Logo
শিরোনাম

পেঁয়াজের বাজারে আগুন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের বাজারে আগুন লেগেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের মূল্য বেড়েছে ১০-১২ টাকা। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে কিছু ডিলার ও চাষিরা পেঁয়াজ মজুদ রাখার কারণেও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান।

অন্যদিকে, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা বলছেন, দাম বেশি নেয়া হলে বাজার মনিটরিং করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নওগাঁ শহরের পৌর কাঁচা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা কেজি দরে। গত ৭দিন আগেও খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ২৮-৩০টাকা। বর্তমানে কেজি প্রতি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০-১২ টাকা। এদিকে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন চরম বিপাকে।

বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা শহরের ডাক্তারপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ওবাইদুর রহমান বলেন, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ সব কিছুরই তো দাম বেড়েছে। অনেক নিত্যপন্যের দাম বেড়েই চলেছে লাগামহীনভাবে। এবার আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। আমরা যারা মধ্যেবিত্ত পরিবারের মানুষ তাদের কতটা যে কষ্ট হয়, তা বোঝার মত মনে হয় কেউ নেই।

পেঁয়াজ কিনতে আসা সুলতানপুর মহল্লার গৃহিণী কামিনী সাহার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, মাত্র ১ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে দাম বেড়েছে ১০-১২ টাকা করে। এটা কোনো যুক্তি হলো। প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। বাজার কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে নেই। যে পেঁয়াজের দাম প্রতিকেজি ছিল ২৮-৩০ টাকা পেঁয়াজ বর্তমানে কিনতে হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা কেজিতে। বাজারের এ এক অস্থির অবস্থা।

খুচরা বিক্রেতা বাবলু হোসেন বলেন, গত ৭দিন আগেও আমরা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করেছি ২৮টাকা কেজিতে।

তখন আর পেঁয়াজ পাইকারি কিনেছিলাম ২৫টাকা কেজি দরে। বর্তমানে ৪২ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বেশি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। ফলে দাম বেড়েছে।

শহরের তাজের মোড়ে খুচরা কাঁচা বাজারের বিক্রেতা ফিরোজ হোসেন বলেন, ৭ দিন আগে পাইকারি প্রতিমণ পেঁয়াজের দাম ছিল ১ হাজার ২০ টাকা। বর্তমানে ১৪০০ টাকা প্রতিমণ হিসেবে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। সে হিসেবে আমরা প্রতি কেজি পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি করছি ৪০ থেকে ৪২ টাকা কেজিতে।

পৌর পাইকারি পেঁয়াজ বাজারের ব্যবসায়ী মিলন হোসেন বলেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। বর্তমানে আমরা প্রতিমন পেঁয়াজ বিক্রি করছি ১৪০০মন দরে। এক সপ্তাহ আগেও ১হাজার ২০টাকা দরে প্রতি মন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছি।

সুকুমার রায় নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকার কারনে দাম কিছুটা বেড়েছে পাইকারি হিসেবে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৮থেকে ৩০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে আর খুচরা ৪০ থেকে ৪২টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আমরা নাটোরের নলডাঙ্গাসহ বেশ কিছু স্থান থেকে পেঁয়াজ কিনে এনে বিক্রি অনেক আমরা যেসব ডিলারদের কাছে থেকে কিনে এনে বিক্রি করে থাকি। দেশের অনেক ডিলার ও চাষিদের কাছে পেঁয়াজ আছে যা মজুদ করে রাখা হয়েছে। সেগুলো পেঁয়াজ বাজারে আসলে দাম কমতে পারে।

জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, যদি পাইকারি ব্যবসায়ীর ২৮-৩০ টাকা ধরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করে থাকেন। তাহলে খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজিতে ৫ টাকা করে বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন, কিন্তু প্রতি কেজিতে ১০-১২ টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন না। যেহেতু বিষয়টি আপনি অবগত করলেন আমরা পাইকারি ও খুচরা বাজার মনিটরিং করবো।


আরও খবর



মটরসাইকেলের দখলে শিমুলিয়া ঘাট

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১০৫জন দেখেছেন
Image

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে সাহরির পর থেকে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় পড়েছে। শনিবার (৩০ এপ্রিল) শিমুলিয়া ঘাটে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

