Logo
শিরোনাম

পি কে হালদারকে কিভাবে ভারত থেকে দেশে আনা যাবে

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

হাজার হাজার কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদারকে (যিনি পি কে হালদার নামে বেশি পরিচিত) বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে আইনি পথেই দেশে ফেরানোর আশা করছে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা। তবে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে দেশে ফেরাতে অন্তত তিনমাস লাগতে পারে বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবীরা ধারণা করছেন। অবশ্য অবৈধভাবে নাগরিকত্ব নেয়ার অভিযোগে ভারতে তার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হলে সেটি সময় সাপেক্ষও হয়ে উঠতে পারে।

কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পি কে হালদারকে গ্রেফতার করে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বাংলাদেশের আর্থিক খাত থেকে হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর কয়েক বছর ধরে পলাতক ছিলেন পি কে হালদার। তবে শনিবার তাকে গ্রেফতার করে ভারতের আর্থিক গোয়েন্দা দফতর। সেই সময় পি কে হালদারসহ ছয়জনকে আটক করা হয়, যার মধ্যে তার স্ত্রীও রয়েছেন।

ঢাকার একটি ব্যাংক ও অপর একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের

সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মোট ৩৪টি মামলা করেছিলো। এসব মামলায় তাদের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

‘দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি হবে’
পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে এসে বিচারের মুখোমুখি করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা বা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

রোববার তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন এবং ফিনান্সিয়্যাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, বাংলাদেশের সংস্থাগুলো কিন্তু তৎপর, সজাগ আছে। এজেন্সিগুলো কাজ করছে,

আপনারা দেখবেন অচিরেই তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।’

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি অবৈধভাবে ভারতের পাসপোর্ট ও ভোটার আইডি কার্ড নিয়েছেন। ভারতের আইন অনুযায়ী এটি গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধে তার বিরুদ্ধে ভারতে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে?

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলছেন, ‘ভারতের আইনে জাল-জালিয়াতির কারণে তার বিচার হবে। সে মিথ্যা নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট গ্রহণ করেছে, সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু আমাদের এখানে যে আর্থিক কেলেঙ্কারির মামলাগুলো তো বিচারাধীন রয়ে গেছে। সেই মামলায় বিচারের জন্য তাকে আনতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আশাকরি দ্রুততার সাথে তাকে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।

শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটির পাশাপাশি রোববার বাংলাদেশে বৌদ্ধ পূর্ণিমার সরকারি ছুটি থাকায় দফতরগুলো বন্ধ রয়েছে। ফলে পি কে হালদার গ্রেফতার হলেও সেই বিষয়ে এখনো বাংলাদেশে কোন কর্মকাণ্ড শুরু হয়নি। ‘আগামীকাল আশাকরি হয়তো এই বিষয়ে আলাপ আলোচনা শুরু হবে।’ তিনি বলছেন।

রোববার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘এখনো আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো কাগজপত্র আসেনি। পি কে হালদার আমাদের এখানে অনেকগুলো মামলার আসামি। আমরা ইন্টারপোলের সহায়তা চেয়েছিলাম, সেটা আপনারা জানেন। অফিশিয়াল কাগজপত্র পাওয়ার পর আমরা আইনগত যে প্রচেষ্টা, সেটা অব্যাহত রাখবো।’

তিনি বলেছেন, ‘তিনি যেখানে আছেন, সেখানে তিনি কি করেছেন, সেই দেশের আইনের মুখোমুখি হচ্ছেন। আমরাও তাকে ফেরত চাইবো আমাদের দেশের মামলাগুলোর জন্য।’

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের আটই জানুয়ারি রেড নোটিশ জারি করেছিল ইন্টারপোল।

কিভাবে তাকে ফেরাতে পারে বাংলাদেশ?
ভারতের সাথে ২০১৩ সালে একটি বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি করে বাংলাদেশ। সেই চুক্তির আওতায় দুই দেশ বন্দী বিনিময় করে থাকে। এই চুক্তির স্বাক্ষরের পর ভারতের উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। নারায়ণগঞ্জে সাত খুন মামলায় আলোচিত নূর হোসেনকে এই আইনে ফিরে আনা হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ বা ভারতের কোনো অপরাধী আরেক দেশে লুকিয়ে থাকলে অথবা সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় কারাগারে থাকলে তাকে নিজ দেশে হস্তান্তর করা যাবে। কিন্তু কারো বিরুদ্ধে সেই দেশে কোনো মামলা বিচারাধীন থাকলে তাকে হস্তান্তর করার কোনো বিধান এই আইনে রাখা হয়নি।

