Logo
শিরোনাম
মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার রাজবাড়ীতে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু রাজবাড়ীতে আবৃত্তি ও কথামালায় প্রকাশনা উৎসব নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত মোরেলগঞ্জে শ্রমীকদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন এমপি মিলন লালমনিরহাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারাগেছে স্কুলছাত্র নওগাঁয় বোরো ধান চাষের শুরুতেই বিদ্যুতের লোড শেডিং, দুঃশ্চিন্তায় কৃষকরা নওগাঁয় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ কুড়িগ্রামের শীতকাতর অসহায় মানুষের পাশে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেত্রকোনায় বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন

শীতে গরম পানিতে গোসল

প্রকাশিত:Monday ০৫ December ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

খুব বেশি শীতে গোসল কাতরতা তৈরি হয়। অনেকে ঠাণ্ডা পানির বদলে গরম পানি দিয়ে গোসল করেন। প্রতিদিন গোসলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। মগজও থাকে চাপমুক্ত। ক্লান্তিতেও হয় ভালো বিশ্রাম, ঘুমও হয় পরিমিত। আর গোসল যদি হয় গরম পানিতে, তা হলেও মিলবে উপকার।

আয়ুর্বেদ বিজ্ঞানে বলা হয়েছে, গোসলের সময় শরীর গরম পানি ধুলেও মাথায় ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করতে হবে। কারণ, গরম পানি আমাদের চুল ও চোখের জন্য ক্ষতিকর। আপনি যদি সুস্থ আর সুঠাম দেহের হন তবে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করুন। না হলে হালকা গরম পানিই ঠিক আছে।

যাদের লিভারে সমস্যা, বদহজম, হাত-পা, শরীর জ্বালা সমস্যা আছে, তাদের ঠাণ্ডা পানিতে গোসলের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অ্যালার্জি, কাশি, ঠাণ্ডা, পায়ের ব্যথা, সাইনাস, বাত এধরনের রোগ থাকলে গরম পানিতে গোসল করুন।

শীত এলেই অনেকের ঠাণ্ডা লাগা ও জ্বরের সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যা দূর করতে গরম পানিতে গোসল উপকারী। শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য গরম পানি ভালো। পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব যাদের, তারা ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করলে বেশি উপকার পাবেন। সকালে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করা শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু রাতে বাড়ি ফিরে সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে গরম পানির জুড়ি নেই। 

সূত্র : হেলথম্যাচ


আরও খবর



রাণীনগরে পৃথক অভিযানে ৪জন গ্রেপ্তার মাদক উদ্ধার

প্রকাশিত:Sunday ০৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :


নওগাঁর রাণীনগর থানাপুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে মাদকসহ দুইজন এবং মারপিট মামলায় আরো দুইজনসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার রাতে ও রোববার সকালে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয় । গ্রেপ্তারকৃতদের রোববার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাণীনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, শনিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উপজেলার আবাদপুকুর বাজার এলাকা থেকে সুমন মোল্লা (৩১) কে ৫০গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সুমন উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে। একই রাতে উপজেলার মিরাট ধনপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের একটি মারপিট মামলার আসামী তাছের সরদার (৪০) ও তার ছেলে নয়ন সরদার (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া রোববার সকালে উপজেলার চকাদিন এলাকা থেকে হেরোইনসহ আব্দুল করিম (৩৮) কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার করিম উপজেলার খট্রেশ্বর পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত ছামছুর প্রামানিকের ছেলে। এঘটনায় মাদক সহ গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে রোববার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি আজ । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস । ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে থাকার পর ১৯৭২ সালের এইদিনে তিনি পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। 

পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে দীর্ঘ ৯ মাস কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করেন তিনি। পরে তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডনে যান। তারপর দিল্লি হয়ে ঢাকা ফেরেন মুক্তির মহানায়ক। সেদিন বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য প্রাণবন্ত অপেক্ষায় ছিল। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকেল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন। স্বয়ং জাতির জনক তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা’। সেই থেকে দিনটি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালিত হয়।

জীবনমৃত্যুর কঠিন চ্যালেঞ্জের ভয়ঙ্কর অধ্যায় পার হয়ে সারাজীবনের স্বপ্ন, সাধনা ও নেতৃত্বের ফসল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান এ নেতার প্রত্যাবর্তন স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয় পূর্ণতা পায়। এ কারণেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলার বিজয়। তাই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক কালজয়ী মহাপুরুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পায়। আমাদের মহান নেতার আগমনে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের আনন্দ পরিপূর্ণতা লাভ করে।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তির পরপরই তিনি বাংলাদেশে ছুটে আসতে চান। ওই সময়ের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলি ভুট্টো তাকে তেহরান বা অন্য কোনো এয়ারলাইন্স বেছে নিতে বললে তিনি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে আসার সিদ্ধান্ত নেন। লন্ডন পৌঁছে তিনি বিবিসিতে বিশ্ববাসীর উদ্দেশে একটি ভাষণ দেন। তিনি যখন ভরাট কণ্ঠে তার সুস্থতার কথা জানান, ঠিক সেই মুহূর্তটিতে লাখ লাখ বাঙালি আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তখনও যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাডওয়ার্ড হিথ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ব্রিটিশ বিরোধী দলীয় নেতা হ্যারাল্ড উইলসনও তাকে স্বাগত জানাতে সাক্ষাৎ করেন। তাকে দেয়া হয় রাষ্ট্রীয় অতিথির মর্যাদা।

