Logo
শিরোনাম

সংকটে ভেঙে পড়লে চলবেনা

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী 

সারা পৃথিবীতে যখন জ্বালানি সংকট চলছে তখন এর প্রভাব আমাদের দেশেও এসে পড়েছে | তবে যে কোনো সংকটে ভেঙে পড়লে চলবেনা বরং সংকট মোকাবেলার জন্য আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে হবে | পৃথিবীতে সবকিছুর বিকল্প থাকে | সে বিকল্পগুলো আমাদের খুঁজে বের করতে হবে | এখন প্রশ্ন হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা পৃথিবীর মতো জ্বালানি সংকটে যে আমরা পড়েছি সেখান থেকে উত্তোরণের কি কি বিকল্প পন্থা আছে | আমরা কিভাবে খুব সহজে সেই  বিকল্পগুলো  ব্যবহার করতে পারি কিংবা সেগুলো নিজেরাই তৈরী করতে পারি | মূল কথা হচ্ছে জ্বালানি সংকটকে সমস্যা না ভেবে  আমরা নিজেরাই জ্বালানি সংকটের কারণে যে সমস্যাগুলো হচ্ছে সে সমস্যাগুলো দূরীভূত করতে পারি | এর জন্য খুব শিক্ষিত হওয়া বা টেকনিকাল জ্ঞান থাকারও দরকার নেই তবে দেশে এই ধরণের কমার্শিয়াল প্লান্ট দ্রুত তৈরী করার জন্য টেকনিক্যাল বা বিশেষজ্ঞের জ্ঞান থাকলে খুব কার্যকর এটি হতে পারে   |  বিকল্পগুলো কিভাবে আমরা নিজেরা  আমাদের দেশীয় ও  সহজলভ্য কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করতে পারি সে সমন্ধে খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে ও দক্ষতাও অর্জন করতে হবে | সব ধরণের সতর্কতা মেনেই  এগুলোতে নিজেকে যুক্ত করা যেতে পারে ও পরিচিত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নিতে হবে | এর সাথে এই ধরণের প্লান্ট করার সাথে সাথে বাই-প্রডাক্ট হিসেবে জ্বালানিগুন সমৃদ্ধ গ্যাস সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে | তবে এই ধরণের প্লান্টগুলো থেকে ডিজেল বা এই জাতীয় জ্বালানিগুলো কিভাবে বের করে এনে বিদেশের উপর নির্ভরতা কমানো যায় তা নিয়ে গবেষণাকেও প্রাধান্য দিতে হবে | মোট কথা এগুলোর বাণিজ্যিক রূপান্তর ঘটিয়ে আমাদের সব ধরণের জ্বালানি চাহিদা ও সংকটকে মোকাবেলা করতে হবে | 

যেমন:  

১. খুব সহজে পাইরোলাইসিস পদ্ধতি অনুসরণ পূর্বক আমরা ওয়েস্টেজ প্লাষ্টিক থেকে  পেট্রোল  জাতীয় জ্বালানি  তৈরী করতে পারি | এখন জানা দরকার পদ্ধতিটি আসলে কি ও কিভাবে আমরা সহজে পদ্ধতিটি তৈরী করে জ্বালানি সংকটের স্বল্প বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান করতে পারি |  তবে তৈরীকৃত পেট্রোলের গুণগত মানের বিষয়টিও বিবেচনায় আনতে হবে ও সতর্কতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে | খুব পরিকল্পিত পদ্ধতি অনুসরণ পূর্বক এই জাতীয় ছোট ছোট প্লান্টও খুব দ্রুততর সময়ে করা সম্ভব | নিচের কয়েকটি লিংক থেকে এই পদ্ধতি সমন্ধে আমরা ধারণা পেতে পারি তবে সেটি তৈরী করা বা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাবধানতা ও দক্ষতা অর্জন খুব গুরুত্বপূর্ণ | কম বিনিয়োগে শিল্প  উদ্যোক্তা তৈরিতে এই শিল্পটি কাযর্কর ভূমিকা রাখতে পারে |   ..........চলবে    


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




মোল্লাহাটে রিজিক মিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট মোল্লাহাট চ্যাম্পিয়ন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে রিজিক মিয়া চার দলিয় ফুটবল টুর্নামেন্ট -২০২২ এ মোল্লাহাট ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। টুর্নামেন্টে বড়বাড়িয়া ফুটবল দলকে টাইব্রেকারে  ১-৩ গোলের ব্যাবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় মোল্লাহাট ফুটবল দল।

