Logo
শিরোনাম

রসুনের গুণেই মেদ ঝরবে

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ |
Image

রসুনের অনেক গুণ। নিয়মিত রসুন খেলে শরীরের বহু উপকার হয় চোখ ভাল রাখা থেকে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কিংবা প্রদাহ কমানো থেকে হৃদ্‌যন্ত্র ভাল রাখা।

কিন্তু সবচেয়ে বেশি উপকার হয় সকালে খালি পেটে রসুন খেলে। অনেকেই তা হয়‌তো জানেন না, খালি পেটে রসুন খেলে ওজন কমানো সম্ভব।

রসুনে থাকে ভিটামিন বি ৬ এবং সি, ফাইবার, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়ামের মতো উপাদান ,যা মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে দারুণ উপকারী।

যেভাবে রসুন আপনার মেদ ঝরাতে সাহায্য করতে পারে :

১) রসুন খেলে শরীরের বিপাক ক্রিয়া বাড়ে। ফলে বেশি মাত্রায় ক্যালোরি ঝরে।

২) রসুন খেলে দীর্ঘক্ষণ আপনার কিছু খেতে ইচ্ছা করবে না। পেট ভরা মনে হবে। তাই আপনি অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

৩) বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, রসুনে এমন কিছু যৌগ আছে, যা মেদ গলানোর প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করে।

৪) রসুন শরীর থেকে টক্সিক পদার্থগুলি বের করে দিতে সাহায্য করে। হজম প্রক্রিয়া ভাল করতে এর জুড়ি মেলা ভার।

রসুন খাবেন যেভাবে : সকালে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন খেতে পারেন। খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন। তাছাড়া, গরম পানিতে থেঁতো করা রসুন আর লেবুর রস মিশিয়েও রোজ সকালে খেতে পারেন। সূত্র : আনন্দবাজার


আরও খবর



প্রথম হজ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ল ৪১০ যাত্রী নিয়ে

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

প্রথম হজ ফ্লাইট রবিবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।

এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বিমানবন্দরে হাজিদের বিদায় জানান।

বাংলাদেশ হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম শাহাদাত হোসেন তসলিম জানান, সৌদি আরবের দুটি এয়ারলাইন্স সৌদিয়া এবং ফ্লাইনাস আগামী ৮ জুনের পর থেকে হজ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে।

বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালনের জন্য একজন হাজিকে ন্যূনতম ৫ লাখ ২২ হাজার ৭৪৪ টাকা ব্যয় করতে হবে। যার অর্থ হলো একজন হজযাত্রীকে ২০২০ সালের তুলনায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৫০ টাকা বেশি ব্যয় করতে হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের জন্য হোটেল এবং মসজিদ-উল হারামের মধ্যে আবাসনের দূরত্বের ওপর নির্ভর করে দুই শ্রেণির হজ প্যাকেজ ঘোষণা করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



কুরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ লাখ ৩৩ হাজার পশু

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

মুন্সী মো: আল ইমরান :  পবিত্র ঈদুল আযহা ও কুরবানি ইসলামের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ও আত্মত্যাগের অনন্য ইবাদত। আত্মত্যাগ ও মানবতার বার্তা নিয়ে প্রতিবছরই মুসলিম উম্মাহর সামনে হাজির হয় এই উৎসব। পবিত্র ঈদ উল আযহায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা হলো কুরবানির পশু। ঈদ উল আযহাকে সামনে রেখে নওগাঁ জেলায় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৪ লাখ ৩৩ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এসব পশুর মধ্যে রয়েছে- ষাঁড়, বলদ, গাভী (বাচ্চা উৎপাদনে অক্ষম) মহিষ ও ছাগল।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে নওগাঁ জেলায় এবার ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩টি গবাদিপশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যার মধ্যে নওগাঁ সদরে ৪২ হাজার ৪২০টি, রাণীনগরে ৪১ হাজার ৭৪১টি, আত্রাইয়ে ২৪ হাজার ৭৮৩টি, ধামইরহাটে ৪৪ হাজার ৮২৫টি, বদলগাছীতে ৩২ হাজার ৩৭৯টি, নিয়ামতপুরে ৩২ হাজার ৯৬টি, পোরশায় ৩৩ হাজার ৪৩৬টি, সাপাহারে ২৮ হাজার ৭৬৬টি, মহাদেবপুরে ৪২ হাজার ৫৮৯টি, পত্নীতলায় ৪৬ হাজার ৮১০টি এবং মান্দায় ৬৩ হাজার ২২৮টি গবাদি পশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

