Logo
শিরোনাম

সন্তানের স্বীকৃতির দাবীতে কু‌মিল্লায় আ’লীগ নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ

কুমিল্লায় স্ত্রীর মর্যাদা, সন্তানের স্বীকৃতির দাবীসহ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা আওয়ামীলীগ‌নেত্রী নিশাত আহম্মেদ খান । নিশাত খান কুমিল্লা দক্ষিন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় মহিলা সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার সদস্য। 

বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার স্বামী মোঃ মিনহাজুর রহমান এর বিরুদ্ধে লিখিত আকারে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। 

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মনির আহম্মেদ খান বীর প্রতিক (খেতাব প্রাপ্ত-৭৯) রেজি নং ৩৩০, কুমিল্লা জেলা আওয়ামীলীগের তিন বারের সভাপতি অধ্যাপক মরহুম খোরশেদ আলম এমপি তার নিকট আত্বীয় চাচা। কসবা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সস্পাদক ও বর্তমান যুগ্ন আহবায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম তার মামা। তার বাবা, চাচা, মামা সহ অন্যান্য সদস্য সকলেই আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে রক্তের সম্পর্ক ও ওপপ্রোতভাবে জড়িত।

২০১১ সালে তার স্বামী মিনহাজুর রহমান ইটালি থাকা অবস্থায় তার ভাগ্নে এডভোকেট শহিদুল হক স্বপন এর মধ্য দিয়ে পরিচয় হয়। ২০১৩ সালে সে দেশে এসে নিশতকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে মিনহাজের সাথে বিয়ের দিন ধার্য্য হয়। নূরপুর হাউজিংয়ের বাসায় বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিয়ের আক মুহুর্তে সে কাবিন রেজিষ্ট্রী করতে পারবে না, কারন হিসেবে সে জানায় তার প্রথম স্ত্রীর সাথে একটা মামলা চলমান আছে ওই মামলাটা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাবিন রেজিষ্ট্রী করা যাবে না। দুইমাসের মধ্যে মামলা শেষ হলে কাবিন রেজিষ্ট্রী করা হবে। 

দুই মাস পর কাবিন রেজিষ্ট্রী হবে এই শর্তে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। ওই দিন থেকেই তিনি নূরপুর হাউজিং এর বাসায় বসবার শুরু করেন। বিয়ের ১৯ দিন পর মিনহাজ আবারো ইতালী চলে যায়। ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর মিনহাজ বাংলাদেশে আসে। পরদিন ৩০ ডিসেম্বর বাসার মধ্যে কাজী এনে বিভিন্ন কাগজে ওই নারীর স্বাক্ষর নেয় এবং বিয়ে রেজিষ্ট্রার করা হয়েছে বলে মিনহাজ জানায়।

বিয়ের আগে মিনহাজের বিরুদ্ধে ইটালিতে একটি জাল- জালিয়াতি ও মানব পাচার মামলা হয় যা নিশাত জানতো না। বিয়ের পর মিনহাজ ইটালি থেকে ইংল্যান্ডে চলে যান বলেন যে ওখানে যেয়ে নতুন ব্যবসা করবে। লন্ডনে ব্যবসার কথা বলায় নিশাতের ঠিকাদারি ব্যবসার সমস্ত টাকা এবং বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে নেয় মিনহাজ। কুমিল্লার বাড়ি ঢাকার ফ্লাট মিনহাজ ও আমি তার স্ত্রী হিসেবে যৌথ স্বাক্ষরে বন্ধক ও ভাড়া প্রদান করে মিনহাজ টাকা নেয়। 

এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে নিশাতকে টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দিতো মিনহাজ। এরই মাঝে ইটালী আওয়ামীলীগের একজন নেতার মাধ্যমে জানতে পারে মিনহাজের ৮ বছর ৯ মাসের সাজা হয় এবং ৫ লক্ষ পাঁচশত চুয়ান্ন হাজার ইউরো জরিমানা হয় ইটালীর আদালতে। 

এদিকে মিনহাজ নিশাতকে বলে প্রবাসী কল্যান ব্যাংক থেকে ৬-৭ কোটি টাকা লোন নিতে অথবা অন্য কোন ব্যাংকে চেষ্টা করতে। এরই মাঝে মিনহাজের প্রথম স্ত্রী উম্মে সালমা নিশাতের সাথে যোগাযোগ করে মিনহাজ সম্পের্কে সব কিছু অবগত করে। সালমার নামে এবং সালমার ভাইয়ের নামে লোন করে মিনহাজ অনেক টাকা নিয়ে গেছে কিন্তু অদ্যবদি সে লোনের টাকা পরিশোধ করেনি। 

