Logo
শিরোনাম

শেরে খোদা আলি (রাঃ) ইমানদারদের অভিভাবক

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

নবীকরিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ৩১তম বংশধর, শাহ্জাদা-এ-গাউসুল আযম, মাইজভাণ্ডার শরীফের সাজ্জাদানশীন সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী বলেছেন, ২১শে  রমজান মহিমান্বিত এক দিবস যে দিন মওলা-এ-কায়েনাত, শেরে খোদা, মুশকিল কোশা হযরত মওলা আলি (রাঃ) শাহাদাত বরণ করেন। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি পবিত্র ক্বাবা ঘরে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনিই প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী পুরুষ। প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রেমে তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। ইসলাম প্রচারের প্রাথমিক যুগে, যখন প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পাশে কেউ ছিলেন না, তখন হযরত আলি (রাঃ) প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে ছায়ার মত লেগে ছিলেন। আমাদের প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হলেন জ্ঞানের শহর আর হযরত আলি (রাঃ) হলেন সেই জ্ঞানের রাজ্যে প্রবেশের দরজা। হযরত মওলা আলি (রাঃ) এর অনুসরণ ব্যতীত কেউ সেই জ্ঞানের শহরে প্রবেশ করতে পারবে না৷ মওলা আলি (রাঃ) হলেন মু'মিন ও মুনাফিক চেনার আয়না। মু'মিনরা মওলা আলি (রাঃ) কে ভালোবাসবে আর মুনাফিকরা তার সাথে বিদ্বেষ পোষণ করবে। প্রিয় নবিজী (দ) তাকে মু'মিনদের অভিভাবকরূপে নির্ধারণ করেছেন।"

সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী আরো বলেন, "তিনি ছিলেন এমনই একজন মহাবীর, যাকে প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) 'শেরে খোদা' বা 'আল্লাহর সিংহ' উপাধি দিয়েছেন এবং নিজের 'যুলফিকার' নামক তরবারি উপহার দিয়েছেন। একদিক থেকে তিনি প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পরম বন্ধু, ভাই ; অপরদিকে প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর জামাতা ও উত্তরসূরী। তিনি বেহেশতে নারীদের নেতা মা ফাতিমাতুজজাহরা (রাঃ) এর স্বামী এবং বেহেশতে যুবকদের নেতা হযরত সাইয়্যেদুনা ইমাম হাসান (রাঃ) ও ইমাম হোসাইন (রাঃ) এর সম্মানিত পিতা। প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মাধ্যমে নবুয়্যতের সমাপ্তি ঘটলেও বেলায়ত হল নবুয়্যতের ছায়া। মওলা আলি শেরে খোদা (রাঃ) কে আমাদের প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই বেলায়তের সিংহাসনে বসিয়েছেন। তাই মওলা আলি (রাঃ) এর প্রতি ভালোবাসা, তার অনুসরণের মাঝেই সত্য পথের পথিকরা পৃথিবী ও আখিরাতের জীবনে মুক্তির পথ এবং মহান আল্লাহ্ তা'য়ালা ও প্রিয় নবিজী (দ) এর সান্নিধ্য অর্জনের পথ খুঁজে পাবে।

৩১শে মার্চ, ২০২৪ গাজীপুর কেন্দ্রীয় খানকা শরীফ জয়দেবপুর আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া শাখার উদ্যোগে হযরত মওলা আলি মুসকিল কোশা কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহুল কারিম এর পবিত্র শাহাদাত দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহ্ফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

মাহফিলে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, মওলানা আবু তালেব মঈনী, মওলানা ইয়াসিন আনসারী, মাওলানা রুহুল আমিন ভূইয়া চাঁদপুরী, মুফতি মাকসুদুর রহমান, হাফেজ মাওলানা নাজের হোসাইন মাইজভাণ্ডারী, হাফেজ মোহাম্মদ মনসুর আলী মাইজভাণ্ডারী, স্থানীয় খলিফাবৃন্দ, আঞ্জুমান-এ-রাহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ও মইনীয়া যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দ। 

হুযুরপুর নূর আহমদ মুজতবা, মুহাম্মদ মুস্তাফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও আহলে বাইতে রাসুল (দ) এর প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ শেষে বিশ্ববাসীর কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর একতা, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন, সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী। হাজারো আশেকে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।


