Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

সাপাহারে কৃষি প্রযুক্তি মেলা ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image


উত্তম কুমার সরকার সাপাহার (নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সাপাহারে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন ও কুষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

রবিবার বেলা ১১টার দিকে সাপাহার উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত কৃষি প্রযুক্তি মেলার শুভ উদ্বোধন শেষে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি । অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাপলা খাতুন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নঈমুদ্দীন , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাইমা খাতুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রেজা সারোয়ার প্রমুখ। 

এর পর প্রধান অতিথি দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও বাইসাইকেল প্রদান করেন। বেলা ২টা ৩০মিনিটে উপজেলা হাসপাতাল ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান এবং বিকেল সাড়ে ৩টায় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল খেলার শুভ উদ্বোধন ঘোভনা করেন।

আরও খবর



হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামী ওহাবকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব ১৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব নিয়মিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সঙ্গবদ্ধ অপরাধী, অপহরণকারী, ধর্ষণকারী, মাদক, ছিনতাইকারী, ডাকাতসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৪ ইং তারিখ বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বালা কৈগাড়ী গ্রামস্থ আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব(৩৭) ও তার সহযোগীদের নির্মম আঘাতে ও শ্বাস রোধ করে ভিকটিম ইউনুছ আলী (৬৫) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় যে, বগুড়া জেলার সদর থানাধীন বালা কৈগাড়ী গ্রামস্থ ভিকটিমের বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বড় ছেলে মোঃ শাহিন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ০১ নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব এর স্ত্রীকে হাত ধরিয়া রাস্তা হতে সরিয়ে দেয়। উক্ত ঘটনা জের ধরে ০১ নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মোঃ শাহিন’কে মারধর করে। উক্ত ঘটনা ভিকটিমের ছোট ছেলে ও মামলার বাদী মোঃ গোলাম রসুল জানতে পারে এবং বালা কৈগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্বে কাচা রাস্তার উপর দিয়ে গত ২২/০৬/২০২৪ ইং তারিখ যাওয়ার সময় ০১ নং আসামীকে দেখতে পেয়ে মারধরের কারন জিঙ্গেস করলে ০১নং আসামীসহ তার সহযোগীরা ভিকটিমের ছোট ছেলে মোঃ গোলাম রসুলকে এলোপাথাড়ী মারধর শুরু করে। তার চিৎকারে পাশে থাকা ভিকটিম দৌড়ে ঘটনাস্থলে আসলে ০১ নং আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে এলোপাথাড়ী মারধর করে এবং ঘাড়সহ মাথা চাপিয়া শ্বাস রোধ করে মৃত্যূ নিশ্চিত করে।


এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৩, রংপুর উক্ত চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এক পর্যায়ে তথ্য উপাত্ত পর্যালচনা করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫/০৬/২০২৪ ইং তারিখ ০৪.১৫ ঘটিকার সময় রংপুর জেলার সদর থানাধীন বিদ্যিবান গ্রামস্থ্য জনৈক আরমান আলী, পিতা-রফিক উদ্দিন এর বসত বাড়ীর পশ্চিমে নদীর কিনার হতে অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১নং আসামী মোঃ আব্দুল ওয়াহাব(৩৭), পিতা-মোঃ জিল্লুর রহমান, সাং-বালা কৈগাড়ী, থানা-সদর, জেলা-বগুড়া’কে গ্রেফতার করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী স্বীকার করে যে, ভিকটিম ইউনুছ আলী (৬৫)’কে নির্মমভাবে আঘাতের মাধ্যমে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে ধৃত আসামীকে বগুড়া জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সালমান নূর আলম সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) পক্ষে অধিনায়ক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



শাশুড়িকেও বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি উপহার দেন এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস ডেস্ক:


১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কিনতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া মুশফিকুর রহমান ইফাত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মতিউর রহমানেরই ছেলে। এতে কোন সন্দেহ নেই।



 ইফাতের দুই মামা ও একাধিক নিকটাত্মীয় বিষয়টি ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছেন। সেই ছেলে ও স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবুর অনুরোধে শ্বশুর বাড়িতে শাশুড়িকে ১০ বছর আগে একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি বানিয়ে উপহার দেন মতিউর রহমান। 



মতিউর রহমানের শ্বশুর বাড়ি সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায়। তবে স্থানীয়রা বাড়িটিকে মিয়া বাড়ি হিসেবে চিনেন।


যদিও মতিউর রহমান গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, ইফাত তার ছেলে নয়। এ বিষয়ে পরিবারটির ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার কারণে মতিউর রহমান ছেলেকে অস্বীকার করছেন। কারণ, ১৫ লাখের ছাগলকে কেন্দ্র করে ভাইরাল হওয়ার পর ইফাতের দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপনের নানা বিবরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। 



