Logo
শিরোনাম

শিশুদের সিনেমায় মিথিলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

দুই বাংলায় সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে এবার তিনি যুক্ত হলেন শিশুদের সিনেমায়।

সম্প্রতি বড় পর্দায় দুই বাংলায় দুটি ভিন্ন ছবি মুক্তি পেয়েছে তার। বাংলাদেশে ‘অমানুষ’ এবং কলকাতায় ‘আয় খুকু আয়’। কিন্তু কোনোটিরই মুক্তিতে মিথিলা উপস্থিত থাকতে পারেননি।

কর্মসূত্রে তিনি বিভিন্ন দেশের শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ নিয়ে কাজ করেন ঘুরে ঘুরে। তাই ছবি মুক্তির দিন মিথিলা তখন ছিলেন তানজানিয়ায় শিশুদের সঙ্গে।

মাসখানেকের সফর শেষে কয়েক দিনের জন্য ঢাকায় ফিরেছেন মিথিলা। ফিরেই নতুন ছবির খবর জানান মিথিলা। শিশুদের উপযোগী একটি ছবিতে অভিনয় করবেন তিনি। ফেসবুকে অনুরাগীদের সঙ্গে তিনি এ কথা ভাগ করে নিয়েছেন।

শাহরিয়ার কবিরের লেখা ‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হবে ছবিটি। পরিচালক লুবনা শারমিন। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ওই সিনেমায় মিথিলা ছাড়াও অভিনয় করবেন স্বপ্নিল, হিয়া, রাহিন, ইশরাত-সহ একঝাঁক শিল্পী।

জানা যায়, আগামী ২০ জুলাই থেকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সিনেমাটির শ্যুটিং শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ের শ্যুটিংয়ে থাকছেন না মিথিলা। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি উগান্ডা, তানজানিয়া, সিয়েরালিওনে অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকবেন। ফলে এই কয়েক মাস শ্যুটিংয়ে অংশ নিতে পারবেন না। মিথিলা তার অংশের কাজ করবেন অক্টোবরের পরে।

তিনি বলেন, ‘শিশুদের জন্য বানানো হচ্ছে ওই ছবিটি। প্রায় এক বছর ধরে লুবনার সঙ্গে কথা বলছি সিনেমাটি নিয়ে। এর মধ্যে ছবি তৈরির অনুদানও মিলেছে। কাজটি আমার খুবই ভালো লাগার।’ সূত্র : আনন্দবাজার


আরও খবর

বিয়ে করছেন রিচা-ফজল

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আলিয়া!

বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২




নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হোসিয়ারী শ্রমিককে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ; নারায়ণগঞ্জঃ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পূর্বশত্রুতা ও মাদক বিক্রি না করায় মেহেদী হাসান নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। শনিবার রাত ১১টায় পশ্চিম দেওভোগ হাজীর বাগান এলাকায় এ ঘটনায় ঘটে। সে ওই এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে ও পেশায় হোসিয়ারি কারখানার শ্রমিক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকে মেহেদী এসময় কয়েকজন যুবক এসে তাকে ডেকে পাশের একটি মাঠে নিয়ে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবারের স্বজনরা জানান, পূর্বশত্রুতা ও মাদক বিক্রি না করায় মেহেদীকে পরিকল্পিতভাবে তুলে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। মৃতুর আগে মাদক ব্যবসায়ী ওমর, মাইকেল ও সবুজ তাকে প্রায় হত্যার হুমকি দিতো বলে জানিয়ে ছিলেন পরিবারকে। হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানান তারা।

ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক আবু হানিফ জানান, মেহেদী নামে এক যুবকে কুপিয়ে হত্যা করে দূর্বৃত্তরা। হত্যার সাথে  জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারর জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে ।