জেলার বেশ কয়েকটি খামার ঘুরে জানা যায়, ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ভালো দামের আশায় খামারিরা পশু লালন-পালন করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খরচ বেশি হলেও ভালো দাম পাওয়া নিয়ে আশা করছেন খামারিরা। অন্যদিকে ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ যেন না করতে পারে তারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

নওগাঁ সদর উপজেলার মৃধাপাড়া এলাকার সজিব এ্যাগ্রোর মালিক মো.সজিব হোসেন বলেন, আমার খামারে ৯০টি ষাড় গরু রয়েছে। গরুগুলোকে লালন-পালন ও পরিচর্যা করে ক্রেতার মনের মত করে তুলছি। আগামী সপ্তাহ থেকে গরুগুলোকে বাজারে বিক্রি করা শুরু করব। গত ১০মাস আগে গরুগুলোকে কিনেছি মোটা-তাজা করে ঈদ বিক্রি করার জন্য। প্রতিটি গরু ৭০-৮০হাজার টাকায় কিনেছি। প্রতিদিন প্রতিটি গুরুর জন্য খাবার বাবদ খরচ হয় ৩০০ টাকার মতো। যদি এই দামে বিক্রি করতে পারি তবে সব খরচ বাদ দিয়ে গরু প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মতো লাভ হবে।

রাণীনগর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের খামারি রফিকুল আলম বলেন, আমার খামারে ১০টি গরু ও ৫ছাগল আছে। ১বছর আগে এসব গরু ও ছাগল কিনেছিলাম। গরুগুলো ৫০-৬০ হাজার টাকায় কিনেছিলাম। আর ছাগলগুলো ৭-৮ হাজার টাকা উন্নত জাতের প্রতিটি ছাগল কিনেছিলাম। ভালো দাম পাবার আশায় পরিচর্চা করে যাচ্ছি। গো-খাদ্যের দাম কিছুটা বেশি । ভারতীয় পশু দেশে না ঢুকতে দিলে, ভালো দাম পাবো বলে আশা করছি। ভারতীয় পশু যেন দেশে না ঢুকতে পারে সেজন্য প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি করছি।

মান্দা উপজেলার মৈনম গ্রামের খামারি সিদ্দিক হোসেন বলেন, ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ৫টি গরু প্রস্তুত আছে। ভারতীয় পশু যেন দেশে না ঢুকতে পারে সেদিকে প্রশাসন যেন নজর দেই। তাহলে আমরা ভালো দাম পাবো বলে মনে করছি। নইলে লোকসান হয়ে যাবে আমাদের। কারণ ভারতের পশু দেশে আসলে দাম কমে যাবে গরুগুলোর। তখন আমাদের লোকসান হতে পারে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মহির উদ্দীন বলেন, ঈদ উল আযহাকে সামনে রেখে নওগাঁ জেলায় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৪ লাখ ৩৩ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এরমধ্যে শুধু গরুই ৬৭ হাজার। জেলায় প্রায় ২৫হাজারের মতো খামার রয়েছে। গত বছর ২ লক্ষ ২৫ হাজার কুরবানি হয়েছিল। এবারে জেলায় প্রায় ৩ লাখের বেশি কুরবানি হবে বলে ধারণা করছি। জেলায় কুরবানির জন্য পশুর সংকট হবে না। চাহিদার তুলনায় জেলার খামারগুলোতে পশু বেশি থাকায় এবার অন্য কোথাও থেকে পশু আনার প্রয়োজন নেই।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, জেলার খামারিরা কুরবানির পশু বিক্রির জন্য ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পশুগুলোকে মোটাতাজা করার জন্য কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ বা ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে না। সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে। মাঠের সবুজ ঘাস, ভুসি, খৈল, চালের গুড়া, ছোলা খাওয়াচ্ছেন। আর পশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ রাখতে আমরা খামারিদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। অনেক সময় ভারতীয় পশু দেশে অবৈধভাবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিয়ে আসে। ফলে প্রকৃত খামারিরা সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ ভারতীয় গরু আসায় দাম অনেক কমে যায়। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিজিবি এসব ব্যাপারে নজরদারি করছেন।


