Logo
শিরোনাম
নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে শিশু ও দুই নারীসহ চারজনপর মরদেহ উদ্ধার সমবায়ের মাধ্যমে চাষাবাদ করার আহ্বান পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা রাজবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ২০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ সাত পৃষ্ঠার চিরকুট লিখে কলেজ ছাত্রীর আত্মহতা লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয় নেত্রকোনায় হাওড়ে নৌকা ডুবে দুই নারীর মৃত্যু নেত্রকোনায় ইমাম হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন নেত্রকোনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা ও স্মারক লিপি প্রদান

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে আরাকান আর্মি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাখাইনের রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের এখনও তদন্ত করছে আন্তর্জাতিক আদালত। যুক্তরাষ্ট্র ওই নিপীড়নকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে। লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। আর যারা রাখাইনে রয়ে যায় তারা জান্তার নিপীড়নের মুখে পড়েছে। এখন এই রোহিঙ্গারা নতুন এক হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে। এবার মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর পরিবর্তনে শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ উঠছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি হচ্ছে আরাকান আর্মি। ইতোমধ্যে রাখাইন রাজ্যের বিশাল অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা। সম্প্রতি রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে তারা সফলতা পেয়েছে, এসব অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের আবাস। সম্প্রতি মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো অভিযোগ করেছে, রোহিঙ্গাদের বাড়ি থেকে বিতাড়িত করছে আরাকান আর্মি। এমনকি তাদের সম্পত্তি ধ্বংস করছে বিদ্রোহীরা। অনেক ক্ষেত্রে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। অবশ্য আরাকান আর্মি এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।=

এই জাতিগত উত্তেজনা মিয়ানমারের জটিল জাতিগত চরিত্র ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি হাজির করছে। আরাকান নামে পরিচিত রাখাইন রাজ্যের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাখাইন জাতিগোষ্ঠী মিয়ানমার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায়। তারা প্রায় সময় রাজ্যে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ আসা অবৈধ অভিবাসী ও দুষ্কৃতকারী হিসেবে মনে করে।

প্রায় ১৫ বছর আগে গঠিত আরাকান আর্মি দাবি করে, তাদের বাহিনীতে প্রায় ৪০ হাজার যোদ্ধা রয়েছে এবং বছরের পর বছর ধরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে আসছে। দেশটির বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে তারা। সামরিক সরকারকে উৎখাত করে চায় এমন গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে তারা যোগ দিয়েছে। ২০২১ সালে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল সেনাবাহিনী। সম্প্রতি সশস্ত্র বিদ্রোহী ও গণতন্ত্রপন্থি শক্তির পক্ষ থেকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে জান্তা।

আরাকান আর্মির হাতে রোহিঙ্গাদের নিপীড়িত হওয়ার সাম্প্রতিক খবর নতুন করে নৃশংসতা আশঙ্কা তৈরি করছে। জান্তা দুর্বল হলেও রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।

বুথিডাংয়ে বসবাস করা ৪২ বছর বয়সী রোহিঙ্গা আং হতায় বলেছেন, আরাকান আর্মির যোদ্ধারা আমাদের নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলেছে। আমাদের শহরে লড়াইয়ের তীব্রতা বেড়েছে এবং ঝুঁকি রয়েছে। আমরা চলে যাব কি যাব না সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বেই আমাদের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।

টেলিফোনে তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এসব কথা বলেছেন। রাতের অন্ধকারে শহরের বিভিন্ন বাড়িতে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হচ্ছে তা জানেন না তিনি।

শহরটির আশেপাশে বসবাস করা অপর ৯জন বাসিন্দা বলেছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অনেক বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বাসিন্দাদের চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। কারা এই সহিংসতা চালাচ্ছে তা এখনও অস্পষ্ট, তবে আরাকান আর্মির জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া গবেষক শায়না বাউখনার বলেছেন, আমরা একাধিক মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। তারা বলেছেন যে, যখন ১৭ মে বিস্তৃত অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে তখন বুথিডাংয়ের নিয়ন্ত্রণ ছিল আরাকান আর্মির যোদ্ধাদের হাতে।

জাতিসংঘও বলেছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী যে-সব এলাকা থেকে পিছু হটেছে সে সব স্থানে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। সংঘাতের কারণে হাজার হাজার রাখাইনজুড়ে হাজার হাজার মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছেন। কিছু মানুষ প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। বাংলাদেশে আগে থেকেই দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বসবাস করছেন।

আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে অতীতে রাখাইন জনগোষ্ঠীর মানুষদের নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছিল। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির এক প্রতিনিধি এমন অপরাধের কথা অস্বীকার করেছেন।

আরাকান আর্মির মুখপাত্র খাইং থু খা বলেছেন, আমরা বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়াতে জড়িত নই। তিনি এসব অগ্নিকাণ্ডের জন্য মিয়ানমার জান্তাকে দায়ী করেছেন। এই বিষয়ে মিয়ানমারের সামরিক কর্মকর্তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বেসামরিকদের জোর করে বাড়ি-ঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য করার অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন আরাকান আর্মির মুখপাত্র। তিনি বলেছেন, আমরা কখনও কাউকে সরে যেতে বলিনি। কিন্তু যুদ্ধের এলাকা নিরাপদ নয় উল্লেখ করে হয়ত চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকতে পারি।

তবে গোষ্ঠীটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোতে এমন আন্তরিকতার প্রকাশ কম। আরাকান আর্মির কমান্ডার তয়ান ম্রাত নাইং রোহিঙ্গাদের বন্ধুনাগরিক বললেও তিনি তাদের বাঙালি হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাঙালি বলার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ অনুপ্রবেশকারী এবং মিয়ানমারে তাদের কোনও অধিকার নেই বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়।

এক্স-এ এক পোস্টে তিনি রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্টদের বিরুদ্ধে পৃথক ইসলামি নিরাপদ অঞ্চল গড়তে চাওয়ার অভিযোগ করেছেন। যদিও অ্যাক্টিভিস্টরা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

রোহিঙ্গাদের জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিচ্ছে মিয়ানমার জান্তা এবং তাদের রাখাইনের গ্রামগুলোতে বিদ্রোহী বিরোধী অভিযানে পাঠানো হচ্ছে, এমন খবর যখন প্রকাশ হচ্ছে তখন আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ উঠছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মনে করে, ফেব্রুয়ারির পর থেকে এক হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে জোর করে বাহিনীতে নেওয়া হয়েছে।

নতুন করে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রদায়িক উত্তেজনায় উদ্বিগ্ন জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনার সতর্ক করে বলেছেন, আরও নৃশংসতার তীব্র ঝুঁকি রয়েছে।

সেনাবাহিনীর ফাঁদে পা না দিতে আরাকান আর্মির নেতৃত্বের প্রতি এক যৌথ বিবৃতিতে আহ্বান জানিয়েছেন রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্টরা। তারা অভিযোগ করেছেন, দুই সম্প্রদায়কে একে অন্যের বিরুদ্ধে উসকে দিয়ে সুবিধা নিতে চাইছে জান্তা।

বুথিডাং থেকে নির্বাচিত সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য ইউ অং থাউং সোয়ে বলেছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী এখনও জাতিগত ও ধর্মীয় সংকট তৈরি করতে চাইছে। যখন তারা পরাজিত হওয়ার মুখে থাকে তখন এমন সংঘাত সৃষ্টি করে। আমাদের সতর্ক হতে হবে।

তিনি জানিয়েছেন, তার বাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। কে দায়ী তা তিনি জানেন না।

এখন রোহিঙ্গাদের এমন একটি সংঘাতে কোনও একটি পক্ষকে বেছে নিতে হচ্ছে যাদের কোনও পক্ষই তাদের অধিকারকে সমর্থন করে না। নিজেদের সশস্ত্র গোষ্ঠীও তাদের সন্ত্রস্ত করে রেখেছে। রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শিবিরে জোর করে তরুণদের দলে ভেড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।

মিয়ানমারের প্রখ্যাত মানবাধিকারকর্মী থিনজার শুনলেই ইয়ি বলেছেন, সরেজমিনে পরিস্থিতি হয়ত জটিল হতে পারে। কিন্তু একটি বিষয় একেবারে সহজ: রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করা হচ্ছে।


আরও খবর



ভারতের বিপক্ষে হারের কারণ ব্যাখ্যা করলেন তামিম

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ক্রীড়া ডেস্ক:


সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের দেওয়া ১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। 


এতে ৫০ রানে পরাজিত হয় শান্ত বাহিনী। এই ম্যাচে টাইগারদের রান তাড়ার অ্যাপ্রোচ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।


শনিবার (২১ জুন) ক্রিকইনফোর ম্যাচ পরবর্তী লাইভ অনুষ্ঠানে তামিম বলেন, আমার মনে হয়; অ্যাপ্রোচের দিক থেকে বাংলাদেশ দল হেরেছে। ভারতের কুলদ্বীপ যাদব ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটারদের অ্যাপ্রোচের কারণেই সে লুপ এবং ফ্লাইট দিতে পেরেছে...।


