Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

রাঙ্গাবালীতে আ'লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার নাসিরের মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) 

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের ত্রাণ ও সমাজকল্যান বিষয়ক উপকমিটির বিশেষজ্ঞ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার  মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে  মতবিনিময় সভা করেছেন। রোববার বেলা ১১ টায় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী প্রেসক্লাবে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। 

এ সময় মনোনয়ন প্রত্যাশী নাসির উদ্দিন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন উন্নয়নচিত্র তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন নিবেদিত কর্মী হয়ে সামাজিক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করে আসছি। মানুষের সেবায় নিজেকে উজার করে দেওয়াই আমার রাজনৈতিক জীবনের একমাত্র লক্ষ ও উদ্দেশ্য। আশাকরি আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করবেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রবিউল হাসান, পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কার সিদ্দিক, উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের সাবেক কৃষিক লীগের সভাপতি ননী মিয়া প্রমুখ।


আরও খবর

সোমবারের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর ফাঁস নিলেন মা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে  কেয়াইন ইউনিয়নের উত্তর ইসলামপুর গ্রামে ঋণের চাপে দুই শিশু সন্তানকে বিষ খাইয়ে, মায়ের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে

মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দুই শিশুসহ মায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে আশা ব্যুরো বাংলাদেশসহ ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজনের কাছ থেকে ঋণ নেন সায়মা বেগম সেই ঋণ পরিশোধের চাপ সামাল দিতে না পেরে প্রথমে দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে, পরে নিজের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা পুলিশের স্বজনরা জানান, রবিবার সকালেও ঋণ দেয়া প্রতিষ্ঠান থেকে সায়মার খোঁজে আসেন কয়েকজন নিহত দুই শিশুর নাম ছাইমুনা তাওহীদ সায়মা বেগমের স্বামী অনেক বছর ধরে দেশের বাইরে থাকেন

গৃহবধূ সালমা বেগমের স্বজন রোজিনা আক্তার জানান, সালমা বেগম বিভিন্ন এনজিও থেকে সুদে টাকা নিয়ে ঋণগ্রস্ত ছিল। ওই ঋণের কিস্তির টাকা নিতে রোববার সকাল ৯ টার দিকে এনজিও'র দুইজন লোক বাড়িতে এসেছিল। তারা ঘরের দরজা বন্ধ দেখে চলে যায়। তারা চলে যাওয়ার পর রোজিনা জানালা দিয়ে দেখেন, সালমা বেগমের মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আছে আর দুই সন্তান খাটের ওপর পড়ে আছে। 

সিরাজদিখান থানার ওসি মুজাহিদুল ইসলাম জানান, প্রায় ৭ বছর আগে সালমা বেগমের স্বামী ওলি মিয়া ৮ লাখ টাকা ঋণ করে সৌদি আরব যায়। সেই ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ সইতে না পেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে

পুলিশ আরো জানায়, ময়না তদন্তের পর বলা যাবে মৃত্যুর আসল কারণ


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঝালকাঠির ভোরের কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধিকে মারধর করে টাকা ছিনতাই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

জেলা প্রতিনিধি,ঝালকাঠি :

ভোরের কাগজ পত্রিকার ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি ও ঠিকাদার আব্দুল মন্নান তাওহীদকে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায়  মনির হোসেন (৪৮) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে  পুলিশ । 

গ্রেফতার  হওয়া মনির শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা। 

সোমবার  (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি  থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম  গ্রেফতারের বিষয় নিশ্চিত করেন।

লিখিত  অভিযোগে ভুক্তভোগী মন্নান তাওহীদ  জানান, আসামী মনিরের সাথে পূর্ব থেকেই ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের  জের ধরে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে  মনির আমাকে বাসা থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে আসতে বলেন।আমি সেখানে আসলে মনির লোকজন নিয়ে আমাকে  ঘাড় ধরে ধাক্কাইতে ধাক্কাইতে  একটি  চায়ের দোকানের ভিতর ঢুকিয়ে দোকানের ঝাপ আটকিয়ে  অবরুদ্ধ করে  হাতে থাকা রডের চিপ লাঠি দিয়ে আমাকে মারধর করতে থাকে । এসময়  আমার পাঞ্জাবির  পকেটে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস ভবনের রং ক্রয়ের জন্য রাখা  ৭০ হাজার  টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় । 

ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মো.শহিদুল ইসলাম বলেন, মনিরকে সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সবুজ হাইড্রোজেন কি, দক্ষিন এশিয়ার জ্বালানীর চাহিদা পরিবর্তন করতে পারবে ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