সকাল ১০টার দিকে শিমুলিয়া ঘাট থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে একের পর এক ফেরি ছেড়ে যাচ্ছে। তারপরও ১ নং ঘাটের কাছে মোটরসাইকেলের লম্বা সারি রয়েছে।

ঘাট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সাহরির পর থেকেই মোটরসাইকেল নিয়ে যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে এসে ভিড় করে। এ ছাড়া লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটে মানুষ গাদাগাদি করে লঞ্চ ও স্পিডবোটে উঠছে। তারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে লঞ্চ স্পিডবোটে পদ্মা পার হচ্ছে।

যশোরগামী যাত্রী মো. মামুন জানান, দুই ঘণ্টা হয় মোটরসাইকেল নিয়ে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছি। আমি ঢাকায় একটা ব্যবসা করি। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে করতে গ্রামে যাচ্ছি।

লঞ্চঘাটে যাত্রী সুফিয়া জানান, ঘাটে এসেছি আধঘণ্টা হয়েছে। গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে লঞ্চের দিকে এগোচ্ছি। জানি না কখন পৌঁছাব।

তবে শিমুলিয়া ২ ও ৩ নং ফেরিঘাট দিয়ে ছোট গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। ওই সব ঘাটে মানুষের তেমন কোনো ভিড় নেই বললেই চলে। তবে ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় এখনো ৫ শতাধিক গাড়ি রয়েছে।

বিআইডব্লিটিএ কর্মকর্তা মো. সোলাইমান বলেন, সকাল থেকেই এ ঘাট থেকে ৮৫টি লঞ্চ এবং ১৫৫টি স্পিডবোট চলছে। ঘাটে প্রচণ্ড যাত্রী চাপ রয়েছে।

মাওয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ আমিনুর রহমান বলেন, সকালে ঘাটে প্রচণ্ড যাত্রীর চাপ ছিল। এখন কিছুটা কমেছে। সকাল থেকে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল পার হয়েছে।

শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ বলেন, সকালে লঞ্চ চালু হওয়ার আগে কিছুটা মানুষের চাপ ছিল। পরে সেটা এখন আর তেমন নেই। তবে ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক ছোট যানবাহন রয়েছে। শিমুলিয়া ঘাট হতে ১০টি ফেরি চলাচল করছে।


আরও খবর



মি’রাজের পথে নবীজির (সা.) বাহন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৯৩জন দেখেছেন
Image

‘বুরাক’ এমন একটি প্রাণী যার ওপর রাসূলুল্লাহ (সা.) মি’রাজ রজনীতে আরোহণ করেছিলেন। আরবি ‘বুরাক’ শব্দটি ‘বারক’ শব্দ হতে উদ্ভূত। যার অর্থ বিদ্যুৎ, বিজলি। সে বিদ্যুৎ মেঘের মাঝে পরিদৃষ্ট হয়। যেমন পুলসিরাত অতিক্রমকারীদের ব্যাপারে হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, তারা বিদ্যুতের গতির ন্যায় পুলসিরাত অতিক্রম করবেন। আবার কেউ দ্রুতগামী বাহনের ন্যায় পার হবেন। আবার কেউ দ্রুতগামী ঘোড়ার মতো পার হয়ে যাবেন। আল-কোরআনে ‘বারক’ শব্দটি পাঁচবার এসেছে।

(ক) সূরা বাকারাহ-এর ১৯ ও ২০ নং আয়াতে, (খ) সূরা রায়াদ-এর ১২ নং আয়াতে, (গ) সূরা রূম-এর ২৪ নং আয়াতে, (ঘ) সূরা নূর-এর ৪৩ নং আয়াতে। সুবহানাল্লাহ! বোরাকে আরোহনণকারী মোহাম্মাদ মোস্তাফা আহমাদ মুজতাবা (সা.)-এর সত্তাবাচক নাম ‘মোহাম্মদ’-এ পাঁচটি বর্ণই রয়েছে। এ নাম মোবারকের মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রেখেই হয়ত আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত ‘বারক; শব্দটি আল কোরআনে পাঁচ বার উল্লেখ করেছেন। এরই প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করে সূরা ইনশিরাহে স্পষ্টতঃ ঘোষণা করা হয়েছে : ‘আমি আপনার যিকিরকে সমুন্নত মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছি’।

