Logo
শিরোনাম

শ্রীনগর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে হাত পা ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

শাহ আলম নিতুল ঃ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের সাথে অশোভন আচরণ করাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল তৈরি হয়েছে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের মত বিনিময় সভায়। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী তোফাজ্জল হোসেনের বিরুদ্ধে  উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেহানা বেগমের হাত পা ভেঙ্গে দেয়ার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।আজ(১৭জুন)শুক্রবার বিকেলে শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের হল রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আফরোজা বেগম,রোকিয়া বেগম ও নুসরাত জাহান অভিযোগ করে বলেন,আজ উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের মতবিনিময় সভায় গোপন বৈঠক করে কমিটি ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী মেহেজাবিন আলী।এসময় আমাদের নেত্রী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রেহানা বেগম প্রতিবাদ করে ও আমরা সকলে উঠে চলে আসার পথে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন আমাদের সকলকে থামিয়ে ভীতরে যেতে বলে আমরা রুমে না যাওয়ায় সে আমাদের সাথে অশোভন আচরণ করে।এ সময় আমাদের নেত্রীর হাত-পা ভেঙ্গে  দিবে বলে হুমকি দেয়। আমরা তার এমন অশোভন আচরণের নিন্দা জানাই।উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রেহেনা বেগম বলেন,মহিলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন করার জন্য জেলা থেকে নেতৃবৃন্দ আসে তাদের সাথে এক নম্বর সহ-সভাপতি আছিয়া বেগম, সাধারণ সম্পাদিকা নুরজাহান বেগম আজি তোফাজ্জল হোসেন গোপন বৈঠক করে আহবায়ক কমিটি করার সিদ্ধান্ত নেয়।এ বিষয়ে আমি প্রতিবাদ করলে আমার সাথে অশোভন আচরণ করে।এ সময় আমি উঠে চলে আসলে আমার সাথে সকল নেত্রীরা চলে আসে।তখন আমাদের পথরোধ করে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন আমার হাত-পা ভেঙ্গে হত্যা করবে বলে হুমকি প্রদান করে।উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী তোফাজ্জল হোসেন বলেন,হাত-পা ভেঙে দেয়ার কথা সত্য নয় আমি ওকে বলছি তুই আর কোনদিন মহিলা আওয়ামীলীগের কোন মিটিংএ আসবিনা। এছাড়া ওকে যারা সহযোগিতা করবে তারা পদ-পদবী থেকে বঞ্চিত হবে।


আরও খবর



ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

আমাদের দৈহিক মানসিক সুস্থতার জন্য ঘুম অপরিহার্য। পর্যাপ্ত আরামদায়ক ঘুম আমাদেরকে সক্রিয় সতেজ করে তোলে। সাধারণভাবে স্বাস্থ্যকর ঘুম বলতে প্রতি রাতে একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমকে বুঝানো হয়। একে অনেকে ঘুমের পরিমাণ হিসাবে ধরে নেয়। যদিও ঘুমের পরিমাণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটি ভালো ঘুমের জন্য এর পরিমাণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো গুণগত মান। নিয়মিত আরামদায়ক সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘুম আমাদের সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন। বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন রাজধানীর ইনজিনিয়াস পালমো ফিটের স্লিপ কনস্যালট্যান্ট ডা. ফাতেমা ইয়াসমিন

ঘুমের পরিমাণ কী?

ঘুমের পরিমাণ বলতে বোঝায় আপনি প্রতি রাতে কত ঘণ্টা ঘুমান। বয়সভেদে মানুষের ঘুমের সময় তারতম্য হয়।

* বয়স : ঘুমের চাহিদা (২৪ ঘণ্টায়)

