Logo
শিরোনাম

শিশু আর বয়স্কদের জ্বর-সর্দি-কাশিসহ নানা অসুখ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এখন প্রচণ্ড গরম পড়ছে! তাপমাত্রার এই ব্যাপক তারতম্যে প্রথম শিকার হয় শিশুরা। বড়দের মতো আবহাওয়ার দ্রুত তারতম্যের সাথে শিশুরা নিজেকে মানিয়ে নিতে অনেক সময়ই পারে না। গ্রীষ্মকালের গরম সবার জন্যই কষ্টকর। তবে শিশুরা খুব বেশি স্পর্শকাতর বলে অনেক গরম আবহাওয়ায় সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

তাই অন্যান্য সময়ের তুলনায় গরমকাল শিশুদের জন্য বেশি কষ্টকর ও অসহনীয় হয়ে ওঠে। তাই জ্বর, পেট খারাপ, সর্দি, কাশিসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়। গরমে ভাইরাল জ্বরে ভুগতে পারে।

জ্বরের লক্ষণ

শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে বেশি তাপমাত্রাই (>৯৮.৬ ড় ফা.) হলো জ্বর। তবে, জ্বর কোনো রোগ নয়, শরীরের কোনো অসুস্থতা বা সংক্রমণের লক্ষণ অর্থাৎ রোগের উপসর্গ হলো জ্বর ।

বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন ধরনের জ্বর হতে পারে। যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, নিউমোনিয়া, হাম এবং প্রস্রাবের সংক্রমণ ইত্যাদি নানা কারণে জ্বর হতে পারে।

জ্বরের সাধারণ চিকিৎসা

জ্বর কমানোর জন্য প্রথমে দেহের তাপমাত্রা কমানোর ওষুধ প্যারাসিটামল (এইস, নাপা) খাওয়াতে হবে। তবে অনেক সময় ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক সঠিক মাত্রায় পাঁচ থেকে সাত দিন খেতে হবে। তবে ভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিক লাগে না। শিশুদের বেলায় জ্বর হলে একটু বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। মনে রাখতে হবে ৩-৪ দিনের মধ্যে শিশুর জ্বর, সর্দি-কাশি না কমলে এবং জ্বর সাথে যদি শিশুর বেশি বমি হয় বা পাতলা পায়খানা হয়, অনবরত কাঁদতে থাকে, শরীরে গুটি বা দানা দেখা দেয়, খিঁচুনি হয় তাহলে জরুরিভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

প্রয়োজনীয় উপদেশ

  • গরমে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে এবং ধুলাবালি থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখতে হবে।
  • বাইরে বের হলে শিশুর জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি সবসময় সাথে রাখতে হবে।
  • ঘেমে গেলে ঘাম মুছে দিতে হবে। শরীরের ঘাম শুকিয়ে গেলে শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে।
  • যতটা সম্ভব শিশুকে সদ্য তৈরি খাবার ও তাজা ফলমূল খাওয়াতে হবে।
  • ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে, যেন র‌্যাশ জাতীয় সমস্যা না হয়।
  • প্রচুর পানি খাওয়াতে হবে, যেন প্রস্রাবের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে।
  • সদ্যজাত শিশুদের সবসময় ঢেকে রাখতে হবে, যেন শরীর উষ্ণ থাকে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন ঘেমে না যায়।
  • গরমের সময় মশা, মাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি পোকামাকড়ের প্রকোপ বেড়ে যায়। এগুলো শিশুর অসুস্থতার কারণ হতে পারে। ঘরকে পোকামাকড় মুক্ত রাখতে হবে।
  • গরমের সময় প্রচুর মৌসুমি ফল পাওয়া যায়। মৌসুমি ফল শিশুকে খেতে দিন। জুস করে দিতে পারেন। এতে শিশুর ভিটামিন চাহিদা মিটবে ও শিশুর পুষ্টিরও পূরণ হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। 

আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করুন

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে অস্ত্র প্রতিযোগিতা, যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে বাংলায় দেয়া ভাষণে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ইউক্রেন ও রাশিয়ার সংঘাতের অবসান চাই। যুদ্ধ বা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মত বৈরীপন্থা কখনও কোন জাতির মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। পারস্পরিক আলাপ-আলোচনাই সঙ্কট ও বিরোধ নিষ্পত্তির সেরা উপায়। রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘ এবং বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সমস্যা অব্যাহত থাকলে, তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অনেক আলোচনার পরেও একজন রোহিঙ্গাকেও তাদের মাতৃভূমিতে ফেরত পাঠানো যায়নি। মিয়ানমারে চলমান রাজনৈতিক সংঘাত বাস্তচ্যূত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনকে আরও কঠিন করে তুলেছে। আশা করি, এ বিষয়ে জাতিসংঘ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ইটনায় কৃষকলীগের বিশাল ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোজাহিদ সরকার,কিশোরগঞ্জ : 

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ি ইউনিয়ন কৃষকলীগের বিশাল ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

৩০ সেপ্টেম্বর(শুক্রবার) জুম’আর নামাজের পর বড়িবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ইটনা উপজেলা কৃষকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিমল কুমার সাহা'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আহমেদ উল্লাহ। 

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইটনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান, কিশোরগঞ্জ জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন এবং সম্মানিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

প্রধান অতিথি কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার কৃষিবান্ধব সরকার অর্থাৎ বর্তমান সরকার-ই হচ্ছে কৃষিবান্ধব সরকার। বর্তমান সরকার কৃষকদের জন্য ভর্তুকি দিয়ে কৃষি যন্ত্রপাতি কিনে দিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের অবদানে হাওরের আজ বিদ্যুৎ সম্পন্ন যার সুফল ভোগ করছে হাওরের কৃষক। 

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বড়িবাড়ি ইউনিয়ন কৃষকলীগের আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। বড়িবাড়ি ইউনিয়ন কৃষকলীগের কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ সেলিম খান ও সাধারণ সম্পাদক রেজুয়ান আহম্মেদ। এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অলি আহমেদ।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ভুলে ভরা এনআইডি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশের নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে সরকার জাতীয় পরিচয়পত্রের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। কিন্তু পরিচয়পত্রে ব্যক্তির নাম ভুল, জেলার নাম ভুল কিংবা বয়সে হেরফের হচ্ছে। অনেক সময় জাতীয় পরিচয়পত্রে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানো হচ্ছে। এমন বিভিন্ন সমস্যার কারণে বিড়ম্বণায় পরছেন জনগণ। ভুলে ভরা এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) স্মার্টকার্ড। কারো মায়ের নাম, কারো আবার বাবার নাম ঠিক নেই। ভুল ছাপা হয়েছে নিজের নামও।

লালমনিরহাটের আদিতমারীর বালাপুকুর উচ্চবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক লক্ষ্মীকান্ত রায় করোনা টিকা নিবন্ধন করতে গিয়ে দেখেন ২০১৪ সালের ৩ জুনে মারা গেছেন তিনি।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভুলে ভরা জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে গিয়ে দিশেহারা শত শত নাগরিক। দিনের পর দিন ধরনা দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। উপজেলার আট ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় শত শত নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের ভুল, নামের বানান ভুল, ভুল ঠিকানা, বয়সের ভুল, বাবা-মায়ের নামের ভুলসহ নানা ধরনের ভুলের বোঝা নিয়ে অস্বস্তিতে দিন কাটাচ্ছেন।

তাড়াশ পৌর শহরের বাসিন্দা নায়েব আলী জানান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ভুলে ভরা জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। আবার এ ভুল সংশোধন করতে গিয়েও উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে দ্বিতীয় দফা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

সিলেট সদর উপজেলার বাসিন্দা চল্লিশোর্ধ রহিমা খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের ভুল সংশোধনে ৭/৮ বার ঘুরে সংশোধন করতে পারেননি। এই চিত্র শুধু সিলেট নয় সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল সংশোধনে বছরে পর বছর মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




পঁচা মহিষের মাংস হোটেল-রেস্তোরাঁয়

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  রাজধানীর বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় গরুর মাংসের নামে খাওয়ানো হচ্ছে ভারত থেকে আনা মানহীন ও পঁচা মহিষের মাংস। খাবার অযোগ্য এসব মাংস মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কম দামে তা পাওয়ায় ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন হোটেল- রেস্তোরাঁর মালিকরা। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউ মার্কেট, হাজারীবাগ, লালবাগ, নবাবগঞ্জ, জুরাইন, মোহাম্মদপুর, কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে দেদারসে।

