Logo
শিরোনাম

রিলিফ নয় নদী খনন ও স্থায়ী নদীতীর রক্ষর বাধ চান লালমনিরহাট বাসি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি ঃ

 কমতে শুরু করেছে তিস্তা ও ধরলার পানি

লালমনিরহাটে চলমান বন্যা পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতির পথে তিস্তা ধরলায় বিপদসীমার ৪৫ ও  ৫০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি বইছে তবে নিচু এলাকার মানুষজন এখনো পানিবন্দি আছে । লালমনিরহাট তিস্তা ধরলা পারেন মানুষজন সরকার কিংবা কোনো ব্যক্তির কাছে রিলিজ স্লিপ চান না তারা চান নদী খনন সহ নদীর পাড় ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বন্দোবস্ত। অপরদিকে বানভাসি সেই সকল মানুষের পয়োনিষ্কাশন সহ বিশুদ্ধ পানির অভাব চরম পর্যায়ে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও জনসাস্থ বিভাগের পক্ষ থেকে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট কিংবা ভালবাসি ওই এলাকার উঁচু জায়গায় কোথাও গভীর নলকূপ স্থাপন করতে দেখা যায়নি। 

মোগলহাট ইউনিয়নের ভূমিকা গ্রামের বাসিন্দা আমিনা বেগম জানান যে ত্রাণ  মানুষের কোন কাজে আসে না সেই রিলিফ নয় নদী খনন ও স্থায়ী নদীতীর রক্ষর বাধ চান ।

অপরদিকে সরকারি সাহায্যের ১০ কেজি করে চাল কিছুসংখ্যক বানভাসি পরিবার পেলেও এখনো অনেক মানুষ তার আওতায় আসেনি। এছাড়াও চাহিদার চেয়ে অপ্রতুল বরাদ্দ আছে এমনটা অভিযোগ স্থানীয় অনেক জনপ্রতিনিধিদের।  ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ হলেও বানভাসিদের অভিযোগ তারা পাননি শিশুখাদ্যের বরাদ্দ সহ গবাদিপশুর খাবার।

তিস্তার ও ধরলার পানি কমতে শুরু করেছে, আপাতত বন্যার পানি বিপদ সীমার নিচে । নদীপারের নিম্নাঞ্চলের মানুষজন বিশুদ্ধ পানি সহ শিশু গবাদিপশুর খাবার সংকটে রয়েছে। এসকল ভুক্তভোগী নদীপাড়ের মানুষজন বলেন কেউ পাবে কেউ পায় না এমন রিলিফ, সিলিপ নয়,নদী খনন ও ভাঙনরোধে স্থায়ী বন্দোবস্ত চান।


আরও খবর



আগামীকাল সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আগামী মঙ্গলবার সিলেট অঞ্চল পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন সকালে হেলিকপ্টারযোগে তিনি সিলেট যাবেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশ্বস্ত সূত্র।

সূত্রটি জানায়, মঙ্গলবার সকালে সিলেট যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহমর্মিতা জানাবেন। একইসঙ্গে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এদিকে সচিবালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান সিলেট গিয়েছেন সেখানে তিনি সেখানে মঙ্গলবার অবস্থান করবেন।


আরও খবর



ই‌ভিএম ভো‌টিং মে‌শি‌নে ১০৫টি ভোট কেন্দ্রের ৬৪০টি কক্ষে ভোট গ্রহণ

রাত পোহালেই কু‌মিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নের ভোট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ,কুমিল্লা 

পাচঁ বছর পর রাত পোহালেই কু‌মিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নের ভোট। এ নির্বাচনে প্রার্থী‌দের একজন অপরজ‌নের বিরু‌দ্ধে অ‌ভি‌যোগ । ত‌বে নির্বাচনকে ঘি‌রে ভোটার‌দের মা‌ঝে প্রার্থী‌দের প্রচারণায় আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে পু‌রো নগরজু‌ড়ে।   ব‌্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে  বুধবার সকাল থেকে  অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভোট গ্রহন।  

প্রথম বারের মত ইলেকট্রনিক্স ভোটিং মেশিন(ইভিএম)  ভোট গ্রহন হবে৷  

এ নির্বাচনে মেয়র পদে মেয়র পদে পাচঁ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত আরফানুল হক রিফাত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র হিসেবে কামরুল আহসান বাবুল, মো. মনিরুল হক সাক্কু (বিএনপির ব‌হিস্কৃত নেতা ও দুই বারের মেয়র), মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন (কায়সার)।

