Logo
শিরোনাম

সঙ্গীর রাগ বেশি হলে যা করবেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ এপ্রিল ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সঙ্গী রাগী হলে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কষ্ট হয়। অযৌক্তিক রাগ সম্পর্ককে ধ্বংস করতে পারে। অনেকের রাগ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ সময় মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কিছু উপায়ে রাগী সঙ্গীদের শান্ত রাখা যায়। এসব উপায় মেনে চললেই আপনি আপনার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারবেন।

রাগান্বিত মানুষেরা তাদের পিছনে ব্যথা এবং দুর্বলতা লুকিয়ে রাখতে পারে। রাগী মানুষরা যদি তাদের সমস্যাগুলি খুঁজে বের করে, তখন তাদের সাথে কথোপকথন সহজ হয়ে ওঠে। এ ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতা করা উচিত।

আরুবা কবির, মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা এবং এনসো ওয়েলনেস প্রতিষ্ঠাতা, এইচটি ডিজিটালের সাথে রাগান্বিত সঙ্গীর সাথে মোকাবিলা করার উপায়গুলি শেয়ার করেছেন৷

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন

সঙ্গী যৌক্তিক বা অযৌক্তিক যে কারণেই রাগ করুন না কেনো, নিজেকে শান্ত রাখুন। এ সময় পাল্টা রাগ দেখালে বিপদ আরও বাড়বে। তাই যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে থাকার চেষ্টা করুন। যদি আপনিও রেগে যান বা কঠিন ভাষায় কথা বলেন তবে সমাধানের পরিবর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাবে।

মূল কারণ বের করুন

সঙ্গী শান্ত থাকলে তাদের রাগ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। রাগ করার আসল কারণ খুঁজে বের করুন। এটি আপনাকে সঙ্গীর পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করবে।

ধৈর্য ধারণ

সঙ্গী বেশি রাগী হয়ে থাকলে প্রথমে তার কথা শুনুন। ধৈর্য ধরে কিছু দিন তার মতো থাকুন। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করুন। আপনার আবেগ এবং সহানুভূতি দিয়ে তাকে বোঝাতে থাকুন। এতে আস্তে আস্তে আধিপত্য খাটানো কমে যাবে।

সাহায্য চাওয়া

এই প্রক্রিয়া আপনাকে এবং আপনার সঙ্গীর মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্ক রাখতে সাহায্য করতে পারে। সঙ্গী রেগে গেলে তার কাছে সমস্যার সমাধান চাইতে পারেন। রাগী মানুষরা এটি খুব পছন্দ করেন। এতে আপনার সঙ্গী শান্ত থাকবেন।

জেতার চেষ্টা করবেন না

রাগী ব্যক্তিরা শারীরিকভাবে ক্ষতি করতে পারে। তাই তাদের সাথে তর্কে জেতার চেষ্টা করবেন না। আপনি সঠিক হলেও নিজেকে প্রমাণ করতে যাবেন না। তাদের আবেগকে যাচাই করুন। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার পরিবর্তে, শান্তভাবে কথা বলুন ।

 


আরও খবর

তীব্র তাপপ্রবাহে সুস্থ থাকার উপায়

মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪

ঈদে বালুচর এর পাঞ্জাবি

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




সংলাপে বসছে সৌদি-বাংলাদেশ, গুরুত্বের চোখ বাণিজ্য ও বিনিয়োগে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:



সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় রাজনৈতিক সংলাপে বসছে বাংলাদেশ।


সোমবার (১ জুলাই) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সংলা‌পে গুরুত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ইস্যু। এছাড়া রিজার্ভ সংকট মেটাতে সৌ‌দি থে‌কে তহ‌বিল চাওয়ার পাশাপা‌শি দেশটির যুবরাজের প্রস্তাবিত বাংলাদেশ সফর নি‌য়েও আলোচনা হ‌বে এতে।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রিয়াদে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপে বসবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 



প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানও আছেন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে।


কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক পর্যালোচনা, সৌদি যুবরাজের প্রস্তাবিত বাংলাদেশ সফর, জনশক্তি রপ্তানি, বেসরকারি খাতে ব্যবসা বাড়ানো, সৌদি উন্নয়ন তহবিলের (এসএফডি) মাধ্যমে বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা, যৌথ বিনিয়োগে বাংলাদেশ ইউরিয়া ও ডিএপি সার কারখানা স্থাপন, বাংলাদেশের পেট্রো-ক্যামিকেল ও পর্যটনে সৌদি বিনিয়োগের উদ্যোগ ও প্রস্তাবিত বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলোতে আলোচনা হবে।


দ্বিপক্ষীয় ইস্যুর বাইরে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুও উঠে আসবে আলোচনার টেবিলে। আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে ফিলিস্তিন সংকট, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, ইয়েমেন পরিস্থিতি, পবিত্র মক্কা-মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হুতিদের হামলা, রোহিঙ্গা সংকট, ইউক্রেন ও রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব। এছাড়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ করে জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে একে অপরকে সমর্থনের বিষয়টিও তোলা হতে পারে আলোচনায়।


রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ জানান, সৌদি আরব আমাদের বড় উন্নয়ন সহযোগী। সেখানে প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করে এবং দেশে রেমিট্যান্স পাঠায়। গ্রিন এনার্জি, সৌরশক্তি ও বন্দর ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সঙ্গে সৌদির অংশীদারিত্ব রয়েছে।



 শিল্প ক্ষেত্রে বিনিয়োগের জন্যও আমরা তাদের বলবো। পাশাপাশি সৌদিরা যেহেতু বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে অর্থ রাখে, আমাদের দেশের ব্যাংকগুলোর অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থ রাখার প্রস্তাবও তাদেরকে দিতে পারি। তারা নিয়মানুযায়ী লাভ পাবে এবং সেই অ্যাকাউন্ট থেকে তারা তাদের মুদ্রায় লেনদেন করতে পারবে।



 বিদেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অফশোর অ্যাকাউন্ট সুবিধার জানালা আমরা উন্মুক্ত করেছি, এটি আমরা তুলে ধরতে চাই।


সংলা‌পে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা পররাষ্ট্র সালমান এফ রহমানের পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ও মধ্য এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও পরিচালক শফিকুর রহমান ও নাফিসা মনসুরসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপ‌স্থিত থাক‌বেন।



আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল শাহবাগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:



সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। 



আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে তারা। চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা।



দাবিগুলো হলো— ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখা। পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠনপূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরির সমস্ত গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া (সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী ব্যতীত)। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্যপদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া। দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।



২০১৮ সালের অক্টোবরে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে কোটা ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করে দেয় সরকার। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ছাত্ররা কোটা ব্যবস্থা চায় না। তারা আন্দোলন করেছে।



 ফলে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আর আলোচনা করার বা হা-হুতাশ করার কিছু নেই। তবে ২০২১ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করেন। 



সে রিটের শুনানি নিয়ে কেন ওই ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। ওই রুলের বিষয়ে শুনানি শেষে গেল ৫ জুন হাইকোর্ট রায় দেন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ।


এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি হলে হলে ঘুরে নীলক্ষেতে আসে। পরে নিউমার্কেট এলাকা হয়ে সায়েন্সল্যাব। 



এরপর বাটা সিগনাল হয়ে শাহবাগ যায় মিছিলটি। কোটা বাতিলের দাবি আদায় না হাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।


গত ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল ‘যথাযথ’ ঘোষণা করে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। 



তবে হাইকোর্টের এ রায় প্রত্যাখ্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে সে দিন বিকেলে আন্দোলন করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরের দিনও একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। 



এরপর গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হওয়ার পরের দিন থেকে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



কুমিল্লায় হত্যার মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ১০

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


কুমিল্লায় নুরুল হক হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। 



এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয় এবং মামলা চলাকালী দুই আসামির মৃত্যু হলে আদালত মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেয়।



বুধবার (২৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এই রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জাকির হোসেন।