* নবজাতক (- মাস) : ১৪-১৭ ঘণ্টা

* শিশু (-১২ মাস) : ১২-১৬ ঘণ্টা

* বাচ্চা (- বছর) : ১১-১৪ ঘণ্টা

* প্রি-স্কুল (- বছর) : ১০-১৩ ঘণ্টা

* স্কুল বয়সের শিশু (-১২ বছর) : -১২ ঘণ্টা

* কিশোর (১৩-১৮ বছর) : -১০ ঘণ্টা

* প্রাপ্তবয়স্ক (১৮-৬৪ বছর) : প্রতি রাতে - ঘণ্টা

* প্রাপ্তবয়স্ক (৬৫+ বছর) : প্রতি রাতে - ঘণ্টা

এটি একটি সাধারণ নির্দেশিকা করা হয়েছে। এমন অনেক লোক রয়েছে যাদের তাদের বয়সের জন্য প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি বা কম ঘুমের প্রয়োজন। এমনকি কিছু নিয়মের ব্যতিক্রমগুলো বিবেচনা করেও এমন অনেক লোক রয়েছে যারা নিয়মিত তাদের প্রয়োজনীয় পরিমাণ ঘুমায় না। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ৫০ থেকে ৭০ মিলিয়ন আমেরিকানরা কোনো না কোনো ধরনের ঘুমের রোগে ভুগছেন এবং প্রায় ৩৫ শতাংশ আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্করা প্রতি রাতে প্রয়োজনীয় সাত ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমায়। অপর্যাপ্ত ঘুমে সড়ক দুর্ঘটনা, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা এবং জটিল রোগের ঝুঁকিগুলোও দেখা যায়। অপর্যাপ্ত ঘুমের প্রভাব আমাদের মস্তিষ্কের উপর সরাসরি পড়ে। হার্ভার্ড মেডিকেলের গবেষণায় দেখা গেছে যারা পাঁচ ঘণ্টা ঘুমান তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি শতকরা ১৫ ভাগ বৃদ্ধি পায়। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে আমাদের শরীরে কর্টিসল নামক একটি হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে আমাদের উচ্চ রক্তচাপ রক্তের উচ্চ মাত্রার গ্লুকোজের উপর। অপর্যাপ্ত ঘুমের প্রভাবে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং দ্রুত মুড পরিবর্তন হয়।

ঘুমের গুণগত মান কী

ঘুমের গুণমান বলতে বোঝায় আপনি কতটা ভালো ঘুমান।

সঠিক মানের ঘুমের জন্য রয়েছে ৫টি উপকরণ :

* ঘুমিয়ে পড়ার সময় : আপনি কত দ্রুত এবং কত সহজেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। সাধারণত বেশিরভাগ মানুষ বিছানায় যাওয়ার ২০-২৫ মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে সক্ষম হয়।

* ঘুমের ধারাবাহিকতা বজায় : একবার ঘুমিয়ে পড়লে একটানা আপনার ঘুমিয়ে থাকার ক্ষমতা। ভালো মানের ঘুম হয় ক্রমাগত, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায় না।

* ঘুমের কার্যকারিতা : ঘুমের কার্যকারিতা মানে আপনি কতটা সময় ঘুমিয়েছেন বনাম আপনি কতটা সময় ঘুমানোর জন্য বিছানায় কাটিয়েছেন। সঠিক মানের ঘুমের জন্য ঘুমের কার্যকারিতা মোট সময়ের অন্তত ৮৫ শতাংশ মানদণ্ড হিসাবে ধরা হয়।

* ঘুমের সময় : ঘুমের সময় বলতে বোঝায় যখন প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমানো। আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি নির্দেশ করে প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং জেগে ওঠা।

* ঘুমের তৃপ্তি : ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ লাগা সারা দিন উদ্যমী থাকা। এভাবে ঘুমের পরিতৃপ্তি পরিমাপ করা হয়।

খারাপ মানের ঘুমের ক্ষতি কী?

খারাপ মানের ঘুমের স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি উভয় ক্ষেত্রেই গুরুতর স্বাস্থ্য ঘাটতি দেখা যায়। যেমন-কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, ভুলে যাওয়া প্রবণতা, মনোযোগ কমে যাওয়া, মানসিক চাপ বৃদ্ধি, বিষণ্নতা এবং উদ্বেগ দেখা দেয়। সকালে ঘুম থেকে উঠতে সমস্যা হচ্ছে অথবা খিটখিটে মেজাজ নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা, সারা দিন ক্লান্তি ভাব থাকা, দিনের বেলা ঘুমানো, দিনে অনেক বেশি ঘুমানো। ছাড়া ওজন বৃদ্ধি এবং স্থূলতা, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কলস্টেরল, হৃদরোগ এবং স্ট্রোক হয়।

রাতের আরামদায়ক ঘুমের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ঘুমের কিছু চিহ্ন আছে। যেমন-

* সকালে ঘুম থেকে উঠেই সতেজ অনুভূতি

* সারা দিন সতেজ থাকা

* ভালো মেজাজে থাকা

* পরিষ্কার-মাথা অনুভব করা

কীভাবে ঘুমের পরিমাণ এবং গুণগত মান উন্নত করা যায়

ভালো স্বাস্থ্যকর ঘুম পেতে আপনি যে পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন তার মধ্যে রয়েছে-

