Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

সর্দি-কাশির প্রকোপ, হাসপাতালে ভিড়

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

রোকসানা মনোয়ার : ঠান্ডা-সর্দি, কাশি আর জ্বর থেকে সেরে উঠতেই পারছে অনেকে। তাদের মধ্যে রয়েছে অনেক শিশুও। শীত শেষে বসন্তের শুরুর দিক থেকে সর্দি-কাশি কিংবা জ্বরে ভুগছে অনেকে। চিকিৎসকরা বলছেন, এসবের পেছনে বায়ুদূষণ একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। দূষণের কারণে মানুষের ভোগান্তি বেশি। সুস্থ থাকতে তাই স্বাভাবিক জীবনযাত্রার দিকে বাড়তি নজর দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার গোলাম নবী জানান, জ্বর, ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টের রোগী এখন বেশি পাচ্ছেন তারা। প্রতিদিন ১৫০-২০০ রোগী আসছে এসব লক্ষণ নিয়ে। শ্বাসকষ্টও হচ্ছে অনেকের।এই সময়ে অ্যাজমা বা হাঁপানির রোগীদের বেশি ভুগতে হচ্ছে।

ঢাকা শিশু হাসপাতালে এখন যেসব রোগী আসছে, তার মধ্যে সর্দি-কাশি ও ঠাণ্ডায় আক্রান্ত শিশুর সংখ্যাই বেশি বলে জানাচ্ছেন এই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঠান্ডা, জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি, যা হাসপাতালে রোগী বাড়াচ্ছে।শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগে অন্য সময়ে দিনে গড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ জন রোগী আসলেও এখন সে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জনে। এর মধ্যে অনেক শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় তাদের ভর্তি করানো হচ্ছে।

তিন সপ্তাহ ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছেন রাজধানীর মিরপুরের হোসনে আরা বেগম। এখন ইনহেলার আর নেবুলাইজিং ছাড়া চলতে পারছেন না তিনি। পঞ্চাশোর্ধ এই নারী বলেন, শীতের শেষ দিকে এই যে সর্দি-কাশি হঠাৎ বেড়ে গেল, আর কমছে না। একদিন নেবুলাইজিং না করালে ঘুমাতে পারি না। ইনহেলার নিচ্ছি দুইটা। এমনিতে অ্যাজমার সমস্যা ছিল, সেটা এখন বেড়ে গেছে।বাইরে বের হলেই কষ্ট হয় বেশি, ধুলাবালিতে সমস্যা বেড়ে যায়।মোহাম্মদপুরের একটি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক আরিফ হোসেন মাসখানেক আগে সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হলেও কাশি তার পিছু ছাড়ছে না। আরিফের ভাষ্য, চিকিৎসকের কাছে গিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ নিয়েও তার কাশি সারেনি।

যখন ঠান্ডা-জ্বর ছিল, ডাক্তারের কাছে গেলাম। কাশির জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দিল। একটু কমল। এখন আরো বেড়ে গেছে। আবার ডাক্তারের কাছে গেলাম। পরে এক্সরে করে ডাক্তার বলল, ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী বলছেন, বায়ুদুষণ এবার সর্দি-কাশিতে মানুষকে বেশি ভোগাচ্ছে। ফেব্রুয়ারি মাসের অর্ধেক সময়ই বায়ু দূষণে ঢাকা শীর্ষে ছিল। এই দূষণের কারণে মানুষের শ্বাসতন্ত্রের সমস্যাও বেড়েছে বলে জানান তিনি।আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসের ১৩ দিন ঢাকার বাতাসের মান ছিল খুবই অস্বাস্থ্যকর। গেল মাসজুড়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল উপরের দিকে। ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, এমন সময়ে যখন সর্দি-কাশির ভাইরাস কারো শরীরে প্রবেশ করে, তখন সেটি মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মত একটি অবস্থা তৈরি করে।শীত শেষে বসন্তের আগমনের সময় বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে ও দূষণও বেড়ে যায় জানিয়ে তিনি বলেন, তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারণে কিছু ভাইরাস জাতীয় রোগের প্রাদুর্ভাব এসময় বেড়ে যায়। এর মধ্যে অন্যতম একটি ভাইরাস হচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। যার কারণে সর্দি-কাশি হয়।