আরও খবর



বিশ্বাস হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়া যায়না

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরীর ফেসবুক থেকে নেয়াঃ

বিশ্বাস কি খুব ঠুনকো আর ভঙ্গুর একটা জিনিস  | এটা  কি ছায়ার মতো নাকি কাচের আয়নার মতো ! ছায়া আলোয় আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠে, অন্ধকারে মিলিয়ে যায় | বিশ্বাস ঠিক তেমনই | সত্যের উপর ভর করে বিশ্বাস যখন জ্বলে উঠে তখন মিথ্যার ছায়ার মৃত্যু ঘটে | অন্ধকার আলোর সাথে লড়াইয়ে পেরে উঠেনা | দৃশ্যপটের পরিবর্তন ঘটে | সব কিছু উলোট পালট হয়ে যায়,  যখন বিশ্বাসের ভিতরে মিথ্যে প্রবেশ করে | তখন সত্যের ছায়ার মৃত্যু ঘটে | আলো পরাভূত হয় অন্ধকারের কাছে | বিশ্বাস কখনো কাচের আয়নায় নিজেকে দেখতে পায় | আয়নার বাইরের মানুষটার ভিতরে যদি মনুষ্যত্ব  থাকে  তখন আয়নার ভিতরের  মানুষটার ভিতরে  বিশ্বাস জন্ম নেয় | আয়নাটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলে মানুষের মুখটাও টুকরো টুকরো হয়ে যায়, বিশ্বাস তখন টুকরো টুকরো হয়ে যায় | এমন টুকরো টুকরো কাচের ভিতর মানুষ তার মনুষ্যত্বকে হারিয়ে ফেলে | বিশ্বাস তার অস্তিত্ব হারায় |  

বিশ্বাস একটা চাদরের মতো | যখন  কাউকে  শীতের তীব্রতা  গ্রাস করে  তখন চাদরটা তার শরীরে উষ্ণতা তৈরী করে | হয়তো চাদরটার উষ্ণতা তৈরী করার শক্তি নেই, কিন্তু চাদরটা যখন বিশ্বাস হয়ে যায় তখন উষ্ণতার জন্ম হয় | যার চাদর কেনার সামর্থ্য নেই, তখন শীতটা তার জন্য চাদর হয়ে যায় | মানুষটার উদোম শরীর আর শীত এক হয়ে যায় | অথচ কেউ কেউ আবার দামি দামি মখমলের একটার পর একটা মোটা চাদর শরীরের উপর জড়িয়েও শীতকে জয় করতে পারেনা | 

অন্যকে বিশ্বাস করা যতটা সহজ নিজেকে বিশ্বাস করা ততটা কঠিন | এটা অনেকটা আত্মসমীক্ষণের মতো | যেখানে মানুষ নিজেকে একটা চিত্রকর্মে পরিণত করে | তারপর রংতুলি দিয়ে একটার পর একটা জলরঙে নিজেকে ডুবিয়ে দেখার চেষ্টা করে | বিশ্বাসে যখন মরিচা পড়ে তখন রংগুলো বদলে যায় | বিশ্বাস পরিবর্তিত হয় | বিশ্বাস তখন আত্মঘাতী হয় | যদি জল রঙে ডুবিয়েও রঙের পরিবর্তন না ঘটে তবে বিশ্বাস পরীক্ষায় উতরে যায় | 

সব হারিয়ে গেলেও ফিরে পাবার সম্ভাবনা থাকে, বিশ্বাস হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়া যায়না | বিশ্বাস ভেঙে গেলে জোড়া লাগানো যায়না | বিশ্বাস অনেকটা নদীর পানির মতো | যে পানি একবার স্রোতে হারিয়ে যায় তাকে আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়না |

বিশ্বাস একটা চিঠির মতো | তবে বিশ্বাসের চিঠিতে কোনো কালো অক্ষরের লেখা থাকেনা, একটা অদৃশ্য অনুভূতি থাকে, বিন্দু বিন্দু না বলা কথা থাকে  | কষ্ট থাকে, যন্ত্রনা থাকে, আনন্দ থাকে, হাসি থাকে | হয়তো মিথ্যেকে সত্য করে বলার মতো অনেক কিছুই থাকে | অথচ  বিশ্বাসের চিঠি কখনো  খামবন্দি হতে চায়না, বরং খামকে বন্দি করতে চায় | খামও বন্দি হতে চায়না বরং চিঠিকে তার ভিতরে ঢুকিয়ে বন্দি করতে চায় | এখন যুগ পাল্টেছে | মানুষের উপর চিঠি আর খামের অনেক বিশ্বাস ছিল তা আজ হারিয়ে গেছে | কারণ স্বার্থপর মানুষ নতুন কোনো বিকল্প পেলে পুরাতনের বিশ্বাসকে হত্যা করে |   রঙিন মানুষ, রঙিন দুনিয়ার প্রেমে পড়ে সাদা কালো দুনিয়ার বিশ্বাসকে হারায় |