এ ছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর মিলে ১৪০ জনের মতো প্রার্থী আছে ভোটের মাঠে। এ নির্বাচনে ৫ নং ওয়া‌র্ডে সৈয়দ রায়হান আহ‌মেদ ও ১০ নং ওয়ার্ডে  মোঃ মঞ্জুরুল কা‌দের ম‌নিসহ দু'জন কাউন্সিলর প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

কুমিল্লা সিটিতে ভোটগ্রহণ হবে সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১০৫টি ভোটকেন্দ্রের ৬৪০টি ভোটকক্ষে।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক আহমদ জানান, কু‌মিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নের ভোটের মাঠে  ৩হাজার ৬০৮ জন পু‌লিশ সদস‌্যসহ সা‌ড়ে ৬হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য  মোতায়ন করা হয়েছে৷  ৭৫ টি চেকপোষ্ট, ১০৫ টি মোবাইল টিম, ১২ প্লাটুন বিজিবি সহ ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্যাট সহ অর্থশতাধিক ম্যাজিষ্ট্যাট নিয়োজিত থাকবে ভো‌টের প‌রি‌বেশ রক্ষায়।


আরও খবর



তুয়ারী মারাইং ট্রেইল ভ্রমণ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

গন্তব্য তুয়ারী মারাইং। সঙ্গী অদম্য দামালের দল দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ। খাগড়াছড়িগামী রাতের গাড়িতে চড়ে ভোরেই পৌঁছি। হেটেলে উঠে সাফসুতর হতে হতেই দীঘিনালা পথের বাহন মাহেন্দ্র প্রস্তুত। গাইড মিল্টন ত্রিপুরার নির্দেশনা মতে ছুটলাম। পথে ব্রেক দিয়ে পেটে কিছু দানাপানি ঢুকিয়ে নিই। সারাদিন কী পাব আর খাবো। তাই গরম গরম ভাত, ডিম, ভর্তা, ডাল দিয়েই সকালের নাশতা সেরে নিলাম। এরপর ছুটলাম পিচঢালা আঁকাবাঁকা পথে।

যেতে যেতে নয় মাইল ছাড়িয়ে কিছুটা এগিয়ে মাহেন্দ্র ঢুকে যায় ইট-সুরকির পথ মাইতুইপাড়ার দিকে। মনের ভেতর বেশ ভালোলাগা কাজ করতে থাকে। চারপাশ সুনসান নীরবতা ভর করা অরণ্য ঘেরা সরু পথ। আলহাজ মোস্তফা হাকিম বিদ্যা নিকেতন ছাড়িয়ে সীমানাপাড়ায় পৌঁছে গাড়ি ব্রেক। এবার শুরু ঢেউ খেলানো পাহাড়ে ট্র্যাকিং। মাথার উপর নীল আসমানজুড়ে শরৎ কালের শুভ্রতায় ছুটে চলছি। সঙ্গে জুমের ফসলের মন উদাস করা ঘ্রাণ।

চলার পথে ছোট্ট একটি জুমঘরে খানিকটা সময় জিরিয়ে নেওয়া। মাঝেমধ্যে দূর থেকে দৈত্যাকার গাছের ঘন অরণ্য দেখার মাঝে অদ্ভুদ অনুভূতি দোল দেয়। এরকমভাবে প্রায় ঘণ্টাখানেক হাইকিং-ট্র্যাকিং করার পর, এক বিশাল খাদের কিনারায় গিয়ে থামতে হয়। এবার চিকন চিকন বাঁশের ফাঁক গলে নামতে হবে। দেখতে এসেছি -দেখতেই হবে।

 তাই লতা-গুল্মের সাহায্যে নেমে যাই। নামলাম তো ঠিকই। কিন্তু এর পরের দৃশ্য আরও ভয়ঙ্কর। অনবরত পানি গড়িয়ে যাচ্ছে। প্রায় দেড়শ ফুট উপর হতে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখি পাথর আর পাথর। ঝুম বর্ষায় এটাও হয়তো একটা ঝর্ণার রূপ ধারণ করে থাকে। ঠিক ওই জায়গাটা দিয়েই ১০/১২ ফুট নিচে নামতে হবে। একটু এদিক সেদিক হলেই সাইজ। কি আর করা। দুর্বার দে-ছুট বলে কথা। সঙ্গীদের সাহায্যে রশি বেয়ে নেমে পড়ি। সেইরকম রোমাঞ্চকর অনুভূতি। লিখে বুঝানো মুশকিল। বুঝতে হলে যেতে হবে মায়াবি প্রকৃতির সান্নিধ্যে ঘেরা তুয়ারী মারাইং। প্রকৃতি যেমনি মায়াবি, ঠিক তেমনি আবার চরম প্রতিশোধ পরায়ন। 