যখন বায়ু দূষণ বেড়ে গিয়ে আমাদের শ্বাসতন্ত্রকে সংবেদনশীল ও অসুস্থ করে তোলে, তখন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সর্দি-কাশির ভাইরাস তীব্র করে তোলে। ফলে অন্য সময়ে যে প্রভাব বিস্তার করে, তার চেয়ে এ বছর বায়ুদূষণ বাড়ার কারণে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে।


আরও খবর



২০ বছর পর ভারতের পার্লামেন্টে বিরোধী দলের আসনে গান্ধী পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image




বিডি টুডেস  ডিজিটাল ডেস্ক:



ভারতের ১৮তম লোকসভায় বিরোধী দলনেতার আসনে বসলেন কংগ্রেসের এমপি রাহুল গান্ধী। এর মাধ্যমে ২০ বছর পর গান্ধী পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল। 



সর্বশেষ রাহুলের মা সোনিয়া গান্ধী বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছিলেন লোকসভায়। তিনি ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিরোধী দলনেতা ছিলেন। আর রাহুলের বাবা রাজীব গান্ধী বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত।



গত ৮ জুন দিল্লিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বর্ধিত বৈঠকে রাহুলকে লোকসভার বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। এরপর বিষয়টি রাহুলের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। 



গত মঙ্গলবার রাতে দিল্লিতে বিজেপি-বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে এ বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়। এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল বলেন, কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেত্রী সোনিয়া গান্ধী লোকসভার প্রোটেম স্পিকারকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, রাহুল গান্ধীকে বিরোধী দলনেতা পদে মনোনীত করা হয়েছে।



২০১৪ সালে ৪৪ এবং ২০১৯-এ ৫২টি আসনে জেতা কংগ্রেস এবার লোকসভা নির্বাচনে ৯৯টি আসন জিতে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করেছে। এর মাধ্যমে এক দশক পরে লোকসভায় ফিরেছে বিরোধী দলনেতার পদ।


এবারের লোকসভা নির্বাচনে কেরালার ওয়েনাড় এবং উত্তর প্রদেশের রায়বরেলি দুটি আসন থেকেই সাড়ে তিন লাখেরও বেশি ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন রাহুল। এই পরিস্থিতিতে তাকে বিরোধী দলনেতা করার জন্য কংগ্রেসের অন্দরে জোরালো দাবি উঠেছিল।



বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে গতকালই নির্বাচিত স্পিকারকে শুভেচ্ছা জানান রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘আপনার সফল নির্বাচনের জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই। এই হাউজটি ভারতের জনগণের কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং আপনি সেই কণ্ঠের চূড়ান্ত বিচারক।



 সরকারের রাজনৈতিক ক্ষমতা আছে কিন্তু বিরোধী দলও ভারতের জনগণের কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করে। এবং এবার, বিরোধীদল গতবারের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। বিরোধীরা আপনার কাজে সাহায্য করতে চাইবে। এই হাউজে বিরোধীদের কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 



আমরা নিশ্চিত যে, বিরোধীদের কথা বলার অনুমতি দিয়ে, ভারতের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দিয়ে, আপনি ভারতের সংবিধান রক্ষায় আপনার দায়িত্ব পালন করবেন।’


আরও খবর



রাজধানীতে সংঘবদ্ধ চক্রের ধর্ষণের শিকার নববধূ, গ্রেপ্তার-৭

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


রাজধানীর খিলক্ষেতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নববধূ। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 


গ্রেপ্তাররা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।


পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২৯ জুন) মধ্যরাতে স্বামীকে নিয়ে খিলক্ষেতের এক আত্মীয়ের বাসা থেকে ফিরছিলেন ওই নববধূ। পথে ৬ থেকে ৭ ব্যক্তি তাদেরকে বনরূপা এলাকায় নিয়ে যায়।



 সেখানে ঝোপঝাড়ের মধ্যে নিয়ে ওই নবদম্পতিকে মারধর করে ওই ব্যক্তিরা। এ সময় তারা ওই নারীর জন্য তার স্বামীর কাছে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এক পর্যায়ে তারা ভিকটিমের স্বামীকে ছেড়ে দেয় মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য। 



ভিকটিমের স্বামী ওই স্থান ত্যাগ করে ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশের সহায়তা চায়।


