Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

স্কুল প্রতিষ্ঠা ফেদায়ে মিল্লাতের ভাবনা ছিল

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আমিনুল ইসলাম কাসেমী, শিক্ষক ও গবেষক :

ফেদায়ে মিল্লাত সাইয়্যেদ আসআদ মাদানী রহ, এর পরিকল্পনা ছিল মাদ্রাসার পাশাপাশি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা। খৃষ্টান মিশনারীর মোকাবেলায় তিনি ইসলামিক স্কুল, সেবামুলক প্রতিষ্ঠান, কারিগরী শিক্ষা,  ইসলামী ব্যাংকিং পদ্ধতি, এভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তিনি গড়ে তুলে ছিলেন। 

ঢাকাতে যতবারই আমি হযরতকে দেখেছি, তিনি মাদ্রাসার পাশাপাশি স্কুলের প্রতি গুরুত্বারোপ করতেন। সকলকে উদ্বুদ্ধ করতেন স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজে। মালিবাগ জামেয়া শারইয়্যাহ এর প্রোগ্রামে ফেদায়ে মিল্লাত তাঁর বক্তৃতায় বহুবার বলেছেন  স্কুল প্রতিষ্ঠার কথা। মানুষকে দ্বীন মুখি করার জন্য তিনি নতুন কৌশল হিসেবে স্কুল প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবী। যুগের চাহিদা।

মাদ্রাসাতে কিন্তু সব শ্রেণীর মানুষ ভর্তি হয়না। সব পরিবারের ছেলে-মেয়ে মাদ্রাসাতে পড়েনা। কিন্তু বর্তমানে স্কুল কলেজের যে অবস্হা, তাতে বৃহৎ এক জনগোষ্ঠী  দ্বীন থেকে মাহরুম হচ্ছে।  এবং তারা ধাবিত হচ্ছে গোমরাহীর দিকে। দিনে   দিনে তারা ঈমানহারা হচ্ছে। ইসলাম বিদ্বেষী হয়ে যাচ্ছে। অথচ তারা কিন্তু  মুসলমান।  তাদের ধর্ম ইসলাম।

ফেদায়ে মিল্লাত সাইয়্যেদ আসআদ মাদানী রহ,  একজন চিন্তাশীল এবং উঁচুমানের বুজুর্গ ব্যক্তিত্ব ছিলেন।  হুবহু পিতা কুতুবুল আলম  সাইয়্যেদ হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ, এর নঁকশে কদমে পা রেখে চলে ছিলেন। পিতার মত ব্যাপক চিন্তা- চেতনা সারা জীবন লালন করতেন তিনি।   তাই তো হযরত আসআদ মাদানী রহ, তাঁর জীবদ্দশায়  বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তুলেছিলেন। নানা খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেন। যেখানে যেতেন, সেখানে তিনি মানুষকে দ্বীনি খেদমতে আত্মনিয়োগ করার পরামর্শ দিতেন সব সময়।

মাদানী পরিবারটা ছিল ইতিহাসের দেদীপ্যমান এক মশাল। যারা শত শত বছর ধরে দ্যুতি ছড়িয়েছেন। বিশ্ববাসীকে বহু উপহার তাঁরা দিয়েছে। বিশেষ করে  মজলুম জাতির মুক্তি কামনায় তাঁদের সংগ্রাম অপরিসীম।  ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে।  একশত নব্বই বছর ধরে গেঁড়ে বসা ব্রিটিশকে নাস্তানাবুদ করে দিয়েছিল এই মাদানী পরিবারের  মহান ব্যক্তি। সে জন্য অতুলনীয় চিন্তা - চেতনা তাঁদের। তাঁদের চিন্তা- ভাবনার সাথে হয়ত অনেকে  বুঝতে সক্ষম হয়নি। কেউ কেউ ভুলও বুঝেছেন। কিন্তু শেষমেষ মাদানী ফর্মুলা শ্রেয় সেটা প্রমাণ হয়েছে।

সাইয়্যেদ আসআদ মাদানী রহ, এর চিন্তা- চেতনা, তাঁর ফর্মুলা শ্রদ্ধেয় পিতার বাতলানো নীতি অনুযায়ী। তিনি যেসব কর্মকান্ড পরিচালনা  করেছিলেন, সবই ছিল সাইয়্যেদ হুসাইন আহমাদ মাদানীর  দেখানো পথ। 

