Logo
শিরোনাম
নওগাঁয় চোরাই অটোভ্যান উদ্ধার সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ জন আটক দ্বিতীয় বার আইজিপি পদক পেলেন রাঙ্গাবালী থানার ওসি হেলাল উদ্দিন অপহরণের ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কিশোরী উদ্ধার সহ অভিযুক্ত যুবক আটক বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত

রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ফিরছে সুদিন

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার :বড় পরিবর্তন এসেছে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পে। মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও রুচির পরিবর্তন হয়েছে। সারা দেশের ছোট-বড় শহরে গড়ে উঠেছে উন্নতমানের রেস্তোরাঁ। জিডিপির পাশাপাশি প্রতি বছর বাড়ছে কর্মসংস্থান। পৃথিবীজুড়ে এখন এ শিল্প সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশেও সেটা হবে। আগামীতে পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো মানুষ রেস্তোরাঁনির্ভর জীবনযাপন করবে। সেভাবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও অভ্যাস গড়ে উঠছে। এদিকে, সম্প্রতি সরকারিভাবে রেস্তোরাঁকে শিল্পের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এ ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা। উন্নত বিশ্বের মতো দেশের রেস্তোরাঁ ব্যবসাকেও মানসম্পন্ন জায়গায় নিতে স্বপ্ন বুনছেন তারা।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেস্তোরাঁর প্রসারে এ শিল্পে এখন পর্যন্ত বিপুল কর্মসংস্থানও হয়েছে। দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি এ শিল্প কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পর্যটনসহ অন্যান্য অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখছে। সরকার শিল্প ঘোষণা করায় আগামী এক দশকে এ শিল্প আরো তিন গুণ প্রসার হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হোটেল ও রেস্টুরেন্ট সার্ভে-২০২১ এর তথ্য বলছে, গত ১১ বছরে দেশে হোটেল ও রেস্তোরাঁর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার। ২০০৯-১০ সালে যেখানে দেশে রেস্তোরাঁর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার, তা গত বছর বেড়ে ৪ লাখ ৩৬ হাজার হয়েছে। এ সময়ে কর্মরত মানুষের সংখ্যাও হয়েছে দ্বিগুণ। ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় কর্মরত ছিলেন ৯ লাখ ৪ হাজার মানুষ, যা গত বছর বেড়ে ২০ লাখ ৭২ হাজার হয়েছে। ফলে এক দশকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে মূল্য সংযোজন বেড়েছে আট গুণ। এক দশক আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে মূল্য সংযোজন হয়েছিল মাত্র ১১ হাজার ৯৮৬ কোটি টাকা। আর সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে হয়েছে ৮৭ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা।

আগামী ১০ বছরে এ শিল্প আরো তিন গুণ এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, সরকারের উদ্যোগে রেস্তোরাঁকে শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আমাদের খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যা সমাধান হবে। বর্তমানে এ শিল্প যে অবস্থায় রয়েছে, আগামী ১০ বছরে তা আরো তিন গুণ বাড়বে।

ইমরান হাসান আরো বলেন,  আগামীতে এ শিল্প থেকে প্রচুর প্রশিক্ষিত কর্মী রপ্তানি সম্ভব হবে। সেটি অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত প্রবাসীরাও এ খাতে জড়িয়ে পড়ছে ব্যাক টু ব্যাক শিল্পের মতো। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিশ্বব্যাপী হসপিটালিটি খাতে দুই কোটি কর্মী রপ্তানি সম্ভব।

এসব বিষয়ে কথা হয় আল-কাদেরিয়া লি: এর চেয়ারম্যান, রেস্তোরাঁ মালিক ফিরোজ আলম সুমনের সাথে । তিনি জানান, অপেক্ষাকৃত কম পুঁজিতে বাংলাদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা লাভজনক। এছাড়া মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এ শিল্প জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ। সে কারণেই ঢাকা নয়, জেলা ও উপজেলায়ও প্রতিনিয়ত নতুন নতুন হোটেল-রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। আবার প্রতিনিয়ত নতুন নতুন খাদ্যের প্রসার এ শিল্পকে সমৃদ্ধ করছে। যে কারণে দেশের অর্থনীতিতে অবদান বাড়ছে এ শিল্পের।

সুমন আরো বলেন, এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা শিল্পের মর্যাদা না পাওয়ার কারণে বেশ সমস্যা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের সরকারি সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে চড়া মূল্য দিতে হতো। ফলে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে অনেকে। তা ছাড়া ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তাদের ব্যবসার প্রসার করেছেন, তারা প্রতিনিয়ত চড়া সুদ গুনেছে।

