Logo
শিরোনাম

স্মার্টফোন আসক্তিতে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :   করোনাভাইরাসের ধকল কাটিয়ে সশরীরে ক্লাসে ফিরেছে অনেক আগেই। নিয়মিত ক্লাস করছে, পরীক্ষাও দিচ্ছে। কিন্তু করোনাকালীন ক্লাস-পরীক্ষা চলেছে অনলাইনে। এই সময়ে স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ ছিল তাদের সঙ্গী। এখন এই সঙ্গীই সর্বনাশের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। গেল অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় মিলেছে এর প্রমাণ। শিক্ষার্থীরা আশঙ্কাজনক হারে খারাপ করেছে। দ্বিগুণ হয়েছে ফেল করা শিক্ষার্থী।

রাজধানীর প্রথম সারির কয়েকটি স্কুলের অর্ধবার্ষিক বা অর্ধসাময়িক পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশি ফেল করা বিষয়ের তালিকায় গণিত, ইংরেজি, বাংলা, বিজ্ঞান ও ধর্মশিক্ষা। ক্লাস অনুযায়ী ফেলের হার ৭০-৯৫ শতাংশ পর্যন্ত।

ক্লাস শিক্ষকরা বলছেন, করোনায় দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা হাতের লেখায় অনেক পিছিয়ে গেছে। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে পারছে না। নবম শ্রেণিতে বিশেষ বিষয়ের ওপর জ্ঞানের মাত্রা অনেক কম। সে কারণে ফেলের হার বেড়ে গেছে।

হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রী জানায়, বিজ্ঞান বিভাগে তাদের ৬০ জন ছাত্রী রয়েছে। অর্ধসাময়িক পরীক্ষায় ৪২ জন ফেল করেছে। এক থেকে চার বিষয় পর্যন্ত কেউ কেউ ফেল করেছে। তার মধ্যে উচ্চতর গণিত, বিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞানে ফেল বেশি। তবে ফেল করা অনেক মেয়ে ক্লাস শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেটে পড়ে। স্যারদের কোচিংয়ে পড়েও তারা ফেল করেছে। বিজ্ঞানের বিষয়গুলো অনেক কঠিন মনে হচ্ছে। গণিতের অনেক সূত্র ভুলে গেছি। সেগুলো নতুন করে মুখস্ত করতে হচ্ছে। একটি অধ্যায়ে স্যাররা একটি অংক করিয়ে বাকিগুলো আমাদের করতে বলেন। সেগুলো একার পক্ষে সমাধান করতে পারছি না। স্যারকে বললে ভালো করে আর বেঝাতে চান না।

আবার ক্লাস শিক্ষক বলছেন, বাড়িতে কাজ দিলে সেটি ক্লাসে করতে পারছে না। দীর্ঘদিন বাড়িতে বসে থাকায় হাতের লেখায় তারা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত বই পড়লেও গত দুই বছর লেখার প্র্যাকটিস কম করেছে বলে পরীক্ষায় তারা খারাপ করছে। এটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবু সাঈদ ভূইয়া বলেন, করোনার ক্ষতি এখনো আমাদের শিক্ষার্থীরা ধকল কাটিয়ে ওঠেনি। স্কুল বন্ধ থাকায় তাদের অনেক শিখন ঘাটতি হয়েছে। তবে করোনার মধ্যে আমরা প্রথম ও নিয়মিত অনলাইন ক্লাস শুরু করি। সে কারণে অনেকে পড়ালেখায় এগিয়ে থাকলেও হাতের লেখার গতি ও সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার অভ্যাস ভুলতে বসেছে। অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে সবাই যুক্ত হতে না পারায় খুব বেশি সহায়ক হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিক আহসান বলেন, করোনায় আমাদের শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পোষাতে চলমান বাড়তি ক্লাস নেওয়া বা বাড়তি মনিটরিং পর্যাপ্ত নয়। শিক্ষার্থীরা ক্ল্যাসিকাল সাবজেক্টের একটি লেভেল বা লেয়ার অতিক্রম করতে পেছনের জ্ঞানগুলো বুঝতে না পারলে পরের স্তরে সমস্যা হয়। তার মধ্যে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয় রয়েছে। এগুলোর শিখন ঘাটতি কাটাতে আরও বেশ কিছু কার্যকর প্রোগ্রাম দরকার। প্রতিবেশী শিক্ষার্থীর মধ্যে লার্নার গ্রুপ তৈরি করে ক্লাসরুমের বাইরেও কিছু কার্যক্রমে যুক্ত করা যায়। এর মাধ্যমে অন্যদের কাছে শেখার সুযোগ তৈরি হবে। শুধু ক্লাসরুমে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে না। অ্যাসাইনমেন্টগুলো আরও চিন্তা-ভাবনা করে প্রজেক্টভিত্তিক করে তুলতে হবে। যেন শিক্ষার্থীরা ক্লাসের বাইরে, বাড়িতে ও অবসরে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তার সমস্যার সমাধান করতে পারে। 


