Logo
শিরোনাম

সীমান্ত অস্থিরতায় মিয়ানমার জান্তা দায়ী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিরতার জন্য মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারকে দায়ী করে বিবৃতি দিয়েছে দেশটির বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। মিয়ানমারভিত্তিক গণমাধ্যম ও রাখাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমণ্ডগুলোতে আরাকান আর্মির মূল রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড লিগ অব আরাকানের বার্মিজ ভাষায় লেখা একটি বিবৃতি প্রচার করা হয়েছে।

রবিবার মিয়ানমারের ওয়েস্টার্ন নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাকান আর্মির ওই বিবৃতিতে বাংলাদেশের বান্দরবানের মর্টারশেল বিস্ফোরণে নিহত রোহিঙ্গা ইকবালের মৃত্যুতে সমবেদনা জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে এ ঘটনার জন্য মিয়ানমারের সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত বর্ডার গার্ড পুলিশকে দায়ী করে প্রতিবাদ জানিয়েছে আরাকান আর্মি। মিয়ানমারে সামরিক জান্তা সরকার দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে বলে দাবি করে আরাকান আর্মি জানায়, জান্তার এমন আচরণের কারণে দেশটির সীমান্ত অঞ্চলের মানুষদের চরম সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

এদিকে আরাকান আর্মির এই বিবৃতিকে নাটক বলে দাবি করেছে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গারা। এ প্রসঙ্গে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা অধিকারকর্মী মোহাম্মদ হাবিব বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য জান্তা ও আরাকান আর্মি দায়ী। রোহিঙ্গার মৃত্যুতে আরাকান আর্মির দুঃখ প্রকাশ নাটক ছাড়া কিছুই না।

দুই মাস ধরে রাখাইনের সীমান্ত অঞ্চলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘাত চলছে।


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ছোঁয়াচে ‘চোখ ওঠা’ রোগ ছড়াচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সারা দেশে হঠাৎ করেই কনজাংটিভাইটিস (চোখের প্রদাহ) রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। চোখ ওঠা নামে পরিচিত এই রোগে সব বয়সিরাই আক্রান্ত হচ্ছে। তবে শিশুদের বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এতে উদ্বিগ্ন অনেক অভিভাবক সংক্রমণ হওয়ার ভয়ে তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। সংক্রমিতরা বেশিরভাগই বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে অনেকেই অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার হচ্ছে। এক পরিবারের একজনের হলে পর্যায়ক্রমে অন্যদের হচ্ছে। দেশের সর্বত্রই রোগটি ছড়িয়েছে বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সংবাদদাতারা জানিয়েছেন। চোখ ওঠা রোগটিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় কনজাঙ্কটিভিজি বা কনজাঙ্কটিভা বলে। ভাইরাসের কারণে রোগটি হয়ে থাকে। রোগটি হলে কারো কারো কোনো চিকিৎসা ছাড়া এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। আবার কারো চিকিৎসা লাগে। সাধারণত বছরের এ সময়টাতেই চোখ ওঠা রোগ হয়ে থাকে। এই রোগ হলে চোখ গোলাপি অথবা লাল হয়ে যায়।

আক্রান্ত হলে এক চোখে অথবা দুই চোখেই জ্বলতে পারে, সাথে চোখ লাল বা গোলাপি আকার ধারণ করতে পারে। জ্বালাপোড়ার সাথে চুলকানি হয়। খচখচে ভাব হতে পারে, মনে হতে পারে চোখে কাটা ফুটেছে। আবার চোখ থেকে পানি পড়ে, বারবার সাদা ময়লা আসা, কিছু ক্ষেত্রে চোখে তীব্র ব্যথা হয়।


