Logo
শিরোনাম

পি কে হালদারের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক তথ্য পেলে ব্যবস্থা

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুখ্যাত অর্থপাচারকারী পিকে হালদার পশ্চিমবঙ্গে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পি কে হালদার বাংলাদেশের ওয়ান্টেড ব্যক্তিত্ব। আমরা ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে অনেকদিন ধরেই চাচ্ছি। সে অ্যারেস্ট হয়েছে। আমাদের কাছে এখনও অফিশিয়ালি দেশে আসেনি। আমাদের যা কাজ তা আইনগতভাবে আমরা করব।

জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: ইতিহাসের পুনর্নির্মাণ শীর্ষক’ এক সেমিনারে তিনি একথা বলেন। ‘বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন এই সেমিনারের আয়োজন করে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজকের আধুনিক বাংলাদেশ করে দিয়েছেন। আজ যেখানেই যাই সেখানেই আমাদের প্রথমে জিজ্ঞাসা করে তোমাদের প্রধানমন্ত্রীর কৌশলটা কী? কীভাবে তিনি পরিবর্তনটা আনলেন। আমাদের কাছে শুধু একটি কথাই বলার- তিনি দেশকে ভালোবাসেন, জনগনকে ভালোবাসেন। তিনি একজন দূরদর্শী নেতা।

বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা আজ জীবিত বলেই বাংলাদেশকে এই পর্যায়ে দেখতে পাচ্ছি’ মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কথা যখন আসে অনেক কথাই বলতে ইচ্ছে করে। কারণ যেগুলো আমি ব্যক্তিগতভাবে দেখেছি, যেগুলো তার সাথে থেকে আমি জেনেছি। তার যে কঠোর পরিশ্রম তার যে দূরদর্শিতা; এটা কারও সঙ্গে তুলনা হয় না।

বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারটি আয়োজিত হয়।


আরও খবর



ঈদের আগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :   দেশজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে পিছিয়ে গেল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের বিশ্বস্ত সূত্র থেকে পাওয়া এক খবরে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। সূত্রটি বলছে, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী সাত থেকে দশ দিন পর পুনরায় এসএসসির নতুন রুটিন প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, ঈদের আগে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের সুযোগ যে একেবারে নেই তা বলবো না। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে বন্যা পরিস্থিতির ওপর। আমরা আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আর পরিস্থিতি ভাল হলেই পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন শিক্ষার্থীর অংশ নেবে। সাধারণ নয়টি বোর্ডের অধীনে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর বাইরে দাখিলে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দীর্ঘ আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে তারা নাইন-টেনের ক্লাস করছেন। এতদিনে তাদের কলেজে ক্লাস করার কথা।

এ বিষয়ে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, আসলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের উপর কারও হাত নেই। তবে প্রথমদিকে করোনা ও পরবর্তীতে বন্যার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের নিয়মিত সময় ছিল ফেব্রুয়ারি-মার্চে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের। ওই সময় দেশে বৃষ্টিপাত বা বন্যার সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু করোনা মহামারি আমাদের শিক্ষা ক্যালেন্ডার তছনছ করে দিয়েছে। আমরা আবার আগের সূচিতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করবো।

এদিকে এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, বন্যা কবলিত এলাকা ছাড়া অন্য সব এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক নিয়মে পাঠদান চালু থাকবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ক্লাস কার্যক্রম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তবে তা পূণরায় চালু করতে হবে।

এর আগে শুক্রবার দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আগামীর ১৯ জুন থেকে শুরু হওয়া সকল শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি জেনারেল, এসএসসি ভোকেশনাল এবং দাখিল পরীক্ষা স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি পরে জানানো হবে বলেও জানিয়েছে।