এইসব তথ্য জানার পর নিশাত মিনহাজের ফাঁদে পা না দিয়ে এবং ধার নেয়া টাকা ফেরৎ চায়। এতে কাল হয়ে দাড়ায় নিশাতের। বিভিন্নাভাবে হয়রানি শুরু করে নিশাতের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এরই মধ্যে হঠাৎ করে সে আমার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিনহাজ। 

এরই মাঝে তাদের কোল জুড়ে আসে একমাত্র পুত্র মিনশাত রহমান স্বাধীন, যার বয়স এখন ৪ বছর ২ মাস। সে সন্তান বর্তমানে মারাত্মক হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত। তার ছেলের চিকিৎসার জন্য বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ডাক্তার বলেছে শিশুটিকে সিঙ্গাপুর নিয়ে চিকিৎসা করাতে।

সম্প্রতি টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন মিডিয়ার অপ্রপ্রচার চালাচ্ছে সে নাকি তার স্ত্রী না। নিশাত বলেন, স্ত্রী না হলে ৮টি বছর তার সাথে কিভাবে সংসার করলো। পাসপোর্টসহ সকল কাগজে কিভাবে নিশাতের নাম আসলো। ৮ বছর তার বাড়ীতে কিভাবে বসবাস করছে। নিশাত প্রশাসন ও সরকারের কাছে দাবী জানান, তার সন্তানটিকে বাচাতে, তাকে বাচাতে, তার স্ত্রীর মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে। তিনি দিন দিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি মানষিক ভাবে বিপর্যস্ত। মিনহাজ যে কোন সময় তাকে হত্যা করতে পারে। তিনি নিজের ও সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা দাবী করেন।


আরও খবর



লিসিচানস্কে ইউক্রেন সেনাদের ঘিরে রেখেছে রাশিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

স্বঘোষিত লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকের (এলপিআর) মস্কো সমর্থিত সেনারা লিসিচানস্কের দক্ষিণে ইউক্রেন সেনাদের ঘিরে রেখেছে। বুধবার স্বঘোষিত লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক এ তথ্য জানিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসের খবরে এ তথ্য উঠে এসেছে। 

এলপিআর বলেছে, প্রায় এক হাজার ৩০০ ইউক্রেনীয় সেনা এবং বিদেশি ভাড়াটে সেনা লিসিচানস্কের দক্ষিণে অবস্থিত হিরস্কে এবং জোলোট এলাকায় রাশিয়ান বাহিনীর আঁটসাঁট বলয়ে পড়েছে।

তাসের এলপিআর থেকে একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তার বাহিনী লিসিচানস্কের প্রায় ১২ কিলোমিটার (৭.৫ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে ভলচেয়ারভকা গ্রাম দখল করেছে।

সত্য হলে, লিসিচানস্কে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে।


সূত্র: আলজাজিরা


আরও খবর



১ জুলাই থেকে পোস্তগোলা ব্রিজে টোল নেয়া বন্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আগামী ১ জুলাই থেকে রাজধানীর পোস্তগোলা ব্রিজে টোল নেয়া হবে না বলে সর্বোচ্চ আদালতকে অবগত করেছে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে টোল দিতে হবে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে।

বুধবার সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে বিষয়টি হাইকোর্টকে জানানো হয়েছে বলে এ  নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন এফিডেভিট আকারে দাখিল করা হবে।  

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান বলেন, টেন্ডারের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে টোল আদায় করা হচ্ছিল। এ কারণে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে টোল আদায় বন্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে পোস্তগোলা ব্রিজের জন্য আলাদা করে টোল দিতে হবে না। শুধু এক্সপ্রেস হাইওয়ের জন্য টোল দিতে হবে।

গত সোমবার (২৭ জুন) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারে আগামী ১ জুলাই থেকে টোল হার কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রতি কিলোমিটারে ১০ টাকা হারে মাঝারি ট্রাকের টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। টোল নীতিমালা ২০১৪ অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে টোলের হার নির্ধারণের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কের টোলের হার নির্ধারণ করা হলো।


