Logo
শিরোনাম

সাকিবের ঘূর্ণির শিকার ধনাঞ্জয়া

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

ইয়াশফি রহমান:   দারুণ বোলিং করা সাকিব পেলেন উইকেটের দেখা। এই টেস্টে তার খেলারই কথা ছিল না। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেই আক্রান্ত হন করোনায়। ফলে সাকিব আল হাসানকে বাদ দিয়েই প্রথম টেস্টের দল সাজানোর পরিকল্পনা করছিল বাংলাদেশ।

তবে দুইদিনের মাথায় করোনা নেগেটিভ হন সাকিব। তারপরও শঙ্কা ছিল, করোনার ধকল কাটিয়ে মাঠে নামতে পারবেন কিনা। সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেই সাকিবই খেলছেন চট্টগ্রাম টেস্টে। বলতে গেলে নিজের ইচ্ছেশক্তি আর অদম্য মনোবলের কারণে।

করোনা কাটিয়ে সুস্থ হওয়া সাকিবকে আজ প্রথম সেশনে বোলিংই দেননি অধিনায়ক মুমিনুল হক। দ্বিতীয় সেশনেও প্রথম ৪০ মিনিটে সাকিবকে আক্রমণে আনার চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবশেষে ৩৫ ওভার পর আনা হয় সাকিবকে। টানা ১০ ওভার বোলিং করেন তিনি।

তৃতীয় সেশনে সাকিব বল হাতে নিয়েছেন ৯ ওভার পর। এসেই সাফল্য পেয়েছেন। সেশনে নিজের দ্বিতীয় বলেই ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে তুলে নিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

স্কোর : শ্রীলঙ্কা- প্রথম ইনিংস ২০৬/৪ (৭২ ওভার)

ধনঞ্জয়ার ডিফেন্স ভেদ করে বল লেগে গিয়েছিল ব্যাটে। প্রথম স্লিপ থেকে উইকেটের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন মাহমুদুল হাসান জয়। ৬ রানে থাকা ধনঞ্জয়াকে শুরুতে আউট দেননি আম্পায়ার। পরে রিপ্লেতে আলট্রাএজের অস্তিত্ব পাওয়া গেলে আঙুল তোলেন।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬৮ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৮৫ রান। নতুন ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসেছেন দিনেশ চান্দিমাল। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ ৭৫ রানে অপরাজিত আছেন।


আরও খবর



গজারিয়ায় ভাটেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

গজারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি ঃ

বৃহস্পতিবার  সকাল ১১ঘটিকায় উপজেলার ভাটেরচর দেওয়ান আবদুল মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে  প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি ও রূপালী ব্যাংক লিঃ এর ডিজিএম জনাব সাখাওয়াত হোসেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক সদস্য  শাহআলম মিয়া, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ শাহজাহান শিকদার এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,  বীরমুক্তি যোদ্ধা মোল্লা মো ছানাউল্লাহ, সাবেক কো-অপ্ট সদস্য সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য মিন্টু খন্দকার

 মুকবুল হোসেন,আবুল কালাম খোকন, সহকারী শিক্ষক  দেওয়ান কামরুজ্জামান, আরো উপস্থিত ছিলেন, অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারজানা ইয়াসমিন, সিনিয়র শিক্ষক আফজাল হোসেন, মাওলানা আব্দুর রশিদ, মোয়াজ্জেম হোসেন, ফাতেমা আক্তার, হালিমা আক্তার, রোমেনা আফরোজা , আশরাফুন্নেছা, সাবিকুন্নাহার, কৃষ্ণপদ হালদার, শাহাদাত হোসেন, রতন আহমেদ, সাখাওয়াত  হোসেন, নাজমুল হোসেনসহ, সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,সংবাদকর্মী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বিদায়পূর্ব মিলাদ ও দোয়ার অনুষ্ঠানের পর শিক্ষক ও ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।


আরও খবর



যে রেকর্ডে সবার চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

সেন্ট লুসিয়া টেস্টে ১০ উইকেটের হার, দুই ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ। আর সেন্ট লুসিয়া টেস্টে হারের মধ্যে দিয়ে টেস্টে শততম হারের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ।

২০০০ সালে টেস্ট অভিষেক বাংলাদেশের, প্রায় দুই যুগের যাত্রায় বাংলাদেশ খেলে ফেলেছে ১৩৪টি টেস্ট। যার মধ্যে ১০০টিতেই হেরেছে টাইগাররা।

এই বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ১৬ টেস্টে, ড্র হয়েছে ১৮টি। ১৩৪ ম্যাচ খেলেই ১০০তম হারের দেখা পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম, টেস্ট ইতিহাসে আর কোনো দলের এত কম ম্যাচ হারের শতক ছোঁয়ার রেকর্ড নেই।