সরকারি চাকরজীবী বাবার বেতনের টাকা দিয়ে ছেলে কীভাবে এমন ব্যয়বহুল জীবনযাপন করতে পারে, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ছেলের পরিচয় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।


মতিউরের বানিয়ে দেওয়া বিলাসবহুল বাড়িটি জসিম উদ্দিন নামে স্থানীয় একব্যক্তি দেখাশোনা করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে তিনি এই বাড়িতে থেকে বাড়ি দেখাশোনা করছেন। 



সর্বশেষ গত দুই মাস আগেও এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান স্ত্রী, শাম্মী আখতার শিবু, ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত ও শাশুড়িকে নিয়ে বাড়িতে এসেছিলেন। দু-একদিন থাকার পর আবার ঢাকায় ফিরে যান। 


মতিউর রহমানের শাশুড়ি বর্তমানে ঢাকায় মেয়েদের বাসায় ও বাড়িতে আসা-যাওয়ার ওপর থাকেন। তিনি এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, গত বছর কোরবানির ঈদে মতিউরের ছেলে ইফাত কোটি টাকা ব্যয় করে ১৪টি গরু-ছাগল কিনেছিলেন। এর মধ্যে আটটি গরু ও দুটি ছাগল ঢাকায় কোরবানি দিয়েছেন। বাকি চারটি গরু নানার বাড়িতে নিজে এসে জবাই করে আত্মীয়-স্বজন ও গরীবদের মধ্যে বিতরণ করেছেন।


স্থানীয়রা জানায়, মতিউর রহমান ও তার শ্যালক নবিকের নামে ফেনী ও সোনাগাজীতেও বেশ কিছু জমিজমা রয়েছে। যা মতিউরের স্ত্রী শাম্মী আখতারের জেঠাতো ভাই মো. আরিফুর রহমান তাদেরকে কিনে দিয়েছেন। তিনি এই সম্পত্তির দেখাশোনা করেন।


মতিউরের স্ত্রী শাম্মী আখতারের জেঠাতো ভাই মো. আরিফুর রহমান বলেন, এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমান তার চাচাতো বোনের স্বামী। মুশফিকুর রহমান ইফাত তাদের একমাত্র সন্তান। শাম্মী আখতারের এক বোন ও এক ভাই রয়েছে। ২৫ বছর আগে মতিউরের সঙ্গে শাম্মী আখতারের বিয়ে হয়। 



বিয়ের এক বছর পর শাম্মী আখতারের বাবা অবসর প্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মিল্লাত মিয়া মারা যান। এরপর শাম্মীর অনুরোধে মতিউর শাশুড়ি, শালিকা লাভলী আক্তার ও শ্যালক মো. নকিবকে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখানে লাভলীকে পড়ালেখা শেষে বিয়ে দেন। 



আর শ্যালক মো. নবিককে বাসায় রেখে লেখাপড়া করান। সম্প্রতি নবিক চীন থেকে ফ্যাশন ডিজাইনের ওপর লেখাপড়া শেষ করে দেশে ফিরে এসে ব্যবসা ও চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তারা রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় নিজস্ব বাসায় থাকেন। 



তবে স্থানীয়রা বলছে, শ্যালক নকিব ঢাকাসহ বিদেশে মতিউরের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আনুষাঙ্গিক কাজকর্ম দেখাশোনা করেন।


তিনি বলেন, মতিউর হঠাৎ করে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ায় তিনি নিজেকে নির্দোষ ও আড়াল করতে স্ত্রী-সন্তানদের অস্বীকার করছেন। তবে এটা অচিরেই সমাধান হয়ে যাবে। অন্যথায় ডিএনএ পরীক্ষা করলে ইফাতের পিতৃপরিচয় সম্পর্কে পরিস্কার হয়ে যাবে।


 এছাড়া ফেনী ও সোনাগাজীতে মতিউর ও নকিবের পৈত্রিক ছাড়া আর কোন জমিজমা নেই। তিনি তাদেরকে কোন জমিজমা কিনে দেননি বলেও জানান।


শুক্রবার (২১ জুন) সকালে উপজেলার সোনাপুর এলাকায় মিয়া বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স বাড়িটির দরজা বন্ধ। ঘরে কেউ নেই।


এমন সময় দেখা হয় মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবুর জেঠাতো ভাই ও আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক হিরনের। 


তিনি বলেন, এনবিআরের সদস্য মতিউর রহমান তার চাচাতো বোনের স্বামী। ইফাত তাদের সন্তান। শাম্মী আখতারের ছোট ভাই ঢাকাতে ব্যবসা করেন। বিভিন্ন সময়ে মতিউর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ফেনীর সোনাগাজীতে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসতেন বলেও জানিয়েছেন।


তবে শাশুড়িকে মতিউরের বিলাসবহুল বাড়ি উপহারের বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।