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




বেলকুচিতে জনপ্রতিনিধিদের উপর হামলার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদ কর্তৃক উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া ও ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের তালুকদারের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে বেলকুচি প্রেসক্লাবে প্রাঙ্গনে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ফোরামের  আয়োজনে এ  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে, উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সরকার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা  জনপ্রতিনিধি হয়ে যদি নিরাপত্তা না থাকে তাহলে আমরা জনগণকে কিভাবে নিরাপত্তা  দেব। তিনি আরো বলেন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার জন্য আনসার ও পুলিশ সদস্য দেওয়া হলেও আমাদের নিরাপত্তা কোথায়। জনগণ তাদের ভোট দিয়ে  আমাদের নির্বাচিত করছেন তাদের সেবা করার জন্য। আর সেই সেবা করতে গিয়ে আমাদের যদি সন্ত্রাসীদের হামলার স্বীকার হতে হয় তাহলে আমরা কিভাবে মানুষের সেবা করবো। আর উন্নয়ন কাজ বা করবো কেমন করে।

তাই আমি দেশনেত্রী  প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা নিকট আকুল আবেদন করছি যেন আমাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন। সেই সাথে জনপ্রতিনিধিদের উপরে সন্ত্রাসী হামলা মুল হোতাদের  আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি। যদি এই জনপ্রতিনিধিদের হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার বিচার  দ্রুত না হয় তাহলে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ফোরামের  সকল সদস্য আগামী রবিবার থেকে কলম কর্মবিরতি পালন করবো।

সংবাদ সম্মেলনে ভাঙ্গাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূইয়া, বড়ধূল ইউপি চেয়ারম্যান আছের উদ্দিন মোল্লা, বেলকুচি সদর ইউপি চেয়ারম্যান মির্জা সোলাইমান হোসেন, ভাঙ্গাবাড়ি ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের সহ আরো অনেকেই বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জেরর  বেলকুচিতে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূইয়া ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদারের উপরে হামলার হয়েছে। এ ঘটনায় গত রোববার রাতে  পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তার হামিদসহ তার সহযোগী ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।


আরও খবর



সুফিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সুফি মাজহারুল মাসুম :

 

আল্লাহের নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দীন হল ইসলাম।আল্লাহ তায়ালা মানব জীবনের সকল কর্মকাণ্ডসমূহ সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য হযরত মুহাম্মদ(সাঃএর মাধ্যমে  জীবন বিধান পেশ করেছেন।ইসলাম ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত,পারিবারিক,সামাজিক,রাষ্ট্রীয়,ইহলৌকিক  পারলৌকিক প্রভৃতি বিষয় ধর্মীয় দিক-নির্দেশনা দিয়ে থাকে।মানব জীবনের প্রতিটি প্রতিদিকে দুটি স্তর রয়েছে যার একটি হল বাহ্যিক(বস্তুগতদিক আরেকটি হল আভ্যন্তরীন (আধ্যাত্মিকদিক।ইসলাম মানুষের দুটি দিক নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করে।মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত  শুধু তার দেহের জন্য করে নাই বরং তার একটি বাতিনী দিক আছে যা হল আত্মা।আত্মার শান্তির জন্য মানবতা যুগে যুগে জড়বাদ,বস্তুবাদের আবর্তে ঘুরছে।কিন্তু প্রকৃত শান্তি তারা খুজে পায় নাই।তাই কবি শেখ সাদী (.) বলেন,

