Logo
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শিশুদের নিয়ে আনন্দ উৎসবে সংসদ সদস্য

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

 এম.পলাশ শরীফঃ

জানান, সারাদেশের ন্যায় শিশুদের আনন্দঘন উৎসবে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জেও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-এঁর ৭৬ তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে দিবসটি উপলক্ষে শিশুদের নিয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-৪, আসনের সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাড. আমিরুল আলম মিলন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. জালাল উদ্দিন খান, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. তাজিনুর রহমান পলাশসহ স্থানীয় বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। অপরদিকে   শহীদ শেখ রাসেল মুজিব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মবার্ষিকীতে পুষ্প মাল্য অর্পন, আলোচনা সভা দোয়া  ও শেখ রাসেল দেওয়ালিকায় শিক্ষার্থীদের জন্ম  দিনের শুভেচ্ছা  বার্তা উপস্থাপন। এ সময় আলোচনা করেন  বিদ্যালয়ের সভাপতি খ. ম লুৎফর রহমান প্রধান শিক্ষক  মো. শহিদুল ইসলাম খান, সাবেক সভাপতি মোঃ  আবদুস সামাদ মুন্সি,  ইউপি সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাস্টার  অমৃত কুমার। দোয়া পরিচালনা করেন  ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা মো. আল আমিন। 


আরও খবর



হাতিবান্ধা সীমান্তে বাংলাদেশীকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি : 

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে মোঃ শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম (২৮) নামে এক বাংলাদেশীকে বিএসএফের বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যার  অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৭ নভেম্বর) সকালে সীমান্ত এলাকা থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে সে নিহত হয়। এর আগে ওই দিন ভোরবেলা উপজেলার গেন্দুকরি সীমান্ত থেকে বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে বন্দুকের বাট ও লাঠি দিয়ে পিটুনি দিলে সে গুরুতর আহত হয়।

নিহত শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম গোতামারী এলাকার আছিম উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, প্রকৃতির ডাকে শনিবার ভোরবেলা শরিফুল বাংলাদেশের অভ্যন্তরের ৯০১ নম্বর পিলারের কাছে গেলে বিএসএফ সদস্যরা তাকে চোর সন্দেহে ক্যাম্পে ধরে নিয়ে যায়। পরে ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে লাঠি ও বন্দুকের বাট দিয়ে দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। এতে শরিফুল অসুস্থ হয়ে পড়লে বিএসএফ সদস্যরা তাকে বাংলাদেশের গোতামারী ইউনিয়নের ভুটিয়ামঙ্গল নামক সীমান্ত এলাকায় তাকে ফেলে দিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে রবিবার সকালে শরিফুলের পরিবারের লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহা আলম জানান, সীমান্ত এলাকা থেকে আহত অবস্থায় শরিফুলকে উদ্ধার করা হলেও বিএসএফ’র প্রহারে তার মৃত্যু হয়েছে কি না তিনি নিশ্চিত নন। তবে মরদেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হলেই মৃত্যুর কারন জানা যাবে।