আরও খবর



শুরু হচ্ছে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি রিপোর্ট:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে আম পরিবহনের জন্য আজ সোমবার (১০ জুন) থেকে চলবে ‘ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন’। বিকেল ৪টায় জেলার রহনপুর স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবে ট্রেনটি।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল জোনের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা সুজিত কুমার বিশ্বাস রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন।

সুজিত কুমার বিশ্বাস জানান, এ বছর যমুনা সেতুর পরিবর্তে পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর স্টেশন থেকে ছাড়ার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও রাজশাহীসহ ১৫টি স্টেশনে আম তোলা হবে। ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ২টা ১৫ মিনিটে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. ওবায়দুল্লাহ জানান, ছয়টি লাগেজ ভ্যানের মাধ্যমে প্রতিদিন আম পরিবহন করা যাবে ২৮ দশমিক ৮৩ মেট্রিক টন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত এক কেজি আমের ভাড়া দিতে হবে এক টাকা ৪৭ পয়সা। রাজশাহী থেকে এক টাকা ৪৩ পয়সা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের উদ্বোধন করবেন বলেও জানান মো. ওবায়দুল্লাহ।


আরও খবর



আমি একজন বিজেপি ক্যাডার: মিঠুন চক্রবর্তী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক :



ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচনের শেষ এবং সপ্তম দফার নির্বাচন। শনিবার নিজের কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের বেলগাছিয়ায় ভোট দিলেন বিজেপির নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। 


ভোট দিয়ে বেরিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এ অভিনেতা।


আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকাল সাতটায় বেলগাছিয়ার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে পৌঁছে যান মিঠুন চক্রবর্তী। ৪০ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন তিনি। 



এসময় তিনি জানান, দল ৩০ জুন পর্যন্ত যা দায়িত্ব দিয়েছিল তিনি তা নিখুঁতভাবে পালন করেছেন। এবার তিনি আগের মতো ছবিতে কাজ করবেন। যোগ করেন, তাকে তো পেট চালাতে হবে।


অভিনেতা বলেন, ‘আমি একজন বিজেপি ক্যাডার। আমি আমার দায়িত্ব পালন করলাম। তবে কাল থেকে আমি সিনেমা নিয়েই কথা বলব কারণ আমার একটা পরিবার আছে। তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে আমাকে।’



এদিকে ভোট দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মিঠুনের গাড়ি ঘিরে শাসকদলের সমর্থকেরা স্লোগান দেন, ‘চোর এসেছে। সব দলের থেকে খেয়েছে। এবার গেরুয়া শিবিরের পালা।’


 


আরও খবর



ঢাকায় পুলিশের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:

রাজধানীতে পুলিশের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত

রাজধানীর গুলশানে পুলিশের গুলিতে পুলিশেরই আরেক সদস্য নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এসময় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।


শনিবার (৮ জুন) রাত ১২ টার দিকে গুলশানে ঢাকাস্থ ফিলিস্তিনী দূতাবাসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কনস্টেবলের নাম মো. মনিরুল। তাকে গুলি করেন কনস্টেবল কাউসার আহমেদ।



প্রত্যক্ষদর্শী একজন গণমাধ্যমকর্মী হাসান আহমেদ বলেন, আমরা ডিউটি শেষ করে অফিসের গাড়িতে ফিরছিলাম। হঠাৎ ফিলিস্তিনী দূতাবাসের সামনে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পুলিশের এক সদস্যকে পড়ে থাকতে দেখি। 


এতে আমাদের চালক গাড়ির গতি থামাতেই পুলিশের একজন সদস্য এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকেন। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময়ও বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পাই। তবে কি নিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিক বুঝতে পারিনি।


গুলশান থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, 'সম্ভবত মানসিক সমস্যার কারণে আমাদের এক কনস্টেবল আরেক কনস্টেবলকে গুলি করেছে। এই ঘটনায় পথচারি আহত হয়েছে বলে শুনেছি।'



ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে, গুলি নিক্ষেপকারী মানসিক বিকারগ্রস্থ।


আরও খবর



রিকশাচালককে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image


সাভার প্রতিনিধি:

সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ সদস্য র‌্যাকার চালক সোহেল রানার বিরুদ্ধে এক অটোরিকশাচালককে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