 

 এই সমুদ্রে হাজার কিশতী ডুবে গেছে;কিন্তু একটিও ভেসে উঠে নদীর তীরে পৌছে নাই

জড়বাদ মানুষের যে অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে তা বুদ্বিবাদ তা পূর্ণ করতে পারে নাই আর তার শূন্যতা পূরণ করেছে ইসলামের আধ্যাত্মিকতা।আর ইসলামের এই আধ্যাত্মিক জ্ঞানের নাম হল সূফীবাদ।মানুষের জীবন আত্মা এবং দেহের সমন্বয় গঠিত।যে জ্ঞানের সাহায্যে আত্মাকে পরিশুদ্ব করা যায় তাই হল তাসাউফ।

 

সূফি শব্দের উৎপত্তি

 

সূফি শব্দটি কোন শব্দ হতে এসেছে সে ব্যাপারে মুসলিম পণ্ডিতদের ভিতর বেশ কয়েকটি মতামত পাওয়া যায়।সেগুলো নিয়ে নীচে আলোচনা করা হলঃ

 

প্রথম মতামতঃ  ইবনে খালিদুন,. আফিফী,আল-কালবাদী,আর-রুদবারী,আবূ নসর আস-সাররাজ প্রমুখ পণ্ডিতগণের মতে,সূফী শব্দটি সূফূন হতে নির্গত যাত অর্থ হল পশম।পশমী বস্ত্র সরলতা  আড়ম্বহীনতার প্রতীক।হযরত মুহাম্মদ(সাঃ তার সাহাবাগণ বিলাসী জীবন-যাপনের পরিবর্তে সাদা-সিদে পোশাক পরতেন এবং পরবর্তীতে সূফীগণ সাদাসিধা জীবন-যাপনের জন্য এই পোশাল গ্রহণ করে কম্বল-সম্বল করে চলেন বলে তাদেরকে সূফী বলা হয়।

 

দ্বিতীয় মতামত কারো মতে সূফী কথাটি সফফুন হতে নির্গত যার অর্থ হল কাতার,শ্রেণী,লাইন ইত্যাদি।যেহেতু সে মর্যাদার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেণীর লোক।এজন্য তাদের সূফী বলা হয়।

 

তৃতীয় মতামতআলী হাজাবিরী,মোল্লা জামী (র।এর মতেসূফী কথাটি সাফা হতে নির্গত যার অর্থ হল পবিত্রতা,আত্মশুদ্বি  স্বচ্ছলতা।যারা আত্মার পবিত্রকরণ সাধনায় নিয়োজিত থাকেন তাদেরকে সূফী বলা হয়।

 

চতুর্থ মতামতকিছু পাশ্চত্যের পণ্ডিত বলেছেন যে সূফী কথাটি সোফিয়া বা সোফিস্ট কথা হতে নির্গত হয়েছে যার অর্থ হল জ্ঞান।কিছু মানুষ আধ্যাত্মিক জ্ঞানের অধিকারী বলে তাদেরকে সূফী বলা হয় আর  শাস্ত্রকে তাসাউফ বলা হয়।

তবে শেষোক্ত মতামত একেবারে অগ্রহণযোগ্য।কারণ বিদেশি কোন শব্দ হতে ইসলামের কোন একটি বিষয় নির্গত হবে তা হতে পারে না।

 

অন্যদিকে প্রথম তিনটি মতামতের ভিত্তিতে যে সূফী শব্দটি এসেছে তাও অনেকে মানতে নারাজ।  ব্যাপারে 

ইসলামে সূফী দর্শন নামক প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে,

 