আরও খবর



সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

মানুষ প্রধানতঃ দুটি আত্মার অধিকারী। একটি জীবাত্মা বা নফস যা মানব সৃষ্টির চার উপাদান আগুন, পানি, মাটি ও বায়ুর সমন্বয়ে সৃষ্ট এবং অপরটি পরমাত্মা বা রূহ যা মহান আল্লাহ্ হযরত আদম (আঃ)-এর মাঝে তাঁর রূহ থেকে ফুঁকে দিয়েছেন। আমরা সবাই হযরত আদম (আঃ)-এর সন্তান হিসেবে আমাদের মাঝেও রূহ বিদ্যমান। জীবাত্মা অত্যন্ত শক্তিশালী। এই জীবাত্মাই মহান আল্লাহ্ তায়ালার সত্তা রূহ্কে ধারণ করেছে। আর রূহই হচ্ছে মানুষের কাছে আল্লাহ্ পাকের আমানত। জীবাত্মা মূলত সচ্ছ ও পরিশুদ্ধ। কিন্তু এর কিছু শত্রু আছে যেগুলো নফসকে আক্রান্ত করে। কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য এই ষড় রিপু নফসকে কলুষিত করে। যেমন জীবানুমুক্ত পানি পান করে জীবের জীবন রক্ষা পায়। যদি পানিতে বিষ মিশ্রিত হয় তখন পানি হয় বিষাক্ত। আর এই বিষাক্ত পানি পান করলে জীবের প্রাণনাশ হয়। তেমনি পরিশুদ্ধ জীবাত্মা যখন ষড়রিপু দ্বারা আক্রান্ত হয় তখন তা কলুষিত হয়ে যায় এবং দুনিয়ার লোভ আর ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে পাপাচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে। অশান্তি সৃষ্টি হয় ব্যক্তি জীবন থেকে সামাজিক ও রাষ্ট্রিয় জীবন পর্যন্ত। কলুষিত নফস ধারী ব্যক্তি শান্তি ও ন্যায়ের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে অশান্তির পথে ধাবিত হয়। কাজেই জীবাত্মা যাতে ষড়রিপু দ্বারা আক্রান্ত হতে না পারে সেজন্যই আত্মশুদ্ধি লাভ করা প্রয়োজন। পরিশুদ্ধ জীবাত্মা হলো বাহন আর রূহ সোয়ারী। এই দুয়ে মিলে আত্মিক জগত ভ্রমণ করতে পারে এবং আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। তাহলে প্রশ্ন জাগে, কি করে ষড়রিপুর আক্রমণ প্রতিরোধ করে জীবাত্মাকে পরিশুদ্ধ রাখা যায়। জীবাত্মাকে নফস নামেও অভিহিত করা হয়। হযরত রাসূল (সঃ) বলেছেন, “নফসের সাথে যুদ্ধ করাই প্রকৃত জেহাদতিনি আরো বলেন, “যে নিজকে (নিজের নফসকে) চিনতে পেরেছে, সে তার প্রভুকে চিনতে পেরেছেতাহলে আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে, হযরত রাসূলে পাক (সঃ)-এর শিক্ষা পদ্ধতি কি ছিল? তিনি কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন না। সুদীর্ঘ ১৫ বছর হেরা পর্বতের নির্জন গুহায় ধ্যান সাধনা তথা মোরাকাবা করেছেন। মক্কা থেকে ৩ মাইল দূরে যে হেরা পর্বতের গুহা প্রায় পৌণে দুইশবছর পরও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে, যেখানে উঠতে রাসূল (সঃ) প্রেমিকদের আজো হিমসিম খেতে হয়, সেই নির্জন মরু পাহাড়ের গুহায় তিনি যৌবনের ১৫ টি বছর ধ্যান সাধনায় কাটিয়েছেন। এই ধ্যান সাধনার বিদ্যার মাধ্যমেই তিনি তাঁর প্রভুর সন্ধান পেয়ে পবিত্র বাণী প্রাপ্ত হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর অনুসারী তথা মুসলিমদেরকে সেই ধ্যান সাধনার বিদ্যাই শিক্ষা দিয়েছেন। আর ওই বিদ্যায় বিদ্বান হয়ে নিজেদের জীবাত্মা তথা নফসকে পরিশুদ্ধ করে (আত্মশুদ্ধি লাভ করে) মহান আল্লাহ্ ও হযরত রাসূল (সঃ)-এর প্রেমে দেওয়ানা হয়ে গিয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম কাফেরদের শত অত্যচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন হাসিমুখে। তাঁরা নিজেদের ধন-সম্পদ, আত্মিয়-স্বজনের মায়া পরিত্যাগ করে রাসূল (সঃ)-এর প্রেমে জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে তাঁর সাথে মদিনায় হিযরত করেছেন। অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম রাসূল (সঃ)-এর নির্দেশে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করে হাসিমুখে শহীদের মর্যাদা লাভ করেছেন। আমরা সেই সে জাতি, উম্মতে মোহাম্মদী, মোহাম্মদী ইসলামের অনুসারী। পরম সৌভাগ্য যে, আল্লাহ্ পাক আমাদেরকে দয়া করে উম্মতে মোহাম্মদীর মর্যাদা দান করেছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, যে শিক্ষায় নিজের জীবাত্মা বা নফসকে পরিশুদ্ধ করা যায়, যে শিক্ষায় আত্মশুদ্ধি লাভ করা যায়, সেই মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা, ধ্যান সাধনার শিক্ষা, মোরাকাবার শিক্ষা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। ফলে নফসের খায়েসে, শয়তানের ধোঁকায় পড়ে দুনিয়া লোভী হয়ে পাপাচারের মাধ্যমে যেমন নিজেদেরকে (জীবাত্মা বা নফসকে) কলুষিত করে অশান্তিতে ভুগছি, তেমনি আমাদের এমন কার্যাদিতে সমাজেও অশান্তি বাড়ছে। ধর্ম পালন করেও ধর্মের প্রকৃত স্বাদ বা ফল আমরা ভোগ করতে পারছিনা।

