Logo
শিরোনাম

সোনারগাঁয়ে আটোচালক নিখোঁজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বাড়িমজলিশ এলাকায় গত দুদিন ধরে আব্দুল বাছেদ মিয়া (৫১) নামে এক অটোচালক নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তার বড় ভাই আব্দুল হক মিয়া বাদি হয়ে সোনারগাঁ থানায় সাধারন ডায়েরী করেছেন। নিখোজঁ বাছেদ মিয়া উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বাড়ী চিনিস গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে। সাধারন ডায়েরীর বিবরনীতে উল্লেখ করা হয়, গত শুক্রবার রাতে অটো চালানোর পর আর বাসায় ফিরেনি। পরে ওইদিন রাত ১০টার বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করেও পাওয়া যায়নি। পরের দিন শনিবার মধুমতি সিএনজি স্টেশনে তাকে একজন দেখেছেন বলে সিএনজি স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ তাকে দেখা যায়।ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে সে অজ্ঞাত ৩জন যাত্রী নিয়ে অবস্থান করছিলো। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ রয়েছে। সোনারগাঁ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তারিকুল ইসলাম বলেন, জিডি পাওয়ার পর নিখোঁজ অটোচালকে খুজে বের করতে বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। 


আরও খবর



হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের সহায়তায়

হুইলচেয়ার পেলেন,মজিদ পাগলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত কুড়িগ্রাম ঃ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর মৌজার বাকুয়ার ভিটা গ্রামের আব্দুল মজিদ পাগলা (৬৫)কে হুইলচেয়ার সহ-নগদ অর্থ প্রদান করেন হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন।১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে তার বাড়িতে গিয়ে সহায়তা প্রদান করেন হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোঃ হাছেন আলী (চেয়ারম্যান) নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ ও সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী নাওডাঙ্গা  ইউনিয়ন।

সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন পোর্টাল বিডি- টুডেজ,ও নগর বার্তা লাইভ টিভিসহ-বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জন্মগত শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন আব্দুল মজিদ পাগলার শেষ আশ্রয়স্থল বিধবা দুই বোনের সংসার। এই শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল, সেই প্রকাশিত প্রতিবেদনে মজিদ পাগলার জীবনের অসহায়ত্বের ঘটনার বর্ণনা নজরে আসে হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের। পরবর্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তার বাড়িতে গিয়ে সহায়তা প্রদান করেন।

হুইল চেয়ারের পেয়ে আবেগ আল্পুত হয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে যায় মজিদ পাগলার দু নয়ন। তিনি বলেন আমি খুব অসহায় জন্মগত ভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন হত্তয়ায় হাঁটাচলা করতে পারিনা।আর আমাকে সবসময় বন্ধ ঘরে সুইয়ে,থাকতে হবে না এখন হুইলচেয়ারে বসে বাহিরে চলাফেরা করতে পারব। স্ত্রী সন্তান কেউ না থাকায় শেষ বয়সে এসে বিধবা দুটি ছোট বোনের অভাবের সংসারে এসে তিন ভাইবোনে খুব কষ্ট করে দিনযাপন করছি। আমার জন্য ছোট বোনদের ও খুব কষ্ট হচ্ছে।এই বোন দুইটি ছাড়া পৃথিবীতে আপনজন বলতে আর কেউ নেই। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলেন যারা আমাকে এই হুইল চেয়ারটি সহায়তা করলো তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে হাজার, হাজার শুকরিয়া।

মজিদ পাগলার বিধবা দুই বোন,জমিলা বেওয়া ছালেহা বেওয়া বলেন,এতদিন আমরা দুইবোন মিলে খুব কষ্টে পাগলা ভাইটাকে ঘরবাহির করতাম। ভাইটা বন্ধ ঘরে থাকতে থাকতে কান্নাকাটি করত বাহিরে আসার জন্য আমারা সময় মতো তাকে বাহির করতে পারতাম না, কারণ আমাদের ও অনেক বয়স হয়েছে, দুই বোনের খুব কষ্ট হয়েছে, এখন হুইলচেয়ারে বসে পাগলা ভাইটা বাহিরে চলাফেরা করতে আর কষ্ট হবে না।তাতে আমার দুই বোনের ও কিছুটা কষ্ট লাঘব হলো।যারা আমার ভাই ও আমাদের সহায়তা করলো আল্লাহ যেন তার ভালো করে।