বোরাকের আকার-আকৃতি ও গতি প্রকৃতি সম্পর্কে বিজ্ঞ পন্ডিতগণের মধ্যে মতপার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। আসলে ইহা কী? বিশুদ্ধ ও সর্বজন গ্রাহ্য মতানুসারে বলা হয়েছে যে, ‘বুরাক’ হলো একটি প্রাণী যা আকারে খচ্চর হতে ছোট। গাধা হতে বড়। শ্বেত রঙের প্রাণী। ইহা এতই দ্রুতগামী যে, তার কদম সেখানেই পড়ে যেখানে তার দৃষ্টি পতিত হয়। একারণে প্রসদ্ধি লাভ করেছে যে, ‘বুরাক আকাশ হতে যমীন পর্যন্ত যে দূরত্ব তা’ মাত্র এক কদমেই অতিক্রম করতে পারে। সুতরাং মী’রাজের প্রাক্কালে বুরাক সাত কদমে সাত আসমান অতিক্রম করেছিল।
কোনো কোনো আলেম ব্যক্তিত্ব বলেন, বুরাক কোনো প্রাণী নয়। প্রথমে তা ছিল অস্তিত্বহীন। শুধুমাত্র মী’রাজ রজনীতেই তা’ অস্তিত্বে আনয়ন করা হয়েছিল। যাতে করে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মর্যাদাকে বুলন্দ হতে বুলন্দতর করা যায়। ইমাম সুহায়লী (রহ:) বলেন, পিয়ারা নবী মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন বুরাকে আরোহণ করছিলেন, তখন বুরাক লজ্জায় নড়াচড়া করছিল। তখন জিব্রাঈল (আ.) বুরাককে ডাক দিয়ে বলেছিলেন : ‘হে বুরাক! তুমি এমনভাবে লজ্জাবোধ করছ কেন? আল্লাহ জাল্লা শানুহুর নিকট মুহাম্মাদ মোস্তাফা আহমাদ মুজতাবা (সা.)-এর চাইতে অধিক কোনো মর্যাদাশীল ব্যক্তি আছেন কী? যিনি তোমার ওপর আরোহণ করবেন? এতে ‘বুরাক’ শান্ত ও আজ্ঞাবহ হয়ে গেল।

তবে, বুরাকের সাদৃশ্য বুঝাতে গিয়ে বলা হয়েছে যে, বুরাক হলো এমন প্রাণী যা খচ্চর হতে ছোট, গাধা হতে বড়। এতে স্পষ্টতঃই বুঝা যায় যে, বুরাক খচ্চরও না, গাধাও না। বরং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী আকারের একটি প্রাণী যা মীরাজের ঘটনার সাথেই সংশ্লিষ্ট। অন্য কোনো নবী ও রাসূলের সাথে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা কল্পনা করা বাতুলতা মাত্র। কারণ, অন্যান্য নবী ও রাসূলগণের জীবনে মীরাজের মতো ঘটনার অবতারণা ঘটেছিল বলে জানা যায় না।

হাদীস শরীফে উক্ত হয়েছে যে, পিয়ারা নবী মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.) মী’রাজের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন : ‘উরিজাবী’ অর্থাৎ আমাকে ঊর্ধ্বমন্ডলে উপনীত করা হলো। লক্ষ করলে দেখা যায় যে, মীরাজ ঘটনাটির এই বিবরণেও পাঁচটি বর্ণই স্থান পেয়েছে। আর এ জন্যই মীরাজের ঘটনাটির আদ্যোপান্ত পাঁচটি স্তরেই আল কোরআন ও আহাদিসে সহীহায় বিবৃত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আরবি মী’রাজ শব্দেও পাঁচটি বর্ণের সমাহার লক্ষ্য করা যায়। আর এই মীরাজ রজনীতেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়েছিল। যা অন্য কোনো নবী ও রাসূলের আমলে ফরজ করা হয়নি। এতে অতি সহজেই অনুভব করা যায় যে, মীরাজ সংঘটনের জন্য যে বুরাকের প্রয়োজন ছিল, তাকে প্রকৃতই ‘বুরাক’ বলে মেনে নেয়া সকল বুদ্ধিমানেরই উচিত।