আরও খবর



ভারতের সিকিমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর লাশ ভেসে এলো লালমনিরহাটে

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি::


লালমনিরহাটের তিস্তার চরে বন্যার পানিতে ভেসে আসা এক মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৫ জুলাই, রোববার লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন মহিষখোঁচা ইউনিয়নের গোবর্ধন গ্রামে তিস্তা নদীর চরে পাওয়া মৃতদেহটি ভারতের সিকিম রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী Mr. RC Poudyal এর বলে জানা গেছে।


আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী সোমবার ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখ বিকেল ৬ টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী চেকপোস্ট দিয়ে মৃতদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


মরদেহটি তিস্তা নদীর চরে পাওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয় এবং পরে এটি সিকিম রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর মরদেহ হিসাবে সনাক্ত হয়। উক্ত ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং মৃতদেহের সুষ্ঠু হস্তান্তরের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করার প্রচেষ্টা চলছে।


আরও খবর



চলচ্চিত্র ছাড়ার কারণ জানালেন শাবানা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী শাবানার আসল নাম আফরোজা সুলতানা রত্না। ষাটের দশকের শুরুতে ‘নতুন সুর’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার।

 ১৯৬৭ সালে পরিচালক এহতেশামের উর্দু ছবি ‘চকোরী’ দিয়ে পর্দায় শাবানার আগমন ঘটে। দীর্ঘ চার দশক দাপটের সঙ্গে ঢালিউড দাবড়িয়ে তিনি। নায়িকা চরিত্রের বাইরেও ভাবি ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে শাবানা। তার অভিনীত ছবির সংখ্যা প্রায় ৫০০। 

২৪ বছর আগে অভিনয়কে বিদায় জানানো ৭২ বছর বয়সী শাবানা এখনো কোটি বাঙালির হৃদয়ে অভিনয়ের রানি হয়ে আছেন।

অভিনয়ের জন্য শাবানা ১১ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তার বাবার নাম ফয়েজ চৌধুরী, যিনি একজন টাইপিস্ট ছিলেন এবং মা ফজিলাতুন্নেসা ছিলেন গৃহিণী। পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে হলেও শাবানা জন্মগ্রহণ করেন ঢাকার গেণ্ডারিয়ায়। 

শাবানার স্বামীর নাম ওয়াহিদ সাদিক। তিনি একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল এসএস প্রোডাকশনস। তাদের তিন সন্তান। তারা সবাই স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তবে বাংলাদেশে আসেন, কয়েক দিন স্বজনদের সঙ্গে কাটিয়ে আবার উড়াল দেন যুক্তরাষ্ট্রে।

বাংলা সিনেমার দাপুটে অভিনেত্রী শাবানা ঠিক কী কারণে অভিনয় ছেড়েছিলেন এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শৈশবে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হই। নিজেকে দেওয়ার মতো সময় পাইনি। কাজ, কাজ আর কাজ। এভাবেই কেটেছে একটানা ৪০ বছর। 

পরিবার ও সন্তানদের সময় দেওয়ার ব্যাপারটি একটা সময় জরুরি হয়ে পড়ে। দেশের বাইরে পড়াশোনার বিষয়ও ছিল। তাই সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অভিনয়টা ছাড়তে হয়েছে।

বারবার অভিনয়ে ফিরে আসা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো শাবানা বলেন, এই বয়সে আর কীভাবে? এখন তো অনেক বয়স হয়ে গেছে। আল্লাহর নাম নিয়ে পার করে দিচ্ছি সময়। মাঝেমধ্যে সুখময় স্মৃতিগুলো মনে করি। ছেলেমেয়ে, নাতি-নাতনিরা মাঝেমধ্যে আমার ছবি সম্পর্কে নানা কিছু জিজ্ঞাসা করে।

 আমিও তখন বলি, ওই ছবিটা দেখো। এখন পরিবারটাই আমার জগৎ। এ জগতে আমার অনেক ব্যস্ততা।


আরও খবর



তিস্তার বুকে গৃহহারা মানুষের আর্তনাদ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

একের পর বসতভিটা বিলীন হয়ে যাচ্ছে তিস্তার বুকে। শেষ সম্বলটুকুও হারানোর শঙ্কায় হাউ মাউ করে বলছিলেন বাড়ি নাই, ঘর নাই। হামার একটেও জায়গা নাই। মাইনষের বাড়িত যাবার নাগছি। ছাগল-গরু সউগ মাইনষের বাড়িত থোয়া নাগবে। বলেই মুখে কাপড় গুঁজে কান্না শুরু করেন বিভা রানী। মুখ লুকিয়ে ডুকরে কাঁদতে থাকেন। তিস্তার ভাঙনে বিভা রানী বসতভিটা হারিয়েছেন। নতুন করে বসতি গড়ার জায়গা নেই।

