Logo
শিরোনাম

রাইসির মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন মুসলিম বিশ্ব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে মুসলিম দেশগুলোতে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান তার এক্স অ্যাকাউন্টে আবেগঘন একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, আমি আমার এক ভাই হারালাম। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ছিলেন আমার প্রিয় একটি ভাই। তাকে হারিয়ে আমি গভীর শোকাহত।

তিনি আরও লেখেন, এই শোকের দিনে তুরস্কের মানুষ ইরানি ভাইদের সঙ্গে আছে। প্রেসিডেন্ট রাইসির মৃত্যুতে তুরস্কের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণ গভীরভাবে শোকাহত। এটি কি নিছকই দুর্ঘটনা, না-কি এর পিছনে অন্য কিছু আছে, তা খুঁজে বের করতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহযোগীতা করবে তুরস্ক।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট রাইসি ও তার সঙ্গীদের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে জানায়, এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা ইরানের পাশে রয়েছি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ গভীর সমবেদনা এবং সহানুভূতি প্রকাশ করে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, মহান ইরানি জাতি তাদের প্রথাগত সাহসের মাধ্যমেই এই ট্র্যাজেডি কাটিয়ে উঠবে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় পাকিস্তান একদিনের জন্য শোক পালন করবে এবং পাকিস্তান তার পতাকা অর্ধনমিত করবে।

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা এবং নিহতদের জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার কাছেই ফিরে যাব।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, তার (ইব্রাহিম রাইসি) পরিবার এবং ইরানের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ভারত এই দুঃখের সময়ে ইরানের পাশে আছে।

এ ছাড়া ইরাক, সিরিয়া, আজারবাইজান, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, মিশর, লেবানন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, জর্ডান, কুয়েত, ইয়েমেন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় কাউন্সিল ও জাতিসংঘ মহাসচিব শোকপ্রকাশ করেছে।

এর আগে, রোববার (১৯ মে) আজারবাইজানের সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। পরে দীর্ঘসময় উদ্ধার অভিযান চালানোর পর হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পায় তারা। এরপর হেলিকপ্টারে থাকা কোনো আরোহী জীবিত নেই বলে নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে, ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ মোখবের। তিনি বর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মারা গেলে বা কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হলে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে হবে। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলাবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য, ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। তিন বছর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ইব্রাহিম রাইসিকে মনে করা হয় একদিন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি হবেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বিচারপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।


আরও খবর



ঢাকার কাঁচাবাজারে মরচি ও পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা,উচ্চমূল্য নিত্যপণ্যে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


দীর্ঘদিন ধরেই নিত্যপণ্য, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, এমনকি মসলাজাত পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। 


সপ্তাহের ব্যবধানেই বেড়ে যাচ্ছে সবজিসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের বিভিন্ন দাম। বিশেষ করে অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচামরিচের বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজসহ কিছু পণ্যের দাম।



শুক্রবার (২১ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারের তথ্যে দেখা গেছে, আগের মতোই উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি, চিনি, চাল, আটা, ডাল ও মাছ। তবে কোরবানির পরে মুরগীর দাম কিছুটা থম ধরে আছে।



ঈদের আগে থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম। বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায়। গত সপ্তাহে যা বিক্রি হয়েছিল ২০০ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে ১০০ টাকারও বেশি।


এছাড়া ঈদের আগে পাইকারি ৭৫-৮০ টাকা কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। কিন্তু আজ পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা।


 এছাড়া খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যেখানে গত সপ্তাহেও ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ। বিভিন্ন জাতের এবং আমদানি করা রসুন ২২০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকায়।



এদিকে, আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, যা গত এক-দুই সপ্তাহে অনেক জায়গায় ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। স্থানভেদে পাকা টমেটোর কেজি ৭০-৮০ টাকা, পেঁপে ৫০-৬০ টাকা, জাত ও মানভেদে বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা ও পটল ৪০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।


এছাড়া চিচিঙ্গা ৬০-৭০ টাকা, ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা, কচুর মুখী মানভেদে ৮০-১০০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা ও কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।


মাছের বাজারে পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৩০ টাকা কেজি। আকার ও মানভেদে অনেকটা একই দামে বিক্রি হচ্ছে তেলাপিয়া। চাষের কই ২৮০-৩০০ টাকার নিচে মিলছে না। আকার ও মানভেদে রুই-কাতলার দাম হাঁকানো হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি। আকারভেদে শিং মাছ ও বাইলা মাছ প্রতি কেজি প্রকারভেদে ৬০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