সূফী কথাটি যে সুফূন(পশমহতে নির্গত তা গ্রহণযোগ্য নয়।কারণ এর দ্বারা সূফীদের কেবল পোশাক-পরিচ্ছেদ  অবয়বের কথা বলা হয়েছে।যেহেতু সূফিবাদ মানুষের বাতিনী দিকের পরিচায়ক তাই এই বাহ্যিক দিকের নির্দেশক পশম হতে সূফীর উৎপত্তি হয়েছে তা যুক্তিসঙ্গত নয়।আবার সাফা(পবিত্রতাহতে যে সূফী কথাটি এসেছে তাও গ্রহণযোগ্য নয়।কারণ এটা হল সূফীদের জীবন-

 

সাধনার একটি নির্দেশক মাত্র।আবার সফফুন হতে সূফী এসেছে  কথাও বিশ্বাস করা যায় না কারণ তা একটি কাল্পনিক ধারনামাত্র।

 

একমাত্র আহলে সূফফা(বারান্দার অধিবাসীশব্দে সূফী তত্ত্বের  সূফী জীবনের বাহ্যিক  আভ্যন্তরীন দিক পরিস্ফূট হয়ে উঠে।তারাই পশমী পোশাক সর্বদা পরিধান করতেন এবং সর্বদা আল্লাহের যিকিরে মশগুল থাকতেন।তারা আল্লাহের সম্মানে চাদরাবৃত।তারাই নবী করিম (সাঃএর সাহচর্যে থেকে সর্বদা আভ্যন্তরীন  বাহ্যিক জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। কাজেই আহলে সুফফা হতে যে সূফী কথাটির উদ্ভব ঘটেছে তা অকাট্যভাবে প্রমাণিত।(সূত্রঃ ইসলাম  আধ্যাত্মিকতাঃ১০৩)

 

সূফিবাদের পারিভাষিক সংজ্ঞা

 

সূফীবাদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ  আধ্যাত্মিক সাধনায় সাধনাকারী ব্যক্তিবর্গ বিভিন্নভাবে সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।তার ভিতর প্রধান প্রধান কয়েকটি সংজ্ঞা হল নিম্নরুপঃ

ইমাম শামী (.) বলেন,

 

সূফীবাদ হল আধ্যত্মিক জ্ঞান যে জ্ঞানের সাহায্যে মানুষের সৎ গুণাবলীর প্রকারভেদ এবং তা অর্জনের পন্থা  অসৎ গুণাবলীর প্রকারভেদ  তা থেকে রক্ষার উপায় জানা যায়।

 

জুনায়েদ বাগদাদী(রঃবলেছেনআত্মিক পবিত্রতা অর্জন  আল্লাহ ছাড়া সবকিছু হতে প্রভাবমুক্ত হওয়ার নাম হল ”

 

যুন্নন মিসরীর মতেআল্লাহ ছাড়া আর যা কিছু আছে সবকিছু বর্জন করার নাম হল সূফীবাদ।

ইমাম গাযযালী(.)বলেনতাসাউফ এমন একটি বিদ্যা যা মানুষকে পশু হতে উন্নীত করে,মনুষ্যত্বের চূড়ান্ত প্ররযায়ে পৌছিয়ে দেয়।তিনি আরো বলেন,

 

সূফীবাদ হল মুমিনদের অন্তরের জ্যোতি যা নবী করীম (সাঃএর প্রদীপ হতে গ্রহণ করা হয়েছে।

বায়জীদ বোস্তামী (.) বলেনআল্লাহের ইবাদতে মগ্ন থাকা  আল্লাহকে পাওয়ার উদ্দেশ্যে পার্থিব দুঃখ-কষ্ট বরণ করার নাম হল সূফীবাদ।

 

শায়খুল ইসলাম যাকারিয়া (.) বলেনতাসাউফ মানুষের আত্মার বিশোধনের শিক্ষা দান করে।তার নৈতিক জীবনেকে উন্নীত করে এবং স্থায়ী নিয়ামতের আধিকারী করার উদ্দেশ্যে মানুষের ভেতরের  বাইরের জীবনকে গড়ে তুলে। এর বিষয়বস্তু হল আত্মার পবিত্রতা  লক্ষ্য হল চিরন্তন সুখ শান্তি অর্জন।

 

আবূ মুহাম্মদ আয-যারিনি বলেছেন“Sufism is the building up of good habits and freeing of heart from all evil desires.”

