Logo
শিরোনাম

শ্রীনগরে নারীকে গুলির ঘটনার মূল আসামী রাসেল গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

শাহ আলম ইসলাম নিতুল : মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগরে চাঁদা না পেয়ে বিদ্যুৎ বেগম (৫৫) নামে এক নারীকে গুলির ঘটনার মূল আসামী রাসেলকে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আটক করা হয়।  শ্রীনগর থানা পুলিশ রাসেলকে  বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করেছে। 

গত ১১ অক্টোরব রাত ৭ টার দিকে বাঘড়া এলাকার রাসেল তার চাচা আশ্রাব আলীর বাড়িতে ঢুকে চাঁদা দাবী করে। এনিয়ে কথা কাটাকাটির সময় রাসেল তার চাবী বিদ্যুৎ বেগমের তলপেটে গুলি করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে সে কিছুটা সুস্থ্য হয়ে উঠে। এই ঘটনায় শ্রীনগর থানায় মামলা হয়। 

অপর একটি সূত্র জানায়, এর আগে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ রাসেলকে গুলি করেছিল। 

শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, রাসেলের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। 


আরও খবর



আইপিএল ফাইনালে ১১৩ রানে অল আউট হায়দরাবাদ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফাইনালের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে অল আউটের বাজে রেকর্ড গড়ল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।


 কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ১৮.৩ ওভারে ১১৩ রানে অলআউট হয় হায়দরাবাদ।


রোববার (২৬ মে) চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।


 সর্বশেষ ১৮.৩ ওভারে ১১৩ রানে অল আউট হয় দলটি। ফলে তৃতীয় শিরোপা জিততে কলকাতার প্রয়োজন মাত্র ১১৪ রান। 



এবারের আইপিএলে ফাইনালের আগে দুবার মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতা ও হায়দরাবাদ। লিগ পর্বে একবার, আরেকবার এক নম্বর কোয়ালিফায়ারে। দুবারই জিতেছিল কলকাতা।


কলকাতা এর আগে আইপিএল শিরোপা জিতেছে দুবার (২০১২ ও ২০১৪)। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ আইপিএল শিরোপা জিতেছে ২০১৬ সালে।  


আরও খবর



শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে  রিপোর্ট:

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে একযোগে কাজ করার এখনই সময়। এসডিজি ৮.৭ অর্জনে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাসহ শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও সচেষ্ট হতে হবে।


তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বাস করতেন আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, শিশুরাই তার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। এই ভাবনা থেকেই জাতিসংঘ শিশু সনদের ১৫ বছর আগে ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় শিশু নীতি প্রণয়ন করেন।


শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের শিশু, নারী ও অনগ্রসর অংশসহ প্রতিটি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মের স্থিতিশীলতা, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ ও অধিকার সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেন।



 তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থাতে (আইএলও) যোগ দেয়। শিশু শিক্ষার বিকাশ নিশ্চিত করতে তিনি প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুসহ সব নাগরিকের মৌলিক অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ২৮(৪) অনুচ্ছেদে নারী, শিশু ও সমাজের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশে শিশু শ্রম প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। শ্রমজীবী শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে প্রত্যাহারের লক্ষ্যে আমরা ‘জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০’ প্রণয়ন করেছি। 



এ নীতি বাস্তবায়নে জাতীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ, উপজেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটি, জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটি এবং বিভাগীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ গঠন করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শিশুদের জন্য ৪৩টি কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবে চিহ্নিত করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।


শেখ হাসিনা বলেন, এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘শিশুশ্রম নিরসন ও পুনর্বাসন প্রকল্প’ নামে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যা এ বছর শেষ হবে।



 গৃহকর্মে শিশুশ্রম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫’। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অনুযায়ী আমরা দেশকে সব ধরনের শিশুশ্রম থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২১-২৫ প্রণয়ন করেছি এবং এটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।


তিনি আরও বলেন, আমাদের সরকার ‘জাতীয় শিশুনীতি-২০১১’, ‘শিশু আইন-২০১৩’, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭’ প্রণয়ন করেছে। এ ছাড়া সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পুনর্বাসন এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বিকাশে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতে বিনামূল্যে নতুন বই প্রদান করা হচ্ছে। প্রায় শতভাগ শিশু আজ স্কুলে যাচ্ছে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া শিশুশ্রম নিরসনে আমরা বেসরকারি খাতগুলোকে সম্পৃক্ত করেছি। সহিংসতা ও শোষণ থেকে শিশুদের সুরক্ষা সম্পর্কে নিয়োগদাতাদের প্রশিক্ষিত করার বিষয়টিতে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি।



আরও খবর



যে কারনে ফিলিস্তিনের সমর্থনের পোস্ট ডিলিট করলেন মাধুরী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক :


ফিলিস্তিনের শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বলিউডের একাধিক তারকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিংয়ে থাকা ‘অল আইজ অন রাফাহ’ হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা।


 তারকাদের সঙ্গে প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত, কিন্তু পোস্ট করার কিছুক্ষণ পরেই তা ডিলিট করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন অভিনেত্রী।


হিন্দুস্তান টাইমসেরে প্রতিবেদন অনুযায়ী, অল আইজ অন রাফা পোস্ট শেয়ার করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটা ডিলিট করে দেন অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। তারপর থেকে নেটিজেনরা তাকে কটাক্ষ করছেন ।


এরইমধ্যে গোলাপী লেহেঙ্গায় এক ইনস্টাগ্রাম রিলে দেখা গেছে মাধুরীকে। আর অভিনেত্রীর এ রিলের মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘পোস্ট করে আবার তা মুছে ফেলা খুবই দুঃখজনক, আমরা খুবই হতাশ।’ 



আরেকজন লিখেছেন, ‘প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হওয়ার পর ম্যাম আপনি পোস্টটি মুছে ফেলেছেন!’