এরই মধ্যে আসামিরা ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে মারধর করে ও শারীরিক নির্যাতন করে। ভিকটিম তাদেরকে কাঁদতে কাঁদতে না মারার জন্য বারবার অনুরোধ করেন। কিন্তু আসামিরা ভিকটিমের আর্তনাদে কোনপ্রকার কর্ণপাত না করে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে যেতে থাকে।



 এক পর্যায়ে আসামিরা ওই নববধূকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় আসামিরা।


এদিকে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের ধরতে শুক্রবার রাত থেকেই অভিযানে নামে পুলিশ। এসি ক্যান্টনমেন্ট জোন শেখ মুত্তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে খিলক্ষেত থানার কয়েকটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।



এসি শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বনরূপা এলাকায় যায়। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঝোপঝাড়ের ভেতরে বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। 



ভোর চারটার দিকে পুলিশ সেখান থেকে ভুক্তভোগী নববধূকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে শনিবার (২৯ জুন) পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি কাশেমসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।


পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি রিফাত রহমান শামীম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি জানার পরপরই অভিযান শুরু হয়। গ্রেপ্তাররা দলবদ্ধ ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জড়িত একজন ওই নববধূর পূর্ব পরিচিত।



আরও খবর



ভারতের সিকিমের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর লাশ ভেসে এলো লালমনিরহাটে

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি::


লালমনিরহাটের তিস্তার চরে বন্যার পানিতে ভেসে আসা এক মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৫ জুলাই, রোববার লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন মহিষখোঁচা ইউনিয়নের গোবর্ধন গ্রামে তিস্তা নদীর চরে পাওয়া মৃতদেহটি ভারতের সিকিম রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী Mr. RC Poudyal এর বলে জানা গেছে।


আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী সোমবার ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখ বিকেল ৬ টায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ১৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী চেকপোস্ট দিয়ে মৃতদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


মরদেহটি তিস্তা নদীর চরে পাওয়ার পর থেকেই এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয় এবং পরে এটি সিকিম রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর মরদেহ হিসাবে সনাক্ত হয়। উক্ত ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং মৃতদেহের সুষ্ঠু হস্তান্তরের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করার প্রচেষ্টা চলছে।


আরও খবর



নওগাঁয় বিয়ের আগের দিন সড়কেই ঝরলো এক যুবকের প্রাণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

বিয়ে করার জন্য মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে সড়কেই ঝরলো জসিম উদ্দিন (২৩) নামে এক এনজিও কর্মীর প্রাণ।

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার খাজুর ইউপির দেবীপুর মোড়  নামক স্থানে দুটি মোটরসাইকেল এর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটলে এদূর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত জসিম উদ্দীন নওগাঁর পাশ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বেগম-নগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ও প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মহাদেবপুর উপজেলার মহিষবাথান শাখার প্রশিক্ষণার্থী জুনিয়র অফিসার ছিলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, নিহত জসিম উদ্দীনের আগামীকাল শুক্রবার বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো। তিনি বিবাহ করার জন্যই অফিস ছুটি নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে  নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। ফেরার পথে দেবীপুর মোড় নামক স্থানে পৌঁছালে এসময় গ্রামের ভেতর থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সাথে তার মোটরসাইকেল (দুটি মোটরসাইকেল) সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। জসিম উদ্দিন এর মৃত্যুর খবর তার গ্রামে পৌছার পর থেকে এলাকা জুড়ে লোকজনের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছাঁয়া। দূর্ঘটনার পর পরই নিহতের অফিসের সহকর্মী ও স্বজনরা দূর্ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ বাড়িতে যায়।


আরও খবর



মডেলিংয়ের নামে তরুণীদের দিয়ে অনলাইনে দেহ ব্যবসা, গ্রেপ্তার ৮

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস:


আর্থিক সমস্যা রয়েছে তাদের টার্গেট করত। চক্রটি কাজের সুযোগ দেয়ার নামে ইন্টারভিউতে ডাকত। এরপর তাদের বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে সুযোগ দেওয়ার কথা বলে আপত্তিকর ছবি নিতো। 


প্রাথমিকভাবে কাজে আগ্রহী তরুণীদের চাহিদা মতো টাকা ও প্রয়োজন মেটাতো তারা। এরপর ধীরে ধীরে অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করা হতো তরুণীদের।