তাহলে বলা যায় যেনবী করিম (সাঃএর নির্দেশিত পথে আত্মশুদ্বি করে ইসলামের বাহ্য  অন্তর জীবনের প্রেমপূর্ণ বাস্তব অনুশীলনের মাধ্যমে পরম সত্তার পূর্ণ জ্ঞানার্জন  তার নৈকট্য লাভজনিত রহস্যময় উপলব্ধিকে সূফীবাদ বলা হয়।

 

সূফিবাদের উৎপত্তি

সূফিবাদের উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে তা নিয়ে পণ্ডিতদের ভিতর মতবিরোধ লক্ষ্য করা যায়।সূফীবাদ কথাটি মুসলমানদের ভিতর থেকে কিভাবে এসেছে সেসব মতামতসমূহ নিম্নঃরুপঃ

 

বেদান্ত  বৌদ্ব দর্শনের প্রভাব

খ্রিষ্টনিয়  নিও-প্লেটানিক প্রভাব

.পারসিক প্রভাব

.কুরআন হাদীসের প্রভাব

 

উপরের তিনটি মতবাদকে আভ্যন্তরীন মতবাদ বলা হয় আর শেষেরটিকে বাহ্যিক উৎস বলা হয়।এসকল মতবাদ নিয়ে নীচে আলোচনা করা হলঃ

 

বেদান্ত  বৌদ্ব দর্শনের প্রভাবঃ পশ্চাত্যের কিছু চিন্তাবিদ তথা গোল্ডযিহার,এইচ মার্টেন এর মতে,সূফিবাদ বেদান্ত দর্ষন  বৌদ্ব দর্শন হতে উদ্ভূত।কারণ,মুসলমানেরা যখন ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করে এরপর থেকে ভারতীয় সন্ন্যাসী  বেদান্ত বৌদ্বদের প্রভাবে প্রভান্বিত হয়ে মুসলমানগণ কঠোর সংযম  কৃচ্ছতা সাধনের স্পৃহা জাগিয়ে তুলে।আর সে থেকে মুসলমানদের ভিতর সূফিবাদের উদ্ভব ঘটে। পারতপক্ষে  ধরনের মতামত ঐতিহাসিক দৃষ্টিভংগী অনুযায়ী সঠিক নয়।কারণ ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা আসার অনেক আগে থেকে সুফিবাদ কথাটির উদ্ভব ঘটেছিল।হাসান বসরী,যুন্নুন মিসরী,আবুল হাশিম কূফী,ইব্রাহীম বিন আদহাম রাবিয়া বিসরী প্রমুখ সূফিদের আবির্ভাব  সাধনা প্রমাণ করে যে,সূফিবাদ ভারতীয় আমদানি নয়,ইসলামের আধ্যাত্মিক শিক্ষার ফলে সূফিবাদের উদ্ভব ঘটে।তাছাড়া বৌদ্ব সন্যাসীগণ জাগতিক কার্যক্রমলে সম্পূর্ণরুপে অস্বীকার করে আর তার ধ্যান-সাধনার জন্য নির্জন জায়গা বেছে নিয়েছে।অন্যদিকে মুসলিম সূফী-সাধকগণ আল্লাহ পাকের ধ্যান করার সাথে সাথে সংসারও করে থাকেন। আবার বৌদ্ব ধর্মে নির্বাণ সত্তায় আত্মবিলোপ শেষ আর মুসলিম সূফিগণ ফানাকে শেষ স্তর বলে মনে করে না বরং তারা বাকাবিল্লাহকে সূফী-পথ পরিক্রমার সর্বশেষ স্তর মনে করে থাকে।সুতরাং,বৌদ্ব  বেদান্ত হতে সূফিবাদের উৎপত্তি হয়েছে  ধরনের মতবাদ সম্পূর্ণরুপে ভিত্তিহীন।

