Logo
শিরোনাম

রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচলে কাঞ্চন- কুড়িল বিশ্বরোড সড়কে ( শেখ হাসিনা সরনি) প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু আমেনা বেগম(৪০) নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রাইভেটকারের চালককে আটক করেছে। জব্দ করা হয়েছে প্রাইভেটকারটি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সড়কের ব্রাক্ষ্মণখালী এলাকায় এ মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আমেনা বেগম স্থানীয় ব্রাক্ষ্মণখালী এলাকার কাচাঁমাল ব্যবসায়ী শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী।

নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ওসি দিপক চন্দ্র সরকার জানান, সন্ধ্যার সময় শাহজাহানের স্ত্রী আমেনা বেগম বাড়ী পাশে  লেকেরপাড় থেকে ছাগল নিয়ে বাড়ী ফিরছিল। এসময় কাঞ্চন- কুড়িল বিশ্বরোড সড়ক পারাপারের সময় কুড়িল থেকে আসা দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে মারাযান তিনি। খবর পেয়ে  র‍্যাবের সহায়তায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন। জব্দ করেন প্রাইভেটকারটি। আটক করে প্রাইভেটকার চালককে। 


আরও খবর



চার মাসে মশার ঘনত্ব দ্বিগুণ হয়েছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে চলতি অর্থবছরে মশা মারার বাজেট ১৫৩ কোটি টাকা। আর মশা মারতে ড্রোনের ব্যবহারও করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। তারা সিঙ্গাপুর থেকে বিটিআই নামের এক ধনের ব্যাকটেরিয়াও আমদানি করেছে। তারপরও মশার দাপট কমছে না।

এডিস মশার পর মার্চের শুরু থেকেই কিউলেক্স মশার কামড়ে নগরবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। দিনে রাতে এখন সব সময়ই মশার কামড়।

ঢাকার অন্যান্য এলাকারও একই অবস্থা। তবে যেসব এলাকায় ডোবা, নালা বা খাল বেশি সেখানে মশাও বেশি।

অবশ্য দুই সিটি কর্পোরেশনই দাবি করছে, তারা মশা নিধনে ব্যাপক কাজ করছে এবং মশা আগের চেয়ে কম।

মশার ঘনত্ব দুই গুণ হয়েছে


গবেষণা বলছে, এখন ঢাকায় কিউলেক্স মশার ঘনত্ব ৯৯ ভাগ। এর মানে হলো এক শ
টি মশার মধ্যে ৯৯টি কিউলেক্স মশা। আর গত চার মাসে এই ঘনত্ব বেড়েছে দ্বিগুণ। কিউলেক্স মশা ড্রেন, নর্দমা, ডোবা ও ময়লা পানিতে বংশ বিস্তার করে। এই মশার কামড়ে ফাইলেরিয়া রোগ হতে পারে বলে জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এবং কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার।

 

অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক ঢাকার ছয়টি স্পটে ১২টি ফাঁদের মাধ্যমে মশা সংগ্রহ করছে। নভেম্বরে গড়ে প্রতিটি ফাঁদে দুই শ করে মশা ধরা পড়েছে। ডিসেম্বরেও গড় সংখ্যা মোটামুটি একই ছিল। তবে জানুয়ারি থেকে এ সংখ্যা তিন শ হয়ে যায়। ফেব্রুয়ারিতে ৩৮৮ ও চলতি মার্চে এই সংখ্যা ৪২০টিতে ঠেকেছে। ঘরের ভেতর ও বাইরে আলাদা দুটি ফাঁদে সপ্তাহে একবার করে মাসে চারবার মশা সংগ্রহ করে হিসাব করে গড় বের করা হয়। গবেষণায় গড়ে প্রতি ফাঁদে মিলছে ৪২০টি মশা। সবচেয়ে বেশি উত্তরা ও দক্ষিণখান এলাকায় গড়ে পাঁচ শ মশা ধরা পড়েছে।

কবিরুল বাশার বলেন, গত বছরের তুলনায় এই সময়ে মশা বেড়েছে কী না তা তুলনা করার জন্য কোনো পরিসংখ্যান আমার কাছে নাই। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে ২০ ভাগ মশা বেড়েছে। আর সাধারণভাবে নাগরিকেরা মশা বাড়ার কথা বলছেন।

 

তার কথা, ঢাকার ড্রেন ও নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে মশা বেড়েছে। আর মশা ও মশার লার্ভা নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

দক্ষিণ সিটি যা বলছে


কিন্তু এই গবেষণার সাথে একমত নন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির। তিনি বলেন,
গবেষণায় কী পাওয়া গেছে তা গবেষকের ব্যাপার। তার গবেষণার সাথে আমি একমত নই। মার্চ মাসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকায় মশক পরিস্থিতি যেকোনো বছরের তুলনায় ভালো এবং পরিস্থিতি আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। বিচ্ছিন্নভাবে আমরা দুই-একটি এলাকা থেকে অভিযোগ পাচ্ছি। সেখানে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