পরিচ্ছন্ন শক্তির একটি সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে সবুজ হাইড্রোজেন যথেষ্ট মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং এটিকে  ‘ভবিষ্যতের জ্বালানি’ হিসেবে গন্য করা হচ্ছে। কিন্তু সবার আগে আমাদের বুঝা উচিত এই ‘সবুজ হাইড্রোজেন’ আসলে কী? কিভাবে এটি ‘সবুজে’ পরিনত হয় এর ব্যবহার ও উপকারিতাগুলো কী কী? এই নিবন্ধটিতে আমরা এই প্রতিশ্রুতিশীল শক্তির উৎসের ধরণটি তুলে ধরার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় এর অগ্রগতি এবং সম্ভাবনার বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করছি।

পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প কার্যক্রমে জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন গ্যাস  ব্যবহার করা যেতে পারে। যখন এটি পোড়ানো হয়, এটি কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গত করে না। সবুজ হাইড্রোজেন হল হাইড্রোজেন গ্যাসকে দেওয়া নাম যা নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে উৎপাদিত হয়েছে, যেমন বায়ু বা সৌর শক্তি, যা গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গত করে না।

একটি জ্বালানী ব্যটারী –যা রাসায়নিকের শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে – হাইড্রোজেন গ্যাস অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ এবং জলীয় বাষ্প তৈরি করে। হাইড্রোজেনের কার্বন নির্গত না করে শক্তি উৎপন্ন করার ক্ষমতার কারণে, এটি জীবাশ্ম জ্বালানির একটি সম্ভাব্য  বিকল্প।

হাইড্রোজেন মহাবিশ্বের সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে থাকা  রাসায়নিক উপাদান। অবশ্য প্রচুর পরিমাণে থাকা সত্ত্বেও, হাইড্রোজেন ব্যবহারযোগ্য পরিমাণে গ্যাস হিসাবে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান নয়। এটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে নানা ধরনের যৌগগুলিতে উপস্থিত থাকে, যেমন পানি। তাই হাইড্রোজেন কেবল শিল্প প্রক্রিয়াতেই উৎপাদন করা আবশ্যক। এর মধ্যে বেশিরভাগই প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রতিস্থাপনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত – একটি জীবাশ্ম জ্বালানী। অন্যান্য যেসব পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে ইলেক্ট্রোলাইসিস নামক একটি প্রক্রিয়া সহ যা পানিকে এর মৌলিক উপাদানগুলিতে বিভক্ত করতে বৈদ্যুতিক প্রবাহ ব্যবহার করে। এই মৌলিক উপাদানগুলি হল হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন।

হাইড্রোজেন গ্যাস পোড়ানোর সময় কার্বন নির্গত করে না, এটি উত্পাদন করতে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ, ইলেক্ট্রোলাইসিস বা অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, জীবাশ্ম জ্বালানী দ্বারা উত্পন্ন হতে পারে। এটি সাধারণত ‘ধূসর হাইড্রোজেন’ নামে পরিচিত, যা বর্তমানে মোট উৎপাদনের ৯৫ শতাংশের জন্য দায়ী।

কয়লা বা গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে উৎপাদিত হাইড্রোজেন, কার্বন ক্যাপচার অ্যান্ড স্টোরেজ (CCS) প্রযুক্তির সাথে মিলিয়ে উৎপাদন করা হয় যা কার্বন নির্গমনকে বাধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। একে ব্লু বা নীল হাইড্রোজেন বলা হয়।

সবুজ হাইড্রোজেন হচ্ছে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত ইলেক্ট্রোলাইসিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়, যা সৌর প্যানেল বা বায়ু টারবাইনের মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপন্ন হয়।

ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (IEA) এর মতে, হাইড্রোজেন বিশ্বব্যাপী শক্তির পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে এটি হবে এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি অপেক্ষাকৃত ছোট অংশ। এই সংস্থাটি আরো বলছে যে ২০২০ সালে, হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেন-ভিত্তিক জ্বালানী বিশ্বব্যাপী মোট শক্তি ব্যয়ের ০.১ শতাংশেরও কম।কিন্তু ২০৫০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হাইড্রোজেন একটি সম্পূরক হতে পারে, কিন্তু এটি কখনই সৌর বা বায়ু শক্তির মতো পরিচ্ছন্ন শক্তির অন্যান্য উৎসগুলোকে প্রতিস্থাপন করবে না, যা উৎপাদন করা অত্যন্ত সাশ্রয়ী। এছাড়াও, সেগুলো বাড়ি এবং কারখানার ব্যাপক উৎপাদন এবং বিদ্যুতায়নের জন্য উপযুক্ত।