 

.খ্রিষ্টিয়  নিওপ্লেটিক মতবাদঃ অধ্যাপক নিকলশন  ভনক্রেমার  মতামত ব্যক্ত করেছেন যেমুসলমানদের ভিতর সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটেছে খ্রিষ্টিয়  নিওপ্লেটিক মতবাদ হতে।তারা  কথা অত্যন্ত জোড় দিয়ে বলেছেন যেযখন মুসলিমরা মিসর,সিরিয়া,প্যালাষ্টাইন প্রভৃতি দেশ জয় করতে থাকে সে অবস্থায় খ্রিষ্টীয় চিন্তা-দর্শন মুসলিম চিন্তা-দর্শনের ভিতর আবির্ভূত হয়  এবং এরই প্রভাবে তপস্যা  সংযমবাদের অনুপ্রবেশ সূফীদের ভিতর ঢুকে আর সেই থেকে সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটেছিল। নিকেলসন  কথা অত্যন্ত জোড় দিয়ে বলেছেন যে,সে সময় মুসলিম সম্রাজ্যের অনেক জায়গায় জাষ্টিয়ানদের আধিপাত্য ছিল আর সে থেকে সূফিবাদের উৎপত্তি হয়েছে।পারতপক্ষে  ধরনের মতাবাদ সঠিক নয়।কারণ মুসলিম সূফি-

 

সাধকগণ খ্রিষ্ট্রীয় সন্যাসীদের ন্যায় সংসার বিরাগী নয়।আর তাছাড়া মহানবী (সাঃ),সাহাবা  তাবিঈদের সময় হতে  ধরনের আধ্যাত্মিক সাধনায় মুসলমানেরা নিয়োজিত ছিল।তাই খ্রিষ্ট্রীয়  নিউপ্লেটনিক মতবাদ হতে যে সূফিবাদের উদ্ভব ঘটেছে  ধরনের কথা সম্পূর্ণরুপে অযৌক্তিক।

 

পারসিক প্রভাবঃ ঐতিহাসিক ব্রাউনি আর তার কিছু অনুসারীরা বলেছেন যে,সূফিবাদের উৎপত্তি ঘটেছে পারসিক প্রভাব হতে।তারা  যুক্তি সকলের সামনে তুলে ধরেছে যেপারসিক জাতি ছিল এক অহংকারী  দম্ভ জাতি।কিন্তু তাদের উপর যখন আরবেরা জয় করল তখন হতে তাদের ভিতরে এক ধরনের হতাশা কাজ করতে শুরু করল।সেখান থেকে তারা আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত থাকের ব্যাপারে এক ভিন্ন চিন্তা-

 

ধারা আবিষ্কার করে আর সেখান থেকে সূফিবাদের আবির্ভাব ঘটে আর তারই ধারাবাহিকতায় পারস্যে অনেক দার্শনিক আবির্ভূত হয়।পারস্যের ভিতর যে ম্যানিকীয়  ম্যাজদেকীয় ধর্মের অস্তিত্ব ভিতর সূফিবাদের কৃচ্ছতাপূর্ণ জীবন-যাপনের উপকরণ খুজে পাওয়া যায়। পারতপক্ষে  ধরনের কথাও সম্পূর্ণ অযৌক্তিক  ভিত্তিহীন।কারন বেশিরভাগ সূফী পারস্যের হলেও তার মানে  বুঝায় না যেসূফিবাদ পারস্য হতে এসেছে।কারন আবূ বকর ইবনুল আরাবী  ইবনুল ফরিদসহ অনেক দার্শনিক আরবীভাষী ছিলেন। আর আমাদের প্রিয়নবী (সাঃ),সাহাবীগণ  তাবিঈগণের সময় হতে এক ধরনের তাপস্যা শুরু হয় এবং তারা বিদেশী ধ্যান-ধারনা থেকে সম্পূর্ণমুক্ত ছিলেন।।