রোগটি এতই ছোঁয়াচে যে, চোখ ওঠা রোগীর সংস্পর্শে না এসে কাছাকাছি থাকলে এ চোখ ওঠে যেতে পারে। কারণ ভাইরাসটি বাতাসে ছড়াতে পারে। রোগীর ব্যবহার্য রুমাল, তোয়ালে, বালিশ, টিসু অন্যরা ব্যবহার করলে তারা আক্রান্ত হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, কাছাকাছি না থাকলেও অন্যদের হয় আবার খুবই কাছাকাছি থাকার পরও চোখ ওঠে না। ভাইরাসটির বিরুদ্ধে কারো দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠলে (অ্যান্টিবডি হয়ে গেলে) কাছাকাছি থাকলেও হয় না। ভাইরাসের সংক্রমণে প্রদাহ হয়, চোখের মধ্যে থাকা খুবই সুক্ষ্ম রক্তনালী ফুলে যেতে পারে। রক্তনালীগুলো ফুলে যায় বলেই চোখের রঙ লাল হয়।

এমন রোগীর কাছাকাছি থাকলে একটু সাবধান থাকতে হয়। বারবার চোখে বা মুখে হাত না ছোঁয়ানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। যাদের চোখ ওঠে তাদের চোখ খুব চুলকাতে পারে। চোখে হাত ছোঁয়াতে চাইলে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। আক্রান্তদের চোখের পানি টিস্যু দিয়ে মুছে আবদ্ধ জায়গায় বা বাস্কেটে ফেলতে হবে। তা নাহলে রোগটি আশেপাশে যারা থাকবে তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। তা ছাড়া চোখ ওঠা রোগীর ব্যবহার্য সামগ্রী না ধুয়ে অন্যদের ব্যবহার করা উচিত নয়। চোখ ওঠা সমস্যা এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে অবশ্যই চোখের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা: এম এ আজিজ জানিয়েছেন, বর্তমানে যে ভাইরাসে চোখ ওঠা রোগটি হচ্ছে এই ভাইরাসটি চোখের কালো (কনজাঙ্কটিভা) অংশটিকে বেশি আক্রান্ত করে। তবে মাঝে মধ্যে চোখের কর্নিয়াকেও আক্রান্ত করতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে চোখের বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। তিনি মেশিনে চোখ পরীক্ষা করে কিছু ওষুধ দেবেন। বরং আমি বলব, মেশিনে পরীক্ষা করে চোখের চিকিৎসা করালেই যথাযথ চিকিৎসা হয়। চোখের ডাক্তার রোগীকে অ্যান্টি হিস্টাসিন দিতে পারেন। দিতে পারেন চোখের অ্যান্টিবায়োটিক। একই সাথে তিনি লো স্টেরয়েডও দিতে পারে।

চিকিৎসক নর্মাল স্যালাইন দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে বলতে পারেন। নরসল নামে চোখের ড্রপ পাওয়া যায় ওষুধের দোকানে। রোগটি কর্নিয়াকে আক্রান্ত করলে যথাসময়ে যথাযথ চিকিৎসা করা দরকার। না হলে কর্নিয়াতে দাগ পড়ে যেতে পারে। ফলে রোগী পরে স্থায়ীভাবে ঝাপসা দেখতে পারেন। অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস আরো বলেন, চোখ ওঠার রোগীর চোখের পানি পাতলা টিস্যু দিয়ে মুছে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে। চোখের পানিতে প্রচুর পরিমাণে ভাইরাস থাকে। এই পানিটি খুব সাবধানে মুছে টিস্যুই হোক বা অন্য কিছু হোক যত্রতত্র ফেলা যাবে না। অন্যরা এই পানির সংস্পর্শে এলে তাদেরও চোখ ওঠা রোগটি হয়ে যেতে পারে। প্রথমে একটি চোখে সমস্যা সৃষ্টি করলেও পরে আরেকটি চোখে সমস্যা হতে পারে। সাবধানে থাকলে, গরম সেঁক দেয়া হলে চোখে আরাম বোধ করবেন রোগী। এই রোগের সময় বাইরে না যাওয়াই ভালো। বাইরে গেলে চোখে কালো চশমা পরে নিলে রোগী আরাম বোধ করবেন। কিন্তু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

 


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




মা হ‌তে যা‌চ্ছেন মা‌হিয়া মা‌হি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মা হ‌তে যা‌চ্ছেন ঢাকাই সি‌নেমার জন‌প্রিয় চিত্রনায়িকা মা‌হিয়া মা‌হি। ১২ সে‌প্টেম্বর রা‌তে এ তথ‌্য মা‌হি নি‌জেই জা‌নি‌য়ে‌ছেন।