সিআইডিপ্রধান আরও বলেন, চক্রের মূলহোতা মেহেদী হাসান এবং তার খালাতো ভাই শেখ জাহিদ বিন সুজন মিলে চক্রটি গড়ে তুলেছিল। তারা দুজনেই মেডিকেল শিক্ষার্থী। 



তারা চিকিৎসা বিদ্যার আড়ালে অল্প বয়সী তরুণীদের ফাঁদে ফেলে যৌন নির্যাতনের পাশাপাশি অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট তৈরি ও টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ম্যাসেঞ্জারে নানা অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করত।



 এভাবে গত সাত বছরে অসামাজিক কার্যকলাপ করে প্রায় ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে চক্রটি। এই টাকা দিয়ে তারা যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা এবং  ঢাকায় বিপুল পরিমাণ জমিও কিনেছে।



 নির্মাণ করেছে আলিশান বাড়ি। চক্রের সদস্যদের আত্মীয়-স্বজনের ব্যাংক আ্যকাউন্টেও বিপুল অর্থ জমিয়ে রাখার তথ্য মিলেছে।



অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী জানান, শুরুতে ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে চাকরির বিজ্ঞাপন, কখনও মডেল তৈরি, কখনওবা ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতো চক্রটি। এতে যারা সাড়া দিত তাদের নিয়ে টেলিগ্রামে গ্রুপ খুলতো। 


এরপর তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে বিদেশি বায়ারদের কাছে পাঠানোর কথা বলে মেয়েদের আপত্তিকর ছবি হাতিয়ে নিত চক্রটি। হাতিয়ে নেওয়া সেসব অর্ধনগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নগ্ন হয়ে ভিডিও কল বা সরসারি অসামাজিক কাজে বাধ্য করত।



তিনি আরও বলেন, চক্রটির টেলিগ্রাম গ্রুপে হাজার হাজার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। যারা একটি নির্দিষ্ট অর্থ দিয়ে ওই গ্রুপগুলোতে যুক্ত থাকতো। চক্রটি ভিডিওকলের সবকিছু গোপনে ধারণ করে রাখতো। এরপর তরুণীদের বাধ্য করা হতো চক্রটি ভুক্তভোগীদের যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করত।



 এভাবেই চক্রটির হাতে আধুনিক যৌন দাসীতে পরিণত হয়েছিল শত শত তরুণী। দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান করে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার চক্রের মূলহোতা ও তার প্রধান সহযোগীদের শনাক্ত করে।


সিআইডিপ্রধান বলেন, সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশ-বিদেশে চক্রটির রয়েছে শক্তিশালী একটি নেটওয়ার্ক। নানা নামে তাদের শতাধিক চ্যানেলে গ্রাহক সংখ্যা কয়েক লাখ। বিভিন্ন বয়সী নারীদের ভিডিওকল ও দেহ ব্যবসায় বাধ্য করে এবং গোপনে ধারণকৃত সেসব ভিডিও বিক্রি করে চক্রটি প্রায় ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে।



 অর্থ লেনদেনের জন্য তারা ব্যবহার করতো এমএফএস বা মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস। এছাড়া ক্রিপ্টো কারেন্সিতেও তাদের হাজার হাজার ডলার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে নিজেদের আড়াল করার সব কলা-কৌশলও এই চক্রের জানা ছিল। ফলে শত শত মোবাইল সিম ব্যবহার করলেও তাদের কোনোটিই প্রকৃত এনআইডি দিয়ে নিবন্ধন করা নয়।



 এক্ষেত্রে তারা নিম্ন আয়ের মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিত। সামান্য অর্থ দিয়ে তুলেছে অনেক সিম কার্ড।


অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া জানান, কন্টেন্ট আদান-প্রদান ও সাবস্ক্রিপশনের জন্য ছিল টেলিগ্রাম প্রিমিয়াম আ্যকাউন্ট এবং বিভিন্ন পেইড ক্লাউড সার্ভিস। অল্প বয়সী ভয়ানক চতুর এই দুই মেডিকেল শিক্ষার্থীর জিম্মায় কয়েক হাজার নারী রয়েছে। 



আছে টিকটক, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সেলিব্রেটিরাও। অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপে গোপনে ধারণ করা প্রায় ১০ লাখ ন্যুড ছবি ও ২০ হাজার অ্যাডাল্ট ভিডিওর সন্ধান পাওয়া গেছে।


আরও খবর