এছাড়া পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০, পাবদা মাছ ৩৫০ থেকে ৫০০, মলা ৫০০, কাচকি মাছ ৬০০, বাতাসি টেংরা ৯০০, অন্য জাতের টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৭০০, পাঁচ মিশালি মাছ ৪০০-৫০০, বাইম মাছ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা ও রুপচাঁদার কেজি ১ হাজারে বিক্রি হতে দেখা গেছে।


মাংসের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, গরুর মাংসের কেজি ৭৮০-৮০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি স্থানভেদে ১৯০-২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি ও লেয়ার জাতের মুরগির কেজি স্থানভেদে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। 


খাসির মাংস আগের মতোই ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।


আরও খবর



অনুমোদনহীন ক্লিনিক বন্ধের হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

রোগীদের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রোধ করতে দেশের সব অনুমোদনহীন বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। পাশাপাশি নিষিদ্ধ চেতনানাশক এনেসথেসিক ড্রাগস হেলোথন ব্যবহার করলে চিকিৎসকসহ এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নবনির্মিত মুজিব কর্ণারের উদ্বোধন শেষে এসব কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, গত দুদিন আগেও ঢাকায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ হেলোথন ড্রাগস বিক্রি করলে, কোনো হাসপাতালে ব্যবহার করলে এবং কোনো চিকিৎসক এর সঙ্গে জড়িত থাকলে সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সারা দেশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসা সেবার মান উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এটি বাস্তবায়ন হলে রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরের হাসপাতালগুলোতে রোগিদের চাপ অনেক কমে আসবে বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

এ ছাড়া বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে এনসিডি কর্ণার অর্থাৎ নন কমিউনিকুল ডিজিজ কর্ণারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এনসিডি কর্ণারের মাধ্যমে রোগীদের রক্ত চাপ, ডায়বেটিস ও ক্যানসার নির্ণয়ের পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এই সেবা চালু করা গেলে দেশের বড় বড় হাসপাতালগুলোতে আর রোগীদের যেতে হবে না। স্থানীয়ভাবেই তারা জটিল রোগসহ সব ধরনের রোগের আধুনিক চিকিৎসা সেবা পাবেন।


আরও খবর



আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে কোরবানির মাংস দেড় হাজারের উপরে ভাগ করা হয়

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামে ঈদ উল আজহা উপলক্ষে দেশের অন্যতম কোরবানির মাঠে ১৫৬টি খাসি ৭০টি গরু কোরবানী করা হয়েছে।


 কোরবানির মাংসের বন্টন হয়েছে ১৫শ ৫৫টি। আাড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী কোরবানির মাঠ দেশের বৃহত্তম কোরবানির মাঠ বলে বলে দাবী করেন অনেকে।  


উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামের কোরবানির মাঠটি দুটি ঈদগাহ ও সাতটি মসজিদ সমাজ নিয়ে গঠিত। এ কোরবানির সমাজের এ বছর ১৫৬টি খাসি ও ৭০টি গরু কোরবানি করা হয়েছে। 


জানা যায়, বৈলাজান কোরবানির মাঠে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় পশু জবাই, মাংস তৈরির কাজ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এ উপলক্ষে মাঠে বিরাজ করে আনন্দ ঘন পরিবেশ। 


যার যার কোরবানিকৃত পশুর মাংস বানাতে নিজেরাই ব্যস্ত  হয়ে পরে। মাঠে এক পাশে বসে দোকান। ছোট ছেলে মেয়েরা আনন্দ উল্লাস করে থাকে। এ কোরবানির মাঠে রয়েছে এক ঐতিহ্যবাহী নিয়ম।



 এখানে পশু জবাই করার পর তা তিন ভাগের একভাগ মাংস জমা রাখতে হয়। যেখানে জমা রাখা হয় তাকে বলা হয় পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতে দায়িত্বে থাকা সেচ্ছাসেবীরা কোরবানি সমাজের ১৫৫৫টি খানার মধ্যে তা সমান হারে বন্টন করে যার যার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে।



পঞ্চায়েত সভাপতির দায়িত্ব থাকা ইউপি সদস্য মো. শাজাহান মিয়া বলেন, ‘আমাদের এ কোরবানির মাঠ কবে থেকে শুরু হয়েছে তা আমরা বলতে পারব না। আমার দাদা বাবারা এই মাঠে কুরবানি করেছেন। আমার দাদা করেছে আমার বাবা করেছে আমরাও কোরবানি করছি।’ 


এ ব্যাপারে অন্যান্যরা বলেন, এই কোরবানির মাঠে আমাদের বাপ দাদারা ও কোরবানি করেছে। এটি আমাদের ভাতৃত্বের বন্ধনকে সুদৃড় করে। এটি আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য।