মা হ‌তে যাওয়ার খবর‌ জানি‌য়ে ফেসবু‌কে স্ট‌্যাটাস দি‌য়ে‌ছেন মা‌হি। ব‌লেন, আমি আল্লাহর অশেষ রহমতে মা হতে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

মা‌হি ব‌লেন, আমি আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়গুলো পার করছি। দিন-রাত কীভাবে চলে যাচ্ছে টেরই পাচ্ছি না। প্রচন্ড আদর যত্নে দিনগুলো কেটে যাচ্ছে।

গত বছরের ১৩ সে‌প্টেম্বর গাজীপুরের ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক রাকিব সরকারকে ভালোবেসে বিয়ে করেন মাহি। দুই মাস আগে মা হ‌তে যাওয়ার খবর জান‌তে পা‌রেন মা‌হি। এ দম্প‌তির এটি প্রথম সন্তান।

গত শুক্রবার মাহি অভিনীত লাইভ সি‌নেমা মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমার মাধ‌্যমে প্রায় চার বছর পর পর্দায় ফিরলেন তি‌নি। সি‌নেমা‌টি‌তে তার বিপরীতে অ‌ভিনয় ক‌রে‌ছেন সাইমন সাদিক।


আরও খবর

ঋতুপর্ণা-প্রসেনজিতের বিয়ে

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২




জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

অস্ত্র মামলায় বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার সাতজন দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ২০১৯ সালে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় গ্রেপ্তারের পর এই প্রথম তার কোন মামলার রায় হলো। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন।

এর আগে সকালে, রায় ঘোষণার জন্য জি কে শামীমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় সাজা পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন ও মুরাদ হোসেন। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর



ওমরাহ পালনে ৯০ দিনের বেশি থাকা যাবে সৌদিতে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এখন থেকে সৌদি আরবে ৯০ দিনের বেশি সময় অবস্থান করতে পারবেন বিদেশি ওমরাহ-যাত্রীরা। সৌদির হজ ও ওমরাহ-বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অবস্থানের পাশাপাশি তারা দেশটির যেকোনো শহরে বাধাহীনভাবে ঘুরে বেড়াতে পারবেন এবং নিজ দেশে ফেরার সময় সৌদির যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন।

এখন থেকে বিদেশি ওমরাহ-যাত্রীরা তাদের ওমরাহ ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে ৯০ দিনেরও বেশি সময় সৌদিতে অবস্থান করতে পারবেন এবং মক্কা-মদিনাসহ যেকোনো শহরে ঘুরতে যেতে পারবেন। কোনো ধরনের আইনগত বা প্রশাসনিক বাধা দেওয়া হবে না বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

সৌদি সরকারের অনুমোদিত যেকোনো ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফরম ব্যবহার করে সহজেই ভিসার মেয়াদ বাড়ানো যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

 তবে এ ক্ষেত্রে শর্ত দেওয়া হয়, যারা সরকারের অনুমোদিত যেকোনো করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন, কেবল তারাই হজ ও ওমরাহ করতে পারবেন। এ বছর হজ ও ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক বিদেশিযাত্রীদের জন্য সীমান্ত খোলার ঘোষণা দেয় সৌদি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, যেসব বিদেশিযাত্রী করোনা টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন কেবল তাদেরই স্বাগত জানাবে সৌদি আরব।



আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




পূজায় নাশকতা ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজায় নাশকতা ঠেকাতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে পূজা উদযাপন কমিটি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ মনে, প্রাণে ও চিন্তা-চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর।

পরে ওবায়দুল কাদের রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে দলটির ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেন। এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, পিতা মুজিবের মতো কষ্ট করার জন্যই শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর পর বাংলাদেশে আপাদমস্তক বাঙালি এবং সৎ, সাহসী ও দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা রূপান্তরের রূপকার। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ ও এককালীন মেধাবৃত্তি বিতরণ করেন তিনি।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২