Logo
শিরোনাম

পর্যবেক্ষণে মিয়ানমার গেল রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাখাইন রাজ্যের মংডুতে পরিবেশ-পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি প্রতিনিধি দল মিয়ানমারে গেছে। ২৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলে ২০ জন রোহিঙ্গা এবং পাঁচজন সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন।

শুক্রবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা টেকনাফের জেটিতে আসেন। সকাল ৯টার দিকে তারা নৌপথে স্পিডবোটে রওয়ানা দেন।

প্রতিনিধি দলটি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে রাখাইনের সার্বিক পরিস্থিতি কতটুকু অনুকূলে রয়েছে তা দেখবে। বাংলাদেশে আশ্রিত মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিনিধি দলটি রাখাইনে যাচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশে বাংলাদেশের দেওয়া রোহিঙ্গাদের তালিকা যাচাই-বাছাই করতে গত ১৫ মার্চ টেকনাফ হয়ে বাংলাদেশে আসেন মিয়ানমার সরকারের ১৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলটি টানা সাত দিন টেকনাফের স্থল বন্দর রেস্টহাউসে অবস্থান করে বাংলাদেশে আশ্রিত ১৪৭ রোহিঙ্গা পরিবারের মোট ৪৮৬ রোহিঙ্গার সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দেওয়া বক্তব্য রেকর্ড করেন।

২২ মার্চ সকালে প্রতিনিধি দলটি নাফ নদী পার হয়ে মিয়ানমারে ফিরে যায়। ওই সময় মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, যাদের প্রত্যাবাসন করা হবে সেই সব রোহিঙ্গা যাতে প্রত্যাবাসনের আগে রাখাইনের সার্বিক পরিবেশ স্বচক্ষে দেখে আসতে পারে তার ব্যবস্থা করতে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল মিয়ানমারে গেল।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী কয়েক মাস গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিতে থাকে। এর আগেও বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আসে হাজার হাজার রোহিঙ্গা। সবমিলিয়ে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারে ক্যাম্পগুলোতে অবস্থান করছে।

সর্বাত্মক চেষ্টা করেও গত প্রায় ছয় বছরে সরকার একজন রোহিঙ্গাকেও নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরাতে পারেনি। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে বারবার আশ্বাস দিলেও মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে নানা টালবাহানা করছে। ইতোমধ্যে দেশটিতে সামরিক শাসন ফিরে আসায় প্রত্যাবাসনের আলোচনা অনেকটা এতদিন থমকে ছিল। তবে সম্প্রতি দেশটির একটি প্রতিনিধি দলের সফরের পর আবার নতুন করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এবার রোহিঙ্গ প্রতিনিধি দলের সফরে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে।

 


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




মুন্সীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা, আটক ৩

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:  স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের দ্বন্দ্বে  ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সুমন হালদার (৪৫) কে গুলি করে হত্যা করেছে চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা । 


রবিবার দুপুর ১ টার দিকে জেলার টঙ্গিবাড়ি উপজেলার পাঁচগাও বাজার এলাকার আলহাজ্ব ওয়েদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এই হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটে।  নিহত এস এম সুমন হালদার পাঁচগাও ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন৷ 


সে ওই গ্রামের পিয়ার হোসেন হালদারের ছেলে। তার একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। 


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,রবিবার ওয়েদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন চলছিলো এসময় ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে নিহতের চাচা ও চাচাতো ভাই  মৃত মকবুল হালদারের ছেলে নুর মোহাম্মদ, 


নর আহম্মেদ ভোলা,চাচাতো ভাই সেকু নুর ও  কাউসারের সাথে কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে  ইউপি চেয়ারম্যান সুমনকে এলোপাথারি গুলি করে৷


 পরে আসে পাশের লোকজন ছুটে এসে সুমনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে টঙ্গিবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে৷ 


এঘটনায় মৃত মকবুল হালদারের ছেলে নুর মোহাম্মদ তার ছেলে সেকু নুর ও কাউসার নামের ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা আরো বলেন হত্যা কান্ডের সাথে জড়িতরা সবাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মিলেনুর রহমান মিলন এর অনুসারী। 


নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে টঙ্গিবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোল্লা শোয়েব আলী বলেন,হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তাৎক্ষণিক কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে ।


আরও খবর



সন্ধান মিলেছে বেনজিরের ৭ পাসপোর্টের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রে নজিরবিহীন জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে আলোচিত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে।