হুইলচেয়ার প্রদান কালে আরো উপস্থিত ছিলেন

ফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, উত্তম কুমার মোহন্ত, প্রচার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরনবী মিয়া, স্থানীয় সমাজকর্মী এরশাদুল হক চৌধুরী,পল্লি চিকিৎসক, জাহাঙ্গীর আলম, কিন্ডার গার্ডেন পরিচালক, আব্দুল জব্বার, সমাজ সেবক,শাহ আলম মিয়া সহ আরো অনেক।


আরও খবর



বাঁশের খুঁটিতে সুখের বিদ্যুৎলাইন

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মোজাহিদ সরকার, কিশোরগঞ্জঃ 

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিঠামইন জোনাল অফিসের অধীনে তিন হাওর উপজেলা ইটনা, অষ্টগ্রাম ও মিঠামইনে বিদ্যুৎ সরবরাহে ১০৭ কিলোমিটারে ৩৩ হাজার ভোল্টেজ (কেভি) ও ১৩৬০ কিলোমিটারে ১১ হাজার ভোল্টেজ (কেভি) বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। 

এখন ভরা বর্ষা, দৃষ্টিসীমা অবদি পানি আর পানি, তার মাঝে কয়েক শত কিলোমিটার বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন। প্রতিদিন বৈদ্যুতিক তার ও খুঁটি ঘেঁষে অবাধে চলাচল করে হাজারো নৌকা, ট্রলার ও লঞ্চ। ঝড়ের রাতে ঘটে যাত্রী ও নৌযান দুর্ঘটনা। সাময়িক বন্ধ হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক খুঁটির পরিবর্তে, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের খুঁটিতে চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ। চলতি বর্ষায় কিশোরগঞ্জ হাওরাঞ্চলে নির্মিত হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ চারটি বাঁশের খুঁটি। 

বর্ষাকালে বিস্তৃর্ণ হাওরের পানিতে থাকা খুঁটির গোড়ার মাটি নরম থাকে। এসময় পানির স্রোত, ঝড় ও নৌযানের সামন্য ধাক্কায় নড়ে উঠে বা পড়ে যায় খুঁটি। বিদ্যুৎ লাইন ছিঁড়ে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ। এসময় গ্রাহকের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে হাওরে বাঁশ-কাঠ দিয়ে নির্মাণ করা হয় ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি। 

এই বছর কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল অষ্টগ্রাম উপজেলার কলমা ইউনিয়নের কাকুরিয়া হাওর,  ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ি ইউনিয়নের শিমুলবাঁক হাওর ও মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের মুন্সীপুর ও গোপদিঘী ইউনিয়নের ডুবি হাওরে ৪টি বাঁশের খুঁটির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করেছে মিঠামইন জোনাল অফিস। 

কলমা হাওরে মৎস্য শিকারী হরিচরণ দাস (৪০) বলেন, নড়বড়ে বাঁশের খুঁটি সামনে দিয়া নাও (নৌকা) লইয়্যা যাতায়াত করতে, ডর (ভয়) লাগে। কখন যে কোন বিপদে পড়ি বলা মুশকিল। সব সময় আতংকে থাহি (থাকি)। 

ঢাকী ইউনিয়নের মাঝি রফিকুল মিয়া (৩৭) বলেন, ভরপুর বাইষ্যার (বর্ষা) সময় জ্বানডা (প্রাণ) হাতে লাইয়্যা নৌকা চালাতে হয়। ডর-ভয় করলে নিরুপায় হয়ে চলাচল করি। 

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সুত্রে জানা যায়, ভৌগোলিকভাবে হাওর উচু এলাকা থেকে ভিন্ন ধাচের। এখানে বর্ষামৌসুমে খুঁটি ভাঙ্গলে নতুন করে পুঁতা যায় না। শুষ্ক মৌসুমে পানি নেমে গেলে নতুন খুঁটি পুঁত্তে হয়। কিন্তু গ্রাহেক কথা চিন্তা করে বাঁশের খুঁটির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের কোন বিকল্প নেই। 

প্রবল স্রোত ও বিস্তৃর্ণ পানিতে ১০-১২জন শ্রমিক ও টেকনিশিয়ান মিলে নৌকা দিয়ে ১-২দিনে ১৫-২০ হাজার টাকা খরচে তৈরি করা হয় এসব খুঁটি। প্রতিবছর বর্ষায় কয়েকটি খুঁটি নির্মাণ করলেও শুষ্ক মৌসুমে বৈদ্যুৎতিক নতুন খুঁটি বসানো হয়। তবে, স্থানীয় সমাধানে বিশেষ পরিকল্পনা প্রস্তাব উর্ধ্বতন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে দুই বছর আগে। 

