Logo
শিরোনাম

রাণীনগরে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতা-কর্মীসহ চারজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:Wednesday ২৩ November ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ৩০ January ২০২৩ |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সৈনিক দল রাণীনগর উপজেলা শাখার সভাপতি পাভেল রহমান (৩৩) ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মানিক হোসেন(৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া অপহরণ মামলায় একজন এবং আদালতের পরোয়ানায় আরো একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মঙ্গলবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাণীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সেলিম রেজা বলেন,গত ১৭ নভেম্বর উপজেলা সদরে আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে ১২জন এজাহারনামীয় ও আরো ৪০/৫০জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে ১৭ নভেম্বর রাতে মামলা দায়ের করা হয়। এঘটনায় সোমবার রাতে উপজেলার খট্রেশ^র গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের মোস্তাফিজুরের ছেলে পাভেল রহমান (৩৩) ও একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মানিক হোসেন (৩০) কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া একই রাতে উপজেলার বেতগাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি অপহরণ মামলার আসামী শাহারিয়ার নাইম(২০)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাইম উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের করুন প্রামানিকের ছেলে। একই রাতে উপজেলার কালীগ্রাম মাঝিপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের শাহাজাহান আলীর ছেলে ওয়াহেদ আলী(৫৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মঙ্গলবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



লালদীঘি ময়দানে গণহত্যার ৩৫ বছর

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ৩০ January ২০২৩ |
Image

অসাংবিধানিক উপায়ে সরকার উৎখাতের চেষ্টা বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

লালদীঘি ময়দানে গণহত্যার ৩৫ বছর উপলক্ষে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তারা এ মন্তব্য করেন। কোর্ট হিল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বক্তারা গণহত্যার নির্দেশদাতা দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জেসি মণ্ডলকে দেশে এনে রায় কার্যকর করার দাবি জানান। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি লালদীঘি ময়দানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনায় সমাবেশে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও পুলিশের গুলিতে প্রাণ দেন ২৪ জন। এই গণহত্যার মামলায় পুলিশের পাঁচ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত।


আরও খবর



দেড় মাসে ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৭৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ৩০ January ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : গত দেড় মাসে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে শিশুসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও তিনজন ডায়রিয়ায় মারা গেছেন। নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে জানুয়ারির ৯ তারিখ পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের শীতজনিত রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর এক বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রোগী চট্টগ্রামে। এ বিভাগে ১৪ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ হাজার রোগী এ রোগে ভুগছেন।

ময়মনসিংহে তিন হাজার ৫৮২ জন, রাজশাহীতে এক হাজার ৮৩৬ জন, রংপুরে এক হাজার ৪৭২ জন, খুলনায় ছয় হাজার ৬১৭ জন, বরিশালে তিন হাজার ৩২১ জন ও সিলেট বিভাগে দুই হাজার ৮৬৬ জন শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে মারা যাওয়া ৭৩ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এ বিভাগে মারা গেছেন ৪৯ জন। এছাড়া ময়মনসিংহে ২০ জন, খুলনায় দুজন ও বরিশালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি বিভাগগুলোতে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ দুই লাখ ২৮ হাজার ৫২১ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে ১৪ নভেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে কেউ মারা যাননি। তবে চট্টগ্রাম বিভাগে এসময়ে ডায়রিয়ায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আর বিভাগটিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার।


আরও খবর



নওগাঁয় তীব্র শীত অপেক্ষা করে বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ৩০ January ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ জেলা মূলত উত্তর জনপদের খাদ্যশস্য ভান্ডার খ্যাত হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। 

ইতি মধ্যেই নওগাঁ জেলায় হিমেল হাওয়া ও হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যেই বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

জেলার আত্রাই উপজেলার প্রতিটি মাঠে মাঠে চলছে এখন বোরো ধান রোপনের কাজ। শুধু আত্রাই উপজেলা নয় নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে মাঠে (বিশেষ করে নিচু জমিতে) চলছে আগাম বোরো ধানের চারা রোপনের কাজ। সঠিক সময়ে বোরো ধান রোপন করতে পেরে খুশি কৃষকরা।

প্রচন্ড শীত আর সেই সাথে ঘণ কুয়াশায় বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে চারা রোপন করা পর্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যেই সময় কাটছে ধান চাষি কৃষকদের। ইতোমধ্যে নানা সমস্যার মধ্যেও বোরো চারা রোপনের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। এখন গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপনের কাজ চলছে। কোনো জমিতে চলছে চাষ, বীজতলা থেকে তোলা হচ্ছে বীজ, চলছে রোপন সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে চলছে বোরো ধান রোপনের কাজ।

কৃষকরা বলছেন, এক ফসল বিক্রি করে অন্য ফসল আবাদ করা হয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে এখন কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ধান চাষের কৃষি জমিগুলো লিজ দিয়ে তৈরি  করছেন মাছ চাষের পুকুর। এতে করে স্থায়ী ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ৩ ফসলী শত শত বিঘা কৃষি জমি।

নওগাঁর আত্রাইয়ের সাহাগোলা গ্রামের ধান চাষি কৃষক আজাদ সরদার বলেন, গত বছর তিনি ৮বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এবার করছেন ৫বিঘা জমিতে। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে প্রায় জমি তৈরির কাজ শেষের দিকে। আর ক’দিনের মধ্যে চারাগাছ রোপন করা শুরু করব।

ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী বলেন, পৌষ মাসের শুরুতেই বোরো ধান রোপন করা শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকরা মাঠে নামতে পারেননি। তাই চলতি মৌসুমে বোরো ধান রোপনে কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেলো। এতে করে ফলনও একটু ব্যাহত হতে পারে বলে ধারনা পোষন করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউছার হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলার তেমন একটা ক্ষতি না হওয়ায় আত্রাই উপজেলার কৃষকরা অনেকটা স্বস্তিতে রয়েছে। তিনি আরোও জানান, উপজেলায় চলতি বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। এ পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় শতকরা ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হয়েছে। অতিদ্রুত পুরো উপজেলার সকল মাঠের জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদি।

এছাড়াও উপজেলার কৃষকদের বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে জমিতে চারা রোপন করা পর্যন্ত সকল পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। কৃষি অফিস যে কোন প্রয়োজনে যে কোন সময় কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। 


আরও খবর



৭২ জন আরোহী নিয়ে নেপালে বিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Sunday ২৯ January ২০২৩ |
Image

৭২ জন আরোহী নিয়ে নেপালে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪০ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।

রবিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ইয়েতি এয়ারলাইন্সের বিমানটি রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে পোখারার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পোখারায় অবতরণ করার সময় পুরাতন বিমানবন্দর ও নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাঝামাঝি এলাকায় এটি বিধ্বস্ত হয় বলে জানিয়েছেন ইয়েতি এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র সুদর্শন বারতুলা। বিমানটিতে ৬৮ জন যাত্রী এবং চারজন ক্রু ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ৫৩ জন নেপালের, পাঁচজন ভারতের, চারজন রাশিয়ার, আয়ারল্যান্ডের একজন, দক্ষিণ কোরিয়ার দুইজন, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনার একজন করে নাগরিক বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। উদ্ধারকাজ চলছে। আপাতত বন্ধ আছে পোখারা বিমানবন্দরের কার্যক্রম।  


আরও খবর



ধাপে ধাপে বাড়বে বিদ্যুতের দাম !

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ৩০ January ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :একবারে দাম না বাড়িয়ে ধাপে ধাপে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চিন্তা করছে সরকার। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন একবারেই গ্রাহকপর্যায়ে দাম ১৫ ভাগ বাড়ানোর চিন্তা করছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী আদেশে মূল্যবৃদ্ধির আগে মানুষের ওপর এর কতটা চাপ পড়বে সেই বিবেচনা করার কথা বলা হয়।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বিদ্যুতের দাম একবারে ১৫ থেকে ২০ ভাগ বাড়লে বাজারে পণ্যের দাম অনেকটা বেড়ে যায়। এজন্য সরকারের যদি কিছুটা লোকসানও হয় তাহলেও ধাপে ধাপে দাম বাড়ালে মানুষের ওপর পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব খুব একটা পড়ে না ।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, আগামী দুই মাসে আবার পাঁচ ভাগ হারে গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হবে। গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পরে বিষয়টি সমন্বয় করে দেখা হবে। যদি মনে করা হয় পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো প্রয়োজন, তাহলেই তা বাড়ানো হবে। যদিও পিডিবি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হবে উল্লেখ করে। এরই মধ্যেই ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা করে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, পিডিবি হয়তো শুধু নিজেদের কথা চিন্তা করছে। কিন্তু সরকার সামগ্রিক ভর্তুকির কথা চিন্তা করছে।

গত বছর বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পিডিবিকে ২৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে। চলতি বছর এর পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা পিডিবির জন্য ভর্তুকি প্রয়োজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এত বেশি পরিমাণ ভর্তুকি দেওয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব না হওয়ায় সরকার বিদ্যুৎ এবং জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমরা প্রতি মাসে অল্প অল্প করে বিদ্যুতের দাম বাড়াব। এতে মানুষের ওপর চাপ কম পড়বে। সরকার ১২ জানুয়ারি নির্বাহী আদেশে গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ ভাগ দাম বাড়ায়। এর আগে ১৯ ভাগ পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় বিইআরসি।

এদিকে, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ইনপুট খরচ বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আর্থিক ক্ষতি ৫৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে সংস্থাটির লোকসান ছিল ২৯ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা।

পিডিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পর গ্যাস বিল পরিশোধ করতে আমাদের ১০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত গুনতে হবে।

সরকার গত ১৮ জানুয়ারি সরকারি, বেসরকারি ও ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্ট এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের জন্য খুচরা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। নতুন এই দাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। তবে বাসাবাড়ি, সিএনজিচালিত মোটরযান ও চা-বাগানের ব্যবহারের জন্য এই দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

পিডিবির সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে তাদের লোকসান ২৯ হাজার ৯১৫ কোটি এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪৮ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করার কথা ছিল। কিন্তু পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পর লোকসান প্রায় ৪ হাজার টাকা কমে ৪৪ হাজার কোটি টাকায় নেমে আসে। এখন ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে এখন লোকসান ১০ হাজার কোটি টাকা বেড়ে যাবে।


আরও খবর