বিভা রানী কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চতুরা কালিরহাট গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর নিবারণের স্ত্রী। আগ্রাসী তিস্তার ভাঙনে তার বসতভিটার অর্ধেকেরও বেশি বিলীন হয়েছে। শেষ রক্ষা হবে না জেনে ঘর ও অন্যান্য উপকরণ সরিয়ে নিচ্ছিলেন। শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে এমন পরিস্থিতিতে কথা হয় তার সঙ্গে।

বিভা জানান, পরম যত্নে সাজানো সংসার তিস্তার ভাঙনে মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে গেছে। তারা অসহায়, নিরুপায়। বেদনার সেই কথা বলতে গিয়ে কষ্ট সংবরণ করতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন। বিভা রানীর সেই কান্না রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্বশীলদের কানে পৌঁছায় না। তিস্তার স্রোতের শব্দে সেখানেই মিলিয়ে যায়।

শুক্রবার বিদ্যানন্দের কালিরহাট বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শুধু বিভা রানী নন, তার প্রতিবেশী অনেকেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ ঘর ভেঙে উপকরণ স্কুলের আঙিনায় রেখেছেন, কেউবা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার বাড়ির বিছানাপত্র নিয়ে বাজারের দোকানের ভেতর অনিশ্চিত সংসার পেতেছেন।

গ্রামটির কয়েকশ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙনের হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে শতাধিক পরিবার, কালিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, পাকা সড়কসহ কালিরহাট বাজার। তিস্তা ভাঙতে ভাঙতে অনেক পরিবারের আঙিনায় এসে পৌঁছেছে। যদি সর্বনাশা তিস্তার অনুগ্রহ হয়, যদি শেষ রক্ষা হয়, এমন আশায় অনেকে ভাঙনের কিনারে অপেক্ষারত।

এমনই একটি পরিবার বানেশ্বর-ভারতী রানী দম্পতির। পাকা সড়কের কাছে তিস্তার ভাঙনের মুখে থেকেও এখনও বসতি সরাননি। তেমন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। আঙিনায় বসে কলা গাছের মজ্জা আর কাঁঠালের বীজ দিয়ে দুপুরে খাবারের তরকারি প্রস্তুত করছিলেন ভারতী। সেই দৃশ্য ভারতীদের আর্থিক সামর্থ্যের জানান দিচ্ছিল। পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে ভারতী বলেন, অবস্থা খারাপ। নদী ভাঙতেছে। অল্প এখনার জন্য আটক হয়া আছি। (নদী) দয়া করি যদি ফির ছাড়ি দেয়, এই আশায় আছি। না হইলে ঘর সরান লাগবে। কিন্তু জায়গা জমি নাই।

ভারতীর সঙ্গে কথা বলার সময় পাশ দিয়ে শো শো শব্দের তীব্র স্রোতে বয়ে চলছিল টইটম্বুর তিস্তা। নদীতীরের বাসিন্দারা অনেকে বসতি সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ গাছপালা কাটছেন, কেউবা ভাঙনের কিনারে থাকা ক্ষেত থেকে পাট কেটে নিচ্ছেন। সবার মুখে একটাই প্রশ্ন, ভাঙন রক্ষায় কাজ শুরু হবে কবে?

তিস্তাতীরের বাসিন্দা ফজলুল হক ঘরবাড়ি ভেঙে ট্রাক্টরে করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছিলেন। প্রবীণ এই বাসিন্দা বলেন, আমরা অসহায়। বাড়িঘর সব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমি ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছি। এর আগে সাড়ে ৬ একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন ভিটাটাও যাচ্ছে। ভাঙন রোধে আজ কাজ করে, কাল কাজ করে বলেও কাজ করছে না। সরকারের কাছে অনুরোধ, আমাদের এলাকাটা রক্ষা করেন। নাহলে কয়েকশ পরিবার বিলীন হয়ে যাবে।

বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সেফারুল ইসলাম বলেন, তিস্তার ভাঙনের কবলে পড়ে একের পর এক পরিবারের বসতি বিলীন হচ্ছে। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সোনার জুম্মা এলাকা থেকে মৌলভীপাড়া পর্যন্ত তীরবর্তী শতাধিক পরিবার ভাঙনের হুমকিতে দাঁড়িয়ে আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, তিস্তায় ভাঙন চলছে। বিদ্যানন্দের কালিরহাট বাজারের ভাটির দিকে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। মন্ত্রী মহোদয়কে (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী) বিষয়টি জানানোর পর প্রতিরক্ষা কাজের অনুমতি পাওয়া গেছে। আমরা আপাতত ২০০ মিটার স্থানজুড়ে জিও ব্যাগ ফেলবো। দু-একদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

তবে কত পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর পাউবো জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ শুরু করবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।


আরও খবর