জানা যায়, এ বছর এসএসসিতে তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে না শিক্ষার্থীদের। এসএসসিতে বিভাগভেদে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, কৃষিশিক্ষা, সংগীত, আরবি, সংস্কৃত, পালি, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া, চারু ও কারুকলা, পদার্থবিজ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, রসায়ন, পৌরনীতি ও নাগরিকতা, ব্যবসায় উদ্যোগ, ভূগোল ও পরিবেশ, উচ্চতর গণিত, হিসাববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, অর্থনীতি বিষয়ে পরীক্ষা হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি পদ্মা সেতু উদ্বোধনের কারণে ২৫ জুন এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ইংরেজী দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা আগের দিন অর্থাৎ ২৪ জুন নেয়ার ঘোষণা দেন। তিনি, এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ১৫ জুন থেকে সারাদেশের কোচিং সেন্টার তিন সপ্তাহ বন্ধের নির্দেশ দেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী অঞ্জনার সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ পৃথিবীর আলো দেখার সুযোগ হয়নি অঞ্জনা রানীর। জন্মের পর থেকেই সে অন্ধ। তবুও জীবন-যুদ্ধে থেমে থাকেননি তিনি। অঞ্জনার সামনে কোনো সংকটই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। জন্মান্ধ হয়েও জীবন-সংগ্রামে দমে যাননি এই নারী। দৃষ্টিহীনতা আর দারিদ্রের সাথে একাই লড়াই করে ইতিহাস বিভাগ থেকে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এরপরও কোনো চাকরি না পেয়ে গান গেয়ে ও টিউশনি করে সংসার চালান অঞ্জনা।

মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এসময় তার সঙ্গে তার পরিবারের লোকজনও উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার অভাব-অনটন আর নানা সংকটের মাঝে নিজের উদ্যম আর ইচ্ছা শক্তি দিয়ে লেখাপড়া শেষ করার কথা জানান। নানা-প্রতিবন্ধকতার পরও লেখাপড়ায় সফল হয়ে সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান। প্রবল ইচ্ছা শক্তি থাকলে মানুষ পৃথিবীকে জয় করতে পারে। সেটিই করে দেখিয়েছেন অঞ্জনা রানী।

অঞ্জনা রানী অদ্যম মনোবল নিয়ে এখন চালিয়ে যাচ্ছেন জীবন যুদ্ধ। শুধু তাই নয়,বর্তমানে তিনি চাকরির পড়াশোনা, সংসারের কাজ, টিউশনি, গানের অনুষ্ঠানসহ নানান কাজে সময় পার করছেন। অঞ্জনা রানীর জন্ম ১৯৮৮ সালের ১ জানুয়ারি। তিনি কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র আমলাপাড়া এলাকার বিবি নন্দি রোডের পুরাতন আনসার অফিসের সরকারি জায়গায় বসবাস করেন। হতদরিদ্র ফুটপাতে চা বিক্রেতার পরিবারে তার জন্ম। পরিবারে তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে অঞ্জনা সবার বড়। তার স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া শেষ করে সরকারি চাকুরিজীবী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে দেশ ও দেশের মানুষকে সেবা করা। কিন্তু মাস্টার্স পাস করেও প্রতিবন্ধী হওয়ায় সরকারি চাকরি জোটেনি অদম্য মেধাবী অঞ্জনা রানীর কপালে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চাকরি চান। একই সাথে শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতের সুযোগ চান অঞ্জনা।

২০০৬ সালে কুষ্টিয়া হাই স্কুল থেকে এসএসসিতে ভাল ফলাফল করে ভর্তি হন ইসলামিয়া কলেজে। সেখান থেকে ২০০৮ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ইতিহাস বিভাগে ২০১৩ সালে অনার্স ও ২০১৪ সালে মাস্টার্স পাস করে সবাইকে চমকে দেন তিনি।

অঞ্জনা রানী সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, অভাব আর দৃষ্টিহীনতার মাঝে অনেক দুঃখ-কষ্টে বেড়ে উঠতে হয়েছে জীবন যুদ্ধ করে। প্রতিনিয়ত পদে পদে সংকট আর সমস্যায় পড়তে হয়েছে। কিন্তু আমি কোনোদিন থেমে যায়নি। মনোবল নিয়ে বাস্তবতার সাথে জীবনের যুদ্ধে সফলতা ছিনিয়ে আনার চেষ্টা করেছি, এখনও করছি। জীবনে প্রচুর পরিশ্রম করেছি। বাবা-মায়ের সহযোগিতা ও আমার নিরলস কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এতো দূর পৌঁছেছি। আমার মেধা আছে, তবুও চাকরি হচ্ছেনা। প্রতিবন্ধী হওয়ায় মাস্টার্স পাশ করেও চাকরি পাচ্ছি না। এখন একটা সরকারি চাকরি চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। আমি তার সাথে সাক্ষাতের সুযোগ চাই। তাকে জীবন যুদ্ধের গল্প শুনিয়ে একটি সরকারি চাকরি ভিক্ষা চাইবো। চাকরি পেলে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পাশাপাশি পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।