তবে একটি শক্তিশালী নবায়নযোগ্য অবকাঠামো পানিকে এর মৌলিক উপাদানগুলিতে আলাদা করার জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে বৃহৎ পরিসরে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনে সক্ষমতা এনে দিতে পারে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের (আইওসি) এর গবেষণা ও উন্নয়ন পরিচালক এস. ভি. রামকুমার বলেন“সবুজ হাইড্রোজেন নবায়নযোগ্য শক্তিকে প্রতিস্থাপন করতে হয়ত পারবে না, তবে সৌর শক্তি থেকে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন খুব কার্যকর হবে।”

বিশ্বব্যাপী, বর্তমানে উৎপাদিত বেশিরভাগ হাইড্রোজেন পরিশোধন ও শিল্প খাতে ব্যবহৃত হয়। ন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এর ধারণামেত, এই দশকের শেষ নাগাদ, হাইড্রোজেন ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেকগুলো নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ গ্রিড তরঙ্গায়িতকরণ ,বাসাবাড়িতে জ্বালানী ব্যবহার এবং পরিবহন খাত।

বর্তমানে উৎপাদিত মোট হাইড্রোজেনের একটি ছোট অংশ সার কারখানায় অ্যামোনিয়া তৈরি বা জাহাজে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইস্পাত শিল্পেও এর ব্যবহার রয়েছে। যদি কয়লা এবং কোক উৎপাদন শিল্পে (যা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্লাস্ট ফার্নেস ব্যবহার করে) সবুজ হাইড্রোজেন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা যায় তাহলে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমানে নির্গমন মাত্রা কমিয়ে আনা যেতে পারে।

উন্নয়নশীল দেশগুলো যেমন ভারত যে তার জ্বালানী পরিবর্তন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে জাতীয় হাইড্রোজেন মিশনে বিনিয়োগ করছে, তারা ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পে এই হাইড্রোজেন ব্যবহার করতে পারে। উৎপাদন প্রক্রিয়াকে সবুজ করার মাধ্যমে ধূসর হাইড্রোজেন যেমন প্রাকৃতিক গ্যাস বা ন্যাপথা উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারের পরিমাণও কমিয়ে আনা যেতে পারে।

নবায়নযোগ্য প্রযুক্তি, যেমন সৌর, বায়ু বা পানিবিদ্যুৎ প্রধানত বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই ব্যবহৃত হয়। যদিও জ্বালানী ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদু্যৎই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে, তুলনামূলকভাবে সহজেই নবায়নযোগ্য শক্তি দ্বারা এই ব্যবহারের মাত্রা অত্যন্ত সাশ্রয়ী প্রক্রিয়ায় এটি প্রতিস্থাপিত হতে পারে। তবে অন্যান্য খাত যেমন দৃরপাল্লার পরিবহন বা ভারী শিল্প এখনও কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা পেট্রোলিয়াম জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এইগুলোর জ্বালানী হিসেবে প্রধান যা হাইড্রোজেন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হতে পারে।

ন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এর মতে হাইড্রোজেন ব্যাটারিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। জ্বালানী ব্যাটারি যদি বৃহৎ পরিসরে বিকশিত হয়, তাহলে দেশগুলিকে এমন অবকাঠামো স্থাপনে সাহায্য করতে পারে যা বায়ুর গতি বা সৌর বিকিরণের মতো পরিবেশগত অবস্থার উপর নির্ভর করে তাদের নবায়নযোগ্য শক্তির সরবরাহ সংরক্ষণ এবং স্থিতিশীল করতে পারে। কিন্তু পরিবেশগত নানা কারনে এটি পরিবর্তনশীল হতে পারে।

ন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি -এর গ্লোবাল হাইড্রোজেন রিভিউ ২০২১ অনুসারে, বর্তমানে সবুজ হাইড্রোজেনের মূল্য প্রতি কিলোগ্রাম ৩ মার্কিন ডলার থেকে ৮ মার্কিন ডলার। অবশ্য এটি ধূসর হাইড্রোজেনের সাথে প্রতিযোগিতামূলক নয়, ধূসর হাইড্রোজেনের মূল্য প্রতি কিলোগ্রাম ০.৫ থেকে ১.৭ মার্কিন ডলারের মধ্যে। সংস্থাটির মতে,  এই মূল্যের ব্যবধানের কারনে বর্তমানে সবুজ হাইড্রোজেনের ব্যবহার আরো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে না , তবে নবায়নযোগ্য শক্তির মূল্য কমে যাওয়ার সাথে সাথে সময়ের সাথে সাথে এই ব্যবধানটি সংকুচিত হবে বলে তারা আশা করছে। দিল্লি-ভিত্তিক  কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার (CEEW) এর দীপক যাদব, বলেন, অনেক দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি কিলোগ্রাম এক  ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা সবার ক্ষেত্রে প্রায় একই রকম হবে। তখন জীবাশ্ম জ্বালানী হিসেবে এর মূল্য প্রতিযোগীতামূলক করে তুলবে।

কাউন্সিল অন এনার্জি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটার এর দীপক যাদব  বলেন, পাকিস্তান বর্তমানে প্রতিদিন ১৫০ টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় গ্রিন হাইড্রোজেন নিয়ে পাইলট প্রকল্প চালুর কাজ এগিয়ে চলছে। তবে যাদবের মতে, ভারতই দক্ষিণ এশিয়ায় সবুজ হাইড্রোজেনের প্রধান উৎপাদক হবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে।

২০২১ সালের আগষ্ট মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতীয় হাইড্রোজেন মিশন উদ্বোধন করেন। এটি আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্দারণ করেছে এক মিলিয়ন টন। আইওসি-এর এসএসভি রামকুমার বলেন, এই পরিকল্পনার অধীনে সরকার ইলেক্ট্রোলাইজার  তৈরি ও গবেষণা বিকাশে আর্থিক সহায়তার জন্য একটি প্রোডাকশন-লিঙ্কড ইনসেন্টিভ পরিকল্পনা শুরুর পরিকল্পনা করেছে।

বাংলাদেশ সরকারের নতুন সমন্বিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ি ২০৫০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে ৪০% বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও অভ্যন্তরীণ গ্যাসের উৎপাদন দ্রুত বাড়ার কোনাে সম্ভাবনা নেই। তবে পরিকল্পনা অনুযায়ি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাসের ব্যবহার ১৬০ – ৩৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে কারণ ২০৫০ সালের মধ্যে বিদ্যুত উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ বাড়বে। অবশ্য সরকার সবুজ হাইড্রোজেন এবং অ্যামোনিয়া  থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি  এবং প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে বিদ্যুত আমদানির বিষয়গুলো সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রানে ফিরেছেন সাকিব

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

চলমান বিপিএলে প্রথম পাঁচ ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেনি সাকিব আল হাসান। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের চেনা রূপে ফিরেছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। রংপুর রাইডার্সের হয়ে নিজেদের শেষ চার ম্যাচে ১৯৬ রান করেছেন এই টাইগার অলরাউন্ডার।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৩৯ বলে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন তিনি। এরপর সংবাদ সম্মেলনে সাকিবের ব্যাটিং সাফল্য নিয়ে কথা বলেছেন রংপুরের কোচ সোহেল ইসলাম।

তিনি বলেন, সাকিবের পারফরম্যান্স তো আপনারা সবাই দেখছেন। আলাদা করে কিছু বলার নেই। ফিরে আশার লড়াইয়ের সময় আমরা সবাই মিলে সাহায্য করেছি। দল মালিকরাও ব্যাক করেছে। সাথে যারা কোচিং স্টাফ প্লেয়ার ছিল সবাই ছিল।

চোখের সঙ্গে ফিটনেসেরও সমস্যা ছিল সাকিবের এমনটা জানিয়েছেন রংপুরের কোচ। তিনি বলেন, শুধু যে চোখের সমস্যা ছিল তা না ফিটনেস লেভেলেও আপ টু দ্য মার্ক ছিল না। এটার জন্য আসলে সময় দরকার ছিল। আমরা সেই সময়টা বের করার চেষ্টা করেছি। সে যেন আসলে ওই সময়টা মানসিকভাবে ডাউন না হয়ে যায়। আমরা জানতাম সাকিব যদি ফিট হয়ে যায় তাহলে পারফরম্যান্সের যে পুরনো ঝলকটা আছে, সেটা সে দেখাতে পারবে।

সাকিব ছাড়াও ব্যাটিং ও বোলিংয়ে আলো ছড়াচ্ছেন আরেক অলরাউন্ডার শেখ মাহেদী। এই তরুণ ক্রিকেটারকে নিয়ে সোহেল বলেন, তাকে যখন যেখানে নামানো হচ্ছে তার সেই দায়িত্ব বেশ ভালোভাবে পালন করছে। মেহেদী তো আমি বলব না যে শুধু বোলার। ব্যাটিংয়েও তার পারফরম্যান্সটা ভালো। দলে এখন জায়গা আছে তাকে উপরে খেলানোর। এটা অবশ্যই দলের জন্য ভালো।


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভোটের আগে বেড়েছিল নগদ টাকা রাখার প্রবণতা