ঋণ পরিশোধ সব সময়ই আর্থিক চাপ, এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠান টিকতে পারেনি। শিল্প না হওয়ার কারণে এতদিন রেস্তোরাঁ ব্যবসা দেশের পুঁজিবাজার, বিশেষ করে সম্ভাবনাময় বন্ড মার্কেট গড়ে ওঠার ক্ষেত্রেও কোনো ভূমিকা নেয়নি।

আল-কাদেরিয়া রেস্টুরেন্টের কর্ণধার ফিরোজ আলম সুমন আরো বলেন, রেস্তোরাঁ ব্যবসা নির্ঞ্ঝাট নয়। বড় বড় রেস্তোরাঁয় এখন বিনিয়োগও প্রচুর। তারপরও এ ব্যবসার কোনো স্বীকৃতি ছিল না। কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহায়তা মেলেনি। সেজন্য এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তাদের প্রায়ই নানা ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। টিকতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়েছে অনেক তরুণের উদ্যোগ। এ খাত শিল্প হওয়ায় এখন অনেক সমস্যা কেটে যাবে। বড় বিনিয়োগ আসবে। কয়েক বছরের মধ্যে এ খাত পাল্টে যাবে। যেসব তরুণ উদ্যোক্তা রেস্তোরাঁগুলোতে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগিয়ে যাচ্ছেন তারা আরো উদ্যমী হবেন। ব্যাংকগুলো সব ব্যবসায় ঋণ দিলেও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় ঋণ দিতে চাইতো না। সহজ শর্তে ঋণ পেলে তরুণরা আরো ভালো করবেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ ফয়েজুল আমীন বলেন, মোটাদাগে এখন অন্য শিল্পের মতো সব সুবিধাপ্রাপ্ত হবে রেস্তোরাঁগুলো। তাতে এ ব্যবসায় সরকারের সহায়তা বাড়বে। বড় বড় বিনিয়োগ আসবে। ব্যাংকগুলোও বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দেবে। এমনকি এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে।


আরও খবর



পশ্চিমাদের পারমাণবিক হামলার হুমকি দিলেন পুতিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

মার্কিন বলয়ে থাকা পশ্চিমা বিশ্বকে এবার পারমাণবিক হামলার হুমকি দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বললেন, ইউক্রেনে সেনা পাঠালেই পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকিতে পড়বে পশ্চিমা দেশগুলো। দেশটির নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্টের বার্ষিক ভাষণে ন্যাটো দেশগুলোকে উদ্দেশ করে এ হুঁশিয়ারি দেন পুতিন।

রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে তিনি আরও বলেন, কেউ রাশিয়া আক্রমণ করার চেষ্টা করলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হবে। কারণ দেশটির কাছে এখন এমন অস্ত্র রয়েছে যা শত্রু অঞ্চলের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে যেকোনো সময় আঘাত করতে সক্ষম। ১৫ থেকে ১৭ মার্চ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। খবর তাস, আলজাজিরার।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে শত্রুদের লক্ষ্য করে পুতিন আরও বলেন, তাদের বোঝা উচিত যে আমাদেরও অস্ত্র আছে। আমাদের কাছে এমন অস্ত্র রয়েছে যা তাদের ভূখণ্ডে আঘাত করতে পারে।

তিনি অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমারা রাশিয়াকে একটি নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতায় টেনে আনার চেষ্টা করছে। বলেছেন, পশ্চিমারা এভাবে সভ্যতার ধ্বংসের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রকৃত হুমকি তৈরি করে।

সম্প্রতি সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগদান করায় হুঁশিয়ারি জোরদার করেছেন পুতিন। কারণ ফিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। ভাষণে এ অঞ্চলে সেনা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও জানিয়েছেন তিনি।

রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির ইঙ্গিতে তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই রুশ সেনাদের কাছে সরমাট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে এবং দেশটি বেশ কয়েকটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অস্ত্র ব্যবস্থা নিয়েও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পুতিন। তবে রাশিয়ার মহাকাশে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের কথিত পরিকল্পনার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রধান ইউরোপীয় মিত্ররা চলতি সপ্তাহে বলেছে, তাদের ইউক্রেনে স্থল সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।

পুতিন আরও বলেছেন, সেনাবাহিনী তার যুদ্ধের ক্ষমতা বাড়িয়েছে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ইউক্রেনের ফ্রন্টলাইনজুড়ে অগ্রসর হচ্ছে। রাশিয়াকে আরব ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার ইচ্ছেও জানিয়েছেন পুতিন।

বলেছেন, এ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা রাশিয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপে হামলা চালাবে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের রটানো আজগুবি প্রচারণার কথাও এ সময় তুলে ধরেন পুতিন। বলেন, রাশিয়ার উন্নয়ন বন্ধ করতে এবং বিশ্বজুড়ে সংঘাতের জন্ম দিতেই এমন উসকানিমূলক অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পশ্চিমারা রাশিয়াকে ভেতর থেকে দুর্বল করার চেষ্টায় হেরে গেছে।