 এ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের চারজন পরিচালক, একজন উপপরিচালক ও দুজন উপসহকারী পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই সঙ্গে বেনজীর আহমেদের ৭টি পাসপোর্টের সন্ধান পেয়েছে দুদক।



দুদকের ঊর্ধ্বতনসূত্রে জানা গেছে, বেনজীরের ৭টি পাসপোর্টের মধ্যে কয়েকটি পাসপোর্টের নম্বর হলো- E0017616, AA1073252, BC0111070, BM0828141 ও 800002095। এছাড়া, আরও দুইটি পাসপোর্ট রয়েছে।


মঙ্গলবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় দুদকের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগে পাসপোর্ট অধিদফতরের আট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।


বেনজীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত পুলিশের এ সাবেক মহাপরিদর্শক বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে সাধারণ পাসপোর্ট তৈরি করেছেন। পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রেও আশ্রয় নিয়েছেন নজিরবিহীন জালিয়াতির।



 কিন্তু নবায়নের সময় ধরা পড়লে বেনজীরের সেই পাসপোর্ট আটকে দেয় পাসপোর্ট অধিদপ্তর। চিঠি পাঠানো হয় র‍্যাব সদর দপ্তরে। কিন্তু অবৈধ প্রভাব খাঁটিয়ে সব ব্যবস্থা করে ফেলেন সাবেক আইজিপি। পাসপোর্ট অফিসে না গিয়ে নেন বিশেষ সুবিধাও।



জানা গেছে, চাকরিজীবনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তিনি সরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে নীল রঙের অফিসিয়াল পাসপোর্ট করেননি। সুযোগ থাকার পরও নেননি লাল পাসপোর্ট।


এদিকে, বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে দুদক থেকে দুই দফা তলব করা হলেও তারা সংস্থাটির ডাকে হাজির হননি। নিজেরা হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন তারা।


প্রসঙ্গত, বেনজীরের বিশাল বিত্তবৈভব নিয়ে গত ৩১ মার্চ ও ৩ এপ্রিল প্রতিবেদন প্রকাশ হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এতে সাবেক এই আইজিপি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে আসে।



 প্রতিবেদনে বলা হয়, গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে সাভানা ইকো রিসোর্ট নামে প্রায় ১৪শ’ বিঘা জমিতে একটি রিসোর্ট গড়ে তুলেছে বেনজীর পরিবার। এ ছাড়া ঢাকা ও পূর্বাচলে সাবেক এ আইজিপির একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়ি আছে। তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আছে অন্তত ছয়টি কোম্পানি। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে বেনজীরের বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। 



পরবর্তীতে অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে গত ১৮ এপ্রিল অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ২২ এপ্রিল শুরু হয় তাদের অনুসন্ধান।


অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মীর্জা ও তিন মেয়ের নামে ১৯৬টি দলিলে থাকা ৬২৭ বিঘা জমি (২০ হাজার ৭০৩ শতক), ৩৩টি ব্যাংক হিসাব ও ২৫টি কোম্পানিতে বিনিয়োগের সন্ধান পায় দুদক। এরপর সংস্থাটির আবেদনের প্রেক্ষিতে এসব সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।


আদালতের নথি থেকে জানা যায়, বেনজীরের সম্পত্তির একটি বড় অংশ রয়েছে তার নিজ জেলা গোপালগঞ্জের তিন উপজেলায়। গোপালগঞ্জ সদরে ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৬৫টি দলিলে ২৪০ বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।



 টুঙ্গিপাড়ায় তিনটি দলিলে ৪৭ শতাংশ, কোটালীপাড়ায় ৩৫ বিঘা জমি কিনেছেন। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী জেলা মাদারীপুরের রাজৈরে ২০২১ ও ২০২২ সালে তার স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে প্রায় ২৮০ বিঘা জমি কেনা হয়েছে।


অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-কন্যাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২৮ মে তলবি নোটিশ পাঠায় দুদক। এর আগে গত ৪ মে সপরিবারে দেশ ত্যাগ করেন বেনজীর।


বেনজীর আহমেদ ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি এলিট ফোর্স র‌্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাড়ে চার বছর র‌্যাবের নেতৃত্ব দেওয়ার পর ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি।


এদিকে ‘গুরুতর’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‌্যাব ও এর সাবেক-বর্তমান ৭ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর। 