আরও খবর

গৌতম বুদ্ধের জন্মদিন আজ

রবিবার ১৫ মে ২০২২

হজের নিবন্ধন শুরু সোমবার

শুক্রবার ১৩ মে ২০২২




বিএনপি শুধু ভোটের সময় মুসলমান : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১১৪জন দেখেছেন
Image

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি ভোটের সময় কড়া মুসলমান হয়ে যায়, ভোট চলে গেলে ইসলামের জন্য, আলেম-ওলামাদের জন্য কাজের কথা ভুলে যায়।’

এরশাদ সাহেব ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করেছেন, বেগম খালেদা জিয়া আলেম-ওলামাদের মাথায় হাত বুলিয়ে ভোট নিয়েছেন, কিন্তু ইসলামের খেদমতে তারা কাজ করেননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু ভোটের সময় যারা কড়া মুসলমান হয়, তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

মন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির ইফতার ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা মো: ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো: ফরিদুল হক খান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

গত সাড়ে তেরো বছর আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনার আগে অনেক সরকার এসেছে, কিন্তু ইসলামের খেদমতে অন্য কেউ এতো কাজ করেনি উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি ছিল শতবর্ষ পুরনো। বিএনপি জামাতকে নিয়ে, এরশাদ সাহেব মাওলানা মান্নানকে নিয়ে ক্ষমতায় ছিলেন। ভোটের সময় তারা ইসলামের কথা খুব বক্তৃতা করেছেন, কিন্তু কেউ সেই দাবি পূরণ করেনি। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাই ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন।

একইভাবে কওমি মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেয়া হবে এটি কেউ কল্পনা করতে পারেননি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং স্বীকৃতি দিলেও চাকুরি হবে না এমন মন্তব্যকারীদের বিস্মিত করে শুধু চাকুরিই নয়, সরকারি চাকুরি দিয়েছেন', উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

দেশে প্রায় এক লাখ মসজিদ ভিত্তিক মক্তব প্রতিষ্ঠা, মক্তবের শিক্ষককে মাসে পাঁচ হাজার দুইশত টাকা ভাতা দেয়া, পাশাপাশি বিশ হাজার দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে বারো হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা দেয়া শেখ হাসিনা নিজ উদ্যোগে চালু করেছেন, জানান তিনি।

সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, 'বহু ইসলামী রাষ্ট্র আছে, কিন্তু একমাত্র বাংলাদেশেই বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে সারাদেশে একসাথে প্রতি জেলা ও উপজেলায় ছয়শ' মসজিদ নির্মিত হচ্ছে। এ মসজিদগুলো বাইরে থেকে দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়, ভেতরে ঢুকলে মন জুড়িয়ে যায়। ঢাকার বায়তুল মুকাররম মসজিদে কোনো গম্বুজ ছিলো না। জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবার ক্ষমতায় এসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এবং মাঝখানে বিএনপি ও তত্ত্বাবধায়ক কোনো সরকারই এই কাজ সমাপ্ত করতে পারে নি, আবার ক্ষমতায় এসে পরম করুণাময়ের ইচ্ছায় শেখ হাসিনাই এটি সমাপ্ত করলেন।'

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো: ফরিদুল হক খান বলেন, দুনিয়াতে হিসাব নিকাশ করে জীবন পরিচালনার মধ্যেই পরলোকের জীবনের শান্তি নিহিত।

সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো: সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মো: মামুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদ সদস্য ড. মুফতি মাওলানা কাফিল উদ্দিন সরকার সালেহী, ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির মহাসচিব শাইখুল হাদিস মাওলানা মুফতি শাহাদাত হোসাইন প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর



সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদ সোমবার

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ১০৪জন দেখেছেন
Image

সদরুল আইনঃ

 সৌদি আরবে শনিবার (৩০ এপ্রিল) পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।

 এ কারনে দেশটিতে পবিত্র রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। ফলে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমুহে  ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে আগামী সোমবার (২ মে)।