যাক সেসব গুরুগম্ভীর কথা। বরং বাকি অংশের ট্রেইল নিয়ে গল্প করি। তুয়ারী মারাইং ঝর্ণার দেখা পেতে আর খুব বেশি পথ ছিল না। যতটুকুনই ছিল শুধু পাথর আর পাথর। দুইপাশে খাড়া উঁচু পাহাড়। ওর মাঝ দিয়েই চলছিল আমাদের হাইকিং। প্রাচীন গাছগুলোর ডালপালা এমনভাবে একটা আরেকটার সঙ্গে জড়িয়েছিল যে কেউ প্রথম দেখায় ভুতুড়ে বাড়ির প্রান্তর মনে করে থাকবে। ভ্রমণান্দ ঠিক এই জায়গাটাতেই। যেতে যেতে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ঝর্ণার দেখা মিলে। 

সুবহানাল্লাহ। তুয়ারী মারাইং ঝর্ণার রূপ দেখব নাকি এর পরিবেশের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য দেখব। কোনটা রেখে কোনটায় দৃষ্টি আটকাব। পুরাই অস্থির প্রকৃতি। প্রায় শতফিট উচ্চতা থেকে ঝর্ণার পানীয় ধারা পতনের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। মন মাতানো অনবরত ছন্দতোলা রিমঝিম শব্দ। পানি পড়তে পড়তে ঝর্ণার সামনে খুব সুন্দর ক্যাসকেড তৈরি হয়েছে। যেখানে অবলীলায় সাঁতার কাটা যায়। ঝর্ণার ডান সাইডের পাহাড়ের পাদদেশটা চমৎকার আকৃতির। যেন বিশাল একটি থালা। 

সম্ভবত এই কারণেই ঝর্ণার নামটা তুয়ারী মারাইং। তুয়ারী অর্থ কুয়া/কূপ আর মারাইং অর্থ থালা/বাসন। অর্থাৎ কুয়ার থালা। এটি একটি ত্রিপুরা ভাষার শব্দ। সব মিলিয়ে তুয়ারী মাইরাং ঝর্ণা এর পাহাড়ের পাদদেশের ভৌগোলিক আকৃতিসহ এর যাবার ট্রেইলটা অসাধারণ সৌন্দর্য বহন করে আছে। যে কোনো ভ্রমণপিপাসু তুয়ারী মারাইং দেখতে গিয়ে আমৃত্যু সুন্দর স্মৃতির ঝুলি নিয়ে ফিরতে পারবেন।

যাবেন কীভাবে: ঢাকা-খাগড়াছড়ি রুটে বিভিন্ন পরিবহনের বাস সার্ভিস চলাচল করে থাকে। খাগড়াছড়ি বাসস্ট্যান্ড হতে চান্দের গাড়ি/মাহেন্দ্র/সিএনজিতে দীঘিনালা নয় মাইল এলাকার সীমানাপাড়া। মাইতুই বা সীমানাপাড়া হতে স্থানীয় গাইড পাওয়া যায়।

থাকবেন খাবেন কোথায়: খাগড়াছড়ি শহরে মানভেদে বিভিন্ন আবাসিক খাবার হোটেল রয়েছে। চাইলে তুয়ারী মারাইং দিনে দিনে দেখে রাতের গাড়িতে নিজ গন্তব্যে ফিরতে পারবেন।

সতর্কতা: অ্যাডভেঞ্জার ট্রাভেল করার উপযোগী রশি, শুকনো খাবার পর্যাপ্ত পানিসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নেবেন।

টিপস: শীত মৌসুমে তুয়ারী মারাইং ট্রেইল ভ্রমণ হবে অনন্য।

 

 

 


আরও খবর

কুয়াকাটা সৈকতে হয়রানি

বৃহস্পতিবার ০২ জুন 2০২2




একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image
সোনারগাঁয়ে জমি নিয়ে বিরোধে

 সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

জমি নিয়ে বিরোধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার রিবর গ্রামে গতকাল শনিবার একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীরা জানান, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের রিবর গ্রামের মনোয়ার হোসেন মিন্টুর পরিবারের সঙ্গে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মনাইকান্দি গ্রামের বাসিন্দা তার আপন ভাই আলম মিয়ার দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল শনিবার বারদীর রিবর গ্রামে লোকজন নিয়ে এসে জমি নিয়ে আলম মিয়ার সঙ্গে মনোয়ার হোসেনের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধে আলম মিয়ার নেতৃত্বে সাব্বির হোসেন, আনোয়ার হোসেন, শারমিন, অনন্তী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে মনোয়ার হোসেন তার স্ত্রী ময়না বেগম এবং তাদের দুই প্রতিবন্ধী ছেলে হাসান সরকার ও হোসেন সরকারকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় আহত মনোয়ার হোসেন মিন্টু বাদি হয়ে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

আহত মনোয়ার হোসেন জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমার ভাই আলম মিয়া ও তার লোকজন আমাদের উপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন। অপরদিকে আলম মিয়া আমরা জমির বন্টনের বিষয়টি জানতে চাইলে তারাই প্রথমে আমাদের উপর চড়াও হয়।

সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


আরও খবর



নীলফামারীতে অবহিতকরণ সভায় ল্যাম্ব হাসপাতাল কতৃপক্ষ

ফিস্টুলা রোগী ভালো হয় অস্ত্রপাচারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ

প্রসবজনিত এবং তলপেটে অস্ত্রপাচারে কারণে ফিস্টুলা রোগে আক্রান্ত হন নারীরা। এ রোগ ভালো হয় অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে। উত্তরাঞ্চলে বিনামূলে সে অস্ত্রপাচারের সুবিধা রয়েছে দিনাজপুরের পাবর্তীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নীলফামারীতে একটি রেস্টুরেন্টের সম্মেলন কক্ষে এক অবহিতকরণ সভায় গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য  জানান বেসরকারি সংস্থা ল্যাম্ব হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

সভায় জাননো হয়, নারীর জনন অঙ্গের ফিস্টুলা প্রতিরোধযোগ্য। বিনা খরছে চিকিৎসা সেবা পেতে নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে। সেখানকার ব্যবস্থাপত্রসহ ল্যাম্ব হাসপাতালে যোগাযোগ করা হলে বিনামূল্যে অস্ত্রপাচার করা হয়।

সভায় নীলফামারী প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মোস্তাফিজার রহমান সবুজের সভাপতিত্বে বক্তৃতা দেন ল্যাম্ব হাসপাতালের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহতাব লিটন, উপ প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. তাহমিনা সোনিয়া, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. হাফিজ মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, ল্যাম্বের জেলা সমন্বয়কারী মনজু আরা বেগম প্রমুখ।

প্রকল্প কর্মকর্তা মাহতাব লিটন জানান, বিশ্বের প্রায় ১০ লাখ নারী ফিস্টুলা রোগে ভুগছেন। প্রতিবছর প্রায় ৫০ হাজার নারী আক্রান্ত হচ্ছেন । বাংলাদেশে এ রোগে আন্তান্তের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। প্রতি বছর এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে প্রায় দুই হাজার। উত্তরাঞ্চলের ১১টি জেলায় ২০০৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক হাজার ৫০০ রোগির চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। 

ল্যাম্বের উপ প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. তাহমিনা সোনিয়া জানান, নারীদের বিলম্বিত প্রসব বা বাধাগ্রস্ত প্রসব, বাল্য বিবাহ এবং কম বয়সে বাচ্চা নেওয়া, জরুরী প্রসূতি সেবার অভাব, তলপেটে বা জরায়ুতে অপারেশ, অদক্ষ ধাত্রীর মাধ্যমে ডেলিভারী কারণে ফিস্টুলার সৃষ্টি হয়। এতে করে নারীর মাসিকের রাস্তারসাথে মূত্রথলী অথবা মলাশহয় এক বা একাধিক ছিদ্র হয়ে যুক্ত হয়। যার ফলে মাসিকের রাস্তা দিয়ে সবসময় পস্রাব বা পায়খানা অথবা উভয়ই ঝড়তে পারে।

তিনি বলেন,‘ আক্রান্ত হলেও চিকিৎসা সেবা নিতে অনিহা প্রকাশ করে বড় ধরণের ক্ষতির মুখে পড়েন রোগীরা। এক থেকে দুইবার অপারেশনের মাধ্যমে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ল্যাম্ব হাসপাতালে বিশেজ্ঞ চিকিৎসক দলের মাধ্যমে রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। অবহেলা না করে রোগমুক্তিতে দ্রæত যোগাযোগ করতে হবে। চিকিৎসা শেষে রোগীদের পুণর্বাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।


আরও খবর

বাড়ছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2