আরও খবর



১২০ টাকায় উঠল ডলারের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ব্যাংক প্রতি ডলারের দর ১২০ টাকার বেশি নিচ্ছে। আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি করতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এই টাকা নেওয়া হচ্ছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, তারা রেমিট্যান্স কিনেছেন ১১৯ টাকায়। এ কারণে আমদানিকারকদের কাছ থেকে ডলারের দর ১২০ টাকা নিতে হচ্ছে। বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তারা জানান, ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালু করে ডলারের যে রেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, সেই রেটে ডলার কিনতে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাড়তি দরে ডলার কেনাবেচা শুরু করেছেন তারা।

গত ৮ মে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ের জন্য ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে। ক্রলিং পেগ মিড-রেট (সিপিএমআর) বা এই ব্যবস্থার আওতায় প্রতি ডলারের মাঝামাঝি বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১১৭ টাকা করে। যদিও এই ব্যবস্থা চালুর আগে দেশে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা। আইএমএফের ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের শর্ত হিসেবে সংস্থাটির পরামর্শ অনুযায়ী ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু এই দরে কোথাও ডলার মিলছে না। যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ক্রলিং পেগ পদ্ধতির আশপাশেই আন্তঃব্যাংকে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে বলে তথ্য দেওয়া হয়েছে।

তবে একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, মঙ্গলবার তাদের ব্যাংক ১১৯ টাকায় রেমিট্যান্স কিনেছে। আর আমদানি এলসি নিষ্পত্তি করা হয় ১২০ টাকার বেশি দরে।

এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেন, ক্রলিং পেগ চালুর প্রথম সপ্তাহে সব ব্যাংক ঠিকঠাক অনুসরণ করলেও এখন অনেক ব্যাংক বেশি রেটে ডলার সংগ্রহ করছে, একইসঙ্গে এলসি খুলতেও বেশি রেট নিচ্ছে। শরিয়াভিত্তিক অধিকাংশ ব্যাংক এই ক্রলিং পেগ রেট অনুসরণ করছে না বলে জানান তিনি।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ডিলারদের সংগঠন বাফেদা ডলারের একটি আনুষ্ঠানিক দর ঘোষণা করত। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হতো। নতুন পদ্ধতি চালুর আগে সর্বশেষ ঘোষিত দর ছিল ১১০ টাকা।

মঙ্গলবার (২১ মে) থেকে কিছু কিছু ব্যাংক বিদেশি এক্সেঞ্জ হাউজগুলো থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে ১১৯ টাকা দরে। এছাড়া, আমদানিকারকদের এলসি নিষ্পত্তি করেছে ১২০ টাকা কিংবা তার চেয়েও বেশি দরে। এদিকে খোলা বাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকারও বেশি দরে।


আরও খবর



আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, কার্যকর ১ জুন থেকে

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ডিজেল ও কেরোসিনে লিটারে ৭৫ পয়সা এবং পেট্রোল ও অকটেনে ২.৫০ টাকা বাড়িয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করেছে সরকার। 


এরই ধারাবাহিকতায় ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিনের বিদ্যমান মূল্য ১০৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৭ টাকা ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি লিটারপ্রতি পেট্রোলের বিদ্যমান মূল্য ১২৪.৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২৭ টাকা এবং অকটেনের বিদ্যমান মূল্য ১২৮.৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দর আগামী ১ জুন থেকে কার্যকর হবে।


বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জ্বালানি তেলের এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।



বৃহস্পতিবার (৩১ মে) এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার গত মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় ফর্মুলার আলোকে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করছে। 


তারই ধারাবাহিকতার প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিনের বিদ্যমান মূল্য ১০৭ টাকা (লিটার) থেকে ০.৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ১০৭.৭৫ টাকা, পেট্রোলের বিদ্যমান মূল্য ১২৪.৫০ টাকা (লিটার) থেকে ২.৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১২৭ টাকা এবং অকটেনের বিদ্যমান মূল্য ১২৮.৫০ টাকা (লিটার) থেকে ২.৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সমন্বয়কৃত এ মূল্য ১ জুন, ২০২৪ থেকে কার্যকর হবে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কিছুটা হ্রাস পেলেও মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে এ মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। মূল্য সমন্বয়ের পরও ভারতের কলকাতায় বর্তমানে ডিজেল লিটারপ্রতি ৯০.৭৬ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২৫.৭০ টাকায় এবং পেট্রোল ১০৩.৯৪ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪৩.৯৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা বাংলাদেশ থেকে লিটারপ্রতি যথাক্রমে প্রায় ১৭.৯৫ টাকা ও ১৬.৯৬ টাকা বেশি।



আরও খবর