বিবিসি বাংলার কলকাতা সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী জানাচ্ছেন, প্রশান্ত কুমার হালদারকে গ্রেফতারের পর অশোক নগরের স্থানীয় আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। সেখানে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে থাকা মামলার বিবরণসহ ভারতে অর্থ পাচারের অভিযোগও আনা হয়েছে। একজন কর্মকর্তা অমিতাভ ভট্টশালীকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার মামলাটি কলকাতার অর্থ পাচার আদালতে মামলা স্থানান্তর হবে। এরপর সেখানেই পি কে হালদারে বিচার কার্যক্রম চলবে।

ভারতে কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে অমিতাভ ভট্টশালী বলছেন, ‘সেখানে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর আবেদন করা হতে পারে। আদালত তা গ্রহণ করলে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে বাংলাদেশে পাঠানো হবে, যেভাবে এর আগে নূর হোসেনসহ বেশ কয়েকজনকে পাঠানো হয়েছে।’

‘কিন্তু পি কে হালদারের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় একটি ব্যাপার হলো, এই ব্যক্তি ভারতের গুরুতর আইন ভেঙ্গেছেন। তিনি বেআইনিভাবে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়েছেন। সেই কারণে যদি ভারতের কর্তৃপক্ষ আলাদা মামলা করে বিচার শুরু করে, তাহলে বিচার শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত তাকে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্দী বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী, আটক থাকা অথবা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দীদের ফেরত পাঠানো যাবে। এক্ষেত্রে অন্তত এক বছর সাজা খাটতে হবে। বাংলাদেশের কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, প্রক্রিয়া শেষ করে পি কে হালদারকে দেশে ফেরত আনতে তিন চার মাস লেগে যেতে পারে।

রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছেন, আদালতের মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তিন থেকে ছয়মাসের মধ্যে পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে ই-অরেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের নামে গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ মামলায় প্রধান অভিযুক্ত পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানার বিরুদ্ধে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা চলছে। ফলে তাকে এখনো ফেরত আনতে পারেনি বাংলাদেশ।

নিয়ম অনুযায়ী, বন্দী ফেরত আনতে হলে ভারতের কর্তৃপক্ষের কাছে বন্দীকে প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানানো হয়। এরপর আদালতের কাছে সেই বন্দীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুমতি চাওয়া হয়। আদালত অনুমতি দিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ সেই বন্দীকে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। বিএসএফ বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবির সাথে যোগাযোগ করে বৈঠকের মাধ্যমে বন্দী হস্তান্তর করে। বিজিবির কাছ থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রহণ করে আদালতে হাজির করে বিচারের মুখোমুখি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।



আরও খবর



উদ্বোধনের দিন সবার জন্য উন্মুক্ত নাও হতে পারে পদ্মা সেতু: সেতু সচিব

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন। কিন্তু ওই দিনই পদ্মা সেতু সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব মঞ্জুর হোসেন। বুধবার (৮ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সেতু বিভাগ আয়োজিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

মঞ্জুর হোসেন বলেন, ২৫ তারিখ পদ্মা সেতু পার হওয়ার জন্য অনেকের মধ্যে আগ্রহ আছে। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন শেষে চলে আসার পর যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন দিয়ে বা গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে কখন পদ্মা সেতু সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সেটা হতে পারে পরদিন ভোর ৬টা বা ওই দিনই কোনো সময় থেকে।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে দুটি অনুষ্ঠান হবে। একটি মাওয়া প্রান্তে, অন্যটি জাজিরা প্রান্তে। মাওয়া প্রান্তে হবে সুধী সমাবেশ। যেখানে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী কথা বলবেন। তারপর মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল উদ্বোধন করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে পদ্মা সেতু পার হয়ে বেলা ১১টায় তিনি জাজিরা প্রান্তের সমাবেশে যোগ দেবেন। ওপাশেও একটি উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল থাকবে, সেটিও উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানগুলো একসঙ্গে ৮টি বিভাগে, ৬৪ জেলায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এছাড়াও উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রমুখ। 