উপজেলা যুবলীগ নেতা ফজলে এলাহী লেবিন ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আশিকুল আলম তন্ময়’র উদ্যাগে উপজেলার কেআর কলেজ মাঠে বুধবার দিনব্যাপি এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ওয়াহিদ হোসেন, এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) অনিন্দ্য মন্ডল, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম রেজা, থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ, অধ্যক্ষ এল জাকির হোসেন, প্রেসক্লাব মোল্লাহাটের সাধারণ সম্পাদক এম এম মফিজুর রহমান ও জৈষ্ঠ সহ-সভাপতি শরীফ মাসুদুল করিম, ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) শহিদুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল্লাহীল কাফি প্রমূখ। খেলা পরিচালানা করেন তুষার খান।


আরও খবর

নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেট

রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2

নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেট

শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২




কাবুলে খুলল ৫ বালিকা বিদ্যালয়

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলের পাকতিয়া প্রদেশে সরকারি পাঁচটি বালিকা বিদ্যালয়ে পুনরায় পাঠদান শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রাদেশটির এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আফগানিস্তানের শত শত নারী শিক্ষার্থীর পুনরায় পাঠদান শুরুর দাবির মুখে মেয়েদের জন্য এই পাঁচটি স্কুলের পাঠদান আবার শুরু হয়েছে।প্রদেশের গারদেজ এলাকার শাসগার উচ্চবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওয়ালি বলেন, ওই স্কুলে আনুমানিক ৩০০ জন শিক্ষার্থী আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরেছেন। তবে, আফগানিস্তানে নারীদের জন্য স্কুল খুলে দেয়া নিয়ে তালেবান সরকারের নীতিতে এখনো কোনো পরিবর্তন আসেনি। মেয়েদের খুলে দেয়া পাঁচ মধ্যে চারটি পাকতিয়া প্রদেশের রাজধানী গারদেজে অবস্থিত। অরেকটির অবস্থান সামকানি শহরে। 


আরও খবর

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




বিবিসিকে প্রধানমন্ত্রী

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংগ্রাম করছি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে বিবিসিকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি নিজে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন। বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছিল শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের শাসনামলে।

বিবিসি সাংবাদিক লরা কুনেসবার্গের আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে তার সরকারের প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন প্রতিষ্ঠার জন্যই আমার সংগ্রাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুমের বিষয়ে অনেকেই অভিযোগ করতে পারেন, কিন্তু তা কতটা সত্য তা বিচার করতে হবে। এটা জানার আগে কেউ কোনো মন্তব্য করবেন না।

প্রধানমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন, তার দেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, প্রকাশ্যে বা গোপনে সামরিক শাসক ছিলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে আমার বাবাকে (জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) হত্যা করা হয়। তিনি তখন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং আপনি জানেন যে আমার পুরো পরিবার, আমার মা, আমার তিন ভাই, দুই ভাতৃবধু, পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ মোট ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তারপর থেকে ২১ বছর ধরে, যে দেশটি বারবার অভ্যুত্থান প্রত্যক্ষ করেছে। তিনি যোগ করেন যে প্রায় ২০ বার অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছে এবং প্রতিবার রক্তপাত হয়েছে।

শেখ হসিনা বলেন, সেখানে গণতন্ত্র ছিল না, গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না, তাই আমি আমার দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছি।

বিবিসিকে বলেন, সামরিক শাসকরা দীর্ঘদিন ধরে দেশ শাসন করেছে এবং তারা দল গঠন করেছে এবং ভোটের জন্য তারা কখনো জনগণের কাছে যায়নি।তারা সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করেছে, প্রশাসনকে ব্যবহার করেছে এবং ক্ষমতায় থাকার জন্য সবকিছু ব্যবহার করেছে।

নিখোঁজের অভিযোগের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিবিসি সাংবাদিককে প্রশ্ন করেন, আপনার দেশে এবং অন্যান্য দেশে কত লোক নিখোঁজ হয়েছে? আপনি বিচার করতে পারেন। এই সমস্ত বিষয় আমি মনে করি, প্রথমে আপনাকে বিবেচনায় নিতে হবে। সমস্ত তথ্য আপনার সংগ্রহ করা উচিত, তারপর আপনি অভিযুক্ত করতে পারেন।

আপনার এবং বাংলাদেশের কাছে কমনওয়েলথের গুরুত্ব কতটা, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই এর মূল্য অনেক বেশি, যখন আমরা একসাথে থাকি, সেখানে অনেক সুযোগ থাকে, তাই, এটা ভালো এবং গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমাদের একটা জায়গা আছে যেখানে আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করতে পারি। কিছু ধারণা গ্রহণ করতে পারি বা দেশ বা জনগণের জন্য কিছু ভাল কাজ করতে পারি। তাই, আমার মনে হয় এটা ভালো।

