Logo
শিরোনাম

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ,প্রেমিকের মা গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

অনুপ সিংহ,নোয়াখালী ঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক কিশোরীকে (১৬) প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ এজহার নামীয় আসামি প্রেমিকের মা কে গ্রেফতার করেছে।  

গ্রেফতারকৃত আমেনা (৪০) প্রেমিক মামুনের মা এবং এজহার নামীয় ৩নম্বর আসামি।  

বুধবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবপ্রিয় দাশ।  তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার (১২ জুলাই) রাতে ভিকটিমের বড় বোন বাদী হয়ে প্রেমিকসহ তার আরো তিনজন স্বজনকে আসামি করে চরজব্বর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন। 

ভুক্তভোগী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি দাখিল মাদ্রাসার শির্ক্ষার্থী। গত কয়েক বছর ধরে মাদ্রাসায় আসা যাওয়ার পথে তাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত সুবর্ণচরের পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের মামুন (২২)। একপর্যায়ে গত দুই বছর আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সম্পর্কের সূত্র ধরে নিজের তিন সহযোগীকে নিয়ে গত এক বছর ধরে বিভিন্ন সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছিল মামুন। সবশেষ গত ৭ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে পুনঃরায় ধর্ষণের চেষ্টা করে মামুন। ওই সময় কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে, মামুন দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি মামুনের পরিবারকে জানালে তারা বিয়ে দিয়ে দেবে দেবে বলে কালক্ষেপণ এবং বিভিন্নভাবে ধর্ষিতার পরিবারকে হুমকি দিতে থাকে।  

ওসি আরো জানায়, এ ঘটনায় এজহার নামীয় আসামি প্রেমিকের মা কে গতকাল মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বুধবার দুপুরে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।


আরও খবর



সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম, স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাত ব্যক্তির(৫০) মৃত্যু হয়েছে।১৯ সেপ্টেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ইন্তেকাল হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১থেকে দেড় বছর যাবত এই অজ্ঞাত(৫০)ব্যক্তি শক্তিয়ারখলা বাজারে থাকতো।বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মোহাম্মদ ছবাব মিয়া জানান,১৭ সেপ্টেম্বর রাতে পরিষদের সামন থেকে অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় গ্রামপুলিশের মাধ্যমে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করেন।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তানভীর আহমদ জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর(সোমবার)সকালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরমৃত্যু হয়। সেইসাথে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অজ্ঞাত  ব্যক্তির লাশ হস্তান্তর বিষয়ে সত্যতা জানিয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানার এস আই আলিম উদ্দীন  জানান,অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



অক্টোবরের ৪ থেকে টিকার প্রথম ডোজ বন্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে আসাসহ নানা কারণে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ আর দেওয়া হবে না। তবে দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম চলমান থাকবে।

রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী করোনা টিকার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের বিশেষ ক্যাম্পেইন চলবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদ পড়া সবাইকে প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন নিতে হবে। অন্যথায় ৪ অক্টোবর থেকে আর প্রথম ডোজ পাওয়া যাবে না।

১৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রেডিসন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ এখনও করোনা টিকার প্রথম ডোজ এবং প্রায় ৯৪ লাখ মানুষ দ্বিতীয় ডোজ নেননি। তাই আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া সবাইকে টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




পাকিস্তানে বন্যায় নিহত সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৫০০

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

পাকিস্তানের নজিরবিহীন বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিভিন্ন স্থানে বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও এখনও হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশজুড়ে বন্যায় ৫৩০ শিশুসহ মৃতের সংখ্যা ১৪৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। বন্যার তাণ্ডবে সিন্ধু প্রদেশে প্রায় লাখো মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছে। ঘরহারা এসব মানুষের জন্য তাঁবু কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলী শাহ। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ত্রাণবাহী বিমান এসেছে।  


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




কারাগারের পাখি বলে পরিচিত শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শাহ আলম ইসলাম নিতুল  ঃ

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক, সাবেক উপ প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের মৃত্যুতে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অবঃ সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক গভীর শোক জানিয়েছেন। মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