বিশ্বাস একটা সার্কাসের জোকারে মতো | যে নিজে হাসতে না পারলেও মানুষকে হাসানোর বিশ্বাসকে তার কান্নার মধ্যে দিনের পর দিন জমাতে থাকে | সেটা বুকের ভিতরে এমন একটা জায়গায় জমতে থাকে সেটা জোকারটা ছাড়া আর কেউ কখনো দেখতে পায়না | মানুষ ভাবে টাকা দিয়ে জোকারের হাসি কিনেছে | আর জোকারটা জানে মুখে রং মেখে প্রতিদিন তার কান্না মানুষের কাছে বিক্রি করছে সে | বিশ্বাস সেটা যেটা আমরা বিশ্বাস করিনা, বিশ্বাস সেটা নয় যেটা আমরা বিশ্বাস করি | খুব অদ্ভুত একটা মনস্তত্ব | যা বইয়ের পাতায় থাকেনা | অথচ বইয়ের পাতায় মানুষ সারাজীবন বিশ্বাসকে খুঁজে বেড়ায় |

চোখে চশমা পড়ে বিশ্বাসকে খুঁজতে গেলে চশমাটাই একটা বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | চোখও তখন বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | মানুষটাও বিজ্ঞানের উপাদান হয়ে যায় | অথচ বিশ্বাসটা তখনও বিধ্বস্ত করা ঘূর্ণিঝড়ের মতো | কোথায় আঘাত হানবে তা কেউ আগে থেকে বলতে পারেনা |

একটা মানুষ বাজারে গিয়ে বিশ্বাসকে কিনবে বলে খুঁজে বেড়াচ্ছে অথচ ওই মানুষটার নিজের বিশ্বাস অন্যের কাছে কখন বিক্রি হয়ে গেছে তা সে নিজেই জানেনা | বিশ্বাস কখনো বিক্রি হতে ভালোবাসেনা অথচ মানুষ বিশ্বাসকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করতে চায় | যখন বিশ্বাস বিক্রি হয় তখন মানুষও বিক্রি হয় | বিশ্বাসের ভিতর মানুষ থাকে, মানুষের ভিতর বিশ্বাস থাকেনা | 

একটা কাঠের লাটিম বিক্রি করে যে মানুষটা সংসার চালায় তার জীবনটা অনেকটা লাটিমের মতো | লাটিম যতটা না ঘুরে লাটিম বিক্রি করা মানুষটাকে জীবনের সাথে লড়ার জন্য তার চেয়ে বেশি ঘুরতে হয় | লাটিমটা যে মানুষটা কিনে সে মানুষটাও লাটিমের মতো ঘুরে | সবাই ঘুরে, বিশ্বাসও ঘুরে | কিন্তু আবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু একেকজনের একেক রকম হয় |

মানুষ মরে যায়, বিশ্বাস তারপরও বেঁচে থাকে | মানুষের বয়স যত বাড়ে বিশ্বাসের বয়স তত কমে |  বিশ্বাসের বয়স এভাবে ক্রমাগত কমতে কমতে কখনো ফুরিয়ে যায়না | 


আরও খবর

পরাজয় মানুষকে আপন-পর চেনাতে শেখায়

বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২




মিরপুরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে পরকিয়া সন্দেহে স্ত্রীর গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যা করেছে স্বামী। এ ঘটনায় মেয়েটির স্বামী আব্দুল হান্নানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, দুদিন আগে খুলনা থেকে ঢাকায় এসে গার্মেন্টেসে চাকরি নেন গৃহবধূ সাথী। কিন্তু কারো প্রেমে পড়ে ঘর ছেড়েছে এমন সন্দেহে হান্নান ঢাকায় এসে তাকে খুঁজে বের করেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে, গার্মেন্টেস থেকে ফেরার পথে সাথীকে পল্লবীর সাত নম্বর সেকশনের রাস্তায় থামায় হান্নান। সেখানেই তিনি সাথীর ওপর চড়াও হয়ে গলায় ছুরি চালিয়ে দেন। এলাকার লোকজন সাথীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা জানান অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে হাসপাতালে পৌঁছার আগেই মারা গেছেন সাথী 


আরও খবর

দল গোছানোর কাজে গতি আনছে আ.লীগ

বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২




পাকিস্তানে ছয় সেনা কর্মকর্তাসহ হেলিকপ্টার নিখোঁজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ আগস্ট 2০২2 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ |
Image

পাকিস্তানে ছয় সেনা কর্মকর্তাসহ একটি হেলিকপ্টার নিখোঁজ হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন জেনারেল ছিলেন। পাকিস্তানের দক্ষিণপশ্চিম অংশে তারা সেনাবাহিনী কর্তৃক বন্যাত্রাণ অপারেশনের তদারকি করছিলেন তারা।