লন্ডন থেকে দিল্লিতে পৌঁছান অবিস্মরণীয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সমগ্র দেশবাসী তাকে উষ্ণ সংবর্ধনা দেন। এ সময় তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ভূমিকার জন্য ভারতবাসী ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এরপর আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ১০ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে তিনি পা রাখেন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে। অধীর আগ্রহে অপেক্ষারত লাখ লাখ বাঙালি সেই মুহূর্তে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন প্রিয় নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফিরে পেয়ে। পুরো দেশই তাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিল, তার কিছুটা চিত্র ধরা পড়ে তেজগাঁও বিমানবন্দরে। জয় বাংলা ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠা বিমানবন্দর যেন বাংলার আকাশ-বাতাসকেই প্রতিনিধিত্ব করছিল। পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ সেই মুহূর্তে অবিস্মরণীয় এই নেতাকে গ্রহণ করতে অংশ নিয়েছিলেন। মহান এই নেতাকে একটু ছুঁয়ে দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এক ধরনের ব্যাকুলতা কাজ করছিল। 

স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের গণহত্যার সংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন। বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর থেকে সরাসরি চলে যান রেসকোর্স ময়দানে। সেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমবেত লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জনতার উদ্দেশে দেয়া প্রথম সেই ভাষণে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের জন্য দেশবাসীকে অভিনন্দন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার কাজে সবাইকে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। সেদিন রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দেন, ‘রক্ত দিয়ে হলেও আমি বাঙালি জাতির এই ভালোবাসার ঋণ শোধ করে যাব। 


[email protected]


আরও খবর



স্ত্রীর চেম্বার দেখিয়ে নিজেকে ডাক্তার বলে টাকা হাতিয়ে নিতো মুকুল

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :


স্ত্রীর চেম্বারকে নিজের বলে ছবি তুলে মানুষকে দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) রাতে ডাক্তার পরিচয়েধারী ওই ব্যক্তিকে কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর এলাকা হতে গ্রেপ্তার করা হয়।


এসময় তার নিকট হতে দুইটি ভুয়া ডাক্তারি আইডি কার্ড ও তার নিজস্ব ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি জানিয়েছেন র‌্যাব ১১ কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।


গ্রেফতার চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার মোঃ মোশারফ বিশ্বাসের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫)।


র‌্যাব-১১ অধিনায়ক সাকিব বলেন, পূর্বের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রতারক আব্দুস সালাম এক ভুক্তভোগীর নিকট হতে তার দোকানের ব্যবসা বাণিজ্যের অবস্থা সম্পর্কে খোজ-খবরসহ তার মোবাইল নম্বর নেয়। একপর্যায়ে আব্দুস সালাম বিভিন্নভাবে নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দেয়। পরে ডাক্তারি ব্যবসার জন্য তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেয়। পরবর্তীতে ভিকটিমের নিকট আরো টাকা দাবী করে। ভিকটিম আব্দুস সালামের ডাক্তারি ব্যবসার সত্যতা যাচায়ের জন্য তার নিকট প্রমাণ চাইলে প্রতারক আব্দুস সালাম তার স্ত্রীর কর্মস্থল মনোহরগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চেম্বারের ভিতরে তোলা ছবি, চেয়ারে বসা অবস্থায় তোলা ছবি, চিকিৎসার যন্ত্রপাতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ভিকটিমকে দেয়। পরবর্তীতে ভিকটিম আরো সত্যতা যাচায়ের জন্য নিজে তার চেম্বার দেখার জন্য নিজে যেতে চাইলে প্রতারক আব্দুস সালাম বিভিন্ন তাল-বাহানা শুরু করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।


র‌্যাবের ১১এর অধিনায়ক সাকিব বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীর দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, সে বিভিন্ন সময় একই পন্থা অবলম্বন করে সাভার, গাজীপুর, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের প্রতারণা চালিয়ে আসছিল। এই প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ইতিমধ্যে সে কয়েকজনের নিকট হতে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানায়। 

 