খবরটি অন্যান্য রিকশাচালকেরা জানতে পেয়ে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিচার দাবি করে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে।

শুক্রবার (১৭ মে) র‌্যাকার চালক সোহেল ও মোস্তফা সাভারের পাকিজা এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।


আহত রিকশাচালক মো. ফজলু (৪৫) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার বনসাপুর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মো. সোহেল রানা ঢাকা জেলা উত্তর ট্রাফিক বিভাগের র‌্যাকারচালক।

ভুক্তভোগী রিকশাচালক ফজলু বলেন, আমি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন দিয়ে রিকশা চালাচ্ছিলাম। এ সময় পাকিজার সামনে থেকে একটি মোটরসাইকেলযোগে র‌্যাকার চালক সোহেলসহ দুইজন আমাকে ধাওয়া করে।

একপর্যায়ে তারা গেন্ডা বাস স্ট্যান্ডের কাছে রিকশা থামাতে বললে আমি সাইড করে থামাতে চাই। এ সময় সোহেল রানা মোটরসাইকেল থেকে নেমেই একটি লোহার পাইপ দিয়ে প্রথমে আমার বাম পায়ে আঘাত করে। আমি হাত দিয়ে ঠেকাতে চাইলে তিনি লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ডান পা ভেঙে দেন। এরপর আমি রাস্তায় পড়ে যাই।


অটোচালক ফজলু আরও বলেন, আমাকে পেটানো দেখে স্থানীয়রা এসে ওই পুলিশ সদস্যকে ঘিরে ধরে। এ সময় তিনি ভুল স্বীকার করে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানোর কথা বললেও পরে অপর একটি রিকশায় তুলে দিয়ে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে তিনি চলে যান।

এদিকে রিকশাচালককে মারধরের ঘটনা জানতে পেয়ে অন্যান্য রিকশাচালকরা দোষী পুলিশ সদস্যের বিচার দাবি করে সাভার প্রেস ক্লাবের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে।

এ সময় অভিযুক্ত সোহেল রানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে অপর র‌্যাকার চালক মোস্তফা বলেন, আমি ওই রিকশাচালককে মারিনি। আমি আজ র‌্যাকারের দায়িত্বে থাকলেও আমি ডিউটিতে এসেই দেখি এসব ঘটনা। পরে আমি ওই রিকশাচালককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি।

এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা উত্তর ট্রাফিক পুলিশের অ্যাডমিন হোসেন শহীদ চৌধুরী জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



‘এমপি আনার হত্যার তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে কোনো তদবির বা চাপ নেই। সঠিক পথেই তদন্ত এগোচ্ছে।


বুধবার (১২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।


বান্দরবানে কেএনএফ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আনারের মেয়ে তার বাবা হত্যার বিচার চাইবে এটাই স্বাভাবিক। তদন্তে কেউ যাতে পার পেয়ে না যায় তিনি সেই অনুরোধ করেছেন।


 এই হত্যার তদন্তে কোনো তদবির বা চাপ নেই। কে চাপ দেবে? তদন্তে যা বেরিয়ে আসবে সেভাবেই বিচার প্রক্রিয়া আগাবে।


সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, বেনজীর আহমেদ ভুল করলে তা তদন্তে চলে আসবে। তিনি আইজিপি থাকার সময় মন্ত্রণালয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। সুতরাং দায় নেয়ার প্রশ্নই আসে না।



‘সেন্টমার্টিন যাবার পথে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় বাংলাদেশ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। সে দেশের পুলিশ অস্বীকার করেছে। মিয়ানমারে যুদ্ধ চলায়, কার গুলি এসেছে বোঝা কঠিন। 


তবে সেন্টমার্টিনের সাথে যোগাযোগ ও পণ্য পাঠানোর সবকিছুই ঠিক আছে।’ বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


ঈদুল আজহায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে। কোন সমস্যা হবে না।


এর আগে দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। এ সময় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অনেক বড় জায়গা থেকে তদবির হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।


ডরিন বলেন, অনেক বড় জায়গা থেকে তদবির হচ্ছে। তদবিরের চাপে যাতে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না হয়। মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। যারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সঠিক বিচার চাই। সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন- আইন, বিচার সব নিজস্ব গতিতেই চলবে। অপরাধীরা পার পাবে না।



আরও খবর