জানা গেছে, আবহাওয়া খারাপ ছিল। সেনা অফিসারদের নিয়ে যাওয়া হেলিকপ্টারের সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। 

সেনার পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বালুচিস্তানের লাসবেলা এলাকায় সেনার জওয়ানরা যে বন্যাত্রাণে নেমেছেন, তা দেখার জন্য অফিসাররা হেলিকপ্টারে সেখানে গেছিলেন। কিন্তু হেলিকপ্টারের কী হয়েছে, তা বিবৃতিতে জানানো হয়নি।

সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, কোর কম্যান্ডার সরফরাজ আলি, পাকিস্তান কোস্ট গার্ডের ডিরেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার আমজাদ হানিফ ও দু’জন গোয়েন্দা অফিসার হেলিকপ্টারে ছিলেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ শুরু হওয়ার পর হেলিকপ্টারটি আর দেখতে পাওয়া যায়নি।

খারাপ আবহাওয়ার জন্য উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে তা আবার শুরু হয়।

পাকিস্তানে ভয়ংকর বৃষ্টির পর প্রবল বন্যা হয়েছে। সেনাকে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে লাগানো হয়েছে। বালুচিস্তানে প্রচুর মানুষ মারা গেছেন এবং অনেক ঘরবাড়ি ভেসে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই সংকটজনক। সোমবার তিনি দুর্গত অঞ্চল ঘুরে দেখেছেন। শরীফ বলেছেন, পুরো দেশ বন্যাদুর্গত ও তাদের সাহায্যকারীদের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতে পাকিস্তানে আরও বৃষ্টি হবে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। সূত্র: ডয়েচে ভেলে, এপি, এএফপি, রয়টার্সট্রিবিউন পিকে


আরও খবর



দায়িত্ব অবহেলায় বিমানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল ঃ

যার দায়িত্ব সে দায়িত্ব পালন না করে অন্যকে দিয়ে সেই কাজ করানোর কারণে হ্যাঙ্গার ও পার্কিং বেতে বাংলাদেশ বিমানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।  বলে জানিয়েছেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।  

নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব নেয়ার পর আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে বিমানকে পার্কিং বে তে নিয়ে আসার জন্য পুশাকটের নির্দেশনা একজন সুইপার করছিলেন। যারা দায়িত্ব পালন করেননি তাদের সবাইকে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, তার লক্ষ্য বিমানের বার্ষিক আয় ৭০০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নিত করা।

দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের গাফিলতিতেই একের পর এক এয়ারক্রাফটে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বিমানবন্দরে। স্বীকার করলেন খোদ বিমান এমডি ই। বলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত যে কটি ঘটনা ঘটেছে সবগুলোতেই দোষী সবাইকেই বরখাস্ত করা হয়েছে। এসময় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমানের লাভ করা উচিত ছিলো জানিয়ে বিমান এমডি বলেন, চলতি বছর স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি লাভের মুখ দেখবে সংস্থাটি।

কখনো হ্যাঙ্গারে, কখনো থেমে থাকা এয়ারক্রাফটে, শেষ ৫ মাসে ৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে শাহজালাল বিমানবন্দরে। সবশেষ গত ৩ জুলাই রাতে বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে সংঘর্ষ ঘটে দুটি বোয়িং বিমানের মধ্যে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, বার বার এমন ঘটনা কি নিছক ই দুর্ঘটনা নাকি ইচ্ছাকৃত অবহেলা, তা নিয়ে।

এবার এই ইস্যুতে বেশ খোলামেলা বিমানের নতুন এমডি। বলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরাসরি দায়ী করলেন, দুর্ঘটনার সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের। দোষী সবাইকেই বহিস্কার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দক্ষ জনবলের অভাবে ভুগছে বিমান।

সংবাদ সম্মেলনে বিমানবন্দরের লাগেজ ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, সেবার নিম্ন মান, আর ধারাবাহিক লোকসানের অভিযোগ স্বীকার করেন বিমান এমডি। এসময় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাভের মুখ দেখতে না পারার ব্যর্থতা মেনে নিয়ে সংস্থাটির দাবি, চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ অর্থ উপার্জন করবে বিমান।

বিমানে যার যে কাজ করার কথা, এর আগে কেউ তা করেনি। পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা ছিলো বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানায় সংস্থাটি।


আরও খবর

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস

মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২