আরও খবর



সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ড :

নোয়াখালীর ফায়ার ফাইটার আলা উদ্দিনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ঃ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে নিখোঁজ ফায়ার ফাইটার মো. আলা উদ্দিনের (৩৬) মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৫ জুন) দুপুরে নিহত আলা উদ্দিন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আলা উদ্দিন আমার সেঝো ছেলে। সে সীতাকুণ্ডের কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ছিল। আগুন নেভাতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তার ৩ বছরের একটা ছেলে আছে। হাসপাতাল থেকে খবর দিলো আমার ছেলে মারা গেছে।

আলা উদ্দিনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সন্তান হারিয়ে পাগলপ্রায় মা মমতাজ বেগম। ববন্ধুবান্ধব ও এলাকাবাসী মেনে নিতে পারছেন না এই মৃত্যুর সংবাদ। 

আলা উদ্দিনের মা মমতাজ বেগম বলেন, আমার বাপে কই গেলো। তারে আমার কাছে আইনা দেন। সে কোনো দিন কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করে নাই। আমার পোলারে আইনা দেন।

নিহতের বড় ভাই নাসির উদ্দীন বলেন, সে প্রথম ইউনিটের সদস্য হিসেবে আগুন নেভাতে কাজ করেছে। এরপর বিস্ফোরণের সময় থেকে নিখোঁজ ছিল। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার নিহতের খবর এসেছে।

উল্লেখ্য, শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুনের ঘটনায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৮৫ জন।

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ইউনিট আরও বাড়ানো হয়। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিটের ১৮৩ কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এছাড়া নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ করছেন।


আরও খবর



উদ্বোধনের দিন সবার জন্য উন্মুক্ত নাও হতে পারে পদ্মা সেতু: সেতু সচিব

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন। কিন্তু ওই দিনই পদ্মা সেতু সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব মঞ্জুর হোসেন। বুধবার (৮ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সেতু বিভাগ আয়োজিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

মঞ্জুর হোসেন বলেন, ২৫ তারিখ পদ্মা সেতু পার হওয়ার জন্য অনেকের মধ্যে আগ্রহ আছে। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন শেষে চলে আসার পর যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন দিয়ে বা গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে কখন পদ্মা সেতু সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সেটা হতে পারে পরদিন ভোর ৬টা বা ওই দিনই কোনো সময় থেকে।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে দুটি অনুষ্ঠান হবে। একটি মাওয়া প্রান্তে, অন্যটি জাজিরা প্রান্তে। মাওয়া প্রান্তে হবে সুধী সমাবেশ। যেখানে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী কথা বলবেন। তারপর মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল উদ্বোধন করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে পদ্মা সেতু পার হয়ে বেলা ১১টায় তিনি জাজিরা প্রান্তের সমাবেশে যোগ দেবেন। ওপাশেও একটি উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল থাকবে, সেটিও উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানগুলো একসঙ্গে ৮টি বিভাগে, ৬৪ জেলায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এছাড়াও উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রমুখ। 


আরও খবর



পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে

সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রনালয়ের সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ঃ

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রনালয়ের সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরি। এই সমন্বিত ব্যবস্থায় যাতে কোন ব্যাঘাত না ঘটে তার জন্য সকল মন্ত্রনালয়কে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে বলে তিনি মনে করেন। সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জে কালিরবাজার রেলস্টেশন এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সেকশনে বিদ্যমান মিটারগেজ রেল লাইনের সমান্তরাল ডুয়েলগেজ রেল লাইন নির্মান প্রকল্প পরিদর্শনে এসে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরি এ কথা বলেন। এসময় ছিলেন রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ও বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেকসহ দুই মন্ত্রনালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারা।

এ ব্যাপারে রেল মন্ত্রী জানান, অতীতে বিভিন্ন সরকারের আমলে ভ্রান্ত নীতির কারণে রেল ও নৌ পরিবহন ব্যবস্থা দূর্বল হয়ে পড়েছিল। এই দুইটি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকার বিভিন্ন প্রকল্পসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ফলে এই দুই যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেক সম্প্রসারণ হয়েছে। সমন্বিত ব্যবস্থাও সে অনুযায়ী কাজ করছে।


আরও খবর