 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. মাছুম (৩৫), তাজুল ইসলাম (৩২), মো. মোস্তফা (২৪), মো. কাইয়ুম (২৫), মো. কাইয়ুম (২৮), মো. তবদুল হোসেন (৪০)। তাদের মধ্যে রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন মো. কাইয়ুম ও মো. তবদুল হোসেন।



 রায় শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান।



যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মো. নানু মিয়া (৪০), মতিন মিয়া (৪০), সাইদুল ইসলাম (২৪), বাবুল মিয়া (২৫), সফিকুল ইসলাম (৩৫), মো. সফিকুল ইসলাম (২৮), মোসলেম মিয়া (৪৫), মো. হেলাল মিয়া (২৫), বিল্লাল হোসেন (৩০) ও আবদুল আউয়াল (৩০)। রায় ঘোষণার সময় মো. নানু মিয়া, মতিন মিয়া, বাবুল মিয়া, সফিকুল ইসলাম, মো. সফিকুল ইসলাম, মোসলেম মিয়া , মো. হেলাল মিয়া, আবদুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।



 অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস পাওয়া দুই আসামি হলেন- হিরণ মিয়া ও মনিরুল ইসলাম। এছাড়া মামলা চলাকালী মারা যাওয়া দুই আসামি হলেন- ফুল মিয়া ও সেলিম।


মামলার বিবরণে জানা যায়, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ছোট দুশিয়া এলাকার ফরিদ মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার মাছুমের দীর্ঘদিনের সম্পত্তি নিয়া বিরোধ ছিল। এ ঘটনায় নুরুল হকের নেতৃত্বে কয়েকবার সালিস বৈঠক হয়।



 সালিস বৈঠকে ফরিদ মিয়ার ভিটাবাড়ি মাছুম মিয়ার দখল থেকে ফরিদ মিয়াকে ছেড়ে দেয়ার জন্য তিনি রায় দেন। এরপর থেকেই আসামিরা বিভিন্ন সময়ে তাকে ভয়-ভীতিসহ হুমকি দিচ্ছিলেন। এ ঘটনার কিছুদিন পর ২০১১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি কুমিল্লা শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে সবজুপাড়া শিদলাই রোড এলাকায় মাছুমের পক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা করে। 



মাছুমের লোহার বল্লম দিয়ে নুরুল হকের বুকে চারটি আঘাত করেন। এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে উপস্থিত মাছুমের পক্ষের লোকজন নুরুল হকের শরীরে বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরদিন তার ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম ব্রাহ্মণপাড়া থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়।


আইনজীবী মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, মামলায় ২০১৬ সালের ৪ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিচার চলাকালীন দুই আসামি মারা যান। দুজনকে খালাস প্রদান করেছেন বিচারক।



 রায়ে সময় আদালতের এজলাসে ১০ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। অপর ৬ আসামি পলাতক রয়েছে। এ মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।


অন্যদিকে, রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষের আইনজীবী আবদুল মুমিন ফেরদৌস জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।



আরও খবর



কারাগারের ছাদ ফুটো করে পালানো মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ৪ আসামি ফের আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:


বগুড়া জেলা কারাগারের ছাদ ফুটো করে পালিয়ে যান চার আসামি। পালিয়ে যাওয়া চারজনই বিভিন্ন হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।



বুধবার (২৬ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।



সুদীপ কুমার চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘আসামিরা তাদের ব্যবহার করা বিছানার চাদরকে সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করে। সুযোগ মতো কারাগারের ছাদ ফুটো করে বাইরে বের হন তারা। এরপর কারাগারের সীমানা প্রাচীর টপকে মঙ্গলবার মধ্যরাতে তারা পালিয়ে যায়।’


বগুড়ার এসপি বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়ার পরপরই জেলা কারাগারা থেকে আমাদের জানানো হয়। কারাগার থেকে তাদের ছবি দেয়া হয় আমাদের। আমরা সেই অনুযায়ী রাতেই অভিযান শুরু করি। 