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

সম্রাট মনির : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা হাতে রাখার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছিল। গত ৭ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের আগের দুই মাস নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছিল ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ডিসেম্বরেই বাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা। এর আগে টানা চার মাস ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ টাকা কমেছিল। সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচন ঘিরে সৃষ্ট রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কার পাশাপাশি নির্বাচনের খরচের জন্য মানুষ নগদ টাকা তুলে ঘরে রেখেছিলেন। কেউ কেউ টাকা তুলে বিদেশেও পাচার করেন। এর বাইরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণেও নগদ টাকা তোলার প্রবণতা বাড়তে পারে।

দেশের মোট প্রচলনে থাকা মুদ্রা থেকে ব্যাংকে জমানো টাকা বাদ দিয়ে প্রতি মাসে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের তথ্য গতকাল প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে তা বেড়ে হয় ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৬ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। গত বছরের নভেম্বরেও ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থ বেড়েছিল। অক্টোবরে ব্যাংকের বাইরে টাকা থাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। ফলে অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছিল ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। সব মিলে নির্বাচনের আগের দুই মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বাড়ে প্রায় ৮ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় জনমনে ভীতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছিল। ফলে গ্রাহকদের অনেকেই নগদ টাকা তুলে ঘরে নিয়ে রেখেছিলেন। আবার নির্বাচনের খরচের জন্যও টাকা তোলার চাপ বেড়েছিল। সব মিলে ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছিল। তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। ফলে নগদ টাকা তোলার কোনো চাপ নেই।

জানা যায়, ২০২২ সালের শেষ দিকে কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ অনিয়মের খবর জানাজানি হওয়ার পর ব্যাংক খাতের প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তুলে নিতে থাকেন গ্রাহকরা। আবার সে সময় ব্যাংকগুলোতে নতুন আমানত আসাও কমে যায়। এতে ওই ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার সংকট তৈরি হয়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এতে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে। কিন্তু একই সময় মানুষের আয় খুব একটা বাড়েনি। আবার উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে ব্যাংকে আমানতের সুদের হার যেভাবে বাড়ার কথা সেভাবে বাড়েনি। এতে ব্যাংকে টাকা রেখে প্রকৃত অর্থে মুনাফা পাচ্ছিল না আমানতকারীরা। ফলে গত অর্থবছরে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা হাতে রাখার প্রবণতা অস্বাভাবিক বেড়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত জুন পর্যন্ত ব্যাংকের বাইরে তথা মানুষের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৯১ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা, যা ছিল এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। অর্থাৎ ২০২২ সালের জুন থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক বছরে মানুষের হাতে নগদ টাকা বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল প্রায় সাড়ে ৫৫ হাজার কোটি টাকা বা সাড়ে ২৩ শতাংশ। এর মধ্যে জুন মাসেই ব্যাংকের বাইরের টাকার প্রবাহ বেড়েছিল প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা বা ১৪ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরে এসে এই চিত্র বদলে যেতে থাকে। টানা চার মাস মানুষের হাতের টাকা ব্যাংকে ফিরতে শুরু করে। মানুষের হাতের টাকা ব্যাংকে ফেরার পেছনে তখন ৪টি কারণের কথা জানিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্টরা। এগুলো হলো- আমানতের সুদের হার বৃদ্ধি, নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে মন্দা, ফ্ল্যাট ও প্লটের রেজিস্ট্রেশন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাসায় টাকা রাখার নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নয়-ছয় হিসেবে পরিচিতি পাওয়া সুদের হারের সীমা গত জুলাইতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এরপর ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের সুদহার বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ঋণের সুদহার আড়াই শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে ১২ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর সঙ্গে আমানতের সুদহারও বাড়ছে। তহবিল সংকটে থাকা কোনো কোনো ব্যাংক এখন ৯ শতাংশের বেশি সুদেও আমানত সংগ্রহ করছে। তারপরও জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভীতি ও আতঙ্ক থেকে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা তোলার প্রবণতা বেড়েছিল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনেও দেখা যাচ্ছে, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়ে গিয়েছিল।

এদিকে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকার পরিমাণ বাড়ার পরও গত বছরের ডিসম্বরে ব্যাংকগুলোতে আমানত বাড়ে প্রায় ১৩ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। গত বছরের নভেম্বরে ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল ১৬ লাখ ৪০ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা, ডিসেম্বরে যা বেড়ে হয় ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা। তবে একই মাসে আমানতের তুলনায় ঋণ বিতরণ বেড়েছে আরও বেশি। ওই মাসে ঋণ বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকগুলোর ঋণস্থিতি বেড়ে হয়েছে ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট তৈরি হয়।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