আরও খবর



বেলকুচিতে জনপ্রতিনিধিদের উপর হামলার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদ কর্তৃক উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের তালুকদারের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে বেলকুচি প্রেসক্লাবে প্রাঙ্গনে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ফোরামের  আয়োজনে এ  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে, উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সরকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা  জনপ্রতিনিধি হয়ে যদি নিরাপত্তা না থাকে তাহলে আমরা জনগণকে কিভাবে নিরাপত্তা  দেব। তিনি আরো বলেন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার জন্য আনসার ও পুলিশ সদস্য দেওয়া হলেও আমাদের নিরাপত্তা কোথায়। জনগণ তাদের ভোট দিয়ে  আমাদের নির্বাচিত করছেন তাদের সেবা করার জন্য। আর সেই সেবা করতে গিয়ে আমাদের যদি সন্ত্রাসীদের হামলার স্বীকার হতে হয় তাহলে আমরা কিভাবে মানুষের সেবা করবো। আর উন্নয়ন কাজ বা করবো কেমন করে।

তাই আমি দেশনেত্রী  প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা নিকট আকুল আবেদন করছি যেন আমাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন। সেই সাথে জনপ্রতিনিধিদের উপরে সন্ত্রাসী হামলা মুল হোতাদের  আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি। যদি এই জনপ্রতিনিধিদের হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার বিচার  দ্রুত না হয় তাহলে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ফোরামের  সকল সদস্য আগামী রবিবার থেকে কলম কর্মবিরতি পালন করবো।

সংবাদ সম্মেলনে ভাঙ্গাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূইয়া, বড়ধূল ইউপি চেয়ারম্যান আছের উদ্দিন মোল্লা, বেলকুচি সদর ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা সোলাইমান হোসেন, ভাঙ্গাবাড়ি ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের সহ আরো অনেকেই বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জেরর  বেলকুচিতে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূইয়া ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদারের উপরে হামলার হয়েছে। এ ঘটনায় গত রোববার রাতে  পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদসহ তার সহযোগী ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।


আরও খবর



সড়ক সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম ১দিনেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় বেশ কয়েকটি পুরনো সড়ক সংস্কার কাজে শিডিউলবহির্ভূতভাবে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

পাঁচটি রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া,ইট-বালু ব্যবহার করা হয়েছে। একটি সড়কের পিচ ঢালাইয়ে পুরাতন পাথর,বজুরি ও নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। সড়ক গুলো হলো, ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে উপজেলার পরিষ্কার বাজার থেকে ছিদ্দিক মেম্বারের দোকান পর্যন্ত ৪হাজার মিটার সড়ক। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোস্তফা এন্ড সন্স। মাঠ পর্যায়ে কাজটি করছে কামরুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদার। ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে আটকপালিয়া বাজার থেকে পরিষ্কার বাজার পর্যন্ত ২৩০০ মিটার সড়ক। এ কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা এন্টার প্রাইজ। ঠিকাদার মো.গিয়াস উদ্দিন নিজেই কাজটি করছেন। ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আক্তার মিয়ার বাজার থেকে বেড়ি পর্যন্ত ১হাজার ৯শত ২২মিটার মিটার সড়ক। কাজটি সম্পন্ন করেছেন নান্টু নামে এক ঠিকাদার। উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার পর্যন্ত ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩হাজার ৫শত মিটার সড়ক। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোস্তফা এন্ড সন্স। মাঠ পর্যায়ে কাজটি করছে ঠিকাদার কামরুল ইসলাম । উপজেলার ভূঞার হাট থেকে জোবায়ের মিয়ার বাজার কৃষি ইনস্টিটিউট পর্যন্ত ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২হাজার ২৯মিটার। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মিজান এন্টার প্রাইজ। ঠিকাদার নিজেই কাজটি করছে।

সরকারের জিওবি মেইনটেনেন্স প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি সুবর্ণচর উপজেলা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে চলছে এইসব নির্মাণকাজ।

স্থানীয়দের অভিযোগ,পরিষ্কার বাজার টু ছিদ্দিক মেম্বারের দোকান পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইটের খোয়া,বালু, ও এজেন্টে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়। এরপর পিচ ঢালাইয়ে নিম্নমানের পুরাতন পাথর, বিটুমিন,বজুরি ব্যবহার করে রাত ১টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে পিচ ঢালাইয়ের কাজ চালানো হয়। এ সময় স্থানীয়রা বাঁধা দিলে পরের দিন কাজ বন্ধ রাখে ঠিকাদার। পিচ ঢালাইয়ের শেষে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান থেকে স্থানীয়রা হাত দিয়ে টেনে নতুন কার্পেটিং তুলছে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। আটকপালিয়া বাজার থেকে পরিষ্কার বাজার সড়ক সংস্কারে কাজের শুরুতেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এজেন্টে নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া ও বালু ব্যবহার করে পিচ ঢালাইয়ের জন্য প্রস্তুত করে। স্থানীয় সাংবাদিকরা নিম্নমানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদারকি প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করে কোন প্রতিকার পান নি। বীরদর্পে সিডিউল বহির্ভূত ভাবে কাজ চালিয়েছে ঠিকাদার। উপজেলার ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আক্তার মিয়ার বাজার থেকে বেড়ি পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া,বালু ব্যবহার করা হয়। নিম্নমানের কাজ নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিল। এতে করেও তিনি কোন প্রতিকার পান নি বলে অভিযোগ করে বলেন,সর্বশেষ ঠিকাদার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করে।

জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার এবং ভূঞারহাট থেকে কৃষি ইনস্টিটিউট সড়কের সংষ্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়। জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ড্যাম্পিং শেষে পিচ ঢালাই চলছে। ভূঞারহাট থেকে কৃষি ইনস্টিটিউট সড়কের নিম্নমানের কাজ চলছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিডিউলের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো পাঁচটি সড়কে নিম্নমানের কাজ করছেন ঠিকাদার। কাজের শুরু থেকেই তদারকি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি করে এসব অনিয়ম করে চলছে। এজেন্টে নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া, নিম্নমানের বালু ব্যবহার করা হয়েছে। এতে একাধিক স্থানে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে সড়কের কাজে বাধা দেন। তারপর এলাকাবাসী সুবর্ণচর উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগকে মৌখিকভাবে জানিয়েও ফল পাননি। এরপর নিম্নমানের পাথর ও বজুরি দিয়ে ৩টি সড়কে কাপের্টিং করা হয়েছে। বর্তমানে ২টি সড়ক পিচ ঢালাইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলছেন, নির্মাণের একদিন পর হাত দিয়ে টানলে পিচ ঢালাই উঠে যাচ্ছে। সামনে বর্ষায় সব উঠে যাবে। এত খারাপ রাস্তা করার কী দরকার? স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলী মো.জালাল ও সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল বারীর যোগসাজশে সুবর্ণচর উপজেলায় বেজায় নিম্নমানের কাজ হচ্ছে। স্থানীয়রা নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদ করলে ঠিকাদাররা চাঁদাবাজির মামলার ভয় দেখান।

সরজমিন দেখা গেছে, সড়কে নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়ে যেনতেন ভাবে কাজ করা হয়েছে। অপরদিকে শ্রমিকরা বলছেন, ঠিকাদার যে রকম ইট-বালু দিচ্ছেন, তা দিয়েই তাদের রাস্তা নির্মাণ করতে হচ্ছে। একাধিক শ্রমিক নিম্নমানের ইট ও ইটের খোয়া ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেন। এ সময় স্থানীয়রা তদারকি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেন, উচ্চপর্যায় থেকে সুবর্ণচর উপজেলার সব ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নোয়াখালীর আওতায় বাস্তবায়িত কাজগুলো সঠিকভাবে অন্তত একবার তদন্ত করা হোক। তাহলে অনেক অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসবে। কারণ তদারকি প্রতিষ্ঠানের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরকারি শিডিউল অনুযায়ী উন্নয়ন কাজের মান নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। কারণ এর ঘাটে ঘাটে অনেক অনিয়মের গান আছে। এ চারটি সড়কের বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীকে তথ্য দিতে তালবাহানা করে সংশ্লিষ্ট তদারকি প্রতিষ্ঠান।

নিম্নমানের কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার কামরুল ইসলাম,শিফটন,নান্টু,গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ নাকচ করে দাবি করেন তারা সিডিউল অনুযায়ী কাজ করেছে। ঠিকাদার কামরুল ইসলাম বলেন,আমার কাজে কিছুর খারাপ পাথর গিয়েছে। অফিস বলছে এসব পাথর দিয়ে কাজ করা যাবে না। এর বাহিরে কোন অনিয়ম হয়নি তিনি দাবি করেন। ঠিকাদার শিফটন বলেন, তিনি খারাপ কাজ করার মত ঠিকাদার নয়।

সুবর্ণচর উপজেলা প্রকৌশলী মো.শাহজালাল নিম্নমানের কাজে তদারকি প্রতিষ্ঠানের কর্মক


আরও খবর



শ্রীনগরে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

শ্রীনগর সংবাদদাতাঃ

মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের নারী ভাইরাস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা  আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রেহানা বেগকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি ও হাত পা ভেঙ্গে দিবে বলে লাঞ্চিত করার অভিযোগে শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীনগর উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে ‘শ্রীনগর উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ’-এর ব্যানারে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা পরিষদ সড়ক  থেকে বের হয়ে বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে শেষ হয়। 

