Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

রাণীনগরে গোনা ইউনিয়নে উপকারভোগীদের সাথে এমপির মতবিনিময়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) : নওগাঁর রাণীনগরে গোনা ইউনিয়নের উপকারভোগীদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার গোনা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ঘোষগ্রাম কফিলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর আওতায় উপকারভোগীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল।

গোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে ও অত্র ইউপি সদস্য এসএম জাকারিয়া সরলের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি বারেক মোল্লা, ফরিদা বেগম, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ দুলু, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম হোসেন আকন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক জারজিস হাসান মিঠু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল খালেক, সদস্য রাহিদ সরদার, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলম কচি, ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, উপজেলা ও গোনা ইউনিয়ন আ’লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

অনুষ্ঠানে গোনা ইউনিয়নের উপকারভোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন সভায় অংশগ্রহন করে। সভায় ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা, প্রতিবন্ধি ভাতাসহ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচীর বিভিন্ন ভাতাভোগীরা ভাতা পেয়ে কতটুকু উপকৃত হয়েছেন, ভাতা পাওয়ার পর তাদের জীবন-যাপনের কথা এবং আগামীতে আরো কি কি করলে তারা আরো ভালো থাকতে পারবেন এবং অন্যান্য বিষয়ে সুবিধাভোগীদের মতামতও শোনেন সাংসদ হেলাল।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভাষা ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের প্রতিবাদে সভা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আজ ৩ ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই দিনে পূর্ব বঙ্গজুড়ে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের প্রতিবাদে কমিটি অব অ্যাকশন ঢাকায় আওয়ামী লীগ প্রতিবাদ সভা ডাকে। তবে ১৯৪৭ সাল থেকেই বাঙালি ছাত্র ও নেতাদের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও দাওয়াতে বাংলা ভাষাকে সরকারি মর্যাদা দেওয়ার দাবি তোলা হয়। এভাবে বাংলা ভাষার দাবি পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করে ১৯৪৮ সালের প্রথমদিকে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। মূলত সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে এর সূচনা হলেও ক্রমেই এটি রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়। দুই পর্বে বিভক্ত এ আন্দোলন ১৯৪৮ সালে অনেকটা শিক্ষিত, বুদ্ধিজীবী শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল এবং শুধু বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম হলেও ১৯৫২ সালের আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে। শুধু শিক্ষিত শ্রেণি নয় বরং পুরো বাঙালি জাতির মধ্যে এর প্রভাব পড়ে। এ পর্যায়ে শুধু ভাষার বৈষম্য নয়, আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বাঙালির প্রতি বৈষম্য পরিস্ফূটিত করে। এর ফলে ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতিকে একক রাজনৈতিক মঞ্চে নিয়ে আসে এবং নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতন করে তোলে।

এভাবে অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ, নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি, উদার দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা, সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন বাঙালিকে নতুন পরিমন্ডলে নিয়ে যায়। বাঙালি জাতির পরবর্তীকালে সংগঠিত প্রতিটি আন্দোলনে প্রেরণা আসে ভাষা আন্দোলন থেকে। ভাষা আন্দোলনের শিক্ষাই বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার আন্দোলনে দীক্ষিত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র সংগ্রামে প্রেরণা জোগায়। সুতরাং বলা যায়, ভাষা আন্দোলনের ফলেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে, প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের মতো বহু ভাষাভাষী রাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টির জন্য একটি ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রয়োজনীয়তা প্রথম থেকেই শাসকগোষ্ঠী অনুভব করেন। পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আমলা থেকে শুরু করে প্রভাবশালীদের বড় অংশ ছিলেন উত্তর ভারত থেকে আগত উর্দুভাষী। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান থেকে শুরু করে পাকিস্তানের উচ্চ পদবিধারীরা ছিলেন উর্দুভাষী মোহাজের। জিন্নাহ ও তার উত্তরসূরি লিয়াকত আলীর মন্ত্রিসভাকে তাই মোহাজের মন্ত্রিসভা বলা হতো।