বাংলাদেশের আগে এই রেকর্ড ছিল নিউজিল্যান্ডের দখলে। ৮ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে শুরু হওয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট হেরে ‘শতক’ পূর্ণ করেছিল কিউইরা। ওই সময়ের মধ্যে তারা খেলেছিল ২৪১টি টেস্ট। তার মধ্যে ৩৩টিতে জয় ছিল তাদের।

শততম হারের আগে সবচেয়ে বেশি জয়, এমন রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়ার। ১৮৭৭ সালে ইতিহাসের প্রথম টেস্টের প্রায় ১০০ বছর পর ১৯৭৮ সালে যখন শততম হার আসে অস্ট্রেলিয়ার, এর মধ্যে খেলা ৩৭৪টি টেস্টের ১৭০টিই জিতেছিল তারা। 

ভারতের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টেই হেরেছিল বাংলাদেশ। এরপর ২০০১ সালে ঢাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বৃষ্টির সৌজন্যে প্রথম ড্র, তারপর ২০০৪ পর্যন্ত টানা ২১ হার। টেস্টে সেটিই টানা হারের রেকর্ড। 


আরও খবর



টিউমার ও ক্যান্সারের মধ্যে পার্থক্য

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

একটি যার শরীলে একবার বাসা বাধে তিলে তিলে মানুষটির জীবন শেষ করে দেয়। তবে সচেতনতা যথার্থ চিকিৎসা রোগীকে দিতে পারে দীর্ঘায়ায়ু। আবার অনেক সময় রোগীরা ভোগান্তিতে পরেন ভুল তথ্য কিংবা চিকিৎসার কারনে। ক্যান্সার সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবের কারনে অনভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে বা ভুল রোগ নির্নেয় ব্যবস্থা প্রতিবেদনের কারনে। তাছাড়া ক্যান্সার টিউমার এই দুটি ব্যাধিই মানব শরীরের কোষের অস্বাভাবিক বিবর্তন প্রদর্শন করে। আর চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে। তাই অনেক সময়ই আমরা টিউমার শব্দটি শুনলে ভাবি ক্যান্সার, আবার ক্যান্সার শুনলে মনেকরি টিউমার হয়েছে।  যেমন মানুষে বলে- ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে কিংবা ব্রেইন টিউমার হয়েছে,! কিন্তু দুটো ব্যাধি কি একই! মোটেও নয়।  যেমনটা ব্রেস্ট টিউমার কিংবা ব্রেস্ট ক্যান্সার, দুটো একই নয়।

টিউমার হলো কিছু অস্বাভাবিক টিস্যুর সমাবেশ, যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বৃদ্ধি করে। টিস্যু মানে একই ধরনের কিছু কোষ, যখন কোথাও এক হয়ে একই ধরনের কাজ করে।

বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ডা. অপূর্ব চৌধুরী

আমাদের শরীরে বিলিয়ন নয়, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ আছে। ধরা হয় একজন প্রাপ্তবয়স্কের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে। জন্মের সময় সংখ্যা চার শতাংশের এক শতাংশ থাকে। কোষের ভেতর কিছু নিয়মে পুরনো কোষ মরে যায়, নতুন কোষ জন্ম নেয়, আবার কিছু কোষ সাইজে বাড়ে, কিছু কোষ সংখ্যায় বাড়ে। কিন্তু কোন কোষ মরে যাবে এবং কোন কোষ কতগুলো নতুন কোষ জন্ম দিতে পারবে, কোন কোষের সাইজ কেমন হবে, কোষের এমন সব বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কোষের ভেতর কিছু নির্দেশ বা নিয়ম থাকে। আর সে নিয়মগুলো থাকে ডিএনএতে। কোনো কারণে ডিএনএ-এর মধ্যে থাকা নির্দেশ প্রক্রিয়া পরিবর্তন হয়ে গেলে কোষগুলো তখন অস্বাভাবিকভাবে নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, পুরনো কোষ মরে না গিয়ে হযবরল ঘুরতে থাকে, অথবা নতুন জন্ম নেওয়া কোষগুলো কাজবিহীন ঘুরে বেড়ায়।

কারণ কোষগুলোতে কোথায় গিয়ে থামতে হবে তার নির্দেশ থাকে না, কী কাজ করবে তার নির্দেশটি পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন পরিবর্তিত ডিএনএ-এর নির্দেশে রোবটের মতো একের পর এক নতুন কোষের জন্ম দিতে থাকে, নতুন অস্বাভাবিক কোষের সংখ্যা বেড়ে বেড়ে স্বাভাবিক কোষের কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, বুড়ো কোষগুলোর পটোল তোলার প্রক্রিয়া থেমে গিয়ে আবর্জনার মতো জমা হতে থাকে শরীরে।