তিনি যে স্কুল প্রতিষ্ঠার চিন্তা করেছিলেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন জায়গাতে স্কুল  প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়েছেন। এগুলো অত্যান্ত সময়পোযোগী সিদ্ধান্ত ছিল। মানব কল্যাণে তাঁর যথার্থ উদ্যোগ। কেননা, জেনারেল লাইনের মানুষগুলোকে দ্বীন মুখি করার যথাযথ প্রয়াস। আর সেই ভাবনায় বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেটা এখন বিশ্বব্যাপি সমাদৃত।   আলেম- উলামাসহ লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয় কেড়ে নিয়েছে। 

বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করা সকলের জন্য অপরিহার্য। কয়টা পরিবারের ছেলে দ্বীন শিখতে যায়। কজন মাদ্রাসার গন্ডির ভিতর থাকার ইচ্ছে করে। সবই তো চলে যায় স্কুল- কলেজ- ভার্সিটিতে। সেখানে তারা যা ইচ্ছে তাই করে বেড়ায়।   অনেকে তো মাদ্রাসার কথা কানেই নিতে পারেন না।  কিন্তু তারা তো মুসলমান।  তাদের কে কি দ্বীনের পথে আনতে হবে না? 

আমাদের ছেলেরা আজ ডিসি হয়, এসপি হয়,  মন্ত্রী - এমপি হয়। কিন্তু তারা দ্বীন থেকে বহু দুরে। কোরআন হাদীসের কোন জ্ঞান তাদের নেই।  ইসলামী আদর্শ, ইসলামী তাহযীব তামাদ্দুনের সাথে কোন সম্পর্ক তাদের নেই। ইসলামী রীতি- নীতি সম্পর্কে তারা ওয়াকিফহাল নয়।  এমনকি ইসলামের প্রাথমিক বিষয়গুলো তাদের অজানা। 

আজ আমাদের সন্তানেরা বড় অফিসার হয় কিন্তু কোরআন পড়া জানেনা। বড় ডাক্তার - ইন্জিনিয়র,কিন্তু ইসলামী জ্ঞানে সে মুর্খ।  কোরআন সহী করে পড়ার যোগ্যতা থাকেনা।  কোন মাসয়ালা জানেনা। অথচ দুনিয়াবী ভুরি ভুরি ডিগ্রি তার আছে।

তাই ফেদায়ে মিল্লাতের মোবারক ভাবনা ছিল। এটা তাঁর গুরুত্বপুর্ণ নসীহত।  ইংরেজী শিক্ষিত মানুষগুলো যেন ইসলামের ব্যাপারে মুর্খ না হয়। তারা যেন ইসলামী জ্ঞান আহরণ করতে পারে। তার জন্য স্কুল গড়ে তুলুন।

আজকের ইকরা বাংলাদেশ স্কুল, যেটা ফেদায়ে মিল্লাতের  পরিকল্পনার ফসল।  বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেক জেলাতে এখন ইকরার শাখা। সবই আওলাদে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রুহানী তাওয়াজ্জুহ দ্বারা  দেশব্যাপি গড়ে উঠেছে।  আরো  দেশের বিভিন্ন জায়গাতে ওলামা - মাশায়েখদের প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠছে। 

দারুল উলুম দেওবন্দের বর্তমান সদরুল মুদাররিসীন, কুতুবুল আলম সাইয়্যেদ হুসাইন আহমদ মাদানীর মেঝো সাহেবজাদা, ফেদায়ে মিল্লাতের ভ্রাতা, সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী দামাতবারাকাতুহুম, তিনিও এখন আলেমদের স্কুল প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে উৎসাহিত করছেন। যেটা খুবই প্রসংসনীয়। 

বর্তমান প্রেক্ষাপটে  আলেম সমাজের আরো জোরদার ভুমিকা রাখা দরকার।  স্কুল প্রতিষ্ঠায়  এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যেরকম মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার কাজে এগিয়ে যাচ্ছি, স্কুল এর জন্য ঐ রকম   ভুমিকা রাখা জরুরী। 

বড় দুঃখ লাগে, আমাদের দেশের সাধারণ শিক্ষিত ভায়েরা যেভাবে দ্বীনের জ্ঞান থেকে মাহরুম হয়ে আছে, এটা যদি আমরা না করি, তাহলে আরো অধঃপতনে চলে যাবে তারা।   ভবিষ্যতে মুসলমান হিসেবে খুঁজে পাওয়া যাবেনা তাদের।  

এজন্য দেশের আলেম সমাজ স্কুল প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসুন।  মানুষকে গোমরাহী থেকে বাঁচান। স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যম মানুষকে দ্বীনি জ্ঞান দান করুন। 


আরও খবর



নওগাঁয় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নওগাঁয় ঝুলন্ত (গলায় ফাঁস দেওয়া) অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছেন থানা পুলিশ।