এক হিসাবে দেখা যায়, ১৯৪৭-৫৮ পর্যন্ত পাকিস্তানের ২৭ জন গভর্নর জেনারেল/প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, প্রাদেশিক গভর্নর ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে ১৮ জন ছিলেন মোহাজের। এদের আবার অধিকাংশের ভাষা ছিল উর্দু। যে কারণে প্রথমে থেকেই শ্রেণি স্বার্থে তারা উর্দু ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে ছিলেন। এমনকি নাজিমুদ্দিন যিনি পূর্ববাংলার উচ্চপদে আসীন হয়েছিলেন তিনি ছিলেন উর্দুভাষী। স্বভাবতই তারা ও পশ্চিম পাকিস্তানি জনগোষ্ঠী রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সর্বত্র নিজেদের প্রাধান্য বজায় রাখার জন্য এ ভাষাকে বেছে নেয়। পশ্চিম পাকিস্তানিরা বহু দিন থেকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে উর্দুকে চর্চা করায় তারা উর্দুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেনি। মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ও প্রভাবশালী অংশ পশ্চিম পাকিস্তানি হওয়ায় তারা সবাই এ ভাষার পক্ষে ছিলেন। তবে পূর্ব বাংলায় এর প্রতিবাদ ওঠে। কারণ পূর্ব বাংলায় কখনোই উর্দু চর্চা হয়নি। বাঙালিরা গণতন্ত্র, জনসংখ্যাধিক্য ইত্যাদি কারণে ৫৬ ভাগ বাংলাভাষীদের ভাষা বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা দাবি করেছে।

 তথ্যসূত্র : ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ।


আরও খবর

একজন শুভ্রদেব ও একুশে পদক প্রাপ্তি

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভাষার মাসের প্রথম দিনে নওগাঁয় বর্ণমালা মিছিল

বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হার্টের রিংয়ের দাম কমাতেই হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ওষুধ ও হার্টের রিংয়ের দাম নির্ধারণে বৈঠক বসেছে। তবে দাম কমাতেই হবে। স্বাস্থ্যখাতে এত অসঙ্গতি, এর কোনোটার দায়ই মন্ত্রী হিসেবে এড়ানো সম্ভব নয়। দায় মাথায় নিয়েই কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে, যেকোনো দিন মন্ত্রী হিসেবে অভিযানে যাওয়া যাব আমি।

অভিযানে অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে চিকিৎসাসেবা নেওয়া মানুষের ভোগান্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ভুল জায়গায় চিকিৎসা নেওয়ার চেয়ে চিকিৎসা না নেওয়া ভালো। সঠিক জায়গায় চিকিৎসা নেওয়া উচিত।


আরও খবর

চোখ রাঙাচ্ছে এডিস মশা

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নীরব ঘাতক কিডনি রোগ: আসুন সচেতন হই

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় সরকারি গাছ যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পেটে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় সড়কের পাশে রোপন করা সরকারি গাছ যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পেটে। নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার গোনা ইউনিয়ন এর বড়বড়িয়া বাজার হতে রেললাইন সংযোগ সড়ক এর দুই ধারে সরকারি ভাবে রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির গাছগুলো রাতের আধাঁরে কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালীরা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে সড়কের পাশ দিয়ে এই গাছগুলো রোপন করা হয়েছিলো বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

গত কয়েক মাসে প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ রাতের আধাঁরে কে বা কারা চুরি করে কেটে নিয়ে গেছে। অনুমতি ছাড়াই এসব গাছগুলো কর্তন করায় একদিকে সরকারের লাখ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। অপরদিকে হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ। বড়বড়িয়া হতে রেললাইন সড়কের দু' পাশে পড়ে আছে শুধু মাটির ভিতরে থাকা গাছের গোড়ার মুল অংশ টি। প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা লাখ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ গাছগুলো লুট করছে বলেই জানান স্থানীয়রা। সরকার দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে যেখানে নানা জাতের পরিবেশ বান্ধব বিভিন্ন গাছ রোপনে নানা প্রকল্প গ্রহণ করছে, আর ঠিক সেই সময়-ই সরকারী রাস্তার গাছ রাতের আঁধারে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কেটে নিয়ে গেলেও তেমন কোন পদক্ষেপ নেই প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের।

বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাণীনগর জোনের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইমানুর রশীদ জানান, আমি গাছ কাটার ঘটনা জানতে পেরে সেখানে লোক পাঠিয়েছি এবং অনুসন্ধান চলছে। যেই গাছ কাটুক না কেন, তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ট্রাক চাপায় সড়কে ঝরলো দু'জন কিশোর এর প্রাণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে দু'জন কিশোর নিহত। মর্মান্তিক এ সড়ক দূর্ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরের দিকে বগুড়া শহরের দ্বিতীয় বাইপাস সড়কের সাবগ্রাম এলাকায়। সত্যতা নিশ্চিত করে বগুড়া ফায়ার সার্ভিস এর কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টারদিকে দু'জন কিশোর একটি মোটরসাইকেল যোগে গাবতলী উপজেলা থেকে বগুড়া শহরের দিকে আসার পথে দ্বিতীয় বাইপাসের সাবগ্রাম বড়িয়া এলাকায় পৌছালে এসময় বিপরীদ-মুখী একটি ট্রাকের সাথে মোটরসাইকেল এর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে দূর্ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী এলাকার সুমন এর ছেলে মাহিনুর রহমান (১৪) ও একই উপজেলার দূর্ঘাহাটা গ্রামের উজ্জ্বল রহমান এর ছেলে সিতাব মিয়া (১৫) দু' জনের মৃত্যু হয়। 