বহু আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতা ১৯৫২ সালে নবম শ্রেণির ছাত্র থাকাকালে ভাষা আন্দোলন করতে গিয়ে গুরুতর আহতাবস্থায় গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন। ১৯৫২ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত তার ঠিকানা ছিল মূলত কারাগার।

বন্ধু মহলে কারাগারের পাখি বলে পরিচিত শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন  জীবনে অন্তত ২০ বছর জেল খেটেছেন।

ঢাকা কলেজ ছাত্র সংসদে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন তখনকার পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও তিনবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করে এদেশে অনেক প্রথিতযশা রাজনীতিক তৈরি করেছেন।

১৯৬৬ সালের ছয়দফা ও ১৯৬৯ সালের এগার দফার অন্যতম রূপকার শাহ মোয়াজ্জেম মহান মুক্তিযুদ্ধেরও অন্যতম সংগঠক। তিনি স্বাধীনতার স্বপক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের জন্য ভারতীয় পার্লামেন্টে টানা আড়াই ঘণ্টা ভাষণ দেন। নিজ হাতে অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করা সে সময়ের জাতীয় নেতাদের মধ্যে অন্যতম শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন।

১৯৭০ ও ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন প্রবীণ এই রাজনীতিক। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পার্লামেন্টে প্রথমবারের মতো চিফ হুইপ নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের পর দ্বিতীয়বারের মতো চিফ হুইপ নির্বাচিত হন তিনি।

বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের মৃত্যুতে দেশ একজন গুনী রাজনীতিবিদ হারিয়েছে।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির নেতা মনে করেন বর্তমানে যে একদলীয় আধিপত্যবাদী শাসন চলছে এমন সময়ে তার মতো রাজনীতিবিদ এর প্রস্থান একটা শূণ্যতা সৃষ্টি করবে।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




১১০০ শিক্ষকের সনদ জাল

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ১ হাজার ১০৮ জন শিক্ষকের জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে। এই সনদধারী শিক্ষকদের পেছনে সরকারি কোষাগার থেকে ব্যয় হয়েছে ৪৯ কোটি ৮২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৬০ টাকা। আর অবৈধ নিয়োগ, প্রাপ্যতার অতিরিক্ত গ্রহণ ও অন্যান্য খাতে ব্যয় হয়েছে আরো ২৬৮ কোটি ৩৫ লাখ ৯১ হাজার ৪৬৯ টাকা। এসব অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়ার সুপারিশসহ সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর ।

এ বিষয়ে ডিআইএর যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার বলেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে আমরা শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল শনাক্ত করেছি। ২০২১ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের আগস্ট পর্যন্ত জমি বেহাত হওয়ার তথ্য পেয়েছি। অবৈধ নিয়োগের কারণে এবং প্রাপ্যতার অতিরিক্ত নেওয়া অর্থ ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।

বিপুল চন্দ্র সরকার জানান, গত ১০ বছরে দেশের ২৪ হাজার ৯৭৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিদর্শন প্রতিবেদনও পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

গত ২৪ জুন ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ মো. আজমতগীরের সই করা প্রতিবেদনে জানানা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মোট জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ১০৮টি। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ৮২৪টি এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ২৮৪টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত শুধু শিক্ষক নিবন্ধন জাল শনাক্ত হয়েছে ৬১৫টি। নেকটারের কম্পিউটার সনদ জাল শনাক্ত হয়েছে ১৬০টি। অন্যান্য সনদ জাল শনাক্ত হয়েছে ৪৯টি। সর্বমোট ৮২৪টি।

আর কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত শিক্ষক নিবন্ধন জাল শনাক্ত হয়েছে ১৮৪টি। নেকটারের কম্পিউটার সনদ জাল শনাক্ত হয়েছে ৮৯টি। অন্যান্য সনদ জাল শনাক্ত হয়েছে ১১টি। সর্বমোট ২৮৪টি।

এসব জাল সনদের বিপরীতে শিক্ষকদের গ্রহণ করা অর্থ ৪৯ কোটি ৮২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৬০ টাকা। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ৩৬ কোটি ১০ লাখ, ৬৮ হাজার ৪৭৪ টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ১৩ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮৬ টাকা।



আরও খবর