* ঘুমের সমস্যা নির্ণয় করা : আপনি যদি মনে করেন যে আপনার ঘুমের সমস্যা আছে যা আপনার ঘুমকে প্রভাবিত করছে, তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।

* জীবনযাত্রায় পরিবর্তন করুন : যদিও আপনার জীবনের কিছু অংশ অন্যদের তুলনায় পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে, আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন যা সম্ভবত আপনার ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে এবং আপনার ঘুমকে ব্যাপকভাবে উন্নত করতে পারে। যেমন-নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান, অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইন বাদ দিন।

* ঘুমের পরিবেশ নিশ্চিত করুন : বেশিরভাগ লোক তাদের ঘুমের পরিবেশের গুরুত্বকে অবমূল্যায়ন করেন। যদিও প্রত্যেকেরই নিজস্ব পছন্দ রয়েছে, মানুষ সাধারণত অন্ধকার, শান্ত, আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমাতে পছন্দ করে।

* ফোন ট্যাব বন্ধ : গবেষণায় দেখা গেছে শোওয়ার সময় ফোনের ব্যবহার ঘুমের ব্যাঘাত হয়। বিছানায় ফোন এবং অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহার করায়, ঘুমের সময়ের গতি হারাতে পারেন এবং আপনার প্রকৃত শোওয়ার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে দেরি হতে পারে।

স্বাস্থ্যকর ঘুমের অভ্যাস কীভাবে প্রয়োগ করবেন তা আপনি নিশ্চিত না হলে, আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

 


আরও খবর

রসুনের গুণেই মেদ ঝরবে

শনিবার ১১ জুন ২০২২




সন্তানের স্বীকৃতির দাবীতে কু‌মিল্লায় আ’লীগ নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ

কুমিল্লায় স্ত্রীর মর্যাদা, সন্তানের স্বীকৃতির দাবীসহ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা আওয়ামীলীগ‌নেত্রী নিশাত আহম্মেদ খান । নিশাত খান কুমিল্লা দক্ষিন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় মহিলা সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার সদস্য। 

বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার স্বামী মোঃ মিনহাজুর রহমান এর বিরুদ্ধে লিখিত আকারে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। 

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মনির আহম্মেদ খান বীর প্রতিক (খেতাব প্রাপ্ত-৭৯) রেজি নং ৩৩০, কুমিল্লা জেলা আওয়ামীলীগের তিন বারের সভাপতি অধ্যাপক মরহুম খোরশেদ আলম এমপি তার নিকট আত্বীয় চাচা। কসবা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সস্পাদক ও বর্তমান যুগ্ন আহবায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম তার মামা। তার বাবা, চাচা, মামা সহ অন্যান্য সদস্য সকলেই আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে রক্তের সম্পর্ক ও ওপপ্রোতভাবে জড়িত।

২০১১ সালে তার স্বামী মিনহাজুর রহমান ইটালি থাকা অবস্থায় তার ভাগ্নে এডভোকেট শহিদুল হক স্বপন এর মধ্য দিয়ে পরিচয় হয়। ২০১৩ সালে সে দেশে এসে নিশতকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে মিনহাজের সাথে বিয়ের দিন ধার্য্য হয়। নূরপুর হাউজিংয়ের বাসায় বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিয়ের আক মুহুর্তে সে কাবিন রেজিষ্ট্রী করতে পারবে না, কারন হিসেবে সে জানায় তার প্রথম স্ত্রীর সাথে একটা মামলা চলমান আছে ওই মামলাটা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাবিন রেজিষ্ট্রী করা যাবে না। দুইমাসের মধ্যে মামলা শেষ হলে কাবিন রেজিষ্ট্রী করা হবে। 

দুই মাস পর কাবিন রেজিষ্ট্রী হবে এই শর্তে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। ওই দিন থেকেই তিনি নূরপুর হাউজিং এর বাসায় বসবার শুরু করেন। বিয়ের ১৯ দিন পর মিনহাজ আবারো ইতালী চলে যায়। ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর মিনহাজ বাংলাদেশে আসে। পরদিন ৩০ ডিসেম্বর বাসার মধ্যে কাজী এনে বিভিন্ন কাগজে ওই নারীর স্বাক্ষর নেয় এবং বিয়ে রেজিষ্ট্রার করা হয়েছে বলে মিনহাজ জানায়।