রবিবার সকালে নওগাঁর রাণীনগর 

উপজেলার চরকানাই গ্রামে নিজ বাড়ির শয়ন ঘরে আব্দুস সাত্তার (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পেয়ে রাণীনগর থানায় খবর দেন স্থানিয়রা। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট অন্তে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

আব্দুস সাত্তার চরকানাই গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। 

তার মৃত্যুর সঠিক কারন না জানাতে পারলেও সে আত্নহত্যা করেছে বলেই প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছেন নিহতের স্বজন সহ প্রতিবেশীরা।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

 জামালপুর প্রতিনিধি : বকশীগঞ্জ নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের উদ্যোগে ২০২৪ সালে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উর্ত্তীন্ন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধণা দেয়া হয়েছে শুক্রবার সকালে নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকে জমকালো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়

 সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের উপ সচিব মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন সভাপতিত্ব করেন নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের অন্যতম কর্নধার পঙ্গু হাসপাতালের (নিটোর) স্পাইন অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক ডা.রেজাউল করিম রেজা বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রীবরদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হাসান বিন রফিক, অর্থোপেডিক সার্জন ডা.মোহাম্মদ নাদের হোসেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আফছার আলী,বাট্টাজোর নগর মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ,কৃতি শিক্ষার্থী হৃদয় ইসলাম, তাসনিমা হাসনাইন,আবরার জাওয়াদ রাইয়ান তালুকদার,তাহমিদ হাসান,জান্নাতুল ফেরদৌসি, নিশাত তাসনিম ছোয়া, জান্নাতুল ফেরদৌসি মীম,আদিবা মুয়িম্মাহ নূর আফজা মোহনা

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ক্লিনিকের অন্যতম কর্নধার ইসলামী ব্যাংক বকশীগঞ্জ শাখা ব্যাবস্থাপক আনোয়ার হোসেন ফুয়াদ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট মেডিকেলের বই তুলে দেন অতিথিবৃন্দ


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গাজায় একদিনে ১১২ ফিলিস্তিকে হত্যা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন থামছেই না। সেখানে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১২ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরও ১৪৮ জন আহত হয়েছে। গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের তাণ্ডবে ৭৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে। সেখানে খাবার, পানি, ওষুধ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।

ইউএন অফিস ফর দ্য কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের (ইউএনওসিএইচএ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) অনুমান করছে যে, গাজার প্রায় ১২ লাখ শিশুর এখন মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সহায়তা প্রয়োজন।

গত কয়েক দিনের মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনীর সবচেয়ে মারাত্মক হামলার ঘটনা ঘটেছে গত বুধবার। খান ইউনিস এবং রাফাহের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বেসামরিক গাড়ি এবং একটি মালবাহী গাড়ি হামলার শিকার হয়। এতে শিশু সহ চারজন নিহত হয়।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজারের বেশিই শিশু। চার মাসেরও কম সময়ে এত সংখ্যক শিশুর প্রাণ গেলো অবরুদ্ধ এই উপত্যকায়।

এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাফা এলাকায়ও হামলার ঘোষণা দিয়েছেন। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতা ভুগছেন ১০ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি। এর আগে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে একটি আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।

উত্তর গাজার হামাদ স্কুলের কাছে কালো প্লাস্টিকের ব্যাগে অন্তত ৩০টি মরদেহ পাওয়া গেছে। তাদের হত্যার জন্য ইসরায়েলি বাহিনীকে দায়ী করেছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।

তাছাড়া গাজায় অব্যাহত হামলা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, শিগগির গাজায় যুদ্ধ বন্ধ না হলে আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে।


আরও খবর



১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আগামী পহেলা মার্চ সারা দেশে ১৬৩ টাকায় বোতলজাত তেল বিক্রি শুরু হবে যারা এর ব্যত্যয় করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান। বুধবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের নগরীর নিতাইগঞ্জে এক অভিযানে তিনি এ কথা বলেন।  

জনগণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে দ্রæত সময়ের মধ্যে ভোজ্য তেল বোতল ও প্যাকেট জাত করে সরবরাহ করা হবে জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন, আগামীতে শতভাগ তেল বোতল ও প্যাকেট জাত করা হবে। এতে দুই-তিন টাকা খরচ বাড়লেও কমবে মৃত্যু ঝুঁকি। কারণ ভোজ্য তেল ক্রয়-বিক্রয়ে অনিরাপদ ড্রাম ব্যবহার করা হয়। অস্বাস্থ্য তেল খাওয়ার পর মানুষের হার্ট অ্যাটাক হয়। এছাড়া  ড্রামে নানা ধরনের ক্যামিকেল থাকায় কিডনির ক্ষতি হয়। এ কারণে অল্পবয়সীরাও কিডনি রোগে ভুগছে। তাই জনগণের স্বাস্থ্য ঝুকি কমাতে সব ধরনের তেল বোতল ও প্যাকেট জাত করা হবে। 