আর আমরা কিউলেক্স মশার প্রজনন ক্ষেত্র ড্রেন, নর্দমা, ডোবা, খাল নিয়মিত পরিষ্কার রাখছি। এছাড়া সকালে মশার লার্ভা নিধনের জন্য লার্ভিসাইট, বিকেল বেলা উড়ন্ত মশা নিধনের জন্য নিয়মিত ফগিং করছি, বলেন এই কর্মকর্তা।

আর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, কবিরুল বাশার ছাড়া আর কেউ তো মশা নিয়ে গবেষণা করেন না। ফলে তার গবেষণা তো আমাদের তুলনা করার সুযোগ নাই যে মশা বেড়েছে না কমেছে। তবে সাধারণভাবে দেখলে এটা তো অস্বীকার করার উপায় নাই যে মশা বেড়েছে।

তার কথা, মশা নিধনে আমাদের নানা ধরনের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে এর সাথে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ও খাল বিলের সম্পর্ক আছে। আমাদের উত্তর সিটি কর্পোরেশনে তিন হাজার বিঘার মতো জলাশয় আছে। এগুলোর অধিকাংশ রাজউক, পিডিবিসহ আরো কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠানের। যেগুলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা তাদের দায়িত্ব।

খরচ বাড়ে, মশাও বাড়ে


ঢাকার দুই সিটির চলতি অর্থ বছরে মশা মারার বাজেট ১৫২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে উত্তরের ১২১ কোটি ৮৪ লাখ আর দক্ষিণের ৩১ কোটি এক লাখ টাকা। আর গত ১২ বছরে ঢাকার মশা মারার আয়োজনে খরচ হয়েছে এক হাজার দুই শ
কোটি টাকা। এই বাজেটের টাকা মশা নিবারণের নানা যন্ত্রপাতি, কীটনাশসহ আরো অনেক কাজে ব্যয় হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) ১০টি অঞ্চলে ৭৫টি ওয়ার্ড। মশানিধনে ১৫০ জন মশক সুপারভাইজারসহ এক হাজার ৫০ জনবল কাজ করছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১০টি অঞ্চলে মোট ৫৪টি ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ৭৫ জন মশক সুপারভাইজারসহ প্রায় ছয় শ জনবল আছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, কার্যকর মশা নিধনের দায়িত্ব ঢাকার দুই সিটি কর্পেরেশনের। তারা যদি যৌথ এবং সমন্বিতভাবে এ কাজটি করতো তাহলে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যেত। তাদের কৌশলগত পরিকল্পনা দরকার। পাশাপাশি দরকার নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করা।

তার কথা, ঢাকার জলশয়, খাল ময়লা দিয়ে ভরে ফেলা হয়েছে। ড্রেন, নর্দমা অপরিষ্কার। সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে। পানির চলাচল রাখতে হবে। আর মশা নিধনে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় তা ল্যাবরেটরিতে এবং ফিল্ড লেভেলে পরীক্ষা করে ব্যবহার করা দরকার।

অধ্যাপক কবিরুল বাশারের কথা হলো, ড্রেন ও নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে মশা বেড়েছে। অনেক জলাশয়ে প্রচুর কচুরিপানা। এসব কচুরিপানায় মশার লার্ভা জন্ম নিচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের উচিত এখনই ড্রেন ও খালের লার্ভা ধ্বংস করতে গাপ্পি মাছ ছেড়ে দেয়া। গাপ্পি মাছ ময়লা পানিতেও ভালো থাকে এবং মশার লার্ভা খেয়ে ফেলে।

দরকার আগাম প্রস্তুতি


মশার প্রাদুর্ভাব শুরু হলেই সিটি কর্পোরেশনের হাঁকডাক শুরু হয়ে যায়। তারা নানা কথা বলে, পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করে। মশা মারতে ড্রোন, রোড শো, পরিচ্ছন্নতা ও মশককর্মীদের শরীরে অত্যাধুনিক বডি ক্যামেরার সংযোজন, হাঁস, পাখি, গাছ ও মাছের ব্যবহার করে চমক দেখায়, কিন্তু মশা কমে না। এখন কিউলেক্স-এর প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে। কমিউনিটি মেডিসিনের চিকিৎসক ডা. লেনিন চৌধুরী বলেন,
মশার কারণে এখন সারা বছরই ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ডেঙ্গু রোগে মানুষ আক্রান্ত হয়। তাই মশা নিধনের কাজ সারা বছরই করতে হবে। আমরা কাজ ছাড়া আর কোনো কথা শুনতে চাই না।