এ বিষয়ে উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উপ-নির্বাচন

আবু আসিফের নিখোঁজ নাটক

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে উপ-নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ দুদিন যাবত নিখোঁজ আছেন বলে পরিবারের অভিযোগের পরের দিন ঘটনার নতুন মোড় নিয়েছে। ইতোমধ্যে একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। ২৭ জানুয়ারি আবু আসিফের স্ত্রী মেহেরুন্নেসা তার এক কর্মচারি মিঠুকে ফোন করে আসিফকে কাপড় চোপড় নিয়ে বের হয়ে যাওয়ার জন্য বলছে। এই ঘটনার দুইদিন পর সাংবাদিকদের কাছে আবু আসিফের স্ত্রী অভিযোগ করেন যে আসিফকে পাওয়া যাচ্ছে না। এনিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

রবিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে আবু আসিফের স্ত্রী মেহেরুন্নিছা অভিযোগ করেন তার স্বামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২  আসনে উপ-নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদকে দু’দিন যাবত পাওয়া যাচ্ছে না। এসময় তিনি আরো বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে আসিফকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি কোথায় এবং কী অবস্থায় আছে তা বুঝতে পারছি না। প্রতিনিয়ত আমাদের হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। বাড়িতে পুলিশ এসে অযথা তল্লাশি করে হয়রানি করছে। বাড়ির সামনেও কিছু পুলিশ আসা যাওয়া করছে। তাদের ভয়ে আমি নিজেই পালিয়ে ছিলাম। আজকের মধ্যে খোঁজ না পেলে রাতেই একটা কিছু করবো। এসময় তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করবেন বলেও জানান।

এই ঘটনার পর রবিবার রাতে আবু আসিফের স্ত্রী মেহেরুন্নেসার একটি অডিও কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানে মেহেরুন্নেসা মিঠু নামের এক কর্মচারীকে কল করে তার স্যার আসিফ কোথায় আছেন জানতে চায়। পরে মিঠু বলেন স্যার বাসায়। পরে তাকে সব জামা কাপড় দিয়ে তাড়াতাড়ি বাহির করে দে । কেউ যেন না জানে সে কোথায় গেছে। তাড়াতাড়ি বাসার ক্যামেরা অফ করে দে। স্যার যাওয়ার ১০ মিনিট পরে ক্যামেরা অন করতে বলেন মেহেরুন্নেসা।


আরও খবর



কোরআনে সত্যের সহযাত্রী হওয়ার নির্দেশ

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

সত্য মানুষকে মুক্তি দেয়, আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে। এ জন্য ইসলাম জীবনের সর্বক্ষেত্রে সত্যের অনুসরণ করার নির্দেশ দেয়। মিথ্যার অনুসরণ ও সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ থেকে বিরত থাকতে বলেছে। সত্যের অনুসরণে কোরআনের নির্দেশনাগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো।

১. সত্যের অনুসন্ধান : ইসলাম সত্যের অনুসরণের আগে, তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, যদি কোনো পাপাচারী তোমাদের কাছে কোনো বার্তা নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে। যেন অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়কে ক্ষতিগ্রস্ত করে বসো এবং পরে তোমাদের কৃতকর্মের জন্য তোমাদের অনুতপ্ত হতে হয়।’ (সুরা হুজরাত, আয়াত : ৬)

২. সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ নিষিদ্ধ : আল্লাহ সত্য-মিথ্যার মিশ্রণে সত্যকে আড়াল করতে নিষেধ করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে মিশ্রিত কোরো না এবং জেনেশুনে সত্য গোপন কোরো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ৪২)

৩. সত্য উপেক্ষা করা নিষিদ্ধ : জেনে-বুঝে সত্য উপেক্ষা করাও নিন্দনীয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের কাছে সত্য প্রকাশিত হওয়ার পরও, কিতাবিদের মধ্যে অনেকেই তোমাদের ঈমান আনার পর ঈর্ষামূলক মনোভাবের কারণে আবার তোমাদের অবিশ্বাসীরূপে ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১০৯)

৪. সত্যগ্রহণে দ্বিধা নয় : সত্য প্রকাশিত হওয়ার পর তা গ্রহণে দ্বিধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। আল্লাহ বলেন, ‘সত্য তোমার প্রতিপালকের কাছ থেকে প্রেরিত। সুতরাং তুমি সন্দিহানদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৪৭)

৫. মিথ্যার কোনো ভবিষ্যৎ নেই : সত্যই চূড়ান্ত। মিথ্যার কোনো ভবিষ্যৎ নেই। তা যেকোনো সময় ধ্বংসের মুখোমুখি হবে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ মিথ্যাকে মুছে দেন এবং নিজ বাণী দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অন্তরে যা আছে সে বিষয়ে তিনি তো সবিশেষ অবহিত।’ (সুরা আশ-শুরা, আয়াত : ২৪)

৬. সত্যের সহযাত্রী হওয়ার নির্দেশ : মহান আল্লাহ সত্য ও সত্যবাদীদের সহযাত্রী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমরা আল্লাহকে ভয় কোরো এবং সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হও।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১১৯)


আরও খবর

বিশ্ব ইজতেমা শুরু

Friday ১৩ January ২০২৩