পরে ভোররাতে তাদের চাষীবাজার থেকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাদের জেলা ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হলে কারাগারের সুপার এসে তাদের শনাক্ত করেন। এই ঘটনায় একটি মামলা হবে। মামলায় তাদের ফের আদালতে তোলা হবে।


আজ বুধবার সকালে কারাগার থেকে চার আসামির পলায়নের খবর আসে। পরে জানা যায় পুলিশের অভিযানে তারা ফের গ্রেপ্তার হয়েছে।


কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার কয়েদী হলো- কুড়িগ্রামের নজরুল ইসলাম ( ৬৮), নরসিংদীর আমির হামজা (৪১), বগুড়া জেলার জাকারিয়া (৩৪) ও ফরিদ শেখ (৩০)।


আরও খবর



কক্সবাজারে পাহাড় ধসে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডেস্ক:


কক্সবাজারে পাহাড় ধসে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যু 

কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনায় ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের মাটিচাপায় গর্ভবতী স্ত্রীসহ স্বামী নিহত হয়েছেন।


 শুক্রবার (২১ জুন) রাত সাড়ে তিনটার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাদশাঘোনা-খাজামনজিল এলাকায় এ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন কবির।


নিহতরা হলেন, হাফেজ মো. আনোয়ার হোসেন (২৩) ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মায়মুনা আক্তার (১৮)। আনোয়ার হোসেন বাদশা ঘোনার প্রবাসী নজির আহাম্মদের ছেলে।


 তিনি ৫ বোনের এক ভাই ও বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন। আনোয়ার স্থানীয় ওমর ফারুক জামে মসজিদের মুয়াজ্জিনের দায়িত্বপালন করতেন। 



নিহতের চাচা আবদুল্লাহর বরাত দিয়ে তাদের প্রতিবেশী সায়মুন আমিন জানান, রাত তিনটার দিকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। তা চলে ঘণ্টা ধরে। এরই মাঝে অকস্মাৎ বাড়ির লাগোয়া পাহাড় ধসে আনোয়ারদের ঘরের চালে পড়ে। 


এতে চালটি দেবে গিয়ে খাটে ঘুমানো স্বামী-স্ত্রীকে চাপা দেয়। এতে অন্যরুমে থাকা আনোয়ারের মা-বোনেরা উঠে শোর-চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তার যে যার মতো মাটি সরিয়ে আনোয়ার ও তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেন। 


সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। 


আবদুল্লাহ গণমাধ্যমকে অভিযোগ করে বলেন, ‘পাহাড় ধসের বিষয়টি জানার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ও কক্সবাজার দমকল বাহিনীকে ঘণ্টা খানেক কল দেওয়া হয়। কিন্তু তারা সাড়া না দেওয়ায় স্থানীয়রা যে যার মতো মাটি সরান।


 চালের টিন সরাতে গিয়ে একজনের হাত ও আরেক জনের পা কেটে গেছে। পরে দমকল বাহিনীর সদস্যরা হাসপাতালে এসে লাশ ও ঘটনাস্থলের ছবি নিয়ে গেছে।’ 



স্বজনরা জানান, নিহত আনোয়ার হোসেনের সাথে মাইমুনার আটমাস আগে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয়। রাতে বৃষ্টির সময় একবার ঘুম থেকে উঠে আনোয়ার সবকিছু অবলোকন করে আবার শুতে যায়। ভারী বৃষ্টি দেখে তার (আনোয়ারের) মা বউকে নিয়ে তাদের রুম থেকে বাড়ির অন্যরুমে চলে আসতে বলেছিল ছেলেকে।


 কিন্তু কিছু হবে না বলে, দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে আবার ঘুমিয়ে পড়েছিল আনোয়ার ও মাইমুনা। সেভাবেই তাদের উদ্ধার করা হয়।


কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশিকুর রহমান বলেন, ‘দুজনকে মাটিচাপা হতে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগে আনা হয়। হাসপাতালে পৌঁছার আগেই তারা মারা যান। লাশগুলো মর্গে রয়েছে।’


উল্লখ্য,গেল বুধবার (১৯ জুন) কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসের স্থানীয় দুজনসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর