Logo
শিরোনাম

পচছে আমদানি পেঁয়াজ

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

একদিকে দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে দেশি পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে, দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পচে যাচ্ছে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ। ৫০ কেজি পচা পেঁয়াজের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে। আবার ভালো মানেরটা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বলছে, প্রচণ্ড গরম এবং বিক্রি কম হওয়ায় পচে যাচ্ছে এসব পেঁয়াজ।

শনিবার (১৪ মে) সকালে হিলি বন্দরে পেঁয়াজের গুদাম ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজে ভর্তি রয়েছে এসব গুদাম। গরম আর ক্রেতা সংকটের কারণে এমন হচ্ছে। নারী শ্রমিকরা পেঁয়াজ বাছাইয়ের কাজ করছেন। ভালো মানেরগুলো আলাদা করছেন। আর পচা ও অল্প খারাপগুলো মেঝেতে ঢেলে শুকানো হচ্ছে।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পারমিট শেষ হয়ে যায়। রমজানের কারণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির পারমিট বৃদ্ধি করে দেয় ৫ মে পর্যন্ত। কিন্তু ১ মে থেকে ৫ মে পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকায়, পেঁয়াজ আমদানিতে ব্যর্থ হয় আমদানিকারকরা। তবে পারমিট বন্ধের কারণে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই বন্দরে। চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি।

হিলি বন্দরের রায়হান টেডার্সের ম্যানেজার আব্দুল মান্নান বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজগুলো ভারত থেকে আসছে। ওই দেশ থেকে আসতে প্রায় ৭ দিন সময় লাগে, এ ছাড়াও গরম। এতে পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমরা নষ্ট ৫০ কেজি পেঁয়াজের বস্তা ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বিক্রি করছি।

হিলি বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মনোয়ার চৌধুরী বলেন, বেচা-বিক্রি কম, গরমে পেঁয়াজ পচে যাচ্ছে, অনেক লোকসান গুনতে হবে। ৩ টাকা থেকে ৩০ টাকা দরে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছি। পচাগুলোর দাম আলাদা


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




১৫ দিনের শিশুকে বিক্রি করলেন মা !

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সদ্যোজাত সন্তানকে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি দিলেন এক মা! এ ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ভারতে অনেকেই সন্তান বড় করার খরচ সামলাতে পারেন না। আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় এর আগেও কোলের সন্তানকে অন্যের হাতে তুলে দিয়েছেন অনেকে। তবে এই ঘটনা যেন সব কিছুকে ছাপিয়ে গেছে। কেনাকাটার শখ ছিল মা-বাবার। সন্তানও তারা সে ভাবে চাইছিলেন না। তাই তড়িঘড়ি ১৫ দিনের সন্তানকে বিক্রি করে দেন সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়। সেই টাকা পকেটে নিয়ে চলে যান বাজারে! কিনে ফেলেন মোটরবাইক— আরও অনেক খুচরো বাড়ির জিনিস।

মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের বাসিন্দা ২৩ বছরের শাইনা বাঈ সপ্তাহ দুয়েক আগে জন্ম দিয়েছেন শিশুটির। মহিলার সঙ্গী সন্তানের কোনও দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। মহিলার সঙ্গী পেশায় দিনমজুর। ভাড়া বাড়িতেই বাস তাদের। বাড়ির মালিক প্রথম শিশু বিক্রির বিষয়টি খেয়াল করেন। বাড়িওয়ালার কথা অনুযায়ী, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকেই শাইনা ও তার সঙ্গীর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। শিশুর জন্মের পরে সেই অশান্তি আরও চরমে ওঠে। তার পরেই এই সন্তান বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি। ইনদওর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে নবজাতককে বিক্রি করে দেন তারা। এক সন্ধ্যায় শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে তারা বেরিয়েছিলেন। যখন তারা ফিরে এসেছিলেন তখন শিশুটি তাদের সঙ্গে ছিল না। পরিবর্তে মোটর সাইকেল, টিভি, ফ্রিজ এবং ওয়াশিং মেশিন নিয়ে ফিরেছিলেন তারা!

এ সব দেখে সন্দেহ দানা বাঁধে প্রতিবেশীদের মনে। তারাই খবর দেন থানায়। পুলিশ এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুলিশি জেরার মুখে ভেঙে পড়েন শাইনা। সন্তান বিক্রির টাকা দিয়েই এত সব জিনিস কিনেছেন বলে জানান শাইনা এবং তার সঙ্গী। সূত্র: আনন্দবাজার


আরও খবর



ইটনায় শুকনা খাবার নিয়ে বন্যায় প্লাবিত বাড়িতে ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

 মুজাহিদ সরকারঃ 

অবিরাম বর্ষন আর উজানের পানিতে কিশোরগঞ্জের হাওরের নিম্নাঞ্চল এলাকায় বন্যায় প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বন্যার পানি প্রবেশ করছে প্রায়ই চার থেকে পাঁচ হাজার ঘরে। তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, নলকূপগুলো তলিয়ে যাওয়ায় খাবার পানির সংকট এরিমধ্য দেখা দিয়েছে। 

কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলায় ৯ টি ইউনিয়নে প্রায় ৮০% গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে যাওয়া গ্রামের মানুষ আশ্রয় নিয়েছে পার্শ্ববর্তী গ্রামের উচ্চ স্থানে এবং স্থানীয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং প্রাইমারি বিদ্যালয়ে।

ইটনা উপজেলার ৩ নং মৃগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দারুল ইসলাম কে দেখা গিয়েছে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং তাদের জন্য নিজ অর্থায়নে শুকনা খাবার বিতরণ করছেন। 

আজ ২০ জুন রোজ সোমবার লাইমপাশা পূর্ব গ্রাম থেকে আনন্দবাজার পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের মধ্যে তিনি খাবার বিতরণ করেন। তখন উপস্থিত ছিলেন ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী হোসেন এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী হোসেন, আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

মৃগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দারুল ইসলাম জানান, তিনি গত তিনদিন ধরে নিজ অর্থায়নে নৌকা করে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুকনা খাবার বিতরণ করছেন এবং তাদেরকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি আরও জানান, এই পর্যন্ত ৭০০ থেকে ৯০০ পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করতে পেরেছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে সবাইকে সাহায্য করতে পারবেন।


আরও খবর



ইয়াবাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image
ইয়াবা পাচারকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী হতে

র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন ধলপুর এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে অভিনব কায়দায় পেটের ভেতরে করে ইয়াবা পাচারকালে আনুমানিক ৯,০০,০০০টাকা মূল্যের ১৮০০  পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম ১। আঃ মালেক (৩০) ও ২। সুমি আক্তার (২৫) বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে ০২টি মোবাইল ফোন ও মাদক বিক্রিত নগদ- ২,৪০০/- (দুই হাজার চারশত) টাকা জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে এই অভিনব কায়দায় যাত্রাবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল বলে জানা যায়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক মামলা রুজুর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



কনটেইনারে বিস্ফোরণ : ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মীসহ নিহত ৩৮

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনারে ভয়াবহ আগুনে ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মীসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জন হয়েছে। রবিবার (৫ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন। বিস্ফোরণে সাড়ে চার শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ২৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কেমিক্যাল কন্টেইনার থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা।

শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কাশেম জুট মিল এলাকায় অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সরেজমিন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের আট কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া সংস্থাটির ৩০ কর্মী, ১০ পুলিশ সদস্যসহ সাড়ে চার শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। এদিকে দুই ফায়ার কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। অনেক লোক তাদের স্বজনদের খুঁজে বিভিন্ন হাসপাতালসহ দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে বেড়াচ্ছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণে কন্টেইনার ডিপোর আশপাশের পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার এলাকায় ব্যাপক কম্পনের সৃষ্টি হয়। মসজিদ ও আশপাশের শতাধিক ঘরবাড়ির জানালার কাচ ভেঙে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।