তালিকায় র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হিসেবে বেনজীর আহমেদের নামও স্থান পায়। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরির আইন অনুযায়ী অবসরে যান তিনি।


আরও খবর



রাজধানী ঢাকা এখন ফাঁকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে রাজধানী ছেড়েছেন লাখো মানুষ। কেউ গেছেন গ্রামের বাড়িতে, আবার কেউ পরিবার নিয়ে বেড়াতে গেছেন কোনো পর্যটন স্থানে। ফলে রাজধানীতে মানুষের চাপ নেই বললেই চলে।

মানুষের চাপ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সড়কেও। দেখা যায়নি চিরচেনা যানজট। গণপরিবহনে ওঠার জন্য নেই কোনো হুড়াহুড়ি। সবমিলিয়ে ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর রাজপথ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর কুড়িল, বাড্ডা, রামপুরা, শান্তিনগর ও পল্টন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে ঢাকার রাজপথে যানবাহন ও যাত্রীদের উপস্থিতি একেবারেই কম। রাস্তায় হাতেগোনা কয়েকটি গণপরিবহন চলছে, এসব বাসেও যাত্রীর সংখ্যা খুব কম। অন্যদিকে রাস্তায় কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন, সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করছে।

রাস্তায় বের হওয়া মানুষজন জানান, ঈদের ছুটিতে রাস্তা ফাঁকা থাকায় এক ঘণ্টার রাস্তা ১০-১৫ মিনিটে যাওয়া যাচ্ছে।

রাজধানীর রামপুরা থেকে বাসে উঠে ২০ মিনিটে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছেছেন রজব আলী। তিনি বলেন, ফাঁকা ঢাকায় ঈদের ছুটিতে ঘুরতে বের হয়েছি। রাজধানীতে মানুষের চাপ নেই বললেই চলে। মাত্র ২০ মিনিটের রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোড এসেছি। আগে এ রাস্তায় এলে তো ঘণ্টা পার হয়ে যেত। ফাঁকা ঢাকায় ঘুরতে ভালোই লাগছে।

এদিকে, ফাঁকা ঢাকায় অনেকে রিকশায় চেপে ঘুরতে বের হয়েছেন। রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে রিকশায় করে ঘুরতে বের হওয়া যাত্রী শামসুল হক বলেন, এবারের ঈদ ঢাকাতে পালন করেছি। ঈদে সবচেয়ে ভালো লাগে ঢাকার ফাঁকা রাস্তা। এসময়ে রিকশা দিয়ে ঘুরতে খুব ভালো লাগে। তাই আজ পরিবার নিয়ে বের হয়েছি রিকশা দিয়ে ঘোরাঘুরি করার জন্য।

তবে রাস্তা ফাঁকা হলেও কিছুক্ষণ পরপর গণপরিবহন দেখা যাচ্ছে ঢাকার রাস্তায়।ঢাকায় যে অল্পসংখ্যক মানুষ রয়ে গেছেন তারা ঈদের ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনের বাসায় যাচ্ছেন, ঘুরতে বের হচ্ছেন। এ কারণে স্বল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়েই গণপরিবহন চলছে। ঈদের উপলক্ষ্যে ভাড়া কিছুটা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান যাত্রীরা।

সদরঘাট থেকে উত্তরাগামী ভিক্টর ক্লাসিকের একটি বাসের চালক জুনায়েদ বলেন, এখন রাস্তায় চাপ নেই, যাত্রীও নেই। তারপরও মাঝেমধ্যে কিছু যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে, সেজন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি। সদরঘাট থেকে উত্তরা এখন পর্যন্ত দুই ট্রিপ দিয়েছি। রাস্তা একদম ফাঁকা, কোথাও বিন্দুমাত্র যানজট নেই।


আরও খবর



ইভিএম প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াতে চায় ইসি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শেষ পর্যায়ে এসে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর তোড়জোড় শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চলতি মাসেই এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে এ সময়সীমা আরও এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে সংস্থাটি। এখন এর ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে ইসি।

গেলো কয়েক বছর ধরে দেশের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আলোচনায় থাকে ইভিএম। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেড়শ আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক ইভিএম যন্ত্রের অভাবে তা করা যায়নি।