পুতিন তার বক্তৃতায় অভ্যন্তরীণ বিষয়াদিসহ দেশের অর্থনীতির কথাও তুলে ধরেছেন। রাশিয়া ভবিষ্যতে বিশ্বের চারটি বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে একটি হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তার দেশ গত বছর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সব জি-৭ দেশকে ছাড়িয়ে গেছে।

পুতিন আরও দাবি করেছেন, একটি সার্বভৌম, ক্ষমতাশালী রাশিয়া ছাড়া একটি শক্তিশালী বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা অসম্ভব। বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে রাজনীতিমুক্ত একটি নতুন বৈশ্বিক আর্থিক অবকাঠামো তৈরি করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

পুতিনের বক্তৃতা শুধু টেলিভিশনেই নয়, বড় ডিজিটাল স্ক্রিনেও সম্প্রচার করা হয়। সারা দেশের সিনেমা হলগুলোতেও বিনামূল্যে প্রচার করা হয়।


আরও খবর



রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচলে কাঞ্চন- কুড়িল বিশ্বরোড সড়কে ( শেখ হাসিনা সরনি) প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু আমেনা বেগম(৪০) নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রাইভেটকারের চালককে আটক করেছে। জব্দ করা হয়েছে প্রাইভেটকারটি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সড়কের ব্রাক্ষ্মণখালী এলাকায় এ মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আমেনা বেগম স্থানীয় ব্রাক্ষ্মণখালী এলাকার কাচাঁমাল ব্যবসায়ী শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ওসি দিপক চন্দ্র সরকার জানান, সন্ধ্যার সময় শাহজাহানের স্ত্রী আমেনা বেগম বাড়ী পাশে  লেকেরপাড় থেকে ছাগল নিয়ে বাড়ী ফিরছিল। এসময় কাঞ্চন- কুড়িল বিশ্বরোড সড়ক পারাপারের সময় কুড়িল থেকে আসা দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে মারাযান তিনি। খবর পেয়ে  র‍্যাবের সহায়তায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন। জব্দ করেন প্রাইভেটকারটি। আটক করে প্রাইভেটকার চালককে। 


আরও খবর



নওগাঁয় এক ভুয়া চিকিৎসক কে ৬ মাসের কারাদন্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

নওগাঁয় বিএমডিসির রেজিষ্ট্রেশন না থাকা সত্বেও নিজেকে চিকিৎসক পরিচয়ে নিয়মিত রোগী দেখার অভিযোগে মিজানুর রহমান নামে এক ভুয়া চিকিৎসক কে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্র্যাম্যমান আদালত। সোমবার দুপুরে নওগাঁ শহরের দয়ালের মোড় এলাকার হেল্থ কেয়ার ল্যাব নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ঐ ভুয়া চিকিৎসক কে এ কারাদন্ড প্রদান করেন নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালত এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. রবীন শীষ।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন না থাকা সত্বেও নামের পাশে ডাক্তার ব্যবহার করে রোগীদের সাথে বেশ কয়েক বছর ধরে প্রতারনা করে আসছিলেন মিজানুর। এর আগেও একই অপরাধে তার কারাদন্ড হয়েছিলো। বর্তমানে নিজেই একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খুলে সেখানে ডাক্তার সেজে নিয়মিত রোগী দেখতেন। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে এ অপরাধে ৬ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে নওগাঁ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবুল কালাম আজাদ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশিষ কুমার সরকার, মেডিকেল অফিসার ডাঃ রিফাত হাসান ও থানা পুলিশের সদস্যরা (টিম) উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



দশমিনায় শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

মোঃ নাঈম হোসাইন দশমিনা (পটুয়াখালী) :

পটুয়াখালীর দশমিনায় সৈযদ জাফর আরজবেগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৪সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় এসএ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সাধারন ও কারিগরি শাখার ১০৫জন শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষে কোরআন থেকে তালোয়াদ, গীতা পাঠ  ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কাওসার আলম এর  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. নাফিসা নাজ নীরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাফর আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দশমিনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  এ্যাড, ইকবাল মাহমুদ লিটন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মু. নেছার উদ্দিন, বিদ্যলয়ের সাবেক সভাপতি আসাদুল হক হাওলাদার, ইমেল ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ঈশ্বর চন্দ্র শীল, জমিদাতা মো. আবুল কাশেম প্যাদা, অভিবাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ প্রমূখ।

প্রধান অতিথি নাফিসা নাজ নীরা বলেন, তোমাদের ভালোভাবে লেখা পড়া করতে হবে এবং মানুষের মত মানুষ হতে হবে।