মিঠামইন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন বলেন, হাওরে প্রবল স্রোতের কারনে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে সমস্যা হলে, মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অস্থায়ী বাঁশের খুঁটি নির্মাণ করা হয়। শুষ্ক মৌসুমে মেরামত করা হয়। তবে, স্থায়ী সমাধানে উর্ধ্বতন কর্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। 



আরও খবর



ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশ, করার তোড়জোড়

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :  দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যা এবং জরুরি নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন ইস্যুতে এবার দেশের ১০টি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করবে বিএনপি। এ সমাবেশগুলো সফলভাবে শেষ করার পর ঢাকায় একটি বড় সমাবেশের আয়োজনের চিন্তা করছে দলটি। ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে এবং নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙা রাখতে এসব কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকতে চায় রাজপথের বড় এ বিরোধী দলটি। 

জানা গেছে, ঢাকার ১৬টি সমাবেশ সফলভাবে শেষ করা এবং নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে দলীয় হাইকমান্ড বেশ খুশি। তবে রাজধানীর তিনটি জায়গায় সমাবেশে কিছু মারধরের ঘটনা ঘটলেও দলীয় নেতারা তা সফলভাবে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছেন। তবে মিরপুরের পল্লবীতে সমাবেশ করতে না পারার কারণে কাঠগড়ায় আছেন নগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক। তাকে যে ভাবেই হোক নতুন নির্ধারিত তারিখে সমাবেশ সফলভাবে সম্পন্ন করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে আগামী ১ অক্টোবর এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঘোষিত সমাবেশে ব্যাপক লোকবল উপস্থিতি রাখতে এরই মধ্যে অঙ্গ ও সহযোগী দলের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সমাবেশের পর ঢাকায় নেতাকর্মীদের কিছুদিন বিশ্রাম দেওয়া হবে। কারণ, বিভিন্ন ইস্যুতে টানা দুই মাস মাঠে রয়েছেন নেতাকর্মীরা। তাই ১৫ দিনের একটি লম্বা বিরতি দিয়ে ঢাকায় মহাসমাবেশের আয়োজন করবে বিএনপি। সেই সমাবেশটি রাজনৈতিকভাবে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নেতারা।

বিএনপি নেতারা বলছে, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হবে, এটাই স্বাভাবিক। সরকার এবং বিরোধী দল তো এখনো দুই মেরুতে অবস্থান করছে। এমন অবস্থায় সংঘর্ষ হওয়াটা আশ্চর্য কিছু নয়। দেশ জুড়েই বিরোধীদের দমন-পীড়ন-অরাজকতা চলছে। রাজনৈতিকভাবে সমঝোতার পথ ক্ষীণ বিবেচনায় রেখেই বিএনপিও ধারাবাহিকভাবে রাজপথে ইস্যুভিত্তিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে ঐক্যমতে পৌছেছে। সারা দেশে পালিত এসব কর্মসূচিতে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা।

এ দিকে স্থায়ী কমিটির সূত্র জানায়, রাজধানী ঢাকায় এসব সমাবেশ শেষ করে দেশের ১০ বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের হাইকমান্ড। সবশেষে ঢাকায় বড় শোডাউন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন নেতারা। বিভাগীয় শহরে সমাবেশ অনুষ্ঠানের জন্য দলের স্থায়ী কমিটির একেকজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের নেতৃত্বে এসব বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




কু‌মিল্লা জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে

আওয়ামীলী‌গের ম‌নোনয়ন পে‌লেন ম‌ফিজুর রহমান বাবলূ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা পেয়েছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু যিনি একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিক, প্রখ্যাত আইনজীবী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। 

১৯৪৬ সালের ১০ আগস্ট জন্ম নেওয়া বাবলু তার মামা আওয়ামী লীগ সহ -সভাপতি কাজী জহিরুল কাইয়ুমের হাত ধরে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে রাজনীতির পথে পা বাড়ান। তারপর ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত ছিলেন অবিভক্ত কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

সে সময় জাতির পিতা ঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ছয়দফা আন্দোলনে অংশ নেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে অংশ নেন ডাকসুর সদস্য হিসেবে। সত্তরের নির্বাচনে দলের হয়ে কাজ করেন। অংশ নেন একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদকের।

পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। ১৯৮২ ও ১৯৮৮ সালে দলীয় কর্মসূচি পালনকালে বিএনপি ও ফ্রিডম পার্টির নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন রণাঙ্গনের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