আরও খবর



চা বাগানে ঘেরা হ্রদের শহর মিরিক

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

দার্জিলিং জেলার পাহাড়ে অবস্থিত একটি অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য শোভিত স্থান মিরিক। মিরিক শব্দটি এসেছে লেপচা শব্দ 'মির-ইয়ক' থেকে। এর অর্থ 'আগুনে পুড়ে যাওয়া স্থান' মিরিক শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশ হল ২৬.° উত্তর ৮৮.১৭° পূর্ব। সমূদ্র সমতল থেকে মিরিকের গড় উচ্চতা ১৪৯৫ মিটার (৪৯০৫ ফুট) এখানকার উচ্চতম স্থান বোকার গোম্ফার উচ্চতা প্রায় ১৭৬৮ মিটার (৫৮০১ ফুট) নিম্নতম স্থান মিরিক লেক ১৪৯৪ মিটার (৪৯০২ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত।

কলকাতা থেকে ট্রেন, বাসে পৌঁছতে হবে শিলিগুড়ি। বিমানে বাগডোগরা পৌঁছতে বেশি সময় লাগে না। শিলিগুড়ি থেকে ৫২ এবং বাগডোগরা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরত্ব অবস্থিত মিরিকে পৌঁছনো যায় সড়ক পথে। সঙ্গী হয় বাস কিংবা প্রাইভেট বা ভাড়া করা গাড়ি। পথিমধ্যে পার্বত্য শোভা পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

মনোরম আবহাওয়া, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সুগম হওয়ার কারণে মিরিক একটি পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এখানকার মূল আকর্ষণ সুমেন্দু হ্রদ। হ্রদের একদিকে বাগান, অন্য দিকে পাইন গাছের সারি।

কয়েক বছর আগে পর্যটকরা কেবল দার্জিলিং যাওয়ার পথেই ঢুঁ মারতেন হ্রদের শহর মিরিকে। মায়াবী প্রকৃতি, সুমেন্দু হ্রদে নৌকোবিহার, সুস্বাদু খাবারদাবার সবই উপভোগ করার মতো। কিন্তু রাতে থাকতেন না। এখন অবশ্য পরিস্থিতি বদলেছে।

চারদিকে ঘিরে আছে বিখ্যাত সব চা বাগান সৌরিনী, থুর্বো, গোপালধারা, ফুগুরি। মনের প্রশান্তি চাইলে কিছুক্ষণ বসতে পারেন তিব্বতি বৌদ্ধ মঠ বোকার গুম্ফায়। পাইনের ঘন অরণ্যে গেলে ইচ্ছে করবে রহস্যময়ী প্রকৃতির মধ্যে হারিয়ে যেতে। রামিতে দারা ভিউ পয়েন্ট থেকে চোখে পড়বে রাজকীয় কাঞ্চনজঙ্ঘা। আরও বেশ কিছু ভিউ পয়েন্ট রয়েছে, যেগুলো থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের অপরূপ শোভা চাক্ষুষ করতে পারবেন।

তবে প্রধান আকর্ষণ সুমেন্দু হ্রদ। তাকে ঘিরে সাবিত্রী পুষ্পোদ্যান নামের বাগান। নেতাজি সুভাষচন্দ্রের আজাদ হিন্দ ফৌজে অংশ নিয়ে যুদ্ধে শহিদ হন সাবিত্রী থাপা।তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই নাম রাখা হয়েছে। হ্রদের দুধারে পাইন গাছের জঙ্গল। ইন্দ্রেনি পুল নামের একটি বাঁকানো সেতু দিয়ে জুড়ে আছে দুই পাড়। আজাদ হিন্দ ফৌজের আরেক শহিদ ইন্দ্রেনি থাপার স্মরণে এই সেতু। প্রায় সাড়ে কিলোমিটার লম্বা রাস্তা ঘিরে আছে হ্রদকে। একা বা কোনও সঙ্গীকে নিয়ে হাঁটলে বেশ মজা পাবেন। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দিগন্তে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়।

মিরিকে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ শুরু হয় ১৯৬৯ সালে। থুর্বো চা বাগান থেকে ৩৩৫ একর জমি কিনে নেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তর। কয়েক বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন উপলব্ধি করতে পারে, বিশ্বমানের ট্যুরিস্ট স্পট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মিরিকে। পর্যটকদের কাছে ছোট্ট এই শহরকে আরও লোভনীয় করে তোলার কাজ চলছে।

 


আরও খবর

কুয়াকাটা সৈকতে হয়রানি

বৃহস্পতিবার ০২ জুন 2০২2