হযরত রাসূল (সঃ)-এর যুগে তাঁর কাছ থেকে সাহাবায়েকেরাম ধ্যান সাধনার বিদ্যার মাধ্যমে আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জন করে ধর্ম পালন করতঃ শান্তির পধে চলার ক্ষমতা অর্জন করেছেন। এমনকি তাঁরা আত্মিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতেও সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা ছিলেন উজ্জল নক্ষত্র। আর তাঁরা তা করতে পেরেছেন, হযরত রাসূল (সঃ)-কে অনুকরণ ও অণুসরণ করে। পবিত্র হাদিসে হযরত রাসূল(সঃ) বলেছেন, “শরীয়ত আমার বাক্য(কথা), তরীকত আমার কাজ, হাকীকত আমার অবস্থা এবং মারেফাত আমার নিগুঢ় রহস্য।হযরত রাসূল (সঃ) তাঁর অনুসারীগণকে শরীয়ত, তরীকত, হাকীকত ও মারেফাতের বিদ্যা শিক্ষা দিয়েছেন। শরীয়ত যেমন দেহ পরিষ্কার করে তেমনি মারেফাত আত্মিক পরিশুদ্ধতা অর্জনে সহায়তা করে। হযরত রাসূল (সঃ)-এর ওফাত লাভের পর চার খলিফার যুগ পর্যন্ত হযরত রাসূল (সঃ)-এর মৌলিক শিক্ষা চালু ছিল। এজন্য ওই যুগকে ইসলামের স্বর্ণ যুগ বলা হতো। পরবর্তীতে বিশেষ করে কারবালা যুদ্ধের পর দুরাচার এজিদ ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইসলাম হয়ে পড়ে শুধু শরীয়ত সর্বস্ব। বেলায়েতের যুগে যাঁরা এজিদের বিরুদ্ধাচরণ করেছেন, এজিদকে সমর্থন করেননি, তাঁরা ছিলেন মোহাম্মদী ইসলামের প্রকৃত ধারক ও বাহক। আর তাঁদের মাধ্যমেই দুনিয়াতে টিকে আছে প্রকৃত মোহাম্মদী ইসলামের শিক্ষা-এলমে শরীয়ত ও এলমে মারেফাত যা মানুষের বাহ্যিক ও আত্মিক পরিশুদ্ধতা আনয়ন করে। বেলায়েতের যুগে অসংখ্য অলী-আল্লাহ্, মোর্শেদ তথা পথপ্রদর্শক জগতে আগমন করেছেন, যাঁরা হযরত রাসূল (সঃ)-এর শিক্ষায় মানুষকে শিক্ষিত করেছেন। যাঁরা শরীয়ত, তরীকত, হাকীকত ও মারেফতের বিদ্যা শিক্ষা লাভ করে ধর্ম পালন করেছেন তাঁরাই সফলকাম হয়েছেন।


আরও খবর

আত্মিক জ্ঞান ও বাহ্যিক জ্ঞান

শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২

মাইজভান্ডারী তরিকা

মঙ্গলবার ২৫ অক্টোবর ২০২২




ফ্রান্সে দারিদ্র্য বাড়ছে

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

ফ্রান্সে অভাব-অনটন ও দারিদ্র্য বাড়ছে। দেশটির ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য নিয়ে বিভিন্ন শঙ্কার কথা জানিয়েছে একটি এনজিও।  বেসরকারি ত্রাণ সংস্থা জানায়, ফ্রান্সে দারিদ্র্য পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে। খবর তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাকের।

ক্যাথলিক রিলিফ নামের একটি এনজিও তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফ্রান্সে ২০২১ সালে এ সংস্থার কাছে যারা সাহায্য চেয়েছিল, তাদের ৪৮ শতাংশ পরিবার এতই গরিব ছিল যে, তাদের নিজেদের খাওয়ার মতো কোনো অর্থ বা বাজেট ছিল না।

বিভিন্ন বিল পরিশোধ ও অনিবার্য খরচ চালানোর পর প্রতি দুই পরিবারের একজনের কাছে মাস শেষ করার জন্য ৩০৫.২ মার্কিন ডলার অর্থ ছিল। এটা ওই পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য জনপ্রতি প্রতিদিন ৫.১৭ মার্কিন ডলার অর্থের নিশ্চয়তা দিচ্ছিল। অথচ এ সংস্থাটি বলছে, ফ্রান্সে একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অন্তত ৭.২৪ মার্কিন ডলারের খাদ্য দরকার।