বিয়ের আগে মিনহাজের বিরুদ্ধে ইটালিতে একটি জাল- জালিয়াতি ও মানব পাচার মামলা হয় যা নিশাত জানতো না। বিয়ের পর মিনহাজ ইটালি থেকে ইংল্যান্ডে চলে যান বলেন যে ওখানে যেয়ে নতুন ব্যবসা করবে। লন্ডনে ব্যবসার কথা বলায় নিশাতের ঠিকাদারি ব্যবসার সমস্ত টাকা এবং বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে নেয় মিনহাজ। কুমিল্লার বাড়ি ঢাকার ফ্লাট মিনহাজ ও আমি তার স্ত্রী হিসেবে যৌথ স্বাক্ষরে বন্ধক ও ভাড়া প্রদান করে মিনহাজ টাকা নেয়। 

এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে নিশাতকে টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দিতো মিনহাজ। এরই মাঝে ইটালী আওয়ামীলীগের একজন নেতার মাধ্যমে জানতে পারে মিনহাজের ৮ বছর ৯ মাসের সাজা হয় এবং ৫ লক্ষ পাঁচশত চুয়ান্ন হাজার ইউরো জরিমানা হয় ইটালীর আদালতে। 

এদিকে মিনহাজ নিশাতকে বলে প্রবাসী কল্যান ব্যাংক থেকে ৬-৭ কোটি টাকা লোন নিতে অথবা অন্য কোন ব্যাংকে চেষ্টা করতে। এরই মাঝে মিনহাজের প্রথম স্ত্রী উম্মে সালমা নিশাতের সাথে যোগাযোগ করে মিনহাজ সম্পের্কে সব কিছু অবগত করে। সালমার নামে এবং সালমার ভাইয়ের নামে লোন করে মিনহাজ অনেক টাকা নিয়ে গেছে কিন্তু অদ্যবদি সে লোনের টাকা পরিশোধ করেনি। 

এইসব তথ্য জানার পর নিশাত মিনহাজের ফাঁদে পা না দিয়ে এবং ধার নেয়া টাকা ফেরৎ চায়। এতে কাল হয়ে দাড়ায় নিশাতের। বিভিন্নাভাবে হয়রানি শুরু করে নিশাতের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এরই মধ্যে হঠাৎ করে সে আমার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিনহাজ। 

এরই মাঝে তাদের কোল জুড়ে আসে একমাত্র পুত্র মিনশাত রহমান স্বাধীন, যার বয়স এখন ৪ বছর ২ মাস। সে সন্তান বর্তমানে মারাত্মক হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত। তার ছেলের চিকিৎসার জন্য বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ডাক্তার বলেছে শিশুটিকে সিঙ্গাপুর নিয়ে চিকিৎসা করাতে।

সম্প্রতি টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন মিডিয়ার অপ্রপ্রচার চালাচ্ছে সে নাকি তার স্ত্রী না। নিশাত বলেন, স্ত্রী না হলে ৮টি বছর তার সাথে কিভাবে সংসার করলো। পাসপোর্টসহ সকল কাগজে কিভাবে নিশাতের নাম আসলো। ৮ বছর তার বাড়ীতে কিভাবে বসবাস করছে। নিশাত প্রশাসন ও সরকারের কাছে দাবী জানান, তার সন্তানটিকে বাচাতে, তাকে বাচাতে, তার স্ত্রীর মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে। তিনি দিন দিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি মানষিক ভাবে বিপর্যস্ত। মিনহাজ যে কোন সময় তাকে হত্যা করতে পারে। তিনি নিজের ও সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা দাবী করেন।


আরও খবর



গজারিয়ায় মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

 শাহাদাত হোসেন সায়মনঃ

গজারিয়ায় মধ্য ভাটেরচর স্পোটিং  ক্লাবের উদ্যোগে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

 শুক্রবার বিকাল ৪ঘটিকায় টেঙ্গারচর ইউনিয়নের ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের  মাঠে এ মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন দেশবন্ধু গ্রুপের মহা-ব্যবস্থাপক,বোর্ড অব ডিরেক্টর দেশবন্ধু পলিমার লিমিটেড প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন।

দেশবন্ধু গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় খেলায় সভাপতিত্ব করেন,মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীরপ্রতীক রফিকুল ইসলাম,