তিনি বলেন, বর্তমানে, আপনি দেখতে পাচ্ছেন, যে একটি দেশ একা চলতে পারে না। কারণ, এটি একটি আন্তঃনির্ভর বিশ্ব। সুতরাং, এই পরিস্থিতিতে সদস্য দেশগুলোর জন্য কমনওয়েলথের অর্থ অনেক বড়। প্রতিটি দেশ একসাথে কাজ করতে পারে-কারণ, অনেক দেশ আছে উন্নত দেশ, উন্নয়নশীল দেশ এবং দরিদ্র দেশ, ছোট দ্বীপ দেশ।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে ব্যক্তিগত স্মৃতি নিয়ে, তিনি বলেন, এটি ১৯৬১ সালে যখন তিনি (রানি) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সফর করেছিলেন এবং তিনি তাকে ব্যক্তিগতভাবে প্রথমবার দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।

তিনি বলেন, তখন আমরা খুব ছোট এবং আমার বাবার অফিসে গিয়েছিলাম। কারণ, আমরা জানতাম যে তিনি সেই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাই, আমরা পুরো পরিবার দূরবীন নিয়ে জানালায় অপেক্ষা করেছি। ফলে, আমরা তাকে আরও স্পষ্টভাবে দেখতে পেয়েছি।

তিনি যোগ করেন যে যখন প্রধানমন্ত্রী হন, তিনি প্রতিটি কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে রানির সাথে দেখা করেছেন।

আমি প্রায় সাতটি কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছি। প্রতিবারই আমি তার সাথে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। প্রয়াত রানির আমন্ত্রণে তিনি অলিম্পিক গেমসে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বলে তারা দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের সাথে আলাপ আলোচনা করেছেন।

প্রয়াত রানির সঙ্গে সুন্দর স্মৃতির কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,তার (রাণী) চমৎকার স্মৃতিশক্তি ছিল এবং তিনি আমাকে না দেখলে হাসিনা কোথায় ছিলেন বলতেন।

যুক্তরাজ্যের একজন রাণী ছিলেন এতে কোনো সন্দেহ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, রানি কমনওয়েলথেরও একজন নেতা। কমনওয়েলথ দেশগুলোর একজন সদস্য হিসেবে তিনি আমাদের কাছে অনেক মূল্যবান ছিলেন।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




পঁচা মহিষের মাংস হোটেল-রেস্তোরাঁয়

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  রাজধানীর বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় গরুর মাংসের নামে খাওয়ানো হচ্ছে ভারত থেকে আনা মানহীন ও পঁচা মহিষের মাংস। খাবার অযোগ্য এসব মাংস মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কম দামে তা পাওয়ায় ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন হোটেল- রেস্তোরাঁর মালিকরা। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউ মার্কেট, হাজারীবাগ, লালবাগ, নবাবগঞ্জ, জুরাইন, মোহাম্মদপুর, কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে দেদারসে।

রাজধানীর নিউ মার্কেট মাংসের বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানেও এসব মাংস বিক্রি হতে দেখা যায়। এ বাজারের এক ব্যবসায়ী পরিচয় গোপন রেখে বলেন, সাধারণত জবাই করা গরুর মাংস পিস পিস করে কেটে দোকানে ঝুলিয়ে রাখা হয়। কিন্তু ভারত থেকে আনা এসব মহিষের মাংস ঝুলিয়ে বিক্রি করা হয় না। প্যাকেট খুলে এরপর টুকরো করে কেটে বিভিন্ন হোটেলে-রেস্তোরাঁয় সরবরাহ করা হয়।

দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি ছিল। এখন তা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়েছে। দেশের শতকরা ৭০ ভাগ হোটেল-রেস্তোরাঁয় এখন ভারতীয় মহিষের মাংস বিক্রি হচ্ছে। ফ্রিজিং অবস্থায় মাংসগুলো আনা হয়।

রাজধানীর শনির আখড়ার সুর্য্যবানু রেস্তোরাঁয় শেফ বলেন, বাজারে গরু ও মহিষের তাজা মাংসের দাম অনেক বেশি। সে তুলনায় ভারত থেকে আনা মহিষের মাংসের দাম বেশ কম। মাংস কম টাকা দিয়ে কিনতে পারলে লাভ বেশি। এজন্য আমদানি করা মহিষের মাংস কেনা হয়। মানহীন হলেও ভালোভাবে মসলা দিয়ে রান্না করলে বুঝা যায় না এটা গরু নাকি মহিষের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে রয়েছে ফ্রিজিং করা ভারতীয় মহিষের মাংসের ডিপো। ডিপো থেকে ফ্রিজিং ভ্যানের মাধ্যমে মাংসগুলো চলে যায় জুরাইন, নিউ মার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তাদের এজেন্টদের কাছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ৭.৪ মিলিয়ন টন মাংসের চাহিদার বিপরীতে ৮.৪৪ মিলিয়ন টন মাংস উৎপাদন হয়। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি। এজন্য বৈধ অথবা অবৈধভাবে মাংস আনার বিপক্ষে খাত-সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বিদেশ থেকে মাংস আসলে প্রান্তিক খামারিরা তাদের উৎপাদিত পশুর দাম পাবেন না। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ধস নামার পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর হয়ে পড়বে।