 

মাধুরীর মুছে ফেলা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে এক্সে হ্যান্ডেলে একজন লিখেছেন, ‘মাধুরী দীক্ষিতও এটি মুছে দিয়েছেন। আমরা বেশ মর্মাহত হয়েছি।’


ইতিমধ্যেই ‘অল আইজ অন রাফাহ’ হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন রিচা চাড্ডা, বরুণ ধাওয়ান, সোনাক্ষী সিনহা, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, কারিনা কাপুর খান, সামান্থা রুথ প্রভু, তৃপ্তি দিমরি, দিয়া মির্জা, আলিয়া ভাটসহ আরও বেশ কয়েকজন ভারতীয় অভিনেতা।


আরও খবর



মতিউরের বিরুদ্ধে দূর্নীতি তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুদক

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।


রোববার (২৩ জুন) দুদকের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


দুদক জানিয়েছে, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি টিম গঠন করে কাজ শুরু করেছে কমিশন। আগের অভিযোগ পর্যালোচনা করে দেখবে তারা। 



তার সম্পদের বিষয়ে সব কিছুই তদন্ত করে দেখবে কমিশন। মতিউরের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত হয় গত ৪ জুন। তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।


এর আগে আজই এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে মতিউর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


তার ছেলের কারণে মতিউর রহমান কিছুদিন ধরে আলোচনায় আছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ‘সাদিক অ্যাগ্রো’ ফার্ম থেকে অ্যাগ্রো বিটল প্রজাতির খাসি ১৫ লাখ টাকায় কিনে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক।



 সাদিক অ্যাগ্রোতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে ওই ছাগলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ইফাত বলেন, এ রকম একটি খাসি কেনা আমার স্বপ্ন ছিল। এ রকম খাসি আমার জীবনে প্রথম দেখা। এটা আমার হবে, জানা ছিল না। আল্লাহ নসিবে রাখছে, তাই হইছে। 


১১ জুন এটি ধানমন্ডি-৮ এ ডেলিভারি দেওয়া হবে বলা হয় এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।


ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গুঞ্জন ওঠে, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে। রাজস্ব কর্মকর্তা বাবার দুর্নীতির টাকায় তিনি ১৫ লাখ টাকায় খাসিটি কিনেছিলেন। এ ঘটনায় ওই ছেলে ও তার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে চলছে বিস্তর সমালোচনা। বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টে খাসির ক্রেতা যুবকের বাবার দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।


এর পর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি থাকার বিষয়ে একের পর এক খবর প্রকাশিত হতে থাকে।


এদিকে আজই অর্থ মন্ত্রণালয় মতিউর রহমানের বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এতে বলা হয়, এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। 



তবে কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ‘জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



আরও খবর



আছাদুজ্জামান মিয়ার তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এডিসি জিসানুল বরখাস্ত

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।


এর আগে আছাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে অনলাইনে গেল, সেটি নিয়ে তদন্ত করে পুলিশ। এই কর্মকর্তা ছাড়াও পুলিশের আরও দুজন নন ক্যাডার সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।



রোববার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা শাখা থেকে এডিসি জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।


সচিব মো. জাহাংগীর আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জিসানুল হকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ধারা ৩৯ (১) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর বিধি ১২ (১) অনুযায়ী চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।


এ ছাড়াও প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ সার্ভিস রুল অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



এর আগে আছাদুজ্জামান মিয়াকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আছাদুজ্জামান মিয়ার ‘ইএসএএফ’ ছড়িয়ে পরে। ইএসএএফ ফরম হলো- ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রাইবার অ্যাপলিকেশন ফরম, যা মূলত মোবাইল গ্রাহকেরা পূরণ করে থাকেন। এই ফরমে একজন ফোন গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, আঙুলের ছাপসহ বিস্তারিত তথ্য থাকে।


ফরমটি প্রকাশের পর পুলিশের উচ্চপর্যায় থেকে বিষয়টি তদন্ত করতে বলা হয়। গাজীপুরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নাজির আহমদ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। ফরমটিতে থাকা কিউআর কোড পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগর পুলিশের বৈধ আড়িপাতা শাখার একজন এএসআই ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার থেকে এটি ডাউনলোড করেছেন। 



তদন্তে বেরিয়ে আসে গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পদের এক কর্মকর্তা গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আছাদুজ্জামানের মোবাইল ফোনের তথ্য চেয়ে বৈধ আড়িপাতা শাখার এক এসআইকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দেন। 



সেই বার্তারভিত্তিতে তিনি অন্য একজন এএসআইকে সেটা ডাউনলোড করতে বলেন। পরে সেটা কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়। তদন্তে দেখা যায় অনলাইনে প্রকাশিত ফরমটি হুবহু সেই ফরম।


পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এরপর রোববার জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি হয়।


আরও খবর

রাজধানী ঢাকা এখন ফাঁকা

মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