আরও খবর



সীতাকুণ্ডে যানজটে অতিষ্ট এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

যানজট থেকে রক্ষা পেতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের সীতাকুণ্ডে কুমিরা ও সোনাইছড়ির আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসীর।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের সীতাকুণ্ড অংশের বিভিন্নস্থানে সড়কের পাশে গড়ে উঠা একাধিক কন্টেইনার ডিপোর কারণে প্রায় প্রতিদিন তীব্র যানজটে অস্থির হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ ও মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করা হাজারো দূর-দূরান্তের যাত্রীরা

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত মানববন্ধন এর মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন সংগঠন।

এসময় বক্তব্য দেন-সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল বাকের ভুঁইয়া, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আ.ম.ম দিলসাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন, আ’লীগ নেতা আব্দুল মতিন, হারুন অর রশিদ, খায়রুল আজম জসিম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ জিলান, মো. ইউছুফসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী যানজট নিরসনে ৬টি প্রস্তাবনা সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সীতাকুণ্ড মডেল থানা, বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা ও প্রেস ক্লাব বরাবরে।


আরও খবর



মির্জাগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ

প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

 কামরুজ্জামান বাঁধন,মির্জাগঞ্জ,

পটুয়াখালীঃ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিকেলে উপজেলা সদরস্থ সুবিদখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের ত্রান ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌসের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন মৃধা, সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন জুয়েল ব্যাপারী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন সবুজ মৃধা, সুবিদখালী সরকারি রহমান ইসহাক পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল জলিল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রিয়াজুল হক,সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. জিন্নাত জাহান,মো. নিজাম উদ্দিন, মোসাঃ মরিয়ম বেগম, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মির্জাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি কে. এম.আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি মির্জাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন, সাধারন সম্পাদক মো. শাহ আলম, প্রধান শিক্ষক মো. মোসলে উদ্দিন মিন্টু, মো. আবদুল সালাম সিকদার, মো. ফরিদ উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও  বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় পূর্ব ঘটকের আন্দুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছৈলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৪-৩ গোলে হারিয়ে জয়লাভ করে এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় টুর্নামেন্টে সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পূর্ব গাবুয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ট্রাইবেকারে ৪-১ গোলে হারিয়ে জয়লাভ করে।


আরও খবর



১২ বছরে ফল উৎপাদন বেড়েছে ২২ শতাংশ : কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, গত কয়েক বছরে ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ‘সফলতার উদাহরণ’ হয়েছে। কিন্তু দেশের মানুষের চাহিদার তুলনায় তা এখনও অনেক কম।

১৬ জুন 'জাতীয় ফল মেলা' সামনে রেখে সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের ফল উৎপাদনের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ২০০৮-০৯ সালে দেশে ফলের উৎপাদন ছিল প্রায় ১ কোটি টন, আর এখন প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টন ফলের উৎপাদন হচ্ছে। গত ১২ বছরে ফলের উৎপাদন বেড়েছে ২২ শতাংশ।

আবদুর রাজ্জাক বলেন, এ মুহূর্তে বিশ্বে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির সর্বোচ্চ হারের রেকর্ড বাংলাদেশের। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) হিসাবে বছরে সাড়ে ১১ শতাংশ হারে বাড়ছে ফল উৎপাদন।

কাঁঠাল উৎপাদনে এখন বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয়, আমে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, পেঁপে উৎপাদনে চতুর্দশ অবস্থানে রয়েছে। মৌসুমি ফল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ।

দেশে ৭২ প্রজাতির ফল উৎপাদন হচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২০ বছর আগে আম আর কাঁঠাল ছিল দেশের প্রধান ফল। এখন বাংলাদেশে ৭২ প্রজাতির ফলের চাষ হচ্ছে, যা আগে ৫৬ প্রজাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

কিন্তু এই উৎপাদনও দেশের প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। দৈনিক যেখানে মাথাপিছু ২০০ গ্রাম ফলের চাহিদা রয়েছে, সেখানে যোগান রয়েছে ৮৫ গ্রামের।


আরও খবর