মানবন্ধনে নারো নেত্রীরা বলেন,  শ্রীনগর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ এর মতবিনিময় সভার নামে পকেট কমিটি করার প্রতিবাদ করি। এসময় আমাদের নেত্রী 

শ্রীনগর উপজেলা মহিলা  আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেহানা বেগম আমাদের সাথে পকেট কমিটির প্রতিবাদ জানায়। সেই প্রতিবাদ কে কেন্দ্র করে শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী তোফাজ্জল হোসেন প্রকাশ্যে তাকে হত্যার হুমকি, হাত পা ভেঙ্গে দিবে ও লাঞ্চিত করায় আমরা নিন্দা ও ঘৃনা জনাচ্ছি। 

মানববন্ধনে মহিলা আওয়ামীলীগের   পক্ষে বক্তব্য রাখেন, বাড়ৈখালী ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফরোজা মোবারক,  কোলাপাড়া ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুন্নি বেগম, কুকুটিয়া ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি  সেলিনা হোসেন, মহিলা নেত্রী আরমিনের ,  শেলিনা বেগম, আফরুজা মোবারক, আছিমন, নুরজাহান প্রমুখ।


আরও খবর



আমাকে বলার সুযোগই দেওয়া হয় না : তামিম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ইয়াশফি রহমান:  টি-টোয়েন্টি নিয়ে নিজের পরিকল্পনা জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছিলেন তারকা ক্রিকেটার তামিম ইকবাল। তার এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, তামিম সরাসরি মিথ্যাচার করেছেন। আসলে তামিমকে বারবার অনুরোধ করা হলেও তিনি খেলতে রাজি হননি।

তামিম পাপনের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার (৭ জুন) ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেজে এক পোস্ট করেন।

সেখানে তিনি লেখেন, আমার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি কথার সূত্র ধরে অনেকে বিভ্রান্ত হচ্ছেন বা মিডিয়ায় কিছু বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে দেখতে পাচ্ছি। দুই দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে আমি স্পষ্ট করে বলেছি, আমার ঘোষণা আমি দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছি না, অন্যরাই নানা কিছু বলে দিচ্ছে। এখানে বোর্ড কমিউনিকেট করেনি বা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি, এরকম কোনো কথা আমি একবারও বলিনি।

বোর্ড থেকে কয়েকবারই আমার সঙ্গে আলোচনা করেছে টি-টোয়েন্টি নিয়ে। আমি ৬ মাসের বিরতি নিয়েছি বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে। এরপরও বোর্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে কয়েক দফায়। এটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন আমি কখনোই তুলিনি।

আমি সেদিন অনুষ্ঠানে যা বলেছি, আজকে আবার বলছি, টি-টোয়েন্টি নিয়ে আমার যে প্ল্যান, সেটা তো আমাকে বলার সুযোগই দেওয়া হয় না। হয় আপনারা (মিডিয়া) বলে দেন, নয়তো অন্য কেউ বলে দেয়। তো এভাবেই চলতে থাকুক। আমাকে তো বলার সুযোগ দেওয়া হয় না। এতদিন ধরে আমি ক্রিকেট খেলি, এটা ডিজার্ভ করি যে আমি কী চিন্তা করি না করি, এটা আমার মুখ থেকে শোনা। কিন্তু হয় আপনারা কোনো ধারণা দিয়ে দেন, নয়তো অন্য কেউ এসে বলে দেয়। যখন বলেই দেয়, তখন আমার তো কিছু বলার নেই।

এটুকুই বলেছিলাম। এখানে কি উল্লেখ আছে যে কেউ যোগাযোগ করেনি? এরকম কোনো শব্দ বা ইঙ্গিত আছে? খুবই সাধারণ ভাষায় বলেছি, আমার কথা আমাকে বলতে দেওয়া হচ্ছে না। ৬ মাসের বিরতি নিয়েছি, এর মধ্যেও মিডিয়া নানা কথা লিখে বা বলে যাচ্ছে, অন্যরাও কথা বলেই যাচ্ছেন।

বোর্ডের সঙ্গে আমার যোগাযোগ নিয়মিতই আছে এবং তারা খুব ভালোভাবেই জানে, টি-টোয়েন্টি নিয়ে আমার ভাবনা কোনটি। আমি স্রেফ নিজে সেই কথাটুকু বলতে চাই, সেই সময়টুকু চাই।

সময় হলে আমার সিদ্ধান্ত নিশ্চয়ই আমি জানাব। ৬ মাস হতে তো এখনও দেড় মাসের বেশি বাকি। কিন্তু সেই সময়টার অপেক্ষা কেউ করছে না। এটাই দুঃখজনক।


আরও খবর