্যবহার করে নিবন্ধন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে সফল নিবন্ধনের জন্য সরকারি নিবন্ধন ফি ২০০ টাকার অতিরিক্ত আরও ১০০ টাকা প্রদান করতে হবে।

নিবন্ধন নম্বর ও এর কার্যকারিতা নিবন্ধনের তারিখ থেকে ২ বছর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

ডাটাবেজে নিবন্ধন করার যোগ্যতা

১। কর্মীর বয়স ১৮-৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।

২। ইতোমধ্যে যারা নিবন্ধন করেছেন তাদের নতুন করে নিবন্ধন করার প্রয়োজন নেই। তবে পরবর্তীতে দেশ ও পেশার তথ্য আপডেট করতে পারবেন।

৩। এছাড়াও পাসপোর্ট, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নিজের মোবাইল নম্বর, ই-মেইল ও দক্ষতা সনদ থাকতে হবে।

‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করবেন যেভাবে আমি প্রবাসী অ্যাপের মাধ্যমে গমনেচ্ছু কর্মীরা ঘরে বসেই বিএমইটির ডাটাবেজে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। অ্যাপটি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে


আরও খবর



এসএমই উদ্যোক্তারা চাহিদার ৩৩ ভাগ ঋণ পান

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

রোকসানা মনোয়ার : চাহিদার মাত্র ৩৩ ভাগ ঋণ পান দেশের এসএমই উদ্যোক্তারা। আর বিতরণকৃত ঋণের মাত্র ১৯ ভাগ পান গ্রামীণ উদ্যোক্তারা। অথচ কোভিড-১৯-এ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। এসএমই ফাউন্ডেশন ও UNESCAP-এর যৌথ উদ্যোগে সোমবার (৬ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব তথ্য জানান।

‘এসএমই ফাইন্যান্স পুনর্বিবেচনা : একটি-সঙ্কট-পরবর্তী নীতি’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান বলেন, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড-১৯-এর কারণে দেশের ৯৪ ভাগ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিক্রি কমে গেছে। ২১ ভাগ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের ৩৭ ভাগ কর্মী কাজ হারিয়েছে এবং ৭০ ভাগ কর্মী চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ছিল। শতকরা ৮৩ ভাগ প্রতিষ্ঠান লোকসানের মুখে পড়েছেন এবং ৩৩ ভাগ প্রতিষ্ঠান ঋণের কিস্তি শোধ করতে পারেনি। এজন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের পরিমাণ আরো বাড়ানো প্রয়োজন অথবা প্রণোদনা প্যাকেজ নতুন করে দেয়া না হলেও সহজ শর্তে তাদের জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা করা দরকার।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বিআইবিএম-এর সহযোগী অধ্যাপক মো. মোশাররফ হোসেন জানান, দেশের প্রায় ৮১ লাখ এসএমই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৮ লাখ বা ৭০ ভাগ শহর এলাকার বাইরে হলেও এসএমই ঋণের ৮১ ভাগই পান শহর এলাকার উদ্যোক্তারা। আর নারী-উদ্যোক্তারা পান মোট ঋণের মাত্র ৭ ভাগের মতো।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তি (ডিজিটাল ফাইনান্সিং এবং ফিনটেক) ও ক্লাস্টারভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রসারের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণের আওতায় আনার বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও সুপারিশ গ্রহণের লক্ষ্যে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে ইউনিসেফ বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ও কর্মকৌশল গ্রহণ করবে।

সেমিনারে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মো. জাকের হোসেন।


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




বিয়ের প্রশ্নে যে উত্তর দিলেন কিয়ারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বর্তমানে নতুন ছবি ‘যুগ যুগ জিও’ এর প্রচারাণায় ব্যস্ত বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান ও কিয়ারা আদভানি। প্রচারণার কাজে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় হাজির হয়েছিলেন এই জুটি। শত ব্যস্ততার মাঝেই গণমাধ্যমের মুখোমুখি কিয়ারা-বরুণ। এ সময় বিয়ের প্রশ্ন করতেই কৌশলী উত্তর দিলেন কিয়ারা। গণমাধ্যমের সঙ্গে কিয়ারা-বরুণের সাক্ষাতকারের কিছু অংশ তুলে ধরা হল:-

প্রশ্ন: মঞ্চে তো দারুণ গান গাইলেন। তাহলে কি এবার গায়িকা হিসেবেও পাওয়া যাবে?

কিয়ারা: আমি ভাবছি না। কিন্তু আমি নিশ্চিত বরুণ আমার জন্য এমন কিছু পরিকল্পনা করছে। বরুণ: হ্যাঁ, আমি পরিকল্পনা করছি। ও ভাল গান করে। তো এমন কিছু ভাবা যেতেই পারে।

প্রশ্ন: ‘ভুলভুলাইয়ার’ সময় বলেছিলেন কার্তিকের ভক্তদের আপনি চুরি করে নেবেন। বরুণের ক্ষেত্রেও কি তাই?

কিয়ারা: (কিছুটা হেসে) এ বাবা, এমনটা না। অন্যের ভ্ক্তদের নিয়ে নেওয়া কি এত সহজ! বরুণ: না না। ও আমার সব ভক্তদের নিজের করে নেবে। আমি নিশ্চিত।

প্রশ্ন: এখন সবাই বাস্তবধর্মী ছবির দিকে ঝুঁকছে। সেখানে ‘যুগ যুগ জিও’ কেন দেখবে দর্শক?

কিয়ারা: এই ছবিটাও ভীষণ বে বাস্তবধর্মী। পরিবার, সম্পর্ক, বিচ্ছেদের এমন গল্প এর আগে কেউ বলেনি। বিনোদনের মোড়কে এই ছবি খুবই বাস্তবধর্মী। বরুণ: আমি কিয়ারার সঙ্গে সহমত।

প্রশ্ন: বরুণ তো অনেক বিয়ের টিপস দিলেন আপনাকে। কিয়ারা তাহলে বিয়েটা কবে করছেন? বরুণ: এই তো, এটাই তো আসল প্রশ্ন। উত্তর দাও তোমার বিয়েটা কবে!

কিয়ারা: (একগাল হাসি) আমি আশা করছি এই জীবনে একবার বিয়েটা করেই ফেলব।


আরও খবর

শিশুদের সিনেমায় মিথিলা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২