সরকারি হিসেবে দেশে চাহিদার চেয়ে গরু-ছাগল বেশি আছে। সেক্ষেত্রে মাংস আমদানি করা হলে খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়বেন। এছাড়া অবৈধভাবে আমদানি করাও অপরাধ।


আরও খবর

শিগগিরই বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




মোরেলগঞ্জে পলিথিনের ছাপড়া ঘরে হাঁটু পানিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

এম. পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পলিথিনের ছাপড়া ঘরে হাঁটু পানিতে শিক্ষার্থীরা নিচ্ছেন পাঠদান। ঝুঁকিপূর্ন ভবনে দুর্ঘটনার আশংকায় ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি ক্রমান্বয়ে কমছে। স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি একটি সাইক্লোন-কাম স্কুল ভবন নির্মাণের।

রোববার সরেজমিনে দেখাগেছে, উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলের অজোপাড়াগায়ে চিংড়াখালী ইউনিয়নের সিংজোড় গ্রামে ১৪৪নং গাজী আজিজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৪৯ সালে স্থাপিত হয় এ বিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থী রয়েছে ৬৮ জন। ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেনীতে ক্লাশ চলছিলো মাঠের মধ্যে পলিথিন টাঙ্গানো ছাপড়া ঘরে হাঁটু পানিতে।  

একদিকে পূর্নিমার অতিরিক্ত জোয়ারের পানি। অস্থায়ী শ্রেণীকক্ষের ঘরে ছাত্র-ছাত্রীদের হাঁটু পানিতে ভিজে পাঠদান দিচ্ছেন শিক্ষকরা। মাঠের চারদিকে পানি থৈ থৈ করছে। তবুও থেমে নেই পাঠদান। বৈরি আবহাওয়াও মধ্যেও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি চোখে পড়ারমত। ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী সৈকত হাজরা, অরুন চন্দ্র মিন্ত্রী সহ একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, কবে হবে আমাদের বিদ্যালয়ের নতুন ভবন? এভাবে পানিতে ভিজে ক্লাশ করতে খুবই কষ্ট হয়। বড় স্যাররা আমাদের এ কষ্টের কথা কি জানতে পারবেন। এ রকম নানা প্রশ্ন তুললেন সংবাদকর্মীদের কাছে  কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।

ক্লাশে পাঠদানকারি শিক্ষক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এরকম দিনের পর দিন পার করছি। শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য নতুন ভবন দরকার।

১৯৯৫ সালে সরকারিভাবে ৪ কক্ষ বিশিষ্ট নতুন ভবন হলেও সে ভবনটি এখন ঝুঁকিপূর্ন। সম্প্রতি শ্রেণীকক্ষের পলেস্তরা খসে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন দুই শিক্ষার্থী। অভিভাবকরা আতংকে স্কুলে পাঠাতে চাচ্ছে না ছেলে মেয়েদের।


ছাদে দেখা দিয়েছে ফাটল। শ্রেনীকক্ষের গ্রেড ভিম ভেঙ্গে পড়ে বেড়িয়ে এসেছে রড। দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে দুই শিক্ষার্থী। ঝুঁকিপূর্ন এ ভবনটিতে পাঠদান না করার জন্য সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টার সহকারি শিক্ষা অফিসার পরিদর্শন করে লিখিতভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যালয়টি।  


বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. আব্দুল মালেক হাওলাদার, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি  মো. ওয়ালিউর রহমান গাজী, সাবেক সভাপতি সন্তোষ কুমার রায় বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থায়ী পলিথিনের ঘরে এভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাশ হচ্ছে। একটি সাইক্লোন কাম-স্কুল ভবন নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী ইউনিয়নের ৩ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সমীর কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষের পলেস্তরা খসে পড়ে দুর্ঘটনার পরপরই। সহকারি শিক্ষা অফিসার পরিদর্শনে এসে ভবনটির শ্রেণীকক্ষে পাঠদান না করার জন্য লিখিত নির্দেশনা দিয়েছেন। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ নির্বাহী প্রকৌশলী দপ্তরে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

এ সর্ম্পকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. জালাল উদ্দিন খান বলেন, বিদ্যালয়টি পরিত্যাক্ত ঘোষনার জন্য আবেদনে সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে। নতুন ভবনের জন্য তালিকায় নাম অর্ন্তভূক্ত করে অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হবে।  

উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ন এরকম একটি বিদ্যালয়ের বিষয়ে তিনি অবহিত নন। তবে, সরেজমিনে গিয়ে বিদ্যালয়টি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।  


আরও খবর