বেসরকারি ত্রাণ সংস্থা ক্যাথলিক রিলিফের কাছে যারা সাহায্য নিচ্ছে, তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশই নতুন। এর আগে অভাবগ্রস্ত ছিল না। ২০২২ সালের জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ এনজিওটির শঙ্কা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।


আরও খবর

স্পেনে ইউক্রেন দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২




নওগাঁয় ধান ক্ষেত থেকে মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁয় ধানের ক্ষেত থেকে বিনয় চন্দ্র মন্ডল (৬৪) নামে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার সকালে নওগাঁর মান্দা উপজেলার মধ্য-দুর্গাপুর গ্রামের একটি ধান ক্ষেত থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন মান্দা থানা পুলিশ।

নিহত বিনয় চন্দ্র মন্ডল মান্দা উপজেলার পিরোরি বিলদুধলা গ্রামের মৃত শ্রীখণ্ঠ মন্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন গোয়াল ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের পর তার পরিবারের লোকজন তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পায়নি। সোমবার ২১ নভেম্বর সকালে জমির মালিক ধান কাটতে গিয়ে ধান ক্ষেতের ভিতরে তার মৃতদেহ দেখতে পান। মহূর্তের মধ্যে ঘটনাটি জানাজানি হলে শত শত লোকজন ঘটনাস্থলে ভীড় জমান। পরে পরিবারের লোকজন এসে মৃতদেহ টি শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে মান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন।

সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে থানা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে মৃতদেহটি উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান ওসি।


আরও খবর



অধিকরণ করা অব্যবহৃত জমি

জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য কাজে লাগানোর দাবী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

সরকারী অধিকরণ করা অব্যবহৃত জমি উদ্ধার করে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য কাজে লাগানোর দাবীতে সমাবেশ করেছে নারায়ণগঞ্জ ভূমি রক্ষা সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। শুক্রবার বিকেলে, নগরের চাষাড়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

ভূমি রক্ষার সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহবায়ক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রবিউর রাব্বির সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মাহবুবু রহমান মাসুম, ভবানী শঙ্কর রায়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নারায়ণগঞ্জে নাগরিকদের প্রয়োজনে জমির অভাবে উন্নতমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মেডিকেল কলেজ, বিনোদনের জন্য পার্কসহ কোন কিছুই করা যাচ্ছে না। অথচ নারায়ণগঞ্জে রেলওয়ে, রাজউক, বিআইডব্লিউটিএ, জেলা পরিষদ, সড়ক ও জনপদ বিভাগ সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি আত্মসাৎ এর জন্য ভূমিধস্যু একটি চক্র তৎপর রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অসাদু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসে তারা আত্মসাৎ করছে। 

বক্তারা বলেন, রেলওয়ে তাদের অব্যবহৃত জমি স্থানীয় ভূমিদস্যুদের নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত গোপনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে আসছে। শহরের এক নং রেলগেইট এলাকায় ৪৭ হাজার দুইশ' বর্গফুট জমি ১০ বছর আগে রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্ট নামক একটি  সংগঠনের নামে বরাদ্দ দিয়ে আত্মসাতের ব্যবস্থা করে। তখন নাগরিক আন্দোলনের মুখে তা বন্ধ করলেও এখন আবার সে জায়গা আত্মসাতের চেষ্টা করছে।

বক্তারা বলেন, রাজউক দেশের বিভিন্ন জায়গায় জরিপ করে টেকসই উন্নয়নের জন্য নদী বন্দর সংলগ্ন ২১ টি জেলায় নৌ-বন্দর, রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনাল একই জায়গায় তৈরির জন্য ডিটেল এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। সে পরিকল্পনায় নারায়ণগঞ্জের নৌ-বন্দর, রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনালটি রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ রেল স্টেশন এলাকায় স্কুল, কলেজ, দ্বিগুবাবুর বাজার ও বাস টার্মিনাল রয়েছে এ এলাকায়।

অথচ সরকারি প্রতিষ্ঠান হয়েও এ পরিকল্পনা উপেক্ষা করে রেলওয়ে অনৈতিকভাবে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের সাথে নিয়ে এ জায়গাটি আত্মসাতের প্রক্রিয়ায় লিপ্ত হয়েছে।তারা এসব জিমে উদ্ধার করার দাবি জানিয়েছেন।


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে কমেছে ভাড়ার নৈরাজ্য

মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২