২০১৮ সালে ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ইভিএম প্রকল্প হাতে নেয় ইসি। কেনা হয় দেড় লাখ ইভিএম। প্রতিটি ইভিএম কিনতে খরচ হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। এগুলোর জীবনকাল কমপক্ষে ১০ বছর বলা হলেও পাঁচ বছরের মাথায় নষ্ট অবস্থায় পড়ে আছে এর বেশিরভাগ যন্ত্র। নেই রক্ষণাবেক্ষণের কোনো ব্যবস্থা।

বর্তমানে এক লাখের বেশি ইভিএমই পড়ে আছে অচল অবস্থায়। এর বিপরীতে ভালো আছে ৪০ হাজারের মতো ইভিএম।

এ অবস্থায় আর কদিন পরই শেষ হতে যাচ্ছে ইভিএম প্রকল্পের মেয়াদ। কিন্ত শেষ পর্যায়ে এসে ইসি আরও এক বছর এ মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের ব্যয় মেটাতে অবশিষ্ট প্রায় ১০০ কোটি টাকা দ্রুত ছাড় পেতেও আবেদন জানানো হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ইসির প্রস্তাব পাস হলে শুরু হবে ইভিএম-এর নতুন অধ্যায়।

ইভিএম প্রকল্প পরিচালক কর্নেল সৈয়দ রাকিবুল বলেন, প্রজেক্ট রান করলে আমাদের দেখতে হবে কতগুলো ইভিএম সচল আছে, আর কতগুলো নষ্ট হয়ে আছে। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লে পুরো বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে পরবর্তীতে তা হস্তান্তর করা যায়।

তবে এর শেষ রক্ষা হবে কি-না, তা নির্ভর করছে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। প্রকল্প পাস না হলে জুনের পরেই ধ্বংস করতে হবে ইসির হাতে থাকা ইভিএমগুলো। পুড়িয়ে বা নষ্ট করে ফেলা হবে সচল-অচল মিলিয়ে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার এ মেশিনগুলো।

সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে ইভিএম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ইভিএম প্রকল্প বাঁচাতে নতুন করে তোড়জোড় শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




কুড়িগ্রামে ৪১ ইউনিয়নে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:


ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী, নুনখাওয়া ও হাতিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।


 অপরদিকে দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করায় তলিয়ে যাচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।



বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী ৪১টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের দুই শতাধিক গ্রাম। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যমতে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় থাকলেও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের হিসাব মতে দুর্যোগ কবলিত হয়েছে ৬২ হাজার দুইশ মানুষ।



শনিবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ৬৮ সেন্টিমিটার ও হাতিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৭২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং দুধকুমার নদের পানি বেড়ে পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র।


বন্যার পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় বানভাসি পরিবারগুলো বসতবাড়িতে বাঁশের মাচান, নৌকা ও কলাগাছের ভেলায় আশ্রয় নিয়ে দুর্ভোগকে সঙ্গী করে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অধিকাংশ পরিবারে ৫দিন ধরে চুলা জ্বলছে না। চারণভূমি তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকটে গবাদিপশু নিয়ে সংকটে পড়েছে বানভাসীরা।



বানভাসীদের অনেকেই গবাদি পশুসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের কাঁচা-পাঁকা সড়কগুলো বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বানভাষীদের মাঝে খাদ্য, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও শুকনো খাবার এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে বন্যা কবলিতরা।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্রসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি আরও ৪৮ ঘণ্টা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। ব্রহ্মপুত্রের পানি তিনটি পয়েন্টে এবং দুধকুমারের ১টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যন্য নদ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। 

 

কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, এখন পর্যন্ত বানভাসীদের জন্য ৯ উপজেলায় ২৮২ মেট্রিক টন চাল ও ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মজুত আছে ৩৯৫ মেট্রিক টন চাল ও ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার- যা পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।


কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, স্থানীয় প্রশাসন বন্যার্তদের পাশে থেকে দুর্ভোগ কমাতে সবধরনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবার রংপুর বিভাগীয় বিভাগীয় কমিশনার মো. জাকির হোসেন কুড়িগ্রাম সদর ও উলিপুর উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন এবং বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।


তিনি আরও জানান, জেলার ৯ উপজেলার মধ্যে ৮ উপজেলা বন্যাকবলিত। ৪০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন এক হাজার ২৪৬জন। শুক্রবার ৭ উপজেলায় ২ হাজার ৮৫০টি পরিবারের মাঝে ২৮ মে.টন চাল বিতরণ করা হয়। এছাড়া শুকনো খাবার, তেল, ডালসহ প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।




আরও খবর