Logo
শিরোনাম

রানির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ব নেতাদের ঢল

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সোমবার অনুষ্ঠিত হবে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্য। বিদায় জানানো হবে শেষ বারের মতো। তার আগে ওয়েস্টমিনস্টার হলে রাখা রানির মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ অপেক্ষা করছেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা লন্ডনে আসতে শুরু করেছেন।

রানির শেষকৃত্যে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পাঁচ শতাধিক রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের। শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে অতিথির সংখ্যা ধরা হয়েছে দুই হাজার ২০০।

অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইতোমধ্যে ব্রিটেন পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্টলেডি জিল বাইডেনও লন্ডনে অবস্থান করছেন। নিজের বিলাসবহুল লিমুজিন ‘দ্য বিস্ট’ ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে তাকে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ব্যতীত অন্য কোনো অতিথিকে ‘ভিভিআইপি’ সেবা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

বিশ্ব নেতাদের মধ্যে আরও আসছেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, স্পেনের রাজা ফেলিপ ও রানি লেটিজিয়া। এ ছাড়াও আসবেন নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন ও মোনাকো, জর্ডান, সার্বিয়া, রোমানিয়া, লুক্সেমবার্গ, টঙ্গা, বুলগেরিয়ার রাজা-রানিরা। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ইউরোপের সব রাজপরিবারকে।

বুধবার রাজকীয় শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় এলিজাবেথের মরদেহ বাকিংহাম প্যালেস থেকে ওয়েস্টমিনস্টার হলে নিয়ে আসা হয়। রানির জ্যেষ্ঠ সন্তান ও যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লস, তার দুই ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারিসহ রাজপরিবারের সদস্যরা সেই শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন।

রয়্যাল পতাকায় মোড়া রানির কফিনের ওপরেই রাখা হয় তার মুকুট। রাস্তার দুই পাশে ছিল হাজারও মানুষের ভিড়।

 সূত্র : বিবিসি


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




কু‌মিল্লা মনোহরগঞ্জে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে কর্মবিরতি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

জনবল কাঠামো ও নিয়োগবিধি বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী গণ। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের ব্যানারে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।

এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওয়াসিম, অফিস সহকারী কাম- কম্পিউটার ওমর ফারুক মজুমদার, উপসহকারী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ, কার্য সহকারী মোহাম্মদ রুবেল হোসেন, অফিস সহায়ক সনাতন রায় উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওয়াসিম বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঠিক পদমর্যাদা না থাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঠিক লক্ষ্যে বাংলাদেশ এখনো পৌঁছাতে পারেনি। তাই দেশের যেকোনো কঠিন দুর্যোগ মোকাবিলায় জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২ এর আলোকে প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো ও নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ডিআরআরও) পদের আপগ্রেডেশন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পদ আপগ্রেডেশন, সচিবালয়ের ন্যায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মচারীদের পদনাম পরিবর্তন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সব শূন্যপদ/পদোন্নতি/চলতি দায়িত্ব নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের এ পাঁচটি যৌক্তিক দাবি নিয়ে উক্ত অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গত ৮/১০ বছর ধরেই সুশৃঙ্খল আন্দোলন করে আসছে।

এ পরিষদ উক্ত অধিদপ্তরের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা সভা, স্মারকলিপি প্রদান, সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। এসব দাবির যৌক্তিকতা পর্যালোচনায় কর্তৃপক্ষ মৌখিক ঐক্যমত প্রকাশ করলেও বাস্তবায়নের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ পরীলক্ষিত না হওয়ায় এ অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে।

তিনি আরো বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সংযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ ১২ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশব্যাপী অর্ধদিবস কর্মবিরতির ডাক দেয়। যদি এর মধ্যে যৌক্তিক দাবিগুলো আদায় না হয় তাহলে পরবর্তীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


আরও খবর



চালের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশে চালের চাহিদা যে গতিতে বাড়ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মী ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, প্রতি বছর জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চালের চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু চাহিদা বৃদ্ধির অনুপাতে চালের উৎপাদন বৃদ্ধির গতি কিছুটা পিছিয়ে আছে। আমরা যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সেটাকে ধরে রাখতে হবে। প্রতি বছর যাতে চাল আমদানি করতে না হয়। সে জন্য চালের চাহিদা অনুযায়ী ধানের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

২৫ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে চালসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বৃহৎ ও সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময় হলো দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত এলাকা। লবণাক্তসহিষ্ণু ফসলের জাত ও প্রযুক্তি আমাদের রয়েছে, সেখানে এসব জাত ও প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ করতে হবে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




গজারিয়ার বাউসিয়া চর কুমারিয়া গ্রাম থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

 গজারিয়া প্রতিনিধিঃ 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চর কুমারিয়া গ্রামে আগের দিন সন্ধ্যায় ইমাম নিয়ে বিতর্কের পরের দিন সকালে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনা রহস্যের সৃষ্টি করেছে সাধারণ মানুষদের মনে। স্বজনরা বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে সঠিক তদন্তপূর্বক দোষীদের বিচার দাবি করেছেন।

