Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলা, নিহত-৩

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনজন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরও তিনজন। তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।



সোমবার (১০ জুন) ভোরে জেলার উখিয়া উপজেলার চার নম্বর (এক্সটেনশন) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।


নিহতরা হলেন, ওই ক্যাম্পের এফ ব্লকের জাফর আহম্মদের ছেলে মো. ইলিয়াছ (৩১), মৃত আব্দুর রকিমের ছেলে মো. ইছহাক (৫৪) ও ক্যাম্প-৩-এর ই ব্লকের মো. ইসমাইলের ছেলে ফিরোজ খান (১৮)।


আহতরা হলেন- ক্যাম্পের এফ ব্লকের হাছানের ছেলে আব্দুল হক (৩২), নজির আহাম্মদের ছেলে আব্দুস শুক্কুর (৫৫) ও মৃত ওমর মিয়ার ছেলে আব্দুল মোনাফ (৬০)।



সূত্র জানিয়েছে, ভোর পৌনে চারটার দিকে রোহিঙ্গা মো. ইলিয়াছকে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যরা গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাতে, পায়ে, তলপেটে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়।


এরপরে, ভোর সোয়া চারটার দিকে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আরএসও সমর্থক মো. ইছহাক, ফিরোজ খান, আব্দুল হক, আব্দুস শুক্কুর ও আব্দুল মোনাফকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।


ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, প্রথমে নিহত রোহিঙ্গা ইলিয়াছ আরসার সোর্স হিসেবে কাজ করতো। আরসা সম্পর্কে তথ্য দিতে রাজি না হওয়ায় আরএসও সদস্যরা প্রথমে তাকে হত্যা করে। পরে ঘটনার খবর পেয়ে আরসা সদস্যরা এসে কয়েকজন আরএসও সমর্থকের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়।


ঘটনার পরে আহত রোহিঙ্গাদের চিকিৎসার জন্য উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. ইছহাক ও ফিরোজ খানকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।


উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম হোসেন জানান, নিহতদের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. ইকবাল বলেন, একজন ঘটনাস্থলে মারা যায়। দুজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায়। বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।


আরও খবর



নওগাঁয় অটো রিকসাতে চার্জদিতে গিয়ে বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় ব্যাটারি চালিত অটো রিকসাতে চার্জদিতে গিয়ে অ-সাবধানতা বশত বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে অটো রিকসা চালক এক যুবকের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যুৎ পিষ্টের এঘটনাটি ঘটে বুধবার দিনগত রাত সারে ৮ টারদিকে নওগাঁর মহাদেবপুর থানাধীন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার চেরাগপুর ইউপির বুজরুক বড়াইল গ্রামে। স্থানিয় সুত্র ও নওহাটামোড় ফাঁড়ি পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, বুজরুক বড়াইল গ্রামের আব্দুল খালেকের যুবক ছেলে মাহবুব আলম ওরফে মিঠু (২৭) চার্জার ব্যাটারি চালিত অটো রিকসা চালিয়ে যে অর্থ উপার্জন করতেন সেই অর্থদিয়ে তিনি তার সংসারের খরচ মিটাতেন। প্রতি দিনের মতো বুধবার ও সারাদিন অটো রিকসা চালিয়ে (ভাড়া মাড়ারপর) দিনগত রাত সারে ৮ টারদিকে নিজ বাসায় ফেরার পর অটো রিকসাতে চার্জ বিদ্যুতের সংযোগ দিতেগিয়ে অ-সাবধানতা বশত তিনি বিদ্যুৎ পিষ্ট হলে এসময় তার পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়েগেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। তার মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌছামাত্র তার নিজ গ্রাম সহ আশে-পাশের গ্রামের লোকজন সহ স্বজনদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছাঁয়া।

বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে অটো রিকসা চালকের মৃত্যুর সত্যতা প্রতিবেদককে রাতেই নিশ্চিত করেছেন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ির এস আই জিয়াউর রহমান।


আরও খবর



ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে পুলিশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে একটি স্বার্থান্বেষী গ্রুপ ভিন্ন খাতে পরিচালিত করার চেষ্টা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ষড়যন্ত্রকারী ওই গ্রুপটিতে শামিল সবার নামের তালিকা হাতে পেয়েছে ডিবি। শিগগিরই অভিযান পরিচালিত হবে তাদের বিরুদ্ধে।

গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান ডিবিপ্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে গুজব ছড়িয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি গ্রুপ। যারা গুজব ছড়াচ্ছে ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছে, তারা অতীতেও ষড়যন্ত্র করেছে। আমরা তাদের ছাড় দেইনি।

হারুন অর রশীদ বলেন, যারা রাজনীতিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য কোমলমতি ছাত্রদের ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রেলের স্লিপার তুলে ফেলছে, মেট্রোরেল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে তাদের সবার নাম পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ডিবি ও ডিএমপির একাধিক টিম অভিযান চালাবে।