 শনিবার (৩০ এপ্রিল) সৌদি আরবের ‘চাঁদ দেখা কমিটি’-এর পূর্বনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগেই দেশটির নাগরিকরা কোথাও ঈদের চাঁদ দেখতে পেলে সেই তথ্য কমিটিকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছিল।

তবে শনিবার সৌদি আরবের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে রবিবার ৩০ রোজা পূরণ করে আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

 ওইদিন সৌদির সঙ্গে মিল রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ঈদ উদযাপিত হবে।

অবশ্য আবুধাবির ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সেন্টার (আইএসি) আগেই জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শনিবার (৩০ এপ্রিল) পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখতে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সৌদির আগে ঈদের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুর। এই দুটি দেশেও আগামী সোমবার (২ মে) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে একটি বিবৃতিতে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটিতে রমজানের মাসের শেষ দিন হবে আগামী রোববার (১ মে) এবং শাওয়াল মাসের প্রথম দিন, অর্থাৎ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী সোমবার (২ মে)।

এছাড়া, এশিয়ার মধ্যে সবার আগে ঈদুল ফিতরের দিন ঘোষণা করেছে সিঙ্গাপুর। দেশটির মজলিস উগামা ইসলাম বা ইসলামী ধর্মীয় পরিষদ (এমইউআইএস) জানিয়েছে, তারা আগামী সোমবার ঈদ উদযাপন করবে।

ইউরোপের দেশ ফ্রান্সেও সোমবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র রমজান বা শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলো কি না তা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের আগ্রহের অন্ত নেই। মাস দুটোর শুরু চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হলেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সাধারণত যেদিন রোজা শুরু বা শেষ হয়, বাংলাদেশে হয় তার পরের দিন।

 ফলে শনিবার ওইসব দেশে চাঁদ দেখা গেলো কি না তা জানতে অধীর হয়ে ছিলেন বহু মানুষ।

সৌদি আরবে এ বছর রোজা পালন শুরু হয়েছিল গত ২ এপ্রিল। আর তার পরের দিন, অর্থাৎ ৩ এপ্রিল থেকে রোজা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ এশিয়ার বেশিরভাগ দেশে। 

এসব দেশে ২৯ রোজা হলে সোমবার (২ মে) এবং ৩০ রোজা হলে মঙ্গলবার (৩ মে) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।


আরও খবর



পাংশা উপজেলায় মুজিব বর্ষে ঘর পেল ১শ টি ভূমিহীন পরিবার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধিঃ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ৩য় পর্যায়ে ভূমি হীন ও গৃহহীন ৩২ হাজান ৯ শত ৪টি পরিবারের মধ্যে ঘর ও জমি হস্তার করেছেন ।

প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফরেন্স এর মাধ্যমে গণভবন থেকে ২৬ এপ্রিল ঘর ও জমি হস্তার কার্যক্রমের শুভ উদ্ভোধন করেন।  এর মধ্যে পাংশা উপজেলায় ১০০ পরিবার কে জমি ও গৃহ প্রদান কার্য়ক্রম সম্পূর্ণ করেছে পাংশা উপজেলা প্রশাসন। 

পাংশা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন এমপি, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আবু কাউসার খান, পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ,পাংশা পৌর মেয়র ওয়াজেদ আলী, ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বিশ্বাস, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা নুজহাত তাসনীন অওন, পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান,উপজেলা সহকারী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হেকমত আলী, ইউপি চেয়ারম্যান গণ , ইউপি সচিব গণ সাংবাদিক ও সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্য গণ।

উল্লেখ্য পাংশা উপজেলার সরিষা ইউপিতে ৬৮ টি, কসবামাজাইল ইউপিতে ২০ টি, মৌরাট ইউপিতে ৯ টি ও হাবাসপুর ইউপিতে ৩ টি , মোট ১০০ টি ঘর নির্মান করা হয়েছে নির্দেশনা মোতাবেক। ঘরের পাশাপাশি উপকার ভোগীদের ২ শতাংশ জমি বরাদ্ধা দেওয়া হয়েছে। আজ থেকে সুবিধাভোগী পরিবার বসবাস করতে পারবে। ঈদের আগে বাড়ি ও জমি পেয়ে খুশি পরিবার গুলো। 


আরও খবর