নিহতের নাম বাহাদুল্লাহ মোল্লা (৫০)। সে চর কুমারিয়া গ্রামের জলিল মোল্লার ছেলে। সে স্থানীয় চর কুমারিয়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

 নিহতের ভাই শহীদুল্লাহ জানান,   আমার ভাই বাহাদুল্লাহ  স্থানীয় চর কুমারিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত প্রায় ১৫দিন ধরে মসজিদের বর্তমান ইমামকে রাখা না রাখার ব্যাপারে মুসলিরা দ্বিধা বিভক্ত হয়ে পড়েন। কিছু মুসল্লি বর্তমান ইমামকে বিদায় করে দেওয়ার পক্ষে আর কিছু মুসুল্লি তাকে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমামকে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। এদিকে সর্বশেষ গতকাল ( শনিবার) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। 

গতকাল শনিবার  রাত ১০ ঘটিকার সময় আমার ভাই বাহাদুল্লা রাতের খাবার খেয়ে  চা দোকানে সময়   ব্যয় করে। তারপরে তিনি আর বাসায় ফিরেননি, দীর্ঘ সময় তার খোঁজখবর না পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরবর্তীতে  ( রবিবার) সকালে প্রতিবেশী সুরুজ মিয়ার আম বাগানে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পায় লোকজন। পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

নিহত বাহাদুল্লার পরিবার এবং ভাই শহীদুল্লাহ সহ মহল্লাবাসীর ধারণা    এই ঘটনার জের ধরে হত্যাকাণ্ড হতে পারে ।

এদিকে নিহতের স্ত্রী ফারজানা বেগম বলেন, তার স্বামীর আত্মহত্যা করার মতো কোনো কারণ নেই। তাদের অনেক সুখের সংসার ছিল। তার স্বামীকে  পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই ঘটনাই দোষীদের শাস্তির দাবি করেন তিনি।

নিহতের মা খবিরন নেছা তার ছেলেকে খুন করা হয়েছে দাবি করে বলেন,যাদের সাথে তার ঝামেলা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই কে হত্যাকারী তা জানা যাবে। 

 প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রামবাসীদের প্রশ্ন ক্ষুদ্র একটি রশি দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে না ।  

গজারিয়া থানা এসআই সেকান্দার আলী বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করি। বিষয়টি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটি ময়নাতদন্তের পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। এর আগে কোন মন্তব্য করতে চাই না।


আরও খবর



সীমান্ত অস্থিরতায় মিয়ানমার জান্তা দায়ী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিরতার জন্য মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারকে দায়ী করে বিবৃতি দিয়েছে দেশটির বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। মিয়ানমারভিত্তিক গণমাধ্যম ও রাখাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমণ্ডগুলোতে আরাকান আর্মির মূল রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড লিগ অব আরাকানের বার্মিজ ভাষায় লেখা একটি বিবৃতি প্রচার করা হয়েছে।

রবিবার মিয়ানমারের ওয়েস্টার্ন নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান আর্মির ওই বিবৃতিতে বাংলাদেশের বান্দরবানের মর্টারশেল বিস্ফোরণে নিহত রোহিঙ্গা ইকবালের মৃত্যুতে সমবেদনা জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে এ ঘটনার জন্য মিয়ানমারের সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত বর্ডার গার্ড পুলিশকে দায়ী করে প্রতিবাদ জানিয়েছে আরাকান আর্মি। মিয়ানমারে সামরিক জান্তা সরকার দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে বলে দাবি করে আরাকান আর্মি জানায়, জান্তার এমন আচরণের কারণে দেশটির সীমান্ত অঞ্চলের মানুষদের চরম সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

এদিকে আরাকান আর্মির এই বিবৃতিকে নাটক বলে দাবি করেছে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গারা। এ প্রসঙ্গে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা অধিকারকর্মী মোহাম্মদ হাবিব বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য জান্তা ও আরাকান আর্মি দায়ী। রোহিঙ্গার মৃত্যুতে আরাকান আর্মির দুঃখ প্রকাশ নাটক ছাড়া কিছুই না।

দুই মাস ধরে রাখাইনের সীমান্ত অঞ্চলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত চলছে।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




আল-জাজিরার প্রতিবেদন

আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল আর্মেনিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে আবারও যুদ্ধে জড়িয়েছে প্রতিবেশী দুই দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। ইতোমধ্যে এই লড়াই উভয় পক্ষের ১৫৫ জন সেনা নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে উভয় দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছে আর্মেনিয়া। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি আজারবাইজান।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্মেনিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আরমেন গ্রিগরিয়ান টেলিভিশনে যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়া আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়েছে। গ্রিগরিয়ানের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল গোলাগুলি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে, তখন যুদ্ধবিরতির চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়নি। চুক্তির বিষয়ে আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে ৬ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়ায় প্রতিবেশী দুই দেশ। এতে আর্মেনিয়ার বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ‘সিক্স ডে ওয়ার’ নামে পরিচিত ওই ঘটনায় ৬ হাজার ৭০০ মানুষ নিহত হন।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২