আগামী কাল থেকে সারা দেশের ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করবে বলে জানান মহাপরিচালক। অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে দিন ব্যাপী ভোজ্যতেল ক্রয়-বিক্রয়ে অনিরাপদ ড্রাম ব্যবহার বন্ধে ব্যবসায়ীদের অংশ গ্রহনে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় নারায়ণগঞ্জে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বেড়েছে তালাক ও বিচ্ছেদের হার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

বর্তমানে শহর ও গ্রামে বিগত বছরের যেকোনো সময়ের চেয়ে তালাকের হারও বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। শুধু শহরে এমন ঘটনা ঘটছে বিষয়টি তা নয়, গ্রামেও বেড়েছে তালাকের হার। পাশাপাশি বিচ্ছেদের হারও বেড়েছে। বর্তমানে তালাকপ্রাপ্ত এর সংখ্যা হলো ৭.৪ শতাংশ। যা ২০২১ সালে ছিল ৬.৫ শতাংশ। ২০২১ সাল থেকে ২০২২ সালে বিচ্ছেদ বেড়েছে ৯৩ শতাংশ। আর তালাক ০.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১.৪ শতাংশে এসেছে ২০২৬ সাল থেকে ২০২২ সালে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২২ (এসভিআরএস) এ চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এটি সম্প্রতি ওয়াবসাইটে প্রকাশ করে সংস্থাটি।

এসভিআরএসে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উঠে এসছে, ২০২২ সালে বিগত বছরের তুলনায় তালাকের হার দ্বিগুণ হয়েছে। বছরে প্রতি হাজার জনসংখ্যায় তালাক হচ্ছে ১ দশমিক ৪ জনের। যা ২০২১ সালে প্রতি হাজার জনসংখ্যায় ছিল শূন্য দশমিক ৭ জন। পল্লি ও শহর উভয় এলাকায় এ বৃদ্ধির হার একই আদলে হয়েছে। দাম্পত্য বিচ্ছিন্নের হারও ২০২২ সালে বেড়েছে। প্রতি হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে শূন্য দশমিক ২৯ জনের দাম্পত্য বিচ্ছেত হচ্ছে যা ২০২১ সালে শূন্য দশমিক ১৩ জন।

বিবিএস বলছে, প্রতি হাজারে বিবাহের হার এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ দেখা গেছে। পল্লি অঞ্চলে বিবাহের হার শহরাঞ্চলের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। পল্লি অঞ্চলে হাজারে বিয়ের হার ১৯ দশমিক ৫ জন এবং শহরে ১৩ দশমিক ৮ জন। বৈবাহিক অবস্থার বিচারে জনসংখ্যার ৬৩ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ বর্তমানে বিবাহিত এবং ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ কখনো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হননি। অবশিষ্ট ৭ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ বিধবা বিপত্মীক ও তালাকপ্রাপ্ত। নারীদের মধ্যে বিধবা তালাকপ্রাপ্তার ভাগ তাদের পুরুষ সমকক্ষ অর্থাৎ বিপত্মীক বা তালাকপ্রাপ্তদের তুলনায় প্রায় ৭ গুণ বেশি, যথাক্রমে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ ও ১ দশমিক ৯ শতাংশ।

বিবিএস তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, সম্প্রতি বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রথম বিবাহের গড় বয়স কিছুটা নিম্নমুখী। পুরুষদের বিবাহের বয়স ২০১৮ সালে ছিল ২৪ দশমিক ৪ বছর যা ২০২২ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ২৪ বছরে। পক্ষান্তরে, নারীদের বিবাহের গড় বয়স ২০১৮ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৬ বছর, যা ২০২২ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৪ বছরে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিশোরীদের জন্য অপ্রাপ্ত বয়স্ক/বাল্যবিবাহ একটি উদ্বেগের বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে। কেননা ১৫ বছরের পূর্বে এবং ১৮ বছরের পূর্বে বিবাহের হারে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ১৫ বছরের পূর্বে বিবাহ ২০২২ সালে বেড়ে হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। যা ২০১৮ সালে ছিল ৪.৬ শতাংশ। ১৮ বছরের আগে নারীদের বিবাহের হার ২০২২ সালে ৪০ দশমিক ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা ২০১৮ সালে ৩০ শতাংশ ছিল। অর্থাৎ প্রতি বছর গড়ে ২ দশমিক ১৮ শতাংশ পয়েন্ট করে বেড়েছে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