আরও খবর



দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশিরের করা মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা! ডিবি কর্মকর্তার মনগড়া প্রতিবেদন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চাহিদা মতো ঘুষ না দেওয়ায় চাঁদাবাজি কেন্দ্রীক আদালতে গায়েবি ও হাস্যকর প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে গিয়াস উদ্দিন নামে এক তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে করা মামলায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে ‘তিন সংবাদকর্মীসহ চার জন ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট ও দুই টন রড নিয়ে গেছে’ উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে রীতিমত হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন কক্সবাজার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন ‘দৈনিক খোলা কাগজ’ পত্রিকার উখিয়া প্রতিনিধি মুসলিম উদ্দিন। তার অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত জেরে একটি চাঁদাবাজি মামলার বিষয়ে ডিবি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন। ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর, বাকি টাকা না পেয়ে ‘রড-সিমেন্ট নিয়ে গেছে’ বলে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইজিপি ও ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার, রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাসহ দেশজুড়ে অগণিত মামলায় অভিযুক্ত আসামি বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে, গত ৩১ডিসেম্বর চারজনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কক্সবাজার আদালতে একটি মিথ্যা মামালা দায়ের করেন।

আদালত ওই মামলা জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন বাদী বশিরের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের নামে মিথ্যা, বানোয়াট, বিতর্কিত একটি গায়েবি রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে আদালত পাড়ায় হস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ একটি সাজানো চাঁদাবাজি মামলা দাখিল করেছেন।

ভুক্তভোগীদের পক্ষে সাংবাদিক মুসলিম উদ্দিন জানান, তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন আমাকে তার কার্যালয়ে ডেকে অফিস খরচের কথা বলে টাকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সেখানে নানা ধরণের বেআইনী প্রস্তাব দেন। তিনি তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের পক্ষে দেবেন মর্মে এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘টাকা না দিলে চাঁদাবাজির প্রতিবেদন দাখিল করলে মামলায় আট বছর থেকে সর্বনিম্ন পাঁচ বছর সাজা হবে। কি করবেন দেখেন, অন্যথায় এক মাসের মধ্যে জেলের ভাত খাওয়াবে’ মর্মে টাকার জন্য হুমকি দেন। 

কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন উক্ত প্রতিবেদনে আমাদের পূর্বের মামলার আসামিদের ‘নিরপেক্ষ সাক্ষী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রতিবেদনটিতে বাদীর আর্জির পূণরাবৃত্তি করেছেন। বাদী তার আর্জিতে অভিযোগ করেছে, আমরা নাকি বাদীর কাছে চাঁদা না পেয়ে রাত ১১টায় বাদীর বসতঘর থেকে দুই টন রড আর ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট নিয়ে এসেছি। যা হাস্যকর কথা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নিরপেক্ষ সাক্ষী বানানো হয়েছে তারা মামলার অভিযুক্ত মুসলিম উদ্দিনের দায়ের করা জিআর-৪৮৩/১৯ইং ও তার বাবা বাদী হয়ে দায়ের করা জিআর-৩৮৯/১৯ইং মামলার আসামি।

এছাড়াও উক্ত মামলার বাদীর সঙ্গে পূর্ব বিরোধের কারণে  মুসলিম উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও লিপিবদ্ধ করি। যার নং- ৬৪৪/২৪ইং। ভুক্তভোগীর এমন অভিযোগের ভিক্তিতে (ভুক্তভোগীর দাবিকৃত মিথ্যা মামলার) বাদীর ফৌঃ দরখাস্ত ও তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বশির আহম্মদ বাদী হয়ে আদালতে চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগ তুলে গত ৩১ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। তদন্তকারী বাদীর অভিযোগের সাথে মিল রেখে মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে টাকা না পেয়ে বাদীর অন্যায় সুবিধা নিয়ে ভিত্তিহীন একটা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

কথিত মামলার ঘটনাস্থলের আশেপাশে বসবাসকারী মোমেনা খাতুন, রাশেদা, ছকিনা খাতুনসহ স্থানীয়রা বলেন, এলাকায় চাঁদা দাবি কিংবা চাঁদা না পেয়ে লোহার রড-সিমেন্ট নিয়ে যাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। এছাড়াও ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট ও ২ টন লোহার রড নিয়ে যেখানে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিকের বেগ পেতে হয়; সেখানে কেবল ৪ জনই এতো ভারী মালামাল নিয়ে যাওয়ার গল্প পাগল-শিশুও বিশ্বাস করবেনা। তাদের মতে, তদন্ত কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে অতি উৎসাহী হয়ে একটি সাজানো মামলার অদ্ভুত প্রতিবেদন দিয়ে হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। এই ধরনের কর্মকর্তাদের কারণে ভবিষ্যতে যে কেউ যে কারো বিরুদ্ধে সাজানো মামলা করতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, তিনি তদন্তে যা পেয়েছেন, তাই আদালতে জমা দিয়েছেন।


আরও খবর