 

.কুরআন  হাদীসের প্রভাবঃ সূফিবাদ যে কোন বাইরের চিন্তা-দর্শনের দ্বারা প্রভাবিত হয় নাই তা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।ইসলামী আধ্যাত্মিক শিক্ষার মূল উৎস হল আল-কুরআন।যদিও কুরআন  হাদীসে সূফিবাদ শব্দটি সরাসরি ব্যবহার করা হয় নাই তবুও কুরআনের অসংখ্য আয়াত  রাসূল(সাঃএর অসংখ্য হাদীসের দ্বারা সূফিবাদ তথা আধ্যাত্মিক জ্ঞানের দিকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে।ইবনে খালিদুন অত্যন্ত জোড় গলায় বলেছেন যেসূফিবাদ এমন এক ধর্মীয় বিজ্ঞান যার উৎপত্তি  খোদ ইসলাম হতে হয়েছে কুরআনের অসংখ্য আয়াত রয়েছে যার দ্বারা মরমীধারাকে ইসলাম বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছে।সেখান হতে কিছু আয়াত নীচে উল্লেখ করা হলঃ

 

তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান  যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে।[বাকারাঃ২৫৫]

 

তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক[হাদীদঃ৪]

 

তিনিই প্রথমতিনিই সর্বশেষতিনিই প্রকাশমান  অপ্রকাশমান এবং তিনি সব বিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত।” [হাদীদঃ৩]

আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করেসে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী।” [ক্বাফঃ১৬]

 

সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ করআমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো [বাকারাঃ১৫২]

 

যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করেআমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব।” [আ্নকাবূতঃ৬৯]

তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহ্র ইবাদত করবে,” [বাইয়েনাহঃ৫]


আরও খবর

সূফিবাদের প্রয়োজনীয়তা

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২

সুফীবাদের মূলনীতি

সোমবার ২৭ জুন ২০২২




অস্ট্রেলিয়াকে হেসেখেলে হারাল শ্রীলংকা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে দাপুটে জয় পেল শ্রীলংকা ক্রিকেট দল। এ জয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। 

রোববার কলোম্বর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া। ট্রাভিস হেড (৭০*) ও অ্যারন ফিঞ্চের (৬২) জোড়া ফিফটি আর অ্যালেক্স ক্যারির ৪৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ২৯১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে অস্ট্রেলিয়া।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৭.৫ ওভারে ৪২ রানে নিরশন ডিকভেলার উইকেট হারায় শ্রীলংকা। 

এরপর ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার সঙ্গে দারুণ জুটি গড়েন কুশাল মেন্ডিস। এই জুটি দলকে জয়ের পথে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে জোড়া সেঞ্চুরির পথেই ছিল। কিন্তু ১৮১ বলে ১৭০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরেন কুশাল মেন্ডিস। তার আগে ৮৫ বলে ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৮৭ রান করেন। 

মেন্ডিস ফেরার পর ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে সঙ্গে নিয়ে ৩২ বলে ৪৩ রানের জুটি গড়েন নিশাঙ্কা। এই জুটিতেই ক্যারিয়ারের ১৫তম ওয়ানডেতে মেইডেন সেঞ্চুরি করেন ২৪ বছর বয়সী পাথুম নিশাঙ্কা।  ১৭ বলে ২৫ রান করে ফেরেন ডি সিলভা। 

জয়ের জন্য শেষদিকে ১৮ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৮ রান। খেলার এ অবস্থায় উইকেট হারান পাথুম নিশাঙ্কা। সাজঘরে ফেরার আগে ১৪৭ বল মোকাবেলা করে ১১টি চার আর দুটি ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ১৩৭ রান করে ফেরেন। 

নিশাঙ্কা আউট হওয়ার পর অধিনায়ক দাসুন শানাকাকে সঙ্গে নিয়ে ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকটের জয় নিশ্চিত করেন চারিথা আসা।


আরও খবর