এব্যাপারে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে ট্রাক ও মোটরসাইকেল পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং প্রাথমিক আইনানুগ পক্রিয়া শেষে নিহত দু' জনের মৃতদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এক দশকপূর্তি উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে অফিসার্স নাইট উদযাপিত

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার নোবিপ্রবি :

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(নোবিপ্রবি) নানা আয়োজনে অফিসার্স নাইট-২০২৪ উদযাপিত হয়েছে।

শনিবার(১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশনের এক দশক পূর্তি ও নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সংবর্ধনা উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, র‍্যাফেল ড্র,সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, স্পেশাল ডিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স এসোসিয়েশন। এসময় হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামের পাশে ফুসকা,চটপটি,বেলপুরি,চা-কফি ও 

নানান জাতীয় পিঠার স্টল স্থাপন করা হয়।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ টোকেন গ্রহনের মাধ্যমে সপরিবারে অংশ গ্রহন করেন।

নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার মো.জসীম উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায়

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. দিদার-উল-আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপাচার্য এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী,উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল বাকী,কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক ইবনে ওয়াজেদ ইমন। এছাড়াও,অফিসার্স এসোসিয়েশনের নব নির্বাচিত কমিটির সদস্যবৃন্দ,বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক ইবনে ওয়াজেদ ইমন বলেন,আজকের এ সুন্দর প্রোগাম আয়োজনে উপাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।পাশাপাশি  গত ২৮ তারিখ সুষ্ঠুভাবে ভোট আয়োজন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে আজকের এ সংবর্ধনা  অনুষ্ঠানে যারা কাজ করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ।পাশাপাশি যারা ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে আমাকে মনোনীত করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। 

অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন  পলাশ বলেন,আজকের অনুষ্ঠানের সুন্দর পরিবেশ প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি  কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। পাশাপাশি গত, ২৮ তারিখে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে যারা আমাদের  নির্বাচিত করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভবিষ্যত কাজের জন্য সকলের  সহযোগিতা কামনা করছি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জসীম উদ্দীন বলেন, রেজিস্ট্রার বলেন,বর্তমানে যারা দায়িত্বে এসেছেন আপনারা এমন ভাবে কাজ করবেন যাতে করে পরবতীতে যারা ক্ষমতায় আসবে তাদের জন্য আপনারা অনুকরণীয় হয়ে থাকতে পারেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় কে এগিয়ে নিতে সকলের  সহযোগিতা কামনা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন,শিক্ষক, কর্মকর্তা,কর্মচারী এক অন্যের পরিপূরক। শরীরের একটি অঙ্গ অসুস্থ হলে যেমন পুরো শরীরে সেটি অনুভূত হয়। ঠিক তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলে সকলের জন্য সেটি ক্ষতি কারন হয়ে যায়। ইতিমধ্যেই আমরা ডি নথি-ডিজিটাল আইডি কার্ড সহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কাজে   আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এটি সম্ভব হয়েছে আপনাদের সকলের  আন্তরিকতা ও সহযোগিতা কারণে। 

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ আব্দুল বাকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের সকলকে নিয়ে আমরা যেনো ভালো থাকতে পারি সেজন্য এ ধরনের আনন্দ মুখর পরিবেশ খুবই প্রয়োজন । সকলেই পরিবার নিয়ে সমবেত হতে পারি সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী বলেন,নোবিপ্রবির বুকে জাঁকজমকপূর্ণ এ পরিবেশে আজকের আয়োজন ভিন্ন পরিবেশ এনে দিয়েছে । অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সকল কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এটি আরও প্রাণবন্ত এনে দিয়েছে। সকলের প্রতি আমরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি এ নিয়ে নোবিপ্রবিতে কয়েকবার আসা হলো ভবিষ্যতেও সকলের মধ্যে এ বন্ধন অটুট থাকুক, বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাক। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড.দিদার-উল-আলম  বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলেই একসাথে কাজ করে যাবেন। সকলেই এক হয়ে কাজ করলে বিশ্ববিদ্যালয় আরও  এগিয়ে যাবে। আজকের এ ধরনের জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে সংশ্লিষ্ট দের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানান।


আরও খবর