ডিবিপ্রধান বলেন, কয়েকদিন ধরে সাধারণ ছাত্ররা কোটাবিরোধী আন্দোলন করছিল। সাধারণ ছাত্রদের ক্লাসে যাওয়ার জন্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে একটি গ্রুপ বিভিন্ন জায়াগায় বসে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া শুরু করে। এছাড়া গাড়িতে আগুন, রেল লাইনের স্লিপার তুলে ফেলা, মেট্রোরেল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, সবগুলো বিষয় গোয়েন্দা পুলিশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনকে অন্যদিকে ধাবিত করার জন্য একটি গ্রুপ অর্থ, পানি, লাঠি ও অস্ত্র সরবরাহ করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, এর ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার প্রেসক্লাবে দুটি বাসে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এগুলো কোমলমতি সাধারণ ছাত্রদের কাজ না। এছাড়া স্বাধীনতাবিরোধী কয়েকটি ছাত্র সংগঠন কয়েকটি জায়গায় মিছিল-সমাবেশ করেছে। আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে চালানোর অপচেষ্টা চলছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে শিক্ষকদের বৈঠক স্থগিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ কর্মসূচির প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একযোগে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। 



এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষকনেতাদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে। 


বৈঠক স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিন্নাত হুদা।



তিনি বলেন, আজকে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে আমাদেরকে কিছু জানানো হয়নি। 


তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে বৈঠক হলে সরকার যদি জরুরি মনে করে তারা আমাদের সঙ্গে বসবে, অন্যথায় আমাদের আন্দোলন এভাবেই চলতে থাকবে। বৈঠক হলে বিষয়টি যথা সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।  



সর্বজনীন পেনশন ‘প্রত্যয়’ স্কিম কর্মসূচির প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একযোগে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।



 যদিও পেনশনের পক্ষে একটি বিবৃতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। কিন্তু শিক্ষক নেতারা সে বিবৃতিটিকে বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং চতুর্থ দিনের মতো চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রথযাত্রা নিয়ে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা রবিবার (৭ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে। উল্টো রথযাত্রার মধ্য দিয়ে এ উৎসব শেষ হবে আগামী ১৫ জুলাই। রথযাত্রায় ব্যবহৃত সড়ক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে জানানো হয়, রথযাত্রায় বিভিন্ন মন্দিরে নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকায় ৮ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন)।

রবিবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টায় প্রধান রথযাত্রা রাজধানীর স্বামীবাগ ইসকন মন্দির থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গিয়ে শেষ হবে। আগামী ১৫ জুলাই বিকেল ৩টায় ঢাকেশ্বরী মন্দির হতে উল্টো রথযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্বামীবাগ ইসকন মন্দিরে এসে শেষ হবে।

যেসব রাস্তা প্রদক্ষিণ করবে রথযাত্রা: স্বামীবাগ রোডস্থ স্বামীবাগ আশ্রম (ইস্কন, ঢাকা) হতে জয়কালি মন্দির মোড় যাবে। পরে ইত্তেফাক মোড় হয়ে শাপলা চত্বর। তারপর দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে রাজউক ক্রসিং। এরপর গুলিস্তানের গোলাপশাহ মাজার হয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল হয়ে হাই কোর্ট মাজার, দোয়েল চত্বর ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার যাবে। এরপর জগন্নাথ হলের রোড দিয়ে পলাশী হয়ে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে এসে শেষ হবে।

ডিএমপির পক্ষ থেকে এই সময়ে উপরোক্ত রোডে চলাচলকৃত যানবাহনসমূহকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




৯ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেসঃ


সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটির দুটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। 


বুধবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর এলাকায় ওই ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এ ঘটনায় রাত ও ভোরে যাতায়াতকারী উপবন ও কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে।



বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাত ৩টার দিকে লাইনচ্যুত বগি দুটি উদ্ধারের পর ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম।



ট্রেনের যাত্রী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দ্রুতগামী ট্রেনটির চলার মধ্যেই কয়েকটি কামরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। টের পেয়ে ট্রেনের সামনের অংশ হঠাৎ গতি কমালে দুটি অংশের ধাক্কা লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি।



এ সময় আতঙ্কে ট্রেনের কয়েকজন যাত্রী লাফ দিয়ে পাশের খালে গিয়ে পড়েন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।


স্টেশনের ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী ‘পাহাড়িকা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর এলাকায় পৌঁছালে বিকট শব্দে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়।



 ফলে সারা দেশের সঙ্গে সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল কুলাউড়া জংশন থেকে এসে ট্রেনটি উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। 



ট্রেন দুর্ঘটনার ৯ ঘণ্টা পর লাইনচ্যুত বগি দুটি উদ্ধার করা হয়। এরপর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।


আরও খবর