মফিজুর রহমান বাবলু ছিলেন ২ নাম্বার সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। আগরতলার রাধানগরে যুব মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তিনি সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় চৌদ্দগ্রামে তার নিজের বাড়িটি ছিল মুক্তিবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প। আওয়ামী লীগের নেতারাও বিভিন্ন সময়ে সেখানে বৈঠকে মিলিত হতেন। তার আরেকটি পৈতৃক বাড়িসহ এ দুটি বাড়িতে প্রায়ই পাকিস্তানি বাহিনী হানা দিত। একপর্যায়ে পাকিস্তানিরা একটি বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। মুক্তিযোদ্ধা বাবলুর চার চাচা সেই আগুনে শহীদ হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি মফিজুর রহমান বাবলু নিজেকে জড়িয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিনেট সদস্য কুমিল্লা ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন ও কুমিল্লা ক্লাবের সদস্য। তিনি বাংলাদেশ ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য। লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, কুমিল্লা লায়ন্স ক্লাব, কুমিল্লা কালচারাল কমপ্লেক্সের সঙ্গে জড়িত বাবলু কুমিল্লা শহর ও চৌদ্দগ্রামে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছেন। বৈশিক মহামারি করোনায়  ক্ষতিগ্রস্ত আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে এসেছিলেন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু। 

বঙ্গবন্ধু অন্তঃপ্রাণ পঁচাত্তর বছর বয়সি এ মুক্তিযোদ্ধার চাওয়া বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতে পূর্ণতা পাক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। প্রধানমন্ত্রীর সহযোদ্ধা হয়ে নিজেকে সেই কর্মকাণ্ডে আরও সম্পৃক্ত করতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম।

 শ‌নিবার বিকেল ৪ টায় গণভবনে আওয়ামীলীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় সিদ্ধা‌ন্তে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম। ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 আগামী ১৭অক্টোবর কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে ইতোমধ্যে ১৫ জন ব্যক্তি দলীয় মনোনয়নের আবেদন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি‌লেন।


আরও খবর

পুলিশের পক্ষে বললেন খামেনি

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২




কমিটি গঠন সভাপতি পারভেজ, সম্পাদক ইমরান"

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ |
Image

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) যাত্রাবাড়ি থানা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে । ১২ ই সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেল ৪.০০ ঘটিকায় ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারের মাঠে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় ১১ সদস্য বিশিষ্ট এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান গ্রুপের কর্নধার আলহাজ্ব হারুন অর রশীদ সিআইপি।

সভায় উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর সে সময় তিনি সরকারকে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রনয়ণসহ ১৪ দফা বাস্তবায়ন করতে জোড়ালো আহবান জানান এবং দেশে অহরহ সাংবাদিক নির্যাতন যেনো থামছেই না সাংবাদিক সুরক্ষা আইন না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃস্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম সাদ্দাম যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, কেন্দ্রীয় কমিটি। সদস্য সচিব সেলিম নিজামির সভাপতিত্বে,

সভায় উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের সর্বসম্মতিক্রমে দৈনিক দিন প্রতিদিন এর সহকারী সম্পাদক  মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম পারভেজ সভাপতি,দৈনিক বর্তমান দেশ বাংলার সম্পাদক মোহাম্মদ হেলাল সহ-সভাপতি,  চ্যানেল ২৩ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুন্সি মো: আল ইমরান সাধারণ সম্পাদক, সাপ্তাহিক তথ্য বানী এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শরিফুল হক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক আলোর দিগন্ত এর স্টাফ রিপোর্টার মোঃআকাশ সিকদার অর্থ সম্পাদক ,বিডি লাইভ ২৪ এর চেয়ারম্যান মোঘল হোসেন সম্রাট সাংগঠনিক সম্পাদক,দৈনিক দিন প্রতিদিন এর রিপোর্টার মুন্নি আক্তার তিশা দপ্তর সম্পাদক,  এশিয়ান টিভি এর স্টাফ রিপোর্টার অমর রঞ্জন মজুমদার প্রচার সম্পাদক ,রুপান্তর টিভি এর চীফ ক্রাইম রিপোর্টার খাদিজা আক্তার আনিকা নারী বিষয়ক সম্পাদিকা ,চ্যানেল ২৩ এর প্রতিনিধি তানিয়া সুলতানা রিভা সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক,বর্তমান দেশ বাংলা এর মোঃ শিপন নির্বাহী সদস্য।


আরও খবর