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




ইটনায় আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোজাহিদ সরকার, কিশোরগঞ্জ :

কিশোরগঞ্জের ইটনায় আসন্ন ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে উপজেলার সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

০৪ অক্টোবর সকাল ১১টায় ইটনা মহামান্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অডিটরিয়াম হল রুমে এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

উক্ত মতবিনিময় সভায় ইটনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ জিল্লুর রহমান। 

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোঃ জিল্লুর রহমান বক্তব্যে বলেন, আমি আপনাদের হাওরের সন্তান, দায়িত্ব পাওয়ার পর চেষ্টা করেছি কাজ করার কিন্ত এখনও অনেক কাজ বাকি। আপনাদের কাছে ভোট প্রত্যাশা করে বলতে চাই, আর একবার সুযোগ পেলে বাকি কাজ গুলো শেষ করতে চাই। আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে ১৭ তারিখ জয় যুক্ত করবেন। 

চৌধুরী কামরুল হাসান বক্তব্যে বলেন, কিশোরগঞ্জ হাওরের উন্নয়ন অবদানের অংশীদার হিসেবে অ্যাডভোকেট মোঃ জিল্লুর রহমান নাম রয়েছে। তিনি সৎ যোগ্য ব্যক্তি আশা করি আসছে ১৭ তারিখ বিপুল ভোটে চশমা মার্কার জয় হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে অ্যাডভোকেট মোঃ জিল্লুর রহমান কে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে অনুরোধ করেন। 

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক বৃন্দ। আসন্ন ১৭ তারিখ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ মনোনীত প্রার্থী ও চশমা মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। 

জেলা পরিষদ নির্বাচনের মতবিনিময় সভা পরিচালনায় ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ জিল্লুর রহমান।


আরও খবর



ডেঙ্গু আক্রান্তের রেকর্ড

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৩৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। সব মিলিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৬০ জনে। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

মঙ্গলবার সারা দেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ৩১৫ জন ঢাকার বাসিন্দা। ঢাকার বাইরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২৩ জন। সবমিলিয়ে বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন এক হাজার ১৯১ জন।

আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি আছেন ৩৬৯ জন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ জনে।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২ হাজার ৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১০ হাজার ৪০২ জন।


আরও খবর

ভয়াবহ হচ্ছে ডেঙ্গু

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২

করোনা টিকার মেয়াদ বাড়ল তিন দিন

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




বিএনপির আন্দোলন মানেই নৈরাজ্য সৃষ্টি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলন মানেই সন্ত্রাস সৃষ্টির উস্কানি ও রাজপথ দখলের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির এই চিরায়ত আচরণ দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে সর্বদা বাধাগ্রস্ত করেছে। বৈশ্বিক সংকটে জনগণের পাশে না থেকে বরং তারা দেশ ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত আছে।

তিনি বলেন, বিরাজমান বৈশ্বিক সঙ্কটকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাতের চক্রান্ত চালাচ্ছে বিএনপি। একই সাথে সঙ্কটকে পুঁজি করে সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে তারা আরও দেশবিরোধী ও গণবিরোধী হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি বিএনপির অন্তর্নিহিত ফ্যাসিস্ট চরিত্র জনগণের সামনে ফুটে উঠছে এবং তারা যে কোন উপায়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা করছে। আর সরকারের পদত্যাগের জনবিচ্ছিন্ন দাবি করে যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীকে মাঠে নামিয়েছে। আন্দোলনের নামে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরাবরের মতো জনগণের জানমালের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

 ‘সরকার বিরোধী দল দমন করছে’ বিএনপি এমন অভিযোগের আড়ালে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে। দেশের যে সকল জায়গায় তারা সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাচ্ছে সে সকল এলাকায় আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ বিরোধী মতকে দমনে বিশ্বাস করে না। কারণ আওয়ামী লীগ মনে করে রাজনীতি ও ক্ষমতার একমাত্র উৎস হলো দেশের জনগণ। তাই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষা করা সরকারের অপরিহার্য কর্তব্য।

বিএনপিকে সন্ত্রাস নির্ভরতা ত্যাগ করে প্রকৃত গণতান্ত্রিক পথে আন্দোলন করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে কাউকে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে জনমনে ভীতি সঞ্চার ও ক্ষতিকর কার্যকলাপ সংঘটন করতে দেওয়া হবে না।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সুদক্ষ ব্যবস্থাপনায় সকল ধরনের সংকট মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের উপর আস্থা রাখে। এই সংকট মোকাবিলায় শেখ হাসিনার সরকার জনগণের প্রতি যে সকল আহ্বান জানিয়েছে জনগণ তাতে সাড়া দিয়েছে।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স:

এক্সরে মেশিন ২ বছর বাক্সবন্দি:প্যাথলজিস্ট নেই ৭ বছর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ,  নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ বছর ধরে অচল এক্সরে মেশিন। ৭ বছর ধরে নেই প্যাথলজিষ্ট (মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব)। গুরুত্বপূর্ন এ টেকনোলজিষ্ট না থাকায় সেবা বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।  

জানাগেছে, এ উপজেলায় ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৫ লক্ষ মানুষের বসবাস। সরকারিভাবে স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দ্বারপ্রান্তে পৌছে দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বিনামূল্যে ওষুধপত্রসহ বিভিন্ন বরাদ্দ, থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবল সংকট, টেকনিক্যাল যন্ত্রাংশ অকেজোর কারনে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। হাসপাতালের সামনে গড়ে উঠেছে একাধিক প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান ডায়াগনষ্টিক সেন্টার সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা নিরিক্ষার জন্য পাঠাচ্ছেন রোগীদের।


হাসপাতালে গিয়ে এক্সরে ও পরীক্ষা-নিরিক্ষা না পেয়ে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বেশী অর্থ খরচ করে পরীক্ষা করাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে রোগীদের। নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ ব্যায় বহুল অর্থের জোগান দিতে না পেরে অনেকেই করাতে পারছে না পরীক্ষা-নিরিক্ষা। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি বরাদ্দে ব্যায় বহুল অর্থের এক্সরে মেশিনটি রুম সংকটের কারনে দীর্ঘদিন ব্যবহার হচ্ছে না। যদিও এ পদে শফিকুল ইসলাম মিঠু নামে একজন কর্মরত থাকলেও আসছে কোন কাজে।

 ২০১৫ সালের পর থেকে অধ্যবদি পর্যন্ত প্যাথলজিষ্ট (মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব) পদটি শূন্য থাকায় বন্ধ রয়েছে পরীক্ষা নিরিক্ষা। ২০২০ সালে এ পদে একজন যোগদান করলেও ৬ মাস যেতে না যেতেই অন্যত্র চলে যায়।

এ সর্ম্পকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শর্মী রায় বলেন, তিনি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পূর্ব থেকেই এক্সরে মেশিনটি অচল। যে রুমে মেশিনটি ছিলো সে রুমে পানি পরার কারনে সরিয়ে আনা হয়েছে। নতুন রুমের বরাদ্দের জন্য ইতোমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এসে পরিমাপ করেছেন। রুম  নির্মাণ হলেই সচল হবে এক্সরে মেশিনটি। প্যাথলজিষ্ট পদটি দীর্ঘদিন শূন্য থাকার বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। 


আরও খবর



কু‌মিল্লা বরুড়ার ৮৮‌টি মন্ড‌পে আর্থিক অনুদান‌ বিতরণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ঃ

কু‌মিল্লা বরুড়ার ঐতিহ‌্যবাহী নর‌সিংহ‌দেব ও জগন্নাথ দেব কেন্দ্রীয় ম‌ন্দি‌রে অনুদান বিতরণ ক‌রেন অনুষ্ঠা‌নের প্রধান অ‌তি‌থি বরুড়‌া উপ‌জেলা জনকল‌্যাণ সভাপ‌তি ও‌ যোগা‌যোগ মন্ত্রণাল‌য়ের যুগ্ন স‌চিব প্রশাসন বাবু মনীন্দ্র কি‌শোর মজুমদার।                  শুক্রবার দুপু‌রে এস কিউ ফাউন্ডেশ‌নের সদস‌্য স‌চিব মোঃ তোফা‌য়েল হো‌সে‌নের সভাপ‌তি‌ত্বে অনু‌ষ্ঠিত আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠা‌নে বক্তব‌্য রা‌খেন বরুড়া জনকল‌্যাণ স‌মি‌তির সাধারণ সম্পাদক আবদুস ছামাদ, সা‌বেক মেয়র বাহাদুরউজ্জামান  বাহাদুর।                      এস‌ কিউ গ্রুপ ও এস কিউ ফাউন্ডেশ‌নের চেয়ারম‌্যান এ জেড এম শ‌ফিউদ্দিন শামী‌মের আর্থিক সহায়তায় ৮৮‌টি ম‌ন্দি‌রের পু‌জোমন্ড‌বে অনুদান প্রদান করা হয়।         অনুষ্ঠা‌নে বরুড়ার সনাতন ধর্ম‌লম্বী নেতৃবৃন্দরাসহ স্থানীয় পু‌জোমন্ড‌পের সভাপ‌তি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দরা উপ‌স্থিত‌ ছি‌লেন।


আরও খবর