রাজধানীর নিউ মার্কেট মাংসের বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানেও এসব মাংস বিক্রি হতে দেখা যায়। এ বাজারের এক ব্যবসায়ী পরিচয় গোপন রেখে বলেন, সাধারণত জবাই করা গরুর মাংস পিস পিস করে কেটে দোকানে ঝুলিয়ে রাখা হয়। কিন্তু ভারত থেকে আনা এসব মহিষের মাংস ঝুলিয়ে বিক্রি করা হয় না। প্যাকেট খুলে এরপর টুকরো করে কেটে বিভিন্ন হোটেলে-রেস্তোরাঁয় সরবরাহ করা হয়।

দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি ছিল। এখন তা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়েছে। দেশের শতকরা ৭০ ভাগ হোটেল-রেস্তোরাঁয় এখন ভারতীয় মহিষের মাংস বিক্রি হচ্ছে। ফ্রিজিং অবস্থায় মাংসগুলো আনা হয়।

রাজধানীর শনির আখড়ার সুর্য্যবানু রেস্তোরাঁয় শেফ বলেন, বাজারে গরু ও মহিষের তাজা মাংসের দাম অনেক বেশি। সে তুলনায় ভারত থেকে আনা মহিষের মাংসের দাম বেশ কম। মাংস কম টাকা দিয়ে কিনতে পারলে লাভ বেশি। এজন্য আমদানি করা মহিষের মাংস কেনা হয়। মানহীন হলেও ভালোভাবে মসলা দিয়ে রান্না করলে বুঝা যায় না এটা গরু নাকি মহিষের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে রয়েছে ফ্রিজিং করা ভারতীয় মহিষের মাংসের ডিপো। ডিপো থেকে ফ্রিজিং ভ্যানের মাধ্যমে মাংসগুলো চলে যায় জুরাইন, নিউ মার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তাদের এজেন্টদের কাছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ৭.৪ মিলিয়ন টন মাংসের চাহিদার বিপরীতে ৮.৪৪ মিলিয়ন টন মাংস উৎপাদন হয়। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি। এজন্য বৈধ অথবা অবৈধভাবে মাংস আনার বিপক্ষে খাত-সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বিদেশ থেকে মাংস আসলে প্রান্তিক খামারিরা তাদের উৎপাদিত পশুর দাম পাবেন না। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ধস নামার পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর হয়ে পড়বে।

সরকারি হিসেবে দেশে চাহিদার চেয়ে গরু-ছাগল বেশি আছে। সেক্ষেত্রে মাংস আমদানি করা হলে খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়বেন। এছাড়া অবৈধভাবে আমদানি করাও অপরাধ।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকায় দিনে, ২৫ জন ভর্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের বিস্তার আক্রান্ত বাড়ছেই। ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত) এ রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫০৬ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩৬৭ জন ও ঢাকার বাইরে ১৩৯ জন।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৮৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৪২৭ জন ও ঢাকার বাইরে ৪৪৭ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৫২ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ১৩১ জন ও ঢাকার বাইরে ৩ হাজার ৭২১ জন। একই সময় সারা দেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৯২৩ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৬৭৭ জন ও ঢাকার বাইরে ৩ হাজার ২৪৬ জন। তবে নতুন করে ডেঙ্গু জ্বরে কারো মৃত্যু হয়নি। গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন ও ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১০৫ জন।

এ প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, আগেই সতর্ক করেছিলাম, এবার ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। কিন্তু সেটা আমলে না নিয়ে সিটি করপোরেশন গতানুগতিকভাবে কাজ করছে। এখন যে পরিস্থিতি দেখছি তাতে অবস্থার উন্নতি হতে আরো ১৫ থেকে ২০ দিন লাগবে। তিনি বলেন, ঢাকার সব জায়গায় ডেঙ্গু রোগীর হার সমান নয়। যেসব এলাকায় ডেঙ্গু রোগী বেশি, সেখানে মশক নিধনে এক দিনে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালাতে হবে। 


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২