তখন শরীরের অতিরিক্ত এবং অস্বাভাবিক কোষগুলো কোথাও জমা হয়ে একটি লাম্প বা প্লি বা চাকতির মতো হয়ে প্রকাশ পেলে তাকে তখন টিউমার বলে।

টিউমার দুধরনের হয়। এক ধরনের টিউমার শুধু এক জায়গাতে বৃদ্ধি পেয়ে এক জায়গাতেই বসে থাকে। এদের বলে বিনাইন টিউমার। এরা তেমন ক্ষতিকারক নয়। আরেক প্রকার টিউমারের ভেতর থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্ত কিংবা লিম্ফ্ নামক কিছু রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে শরীরের অন্য কোনো অংশে গিয়ে জমা হয়ে সেই অংশের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, নতুন কোনো টিউমার তৈরি করে সেখানে, তখন তাদের বলে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকে অন্যভাবে বলে ক্যান্সারাস টিউমার। কাজের সুবিধায় সংক্ষেপে ক্যান্সার বলে।

আমাদের শরীরে প্রায় ২০০ ধরনের ক্যান্সার জাতীয় সমস্যা আছে। ক্যান্সার হলো মূলত শরীরের অনেক জায়গায় বিভিন্ন সমস্যার একটি সমষ্টি। এর শুরুটা শরীরের কোনো একটি অংশে হয়। তারপর যখন সেটি শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে, কেবল তখন তাকে ক্যান্সার বলে।

টিউমারের মধ্যে থাকা অস্বাভাবিক কোষগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে গিয়ে কখনো নতুন টিউমার হতে পারে, কখনো কেবল সেখানকার অন্য কোষগুলোর কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এমন করে না ছড়িয়ে পড়া বিনাইন টিউমারগুলো যখন শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে গিয়ে সমস্যা তৈরি করে, সেই ম্যালিগন্যান্ট টিউমারগুলোই মূলত বেশিরভাগ ক্যান্সারের জন্য দায়ী বলে, তখন তার তৈরি করা সমস্যাগুলোকে সহজ করে কেবল ক্যান্সার বলে। ক্ষেত্রে যে অঙ্গ বা অংশ থেকে কোষের পরিবর্তনের শুরু, তখন তাকে ওই পার্টের ক্যান্সার বলে।

আবার কিছু ব্যতিক্রম আছে। যেমন- ব্লাড ক্যান্সার, লিউকেমিয়া। এক্ষেত্রে রক্তের স্বাভাবিক কোষগুলোর চেয়ে অস্বাভাবিক কোষগুলো রক্তে বেশি থেকে রক্তকে তার স্বাভাবিক কাজ করতে দেয় না, রক্তে কোনো আলাদা টিউমার দেখা দেয় না।

তারমানে সব টিউমার ক্যান্সার নয়, কিছু কিছু টিউমার কেবল ক্যান্সার, যখন সেই টিউমারগুলোর মধ্যে থাকা কোষগুলো শরীরের অন্য অংশে গিয়ে আরও নতুন টিউমার বা কাজে সমস্যা তৈরি করে। আবার সব ক্যান্সার টিউমার নয়, যেখানে অস্বাভাবিক কোষগুলো টিস্যু আকারে কোথাও জমাট বেঁধে প্রকাশ পায়। যেমন ব্লাড ক্যান্সারে এমন টিউমার হয় না।

অনেক মহিলার ব্রেস্টে জীবনের যে কোনো সময়ে লাম্প বা চাকতির মতো বা পিণ্ডের মতো কিছু দেখা দিতে পারে। বাড়তি প্লিটি কেবল একটি টিউমার হতে পারে। এটিকে ভুল করে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যাবে না। কারণ চিকিৎসকরা এমন বাড়তি কোষের সমাবেশ কোথাও হলে প্রথমে তার সিটি স্ক্যান কিংবা এমআরআই করে নিশ্চিত হন এটি কেবল টিউমার কিনা। তারপর সেখান থেকে কিছু কোষ বায়োপসির নামক পরীক্ষার মাধ্যমে মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে কোষগুলো পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন কোষগুলো ক্যান্সার জাতীয় কোষ কিনা, তখন তেমন পরিবর্তন দেখলে তাকে ব্রেস্ট ক্যান্সার বলা যায়। শুধু এমন টিউমার হলে প্রথমে কেবল ওষুধ দিয়ে, তারপর অপারেশন করে সেই বাড়তি অংশটি কেটে ফেলে টিউমারের চিকিৎসা করা হয়।