তার কথা, মশা নিধনের তিনটি উপায়। পরিবেশগত, রাসায়নিক এবং বায়োলজিক্যাল। এই তিনটি প্রক্রিয়া সব সময় কাজে লাগাতে হবে। আমরা দেখছি, মশা মারার ওষুধে মশা মরে না। তাই ল্যাবরেটরিতে যে রাসায়নিকে মশা মরছে সেটা বাস্তবে ব্যবহার করা হয় কী না তা দেখা দরকার।

এই কিউলেক্স মৌসুম শেষ হলে আবার ডেঙ্গু মৌসুম শুরু হবে। গত বছর সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন তিন লাখ ২১ হাজার ৷ এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার। গত বছর ডেঙ্গুতে মারা গেছেন এক হাজার ৭০৫ জন, যার মধ্যে ৯৮০ জনই ঢাকায় মারা গেছেন।

ঢাকার দুই সিটির মধ্যে উত্তর সিটিতে সম্প্রতি একজন কীটতত্ত্ববিদ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি অবশ্য এখনো মশার ব্যাপারে কিছু জানেন না। সোমবার তার কাছে মশার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানেন। আর দক্ষিণে কোনো কীটতত্ত্ববিদ নাই।

কবিরুল বাশার মনে করেন, তাদের কীটতত্ত্ববিদ থাকা দরকার এবং মশা নিয়ে নিয়মিত গবেষণা করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নির্মল কুমার দত্ত বলেন, সিটি কর্পোরেশন মাঝে মাঝে সহায়তা চায়। আমরা তখন আমাদের এক্সপার্টদের পাঠাই। তবে মশার ব্যাপারে আমাদের ভালো এক্সপার্ট নেই।


আরও খবর



পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিল ভারত

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

ভারত অনির্দিষ্টকালের জন্য পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। শুক্রবার (২৩ মার্চ) বিকেলে এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (২৩ মার্চ) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের নেওয়া এমন পদক্ষেপ বিদেশি বাজারে পেঁয়াজের উচ্চমূল্যকে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ রফতানিকারক দেশ ভারত। ডিসেম্বরে পেঁয়াজের ওপর দেশটির আরোপিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৩১ মার্চ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

এই নিষেধাজ্ঞা শিগগিরই তুলে নেওয়া হবে বলে আশা করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। কেননা,রফতানিতে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ভারতের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে। এছাড়া, চলতি মৌসুমের ফসলের নতুন সরবরাহও শুরু হয়েছে।

তবে তাদের এই আশার গুড়ে বালি দিয়েছে সরকার। শুক্রবার বিকেলে জারি করা একটি আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পেঁয়াজের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

পরিচয় প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক মুম্বাই-ভিত্তিক একটি রপ্তানি সংস্থার এক নির্বাহী বলেছেন, নতুন মৌসুমের ফসলের ক্রমবর্ধমান সরবরাহের সঙ্গে দরপতনের বিষয়টি বিবেচনায় নিলে, নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়ানো বিষয়টি আশ্চর্যজনক এবং একেবারেই অপ্রয়োজনীয়।

সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ উৎপাদনকারী রাজ্য মহারাষ্ট্রের কিছু পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের ব্যাপক দরপতন হয়েছে। ওই নির্বাহী বলেছেন, ডিসেম্বরে প্রতি একশ কেজি পেঁয়াজের মূল্য ৪ হাজার ৫০০ রুপি ছিল। তা কমে এখন এক হাজার ২০০ রুপিতে নেমেছে।

বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, নেপাল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো পেঁয়াজের ঘাটতি পূরণে ভারতের উপর নির্ভরশীল। পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর থেকে উচ্চ মূল্যের সঙ্গে লড়ছে দেশগুলো।

মুম্বাই ভিত্তিক একটি রফতানি সংস্থার আরেক নির্বাহী বলেছেন, ভারতের এমন পদক্ষেপের সুযোগে প্রতিদ্বন্দ্বী রফতানিকারকরা অনেক বেশি দাম বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে। কেননা, তারা জানে ক্রেতাদের আর কোনও বিকল্প পথ নেই।

ব্যবসায়ীদের অনুমান, এশিয়ার দেশলোতে পেঁয়াজ আমদানির অর্ধেকেরও বেশি রফতানি করে ভারত। দেশটি চীন বা মিসরের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় কম সময়ের মধ্যে চালান দিয়ে থাকে।


আরও খবর



প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া কমছে ৩ পয়সা

প্রকাশিত:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমায় বাস ভাড়া কমছে প্রতি কিলোমিটারে পয়সা আজ সোমবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয় বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন

দেশের বাজারে আরেক দফা কমেছে ডিজেল কেরোসিনের দাম। গতকাল রোববার জ্বালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়। আজ থেকে টাকা ২৫ পয়সা কমে প্রতি লিটার ডিজেল কেরোসিন বিক্রি হবে ১০৬ টাকায়

জ্বালানির দামের সঙ্গে পরিবহন ভাড়া কমবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে ছিল যাত্রীরা। তবে এবার কিলোমিটার প্রতি পয়সা কমবে বাস ভাড়া। সোমবার রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ সদর দপ্তরে ব্যাপারে ভাড়া নির্ধারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাস মালিকরাও ভাড়া কমানোর সুপারিশে একমত পোষণ করে

কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া টাকা ১৫ পয়সা থেকে কমিয়ে টাকা ১২ পয়সা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরীতে টাকা ৪৫ পয়সা থেকে কমিয়ে টাকা ৪২ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে

২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়লে, দূরপাল্লার ভাড়া বাড়ে কিলোমিটারে ৪০ পয়সা। কয়েক সপ্তাহ পর ডিজেলের দাম টাকা কমে ১০৯ টাকা হলে ভাড়া পয়সা করে কমানোর সিদ্ধান্ত হয়

জ্বালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবার অকটেন পেট্রোলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে। প্রতি লিটার বিক্রি হবে যথাক্রমে ১২৬ টাকা ১২২ টাকায়


আরও খবর



ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা তাদের

প্রকাশিত:বুধবার ১০ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহ সদরের ল্যাংড়াবাজার এলাকায় ঈদে বাড়ি ফেরার পথে বাসচাপায় স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। তারা পরিরবারের সঙ্গে ঈদ করতে মাহিন্দ্র করে বাড়ি ফিরছিলেন।

নিহত লুৎফর রহমান (৩০), তার স্ত্রী শাহনাজ বেগম (২৫) ভালুকা উপজেলার মাস্টারবাড়ি এলাকায় পোশাক কারাখানায় চাকরি করতেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার ল্যাংড়াবাজার এলাকায় টাঙ্গাইলগামী প্রান্তিক সুপার বাস মাহিন্দ্রাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের শিশু সন্তান মাহিতের (২) মৃত্যু হয়।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, শিশুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তার বাবা-মাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। লুৎফর রহমান ও তার স্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ভালুকা থেকে মাহিন্দ্রা গাড়িতে করে ময়মনসিংহ সদরে আসছিলেন লুৎফর। ল্যাংড়াবাজার এলাকায় পৌঁছালে তাদের বহনকারী মাহিন্দ্রাকে চাপা দেয় টাঙ্গাইলগামী যাত্রীবাহী বাস। এতে লুৎফর, তার স্ত্রী-সন্তান এবং মাহিন্দ্রাচালক গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে শিশুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়। মাহিন্দ্রাকে চাপা দেওয়া বাসটি পালিয়ে গেছে। দুর্ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে পুলিশ।

এদিকে, ত্রিশাল ও তারাকান্দায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আরও দুই জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা বলেন, জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে।


আরও খবর



কুমিল্লায় বিজয় এক্সপ্রেক্স যাত্রীবাহি ট্রেনের ৭টি বগি লাইনচ্যুত আহত- ৫

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ |

Image

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের তেজের বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ময়মনসিংহগামী যাত্রীবাহি বিজয় এক্সপ্রেক্স  ৭৮৫ ট্রেনটির ৭টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে।এসময় ৪/৫জন আহত হয়েছে।তবে ডাউন লাইন স্বাভাবিক।

রোববার দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে  দূর্ঘটনাটি ঘটে।

 ট্রেনের ইঞ্জিলের সাথে বগির লক ভেঙ্গে  এ দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

লাকসাম স্টেশন মাস্টার মাহবুবুর রহমান জানান- কুমিল্লার  চৌদ্দগ্রাম গুনবতি স্টেশন থেকে পার হয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়েরর হাসানপুর তেজের বাজার এলাকায় দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ময়মনসিংহগামী বিজয়এক্সপ্রেস ৭৮৫ট্রেনটির ৭টি বগি লাইনচ্যুত হয়। তবে এঘটনা হতাহতের খবর জানা যায়নি। লাকসাম জংশন থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। খুব শীঘ্রই ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল করবে।

 কুমিল্লা উধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী রেলপথ পূর্বাঞ্চল লিযাকত আলী মজুমদার জানান- ট্রেনের ইঞ্জিল রেললাইনে আছে। ২টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে গেছে।।তার সাথে ৫টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। তবে ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।  এখন পযন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।এ ঘটনায় রেলের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে দূর্ঘটনার কারণ জানতে।


আরও খবর