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমির গ্রুপের মহা ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী ইউসুফ শাহরিয়ার,গজারিয়া থানার উপ পরিদর্শক মোঃ হযরত আলী,বিশিষ্ট ব্যবসায়িক ও সমাজ সেবক হাজী ছাদেকুর রহমান,বিশিষ্ট ব্যবসায়িক,সমাজ সেবক খোকন দেওয়ান, নুরুজ্জামান দেওয়ান,রেদোয়ান হোসেন মাছুম,ফয়সাল আহম্মেদ বাবু,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডারের আহবায়ক রবিউল ডালিম,সাবেক ইউপি সদস্য কামাল হোসেন প্রমুখ।

ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করেন বিজয় বাংলা স্পোর্টিং ক্লাব বনাম মুক্ত বাংলা স্পোর্টিং ক্লাব।উক্ত খেলায় বিজয় বাংলা স্পোর্টিং ক্লাবকে ০৪গোলে পরাজিত করে মুক্ত বাংলা স্পোর্টিং ক্লাব।

খেলা পরিচালনা করেন মোঃআল-আমিন, সহকারী ছিলেন সিফাত ও রাকিব। ধারা বিবরনীতে ছিলেন মনির হোসেন মাস্টার।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশবন্ধু গ্রুপের মহা-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সমাজ থেকে কুসংস্কার, অন্যায়-অত্যাচার দূরীকরণে যেমন শিক্ষার বিকল্প নেই,তেমনি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনেও খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার সুযোগ করে দিতে হবে।


আরও খবর



সিলেটে আবারও বন্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

টানা বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢলে সিলেট জেলায় আবারও বন্যায় দেখা দিয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে।

জেলার সদর, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

জেলার অন্তত ৫ শতাধিক গ্রাম ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার দুপুরে জানিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে সুরমা নদীর তীর উপচে আবারও পানি ঢুকছে সিলেট নগরীতে। নগরীর সুরমা নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসা-বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্যা কবলিত হয়ে পড়ছে।

নগরীর শাহজালাল উপশহর, তেররতন, ছড়ারপাড়, কালিঘাট, তালতলা, জামতলা, শেখঘাটসহ ৮-১০টি এলাকা ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার মূল সড়ক, অলি-গলি, বাসা-বাড়ি, দোকানপাটে পানি ঢুকেছে। ফলে আর্থিক ক্ষতি ও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন (পাউবো) বোর্ড সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল।

সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৯৯ সেন্টিমিটার, সিলেট পয়েন্টে বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জে বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩ সেন্টিমিটার, সারি নদীর পানি সারিঘাটে বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবো প্রকৌশলী আসিফ আহমদ জানান, পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পানি ক্রমশ বাড়ছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

নগরীর কিছু এলাকা ছাড়াও জেলার ৫ শতাধিক গ্রাম ইতিমধ্যে বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব এলাকার অনেক সরকারি দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকেছে। ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ফের বন্যা দেখা দেওয়ায় মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট নগরীর বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় মানুষ কিছুদিন আগের বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠার আগেই আবারও বন্যার ক্ষতি ও দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন।

অনেকের বাসা-বাড়িতে পানি ঢুকে আসবাবপত্র ভিজে নষ্ট হচ্ছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকায় আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে আরও বেশি।

তালতলা এলাকার আবদুস সালাম বলেন, ১৫দিন আগে বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছিল, সেটাই কাটিয়ে উঠতে পারিনি। এখন আবারও বন্যা। এই ক্ষতি ও দুর্ভোগ কীভাবে মোকাবিলা করবো বুঝে উঠতে পারছি না।

এদিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। বানের পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার বেশির ভাগ ঘরবাড়ি, জনপদ, রাস্তাঘাট। পানিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সিলেট জেলা সদরের সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে সকল হাট বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং জানান, বন্যার্তদের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। 

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় যেসব স্থানে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা প্রয়োজন সেখানে আশ্রয়কেন্দ্র খুলতে উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত ত্রাণ বিতরণেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।


আরও খবর



যেসব কর্মকর্তারা নির্বাচনকে বিতর্ক করার মিশন নিয়ে নেমেছিল তাদের তদন্ত করতে হবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 |
Image

কু‌মিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি বলেছেন,নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রথম নির্বাচন ‘কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন’ সফল-সার্থক ভাবে করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এ নির্বাচনকে অত্যন্ত ধৈর্য্যরে সাথে মোকাবেলা করেছি। এতে আপনাদের সন্তান কুমিল্লার বাহার আরেকটি ইতিহাস সৃষ্টি করল বাংলাদেশে। এ সূষ্ঠ নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে কিছু অসাধু কর্মকর্তা বিশেষ মিশন নিয়ে নেমেছিল। তারা শুধু নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার পাশাপাশি আন্তরজাতিক ভাবে প্রমাণ করাতে চেয়েছেলি বাংলাদেশে সূষ্ঠু নির্বাচন হয় না। যারা এ কাজ করেছে  তারা হয় স্বাধীনতা বিরোধী লোক নতুবা বিশাল টাকার বিনিময়ে এ কাজ করেছে। এসব অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হবে।

 বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নবাগত মেয়র-কাউন্সিলরদের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। এসময় নবনির্বাচিত মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত, এমপি বাহারের সহধর্মেনী নারী নেত্রী মেহেরুন্নেসা বাহার, নবনির্বাচিত মেয়র পতœী অধ্যাপিকা ফারহানা হক শিল্পী ,মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুল্লাহ খোকন, জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল¬াহ আল মাহমুদ সহিদ, আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম টুটুল, জাগ্রত মানবিকতার চেয়ারম্যান তাহসিন বাহার সূচনা ও বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নব নির্বাচিত কাউন্সিলরগণ, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 হাজী বাহার এমপি আরও বলেন, কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে সাড়ে তিন হাজার পুলিশ সদস্য কাজ করেছেন। দূর্নীতিগ্রস্থ ৭/৮ জন কর্মকর্তা নির্বাচন নসাৎ করার চেষ্টা করেছে। সব কর্মকর্তা এক রকম না। কুমিল্লা পুলিশ সুপার একজন সৎ মানুষ। তাকে নিয়ে কারো কোন অভিযোগ নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবেও তাকে পছন্দ করি। কিন্তু বাতির নিচের অন্ধকার থাকে। এমনই একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহান সরকার। সে যেখানে নৌকার ব্যাজ পড়া লোক পেয়েছে সেখানে অকারণে নৌকা কর্মীদের পিটিয়েছে। নৌকার ব্যাজ ধরে টানাটানি করেছেন। নৌকার কর্মীদের গালিগালাজ করেছে। আমাদের কর্মীদের পিটিয়ে বেহুশ করে দিয়েছেন। সে একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।  এক সময়  তার বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছিল। তখন সে আমার  সরাপন্ন হয়েছিল। এ নির্বাচনে তার কর্মকান্ডে দেখে বুঝলাম সে ভূয়া মুক্তিযুদ্ধার সন্তান। মুুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষ বিনা কারণে নৌকার ব্যাজ ছিড়তে পারে না। নৌকার কর্মীদের পিটাতে পারেনা। নৌকার কর্মীদের গালাগালি করতে পারে না। তার আবারো তদন্ত হওয়া দরকার। নির্বাচনে কয়েকজন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্যাট এমন আচরণ করেছে আল্লাহর পরে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে আমাদের সাথে। একজন ম্যাজিস্ট্যাট বিনা কারণে নৌকার চিফ এজেন্ট আতিকুল্লাহ খোকনের সাথে সাথে বাাজে আচরণ করেছে। ভোটারদের হয়রানী করেছেন। নির্বাচনে আচরন বিধি লংঘনের দায়ে ১২ জন লোককে জেল দেওয়া হয়েছে।  সবাই নৌকার লোক। নৌকা ছাড়া একজন লোকও নেই। ৪৫ জন ম্যাজিস্ট্যাট এ কাজ করে নাই। যারা নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চেয়েছিল তাদের তদন্ত করতে হবে। সাক্কু সাব অহেতুক অভিযোগে তিন টা চিঠি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। চক্রান্ত করে আমার নামে একটা আশালীল ছিঠি ইস্যু করা হয়েছিল নির্বাচন কমিশন থেকে। তারা চক্রান্ত করে কুমিল্লা থেকে ত্যাগ করাতে চেয়েছিল। যেন কুমিল্লায় নির্বাচেেনর পরিবেশ নষ্ট হয়। নির্বাচনে লাশ পড়ে। আমি যদি কুমিল্লায় না থাকতাম তাহলে লাশ পড়ত। আমি সকল কর্মীদের বলেছিলাম তারা ধৈর্য্য ধরে নির্বাচনে কাজ করে। আমরা ধৈর্য্য ধরার কারণে কোন অঘটন ঘটেনি।

এর আগে নবনির্বাচিত মেয়র আরফানুল হক রিফাত মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ও দলীয় নব-নির্বাচিত কাউন্সিলরদের নিয়ে দলীয় কার্যলয়ের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিকেলে নগর উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর মূর‌্যালেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আরফানুল হক রিফাত।


আরও খবর