সেই টিউমার যদি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে যায়, শরীরে আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে, তখন যে অংশে টিউমারটি হয়েছে সেটি প্রথমে অপারেশন করে কেটে ফেলার দরকার বা অবস্থায় থাকলে কেটে ফেলে দিতে হয়, সঙ্গে শরীরের অন্য অংশগুলোতে ছড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক ক্যান্সার কোষগুলোকে মেরে ফেলা অথবা তারা যাতে আর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে না পারে, সেটা থামিয়ে দেওয়ার জন্য কিছু কেমিক্যালের মাধ্যমে কেমোথেরাপি এবং কিছু রে বা রশ্মির মাধ্যমে রেডিওথেরাপি দিয়ে ক্যান্সারটির চিকিৎসা করার চেষ্টা করা হয়। এখন নিশ্চয়ই কারও টিউমার হলেই ক্যান্সার হয়েছে, এমনটি বলবেন না এবং ভাববেনও না। বর্তমানে দুটোরই চিকিৎসা আছে। টিউমার বা ক্যান্সার হওয়া মানেই সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু নয়। ক্যান্সার বা টিউমার শরীরের অন্য হাজার রোগের মতোই একটি রোগ বা সমস্যা। বরং শরীরের কোথাও এমন বাড়তি কোন মাংস প্লি, কোনো কারণ ছাড়াই অনেকদিন ধরে অস্বাভাবিকভাবে শরীরের ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘদিন কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় দুর্বল অনুভব করা, এমন সব কমন কিছু সমস্যার মুখোমুখি হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

 


আরও খবর

বাড়ছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

২০২২-২০২৩ অর্থবছরে এবার বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ানোর প্রক্ষেপণ করা হয়েছে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ। অর্থাৎ আগের মুদ্রানীতির চেয়ে দশমিক ৭০ শতাংশ কমিয়ে সংকোচনমুখী মুদ্রা নীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ফজলে কবির।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, পুরো অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ করা হয়েছে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ। আগের মুদ্রানীতিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। আর আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য রাখা হয়েছে ১৩ শতাংশ ৬০ শতাংশ। চলতি জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১৩ দশমিক ১০ শতাংশ।

ঘোষিত নতুন মুদ্রানীতিতে সরকারের লক্ষ্যমাত্রার আলোকে ঋণ গ্রহণের প্রবৃদ্ধি ৩৬ দশমিক ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর মোট অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১৮ দশমিক ২০ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে রাখার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার। এ লক্ষ্য ঠিক রেখে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

ছোট ও মাঝারি গরুর দাম বেশি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




দ্বিগুণ ভোটে জিতবেন তিনি, সাক্কু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা ও মেয়রপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জনগণ ভোটের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে জানিয়ে মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ভোটাররা সবাই ভোটের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। ইভিএম বা অন্য কোনো সমস্যা নয়, ভোট দিতে পারবে কিনা এ আশঙ্কাই করছেন সবাই। সবার প্রশ্ন— আমরা ভোট দিতে যেতে পারব কিনা। কিন্তু এ দায়িত্ব তো আমার না। এটা সিইসি, ডিসি ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। আমি বারবার অনুরোধ করছি— জনগণের এ বিশ্বাসটুকু রাখেন। যাকেই দিক, মানুষ যেন এবার অন্তত নিজের ভোটটা দিতে পারে।

নির্বাচন কমিশনকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান জানিয়ে সাক্কু বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের যে পরিবেশ তা সন্তোষজনক। আমি বারবারই বলছি— এবার আমাদের চেয়ে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি রক্ষার বিষয়টি মূল। এ কমিশনের অধীনে এটা প্রথম নির্বাচন। তারা যদি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারে, মানুষ কিন্তু এখন বেকুব না। সবই বুঝে, কিছু বলে না এর মানে এই নয় যে, কিছু বোঝে না তা নয়। তাই আমি সিইসিকে বলব— এবার জনগণের আস্থা অর্জন করুণ, নইলে আপনারা থাকতে পারবেন না।

এবারের নির্বাচনে ২৭ ওয়ার্ড এবং ১০৫ কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। সব কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিয়ে সাধারণ মানুষ বেছে নেবেন তাদের পছন্দের প্রার্থী। নির্বাচিত করবেন গোমতী নদীপারের শহর কুমিল্লার নতুন নগরপিতা। আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ।

ইসি জানিয়েছে, বিগত ২০১৭ সালের কুসিক নির্বাচনে ভোটার ছিল দুই লাখ সাত হাজার ৫৬৬ জন। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০। এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন ও পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন।

তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন দুজন। সেই হিসাবে গত নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার বেড়েছে ২২ হাজার ৩৫৪ জন, যাদের প্রায় সবাই তরুণ। এ ছাড়া এখানে পুরুষ থেকে নারী ভোটার বেশি। আর সংখ্যালঘু ভোটারও প্রায় ৩৫ হাজার। তাই যে মেয়রপ্রার্থী সিটির নারী, তরুণ ও সংখ্যালঘু ভোট নিজের দিকে টানতে পারবেন তিনিই হাসবেন শেষ হাসি।


আরও খবর