‘শুরু থেকে আমার মনেই হয়নি তারা (বাংলাদেশের ব্যাটাররা) রান তাড়া করছে। বাংলাদেশ হয়তো ১৪৬ রান করেছে। কিন্তু রিশাদ হোসেনের ১০ বলে ২৪ রান তাদের ওই পর্যায়ে নিয়ে গেছে। আমার কোনও পয়েন্টেই মনে হয়নি বাংলাদেশ রান তাড়া করছিল।’


পুরো টুর্নামেন্টে ব্যাটাররা যখন রান তুলতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন টস জিতে ভারতের বিপক্ষে বোলিং বেছে নেওয়ায় অনেকের মতোই অবাক হয়েছেন তামিম ইকবালও। তিনি বলেন, পুরো আসরেই বাংলাদেশের ব্যাটিং হতাশাজনক। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর উপায় খুঁজে বার করতে হবে।


আবারও সাকিবকে খোঁচা মারলেন শেবাগ

‘ব্যাটাররা যখন রান করে, তখন ১৬০-১৭০ রান তাড়া করা যায়। কিন্তু যখন আপনি জানেন ব্যাটাররা হিমশিম খাচ্ছে... আমি অবাক হয়েছিল বাংলাদেশ আগে বোলিং নেওয়ায়। এই ম্যাচে দলের অনেকগুলো সিদ্ধান্ত আমাকে অবাক করেছে।’


এ ছাড়া একাদশ থেকে তাসকিনকে বাদ দেওয়ায় অবাক হয়েছেন তামিম। এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, তাসকিন না খেলায় আমি অবাক হয়েছি। দুই স্পিনার (সাকিব ও মাহেদী) অনেক রান খরচ করেছে। একটা সময় তানজিম সাকিবের জোড়া শিকারে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত।


‘তাসকিন থাকলে ওই সময় বাংলাদেশ ভারতকে আরও বেশি আক্রমণ করতে পারতো। আমরা শিভব দুবের শর্ট বলে দুর্বলতার কথা জানি। ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট গতি ছিল তাসকিনের।’


মোস্তাফিজকে ভালো ব্যবহার করতে না পারা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক। তামিম বলেন, বাঁহাতি ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে রোহিতের দুর্বলতার কথা অনেকেই বলেন। ম্যাচে এটার একটা প্রভাব পড়তে পারতো। বাংলাদেশ শুরুটা করতে পারতো বাঁহাতি পেসারকে দিয়েই।


`ভারত ১৯৬ রান করেছে ঠিকই, কিন্তু রোহিত যেভাবে শুরুটা করে দিয়েছে সেটা তার দলের জন্য কাজে দিয়েছে। তানজিদ আগের ম্যাচগুলোতে নতুন বলে ভালো করেছে।



 কিন্তু তাকে নতুন বল দেওয়া হয়নি। কেন আপনাকে শুরু একজনের (রোহিত) জন্য পুরো সেটআপ বদলাতে হবে, যখন কেউ (তানজিম) অসাধারণ বোলিং করছে?'



আরও খবর



দেশব্যাপী বিতর্কের মুখে ভারতে নতুন ফৌজদারি আইন কার্যকর, দিল্লিতে প্রথম মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক :


ব্রিটিশ আমলের ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ধারা বদলে তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন আগেই পাশ হয়েছিল।



 সোমবার (১ জুলাই) থেকে তা চালু হয়েছে দেশটিতে। অবশ্য চালু করার আগে এই আইনগুলো নিয়ে আরো বেশি আলোচনা-পর্যালোচনার প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছেন বিরোধীরা। খবর ডয়চে ভেলে ও ইন্ডিয়া টুডের।



নতুন যে তিনটি আইন চালু হলো সেগুলো হলো- ভারতীয় নয়া সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। এর আগে এই ধারাগুলো ছিল ব্রিটিশদের তৈরি তিনটি আইনে।



 ইন্ডিয়ান পেনাল কোড (আইপিসি), কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর এবং দ্য ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট। ব্রিটিশ আমলের এই তিনটি আইন বাতিল করে নতুন এই তিনটি আইন চালু করা হলো।



বস্তুত, এই তিনটি নতুন ফৌজদারি আইনকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই আইন নিয়ে বলেছেন, এর ফলে ভারতে ফৌজদারি বিচারের গতি আগের চেয়ে অনেকটাই দ্রুত হবে।



নতুন আইনগুলো পুরোনো আইনের থেকেই তৈরি করা। কিন্তু তাতে বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, প্রথম শুনানির ৬০ দিনের মধ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করতে হবে।



 বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে সাজা ঘোষণা করতে হবে। অর্থাৎ, বিচারপ্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক দ্রুত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে নতুন আইনে। 


নতুন আইন অনুযায়ী, দেশের যে কোনো প্রান্তে বসে পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা যাবে। অর্থাৎ, যে অঞ্চলে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, কেবল সেই অঞ্চলের থানায় গিয়েই এফআইআর করতে হবে, এমন কোনো নিয়ম আর থাকল না। 



যে কোনো পুলিশ স্টেশন যে কোনো অঞ্চলের এফআইআর নিতে বাধ্য থাকবে। পাশাপাশি অনলাইনেও অভিযোগ নথিভুক্ত করা যাবে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সমন পাঠানো যাবে।


নতুন আইনে বলা হয়েছে, যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে ক্রাইম সিন বা অপরাধ যেখানে সংঘটিত হয়েছে সেই জায়গার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। বস্তুত, ক্রাইম সিনের ভিডিওগ্রাফি এখনো হয়। কিন্তু তা বাধ্যতামূলক নয়। নতুন আইনে তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


সাত বছরের বেশি সাজা হতে পারে যে অপরাধে, তেমন ঘটনায় ফরেনসিক দলকে ক্রাইম সিনে যেতেই হবে। গণপ্রহার, গণধর্ষণ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের মতো অপরাধের ক্ষেত্রেও ফরেনসিক টিমকে ঘটনাস্থলে যেতে হবে।


এর ফলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তৈরি হয় জাতীয় ফরেনসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই মুহূর্তে ভারতে ৯টি রাজ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ১৬টি রাজ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হবে।



কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলোর বক্তব্য, নতুন আইন খুব দ্রুত চালু করা হচ্ছে। এই আইনগুলো নিয়ে আরো বেশি আলোচনা হওয়ার প্রয়োজন ছিল। এর সাংবিধানিক ব্যাখ্যা নিয়েও আলোচনা করা দরকার ছিল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও একই কথা বলেছেন। তার বক্তব্য, ‘এই আইনগুলো নিয়ে আরো বেশি পর্যালোচনার প্রয়োজন ছিল।’


তবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নতুন আইনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এটি একটি অভূতপূর্ব সময়। ভারতে দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে ফৌজদারি আইন। সেই আইনের ঐতিহাসিক সংস্কার হলো।


এদিকে নতুন এই আইনের অধীনে দিল্লিতে ইতিমধ্যে একটি মামলাও নথিভুক্ত হয়েছে। দিল্লির কমলা মার্কেট থানায় এ মামলা নথিভুক্ত হয়। এক জন হকারের বিরুদ্ধে রাস্তা আটকে ব্যবসা করার অভিযোগে এ মামলা হয়।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে যমুনার ভাঙনে ৫ শতাধিক বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি  টুডেস ডেস্ক:


ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সিরাজগঞ্জে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যমুনা নদীর পানি। 



সেইসঙ্গে জেলার নদী তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। মাত্র সপ্তাহের ব্যবধানে পানির তোড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে ৫ শতাধিক বাড়ি ও ফসলি জমি। 


আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ১২ ঘণ্টায় ২১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে কাজিপুর মেঘাই পয়েন্টে নদীর পানি বেড়েছে ২৪ সেন্টিমিটার।



খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যমুনায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার কাজিপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী, সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ও শাহজাদপুর উপজেলার জালালপুর এবং কৈজুরী ইউনিয়নে এক সপ্তাহ ধরে তীব্র ভাঙন চলছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিওব্যাগ ফেললেও বর্ষা মৌসুমে তা কোনো কাজেই আসছে না। 



বরং প্লাবিত হচ্ছে নদীতীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা। এছাড়াও চলনবিলসহ ফুলজোড়, ইছামতি, হুড়াসাগর, বড়াল, গোহালা, গুমানি নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে।


খাস রাজবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে দক্ষিণ খাসরাজবাড়ী গুচ্ছগ্রামের ৬০-৭০টি বাড়িঘর ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গুচ্ছগ্রামের মানুষগুলো ফের ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।



সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া মুন্সী জানান, এ ইউনিয়নে এক মাসে দুই শতাধিক বাড়িঘর ও তিন হাজার একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে হাটবয়ড়া, দোগাছি, বড়কয়ড়া, ছোটকয়ড়া, চন্ডাল বয়ড়া, বেড়াবাড়ি, কৈগাড়ি, দোরতা ও বর্ণি গ্রামের আরও পাঁচ শতাধিক বাড়িঘর, চার কিলোমিটার পাকা রাস্তা, কয়েকশ একর ফসলি জমি, বন্যা ও দুর্যোগকালীন আশ্রয়কেন্দ্র মুজিবকেল্লা, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর অধীন ১২৬টি ব্যারাক, একটি কমিউনিটি ক্লিনিক ও ছয়টি সরকারি প্রাইমারি স্কুল।


কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন খোকন বলেন, কয়েকদিন ধরে হাঁটপাচিলে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে।  ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসে তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও। এলাকাবাসী ত্রাণ চায় না, এক বান্ডিল টিনও চায় না। তারা চায় নদীভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, জালালপুর ও কৈজুরী ইউনিয়নের হাঁটপাচিল এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন কবলিতদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের সহযোগিতা করা হবে।


এদিকে পাউবো সূত্র জানায়, ২০২১ সালে যমুনার ভাঙনরোধে শাহজাদপুরের এনায়েতপুর থেকে কৈজুরী পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৬৫০ কোটি টাকার এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও মাত্র অর্ধেক শেষ হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৫ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।


সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, নদীভাঙন রোধে আমরা প্রকল্পের পাশাপাশি জিওটিউব ডাম্পিং শুরু করেছি। এছাড়া পাউবোর ড্রেজার দিয়ে চ্যানেলটিকে প্রশস্ত করার চেষ্টা করছি। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের জন্য খনন কাজ চলছে। সেই সঙ্গে ভাঙনরোধে কাজ করা হচ্ছে।




আরও খবর



এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রবিবার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা আগামী রবিবার (৩০ জুন) শুরু হবে।

এবার ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা দিবেন। চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা ২ হাজার ৭২৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মোট ৯ হাজার ৪৬৩টি। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৯১,৪৪৮ জন।

এদিকে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও নকলমুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

এ ছাড়া সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা সম্পন্নের লক্ষ্যে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

এর মধ্যে রয়েছে, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্টারে লিখে ওইদিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।

পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন অথবা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না; শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন (তবে ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন)।

পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (যেমন: পরীক্ষার্থী, কক্ষ প্রত্যবেক্ষক (ইনভিজিলেটর), মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য) ছাড়া অন্য কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না।

এ ছাড়া বিশেষ সক্ষম (ডিফারেন্টলি অ্যাবল) পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু ব্যবস্থা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, সেরিব্রালপালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতিলেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।

প্রতিবন্ধী (অটিস্টিক, ডাউনসিন্ড্রম, সেরিব্রালপালসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বাড়ানোসহ শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহযোগিতায় পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



দিল্লিতে শেখ হাসিনা ও মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

প্রায় দুই বছর পর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছেন প্রতিবেশী দুই দেশ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় বেলা ১২টার (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ১২টা) দিকে দিল্লির হায়দ্রারাবাদ হাউজে এই বৈঠক শুরু হয়।

গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে ঠিক কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে তা এখনো জানা যায়নি। তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, দুই সরকারপ্রধানের বৈঠকে অমীমাংসিত বিষয়গুলো যেমন সীমান্ত হত্যা, পানিবণ্টন সমস্যা বা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা এসব বিষয় আলোচনায় থাকতে পারে। এছাড়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, জ্বালানিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের নানা বিষয়ের মধ্যে মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিষয়ও থাকছে। এছাড়া বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে চীন ইস্যু।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে উৎসাহ দেখিয়েছে চীন। যা ভালো চোখে দেখছে না দিল্লি। জুলাই মাসেই বেইজিং সফরে যাওয়ার কথা শেখ হাসিনার। এর আগে তার ভারত সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

এর আগে ২০২২ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যোগ দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষর হয় সাতটি সমঝোতা স্মারক। কথা হয়, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, নিরাপত্তা সহযোগিতা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের বৃদ্ধি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, মাদক ও মানব পাচার রোধ নিয়েও। শনিবারের বৈঠকে নির্ধারণ হতে পারে ২০২২ সালের চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বাস্তবতা এবং আগামী পাঁচ বছরের রূপরেখা।

শুক্রবার (২১ জুন) দুই দিনের সফরে ভারতে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চল‌তি মা‌সের শুরুর দি‌কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের পর আবার দি‌ল্লি‌তে গে‌লেন সরকারপ্রধান। টানা তৃতীয়বারের মতো বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রথম কোনো বিদেশি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর।

দুই প্রধানমন্ত্রীর একান্তে বৈঠক শেষে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করবেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী তাদের বিবৃতি দেবেন।


আরও খবর